| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রস্তাবকে সমর্থন দিন এবং সকলের অংশগ্রহনে একটি অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের পথকে সুগম করুন।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:২২
সান কিং-১ বলেছেন: ধন্যবাদ
২|
২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:২০
আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মুসা আল খোয়ারিজমি বলেছেন: আমার ভালো লাগসে idea টা
২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:২৪
সান কিং-১ বলেছেন: ধন্যবাদ
৩|
২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:২১
আঠারো বছর বয়স বলেছেন: খালেদার প্রস্তাবটাই প্রশ্নবিদ্ধ। সাবেক উপদেষ্টাদের সাথে কোনপ্রকার যোগাযোগ না করেই তাদের কথা বলা হচ্ছে অথচ তারা দায়িত্ব নিতে রাজি কিনা কেউ জানে না। ২ জন বলেছেন তারা দায়িত্ব নিতে রাজি নন (ওয়াহিদউদ্দীন এবং হাফিজউদ্দিন)। ৭ জন মৃত। বাকি ১১ জনের ২জন শারিরীকভাবে অসুস্থ। বাকী থাকে ৯ জন। এই প্রস্তাব দেয়ার আগে বেসিক জিনিস গুলোআরো ভালভাবে দেখে নেয়া দরকার ছিল।
২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:২৮
সান কিং-১ বলেছেন: মূল প্রস্তাব হচ্ছে সরকারী জোট এবং বিরোধী জোটের থেকে ৫ জন করে নাম প্রস্তাব করা এবং উপদেষ্টা হিসেবে তাদের নিয়োগ দেয়া। উপদেষ্টা হিসেবে কাদের নাম প্রস্তাব করা যেতে পারে ম্যাডাম জিয়া তার একটি সাধারণ ধারণা দিয়েছেন মাত্র। তার মানে এই না যে কেউ অন্য কোন নাম প্রস্তাব করতে পারবে না।
৪|
২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৩৫
আঠারো বছর বয়স বলেছেন: আপনি আবার মুল প্রস্তাব কই পাইলেন ভাই? ভালভাবে খালেদা জিয়ার স্পিচ পড়ে দেখেন।
“ওই দুটি নির্বাচনে একবার আওয়ামী লীগ ও একবার বিএনপি বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। আমি প্রস্তাব করছি, ওই দুই সরকারের ২০ জন উপদেষ্টার মধ্য থেকে বর্তমান সরকারি দল পাঁচজন এবং বিরোধী দল পাঁচজন সদস্যের নাম প্রস্তাব করবেন।”
খালেদা স্পষ্টতই সাবেক তত্তাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টাদেরই চাচ্ছেন। আপনার ধারণামত যেকোন ৫ জন নন।
২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৪৪
সান কিং-১ বলেছেন: ঠিক আছে। ২০ জন উপদেষ্টা থেকে নাম প্রস্তাবকে যদি ভুল বলে থাকেন তাহলে সেটার সংশোধন ম্যাডাম জিয়া আশা করি ম্যাডাম জিয়া করবেন। দুই তিনজন বাইরে থেকে নেয়া যেতেই পারে। এটা বক্তব্যের মহাভারত অশুদ্ধ কিছু না।
আশা করি ম্যাডাম জিয়ার প্রস্তাবের এটা ভিন্ন অন্য কোন অংশে আপনাদের আপত্তি নেই?
৫|
২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৩৯
ওয়ল্ভারিন (জিমি) বলেছেন: ১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দশজন উপদেষ্টার মধ্যে মারা গেছেন চারজন। তাঁরা হলেন সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, অধ্যাপক শামসুল হক, সেগুফতা বখত চৌধুরী, মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রহমান খান। বাকি দুইজন অধ্যাপক নাজমা আহমেদ এবং এ জেড এ নাসিরউদ্দীন কোনো রকম দায়িত্ব
পালনে শারীরিকভাবে উপযোগী নন।
ওই সরকারের বর্তমানে শারীরিকভাবে সক্ষম উপদেষ্টাদের মধ্যে আছেন গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহম্মদ ইউনূস, অর্থনীতিবিদ ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, ব্যবসায়ী সৈয়দ মনজুর এলাহী এবং শিক্ষাবিদ জামিলুর রেজা চৌধুরী। ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন, এমন দুইজন ইশতিয়াক আহমেদ এবং সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারেও ছিলেন।
পরের সরকারের দশ উপদেষ্টার মধ্যে সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ ছাড়াও বিচারপতি বিমলেন্দু বিকাশ রায়চৌধুরী, এ কে এম আমানুল ইসলাম চৌধুরী এবং মেজর জেনারেল (অব.) মইনুল হোসেন চৌধুরী মারা গেছেন।
২০০১ সালের সরকারের জীবিত উপদেষ্টাদের মধ্যে আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার আবদুল মালেক বয়সের কারণে অশক্ত।
এর মানে ২০০১ ও ১৯৯৬ সালের ২০ উপদেষ্টার মধ্যে ৭জনই মৃত। ৪ জন বয়সের কারণে অপারগ। ২০ জনে ১১ বাদ। রইলো বাকি ৯।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা যেনো কয় জন? মিলিয়ন ডলার কুয়েশ্চন...
