| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কাঙাল মামা
....:: রাজাকার মুক্ত ব্লগ চাই :::.... আমি খুব সাধারন এক মানুষ। ৩ বছর ধরে Electronics And Electrical Engineering এ গ্রাজুয়েশন করার চেষ্টা করতেছি...আরো ১ বছর বাকি.. আমি ও পজেটিভ....রক্ত লাগলে আওয়াজ দিবেন.. গান আর রক্তের ব্যাপারে কোনো সাহায্য লাগলে কাঙাল মামা ছাড়া আর কারো কাছে যাবেন না!!! আমি যা ভাববো তাই লিখবো। আমার সাথে ভালো থেকে নিজের ভালো থাকা নিশ্চিত করবেন। জীবনে এতটা ঘৃণা আর কাউকে করি না যতটা রাজাকার আর শিবিরদের করি। ব্লগটাকে ভালো লাগে, তাই লিখে যাই। প্রথম আলোর নিকটা আমারই।কিন্তু ওখানে কোনো লেখা লিখবো না।ঐটা শুধুমাত্র "চর দখল" টাইপের রেজিস্ট্রেশন।
২ দিন আগে সহ ব্লগার তাসবিরের কাছ থেকে অপারেশন জ্যাকপট নিয়ে প্রথমবার শুনি। ওর দেয়া উইকিপিডিয়া লিংক ঘুরে পেয়ে যাই আরো অবিশ্বাস্য সব তথ্য। গর্বে বুক ফুলে যাওয়ার মত ব্যাপার। হালের Inglourious Basterds বা Saving Private Ryan, Pearl Harbor , Black Hawk Down বা Valkyrie আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের এই অপারেশনের কাছে নস্যি! আমার মত হয়তো অনেকেই জানেন না বিষয়টা, তাই ব্লগে তুলে দিলাম..
অপারেশন জ্যাকপট বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নৌ-সেক্টর পরিচালিত সফলতম গেরিলা অপারেশন। এটি ছিল একটি আত্মঘাতী অপারেশন। এ অপারেশন ১৯৭১ এর ১৫ আগস্ট রাত ১২টার পর অর্থাৎ ১৬ আগস্ট প্রথম প্রহরে চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্র বন্দর এবং দেশের অভ্যন্তরে আরো কয়েকটি নদী বন্দরে একই সময়ে পরিচালিত হয়[১]। ১০নং সেক্টরের অধীনে ট্রেনিং প্রাপ্ত নৌ কমান্ডো যোদ্ধাদের অসীম সাহসিকতার নিদর্শন এই অপারেশন জ্যাকপট। এই গেরিলা অপারেশনে পাকিস্তানি বাহিনীর অনেকগুলো অস্ত্র ও রসদবাহী জাহাজ ধ্বংসপ্রাপ্ত ও বড় রকমের ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজগুলোর মধ্যে পাকিস্তানি বাহিনীকে সাহায্যকারী অনেকগুলো বিদেশি জাহাজও থাকায় এই অপারেশন বাংলাদেশের যুদ্ধ এবং যোদ্ধাদেরকে সারা বিশ্বে পরিচিতি পাইয়ে দেয়।
নৌ-কমান্ডো সেক্টর
বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের সময় যে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল তার মধ্য দেশের অভ্যন্তরীন সকল নৌ চলাচল, বন্দর এবং উপকূলীয় এলাকা নিয়ে গঠিত হয়েছিল ১০নং সেক্টর বা নৌ সেক্টর। এ সেক্টরের কোন নির্দিষ্ট সেক্টর কমান্ডার ছিল না। যখন যে সেক্টরে অপারেশন চলত তখন সেই সেক্টরের কমান্ডারদের সহযোগীতায় নৌ-গেরিলাদের কাজ করতে হত। তারা সরাসরি মুজিবনগর হেডকোয়ার্টারের অধীনে কাজ করতেন।
পেছনের কথা
মার্চের শুরুর দিকে পাকিস্তানি সাবমেরিন পি এন এস ম্যাংরো ফ্রান্সের তুলন সাবমেরিন ডকইয়ার্ডে যায় পাকিস্তানি সাবমেরিনারদের প্রশিক্ষন দেয়ার জন্য। সেই ৪১ জন সাবমেরিনারদের মধ্যে ১৩ জন ছিলেন বাঙালি অফিসার। তারা আন্তর্জাতিক প্রচার মাধ্যমে ২৫ মার্চের গণহত্যার কথা শুনে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসার সিদ্ধান্ত নেন। এর মধ্যে ৮ জন ৩০ মার্চ বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ৯ এপ্রিল ১৯৭১ তারা দিল্লিতে এসে পৌছান[২]। এখানে তাদের নাম উল্লেখ করা হলোঃ-[৩]
