নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অজানা মহাবিশ্বে ভ্রমণশীল...

রাজনীতি-মুক্ত ব্লগ

এস. এম. রায়হান

আমি লেখক নই, নই কোন কবি-সাহিত্যিক কিংবা সাংবাদিক। অবসরে কিছু লেখালেখির চেষ্টা করি মাত্র।

এস. এম. রায়হান › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিবর্তন তত্ত্বের পক্ষে প্রতারণাপূর্ণ প্রমাণ উপস্থাপন

২৪ শে জুন, ২০১১ রাত ১:৪৬





যারা ডারউইনবাদীদের লেখা পড়েছেন তারা হয়ত লক্ষ্য করে থাকবেন তাদের লেখাতে এমন কিছুকে বিবর্তন তত্ত্বের পক্ষে প্রমাণ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয় যেগুলো আসলে কোনো প্রমাণ নয়। যে কোনো যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞানমনষ্ক পাঠক আমার সাথে একমত হবেন বলেই বিশ্বাস। নিচে কিছু উদাহরণ তুলে ধরা হলো-



১. ডারউইনবাদীদের লেখাতে যোগ্যতমের টিকে থাকা (Survival of the fittest) নিয়ে আলোচনা করে সেগুলোকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিবর্তন তত্ত্বের পক্ষে প্রমাণ হিসেবে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে হয়। অনেকে না বুঝে সেগুলোকেই হয়ত প্রমাণ হিসেবে বিশ্বাস করেন। অথচ “যোগ্যতমের টিকে থাকা” বিবর্তন তত্ত্বের পক্ষে কোনো প্রমাণ নয়।



২. তাদের লেখাতে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ক্যান্সারের উপর গবেষণামূলক কাজকে বিবর্তন তত্ত্বের পক্ষে প্রমাণ হিসেবে দেখনোর চেষ্টা করা হয়, যেগুলো আসলে মাইক্রোলেভেলের গবেষণা এবং যেগুলোকে বিবর্তন তত্ত্বের পক্ষে কোনো প্রমাণ বলা যাবে না।



৩. তাদের লেখাতে এরকম দাবি করা হয় যে, বিশ্বের ৯৯ ভাগ বিজ্ঞানী যেখানে বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাস করেন সেখানে বিবর্তন তত্ত্ব অবৈজ্ঞানিক বা ভুল হওয়ার অবকাশ কোথায়? ওয়েল, এটিও বিবর্তন তত্ত্বের পক্ষে কোনো প্রমাণ নয়। বরঞ্চ এটি লজিক্যাল ফ্যালাসির মধ্যে পড়ে। তাছাড়া সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীদের উপর এরকম কোনো পরিসংখ্যানও নেই। এমনকি বিজ্ঞানীদের মধ্যে যারা বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাস করেন তাদের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণীবিভাগ আছে। একেক জন একেক ভাবে বিবর্তনে বিশ্বাস করেন। ফলে বিজ্ঞানীদেরকে ব্যক্তিগতভাবে জিজ্ঞেস না করে তাদের উপর কিছু চাপিয়ে দেয়া অন্যায়। সরল একটি অণুজীব থেকে শুরু করে এলোমেলো পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষ সহ উদ্ভিদজগত ও প্রাণীজগতের বিবর্তনে খুব কম বিজ্ঞানীই হয়ত বিশ্বাস করেন।



৪. তাদের লেখাতে দাবি করা হয় এই বলে যে, বিবর্তন তত্ত্ব যদি মিথ্যা হতো তাহলে উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রানীবিজ্ঞানের প্রতিটি পাঠ্য বইয়ে এই তত্ত্ব অন্তর্ভুক্ত থাকত না এবং বিশ্বের প্রায় সব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই তত্ত্ব পড়ানো হত না। ওয়েল, প্রথমত, বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো বিষয় পড়ানো হয় মানে এই নয় যে সেটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সত্য। দ্বিতীয়ত, সারা বিশ্ব জুড়ে উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণীবিজ্ঞানের প্রতিটি পাঠ্য বই যাচাই করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে পাঠ্য পুস্তকগুলোতে আসলে বিবর্তন তত্ত্ব সম্পর্কে কী লিখা আছে সেটা জানা প্রায় অসম্ভব। তবে এটুকু অন্তত নিশ্চিত করে বলা যায় যে পাঠ্য বইয়ে বিবর্তন তত্ত্বকে “বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সত্য” হিসেবে পড়ানো হয় না। কোনো পাঠ্য পুস্তকে এরকম কিছু লিখা থাকলে যে কেউ প্রমাণ হাজির করতে পারেন। তৃতীয়ত, কোনো ডারউইনবাদী তার লিখিত বইয়ে এরকম কিছু দাবি করে থাকলেও বিবর্তন তত্ত্ব সত্য হয়ে যায় না।



৫. যারা বিবর্তন তত্ত্বের বিরোধিতা করেন তাদের অধিকাংশের ক্ষেত্রে নাকি মূল কারণটি বৈজ্ঞানিক নয়, বরং ধর্মীয় বিশ্বাস। এটি একটি মিথ্যাচার। কেউ কেউ অজ্ঞতাবশত ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে বিবর্তন তত্ত্বের বিরোধিতা করতে পারেন, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বিবর্তন তত্ত্ব নিয়ে আমার লেখাতে প্রকৃতি থেকে অনেক মৌলিক উদাহরণ উপস্থাপন করে যুক্তি দিয়ে দেখিয়ে দেয়া হয়েছে যে বিবর্তন তত্ত্বের আসলেই কোনো ভিত্তি নেই। এ পর্যন্ত একজনও আমার যুক্তির বিপক্ষে পীয়ার-রিভিউড বৈজ্ঞানিক জার্নাল থেকে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি। প্রমাণ থাকলে নিশ্চয় হাজির করা হতো। এরকম আরো অসংখ্য উদাহরণ উপস্থাপন করা সম্ভব যেগুলোর ক্ষেত্রে ধর্মীয় বিশ্বাসের কোনোই প্রভাব নাই। অন্যদিকে ডারউইনবাদীরা যদি এগুলোর কোনো একটি প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে বিবর্তন তত্ত্বকে ভুল হিসেবে স্বীকার করতে হবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে তারা কোনো একটি ক্ষেত্রেও নিরপেক্ষ হতে পারবেন না! প্রমাণ দেখাতে না পারলেও বিশ্বাস করতেই হবে!