২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৪৮
সান কিং-১ বলেছেন: একটা কুয়েশ্চেনের দাম মিলিয়ন ডলার হলে কিভাবে হয়! ম্যাডাম জিয়ার এ প্রস্তাবটা মূলত একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা। ২/১ জন বাইরে থেকে নিলে মহা ভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে এমন কথা তো ম্যাডাম জিয়া বলেননি।
৬|
২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৪৩
আশমএরশাদ বলেছেন: তিনি বলেছেন : সংসদ ভাঙ্গার আগে তাদেরকে নির্বাচিত করিয়ে আনতে হবে? তিনি মহিলা সাংসদ /স্পীকার নির্বাচন প্রক্রিয়ার দিকে ইংগিত করেছেন। কিন্তু উপদেষ্টারাতো আর মহিলা নন। তাহলে তাদেরকে কিভাবে নির্বাচিত করিয়ে আনা হবে?
এই প্রসঙ্গে কিছুক্ষণ আগে দেয়া ম্যাঙ্গোপিপল এর নিম্নোক্ত অবজারবেশনটা বেশ চমৎকার হয়েছে:
একটা ক্রাইসিস কালীন সময়ে ক্রাইসিস সম্পর্কে ডিটেলস আলোকপাত না করে, এই ক্রাইসিস এর বিভিন্য ডাইমেনশান আলোচনা না করে, সাধারণ মানুষের ফিলিং অফ ইনসিকিউরিটি কে এড্রেস না করে, আওযামী লিগ এর প্রস্তাব গুলোর আরো ক্রিটিকাল সমালোচনা না করে, এবং ২৫ অক্টোবর এর পর সরকার যে টেকনিকালি ইলিজিটিমেট এই ব্যাপারে আরো চাপ প্রয়োগ না করে এবং সরকারকে কোনো টাইম লাইন দিয়ে প্রেসারে না ফেলে, এবং নিজের প্রস্তাব টাকে আরো ডিটেলস এর আলোচনা না করে জাস্ট একটা ওয়ান লাইনার দিয়ে ছেড়ে দিয়ে - একটা সেমি নির্বাচনী টাইপের বক্তব্য পলিটিকালি ইমেচুর কিনা জানিনা কিন্তু এইটা জানি এইটা এটলিস্ট পিপল ওরিয়েন্টেড না |
৫ জন ৫ জন অনুপাতটাও বোধগম্য নয়। তাহলে জাতীয় পার্টির পছন্দ কই? তাদেরকে কি সরকারে ধরতে হবে নাকি বিরোধী দলে ধরতে হবে?ইতিমধ্যেই যদি তারা মহাজোট ছেড়ে দেয় তখন কি হবে? সরকারী দলের ২৬০ আসনের বিপরীতে ৫ জন আর বিরোধীদলের ৩০ আসনের বিপরীতেও ৫ জন?
প্রধানউপদেষ্টার পদটি কে পাবেন? সেটা কি এই দশ জনের মধ্যেই? নাকি সেটা আলাদা নির্বাচন? যেহেতু উভয় দলের মধ্যে কোন ঐক্যমত্য নাই তাহলে কিভাবে একজনকে ঐক্যমত্যের উপদেষ্টা করা যাবে?
বিএনপির পছন্দের কারা ৫ জন আর সরকারের পছন্দের কারা ৫ জন সেটা কি গোপন রাখা হবে?
যদি ৫ জন ৫ জনই হয় তাহলে বর্তমান নির্বাচিত এমপিদের মধ্য থেকে নয় কেন? কথাতো একই ৫ জন ৫ জন। তিনি নিজের দলের নির্বাচিত এমপিদের বিশ্বাস না করে নন পলিটিশিয়ান সুশীলদেরকে কেন বেঁচে নিলেন। রাজনীতিবিদ হয়ে কেন অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের কাছে হাত পাতেন?