১. মোঃ রহমতউল্লাহ।
২. মোঃ সৈয়দ মোশাররফ হোসেন।
৩. মোঃ শেখ আমানউল্লাহ।
৪. মোঃ আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী।
৫. মোঃ আহসানউল্লাহ।
৬. মোঃ আবদুর রকিব মিয়া।
৭. মো আবদুর রহমান আবেদ।
৮. মোঃ বদিউল আলম।
তারপর উক্ত ৮জনের সাথে আরো কয়েকজনকে একত্র করে ২০ জনের একটি গেরিলা দল গঠন করে তাদের ভারতে বিশেষ ট্রেনিং দেয়া হয়। তারপর তারা দেশে আসলে তাদের সাথে কর্নেল ওসমানীর দেখা করানো হয়। তখন ওসমানী নৌ-কমান্ডো বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
গেরিলা ট্রেনিং পর্ব
ওসমানীর সিদ্ধান্তে নৌ-কমান্ডো সেক্টর খোলার পর বাছাইকৃত গেরিলাদের ট্রেনিং দেয়ার উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক পলাশীর স্মৃতিসৌধের পাশে ভাগীরথী নদীর তীরে ২৩ মে ১৯৭১ তারিখে একটি গোপন ট্রেনিং ক্যাম্প খোলা হয়। এই ট্রেনিং ক্যাম্পের সাংকেতিক নাম দেয়া হয় সি-২ পি (C-2 P)। এখানে ট্রেনিং দেয়ার উদ্দেশ্যে অন্যান্য সেক্টরসমূহের বিভিন্ন শিবির থেকে জুন মাসের শুরুর দিকে প্রায় ৩০০ জন বাছাইকৃত যোদ্ধা সংগ্রহ করা হয়[৪]। ট্রেনিং ক্যাম্পে এদের কি ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে সে বিষয়টি এতই গোপনীয় ছিল যে, সেক্টর কমান্ডারদের মধ্যেও শুধুমাত্র যার এলাকায় অপারেশন চালানো হবে তিনি ব্যাতিত আর কেউ এই সম্পর্কে জানতেন না[৫]।
ট্রেনিং শুরু হবার আগেই বাছাইকৃত যোদ্ধাদের বলে দেয়া হয় যে এটি একটি সুইসাইডাল অপারেশন বা আত্মঘাতী যুদ্ধ হবে। তাই অপারেশনের সময় যেকোন মূল্যে অপারেশন সফল করারা উদ্দেশ্যে প্রয়োজনে তাদের প্রাণ দিতে হতে পারে। তাই প্রশিক্ষণের শুরুতেই প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীদের ছবি সহ একটি সম্মতিসূচক ফর্মে স্বাক্ষর নেয়া হতো।ফর্মে লেখা থাকতো যে, আমি দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন বিসর্জন দিতে সম্মত হয়েই এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছি, আর যুদ্ধে আমার মৃত্যু ঘটলে কেউ দায়ী থাকবে না।[৬]
নৌ-কমান্ডোদের ঐ প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন ভারতীয় নেভাল অফিসার লেঃ কমান্ডার জি এম মার্টিস। প্রশিক্ষকদের মধ্যে ফ্রান্স থেকে পালিয়ে আসা ৮ জন সাব-মেরিনার ছাড়াও আরো ছিলেন মিঃ গুপ্ত, পি কে ভট্টাচার্য, কে সিং, এল সিং, মারাঠি নানা বুজ এবং সমীর কুমার দাশসহ আরো কয়েকজন[৩]।
ট্রেনিং এর দুটো অংশ ছিল। সবাইকে প্রয়োজনীয় স্থলযুদ্ধ যেমনঃ- গ্রেনেড নিক্ষেপ, এক্সপ্লোসিভের ব্যবহার, স্টেনগান রিভলবার চালানো, আন-আর্মড কমব্যাট(খালি হাতে যুদ্ধ) ইত্যাদি শিখতে হতো। আর জলযুদ্ধের ট্রেনিঙের মধ্যে ছিল বিভিন্ন ধরনের সাতার যেমনঃ- বুকে ৫-৬কেজি ওজনের পাথর বেধে সাতার, চিৎ সাতার, কোন মতে পানির উপরে নাক ভাসিয়ে একটানা অনেক্ষন সাতার, পানিতে সাতরিয়ে এবং ডুব সাতার দিয়ে লিমপেট মাইন ব্যবহার, স্রোতের প্রতিকূলে সাতার, জাহাজের কেবল ভাঙা ইত্যাদি কঠিন সব প্রশিক্ষণ দেয়া হত তীব্র খরস্রোতা ভাগীরথী নদীতে। শীত-বর্ষায় একটানা ৪৮ ঘন্টা পানিতে থাকার অভ্যাস করতে হয় সব যোদ্ধাকে[৭]।