এরকম উদাহরণ আরো আছে যেগুলোর ক্ষেত্রে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অসচেতন লোকজনকে বিজ্ঞানের নামে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।

মন্তব্য ৩৫ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৩৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে জুন, ২০১১ রাত ১:৫৭

এস.এম.মঈনুল ইসলাম বলেছেন: ভালো লাগলো।

২৪ শে জুন, ২০১১ রাত ২:২৪

এস. এম. রায়হান বলেছেন: ধন্যবাদ। তবে ভাল লাগার টোকেনস্বরূপ উপরে একটি বাটন চাপতে হয় কিন্তু!

২| ২৪ শে জুন, ২০১১ রাত ২:১৯

অবয়ব বলেছেন: রায়হান ভাই, এই লেখা ইংলিশে অনুবাদ করে সব সায়েন্স জার্নালে পাঠিয়ে দেন। যেহেতু বিবর্তন ভুয়া জিনিস কাজেই এই অকাট্য প্রমান পেলে বিজ্ঞান অবশ্যই এটা বাদ দিয়ে দিবে। এটা তো আর ধর্মীয় ব্যাপার না যে চাইলেই বাদ দেয়া যাবে না। B:-)

২৪ শে জুন, ২০১১ রাত ২:৪১

এস. এম. রায়হান বলেছেন: আপনি যে কথা বললেন, একই কথা এর আগে অনেকেই বলেছে। কিন্তু এটি একটি ভ্রান্ত যুক্তি। বৈজ্ঞানিক জার্নালে আমার লেখা পাঠানোর প্রশ্ন তখনই আসবে যখন আমি বিবর্তন তত্ত্বের বিপক্ষে যে মৌলিক বিষয়গুলো উপস্থাপন করেছি সেগুলোর পক্ষে বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রমাণস্বরূপ পেপার থাকবে। আমার উপস্থাপিত মৌলিক বিষয়গুলোর পক্ষে যদি বৈজ্ঞানিক জার্নালে কোন পেপারই না থাকে তাহলে তার বিপক্ষে বৈজ্ঞানিক জার্নালে পেপার পাঠাতে যাওয়া হাস্যকর শুনাই না?

৩| ২৪ শে জুন, ২০১১ রাত ২:৩৬

তন্ময় চক্রবর্তী বলেছেন: আমি অতশত বুঝি না। ধর্মীয় বিশ্বাসকে দূরে সরালে কোন যুক্তি ছাড়াই এটা মানতে রাজি যে বানর থেকেই মানুষের সৃস্টি। বিবর্তনবাদ আরো জটিল বিষয় মে বি। তবে মানুষের সাথে বানরের সাদৃশ্যই বেশি মনে হয়।

৪| ২৪ শে জুন, ২০১১ ভোর ৪:০৮

বুলবুল আহ্‌মেদ বলেছেন: কেউ বিবর্তন বাদ প্রমান করতে পারলে দুনিয়া জুড়ে ভোগবাদীরা তাকে ১০ বার নোবেল প্রাইজ দিবে। বাস্তবতা হল বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় এর পরেও প্রমান করা সম্ভব হয় নাই।

৫| ২৪ শে জুন, ২০১১ সকাল ৮:৪৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: তাহলে একই গোত্রের দুটি ফসিল-কঙ্কাল আধিক প্রাচীন টি দেখতে অন্যরকম কেন ?
মাথা লম্বাটে, হাত চিকোন, মেরুদন্ড কিছুটা বাঁকা ......

বিজ্ঞানিরা মাটিখুড়ে কার্বন টেষ্ট এর মাধমে এইসব প্রমান করেছে।
এটা প্রকৃতির সাভাবিক একটা পরিনতি।
আমি এই প্রাকৃতিক ব্যাপার গুলো ধর্মের সাথে কোন বিভেদ দেখিনা, আপনারা মাওলানারা এসব নিয়ে না বুঝেই বাড়াবাড়ি করেন কেন বুঝিনা।

২৪ শে জুন, ২০১১ দুপুর ১:১৫

এস. এম. রায়হান বলেছেন: আপনার পুরো ব্লগে বিজ্ঞান-ভিত্তিক বিষয়ে একটিও লেখা নাই। বিবর্তন তত্ত্বকে যুক্তি-তথ্য দিয়ে প্রমাণ করে একটিও লেখা নাই। বিবর্তন নিয়ে একটি কাল্পনিক ছবি সহ মাত্র ৮-১০ লাইনের একটিমাত্র লেখা আছে যেখানে আসলে যুক্তি-প্রমাণ কিছুই নাই! নিজের লেখা নিজেই আরেকবার দেখুন:

২৪ শে জুন, ২০১১ দুপুর ১:২৯

এস. এম. রায়হান বলেছেন: এই যখন আপনার ব্লগের বাস্তবতা তখন আমাকে "মাওলানা" হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বুঝাতে চেয়েছেন যে আমি বিবর্তন তত্ত্ব বা বিজ্ঞানের কিছুই না বুঝে লেখালেখি করছি। অন্যদিকে আপনি সবকিছু বুঝে গেছেন। তাছাড়া আপনি ধর্মকে টেনে নিয়ে এসে এমনভাবে কথা বলেছেন যাতে করে যে কেউ মনে করতে পারে আপনি ধর্মে বিশ্বাসী, তাই কি?

