নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কস্তুরী খুঁজে ফিরে তার সুবাস..হায় মৃগ, যদি জানত গন্ধ কার! পাখিও খুঁজে ফিরে শিস--হায়, যদি সে জানত! সুর থাকে ভেতরে, অন্তরে.। চুপটি করে এই তো এখনো ডাকে, ব্যকুল হয়ে - ডাকে আর ডাকে ।।

রাবেয়া রাহীম

মানব মন বুঝে, সাধ্য আছে কার ! কখনো আবেগী গাঁথুনিগুলো যেন নিরেট কনক্রিট কখনো আবার গভীরে সাজানো আবেগগুলো- সৌরভে সুবাসিত হয়ে আনন্দে লীন !

রাবেয়া রাহীম › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিভিন্ন ধর্মে উপবাস

০১ লা জুন, ২০১৭ সকাল ৮:০১

শুধু মুসলিমই নয় অতি প্রাচীন কাল থেকেই সব ধর্মেই উপবাস প্রথা চলে আসছে। তবে ইসলাম ধর্মে উপবাস অন্যন্য ধর্ম থেকে কিছুটা আলাদা। অন্যান্য ধর্মে নির্দিষ্ট কয়েক দিন উপবাস থাকার বিধান রয়েছে। কিন্তু ইসলামে টানা একমাস নিয়ম করে রোজা থাকতে হয়।
রোজা মুসলমানদেরকে ধৈর্য্য এবং আত্মসংযম শিক্ষা দেয়। ব্যক্তিগত ভুল ভ্রান্তি শোধরাতে সাহায্য করে।

ইসলাম ধর্ম


ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের চতুর্থ স্তম্ভ রোজা বা উপবাস। ইসলামি পরিভাষায়, আল্লাহর উদ্দেশে সুবহে সাদিকের আগে থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার এবং সব ধরনের ইন্দ্রিয় তৃপ্তি থেকে বিরত থাকাই রোজা। পবিত্র রমজান মাসে ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা পুরো এক মাস রোজা-সিয়াম বা উপবাস করে থাকে । পবিত্র রমজান মাসে মুসলমানগণ রোজাব্রত পালন করে থাকেন। ইসলাম ধর্মে রমজান মাসে ফজর থেকে মাগরিব পর্যন্ত পূর্নবয়স্ক সুস্থ সবল নারী-পুরুষের জন্য রোজা পালন বাধ্যতামুলক। রোজা পালন সময়ে কোন প্রকার খাদ্য গ্রহন এবং পান সম্পূর্নরূপে নিষিদ্ধ।

ইহুদী ধর্ম


ইহুদিদের জন্য সপ্তাহের শনিবার, মহররমের ১০ তারিখ রোজার বিধান কার্যকর ছিল। অবশ্য হজরত মুসার (আ.) ওপর তাওরাত নাজিলের আগে তুর পাহাড়ে আসা-যাওয়ার চল্লিশ দিনও ইহুদিরা রোজা পালন করতেন। ইঞ্জিল (বাইবেল) নাজিল হওয়ার আগে হযরত ঈসার (আ.) দীর্ঘ চল্লিশ দিন রোজা ও সাধনায় মগ্ন ছিলেন। হযরত দাউদ (আ.) একদিন পর পর রোজা পালন করতেন। (বুখারি, মুসলিম) বর্তমানে ইহুদি ধর্মে উপবাস মানে সকল ধরণের খাবার ও পানি গ্রহন থেকে বিরত থাকা। ঐতিহ্যগতভাবে ইহুদিরা বছরে ছয়দিন রোজা পালন করে থাকে। ইয়াম কিপ্পুর হচ্ছে ইহুদি বর্ষপঞ্জিকার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ দিন। এদিন সকল পূর্ণবয়স্ক নারী পুরুষ উপবাস পালন করে থাকে। এই পবিত্র দিনে তারা উপসনার চেয়ে উপবাসকেই বেশী গুরুত্ব দিয়ে থাকে। যদি কেউ উপবাস পালন করে বিছানায় শুয়ে থাকে তবুও সে পূর্ণ ধর্মীয় বিধান পালনের পূণ্য লাভ করবে।
দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ উপবাসের দিন তিশা বাব। আনুমানিক ২৫০০ বছর আগে এই দিনে ব্যবলনিয়া জেরুজালেমের প্রথম পবিত্র মন্দির ধ্বংস করে দেয় এবং প্রায় ২০০০ বছর আগে রোমানরা জেরুজালেমের দ্বিতীয় পবিত্র মন্দির ধ্বংস করে দেয়। তিশা বাব এ ইহুদিরা বিভিন্ন ট্রাজেডিতে পতিত হয়েছে। সেই উপলক্ষ্যে তারা এই দিনটিকে পালন করে।

