নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সৈয়দ মুক্তাদির আল সিয়াম

সাধারণ মানুষ। পড়ছি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে

সৈয়দ মুক্তাদির আল সিয়াম › বিস্তারিত পোস্টঃ

আসুন নতুন করে চিন্তা করতে শিখি...

১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:১৫

সময় দুপুর ১:২০( লাঞ্চ টাইম)। ধরুন আপনি সরকারী অফিসে গেলেন। আপনার একটা কাজ করানো খুবই দরকার। এই অবস্থায় আপনি একজন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে অনুরোধ করলেন। আপনি কী ধরনের উত্তর বা আচরন আশা করেন?

যে কারণেই হোক সরকারী জিনিস শুনলেই আমাদের মনের মধ্যে কেমন যেন একটা নেতিবাচক ভাবনা চলে আসে। আর সেটা যদি বিনা পয়সা বা নামমাত্র খরচের ব্যাপার হয় তাহলে তো কথাই নাই। আমাদের মাথায় আসে সরকারী কাজ ঘুষ ছাড়া হয় না , চোখে ভাসে কিছু ঘুষখোর বিশাল ভুঁড়িওয়ালা সরকারী কর্মচারীর ছবি কিংবা চোখে ভাসে আপনার জীবন মরণ ব্যাপার স্যাপার নিয়ে তাদের নির্লিপ্ত দায়সাড়া ভাব আর আচরণ।

আমরা মেনেই নিচ্ছি এমনটাই হওয়ার কথা! তাই তাদের মধ্যেও অপরাধবোধ জন্মানোর প্রশ্নই আসে না। আমরা কি এভাবে ভেবে বসে থেকে তাদের এই নেতিবাচক কাজগুলোকেই নিজের অজান্তেই স্বীকৃতি দিয়ে দিচ্ছি না তো?

আজকে টেলিটক কাস্টমার কেয়ারে গিয়েছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল SSC তে GPA ৫ পাওয়ায় টেলিটক থেকে দেওয়া উপহার ফ্রি সিম গ্রহণ করা। সত্যিকার অর্থেই মনে হল আমি যেন সেখানে উপহার নিতেই গিয়েছি।

সেখানে প্রত্যেকটা মানুষের বিনীত এবং পরোপকারী মনোভাব দেখে আমি সত্যিই অবাক হয়েছি। আমার ১ টার আগে যাওয়ার কথা থাকলেও ক্লাস থাকায় ১:২০ টায় সেখানে যাই। আমাকে অনুরোধ করতে হয় নাই। তারা গাইগুইও করেন নাই। শুধু এটুকুই বলেছিলেন “এখন আসলেন? খাওয়ার সময় তো পার হয়ে যাচ্ছে।” তারপর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই তারাই আমার ফরম পূরন থেকে শুরু করে অনুসাঙ্গিক সব করে দিলেন। আরেকজন একটা দরকারী কাগজ আনে নাই।তাকে উনারাই উপযাচক হয়ে সেটাও প্রিন্ট করিয়ে সাথে সাথে দিয়ে দিলেন সেখানকার নিম্ন শ্রেণীর কর্মচারীদের আচরণ মোটেও তাদের চেয়ে কম ভালো না। বিশ্বাস করুন আমি নিজে এই টেলিটক কাস্টমার কেয়ারের নামে অনেক অনেক দুর্নাম শুনেছি। এই ফ্রি সিম দেওয়ার ব্যাপারটা নিয়েও বলতে শুনেছি " টেলিটকের দিনকাল ভালো যাইতেছে না, এখন তো তাদের প্রসার বাড়ানোর জন্য এগুলা করবেই"।

আসলে এরকমটাই তো সবসময় হওয়ার কথা তাই না? কিন্তু হয় না। সমস্যাটা শুধু তাদের না, আমাদেরও। দরকার যার যার দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন।

প্রশংসা করতে শিখুন। দেখবেন শুধু এই প্রশংসার মান রাখতেই অনেকেই নিজের অজান্তেই সঠিক রাস্তায় চলতে শুরু করেছেন

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:২৫

মদন বলেছেন: জেনে ভালো লাগলো...

২| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১:৫৫

সকাল হাসান বলেছেন: আসলে ভাই - চিন্তা তো কেউ এমনি এমনি করে নি! তাদের কার্যকলাপে চিন্তাটা এসে যায়!

আপনার যেমন টেলিটক অফিসে গিয়ে একটা সুখস্মৃতি হল - আমার তেমনি এই টেলিটক অফিসে গিয়েই তিক্তস্মৃতির একটা অভিজ্ঞতা আছে!

আসলে, আমাদের যা চিন্তা করতে হবে তা হল হাতের পাঁচ আঙুল কখনো সমান হয় না!

৩| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:০১

কলমের কালি শেষ বলেছেন: হুম তবে সবার অভিজ্ঞতা এক হয় না । অনেকে বাধ্য হয়ে ঘুষ দেয় ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.