৬| ২৪ শে জুন, ২০১১ দুপুর ১:৫২

রিপেনডিল বলেছেন: আপনার সবগুলো লেখাই পড়েছি, আপনি বিবর্তনবাদ বিরোধী কিন্তু আপনার লেখাগুলো ঠিক গছানো এবং সুস্পষ্ট নয়। আপনি বলেছেন অমুক অমুক ব্যাপার সম্ভব নয়, কেন সম্ভব নয় ব্যাপারে সুস্পষ্ট কোন যুক্তি দেখান নি বা দেখালেও সেসব যুক্তি ততটা সবল নয়। আমি নিজেও বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করি না। এর বিপক্ষে আমার যুক্তিগুলো উপস্থাপন করছি----

১। প্রানিজগতে একটি প্রজাতির মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত কিছু পরিবর্তন হতে পারে যদি তাদের জিনেটিক মিউটেশন হয়। এই মিউটেশন ঘটে কিছু প্রভাবক এর দ্বারা এবং কোন প্রজাতির একটি সদস্যে মিউটেশন জনিত কোন পরিববর্তন হলে পরবর্তি সকল সদস্যে সেই পরিবর্তন দেখা যাবে এমনটি সত্য নয় কেননা প্রজননের সময় অর্ধেক সেট ক্রোমজম অন্য সদস্য থেকে আসবে। যে জিনটি মিঊটেটেড সেটি যদি ডোমিনেন্ট হয় তাহলে অপর সদস্যের জিন স্বাভাবিক হলেও পরবর্তি প্রজন্মে বৈশিষ্ট্যটি দেখা যাবে কিন্তু রিসেসিভ হলে দেখা যাবে না, আবার অপর সদস্যে ঐ মিঊটেটেড জিনের কোন সাপ্রেসর জিন থাকলেও এই পরিবর্তিত বৈশিষ্ট্য নতুন সদস্যে দেখাঁ যাবে না। আবার যদি দেখা যায় ও এবং এই নতুন সদস্যটি যদি প্রজনেন অক্ষম হয় তাহলে ঐ স্পেসিফিক মিউটেটেড জিনটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

২। ডিএনএ সিকোয়েন্স প্রানীর সকল বৈশিষ্ট্যের জন্য দায়ী। একটা প্রানী জন্মলাভের পর তার ডিএনএ সিকোয়েন্স নতুন ভাবে পরিবর্তিত হতে পারে না। সুতরাং যে প্রানী চারপেয়ে হিসেবে জন্মগ্রহন করেছে সে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ২ পেয়ে হয়ে যাবে এমন কোন সম্ভাবনা নেই।

৩। স্বতঃস্ফূর্ত মিউটেশন ঘটতে পারে প্রজননের সময় সেক্ষেত্রেও পরবর্তি সকল সদস্যে একই বৈশিষ্ট্য নিরবিচ্ছিন্নভাবে প্রকাশ পাবার সম্ভাবনা নেই (প্রথম পয়েন্ট দ্রষ্টব্য)।

সুতরাং বিবর্তনবাদ অনুসারে যদি বানর থেকেই মানুষ সৃষ্টি হয়ে থাকে তাহলে যে সকল বানর থেকে মানুষ সৃষ্টি হয়েছিল তাদের প্রজননক্ষম সকল সদস্যকে একই ধরনের জিনেটিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হবে এবং সেই পরিবর্তনের কারন ও একই হতে হবে এবং সেই পরিবর্তিত জিন ডোমিনেন্ট ক্যাটেগরির হতে হবে যার কোন সাপ্রেসর থাকতে পারবে না, বিলুপ্ত হতে পারবে না, এই পরিবর্তিত জিনকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট্য অন্যান্য সকল জিনকেও পরিবর্তিত হতে হবে (এই পরিবর্তন কিভাবে ঘটবে?), নতুন উতপন্ন সদস্যগুলোর সকলকেই প্রজননক্ষম হতে হবে। এভাবে শুধু মানুষ নয়, পৃথিবীর সকল প্রানী এবং উদ্ভিদের ক্ষেত্রেই এই ঘটনা ঘটতে হবে!!!!!!!

অনেকে বলবেন আমার এই মন্তব্য কোন জার্নালে ছাপিয়ে ২-৪টা নোবেল বাগিয়ে নেয়ার জন্য, তাদের জন্য বলছি আমার এই মন্তব্য কোন রিসার্চ পেপার নয় এটি একটি বিশ্লেষন মাত্র, একটি যৌক্তিক বিশ্লেষন।

২৪ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৪৩

এস. এম. রায়হান বলেছেন: আপনি এ পর্যন্ত দু-বার আমার ব্লগে এসে যা বলেছেন বা বুঝাতে চেয়েছেন তা হচ্ছে: আপনি নিজে বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাস করেন না কিন্তু আমার লেখাগুলো গোছানো নয়, সুস্পষ্ট নয়, সুস্পষ্ট কোন যুক্তি দেখাইনি, বা দেখালেও সেসব যুক্তি ততটা সবল নয়, ইত্যাদি।

আমার প্রশ্ন হচ্ছে আপনি বিবর্তন তত্ত্বকে ভুল বা অবৈজ্ঞানিক জেনেই তো এই তত্ত্বে বিশ্বাস করেন না, তাই নয় কি? আমিও একই কারণে এই তত্ত্বে বিশ্বাস করি না। আপনার ক্ষেত্রে জানি না তবে আমার ক্ষেত্রে ধর্মের সামান্যতমও কোন প্রভাব নাই। এবার তর্কের খ্যাতিরে যদি ধরেও নেয়া হয় যে আমার লেখাগুলো সত্যি সত্যি গোছানো নয়, সুস্পষ্ট নয়, সুস্পষ্ট কোন যুক্তি দেখাইনি, বা দেখালেও সেসব যুক্তি ততটা সবল নয়, ইত্যাদি, সেক্ষেত্রে প্রশ্ন হচ্ছে:

-বিবর্তন তত্ত্বকে ভুল বা অবৈজ্ঞানিক জেনে এবং এ বিষয়ে আমার চেয়ে অনেক বেশী জেনেও এই তত্ত্বের সমালোচনা করে আপনার ব্লগে এ পর্যন্ত একটিও লেখা নাই কেন।

-বিবর্তন তত্ত্বে অবিশ্বাসী হওয়া সত্ত্বেও যেখানে আমার ব্লগে এসে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আমাকে কিংবা আমার বিবর্তন নিয়ে লেখাকে হেয় করার চেষ্টা করছেন সেখানে ডারউইনবাদীদের ব্লগে যেয়ে তাদের সাথে কখনো বিতর্ক করেছেন কিনা।

