নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

লেখি কম পড়ি বেশী....

...

সুহেদ

...

সুহেদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

চার রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের অভিন্ন বেতন কাঠামো –প্রতারনার নতুন মাইলফলক..

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৩ সকাল ১১:৫৬

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রুপালী ব্যাংককে পাবলিক লিমেটেড কোম্পানীতে রুপান্তরিত করা হয় ২০০৭ সালে। চার রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকর আমরা যারা ২০০৭ সালে লিমিটেড কোম্পানী হওয়ার পর ব্যাংকে যোগদান করেছি তাদেরকে প্রাইভেট কোম্পানীগুলুর মত CPF(Contributed Provident Fund)আওতায় অন্তভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে চাকুরী জীবন শেষে আমাদের কোন পেনশন সুবিধা দেওয়া হবেনা । ২০০৭ সালের আগে যোগদানকৃতরা সরকারী চাকুরীজীবিদের ন্যায় GPF আওতা ভুক্ত, তারা পেনশিনসহ সরকারী সকল সুবিধা ভোগ করেন । তারা চাকুরী অবসর কালে সরকারী অন্যসকল কর্মকর্তা কর্মচারীর মত পেনশন সুবিধা পাবে।



তাহলে আমরা যারা নতুন যোগদান করেছি আমরা দোষটা কোথায় !!

একই ব্যাংকে কাজ করি অথচ আমাদের অন্য সহকর্মীর তূলনায় আমরা অনেক কম সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি, একই প্রতিষ্ঠানে দুইরকম নীতি। এটা কখন মানা যায়না। আমাদের পেনশন ও দেওয়া হবেনা আবার স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর আওতায় বেতন ও দেওয়া হবেনা। তাই যদি হয় তাহলে ব্যাংকে কেন কোম্পানী করার দরকার ছিল। আর যদিবা করলেন তাহলে কোম্পানীর মত সুযোগসুবিধা দিলেন না কেন? । আর যদি নাই বাই দিলেন তাহলে কেন CPF ও GPF এর বৈষম্য সৃষ্টি করলেন?, কেন পেনশন সুবিধা তুলে দিলেন। এটা কি আমাদের সাথে প্রতারনা নয়। আমরা কি এ প্রতারনার স্বীকার নই। আমরা এ প্রতারণা থেকে মুক্তি পেতে চাই।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:০৯

নাদিম সুলতান রুপক বলেছেন: ইতিহাসের জঘন্যতম প্রতারনাগুলোর মধ্যে এটাও পড়বে।

২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:৪২

হ্যাপি পেঙ্গুইন বলেছেন: মুক্তি পাওয়ার আশা আদৗ আছে কি?

৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:৪৩

নাহুয়াল মিথ বলেছেন: হয় জিপিএফ নয় স্বতন্ত্র বেতন দেয়া হোক,

এই চুদুরবুদুর এর অবসান হোক :-B

৪| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:৫৪

বাক স্বাধীনতা বলেছেন: জোর করে কখনও মানুষের অধিকার ফিরিয়ে রাখা যায় না। স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো ব্যাংকের তরুণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি। এই দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি।

৫| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৬

শেখ তাওহিদুজ্জামান বলেছেন: আরো একটা মজার ব্যাপার সবার জানা উচিত। তা হল, আমাদের যে গ্রাচুইটি দেওয়া হবে সেই গ্রাচুইটি এর জন্য কোন ফান্ড ক্রিয়েট করা নাই। অর্থাৎ যারা জিপিএফ ভোক্তা তাদের জন্য প্রতি মাসে মুল বেতনের ২৫% পরিমান ব্যাংক খরচ ডেবিট করে সি আই বি টি এ পাঠানো হয়। এই টাকা একটা ফানডে জমা হয়। আর যারা সিপিএফ ভোক্তা তাদের জন্য মুল বেতনের ১৫% ফান্ড যাওয়ার কথা। কিন্তু এইটা করা হয় না। তার মানে ২০০৮ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় কয়েক শত কোটি টাকা ফান্ড শর্ট আছে। মানে আমাদের যেই গ্রাচুইটি দেওয়া হবে তা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে ।এত টাকা একবারে কোথা থেকে যোগার হবে??

৬| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৪:৫০

শেখ তাওহিদুজ্জামান বলেছেন: র

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.