বৌদ্ধ ধর্ম



বৌদ্ধ ধর্মে উপবাস করা হয় মূলত রসনা নিয়ন্ত্রণ ও ভোগ থেকে নিজেকে বিরত রাখার কৌশল হিসেবে। বৌদ্ধ আত্মনিয়ন্ত্রণের কৌশলকে বলে ‘ধুতাঙ্গা’। অন্তত তিরিশটি পদ্ধতি আছে এ ধরনের নিয়ন্ত্রণের। এর মধ্যে চারটি খাদ্যগ্রহনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। যেমন: দিনে একবার ভক্ষণ (একাহারি), একবসাতে খাওয়া, কম খাওয়া (স্বল্পাহারি), মেঙ্গে খাওয়া, প্রথম সাত বাড়ি থেকে যা পাওয়া যায় তা-ই খাওয়া। এর যেকোনো একটি কেউ বেছে নিতে পারে।

জৈন ধর্ম


জৈন ধর্মে উপবাস কয়েক প্রকার। পূর্ণ উপবাস: একটা নির্দিষ্ট সময় খাদ্য পানীয় স্পর্শ না করা আংশিক উপবাস: ক্ষুধা নিবারণের জন্য যতোটুকু প্রয়োজন তার চেয়েও কম খাওয়া ব্রতী সংক্ষেপা: নিয়মিত খাবারের আইটেম কমানো রাসা পরিত্যাগা: প্রিয় খাবারগুলো স্পর্শ না করা জৈন ধর্মে আরো দুই ধরনের উপবাস আছে। টানা কয়েক মাস উপবাস করা। যেমন : জৈন ধর্মের প্রবক্ত মহাবীর টানা ছয় মাসেরও বেশি উপবাস করেছিলেন। বর্তমানকালের অনেক জৈন ধর্মাবলম্বীও এই অসম্ভব কর্মটি করেন যেমন: হীরা রতন মানিক। তিনিও ছয় মাসের অধিক উপবাস করেছেন। শ্রী সহজ মুনি মহারাজ টানা এক বছর উপবাস করে রেকর্ড করেছেন। ১৯৯৮ সালের ১ মে তার ৩৬৫ দিন পূর্ণ। এ ধর্মে আরেক ধরনের উপবাস আছে। যাকে বলা যায় ‘আমৃত্যু উপবাস’। জৈন ধর্মগুরুরা মহাপরিত্রাণের জন্য আমৃত্যু উপবাস করে থাকেন। একে বলে সান্থারা বা সালেংখানা।

হিন্দু ধর্ম


-হিন্দুধর্ম বা বৈদিক ধর্মে প্রতিটি পূজায় ব্রতী পূজারি ও অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা নারী-পুরুষ উপবাস করে থাকেন। এছাড়াও অমাবস্যা ও পূর্ণিমা ইত্যাদি তিথিতে উপবাস করেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। হিন্দুরা একাদশী (চাঁদের
-১১ তারিখ) উপবাস পালন করে থাকেন। অনেকে বিশেষ দেবতার পূজা উপলক্ষে প্রতি শনিবার, শুক্রবার, বৃহস্পতিবার অথবা মঙ্গলবার উপবাস করেন। তবে এর মধ্যে কেউ ‘নিরম্বু’ উপবাস করলে পানিও পান করা যায় না। তবে ক্ষেত্রবিশেষে করা যায় -

শিখ ধর্ম


শিখধর্মে উপবাস প্রথাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। গুরু গ্রন্থ সাহিবে বলা হয়েছে উপবাস কোন আত্মিক সুবিধা বয়ে আনে না। তাই শরীরকে কষ্ট দিয়ে কোন লাভ নেই। তবে শুধু মাত্র স্বাস্থ্যজনিত কারণে উপবাস করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