৭| ২৪ শে জুন, ২০১১ দুপুর ১:৫৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: বিবর্তন তত্ত্বকে যুক্তি-তথ্য দিয়ে প্রমাণ করা যায় না।
এর জন্য প্রয়জন বিজ্ঞান ভিত্তিক specimen নিয়ে পরিক্ষা, প্রয়জনে মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে হয় বিজ্ঞানি দের সাথে সমন্ময় রক্ষা করে, করতে হয় বছরের পর বছর।
আপনি তো সব কিছুই সারতে চান টেবিলে বসেই।

ভিন্ন ধর্মি খ্রীষ্টান, ইহুদি জাজক রাও বিজ্ঞান ও বিবর্তন কে ভুল বোঝে।

২৪ শে জুন, ২০১১ দুপুর ২:১৫

এস. এম. রায়হান বলেছেন: বিবর্তন তত্ত্বকে যুক্তি-তথ্য দিয়ে প্রমাণ করা যায় না।

কী বলেছেন তা নিজেও হয়ত জানেন না। বিবর্তন তত্ত্বকে যুক্তি-তথ্য দিয়ে প্রমাণ করা না গেলে কী দিয়ে প্রমাণ করা যাবে কে জানে! যাহোক, আপনার বিজ্ঞান ভিত্তিক specimen ও মাঠ পর্যায়ে কাজ নিয়ে লেখা পোস্ট করুন। আমরা জেনে ধন্য হই। আর আপনি কিন্তু আমার শেষের প্রশ্নের জবাব দেননি।

৮| ২৪ শে জুন, ২০১১ দুপুর ২:৪৭

অবয়ব বলেছেন: অক্সকোর্ড ইউনিভার্সিটি
Click This Link

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি
Click This Link

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির কগোনিটিভ ইভলিউশন ল্যাব
http://www.wjh.harvard.edu/~mnkylab/


ইউনিভার্সিটি অফ ব্রিটিশ কলাম্বিয়া
http://www.zoology.ubc.ca/evolution/


উপরের সবগুলোই পৃথিবীর সেরা ইউনিভার্সিটি যারা বিবর্তনের উপর একাধিক সাবজেক্ট এবং একটিভ রিসার্চ চালু রেখেছে। আপনার মতে চালু থাকলেই বিবর্তনের মত একটা ব্যাপার সত্য হয়ে যায় না।
আমার প্রশ্ন হল, গ্যাপটা কোথায়? কেন এরা ভ্রান্ত একটা ব্যাপার নিয়ে সাবজেক্ট পড়াচ্ছে, বই লিখে যাচ্ছে? যেখানে আপনার দাবী অনুযায়ী দশ পর্বের লেখায় বিবর্তন ১০০% পুরোপুরি ভ্রান্ত বলে প্রমানিত। নিশ্চয়ই তারা আপনার লেখা বা এমন কোন লেখার সংস্পর্শে আসে নাই?
কাজেই আপনার লেখাগুলো অবশ্যই আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরা উচিত, যেন আপুনার তুলে ধরা ব্যাপারগুলো নিয়ে আলোচনা গবেষনা হয়, বিবর্তন মিথ্যা প্রমানিত হয় এবং এসব ভার্সিটির মহারথীরা বিবর্তন নামক ভ্রান্ত সাবজেক্টটি বাতিল করে দেয়।
সায়েন্স জার্নালে যুক্তির পক্ষে বিপক্ষে পাঠানো হাস্যকর - এ ব্যাপারটা বুঝলাম না। আপনার লেখা একটা ভ্রান্ত থিওরী কেন বাতিল করা উচিত এই প্রসঙ্গেই তো পাবলিশ হতে পারে।
সায়েন্স জার্নালে পক্ষ বিপক্ষ নাই তাই পাঠানো হাস্যকর, এর চেয়েও বড় হাস্যকর একটা ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে দিনের পর দিন পৃথিবীর সবচে প্রথম সারীর ভার্সিটিগুলো তাদের মুল্যবান সময় অপচয় করছে।

৯| ২৪ শে জুন, ২০১১ দুপুর ২:৫৯

অবয়ব বলেছেন: রিপেনডিল বলেছেন: অনেকে বলবেন আমার এই মন্তব্য কোন জার্নালে ছাপিয়ে ২-৪টা নোবেল বাগিয়ে নেয়ার জন্য, তাদের জন্য বলছি আমার এই মন্তব্য কোন রিসার্চ পেপার নয় এটি একটি বিশ্লেষন মাত্র, একটি যৌক্তিক বিশ্লেষন।

রিপেনডিল ভাই, আপনি একজন সায়েন্সের স্টুডেন্ট, সম্ভবত চিকিৎসক। কাজেই বৈজ্ঞানিক ধারণা অবশ্যই সাধারণের চেয়ে বেশি।
আমার প্রশ্ন হল, বিবর্তন ভ্রান্ত থিওরী এটা যৌক্তিক বিশ্লেষনেই আপনি নিশ্চিৎ। কিন্তু উপরের ভার্সিটিগুলো কেন এই বিশ্লেষন করে ব্যাপারটা বাতিল করে দিচ্ছে না? গ্যাপটা কোথায়? তারা কি এই বিশ্লেষন জানে না?

১০| ২৪ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৪:০৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: অপনার প্রশ্নের জবাবে বলছি ...

আপনার ধারনা ভুল। আমি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসি।
তবে মাওলানা না।

২৪ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৫:৩৭

এস. এম. রায়হান বলেছেন: আপনার সম্পর্কে আমি কোন ধারণা করি নাই, তবে আপনারই বিভ্রান্তিকর মন্তব্যের উপর ভিত্তি করে প্রশ্ন করেছি মাত্র। আপনি ইসলামে বিশ্বাসী হয়েও যদি মাওলানা না হয়ে থাকেন তাহলে না জেনে আমাকে 'মাওলানা' ট্যাগ করে কেন বললেন, "আপনারা মাওলানারা এসব নিয়ে না বুঝেই বাড়াবাড়ি করেন কেন বুঝিনা।" আপনার এই কথার দ্বারা চরম ধৃষ্টতা আর মুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষ প্রকাশ পায়নি কি? আমাকে 'মাওলানা' ট্যাগ করে এই কথা বলার আপনি কে?