২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৫২
সান কিং-১ বলেছেন: ২০০৬ এর শেষাংশে ফিরে ভাবুন তাহলেই বুঝতে পারবেন সব। ক্রাইসিস ডিটেইলস, ডাইমেনশান সব সব!
দেশে জোট এখন মূলতঃ দুটো ১৪ দলীল জোট ১৮ দলীয় জোট। এই জোটের ধারণা থেকেই ম্যাডাম জিয়া সরকার পক্ষ এবং বিরোধী পক্ষ থেকে ৫ জন ৫ জন করে উপদেষ্টা নিয়োগের ধারণা দিয়েছেন।
৭|
২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৫৩
ফাহীম দেওয়ান বলেছেন: আশমএরশাদ এর পর্যবেক্ষন চমৎকার হয়েছে। খালেদা জিয়ার প্রস্তাব বিষয়টাকে আরো ঘোলা করেছে মাত্র। কিন্তু শেখ হাসিনার জন্য নিজে প্রধান হিসেবে থাকাটা সবাইকে মানিয়ে নেয়াও একরকম অসম্ভব ই মনে হচ্ছে। তবে এটা করে যদি প্রমান করতে পারেন তবে এদেশ গনতন্ত্রের ধারায় অনেক এগিয়ে যাবে।
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:০৬
সান কিং-১ বলেছেন: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখার যে খসড়া ম্যাডাম জিয়া দিয়েছেন তার উপর ভিত্তি করে আলোচনা হতেই পারে কিন্তু শেখ হাসিনাকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান রেখে জাতীয় নির্বাচন গণতন্ত্রের ধারার সহায়ক হবে এমন কোন নজির বর্তমান প্রধানমত্রী শেখ হাসিনা স্থাপন করতে পারেন নি। ক্ষমতায় থেকে দমন পীড়নের যে নজির বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্থাপন করেছেন তাতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহন করা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জন্য আত্নহত্যারই সামিল হবে।
৮|
২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৫৮
আশমএরশাদ বলেছেন: ওয়েষ্টিন হোটেলে খালেদা জিয়া যেটা করেছেন সেটা হলো সংবাদ সম্মেলন। যেখানে সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্ন করার সুযোগ দেয়া উচিত ছিল। তাহলে অন্তত কিছু বিষয় ক্লিয়ার করা যেত। এত সময় নিয়ে ভাষণ লিখেও কেন সেখানে হাজারো অস্পষ্টতা? দেখে শুনে মনে হলো ভাষণটিতে ইউনুছ /ফরহাদ মাজহার অথবা লাল গোলাপ শো এর শফিক রেহমানদের মত নন পলিটিশিয়ানদের হাতের গন্ধ আছে।
২০ জন সাবেক উপদেষ্টাদের মধ্যে বেঁচে আছেন ১৪ জন তাদের মধ্যেও অনেকে গররাজী এবং অনেকে বেশ অসুস্থ। ১৯৯৬ এর উপদেষ্টা মানে এখন হলো ১৭ বছর আগের। কেন ২০০৮ এর নয় সে প্রশ্ন যে কেউ করতে পারে। ২০০১ এবং ২০০৮ হলে সমস্যা কোথায় ছিল? স্বভাবতই মানুষের মনে প্রশ্ন জাগবে আইডিয়াটা কি (হাত ভেঙ্গে দেয়ার হুমিকি দিয়েও যিনি শান্তিতে নোবেল পান) জনাব ইউনুছের?
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:১৪
সান কিং-১ বলেছেন: ২০০৮ এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টারা রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে নিয়োগ পায়নি। সেটি ছিল বিতর্কিত এবং সেনা সমর্থিত সরকার।
ডঃ ইউনুস শান্তিতে নোবেল পেয়ে বর্তমান প্রধানমত্রীর মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়ে তারপর হাত ভেঙ্গে দেয়ার প্রসঙ্গ এনেছেন। একজন বিশ্বজনীন মানুষকে নিপীড়ন করবেন তার তিলতিল করে গড়ে তোলা গরীবের ব্যাংক ভেঙ্গে দিবেন আর তাকে সামান্য রাগও প্রকাশ করেতে দিবেন না নাকি?