খ্রিস্টান ধর্ম


-খ্রিস্ট ধর্মের বাইবেলিকার বইয়ের মধ্যে ইসাইয়াহ (৫৮:৬-৭), জাকারিয়াহ (৭:৫-১০), বুক অফ দানিয়েলে উপবাসে কথা বলা হয়েছে। তবে এখানে উপবাসে খাদ্য পানীয় পরিহারের বদলে সৃষ্টিকর্তার আদেশ পূর্ণরূপে প্রতিপালন করতে গরীব এবং দুর্দশাগ্রস্থকে সাহায্যের কথা বলা হয়েছে। বুক অফ দানিয়েলে আংশিক উপবাসের কথা বলা হয়েছে।
খ্রিস্টধর্মের বিভিন্ন শাখা বা চার্চ উপবাস পালন করে থাকে। তবে কিছু শাখা এটাকে পালন করে না। ক্যাথলিক চার্চ এবং ইস্টার্ণ অর্থোডক্স চল্লিশ দিনের আংশিক উপবাস পালন করে থাকে। ইথিওপিয়ান অর্থোডক্স চার্চ বছরে কয়েকবার সপ্তাহব্যাপী আংশিক উপবাস পালন করে। উক্ত সময়ে তারা মাংস এবং দুগ্ধ আহার থেকে বিরত থাকে। বাইবেলে (লেভিক্টাস ২৩:২৭,৩১) বলা হয়েছে, সবার উচিত সপ্তম মাসের নবম দিনের সন্ধ্যা থেকে দশম দিনের সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনরূপ খাদ্য গ্রহন না করা।

সুত্র ও ছবি---ইন্টারনেট

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা জুন, ২০১৭ সকাল ৮:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:


" ইথিওপিয়ান অর্থোডক্স চার্চ বছরে কয়েকবার সপ্তাহব্যাপী আংশিক উপবাস পালন করে। উক্ত সময়ে তারা মাংস এবং দুগ্ধ আহার থেকে বিরত থাকে। "

- ইথিওপিয়াতে রোজা তো চলে সারা বছর, যুগের পর যুগ; এখানে যীশুর হাত আছে

০১ লা জুন, ২০১৭ সকাল ৮:২৭

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: 8-| 8-|

হতেও পারে !

২| ০১ লা জুন, ২০১৭ সকাল ৯:২৩

স্বতু সাঁই বলেছেন: আমার প্রশ্ন হলো, সুবহে সাদেক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত শুধু পানাহার থাকলে কি রোজা বা সিয়াম পালন করা হয়? কারণ রমজান মাস আসলে দ্রব্যমূল্য যে হারে বৃদ্ধি হয়, তাদেখে কি মনে হয় মুসলমান ব্যবসায়ীরা সিয়াম সাধন করে? ঈদ উপলক্ষ্যে সরকারী চাকুরী জীবিরা যে হারে ঘুষ গ্রহণ ও দূর্নীতির মাত্রা বৃদ্ধি করে, তা দেখে কি বলা যায়, মুসলমান সরকারীজীবিরা সিয়াম সাধন করে? মুসলমান রিক্সা চালক, ক্যেত মজুর, দিনমজুর ও সর্বহারার জন্য সিয়াম সাধনা কি ধরণের?

০১ লা জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৭

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: এত কঠিন কঠিন প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে নেই । তবে সিয়াম পালন করা হচ্ছে যেই মহান সত্ত্বার নামে তিনি কখনো অন্যায় পছন্দ করেন না , অবশ্যই তিনি এর বিচার ঠিক মতই করবেন।
ধন্যবাদ।

৩| ০১ লা জুন, ২০১৭ সকাল ১০:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: শিখ ধর্মের নিয়মটাই বেষ্ট।

০১ লা জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৮

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: =p~

৪| ০১ লা জুন, ২০১৭ দুপুর ২:১৪

বিদ্রোহী সিপাহী বলেছেন: ধন্যবাদ প্রধান ধর্ম কয়টির উপবাস প্রথাকে ক্ষুদ্র পরিসরে তুলে ধরার জন্য।
তবে মুসলিমরা উপবাস করেন না, বিরত থাকেন থাকেন পানাহার এবং নফসের সর্ব প্রকার কুমন্ত্রণা থেকে।

রাজীব নুর ভাই, উপবাস ভাল লাগে না বুঝি?