প্রায় টানা দু'মাস ট্রেনিঙের পর আগস্টের প্রথম সাপ্তাহে তাদের ট্রেনিং শেষ হয়।
অপারশনের বর্ণনা
যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের শেষদিকে এসে আক্রমনের পরিকল্পনা সাজানো হতে থাকে। একই সাথে একই সময়ে দুই সমুদ্র বন্দর ও দুই নদী বন্দরে আক্রমন চালানোর জন্য চার সেক্টরের পরিকল্পনার সমন্বয় ঘটানো হয়। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রথম ব্যাচকে চার স্থানে আক্রমনের উদ্দেশ্যে মোট চারটি দলে ভাগ করা হয়েছিল। ৬০ জনের ২টি দল এবং ২০ জনের আরো ২টি দল। চারটি দলের চারজন লিডার ঠিক করে দেয়া হয়েছিল। টিম লিডারদের অপারেশন পরিচালনার জন্য শিখিয়ে দেয়া হয়েছিল বিশেষ গোপনীয় পদ্ধতি যা টিমের অন্যান্য সদস্যদের কাছে গোপন রাখা হয়েছিল[৩]। টিম লিডারদের বলা হয়েছিল যে, দুটি পুরোনো দিনের বাংলা গানকে সতর্ক সঙ্কেত হিসেবে ব্যবহার করা হবে। গান দুটি প্রচার করা হবে কলকাতা আকাশবানীর আলাদা দুটি ফ্রিকোয়েন্সি থেকে,যেই ফ্রিকোয়েন্সি শুধু টিমের টিম লিডাররাই জানতো[৫]। গানদুটি ও তাদের সঙ্কেত হলোঃ-
১. আমি তোমায় যত শুনিয়েছিলাম গান,তার বদলে চাইনি প্রতিদান......। এটি হবে প্রথম সঙ্কেত, এর অর্থ হবে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২য় গান প্রচার হবে। এর মধ্যে আক্রমনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন কর।
২. আমার পুতুল আজকে প্রথম যাবে শশুড় বাড়ি......। এটি ২য় এবং চূড়ান্ত সঙ্কেত, অর্থাৎ সুস্পষ্ট নির্দেশ যে নির্ধারিত সময়ে যে ভাবেই হোক আক্রমণ করতে হবে।[৫] [৮]
দলগুলোর গ্রুপ লিডারদের নাম ও তাদের গন্তব্যগুলো হলঃ-
* গ্রুপ ১- গ্রুপ লিডারঃ সাবমেরিনার আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী। সদস্য সংখ্যাঃ ৬০ । গন্তব্যঃ চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ।
* গ্রুপ ২- গ্রুপ লিডারঃ সাবমেরিনার আমান উল্লাহ শেখ। সদস্য সংখ্যাঃ ৬০ । গন্তব্যঃ মংলা সমুদ্র বন্দর ।
* গ্রুপ ৩- গ্রুপ লিডারঃ সাবমেরিনার বদিউল আলম। সদস্য সংখ্যাঃ ২০ । গন্তব্যঃ চাঁদপুর নদী বন্দর ।
* গ্রুপ ৪- গ্রুপ লিডারঃ সাবমেরিনার আবদুর রহমান। সদস্য সংখ্যাঃ ২০ । গন্তব্যঃ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দর ।[৩]
যাত্রা শুরু হয়েছিল পলাশির হরিনা ক্যাম্প থেকে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল, তারা একযোগে পৌছে যাবেন স্ব স্ব এলাকা চট্টগ্রাম,খুলনা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ।তারা যাত্রা করার সময় তাদেরকে প্রয়োজনীয় অস্ত্র দিয়ে দেয়া হয়। প্রত্যেক নৌ-কমান্ডোকে একটি করে লিমপেট মাইন,ছুরি,একজোড়া সাঁতারের ফিন আর কিছু শুকনো খাবার দেয়া হয়। প্রতি তিন জনের জন্য একটি করে স্টেনগান এবং গ্রুপ লিডারদের দেয়া হয় একটি করে ট্রানজিস্টার। অপারেশনের দিন ধার্য করা হয়েছিল ১৪ আগস্ট অর্থাৎ পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস। তবে সূদূর পলাশী থেকে গন্তব্যস্থলে পৌছাতে বা পথের প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠার সমস্যার কারণে এসব অভিযান দু'এক দিন বিলম্ব হয়।
