| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আঘাত প্রাপ্ত একজন
নিত্যকার প্রয়োজনে নিয়ত অভিযোজনের ক্রমাগত নিষ্পেষণ থেকে পরিত্রাণের ফুরসত খুঁজে ফেরা এক পরিশ্রান্ত প্রাণ।
৮ জুলাই ২০১৪—রোজার মাস। সেহেরীর আগের সেই 'কালো' রাত! ঘরের মাঠে ম্যাচের ২৯ মিনিটের মধ্যে ব্রাজিল তার বিশ্বকাপের সমান সংখ্যক গোল খেয়ে বসে জার্মানীর কাছে!
ব্রাজিলিয়ান প্রথম আলো 'ফোল্যা দে সাঁও পাওলো' এই ঘটনাকে শিরোনাম করে "Vergonha Histórica!"(ঐতিহাসিক লজ্জা)
থমাস মুলার FIFA+ কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন "হাফ টাইমের বিরতিতে জোয়াকিম লো (জার্মান কোচ) বলেছিলেন যে আমাদের ব্রাজিলের প্রতি সম্মান বজায় রেখেই খেলতে হবে। আমাদের এটা মনে হয় যে—'ঠিক আছে, ৫-০ হয়ে গেছে, খেলা তো শেষই'—কিন্তু (ব্রাজিলিয়ান) দর্শক ও খেলোয়াড়দের প্রতি সম্মানটা যেন বজায় থাকে।
সম্মান হয়ত তারা রাখার চেষ্টা করেছিলো, সেকেন্ড হাফে আর তেমন গোল না হওয়া সত্বেও স্কোরলাইন ৭-১ ! এমন নিষ্ঠুর সম্মান শত্রুর জন্যও কেউ চাইবেনা। ল্যাটিনরা বিশেষত ব্রাজিল ফুটবলে বাঁচে, ফুটবল তাদের জাগতিক যন্ত্রনার এক উপশম। অথচ সেই ফুটবলই তাদের সবচেয়ে লজ্জাজনক যন্ত্রনাটা দিয়ে দেয়।
কিন্তু এ যন্ত্রনা ৮ জুলাই ই শেষ হয়না, ঘটনার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায়, ৭ গোলের টাটকা ক্ষত বুকে নিয়ে ১৩ জুলাই ফাইনালে ব্রাজিল সমর্থক দের এই জার্মানিকে ই আবার সমর্থন জানাতে হয়—কারন বিপরীতে যে আর্জেন্টিনা। খু*ন হওয়া ব্যাক্তি যেন ওপরে গিয়ে তার খু*নিকেই আবার সমর্থন দিচ্ছে— কারন কিছুক্ষণ বাদে সে খু*নি তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী কে খ*তম করতে যাচ্ছে! বিশ্ব কোমল পানীয় (7️⃣
২|
০৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৫৪
অর্ক বলেছেন: আহ, বারো বছর! এক যুগ! সময় বহিয়া যায়। জি ভাই, পরিষ্কার মনে আছে ম্যাচটা। গভীর মনোযোগ দিয়ে দেখেছিলাম। খুবই আনন্দ পেয়েছিলাম। আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। ব্রাজিলের আসলেই ভয়ানক দুঃস্বপ্নের দিন। কেউ কল্পনাও করতে পারেনি ঘরের মাঠে এভাবে হেরে যাবে। ব্যাপারটা সত্যি বিস্ময়কর ছিলো। আশা করি আগামীতে ভালো করবে ব্রাজিল। আবার আগের ফর্মে দেখবো তাদের। ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:৫১
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ব্রাজিল এখন শুধুই ইতিহাসের নাম- এবার ব্রাজিল বিদায় নিলেও তাদে হেক্সা মিশন পুরণ হয়েছে গত ৬ বিশ্বকাপে ২৪ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের দেখা পাচ্ছে না।