০১ লা জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৯

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: হ্যা আপনি ঠিক বলেছেন । উপবাসের মাধ্যমে বিরত থাকেন
অনেক ধন্যবাদ । ভাল থাকবেন।

৫| ০১ লা জুন, ২০১৭ দুপুর ২:১৭

আলোরিকা বলেছেন: আপনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দেয়া পোস্টগুলো পড়তে ভালই লাগছে অনেক কিছু জানাও হচ্ছে------ তবে আপনার কবিতাগুলো বেশি মিস করছি :)

০১ লা জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩১

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

আমার কবিতা খুব খেয়ালি হয়ে উঠেছে ইদানিং । ধরা দিতে চায় না সহজে । আমিও তাদের মাঝে মাঝে মিস করি =p~

৬| ০১ লা জুন, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৭

কল্লোল পথিক বলেছেন:


নতুন কিছু জানা হলো।

০১ লা জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩১

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৭| ০১ লা জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২২

চাঁদগাজী বলেছেন:


আলোরিকা বলেছেন, "আপনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দেয়া পোস্টগুলো পড়তে ভালই লাগছে অনেক কিছু জানাও হচ্ছে------ তবে আপনার কবিতাগুলো বেশি মিস করছি "

-আমি বলেছিলাম, কবিতা কোথায়?

০১ লা জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৫

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: হা হা হা হা ---কবিতা গুলো বইতে মলাট বন্দী হওয়ার পর থেকে নতুন কবিতারা খুব খেয়ালি হয়ে উঠেছে। =p~


চাদ্গাযী ভাই মনে হয় আমার কবিতা মিস করে থাকেন । আমার বইটি আমি আপনাকে এক কপি গিফট করতে চাই ।
আমার সাথে যোগাযোগ করুন প্লীজ
আমার ইমেইল [email protected]
আমাকে ইমেইল করুন আপনার ঠিকানা জানিয়ে আমি পোস্ট করে দিবো ।

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৮| ০১ লা জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৫

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: তবে মুসলিমদের মত এত জাঁকজমকপূন্য, ধর্মীয় গাম্ভিয্যপূন্য ভাবে মনে হয় নাহ আর কেউ উপোষ থাকে।

০১ লা জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫২

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য কথাটি প্রতিটি ধরমের জন্য আলাদা কোন কিছু না কিন্তু। যার যার ধর্মের নিয়ম কানুন অনুশাসান সবাই তাদের নিজস্ব ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখেই করে থাকে । এখানে মুসলিম আলাদা কিছু ভাবগাম্ভীর্য করেনা। আর রোজা জাঁকজমকপূন্য ভাবে পালন করার বিষয় না কিন্তু। রোযা কঠিন সাধনার মাস। রমজানের পবিত্রতা রক্ষার জন্য সকল জাঁকজমকতা বাদ দিতে হয় । জাঁকজমকতা আল্লাহর ইবাদতে বাধা সৃষ্টি করে।

অনেক ধন্যবাদ ভাল থাকবেন।

৯| ০১ লা জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৮

এডওয়ার্ড মায়া বলেছেন: জানানোর জন্য ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা =p~
দারুন পোষ্ট

০১ লা জুন, ২০১৭ রাত ৮:০২

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: আপনার ভাললাগায় আমিও =p~ =p~

১০| ০১ লা জুন, ২০১৭ রাত ৮:৪০

প্রামানিক বলেছেন: উপবাস সম্পর্কে অনেক কিছু জানা হলো।

০১ লা জুন, ২০১৭ রাত ৮:৪৮

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: প্রামানিক ভাই ---অনেক ধন্যবাদ।

১১| ০১ লা জুন, ২০১৭ রাত ৯:০৪

দ্যা ফয়েজ ভাই বলেছেন: ধন্যবাদ।ভালো কিছু জানা হলো।ইহুদীরাও উপবাস করে তা জানা ছিলো নাহ।

অফটপিক:আমি কি যোগাযোগ করলে বইটি পাবো??? :-&

০১ লা জুন, ২০১৭ রাত ৯:১৫

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: কেন নয় ? অবশ্যই

ভাল লাগার জন্য ধন্যবাদ।

১২| ০১ লা জুন, ২০১৭ রাত ৯:২৯

প্রশ্নবোধক (?) বলেছেন: চোরের উপবাসই কি আর রোজাই কি? রোজা হচ্ছে আত্বিক ভাবে আরো বেশী পরিশুদ্ধ হওয়ার জন্য।কিন্তু এই মাসে আমরা আরো বেশী খাওয়া দাও্য়া করি। তবে একটা বিষয় বোঝা যায় তা হলো, রোজার মাসে মানুষ অন্য মাসের তুলনায় কথাবার্তায়, এবং উশৃংখলতার ব্যাপারে একটু সংযমী হয়ে থাকে । এটা ধর্মীয় কারনেও হতে পারে কিংবা পেটে ক্ষুধা থাকার কারণেও হতে পারে।

[উপরোক্ত বাক্যগুলি সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না হলেও বৃহৎ অংশের জন্য প্রযোজ্য।]