চট্টগ্রাম বন্দরে অপারেশন পরিচালিত হয় ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে অর্থাৎ ১৬ আগস্ট প্রথম প্রহরে। এ সফল অপারেশনে তিনটি বড় অস্ত্রবাহী জাহাজ এবং একটি সোমালি জাহাজসহ আরো অনেকগুলো জাহাজ ধ্বংস্প্রাপ্ত হয়। বড় জাহাজ গুলো হলোঃ
১. এম ভি হরমুজ। এটি ১৪ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। ৯৯১০ টন অস্ত্রসম্ভারবাহী এই জাহাজটি ১৩ নং জেটিতে নোঙর করা ছিল।
২. এম ভি আল-আব্বাস। এটি ১০৪১৮ টন সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে ৯ আগস্ট ১২ নং জেটিতে অবস্থান নেয়।
৩. ওরিয়েন্ট বার্জ নং ৬ । এটি ৬২৭৬ টন অস্ত্র,গোলাবারুদ নিয়ে ফিস হারবার জেটির সামনে অবস্থান করছিল[৫]।
১৬ আগস্ট একই সাথে মংলা বন্দরেও অপারেশন হয়। এ অপারেশনে ৬০ জন অংশ নেন। তারা বন্দরে অবস্থানরত ২টি মারাঠি, ২টি চীনা, ১টি জাপানী ও ১টি পাকিস্তানি অর্থাৎ মোট ৬টি জাহাজ এবং আরো কিছু নৌযান ডুবিয়ে দিতে সক্ষম হন[৫]।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমান
১৫ আগস্টের ঐ অপারেশন গুলোতেই প্রায় ২৬টি জাহাজ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং আরো অনেক নৌযান ক্ষতিগ্রস্থ হয়[৮]।
আগস্ট মাসের এসব অপারেশন ছাড়াও আগস্ট-নভেম্বর মাসব্যাপী আরো অনেকগুলো নৌ-কমান্ডো অপারেশন পরিচালনা করা হয়। এসব অপারেশনে পাকিস্তানি বাহিনীর আনুমানিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমান হলঃ
1. প্রায় সর্বমোট ৫০৮০০ টন জাহাজ ধ্বংসপ্রাপ্ত ও নিমজ্জিত।
2. ৬৬০৪০ টন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত।
3. এবং বেশ কিছু সংখ্যক পাকিস্তানি নৌযান বাংলাদেশী নৌ-কমান্ডোদের হস্তগত।[৯]
তথ্যসূত্র
১. মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, মুহম্মদ জাফর ইকবাল(পৃ ১১)।
২. সাখাওয়াত হোসেন মজনু। রণাঙ্গনে সূর্য সৈনিক। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্র,চট্টগ্রাম প্রকাশিত।
৩. ৩.০, ৩.১, ৩.২, ৩.৩, ৩.৪, ৩.৫ শামসুল হুদা চৌধুরী। একাত্তরের রণাঙ্গন (আহমদ পাবলিশিং)
৪. Siddiq Salik। Witness to surrender। The University Press Limited প্রকাশিত।
৫. ৫.০, ৫.১, ৫.২, ৫.৩, ৫.৪, ৫.৫ রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে (অনন্যা প্রকাশনী)
৬. লে কর্নেল(অবঃ) আবু ওসমান চৌধুরী। এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। নাজমহল প্রকাশিত। পৃষ্ঠা ২৩১-২৩৭।
৭. ডাঃ মাহফুজুর রহমান। বাঙালির জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্র,চট্টগ্রাম প্রকাশিত।
৮. ৮.০, ৮.১ খলিলুর রহমান (২০০৭)। মুক্তিযুদ্ধে নৌ-অভিযান।
(সাহিত্য প্রকাশ)।
৯. মঈদুল হাসান। মূলধারা '৭১। দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড প্রকাশিত।

