| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।
গ্যাস নাই ,বিদ্যুৎ নাই। নিত্যদিনের নানা সংকটে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠছে। এভাবে মানুষ বিএনপিকে কতদিন সহ্য করবে? মানুষ সহ্য করতে করতে যখন ধর্যের বাধ সহ্যের বাধ ভেঙ্গে যাবে তখন হিমালয়সম বাধ দিয়েও কোন কাজে আসবেনা তখন তল্পীতল্পা সহ পালাতে হবে। আয়রন লেডী খ্যাত খুনি হাসিনা যখন টিকতে পারেনি সেখানে বিএনপি তো কিছুই না। যারা মহান নেত্রী খালেদা জিয়ার বাড়ির সামন থেকে একটি বালুর ট্রাক সরাতে পারেনি তারা কি করবে সেটা একটা শিশুও বলতে পারবে।
ভয়াবহ লোডশেডিং। মধ্যরাতে ঢাকবাসীর হাঁসফাঁস। হঠাৎ করে এতো লোডশেডিং হওয়ার কোন কারণ নেই অথচ মধ্যরাতে ভয়াবহ লোডশেডিং। গ্রামে বিদ্যুৎ থাকেনা বললেই চলে। গ্রামে বিদ্যুৎ যাওয়ার সময় আছে কিন্তু আসার কোন সময় নেই অর্থাৎ আধাঘন্টা/একঘন্টা পর বিদ্যুৎ যাবে কিন্তু কত ঘন্টা পর আসবে বা আদৌ আসবে কিনা তা কেউ বলতে পারেনা!
ব্যাটারী চালিত রিক্সাভ্যান শতকোটি টাকার বিদ্যুৎ চুরি করছে তাদের লাগাম টানার কেউ নেই। বিদ্যুতের লোকজনের সংগে চুক্তি করে বিদ্যুৎ চুরির মহাউৎসব চলছে। সেই শতকোটি টাকার বিদ্যুৎ চুরির দায়ভার আমজনতাকে পোহাতে হচ্ছে।
আম্লিগ হরিলুট করার জন্য একের পর এক গ্যাস বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি করে গেছে, কোন ভাবে একটা চুক্তি করতে পারলেই পকেটে শতকোটি ডলার। খুনি হাসিনা বঙ্গপোসাগর জয় করেছিল কাগজে কলমে, ভারতকে হারিয়ে পুরো বঙ্গপোসাগর জয়ের আনন্দে মজিবরের পোলারা নাচগান ডিজে পার্টি করলো অথচ সেই বঙ্গপোসাগরে একটা কূপও খনন করে তেল বা গ্যাস বের করতে পারলো না। আমদানিতে পকেটে লাভ বেশি তাই ওসব ঝামেলাতে যায় কে?
আম্লিগ ও ইনটেরিম সরকারে কাধে দোষ চাপাতে চাচ্ছে যদিও এই সংকটের বড় কারণ আম্লিগের লুটপাট ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যায় যুদ্ধ কিন্তু জনগন ওসব কথা শুনবে কেন? ইউনূসের সময় বিএনপি বলেছিল নির্বাচিত সরকার আসলেই সব ঠিক হয়ে যাবে তাহলে এখন সবকিছু ঠিক হচ্ছে না কেন?
ইনটেরিম সরকার দেড় বলছে দেড় হাজারেরও ওপরে বিভিন্ন আন্দোলনকে সামলাতে হয়েছে যার বেশির ভাগ বিএনপির ইন্ধনে হয়েছিল সেই আন্দোলন নেই চাপ নেই তারপরও বিএনপি কেন পারছেনা?
ইয়ের বাচ্চা (যার অর্থ আগে বলেছি) অর্থাৎ মজিবরের পোলারা এখন উঠেপড়ে লেগেছে বিদ্যুৎ সংকটকে সাইনবোর্ড করে বিএনপিকে ব্যর্থ সরকার বলে প্রচার করতে। কিছু দিন হাইবারনেশনে থাকার পর ইয়ের বাচ্চাদের পদচারণায় ব্লগ এখন সরগরম।
ভাবার সময় এখনই। বিএনপিকে ভাবতে হবে তারা আগামী ৫ বছর ক্ষমতায় থাকতে চায় কিনা চাইলে অবশ্যই জনগনের পালস্ বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে গ্যাস বিদ্যুৎ সংকট ও বিএনপি যেন একে অপরের পরিপূরক!