তারপর আবার খ্রীষ্টান ও ইহুদি জাজকদেরকে টেনে নিয়ে এসে বলেছেন এরাও বিজ্ঞান ও বিবর্তনকে ভুল বোঝে। তার মানে বুঝাতে চেয়েছেন আমিও 'মাওলানা' হওয়ার জন্য বিজ্ঞান ও বিবর্তনকে ভুল বুঝি। অন্যদিকে আপনি ইসলামে বিশ্বাসী হয়ে সব বুঝে ফেলেছেন? এর পেছনে কোন সৎ উদ্দেশ্য কাজ করেছে কি?

আপনি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী ভাল কথা। কিন্তু আপনার ব্লগে যেখানে বিবর্তন তত্ত্বকে ডিফেন্ড করে লেখা আছে, ব্লগে ব্লগে বিবর্তন তত্ত্বকে ডিফেন্ডও করছেন, সেখানে ইসলামকে ডিফেন্ড করে একটিও লেখা নাই। ব্যাপারটা মনে রাখার মতো।

১১| ২৪ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৫:০০

অবয়ব বলেছেন: এস. এম. রায়হান বলেছেনঃ প্রথমত, বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিষয় পড়ানো হয় মানে এই নয় যে সেটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সত্য। দ্বিতীয়ত, সারা বিশ্ব জুড়ে উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণীবিজ্ঞানের প্রতিটি পাঠ্য বই যাচাই করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে পাঠ্য পুস্তকগুলোতে আসলে বিবর্তন তত্ত্ব সম্পর্কে কী লিখা আছে সেটা জানা প্রায় অসম্ভব। তবে এটুকু অন্তত নিশ্চিত করে বলা যায় যে পাঠ্য বইয়ে বিবর্তন তত্ত্বকে “বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সত্য” হিসেবে পড়ানো হয় না। কোন পাঠ্য পুস্তকে এরকম কিছু লিখা থাকলে যে কেউ প্রমাণ হাজির করতে পারেন।

University of California, Berkeley বিশ্ব্বের প্রথম ১০ টি ভার্সিটির একটি।

berkeley.edu/

সেখানে বিবর্তনকে scientifically valid and accepted theory হিসেবেই পড়ানো হয়। সেজন্য ওদের ওয়েবসাইটের বিবর্তন সেকশন।
http://evolution.berkeley.edu/

কিছু ছাত্র ধর্মীয় কারণে বিবর্তনের বিরোধিতা করতে পারে। কর্তৃপক্ষও এই ব্যাপারে বেশ সচেতন। এ উদ্দেশ্যে শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে উপদেশবানীঃ

It need not be considered incompatible with their faith because science does not rely on, and cannot evaluate or test, supernatural explanations. At the same time, your teaching should reflect the fact that evolution is the only scientifically valid and accepted theory that accounts for our observations of the biological world. Alternative "theories" that have been proposed for insertion into the science curriculum have not been supported by valid science.

২৪ শে জুন, ২০১১ রাত ৯:৪২

এস. এম. রায়হান বলেছেন: প্রথমত, আমি বলেছি পাঠ্য বইয়ের কথা অথচ আপনি দিলেন কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের লিঙ্ক। এগুলো তো আমার অজানা নয়। পশ্চিমা বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় আর বিজ্ঞান-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ডারউইনবাদীদের যে প্রভাব তাতে তো তাদের সাইটে এই ধরণের লিঙ্ক থাকাটা আশ্চর্যের কিছু নয়, আমি তা অস্বীকারও করিনি।

দ্বিতীয়ত, তাদের সাইটে বিবর্তনকে "scientifically valid and accepted theory" বলতে আসলে কী বুঝানো হয়েছে তা হয়ত আপনি নিজেও জানেন না। এমনও হতে পারে যে, তারা যা বুঝাতে চায় তাতে আমিও বিশ্বাস করি। ফলে না জেনে কিছু বলা সম্ভব নয়।

তৃতীয়ত, মূল লেখাতে পরিষ্কার করেই বলেছি, "আমার লেখাতে প্রকৃতি থেকে ডজনেরও বেশী মৌলিক উদাহরণ উপস্থাপন করে যুক্তি দিয়ে দেখিয়ে দেয়া হয়েছে যে বিবর্তন তত্ত্বের আসলেই কোন ভিত্তি নেই। এ পর্যন্ত একজনও আমার যুক্তির বিপক্ষে পীয়ার-রিভিউড বৈজ্ঞানিক জার্নাল থেকে কোন প্রমাণ দেখাতে পারেনি। প্রমাণ থাকলে নিশ্চয় হাজির করা হতো।"

[আপনার মতে চালু থাকলেই বিবর্তনের মত একটা ব্যাপার সত্য হয়ে যায় না। আমার প্রশ্ন হল, গ্যাপটা কোথায়?]

তার মানে আপনি আমার লেখা পড়েননি। আমার “প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার” শিরোনামে দশ পর্বের সিরিজটি পড়লেই বুঝতে পারবেন গ্যাপ কোথায়। প্রকৃতপক্ষে কোন জায়গা-ই যেহেতু ভরাট নাই সেহেতু 'গ্যাপ' এর প্রশ্ন আসলে অবান্তর।

[কেন এরা ভ্রান্ত একটা ব্যাপার নিয়ে সাবজেক্ট পড়াচ্ছে, বই লিখে যাচ্ছে?]

বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্ক্সিজম, কম্যুনিজম, সোসাল সায়েন্স, ইত্যাদি বিষয় পড়ানো হচ্ছে না? এগুলো নিয়ে বই লিখা হচ্ছে না? এমনকি ধর্ম তত্ত্বও পড়ানো হয়।

আপনি বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে কথা না বলে নিজের থেকে কথা বলা শুরু করেন। তাহলেই দেখবেন বিবর্তন তত্ত্ব সত্য নাকি মিথ্যা।

১২| ২৪ শে জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০৫

সরোয়ার হোসেন বলেছেন: @ অবয়ব

বৈজ্ঞানিক প্রেক্ষাপটে বিবর্তনবাদ নিয়ে প্রশ্ন করে এমন অনেক বড় মাপের বিজ্ঞানী রয়েছেনএই লিঙ্কে বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ১০০০ বিজ্ঞানীর লিস্ট দেখতে পাবেন যারা ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন। এদের মধ্যে অনেকে খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজির প্রফেসর ও প্রফেসর এমেরিটাস আছেন।