আরো জানতে পড়ুন
* Sezan Mahmud। Operation Jackpot। বাংলা প্রকাশ প্রকাশিত।
* শামসুল হুদা চৌধুরী। একাত্তরের রণাঙ্গন। আহমদ পাবলিশিং প্রকাশিত।
* রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে। অনন্যা প্রকাশনী প্রকাশিত।
* খলিলুর রহমান (২০০৭)। মুক্তিযুদ্ধে নৌ-অভিযান। সাহিত্য প্রকাশ প্রকাশিত।
* মোঃ মুমিনূর রহমান (ফেব্রুয়ারি ২০০২)। মুক্তিযুদ্ধে ফ্রগম্যান। সময় প্রকাশন প্রকাশিত।

//বাংলা উইকিপিডিয়া থেকে কপিপেস্ট পোস্ট।
০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:১২
কাঙাল মামা বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ![]()
২|
০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:১২
যুধিষ্ঠির বলেছেন: দারুন
০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:২৬
কাঙাল মামা বলেছেন: জ্বী। ![]()
৩|
০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:১৯
ধ্রুবমেঘ বলেছেন:
প্রথম আলোর "ছুটির দিনে" অপারেশন জ্যাকপট নিয়ে লিখা একটি প্রতিবেদন পড়েছিলাম। শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
শ্রদ্ধা সেই সব বীর যোদ্ধাদেরকে।
০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:২৮
কাঙাল মামা বলেছেন: শ্রদ্ধা সেই সব বীর যোদ্ধাদেরকে..
৪|
০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৪৩
দুখী মানব বলেছেন: শ্রদ্ধা জানাই তাদের
০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৫৮
কাঙাল মামা বলেছেন: ![]()
৫|
০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৪৮
রাহাত ইমাম বলেছেন: সেই বীরদের জানাই সালাম যারা আমাদের মত কাপুরুষদের স্বাধীনতা দেবার জন্য নিজেদের জীবন বাজী রেখেছিলেন
০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১:০০
কাঙাল মামা বলেছেন: ঠিক বলছেন...
৬|
০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৪৯
নাজমুল_০৯ বলেছেন: শ্রদ্ধা সব বীর যোদ্ধাদেরকে
০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১:০০
কাঙাল মামা বলেছেন: ![]()
৭|
০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:০২
স্বপ্নকর বলেছেন: আমিও তাসবিরের কাছ থেকে অপারেশন জ্যাকপট নিয়ে প্রথমবার শুনেছিলাম. শহীদদের প্রতি জানাই শ্রদ্ধা.
০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১:১৭
কাঙাল মামা বলেছেন: হুমম...
৮|
০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৩৬
তাসবির বলেছেন: অউফফ কঠিন পোস্ট মামা ! অপারেশন জ্যাকপট নিয়ে মুভি বানাতে পারলে সেরকম হতো !! টিভিতে একবার অপারেশন জ্যাকপটে অংশগ্রহনকারী একজন টিম লিডারের সাক্ষাতকার দেখেছিলাম । ইউটিউবে থাকলে ভালো হত । সেইসব বীর যোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জানাই
০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১:২২
কাঙাল মামা বলেছেন: হ্যা, মুভি বানানো দরকার। কিন্তু কে বানাবে!!
ইউটুব ঘাটলে জ্যাকপট নামক কি একটা সাদাকালো ছিনেমার গান বাজনা দেখায়, এবং এটা দিয়েই ইউটুব ভর্তি...