২|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪০
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: জনগণ সংস্কার চায়নি।
তথাকথিত রাষ্ট্র সংস্কার আর ৭২ এর সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিয়ে সংবিধান সংস্কার করার শোর তুলে লাল বদরের দল গোটা দেশকে ফেলে দিয়েছে “সংকটের” গভীর খাদে।
চাইলুম চাদা, পেলুম অর্ধ চন্দ্র….
আর সংস্কার না চাইতেই পেলুম (সর্বগ্রাসী) সংকট….
কিন্তু এদের জব্দ করতে হবে......।
বিপিএলের ফিক্সিং কাণ্ডে জড়িত আসিফ মাহমুদ ও কেন্দ্রীয় এনসিপি নেতা!
৩|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জামাত শিবির এবং লীগ মিলে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে ।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:২৭
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: জামায়াতি লাল বদরদের,
এক বছর রাখতে হবে বেলুচিস্তানে। তাহলে তাদের শৈশব থেকে ধোলাই হওয়া মগজ reset হলে হতেও পারে। reset হলে তারা আন্দাজ করতো যে টানা পাকিস্তান আমলে টানা ২৪ বছর বাঙ্গালীরা অবাঙ্গালী পাঞ্জাবী শাসক সমাজ কর্তৃক কি পর্যায়ের বৈষম্যের শিকার ছিলো।
আরও এক বছর রাখতে হবে ভারতের কেন্দ্র শাসিত কাশ্মীর রাজ্যে। তখন তারা জামায়াতিদের কথিত বিভিন্ন ঠাকুর মার ঝুলি গল্পসমূহ (যেমন বাংলাদেশ হলো ভারতের করদ রাজ্য, puppet state, bla bla bla….) বর্তমান বাংলাদেশের মধ্যকার পার্থক্য উপলব্ধি করতে পারতো।
অবশ্য জামায়াতিরা ঐতিহাসিক ভাবে ও ঐতিহ্যগত ভাবেই গণশত্রু। এরা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে ছিলো ব্রিটিশ সরকারের পক্ষে। পাকিস্তান আন্দোলনের সময় ছিলো পাকিস্তানের স্বাধীনতার বিরোধী। আর সর্বশেষ নিজেদের চোখে পাঞ্জাবী শাসকদের বৈষম্য, নিপীড়ন, লাঞ্ছনা, বঞ্চনা দেখার পরও তারা ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী পক্ষ। শুধু আদর্শিক ভাবেই নয় সশ্রস্ত্র ভাবে বিরোধিতা করেছিলো।
সুতরাং আদর্শিক, নৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক সব দিক থেকেই পরাজিত একটি দল, যে তার ৭১ এর পরাজয় আজও মেনে নেয়নি সেই মানসিকতা লালনকারী হিসেবে জামায়াত সর্বদাই চেষ্টা করে যাবে বাংলাদেশকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্র প্রমাণ করতে।
অবশ্য রাজনৈতিক ভাবে আরও আগে থেকেই জামায়াত ছিলো একটি চূড়ান্ত ব্যর্থ দল। এদের জন্মগত মোনাফেকির কারণেই সর্বস্তরের সাধারণ জনগণের কাছে ন্যূনতম গ্রহণযোগ্যতা ছিলো না।
পাকিস্তান আমলের সর্বশেষ সেই ৭০ এর নির্বাচনে কয়টা আসন তারা পেয়েছিলো?
শয়তানকে ধর্ম শেখানো মানে ধর্মকে শয়তানিতে রূপান্তরিত করা। সুতরাং জামায়াতিদের ধর্মের কথা শোনানো শয়তানকে ধর্ম শেখানোরই নামান্তর। (এরকম পাপের ভাগীদার হওয়া থেকে আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুক)।