২৪ শে জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৬

এস. এম. রায়হান বলেছেন: ধন্যবাদ। ডারউইনবাদীদের লেখাতে এগুলো কখনোই দেখা যায় না। ওরা শুধু প্রতারণা, ছলচাতুরি, ব্যক্তি আক্রমণ, আর লজিক্যাল ফ্যালাসির আশ্রয় নিয়ে অসচেতন পাঠকদেরকে বিজ্ঞানের নামে প্রতারিত করছে। জায়গামতো পড়লে কোন প্রমাণ দেখাতে পারে না।

১৩| ২৪ শে জুন, ২০১১ রাত ৮:৫৬

সরোয়ার হোসেন বলেছেন: বিবর্তনবাদকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এমন হাজার হাজার বিজ্ঞানী রয়েছে। কিন্তু তারা চুপ থাকেন, কেননা চাকুরী নিয়ে সমস্যা হবে। আরেকটা বড় কারন হচ্ছে বিবর্তনবাদের বিরুদ্ধে যেই কথা বলবে তাকে ট্যাগিং করে চার্চের পাদ্রী বানিয়ে দিবে! আরেকটা লক্ষনীয় দিক হচ্ছে এই লিস্টে মুসলিম বিজ্ঞানীদের নাম তেমন নেই।

এই জন্যে উপরোক্ত লিস্টে সাধারনত বয়স্ক বা অবসরপ্রাপ্ত বিজ্ঞানীর নাম রয়েছে। কারন তাদের চাকুরী বা ফান্ড নিয়ে তেমন আর সমস্যা নেই! ডারইউনবাদীরা বিজ্ঞানের নামে একনায়কতন্ত্র কায়েম করেছে। এরা তালিবানদের চেয়ে কোন অংশে কম যায় না!

১৪| ২৪ শে জুন, ২০১১ রাত ১০:৩২

রিপেনডিল বলেছেন: @অবয়ব, কোন ব্যাপার প্রতিষ্ঠিত সত্য হলেও তার ব্যাপারে গবেষনা চলতে থাকে এবং প্রতিষ্ঠিন না হলে তো চলবেই। কোন ব্যপারে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌছানোর আগে তার ব্যাপারে অনেক গবেষনা, তত্ত্ব এবং ব্যাবহারিক প্রমানের প্রয়োজন পড়ে। বিবর্তনবাদ সত্য না মিথ্যা সে ব্যাপারে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে আসার জন্যই এ ব্যাপারে আরো গবেষনা প্রয়োজন। আমি যে ব্যাখ্যাটা দিলাম সেটি কোন বইজ্ঞানিক গবেষনালব্ধ প্রমান নয়, সেটি একটি বিশ্লেষন মাত্র, আপনি গ্রহন করবেন কি করবেন না সেটা আপনার ব্যাপার, যদি আমার যুক্তির বিপক্ষে আপনার যুক্তি থাকে তাহলে অবশ্যই সেটা জানাতে পারেন। ততদিন পর্যন্ত বিবর্তন একটি অমীমাংসীত তত্ত্বই রয়ে যাবে।

১৫| ২৪ শে জুন, ২০১১ রাত ১০:৪২

রিপেনডিল বলেছেন: @ এস এম রায়হান, আপনি আপনাকে হেয় করার চেষ্টা করিনি, আপনি যে যুক্তি গুলো দিয়েছেন সেগুলো বিবর্তনের মূলরেখার সাথে যায় না এবং কিছুটা দূর্বল। বিবর্তন সম্পর্কে ভালভাবে জানেন এবং এর পক্ষের সমর্থক যারা (যেমন এই ব্লগের হোরাস) তারা এই যুক্তিগুলো আমলেই নেবে না বলে মনে হয়।

আমার ব্লগে বিবর্তন নিয়ে কোন লেখা কেন নেই এর উত্তর হচ্ছে, লেখার জন্য আরো অনেক বিষয়ই আছে যেগুলো কে আমি বিবর্তনের চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেই। আর আমি যতকিছু সমর্থন করি বা অসমর্থন করি তার সব নিয়েই যে ব্লগে লিখতে হবে এমন কোন কথা নেই। আর ব্লগে লেখা না থাকলে যে সেই বিষয়ে মন্তব্য করা যাবে না তাও ঠিক নয়।

১৬| ২৪ শে জুন, ২০১১ রাত ১১:১৪

অবয়ব বলেছেন: সরোয়ার ভাই, লিস্টের জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু কোন একটা কারণে লিঙ্ক খুলছে না।
প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এমন লোকের অভাব নাই। উদাহরনঃ বিখ্যাত জেনেটিসিস্ট Francis Collins এর The Language of God: A Scientist Presents Evidence for Belief বইটি এ ক্ষেত্রে অন্যতম। তার প্রদত্ত বায়োলোগোস এবং Theistic evolution চার্চ দ্বারা উচ্চ প্রশংশিত। কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে এখনো এর কোনো স্বীকৃতি মিলে নি।
সার কথা হল, বিবর্তনের বিপক্ষে এমন কোন থিওরী প্রকাশ পায় নি যা বিবর্তনকে বাতিল করে দিয়েছে।
ক্যালিফোনিয়া ইউনিভার্সিটি (বার্কলে) -র বিবর্তন সেকশনের সেই লাইনটি আবার বলতে হচ্ছে - Alternative "theories" that have been proposed for insertion into the science curriculum have not been supported by valid science.
উপরে যেসব ভার্সিটির লিঙ্ক আছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে বিবর্তন নিয়ে অধ্যায়ন হচ্ছে, গবেষনা হচ্ছে, গঠনগত বিবর্তনের সাথে সাথে এখন আচরনগত বিবর্তন নিয়েও ল্যাবে পরীক্ষা হচ্ছে।
সার কথা হল, বিবর্তনকে বাতিল করার মত বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত কোন থিওরী বা গবেষনাপত্র এখনো পাওয়া যায় নি। যদি অকাট্য ১০০% সত্য প্রমান পাওয়া যেত তাহলে পৃথিবী সেরা ভার্সিটিতে নিশ্চয়ই এসব পড়ানো হত না? আরেকটা ব্যাপার হল, বিজ্ঞান ভ্রান্ত বিষয় কেন পড়াবে? বিবর্তন পড়ালে কার স্বার্থ রক্ষা হয়, কার লাভ হয়? বরং তারা বলছে ""evolution is the only scientifically valid and accepted theory that accounts for our observations of the biological world.""
এখানে রায়হান ভাইর আত্মবিশ্বাসী দাবী অনুযায়ী, তার দশ পর্বের নিয়ে লেখা পড়লে বিবর্তন যে ১০০% মিথ্যা একটা ব্যাপার তা দিনের আলোর মত পরিষ্কার হয়ে যায় এবং বৈজ্ঞানিক গবেষনাপত্রে এসব বিষয়ে কোন আলোচনাই হয় নি যে তিনি এর বিপক্ষে কিছু প্রকাশ করবেন।
এক্ষেত্রে আমার দাবী, বিবর্তন বাতিলের জন্য যুক্তিনির্ভর বিশ্লেষন শীর্ষক রায়হান ভাইর বিস্তারিত লেখা আন্ত্ররজাতিক সায়েন্স ম্যাগাজিন বা জার্নাল যেখানে সম্ভব পাবলিশ করা হোক, যেখানে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের চোখে পড়বে এবং বিবর্তন বাতিল করা উচিত কি না সিদ্ধান্ত নিবে। :)