৯|
০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:১১
আহমেদ রাকিব বলেছেন: অসাধারন পোষ্ট। ধন্যবাদ আপনাকে।
১০ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:১৪
কাঙাল মামা বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ![]()
১০|
০৯ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:২৯
জনৈক আরাফাত বলেছেন: শ্রদ্ধা
১০ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:১৪
কাঙাল মামা বলেছেন: হুমম।
১১|
০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ৮:১৬
রো-দ্দু-র বলেছেন: শ্রদ্ধাবনত।
ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
১০ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:১৫
কাঙাল মামা বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ![]()
১২|
১০ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:৪৭
জেরী বলেছেন: শ্রদ্ধা সেইসব বীরদের..........।
১৩ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৪২
কাঙাল মামা বলেছেন: হুমম...
১৩|
১৬ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:২৫
মেঘবন্ধু বলেছেন: মামা, সপ্নকর যে 3D গ্লাস বানানের পদ্ধতি কইছিল তুমি কি সেইরম কিছু বানাইছিলা? আমিতো সেলোপেন পেপার খুইজ্জা পাইনাই। তারাতারি জানাও।
১৭ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৩৮
কাঙাল মামা বলেছেন: নারে মামা, আমি এডি আর বানাই নাই। তুমি স্বপ্নকরকে জিগ্গাসা করো না কেন এডি কই পাওয়া যায়? ও নাকি বানাইছে কইলো...
১৪|
১৭ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:০৬
মেঘবন্ধু বলেছেন: মামারে, ওরে জিগাইতে জিগাইতে আমি শেষ, কিন্তু কোন উত্তর দেয় না। আমি এলিফ্যান্ট রোডের ১৫/১৬ টা দোকানে খুজছি কিন্তু লাল-নীল রং এর কোন সেলো পেপার পাই-নাই। অন্য রং এর ছিল।
১৭ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৩৪
কাঙাল মামা বলেছেন: ওকি মামা, আমি ওরে জিগাইয়া আপনার ব্লগে রিপ্লাই পোস্ট কইরা আসুম। চিন্তা কইরেন না। ২ দিন লাগবো।
১৫|
১৭ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:০৩
রেজোওয়ানা বলেছেন: অসাধারণ।
একদমই অজানা ছিল..........
২১ শে জুন, ২০১০ রাত ৮:৫০
কাঙাল মামা বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
১৬|
১৭ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:১৮
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন: এ তো বড় অদ্ভুত পোস্ট ছোটমামা! পড়তে পড়তে শরীরের লোম দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলো। খুব ভালো করেছো এটা নিয়ে লিখেছো... হ্যাটস অফ টু ইউ! প্রিয়তে রেখে দিলাম।
সাব্বাশ! গ্রেট জব ডিয়ার। টু থাম্বস আপ! ![]()
১৮ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১৭
কাঙাল মামা বলেছেন: ধন্যবাদ ছোটাপু ![]()
১৭|
১৭ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৪২
মেঘবন্ধু বলেছেন: এই না হইলে মামা...। আমার আদর নিও তুমি... মামা..........।
১৮ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১৯
কাঙাল মামা বলেছেন: হেহেহে!!! ঠিকাচে...
১৮|
১৭ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৫৩
রিফাত হোসেন বলেছেন: পড়লাম তবে পার্ল হারবারে আক্রমন পৃথিবীর সেরা আক্রমন গুলোর অন্যতম তাই পার্ল হারবার এর হতাহতের ইতিহাস বাংলাদেশের থেকে কম কোন কালেই নয় ।
++++++
তবে বাংলাদেশের উচিত একে চলচ্চিত্রে উপস্থাপন করা কিন্তু অনেক ব্যয় সাপেক্ষ । ![]()
বাংলাদেশ এত প্রযুক্তি গত উন্নত নয় ।
১৮ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:২৩
কাঙাল মামা বলেছেন: অনেকটা একমত। আমি ভূলে গেছি পার্ল হার্বারে কি জেনেশুনে সুইসাইড মিশনে গেছিলো? নাকি তেল শেষ হয়ে যাবার পর ধরা খাইছিলো?
