নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ই কলম

বাংলা ভাষােক ভালবািস

সামসুল হক

বাংলা ভাষােক ভালবািস

সামসুল হক › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাদ্যযন্ত্রে বুদ্ধি বাড়ে

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৮

শিশুর পড়ালেখার পাশাপাশি তাকে গান, নাচ অথবা কোনো একটা বাদ্যযন্ত্র বাজাতে শেখান, তেমন মা-বাবার সংখ্যা খুবই কম। শিশুর পড়ালেখার ক্ষতি হবে, অযথা সময় নষ্ট হবে ভেবে বেশির ভাগ মা-বাবাই তেমনটা করতে চান না। কিন্তু পাঠ্যসূচির সঙ্গে সঙ্গে বাদ্যযন্ত্র বাজাতে শেখাটা সময়ের অপচয় নয়, বরং সেটা মস্তিষ্ক বিকাশে সহায়ক বলে বিশেষজ্ঞদের দাবি।

নিউরোসায়েন্স সাময়িকীর প্রতিবেদনে গবেষকরা জানান, শৈশবে বিশেষত সাত বছর বয়সের আগে বাদ্যযন্ত্র বাজানোর চর্চা শুরু করলে সেটা শিশুদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। সেসব শিশু পরবর্তী জীবনে কাজকর্মে অন্যদের চেয়ে অনেক চটপটে হয়।

গবেষক দলের প্রধান, কানাডার কনকর্ডিয়া ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ভার্জিনিয়া পেনইউন বলেন, সাত বছর বয়সের আগে বাদ্যযন্ত্র বাজাতে শিখলে ওই সব শিশুর মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ে। তাদের মধ্যে যোগাযোগ, উদ্যম, নিজস্ব আচরণরীতি এবং অন্য অনেক গুণের সমাবেশ ঘটে।

গবেষকরা সাত বছর বয়সের আগে বাদ্যযন্ত্র বাজাতে শুরু করেছে, এমন একটি দলের বুদ্ধিমত্তা পরীক্ষা করেন। তা ছাড়া সাত বছর বয়সের পরে বাজানো শিখেছে, এমন একটি দল এবং অল্পসল্প বাজাতে পারে বা একেবারেই বাজাতে পারে না, তেমন আরেকটি দলের বুদ্ধিমত্তা পরীক্ষা করেন। পর্যবেক্ষণে সর্বপ্রথম দলটিই তাদের কাজে সবচেয়ে ভালো করেছে। সাতের পরে বাদ্যযন্ত্র বাজানো শেখা দল ও একেবারেই বাজাতে না জানা- উভয় দলের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য খুঁজে পাননি বিশেষজ্ঞরা। সূত্র : ডেইলি মেইল অনলাইন।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.