২৪ শে জুন, ২০১১ রাত ১১:৪৬

এস. এম. রায়হান বলেছেন: প্রথমত, আপনি মনে হচ্ছে 'বিবর্তন' আর 'বিবর্তনবাদ তত্ত্ব' দুটি বিষয়কে গুলিয়ে ফেলেছেন। আমি বিবর্তনের বিরুদ্ধে লিখছি না, বিবর্তন তত্ত্বের বিরুদ্ধে লিখছি। পার্থক্যটা আগে বুঝার চেষ্টা করুন। অন্যথায় দয়া করে আমার মুখে কিছু গুঁজিয়ে দেবেন না। তাছাড়া আগেই বলেছি, বিবর্তন বলতে অনেক কিছুই বুঝাতে পারে।

দ্বিতীয়ত, আপনি যেভাবে ভাবছেন ব্যাপারটা মোটেও সেরকম নয়। আপনি বলতে চাচ্ছেন আমি যেহেতু বিবর্তন তত্ত্বকে যুক্তি দিয়ে ভুল বলেছি সেহেতু বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবর্তনবাদ পড়ানো বন্ধ করা উচিত! ধর্মকেও কিন্তু অনেকেই যুক্তি দিয়ে ভুল বলেছেন। তার মানে কি বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মতত্ত্ব পড়ানো বন্ধ হয়ে গেছে?

তৃতীয়ত, আপনি বারংবার একই যুক্তি দিচ্ছেন। নিজে থেকে কিছু বলার চেষ্টা করুন।

১৭| ২৪ শে জুন, ২০১১ রাত ১১:৩৭

অবয়ব বলেছেন: ""দ্বিতীয়ত, তাদের সাইটে বিবর্তনকে "scientifically valid and accepted theory" বলতে আসলে কী বুঝানো হয়েছে তা হয়ত আপনি নিজেও জানেন না।""
এ কথাটার মানে আমার কাছে মনে হচ্ছে, বিবর্তন থিওরী এখন পর্যন্ত বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিসিদ্ধ এবং গ্রহনীয়। এর মানে এটা ১০০% সত্যও নয় আবার ১০০% মিথ্যা বলেও প্রমানিত হয় নি। তবে বায়োলজী বুঝানোর জন্য এটার উপর অনেক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
আমার বোঝার ভুলও হয়ে থাকতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার সংশোধনী কাম্য।
প্রথমত, আমি বলেছি পাঠ্য বইয়ের কথা অথচ আপনি দিলেন কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের লিঙ্ক।

আমি যেসব লিঙ্ক দিয়েছি সেগুলো হল, যেখানে বিবর্তন পড়ানো হচ্ছে সেসব ফ্যাকাল্টির লিঙ্ক। এর ভিতরে সিলেবাস এবং টপিক আছে। হার্ভার্ড এর বিবর্তনের কিছু বই এর লিঙ্ক
http://www.wjh.harvard.edu/~mnkylab/publications/books.htm

""তার মানে আপনি আমার লেখা পড়েননি। আমার “প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার” শিরোনামে দশ পর্বের সিরিজটি পড়লেই বুঝতে পারবেন গ্যাপ কোথায়। প্রকৃতপক্ষে কোন জায়গা-ই যেহেতু ভরাট নাই সেহেতু 'গ্যাপ' এর প্রশ্ন আসলে অবান্তর। ""

আমাকে নিজে থেকে পড়ার উপদেশ দিয়েছেন, কিন্তু সমস্যা হল, আমার জ্ঞানের গভীরতা এত বোঝার মত হয়। আপনার লেখাগুলো পড়েছি, মাহফুজ শান্ত ভাই ও অন্যান্য লেখাগুলোও পড়েছি। যখন যারটা পড়েছি মনে হয়েছে এটাই বুঝি সত্য। অর্থাৎ কম জ্ঞান থাকলে যা হয় আর কি :D
তাই এসব ভার্সিটির বরাত দিয়ে যা এ বিষয়ে উচ্চশিক্ষিত, আপনার বিবর্তন বিষয়ে যুক্তিনির্ভর লেখার উপর তাদের মতামত চাচ্ছি।

[কেন এরা ভ্রান্ত একটা ব্যাপার নিয়ে সাবজেক্ট পড়াচ্ছে, বই লিখে যাচ্ছে?]
বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্ক্সিজম, কম্যুনিজম, সোসাল সায়েন্স, ইত্যাদি বিষয় পড়ানো হচ্ছে না? এগুলো নিয়ে বই লিখা হচ্ছে না? এমনকি ধর্ম তত্ত্বও পড়ানো হয়।


বিবর্তনের সাথে এসবের সম্পর্ক ধরতে পারি নাই। বিবর্তন একটা থিওরী মাত্র যা আপনার লেখা পড়লে যে কেউ বাতিল করে দিবে বলে আপনার দাবী। যদি বিবর্তন ভ্রান্ত হয় এবং বাতিল করে দেয়া হয় তাহলে বিজ্ঞান বায়োলজী নতুন করে সাজাতে পারবে এবং অনর্থক বিবর্তন বিষয়ক গবেষনা বাতিল করে দিয়ে অনেক অর্থ সময় ও মেধার অপচয় রোধ করা যাবে।
মার্ক্সিজম, কম্যুনিজম, সোসাল সায়েন্স- এগুলো তো বাস্তব ব্যাপার, যা নিয়ে গবেষনা লেখালেখি হতেই পারে।
ধন্যবাদ আপনাকে।

১৮| ২৫ শে জুন, ২০১১ রাত ৩:১৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: এই কথা বলার আপনি কে?
মন্তব্য আশা করে ব্লগে লিখে এর পর আবার এর জন্য কৈফিয়ত তলব ?

