নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষের জীবন প্রতিদিন তার বেঁচে থাকার লাইসেন্স নবায়ন করে ।প্রকৃতি এটা নিয়ন্ত্রন করে,যেদিন নবায়ন হবেনা,সেদিন মৃত্যু অনিবার্য ।

স্বপ্নের শঙ্খচিল

আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !

স্বপ্নের শঙ্খচিল › বিস্তারিত পোস্টঃ

শৈশবের ঐ স্মৃতির সুবাস ও দাদীর হাতের পিঠার আমেজ

১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৩৪

শৈশবের ঐ স্মৃতির সুবাস ও দাদীর হাতের পিঠার আমেজ
....................................................................................


দাদীর হাতের ভাতের সুবাস, তখন ছিলো সময় সেরা,
মাটির চুলার ওমে জড়ানো, মায়ায় মাখানো চারিপাশ ঘেরা।
সকাল সাঁঝেই ডাক পাড়তেন, "আয়রে খোকা, খাবি আয়,"
সেই ডাকের মধুর স্মৃতি, আজও মনে দোলা দেয়।

গরম ভাতে ঘিয়ের গন্ধ, কাঁচা মরিচ আর আলুভর্তা,
সেই স্বাদেরই কাছে হারায়, আজকের এই রাজকীয় কত্তা।
বাঁশের কুলায় চাল ঝাড়ার শব্দ, উঠোন জুড়ে রোদের খেলা,
দাদীর আঁচল ছুঁয়েই সেদিন, কেটে যেত সারা বেলা।

মনে পড়ে সেই শীতের সকাল, কুয়াশায় ঢাকা চারিপাশ,
চুলার পাড়ে উঁকি দিত, চাদর জড়ানো বারো মাস।
নতুন ধানের চালের গুঁড়োয়, দাদী বানাতেন ভাপা পিঠা,
খেঁজুর রসের শিউলি সুবাস, আহা কি যে ভারী মিঠা।

ক্ষীর ভরা সেই পাটিসাপটা, দাদীর হাতের যাদুর ছোঁয়া,
কড়াই থেকে নামতো যখন, মচমচে আর গরম ধোঁয়া।
চিতই পিঠার ওলট-পালট, আর হাঁসের মাংসের ঝোল,
পুলি পিঠার পুর ভরা মায়ায়, মনে উঠতো খুশির দোল।

আজকে আছে ডাইনিং টেবিল, হরেক পদের দামী খাবার,
দাদীর হাতের গভীর মায়া, যা ফিরে আসবে না আর।
ব্যস্ত শহরের দূষিত হাওয়ায় , হারিয়ে গেছে সেই পিঠার সুবাস,
স্মৃতির পাতায় বন্দি এখন, শৈশবের ঐ মুগ্ধকরা নীলাকাশ।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.