নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নুসরাতসুলতানা

নির্লিপত সাধুতা অসাধুতার নামান্‌তর...

নুসরাতসুলতানা › বিস্তারিত পোস্টঃ

রংপুরের পিরগঞ্জের কিশোরী মেয়েটি সত্যি চমকে দিল

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:২০



Daily Star এ প্রকাশিত এ খবরটি পড়ে আজ আমি সত্যি চমকে উঠেছি । পড়া শেষ যখন করেছি তখন আমার চোখে যে অশ্রু ছিল তা ছিল শ্রদ্ধার । আমরা যারা ভাবি পুরুষের সাথে সমান যোগ্যতায় নারীরাও অগ্রসর হতে পারে এ ছোট্ট কিশোরী মেয়েটির সাহস, মনোবল, দৃঢ়তা আমাদের নিশ্চয় অনেক কিছু শেখাবে । ব্লগে সবার সাথে শেয়ার করার জন্যই লেখাটার লিঙ্ক এখানে শেয়ার করলাম এভাবে । দেশের বাইরের বন্ধুদেরও পাঠিয়েছি লিঙ্কটা । বিচার পাওয়া ছাড়াও যেন মেয়েটি তার জীবনে এগিয়ে যেতে পারে এ প্রত্যাশা করি।



" Hail the girl "



Raped overnight, she pulls herself together to sit JSC exam; culprit still in hiding

Our Correspondent, Rangpur



She was raped only the previous night. She was dealt a crushing blow even before she could know what life really was. Her father attempted suicide several times over the night. And in the morning, she had to go through a medical test, a process often considered a further embarrassment for the victim.



But neither the trauma of the horrific incident nor the fear of social stigma could deter the 14-year-old girl from moving on with her life.



The brave and bold Junior School Certificate examinee went straight to the exam centre from the hospital and took the test on Friday.



The incident took place in Jadavpur village of Rangpur's Pirganj upazila.



With the JSC examination just a night away, she was studying at her room on Thursday evening. She was alone at home as her father had gone to a local marketplace and her mother was at her parents' place in a nearby village.



Around 8:00pm, Ekramul Haque, 22, son of local rice trader Delwar Rahman, entered her room, gagged her with the scarf she was wearing and raped her.



At one stage, she managed to get rid of the gag and started screaming for help. Neighbours rushed in and rescued the girl but the culprit had fled by th



When her rickshaw-puller father returned home and heard this, he shut himself inside a room and tried to hang himself. Neighbours broke into the room and rescued him. He tried the same a few more times over the night, but was prevented every time.



With the help of local Chotra union parishad chairman Mizanur Rahman Raju, the girl was taken to Pirganj Upazila Health Complex.



Raju was also the headmaster of Kanchanbazaar High School where the girl studied.



Once the medical test was over, the girl, to the astonishment of many, told Raju that she wanted to take her exam and asked him to take her to the exam centre -- Chotra High School.



He then took the girl to the centre, and ensured special arrangements so that she could sit the exam without hassles.



She went through the worst horror of a girl's life, dealt with what could be a crushing experience for others, took the examination and went home like a victor who had just conquered the life itself, said a teacher of the school.



The victim's father lodged a case against Ekramul Haque, who was on the run, with Pirganj Police Station.



Md Israil Hossain, officer-in-charge, said drives were on to catch the culprit.



They went to Ekramul's house and found all his family members had fled, he added.



Published: 12:00 am Sunday, November 09, 2014



Last modified: 7:55 pm Sunday, November 09, 2014

মন্তব্য ৫৮ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:০৯

অন্ধবিন্দু বলেছেন:
কিশোরী মেয়েটির এহেন সাহসিকতার প্রতি অনেক অনেক শ্রদ্ধা রইলো। আশাকরি তিনি সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে পূর্ণ-সহায়তা পাবেন।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:০৩

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: পূর্ণ সহায়তা পাওয়া উচিত , এটা ওর প্রাপ্য। ধন্যবাদ।

২| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:২২

আমিনুর রহমান বলেছেন:



চোখে অশ্রু এসেছে গর্বে আর শ্রদ্ধায়। কখন যদি সুযোগ হয় একবার গিয়ে তার সাথে কথা বলে আসতে চাই।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:০৫