বিজ্ঞানের সকল সেক্টর গুলো কোনটাই ধর্মকে কেন্দ্র করে হয় নি। বিভিন্ন ধর্ম বা ইসলাম ধর্ম কে মিথ্যা প্রমান করার জন্য গড়ে উঠেনি। যদিও বিজ্ঞানের বিভিন্ন এযাবত প্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার গুলো ধর্মের দ্বারা ব্যাখ্যা করা সম্ভব না
গায়ে পড়ে ধর্ম দিয়ে বিজ্ঞান আবিষ্কৃত জিনিস গুলোকে ওয়াজ মাহাফিলের মাওলানাদের মত ধর্ম দিয়ে ব্যাখ্যা করলে বিতর্কের শৃষ্টি হবে এবং যাদের ঈমান এখনো আছে তাদের ক্ষতি হবে সবচেয়ে বেশি।

আপনি লিখেছেন আমার ধর্মকে ডিফেন্ড করা কোন লেখা নাই,
কেন? ধর্ম তো বিশ্বাসের ব্যাপার, বিনা তর্কে আল্লাহ এক।
গায়ে পড়ে এটাকে সত্য প্রমানের জন্য বিজ্ঞান নিয়ে টানাটানির কোন প্রয়জন দেখিনা।

১৯| ২৫ শে জুন, ২০১১ রাত ৩:২৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: আমার একটি প্রশ্নের জবাব দিন।
এক কোটি বছর আগের প্রানি বা মানুষের আকার-আকৃতি, আচরন, খাদ্যাভাস কি বর্তমানের মত একই ছিল ?

২৫ শে জুন, ২০১১ সকাল ১১:০৭

এস. এম. রায়হান বলেছেন: এক কোটি বছর আগে প্রাণী বা মানুষ কেমন ছিল তা কারো পক্ষেই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়, যা কিছু বলা হবে তার সবই অনুমানের উপর নির্ভর করতে হবে। তবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে আবহাওয়া, জলবায়ু, ও খাদ্যাভাস পরিবর্তনের কারণে প্রাণীদের গায়ের রঙ ও আকারে পরিবর্তন হতে পারে কিন্তু এক প্রজাতি থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রজাতি কখনোই বিবর্তিত হতে পারে না। তার ব্যাখ্যা আমার অন্যান্য লেখায় দেয়া হয়েছে।

২৫ শে জুন, ২০১১ রাত ১১:২৪

এস. এম. রায়হান বলেছেন: আপনার বিজ্ঞান ভিত্তিক specimen ও মাঠ পর্যায়ে কাজ নিয়ে লেখার অপেক্ষায় আছি।

২৫ শে জুন, ২০১১ রাত ১১:৩০

এস. এম. রায়হান বলেছেন: আপনার "বিবর্তন বিশ্বাস না বাস্তব?" লেখার শুরুতেই বলেছেন:

"ডারউইন ই প্রথম বিজ্ঞান ভিত্তিক পরিক্ষা-নিরিক্ষা করে প্রমান করেন যে বিবর্তন হচ্ছে।"

ডারউইন কীভাবে বিজ্ঞান-ভিত্তিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রমাণ করেছেন তার পক্ষে ডারউইনের বই থেকে সরাসরি প্রমাণ সহ একটি পোস্ট আশা করছি।

২০| ২৭ শে জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৩

এস. এম. রায়হান বলেছেন: অন্য একটি ব্লগ থেকে একলা বগ এর একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য নিচে কপিপেস্ট করে দিলাম। আশা করি একলা বগ কিছু মনে করবেন না।

একলা বগ বলেছেন: Listen to an evolutionist's evidence and you'll hear common themes. First, if you try to give scientific evidence against evolution, you'll be told you're not 'scientific', and it will be insinuated that you're not intelligent. Second, when evolutionists do offer 'proof', I can guarantee there will be claims of lots of transitional forms between species, but specific ones are rarely named. If they are named, you'll find that the organism is still of the same 'kind'. For instance, antibiotic resistant bacteria are still bacteria (they're just picked up genes from antibiotic resistant bacteria!). You might hear about the supposed half-bird/dinosaur fossil of an Archaeopteryx. Sounds good until you do some research and find that the fossil is considered by ornithologists to be fully bird, and that present day birds have claws on their wings. You'll also hear that is there's similarity in chemicals, molecules or structures between organisms, then that's proof for a common ancestor. Why can't a common designer be considered? That would actually make more sense. However, even with homology, when you look at the microscopic detail of the structures, you'll find there is not as much similarity as evolutionists like to claim. And finally, the biggest problem for the theory of evolution is that it takes much faith to believe in it, since there is no known mechanism which ADDS new genetic information to an organism's genome which could, supposedly, transform the organism from a wolf-like animal to a whale-like animal over millions of years. The millions of years must be thrown in so that the imagination can be used - after all, anything can be possible in that much time, right? It doesn't matter that there is no scientifically observed organized mechanism to add new intelligen information to a genome.

The best refutation to evolution is to study science! Then you won't be deceived.

২১| ৩০ শে জুন, ২০১১ রাত ১:৩৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: ডারউইন কীভাবে বিজ্ঞান-ভিত্তিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রমাণ করেছেন ?
উনি তো specimen সহ প্রমান লন্ডনে বিজ্ঞানি দের কাছে পাঠিয়েছিলেন।

২২| ১৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ২:২৯

পাউডার বলেছেন:
লাইকের কাঙাল হয়ে আর কয়পার রিপোস্ট চলপে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.