৯|
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:০৮
আশমএরশাদ বলেছেন: বাংলাদেশ নামক ভুখন্ডটির মালিক --এ দেশের আপামর জনগণ-- বাংলাদেশের এই প্রজাতান্ত্রিক ধারণাটা নিয়ে নিশ্চয় বৃহত্তর বাংলাদেশীদের মধ্যে কোন বিরোধ নাই। বাংলাদেশের এই বেসিক স্ট্রাকচার নিশ্চয় কোন সংশোধী দ্বারা স্বল্প সময়ের জন্যও রহিত করা বাঞ্চনীয় নয়। মালিকানার কথা যখন এসেই যায় তাহলে বলতে হয়- মালিকানা জিনিসটা সাময়িক সময়ের জন্য হলেও হাত বদল হতে দেওয়া উচিত নয়। বাংলাদেশের জনগনের এই মালিকানা দাবীটি প্রতিষ্ঠিত করা হয় নির্বাচিত একটি সংসদ দ্বারা এবং এই সংসদই হলো সার্বিক ভাবে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। মালিকানার নিশ্চয় কন্টিনিউটি থাকা চাই। মানে জবাবদিহীতা তথা নির্বাহী প্রধানের ক্ষমতার কন্টিউনিটি। একটা নির্বাচিত সংসদ আরেকটি নির্বাচিত সাংসদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করলেই মালিকানার কন্টিউনিটি রক্ষা হয়। মাঝ খানে কোন অনির্বাচিত উপদেষ্টা অথবা সামরিক সরকার অথবা ফখরুদ্দিন মইনুদ্দিন এসে গেলে -আইনগত এই মালিকানার দিকটি বিগ্নিত হয়। কিছু সময়ের জন্য এই মালিকানা না থাকুক এটা নিশ্চয় কারো কাম্য নয়। জনগণের দ্বারা নির্বাচিতদের মাধ্যমে শাসন কার্য পরিচালনার বিধান সংবিধানের বেসিক স্ট্রাকচারে বলা থাকলেও ত্রয়োদশ সংশোধনিতে সেটির বিচ্যুতি ঘটে এবং সেই বিচ্যুতির প্রত্যক্ষ ফল হলো উদ্দিনীয় অসংবিধানিক 2 বছরের শাসনামল ।
সংবিধানের 61 ও 58 খ (3) অনুসারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার মধ্যে একটি dichotomy of power struggle বা দুই সাংবিধানিক পদাধিকারী ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে পরস্পর বিরোধী একটি ক্ষমতার দ্বন্দ সৃষ্টি করিয়াছে কারণ একদিকে প্রধান উপদেষ্টা 58 খ (3) অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি সংসদ ও মন্ত্রী সভার অনুপস্থিতিতে 61 অনুচ্ছেদের অধীনে নিজেই সামরিক বাহিনীর প্রধান হইবেন।
তাছাড়া 48(3) 141 ক(1) এবং 141 গ (1) অনুচ্ছেদ এর অধীনে কোন পদক্ষেপ লইতে হইলে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও তাহার প্রতিস্বাক্ষর গ্রহণ করিবার বিধান রহিয়াছে কিন্তু 58ঙ অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি নিজের বিবেচনা অনুসারে উপরোক্ত অনুচ্ছেদে ব্যক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন। ফলশ্রুতিতে তিনি মুল সংবিধানের খেতাবী রাষ্ট্রপতি হইতে প্রকৃত পক্ষে রাষ্ট্রের রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান রাষ্ট্রপতিতে পরিণত হইবেন।
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:১৭
সান কিং-১ বলেছেন: একটা নির্বাচিত সংসদ আরেকটি নির্বাচিত সাংসদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করলেই মালিকানার কন্টিউনিটি রক্ষা হয়।
২০০৬ এও এই বোধদয়টা ঘটতে পারতো কিন্তু ঘটেনি কেন বলতে পারেন?