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: আমিনুর , আমি এ লেখাটি পড়ার পর আপনার ব্লগে ট্যাগ করে আপনাকে লিখতে বলার কথা ভেবেছিলাম। যাহোক, জায়গাটা 'ত আপনার কাছাকাছি হবে। ওর সমস্ত তথ্য একত্র করে আপনি একটি পোস্ট দেন। হয়তো এতে ওর পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়া , কারো সাহায্য পাওয়া সহজ হবে। জীবনের এমন ভয়াবহতম দিনেও যে পরীক্ষা দিতে যেতে পারে তার পড়াশুনাটা যেন থেমে না যায় এটা অন্তত চেষ্টা করা যাবে।

৩| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:২৩

সোহানী বলেছেন: স্যালুট.... এভাবে আর কতদিন সহ্য করবে আমাদের মেয়েরা।.....

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:০৬

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: এত অল্প বয়সেও মেয়েটি পরিস্থিতিকে অন্তত অতিক্রম করার চেষ্টা করেছে।

৪| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:২৯

অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: দুঃখ লাগে ।
কষ্ট হয় ।
প্রচণ্ড রাগ ।
তারপরও কিছু স্বপ্ন ,
সাহস যোগায় ।

তার সাহসিকতা ও মনোবলকে শ্রদ্ধা জানানোর ভাষা নেই আমার কাছে । শুধুই অনেক দোয়া ও শুভকামনা ।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:০৭

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: "তার সাহসিকতা ও মনোবলকে শ্রদ্ধা জানানোর ভাষা নেই " --- সত্যই তাই।

৫| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৪০

ডট কম ০০৯ বলেছেন: আমি নিস্তব্ধ।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:০৮

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: ' আমি নিস্তব্ধ। " --- পড়ার পর আমার নিজেরই বিশ্বাস হচ্ছিলনা।

৬| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৪৮

তুষার কাব্য বলেছেন: শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে এলো বোন...

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:১৬

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: ঠিক বলেছেন। শ্রদ্ধায় মাথা নত হওয়ার মতই কাজ করেছে ও।

৭| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৫২

মুহিব জিহাদ বলেছেন: নারী,তুমি এগিয়েযাও আরো এগিয়ে,সত্যি তোমাকে শ্রদ্ধা অন্তরের অন্তরস্থল থেকে!

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:১৭

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: শ্রদ্ধায় মাথা নত হওয়ার মতই কাজ করেছে ও। ধন্যবাদ।

৮| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৫৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমার চোখে ,একজন পর্বত আরোহী , একজন নোবেল বিজয়ী র চাইতে ও বড় তুমি মেয়ে ।।

আল্লাহ তোমার রক্ষনা বেক্ষন করুন ।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:১৮

নুসরাতসুলতানা বলেছেন:
ঠিকই বলেছেন। লিঙ্কটা দেয়ার সময় আমার ও মনে হয়েছে ওর মনোবল, সাহস কোনোভাবেই নোবেল বিজয়ী মালালা হতে কম নয়।

৯| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:১৩

জেরিফ বলেছেন: hats off

Go ahead sister , Go ahead ! !


১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৪১

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: তাই প্রার্থনা করি।

১০| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:১৩

অথৈ শ্রাবণ বলেছেন: লেখাটি পড়ে শুধু এটুকু মনে হইছে ঘুরে দাড়ানোর সাহস সবার থাকেনা ॥মেয়েটির জন্য শুভকামনা ।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৪২

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: মেয়েটির জন্য শুভকামনা - সহমত।

১১| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৩৮

মূর্খ রুমেল বলেছেন: মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমার চোখে ,একজন পর্বত আরোহী , একজন নোবেল বিজয়ী র চাইতে ও বড় তুমি মেয়ে ।।

আল্লাহ তোমার রক্ষনা বেক্ষন করুন ।

Greatest comment for her....

