| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা কোকিল ডাকা রুপসী আমাদের বাংলাদেশ। ৫২-৭১ আমরা রক্ত স্নাত লড়াইয়ের মাধ্যমে আমরা ছিনিয়ে এনেছিলাম আমাদের কাঙ্ক্ষিত সোণার হরিন স্বাধীনতা ।বাঙ্গালির উচ্ছাস অনুপ্রেরণায় স্বপ্ন বিভোর হয়ে আজ আমাদের স্বাধীনতা ৪১ বছরের যুবক। ৭১ এ জন্ম নেয়া সেই রুগ্ন শিশুটি এখন প্রাচুর্যের প্রাণশক্তিতে ভরপুর। আমরা যখন স্বাধীনতা যুদ্বে যাপিয়ে পড়ি তখন
আমাদের বাঙ্গালি শেষ্ঠ সন্তানদের স্বপ্ন ছিল স্বাধীনতার পরবর্তী সময় বাংলাদেশ সুষ্ঠ রাজনীতি কায়েম হবে, শোষন মুক্ত সমাজ গঠন হবে, সন্ত্রাস মুক্ত শিহ্মা ব্যবস্থা থাকবে, মানুষ অর্থনীতি সমান সুবিধা পাবে, কিন্তু হায়! আমরা বোধহয় স্বাধীনতার পর আর আমাদের লহ্ম্য গুলো পুরনের চেষ্টাই করিনি। হ্মমতার মোহ আমাদের এমনভাবে পেয়ে বসলো যে আমরা হয়ে উঠলাম চরম হিংস্র। এখন হ্মমতাই সব কিছু। হ্মমতার জন্য মানুষের যে বিভেদ আজ পরিলহ্মিত হচ্ছে তা আসলেই আমাদের মাথা ব্যথার কারণ। একটি দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো তার যুব সমাজ। যুবকদের হাত ধরেই একটি দেশের মেরুদণ্ড তৈরি হয়। তারুণ্যের রক্ত থাকে নির্ভেজাল পৃথিবী গড়ার বিভোর স্বপ্ন। কিন্তু আমাদের দেশের যুবকরা এখন তাদের লহ্ম্য থেকে ছিটকে পরে এখন সন্ত্রাসি কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত হয়ে পড়েছে। সন্ত্রাস তাদের রন্দ্রে রন্দ্রে এমন ভাবে মিশে গিয়েছে যে একটি নিস্পাপ শিশু পর্যন্ত তাদের কাছে নিরাপদ নয়। বাকি সবার কথা না হয় বাদই দিলাম। গতকাল যে শিশুটিকে আমরা মৃত্যুর কোলে জড়িয়ে পরতে দেখিলাম, তার মৃত্যুর দ্বায়ভার কে নেভে। দ্বায়ভার নিলেই বা কি যাদের বন্দুকের নালের কাছে এই শিশুটির মৃত্যু হলো সেই মায়ের বেদনার অনুভূতি আমরা কি বুঝতে পারবো না। কি যাতনা বিষে, বুঝিবে সে ক কিসে, কভু আশু বিষে ধ্বংসিনি যারে। যে মায়ের বুক খালি হয়েছে তার হাহাকার সেই বুঝবে। সেই বেদনার ভারাক্রান্ত কান্না আমাদের পাষন্ড হৃদয়ে এসে পৌছবেনা। কারণ, আমরা এখনো সত্যিকারের মানুষ হতে পারিনি। আজ হয়তো এক মায়ের বুক খালি হয়েছে কাল আরেক মায়ের বুক, এভাবে হাজারে মায়ের কান্নায় বাতাস ভারি হয়ে উঠার আগেই আমাদেরকে সন্রাসবাদের বিরুদ্বে রুখে দাড়াতে হবে। আমি জানি রাজনীতি থেকে পশুত্ব বর্জন করাটা অনেক কঠিন ব্যাপার। তারা মানুষ হবেনা যতহ্মন না আমরা নিজেরাই তাদেরকে মানুষ করি। গতকাল যে শিশুটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পরেছে তার খুনিদের ফাঁসি দাবী করছি। আমি জানি ওদের ফাঁসি-টাসি কিছুই হবেনা, তবুও আমরা নিয়মের মধ্যে থেকেই তো অনিয়মকে দুর করার চেষ্টা করতে পারি।
©somewhere in net ltd.