১০|
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:১১
আশমএরশাদ বলেছেন: বাংলাদেশে কখনোই লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরী হয়নি। তত্বাবধায়ক যেদিন শপথ গ্রহণ করে সে দিন মাঠে থাকে বিরোধী দল। আর সরকারী দল হয়ে যায় বাপ -মা মরা এতিম। রাস্তায় চামচিকায় ও লাথি দেবার চায়। শপথের দিন থেকেই নির্বাচনের ফলাফল পর্যন্ত বিরোধীদলই মাঠ কাঁপায় এবং অঘোষিত ভাবে বিরোধী সিন্ডিকেটই নির্বাচনে জিতে আসে এবং আসবে।
আমরা যারা সামাজিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় তত্বাবধায়ক সরকারকে সমাধনের কুইনাইন মনে করছি তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না যে এটি আসলে একটা সাময়িক ব্যবস্থাপত্রই ছিল । যে রাজনৈতি দল গুলাকে আমরা ৫ বছরের জন্য সব দায়িত্ব দিয়ে রেখেছি তাদেরকে আমরা ২ মাসের জন্য বিশ্বাস করতে পারছি না। যতদিন না তারা এই বিশ্বাস অর্জন করবে না ততদিন আমাদেরকে খন্ডিত গণতন্ত্র নিয়েই পথ চলতে হবে।
এখন প্রশ্ন হলো তাদেরকে সেটা বিশ্বাস আমরা কখন করতে পারবো? অথবা একটা সরকারী দল কখন এই আস্থা অর্জন করেছে বলে বুঝতে পারবো? একটি সরকারের স্থানীয় এবং উপনির্বাচন গুলোর সার্বিক চিত্রই কি হবে মাণদন্ড? না হলে কি হবে বিশ্বাসের মানদন্ড?এই জন্য কি একবার কোন সরকারী দলকে সুযোগ দেয়া উচিত একটা নির্বাচন অনুষ্টানের -যদিও আইন মতে নির্বাচন করে নির্বাচন কমিশন ?
১১|
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:১২
বিকারগ্রস্থ মস্তিস্ক বলেছেন:
কথা একটাই -
প্রধান হাসিনা - এ ছাড়া আওমীলীগ জয় সম্ভব না - তাই নো কম্প্রোমাইজ - হয় এইডা মাইনা লইতে হইবো নাইলে পিডাপিডি কইরা ১/১১ এর মতো কিছু একটা করা লাগবো -
দুই দলের যদি যথেষ্ট বুদ্ধির উদয় হয় তাহলে দুই দল তাদের নিজের স্বার্থে সহমতে পৌছাবে - নাইলে পিডানি খয়াইবোওও
১২|
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:৩০
আশমএরশাদ বলেছেন: @ সান কিং-- আমি এখানে কোন দল বা পিরিয়ডকে মিন করে কিছু বলিনি।
আমি যে কোন সময়ের সরকারী দল এবং বিরোধী দল মিন করেছি। ২০১৮ সালেও একই ঘটনা ঘটতে পারে তখন আপনার একই বোধোদয় হতে পারে।
ধরে নিলাম আমার অসময়ে বোধোদয় হয়নি কিন্তু আপনার অসময়ে বোধোদয় না হওয়াটা কি অন্যায় নয়। মুল কথা হলো বোধোদয়টা ঠিক আছে কিনা। কারো অনুকুল সময়ে ঠিক কারো প্রতিকুল সময়ে বেঠিক সেটাতে আমি গেলাম না । তখন দেখা যাবে একটা করে দোষ আমার ঘরে এবং আরেকটা দোষ আপনার ফোল্ডারে ডাউনলোড হচ্ছে।
কিন্তু পরিত্রাণের পথ কি? নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী করা নাকি নির্বাচন কালীন সরকারকে নির্মোহ করা। আসলে এসব কথা গুলো আসছে সুশাসনের অভাবের ফলে। অপরাজনৈতিক কৌশলের কারণে। আমরা যতদিন এই অপরাজনীতি তথা সুশাসন না পাবো ততদিন কিন্তু এই রকম সংকট মাথায় নিয়ে চলতে হবে। সেখানে তত্বাবধায়ক হলেই কি আর সর্বদলীয় হলেই কি? নির্বাচিত হবেনতো আমাদের দুই ইচ্ছাপুরণ দেবীর যে কোন একজন। যাহারা একবার করে তত্ববধায়ক চেয়েছিলেন এবং একবার করে তত্বাবধায়ককে পাগল শিশু এবং অসংবিধানিক বলেছিলেন।
১৩|
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১:২৭
ওয়ল্ভারিন (জিমি) বলেছেন: আপনার উত্তরে মনে হচ্ছে আপনিই জিয়া মাদাম কে সব পরামর্শ দিয়েছেন। যাস্ট উনি আপনার মন মত বলতে পারেনাই এই যা।
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৫
সান কিং-১ বলেছেন: ভুল বুঝেছেন। বক্তব্যের ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ত্যানা পেঁচিয়ে মূল ফোকাসকে যেভাবে দূরে ঠেলতে চাচ্ছে সেজন্যই বলছি। ত্যানা পেঁচিয়ে মূল ফোকাসকে দূরে ঠেলে দেয়ার চেষ্টা বাকশালীদের পুরোনো অভ্যাস।