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৪৩

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: সহমত।

১২| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:০৪

স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: মনোবলে বলীয়ান ! শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে আসে , সুবিচার নিশ্চিত হোক ।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৪৪

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: সুবিচার নিশ্চিত হোক - সহমত। একই সাথে এ পড়াশুনাটা সে যেন চালিয়ে যেতে পারে তাই যেন হয়।

১৩| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:৩৯

সোহেল মাহমুদ বলেছেন: মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমার চোখে ,একজন পর্বত আরোহী , একজন নোবেল বিজয়ী র চাইতে ও বড় তুমি মেয়ে ।।

আল্লাহ তোমার রক্ষনা বেক্ষন করুন ।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৫২

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: আল্লাহ তোমার রক্ষনা বেক্ষন করুন ।---- সহমত।

১৪| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:০৭

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: সুবিচার নিশ্চিত হোক ------ মনোবল নিয়ে এগিয়ে যাক --------শ্রদ্ধা ও ভালবাসা রইল

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৫৩

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: সুবিচার নিশ্চিত হোক ------ মনোবল নিয়ে এগিয়ে যাক -------- সহমত। এত ছোট্ট একটি মেয়ে অথচ প্রাপ্ত বয়স্ক অনেকের মত সে আত্মহত্যা করতে যায়নি। অনেক কিছু শেখার আছে ওর কাজ- পদক্ষেপ হতে।

১৫| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:১২

ডি মুন বলেছেন: সাহসী বোনটাকে স্যালুট।
আর

Ekramul Haque নামের মানুষরূপী জানোয়ারটার বিচার চাই।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৫৪

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: । সহমত।

১৬| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:২৫

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:


স্যালুট জানাই!

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৫৫

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: সহমত।

১৭| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:২৬

আবু শাকিল বলেছেন: ১৪ বছরের মেয়ে।কতটুকই বা বোঝে।

বোনটি যে নিজেকে সামলে নিয়ে মনবোল হারায়নি।
এ জন্যই শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে গেল।


আমার ভাতিজি এবার জিএসসি দিচ্ছে।ভাতিজি এখনো ফ্রক পড়ে।

নিজের ভাতিজি এবং বোন টিকে আলাদা ভাবে দেখছি না।



নিউজ পড়ে যতটুকু জেনেছি মানুষরুপী জানোয়ার এখনো পলাতক।

বোনটির সুবিচার নিশ্চিত করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্নবান জানাই।

মানুষরুপী কুত্তার বিচার হোক।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৫৬

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: " ১৪ বছরের মেয়ে। কতটুকই বা বোঝে। " ---- প্রতিনিয়ত দেখছি এ ধরনের ঘটনার পর আত্মহত্যা করছে। ওর বয়স অল্প হলেও দেখেন, সে ঠিক কাজটি করতে পেরেছে। অনেক শিক্ষিত আর প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ ও তা পারেনা ও যা করেছে।

১৮| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:০২

হাসান মাহবুব বলেছেন: স্যালুট মহৎ বালিকাকে।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:১৯

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: সহমত।

১৯| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:২৪

কলমের কালি শেষ বলেছেন: কঠিন মনোবল । মেয়েটির প্রতি শ্রদ্ধা এবং সন্ত্রাসীর কঠিন শাস্তি কামনা করছি ।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:১৯

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: কঠিন মনোবল ।-- সহমত।

২০| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪৯

মামুন রশিদ বলেছেন: আমাদের অক্ষম অথর্ব রাষ্ট্রযন্ত্র আর ক্ষয়ে যাওয়া ভণ্ড সমাজের গালে আগে এর চেয়ে জোরে কেউ চটোপাঘাত করেছিল কিনা জানা নাই ।

তোমাকে স্যালুট মা!!

১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:২০

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: চমৎকার বলেছেন। মেয়েটি আলোতে আসা উচিত। এটা ওর প্রাপ্য আর ও তা প্রমানও করেছে।

২১| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:০২

খেয়া ঘাট বলেছেন: মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমার চোখে ,একজন পর্বত আরোহী , একজন নোবেল বিজয়ী র চাইতে ও বড় তুমি মেয়ে ।।

আল্লাহ তোমার রক্ষনা বেক্ষন করুন ।

মামুন রশিদ বলেছেন: আমাদের অক্ষম অথর্ব রাষ্ট্রযন্ত্র আর ক্ষয়ে যাওয়া ভণ্ড সমাজের গালে আগে এর চেয়ে জোরে কেউ চটোপাঘাত করেছিল কিনা জানা নাই ।

তোমাকে স্যালুট মা!!