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
১৯|
২১ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৪৮
কালীদাস বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট! প্রিয়তে গেল।
আর ইয়ে, পার্ল হারবারে আমি যতদূর জানি সুইসাইড মিশনই ছিল। যার ফল ছিল হিরোশিমা নাগাসাকি! (ভুল হতেও পারে, তবে বেশিরভাগ জায়গায় এটাই পড়েছি।)
২২ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:০০
কাঙাল মামা বলেছেন: হুমম, ধন্যবাদ ![]()
২০|
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:১৮
নিমপাতা১২ বলেছেন: রক্ত গরম হওয়ার মত পোষ্ট, চোখে পানি এসে যায়, অনেক ধন্যবাদ
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:৫৩
কাঙাল মামা বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
২১|
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩২
কাউসার রুশো বলেছেন: অনেক দেরিতে পোস্টটা পড়লাম। জানিনা আপনার পোস্টটা স্টিকি করা হয়েছিলো কিনা....
অপারেশন জ্যাকপট সম্পর্কে শুনেছিলাম । আপনার পোস্ট থেকে ডিটেইল জানলাম। এত বড় একটা আপারেশন জীবনে কখনও টিভি বা পত্রিকায় হাইলাইট হতে দেখলাম না।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই ।+ ও প্রিয়তে।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১৯
কাঙাল মামা বলেছেন: পোস্টটা স্টিকি করা হয় নি। আপনাকে ধন্যবাদ ![]()
২২|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:২১
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: পড়ে আগেই প্লাস দিয়েছিলাম। মন্তব্য করা হয়নি। মন্তব্য করার মত ভাষাও নেই। উঠে আসুক এমন বীরত্বগাঁথা, আত্মত্যাগ আর স্বাধীনতা উত্তর কালে নিজেদের অক্ষমতা।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:২৪
কাঙাল মামা বলেছেন: ধন্যবাদ।
২৩|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪৬
জটিল বলেছেন: আচ্ছা পরবর্তি প্রজন্মের জন্যে আমরা কি রেখে যাচ্ছি ! আমাদের আগের প্রজন্ম জীবন দিয়ে দেশ বানায় দিয়ে গেল , আর আমরা এখনো সেই দেশটা ঠিকমত গুছাতেই পারলাম না ...
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৭
কাঙাল মামা বলেছেন: ভালো বলছেন ![]()
২৪|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৪৪
সা-কি-ব বলেছেন: ++++++++++++++++++++
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:৩৫
কাঙাল মামা বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
২৫|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩৮
ঘটলা বলেছেন: রাহাত ইমাম বলেছেন: সেই বীরদের জানাই সালাম যারা আমাদের মত কাপুরুষদের স্বাধীনতা দেবার জন্য নিজেদের জীবন বাজী রেখেছিলেন
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৮
কাঙাল মামা বলেছেন: ধন্যবাদ।
২৬|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:২৭
বালক বন্ধু বলেছেন: ভাষা খুজে পাচ্ছিনা সেই বীরদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য। মনে হচ্ছে আমি অনেক ছোট তাদের শ্রদ্ধা জানানোর ক্ষেত্রে।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৯
কাঙাল মামা বলেছেন: আসলেই....আমরা কি করলাম এই জীবনে...?
২৭|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪০
জাওয়াদ হাসান বলেছেন: জোশ পোস্ট। প্লাস দিয়া গেলাম।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১০
কাঙাল মামা বলেছেন: ধন্যবাদ।
২৮|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪৮
নীরব দর্শক বলেছেন: ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য। নেভির এক কর্মকর্তার কাছে এ কাহিনী শুনেছিলাম।
এই অপারেশনে কয়েকজন শহিদ হয়েছিলেন যাদের কোন চিণ্হও পাওয়া যায়নি। তাদের ভাগ্যে কি ঘটেছিলো তার কোন রেকর্ডও নেই। তাদের সবার প্রতি শ্রদ্ধা।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১৪
কাঙাল মামা বলেছেন: সবার প্রতি শ্রদ্ধা।
২৯|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৩
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সুন্দর।
কিন্তু ভাই একটা খটকা !! মিলাতে পারছি না...
ছাতকে এক প্রজেক্টে যার বাস্তবায়ন করছিল ভারতীয় এক কোম্পানী..তাদের প্রজেক্ট কোড শুনে চমকে উঠেছিলমা..ওজেসিও১৯৭১!!!!!
অপারেশন জ্যাকপট ক্যালকাটা ১৯৭১!!!!!
কাজটা হচ্ছিল ২০০১-০৩-০৪ সালে!!!!