০১ লা জুন, ২০১৭ রাত ১০:৩৭

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: রোজা আত্মসংযমের জন্য নিজের শুদ্ধির জন্য আত্মার পবিত্রতার জন্য।

অনেক ধন্যবাদ ।

১৩| ০১ লা জুন, ২০১৭ রাত ১০:০২

রাখালছেলে বলেছেন: ভাল লাগল । শুধু মুসলিম না মোটামুটি সব ধর্মের মানুষই উপবাস করে । ধন্যবাদ তথ্য দেয়ার জন্য ।

০১ লা জুন, ২০১৭ রাত ১০:৩৭

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকেও ।

১৪| ০১ লা জুন, ২০১৭ রাত ১১:৪৯

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:

অনেক অজানা জানা হল! ধন্যবাদ!

০২ রা জুন, ২০১৭ রাত ১২:১৯

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকেও ।

১৫| ০২ রা জুন, ২০১৭ রাত ১২:১৯

নাগরিক কবি বলেছেন: আমার খালি খিধা লাগে, আমি কি করাম রাবুপু? |-)



যাই হোক পোস্টে +, অনেক তথ্য জানা হলো B-)

০২ রা জুন, ২০১৭ রাত ১২:২১

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: নাবালকের জন্য রোজা কিন্তু ফরজ হয় নাই । সুতরাং নিশ্চিন্তে খাও =p~

১৬| ০২ রা জুন, ২০১৭ রাত ২:১১

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম।। ভাল একটা শেয়ার।।

০২ রা জুন, ২০১৭ রাত ৩:৫৭

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

১৭| ০২ রা জুন, ২০১৭ রাত ২:১৮

ধুলোঝড় বলেছেন: ''অটোফেজি,, কি উপোবাস...?

http://www.prothom-alo.com/durporobash/article/996569/বিজ্ঞানী-ইয়োশিনোরি-ওহশোমি-ও-অটোফেজি

০২ রা জুন, ২০১৭ ভোর ৪:০২

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: Autophagy শব্দটি একটি গ্রিক শব্দ।
Auto অর্থ নিজে নিজে, এবং Phagy অর্থ খাওয়া।
সুতরাং, অটোফেজি মানে নিজে নিজেকে খাওয়া।
.
মেডিক্যাল সাইন্স নিজের গোস্ত নিজেকে খেতে বলে না। শরীরের কোষগুলো বাহির থেকে কোনো খাবার না পেয়ে নিজেই যখন নিজের অসুস্থ কোষগুলো খেতে শুরু করে, তখন মেডিক্যাল সাইন্সের ভাষায় তাকে অটোফেজি বলা হয়।

.
আমাদের ঘরে যেমন ডাস্টবিন থাকে, অথবা আমাদের কম্পিউটারে যেমন রিসাইকেল বিন থাকে, তেমনি আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মাঝেও একটি করে ডাস্টবিন আছে। সারা বছর শরীরের কোষগুলো খুব ব্যস্ত থাকার কারণে, ডাস্টবিন পরিষ্কার করার সময় পায় না। ফলে কোষগুলোতে অনেক আবর্জনা ও ময়লা জমে যায়।
.
শরীরের কোষগুলো যদি নিয়মিত তাদের ডাস্টবিন পরিষ্কার করতে না পারে, তাহলে কোষগুলো একসময় নিষ্ক্রিয় হয়ে শরীরে বিভিন্ন প্রকারের রোগের উৎপন্ন করে। ক্যান্সার বা ডায়াবেটিসের মত অনেক বড় বড় রোগের শুরু হয় এখান থেকেই।
.
মানুষ যখন খালি পেটে থাকে, তখন শরীরের কোষগুলো অনেকটা বেকার হয়ে পড়ে। কিন্তু তারা অলস হয়ে বসে থাকে না, তাই প্রতিটি কোষ তার ভিতরের আবর্জনা ও ময়লাগুলো পরিষ্কার করতে শুরু করে। কোষগুলোর আবর্জনা ফেলার জায়গা নেই বলে তারা নিজের আবর্জনা নিজেই খেয়ে ফেলে। মেডিক্যাল সাইন্সে এই পদ্ধতিকে বলা হয় অটোফেজি।

collected

১৮| ০৫ ই জুন, ২০১৭ রাত ১২:০৪

অসিত কর্মকার সুজন বলেছেন: ভালো লাগলো পোস্টটি পড়ে । একদম বিস্তারিত ভাবে বলার জন্য ধন্যবাদ ।

০৫ ই জুন, ২০১৭ রাত ১২:৫৩

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.