১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:২১

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: মেয়েটি আলোতে আসা উচিত। এটা যে ওর প্রাপ্য এবং সে তা প্রমানও করেছে।

২২| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৪২

একুশে২১ বলেছেন: নারীর শক্তি আর সাহসের কাছে আমরা পুরুষরা অনেক সময় বড়ই তুচ্ছ। স্যলুট তোমায়.......... তুমিই জিতলে আর সমাজ ও শাসন হারল।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:২২

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: তুমিই জিতলে আর সমাজ ও শাসন হারল। --- সহমত।

২৩| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৪৬

সুমন কর বলেছেন: মাঝে মাঝে অামাদের কিছুই বলার শক্তি থাকে না। বোবা হয়ে যাই। যেমন এখন।

বোনকে শ্রদ্ধা জানাই। অার


মানুষরূপি এ সকল জানোয়ারের বিচার (মৃত্যু) চাই।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:২৩

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: মানুষরূপি এ সকল জানোয়ারের বিচার (মৃত্যু) চাই। - সহমত। এত অল্প বয়সের মেয়েটি জীবনের ভয়াবহতম দিনেও স্থির হয়ে সিদ্ধানত নিতে পেরেছে, অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

২৪| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:০১

ইমরাজ কবির মুন বলেছেন:
হোমে মামুন চাচ্চুর শেয়ার দেখে কমেন্ট দিতে আসতেই হলো, গ্র্যান্ড স্যালুট

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৫৩

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: গ্র্যান্ড স্যালুট ।

২৫| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:০৫

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন:
মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমার চোখে ,একজন পর্বত আরোহী , একজন নোবেল বিজয়ী র চাইতে ও বড় তুমি মেয়ে ।।

আল্লাহ তোমার রক্ষনা বেক্ষন করুন ।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:২৫

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: সহমত।

২৬| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:০৬

প্রবাসী পাঠক বলেছেন: মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমার চোখে ,একজন পর্বত আরোহী , একজন নোবেল বিজয়ী র চাইতে ও বড় তুমি মেয়ে ।।

আল্লাহ তোমার রক্ষনা বেক্ষন করুন ।


সহমত।

উনার সাহসিকতাকে স্যালুট। পাশাপাশি জানোয়ারটার শাস্তির জন্যও আমাদের সবাইকে এ লড়াইয়ে সঙ্গী হতে হবে। জানোয়ারটা শাস্তি পাক।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:২৮

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: জানোয়ারটা শাস্তি পাক। --- সহমত। এ সাহসী মেয়েটিও যেন পরাজিত না হয় ।

২৭| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৩৩

ঐতিহাসিক বলেছেন: শ্রদ্ধা রইলো ।
সাহস পেলাম ।
আমিও হয়তো আমার কোনও বিপদে এভাবে দাঁড়াতে পারতাম না ।

এরকম একটি মানুষ পুরো মানবজাতিকে শেখায় কিভাবে বিপদে ভেঙ্গে না পড়ে, নিজের মহিমায় দাঁড়াতে হয় ।


১৪ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৫৫

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: শ্রদ্ধা রইলো ---- সহমত।

২৮| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:২৭

আমিনুর রহমান বলেছেন:




খুব কাছে না, তবে আপনার বলার পর আমি খোঁজখবর নিতে বলেছি ওখানকার কি অবস্থা এখন। আমি নিজেই যাবো ইনশাআল্লাহ্‌।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:০২

নুসরাতসুলতানা বলেছেন: আমি ঠিক নিশ্চিত নই, তবে এত দূরবর্তী অঞ্চলগুলিতে সামাজিক সংঘটন গুলির সাহায্য পৌছায় কিনা জানা নেই। মেয়েটির স্কুলের হেড মাস্টার এর উল্লেখ আছে লিঙ্কে। ওনার সাথেও কথা বলা যায়। খোঁজ পেলে তথ্য সহ একটি লেখা দিন।

২৯| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:১১

নকীব কম্পিউটার বলেছেন: কষ্ট লাগে অন্তরে ওদের জন্য।

৩০| ১৬ ই জুলাই, ২০১৬ সকাল ১১:৪১

খায়রুল আহসান বলেছেন: মেয়েটির সৎ সাহসের কাছে পশুর পশুত্ব এবং নির্বিকার সমাজের পঙ্কিলতা পরাভূত হলো।
আমাদের সবার মনের কথাটা এতটা চমৎকারভাবে বলার জন্য মনিরা সুলতানাকে (৭ নং মন্তব্য) অশেষ ধন্যবাদ।
মেয়েটির ব্যাপারে পরে আর কিছু জানা গেছে কি?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.