| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সূচরিতা সেন
আমি ময়ূর আঁখি,বাসনা জাগে তোমায় প্রাণ ভরিয়া দেখি,nতুমি আমার নয়নে জ্যোতি,এই হৃদয় ছুপিলাম তোমার প্রতি !
শাহেদ আলী পাটোয়ারী ১৮৯৯ সালে চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার আশ্বিনপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । তিনি ১৯২১ সালে ঢাকা কলেজ থেকে দর্শনশাস্ত্রে স্নাতক এবং ১৯২৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন । তিনি ১৯২৫ সালে আইন পেশায় বিএল ডিগ্রি অর্জন করে ১৯২৬ সালে কুমিল্লা জেলা কোর্টে আইনজীবী হিসাবে যোগদান করেন ।তাছাড়াও তিনি পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং পরিষদের ডেপুটি স্পিকার ছিলেন ।তিনি স্পিকারে থাকা এবং সংসদ চলা কালীন অবস্থায় তৎকালীন বিরোধী সংসদ সদস্যদের হামলার শিকার হয়ে মৃত্যুবরন করেছিলেন ।
শাহেদ আলী পাটোয়ারী ১৯২৯ সালে শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হকের কৃষক প্রজা পার্টিতে যোগ দেন । শাহেদ আলী পাটোয়ারী দীর্ঘদিন কৃষক প্রজা পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং কুমিল্লা জেলা শাখার সহসভাপতি দায়িত্ব পালন করেছেন । শাহেদ আলী পাটোয়ারী ১৯৩৭ সালে বঙ্গীয় আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন । কৃষক-শ্রমিক পার্টিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন । যুক্তফ্রণ্ট মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি ১৯৫৪ সালে পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং ১৯৫৫ সালে পরিষদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন ।শাহেদ আলী পাটোয়ারী কৃষক শ্রমিক পার্টি ত্যাগ করে ১৯৫৮ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেন । তখন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্টের সরকার গঠিত হয়েছিল । প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন হোসেন শহীদ সোহরওয়ার্দী তিনি আওয়ামীলীগেরও নেতৃত্ব দিতেন, শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
পূর্ব পাকিস্তান গণপরিষদে বিরোধী দলে ছিলো কৃষক প্রজা পাটি । ১৯৫৮ সালের ২০শে সেপ্টেম্বর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির ন্যাপ দলীয় সদস্য দেওয়ান মাহবুব আলী কর্তৃক স্পিকার আবদুল হাকিমের বিরুদ্ধে আনীত অপ্রকৃতস্থ পাগল বিষয়ক অনাস্থা প্রস্তাব পরিষদে গৃহীত হয় । আর এর ফলে ২৩শে সেপ্টেম্বর ডেপুটি স্পিকার শাহেদ আলীর সভাপতিত্বে পরিষদের অধিবেশন পুনরায় শুরু হয় । তবে অধিবেশনের শুরুতেই সরকারি দলের সদস্য ও বিরোধীদলীয় সদস্যদের মধ্যে তুমুল বাকবিতন্ডা শুরু হয় এবং সেটা এক পর্যায় সংঘর্ষে রূপ নিয়েছিল এবং সেই সংঘর্ষের এক পর্যায়ে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের ছোড়া কাগজ মাপা পাথরের আঘাতে মাথায় গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হয়ে শাহেদ আলী পাটোয়ারী মারাত্মকভাবে আহত হন । পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয় এবং ১৯৫৮ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর হাসপাতালে শাহেদ আলী পাটোয়ারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয় ।
তথ্যসূত্রঃ
বিভিন্ন ওয়েব সাইট এবং বাঙলা উইকি।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪২
সূচরিতা সেন বলেছেন: পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
২|
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:০৮
আলামিন১০৪ বলেছেন: অসভ্য জাতি
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪৩
সূচরিতা সেন বলেছেন: হুম।
৩|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:১৭
রাজীব নুর বলেছেন: আহারে---
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৩০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পড়লাম ।