নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নতুনভাবে নিজের চিন্তার শক্তি আর ভাবনার বিশ্লেষণ করার সামর্থ অর্জনের জায়গা হল ব্লগ। বিচিত্র ভাবনারাশির আলোয় নিজেকে আলোড়িত আর আলোকিত করার উদ্দেশেই আমরা ব্লগে আসি। অবসর সময়টাকে ভালোভাবে কাটানোর জন্য এর চেয়ে মোক্ষম উপায় আর নেই। তদুপরি বিনোদন এখানে উপরি পাওনা

এস এম ইসমাঈল

মুক্তমনা, সকল রকমের সংস্কার মুক্ত, আমি ধর্মভীরু হলেও ধর্মান্ধতা আমাকে কখনো গ্রাস করে নিতে পারেনি।আমি সুস্থ্য চিন্তা আর মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী। আমার শক্তি আমার আবেগ আবার সে আবেগ-ই আমার বিশেষ দুর্বলতা। নেহায়েত সখের বশে এক আধটু কাব্য চর্চা করি, এই আর কি। প্রিয় বিষয় সাহিত্য, ইতিহাস, ধর্ম, সংগীত, দর্শন, দেশ ভ্রমন আর গোয়েন্দা সিরিজের বই পড়া।ভীষণ ভোজন রসিক আমি। জন্ম যদিও চট্টগ্রামে কিন্তু ঢাকা শহরেই লেখা পড়া আর বেড়ে উঠা। আমার জীবনের গল্প তাই আর দশ জনের মতো খুবই সাদামাটা।

এস এম ইসমাঈল › বিস্তারিত পোস্টঃ

একেই বলে ভাতের ক্ষুধা

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৪

সেই নব্বুই এর দশকের কথা। আমি তখন দৈনিক বাংলার মোড়ে অফিস করি। একদিন দুপুরে ভাবলাম, থাক আজকে আর ভাত খাবো না। তাই পিয়নকে দিয়ে হোটেল পূর্বাণী থেকে ১টা ক্লাব স্যান্ডউইচ আনিয়ে নিলাম। সেটা খাবার প্রায় ১০-১৫ মিনিট পরে প্রচন্ড ক্ষুধায় আমার অবস্থা একেবারে কাহিল। তো কি আর করা? বাসা থেকে ভাত আনিয়ে কোন মতে পেট ভরালাম। ভাত যে কী জিনিষ সেটা ঐদিন হাড়ে হাড়ে টের পেলাম।

সেপ্টেম্বর ১৯৯১ প্রথম বার আমেরিকা সফরে গেছি, একটা বিজনেস কনফারেন্সে যোগ দেয়ার জন্য।প্রায় দুই সপ্তাহের সফরের বেশির ভাগ সময় কেটেছে বড় বড় হোটেলে, নানা রকম বিদেশী খাবার খেয়ে। শেষের দিকে গিয়ে উঠলাম আমার এক বন্ধুর বাসায়। তখন সন্ধ্যা হয়ে গেছে। ওনারা সবাই খেতে বসেছেন।মেন্যু ছিল সাদা ভাত, ডাল আর একটা তরকারী। তাঁদের অনুরোধে আমি সানন্দে খেতে বসে পড়লাম। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন! আমার মনে হল যেন, বেহেস্তী খাবার বা কোন অমৃত খেলাম।

আমার বড় নাতি মাছ আর ডাল ভাত খেতে খুব পছন্দ করে। ওকে নিয়ে আমরা বেশ কয়েক দিন একটা ইন্ডিয়ান হোটেলে খেলাম। কারন ঐ হোটেলে ডাল ভাত পাওয়া যায়। তাও আবার বুফে। কিন্তু আমার ছেলের পছন্দ ওয়েষ্টার্ণ ফুড, বার্গার, স্যান্ডউইচ, ফ্রাইড চিকেন, পাস্তা, পিতজা, এসব। আমি বল্লাম, আমি কিন্তু ওইসব জাঙ্ক ফুড এক্কবারেই খাবো না। যদিও ওসব খাবার আমারও বেশ পছন্দ। কিন্তু এখন আমার আসল উদ্দেশ্য নাতিকে সাপোর্ট দেয়া, আর ওর বাবার বকুনির হাত থেকে রক্ষা করা।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:০২

ফারিহা হোসেন প্রভা বলেছেন: আমার এক সময় বাহিরের খাবার খুব প্রিয় ছিলো, বাবা প্রতিদিন অফিস থেকে বাসায় আসার পথে আমার জন্য কিছু না কিছু নিয়ে আসতেন। কিন্তু এখন তেমন আর আগের মতো ইচ্ছা করে না। তবে হ্যা কলেজ ছুটির পর মামাদের ফুচকা আর ঝালমুড়ি দেখলে লোভ সামলাতে পারি না। হেহেহেহে...... B-)

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৯

এস এম ইসমাঈল বলেছেন: হা হা হা। স্বপ্নের সেই দিনগুলি আসবেনা জানি ফিরে। এখন আমার নাতনী স্কুল থেকে ফেরার পথে এসব খাবার বায়না ধরে, আর তাকে এসব কিনে দিতে ভারী আনন্দ লাগে।
নিজের ভাবনা শেয়ার করার জন্য সুপ্রিয় ফারিহা আপুকে ধন্য যোগ। অনেক ভালো থাকবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.