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১৬
কাঙাল মামা বলেছেন: জানি না তো । ![]()
৩০|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৩
গ্যাম্বলার বলেছেন:
শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
সত্যি, আমরা জানিনা কত ত্যাগের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা।
কস্ট হয়, রাজাকার নামের শুয়োর গুলোর দম্ভ দেখে।
শ্রদ্ধা সেই সব বীর যোদ্ধাদের।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১৭
কাঙাল মামা বলেছেন: হুমম, ঠিক বলেছেন।
৩১|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৫
আগডুম বাগডুম বলেছেন: অপারেশন জ্যাকপটে কয়েকজন শহীদও হন। তাদের একজনকে ধরার পর পাকিরা অত্যন্ত নিষ্ঠুর অত্যাচার চালিয়ে তাকে হত্যা করে। বর্ণনা দিতে পারবো না, কিন্তু এটা বলি যে আমি এধরণের নিষ্ঠুরতার কথা কখনো শুনি নাই।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১৯
কাঙাল মামা বলেছেন: পাকিদের মন থেকে ঘৃণা করা ছাড়া আর কিছু করার পাই না।
৩২|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৭
হাসান খা বলেছেন: গর্বে বুকটা ভরে গেল। আপনাকে ধন্যবাদ এত সুন্দর করে উপস্থাপন করার জন্য। আবারো ধন্যবাদ।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২০
কাঙাল মামা বলেছেন: আমি আর কি করলাম...উইকি থেকে কপি পেস্ট করলাম।
৩৩|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০০
বিদ্রোহী-৪৬২ বলেছেন: চমৎকার একটি পোস্টের জন্য প্লাস এবং তারা
আর যে ছাগু এই পোস্টে মাইনাস দেয় তাকে মাইনাস
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:০৩
কাঙাল মামা বলেছেন: ছাগুরা মাইনাস দিবেই, ব্যাপার না।
আপনাকে ধন্যবাদ। "প্লাস এবং তারা" টার্মটা পছন্দ হইছে ![]()
৩৪|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১৬
অ নু বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:১১
কাঙাল মামা বলেছেন: আপনাকে জানাতে পেরে আমি ভাগ্যবান! ![]()
৩৫|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:০২
আমার নাম নাই বলেছেন: আরও দেখুন
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২১
কাঙাল মামা বলেছেন: ধন্যবাদ। অনেক কিছু জানলাম।
সবাইকে এই লিংকটা দেখার জন্য অনুরোধ করছি
৩৬|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩৫
ইয়েন বলেছেন: কোন ২ জনের ভাল লাগল না বুঝলাম না...... আমি আগে অপারেশন জ্যাকপট নিয়ে কিছুটা জানতাম আজকে আরও জানলাম.....আপনাকে ধন্যবাদ
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২৪
কাঙাল মামা বলেছেন: ছাগুরা মাইনাস দিবেই, ব্যাপার না।
আপনাকে ধন্যবাদ।
৩৭|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০০
নীল ত্রিস্তান বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ...[আপনার নাম কি জানতে পারি??আপনি মনে হয় আমার সহপাঠী]
৩৮|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০১
নীল ত্রিস্তান বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ...[আপনার নাম কি জানতে পারি??আপনি মনে হয় আমার সহপাঠী]
৩৯|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০১
নীল ত্রিস্তান বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ...[আপনার নাম কি জানতে পারি??আপনি মনে হয় আমার সহপাঠী]
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২৫
কাঙাল মামা বলেছেন: আমি শুভ। কোথাকার সহপাঠী? স্কুল-কলেজ-ভার্সিটি?
৪০|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩২
মুনতা বলেছেন: ++++++++
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২৬
কাঙাল মামা বলেছেন: ধন্যবাদ
৪১|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪
""শ্রাবণী"" বলেছেন: অপারেশন জ্যাকপট মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম একটি অপারেশন ছিলো।
সকল মুক্তিযোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা রইলো...
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪১
কাঙাল মামা বলেছেন: সকল মুক্তিযোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা রইলো...
৪২|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩৫
বিষন্ন একা বলেছেন: স্যালুট করি বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে,পোস্টির জন্য।
৪৩|
২৪ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:৫৮
কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:
সকল মুক্তিযোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা রইলো...
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:০৮
শামীম শরীফ সুষম বলেছেন: খুব ভালো লাগলো পড়ে ... আপনাকে ধন্যবাদ