১৪|
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ ভোর ৪:৩৫
স্বাধীকার বলেছেন:
যারা হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে বলে মনে করে, কিংবা নির্বাচন প্রথমবারের মতো শুরু করার কথা বলে, ওরা বাকশালীদের নিন্মশ্রেনীর মগজবিহীন দালালমাত্র। এই শয়তানেরা গণতন্ত্রের, মানবাধিকারের, জনগণের মৌলিক অধিকারের শত্রু। এই শয়তানদের ভালো ভালো জ্ঞানী জ্ঞানী ফতোয়ার উপর মুত্র নিক্ষেপ করুন। এরা বাকশালের সুশীল এজেন্ট।
কেএম হাসানের অধীনে নির্বাচনে যেতে আম্লীগের ব্যাথা লেগেছিলো, এখন হাসিনার অধীনে বিএনপিকে নির্বাচনে যেতে বলেন যে শুয়োরেরা-ওরা মানুষরূপী মুনাফেক শয়তানের দুসর।
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৮
সান কিং-১ বলেছেন: ওদের মোনাফেকি চরিত্র নতুন কিছু নই। একটি ভালো দিক হচ্ছে বাকশালীদের আসল চেহারা নতুন প্রজন্মের দেখার সুযোগ হচ্ছে এবং তারাই এই বাকশালী মোনাফেকদের ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করবে।
১৫|
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ৮:৫৮
চলতি নিয়ম বলেছেন: আমার একটা কুইস্চেন ছিলো:
উনি কেন ১৯৯৬ আর ২০০১ দের কথা বললেন? ২০০১ আর ২০০৭ দের থেকে কেন নয়?
উনি কি ২০০১ আর ২০০৭ থেকে বাচাই করতে বললে মেনে নেবেন?
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৪:৪০
সান কিং-১ বলেছেন: অন্য কুশ্চেন করেন। সব সময় বাকশালী লেজ দেখাবেন না। মূল পয়েন্টে আসুন। বলুন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারে অধীনে নির্বাচন চান নাকি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারে অধীনে?
১৬|
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:৪৬
বিজন শররমা বলেছেন: প্রধান মন্ত্রী যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা হলো আওয়ামী লীগকে আবার নির্বাচিত করে আনার অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, যেখানে নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোন সম্ভাবনা নেই । আর বেগম খালেদা জিয়া যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রস্তাব দিয়েছেন তাতে নিরপেক্ষ নির্বাচন হবার সম্ভাবনা আছে ।
১৭|
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১২:৪৩
টিটোপণডিত বলেছেন: মরা মানুষ বাচানোর উপা্য় কি????
১৮|
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৮:৪০
চলতি নিয়ম বলেছেন: আমার কমেন্ট পড়েও যদি না বোঝেন আমি কার অধীনে নির্বাচন চাই তাইলে আর আলোচনা করে লাভ কি?
উপরের কমেন্টের উত্তরে আপনি কোনশালী লেজ দেখাইলেন?
যান তালগাছ আপনারে দিয়ে গেলাম।
২২ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:২৯
সান কিং-১ বলেছেন: কে এম হাসানের অধীনেই আপনারা নির্বাচনে আসেন নাই এখন বিএনপিকে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন করতে বলেন কোন মুখে? মুখ কি আছে নাকি ক্ষমতার লোভে সব বিসর্জন দিয়েছেন?
১৯|
২৫ শে অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৩:১৪
আমি ভূমিপুত্র বলেছেন:
বেগম জিয়ার প্রস্তাবের খ্যাঁতা পুড়ি......আমরা বুবুজানের পক্কে ![]()
২০|
২৫ শে অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৩:৩৪
কালের কলস বলেছেন: নতুন ফর্মুলার প্রয়োজন কি?
কেয়ারটেকার সংবিধানে পুনঃবহাল করলেই হয়।
২১|
২৫ শে অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৫
মোহাম্মদ মজিবর রহমান বলেছেন: যেখান থেকেই নেয়া হোক না কেন,নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:১২
কষ্টবিলাসী বলেছেন: হাসিনার প্রস্তাবের চেয়ে অনেকটাই নিরপেক্ষ। দ্বি-মত নাই।