| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দাম্পত্য অটুট রাখার জন্য অনেক স্বামী-স্ত্রীই মানিয়ে নেওয়ার রীতিকে প্রাধান্য দেন। আর সম্পর্কের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী স্বকীয় পন্থা অবলম্বনের পথ তো রয়েছেই। তবে সম্পর্ক রক্ষায় এবার নতুন একটি উপায় জানালেন বিজ্ঞানীরা। সেটা হলো চিঠি। হ্যাঁ, মোবাইল ফোন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সূত্রে রোমান্টিক চিঠি লেখার প্রয়োজনীয়তা যতই অপ্রয়োজনীয় মনে হোক না কেন, বৈবাহিক সম্পর্ক রক্ষায় চিঠির প্রয়োজন আজও রয়েছে। এই চিঠি লেখার কাজটি প্রতিদিন হলে ভালো, না হলে বছরে অন্তত তিনবার লেখা চাই।
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সামাজিক মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক এলি ফিংকেলের গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে। তিনি তাঁর গবেষণায় এটাও খুঁজে পেয়েছেন যে স্বামী-স্ত্রীর স্বাস্থ্য ও সুখের জন্য বৈবাহিক সম্পর্কের সন্তুষ্টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
গবেষক মনে করেন, যাঁরা বছরে অন্তত তিনবার তাঁদের সঙ্গীকে চিঠি দিয়ে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে লিখে থাকেন, তাঁদের পরস্পরের প্রতি অনুভূতি বৃদ্ধি পায়। ফলে ঝগড়া-বিবাদ খুব কমই তাঁদের সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
গবেষণায় ১২০ জুটি দম্পতির ওপর দুই বছর ধরে সমীক্ষা চালানো হয়। গবেষণার অংশ হিসেবে তাঁদের দাম্পত্য জীবনের ওপর প্রতি চার মাস অন্তর সাত মিনিটের একটি করে প্রতিবেদন লিখতে বলা হয়। এতে অর্ধেক দম্পতিকে তাঁদের সম্পর্কের পুনর্বিবেচনা করে প্রতিবেদন লিখতে বলা হয়। বাকি অর্ধেককে প্রতিবেদনের বিষয়ে কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। এতে দেখা যায়, সব দম্পতিই তাঁদের সম্পর্কের সন্তুষ্টি, প্রেম, ঘনিষ্ঠতা, আস্থা, অনুরাগ ও প্রতিশ্রুতির বিষয়ে প্রতিবেদন দিয়েছেন। এর চার মাসের মধ্যবর্তী সময়ে তাঁদের সঙ্গীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া কলহ বা মতানৈক্যের বিষয়টি তাঁরা সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরেছেন। পরে প্রতিবেদনগুলো মূল্যায়ন করে দেখা গেছে, যাঁদের প্রতিবেদনের বিষয় বলে দেওয়া হয়েছিল এবং যাঁদের দেওয়া হয়নি, উভয় পক্ষই সাংসারিক মতানৈক্য ভুলে গিয়ে বৈবাহিক সন্তুষ্টির কথা বেশি তুলে ধরেছেন। এর মধ্য দিয়ে গবেষক এ সিদ্ধান্তেই পৌঁছান যে বৈবাহিক সম্পর্ক রক্ষায় চিঠির অনেক গুণ। সূত্র : ডেইলি মেইল অনলাইন।
©somewhere in net ltd.