| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ঘুমাতে অত্যন্ত ভালোবাসি। আর ভালোবাসি পড়তে। স্বপ্ন দেখি একটি স্বপ্নীল পৃথিবীর। সত্যকে ভালোবাসি, হোক তা নিজের মতের বিপরীত।
“জীবনবিধান(দ্বীনের) ব্যাপারে কোন জোর-জবরদস্তি নেই.....”(আল-কুরআনঃ ২, ২৫৬)
“জীবনব্যবস্থা(দ্বীন) নিয়ে যারা তোমাদের সাথে লড়াইয়ে লিপ্ত হয় নি, তোমাদেরকে দেশ থেকে বের করে দেয় নি তাদের প্রতি সদাচরণ ও ইনসাফ করতে আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেন না; নিশ্চয়ই আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালবাসেন। আল্লাহ কেবল তাদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপনে নিষেধ করেন, যারা জীবনব্যবস্থা(দ্বীন) নিয়ে তোমাদের সাথে লড়াইয়ে লিপ্ত হয়েছে, তোমাদেরকে দেশ থেকে বের করে দিয়েছে এবং বের করে দেয়ার কাজে সহায়তা করেছে.....”(আল-কুরআনঃ ৬০, ৮-৯)
“কোনো অমুসলিম নাগরিককে যে অত্যাচার করল বা তার অধিকার ক্ষুন্ন করল বা তাকে সাধ্যাতীত পরিশ্রম করাল বা তার অমতে তার থেকে কিছু নিল, কেয়ামতের দিন আমি হবো তার বিপক্ষে মামলা দায়েরকারী।” (আল-হাদিস)
“যে ব্যক্তি কোনো অমুসলিম নাগরিককে কষ্ট দিলো আমি তার পক্ষে বাদী হব। আর আমি যার বিরুদ্ধে বাদী হব কিয়ামতের দিনে আমি হব বিজয়ী।” (আল-হাদিস)
উপরের এ বাক্যগুলো দিয়েই ইসলামে মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্কের মূলনীতি সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারনা লাভ করা যায়। অমুসলিমদের মৌলিক মানবীয় অধিকার রক্ষায় সচেতনতা প্রদর্শন, তাঁদের প্রতি সদাচরণের নির্দেশ এবং তাঁদের প্রতি বিদ্বেষ পোষনের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত এই মূলনীতি নিঃসন্দেহে ইসলামের সহনশীল মনোবৃত্তির পরিচায়ক, যা ইসলামের ব্যাপারে জানতে আগ্রহী কোন ব্যক্তিরই চোখ এড়িয়ে যাওয়ার কথা নয়।
কিন্তু, আমাদের সমকালীন বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলে। ইসলামের মূলনীতি ও ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞানতা, ভাসাভাসা জ্ঞান কিংবা একপেশে দৃষ্টিভঙ্গির কারনে অনেক অমুসলিম তো বটেই, বিপুল সংখ্যক মুসলিমও ইসলামের অমুসলিম নীতির ব্যাপারে সমালোচনায় মুখর। অনেককে অপরাধবোধেও ভুগতে দেখা যায়। তার উপর, ‘জিয্ইয়া কর’- এর কথা উঠলে তো কথাই নেই; ইসলাম যে অমুসলিমদের দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিকের বেশী কিছু ভাবে না-তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে এই করনীতিকে উপস্থাপন করে দেয়া হয়। আবার, এর সপক্ষে কিছু ব্যাখ্যা দিতে গেলে, সেটিকে কৈফিয়তমূলক বা অ্যাপলোজেটিক(Apologetic) অপচেষ্টা বলে অবজ্ঞা করা হয়।
এমতাবস্থায়, এই বিষয় নিয়ে নন-অ্যাপলোজেটিক বা অ-কৈফিয়তমূলক কিছু লেখা খুবই কঠিন। কিন্তু, একজন প্রায়োগিক(Practical) মুসলিম হিসেবে যেহেতু, ইসলামকে সকল মানুষের জন্যই ঐশী উৎস হতে উৎসারিত একটি যৌক্তিক ও সুষম জীবনব্যবস্থা হিসেবে মেনে নিতে হয়, সেহেতু ইসলামের কোন নীতিমালার ব্যাপারে অপরাধবোধে আক্রান্ত হয়ে কাউকে কৈফিয়ত দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এক্ষেত্রে যেটি করা যেতে পারে সেটি হচ্ছে, উক্ত বিতর্কিত নীতিমালাটিকে যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা এবং উদাহরণ সহকারে তুলে ধরে তা গ্রহন বা বর্জনের বিষয়টি শ্রোতার জন্যই ছেড়ে দেয়া।
এ দৃষ্টিভঙ্গিতেই ইসলামে মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্কের কাঠামোটিকে ব্যাখ্যার পথে অগ্রসর হচ্ছি। মনে রাখা দরকার যে, ইসলামের যে কোন ধরণের মূলনীতির উৎস আল্লাহর বাণী (আল-কুরআন) এবং মুহাম্মাদের(স) কথা(হাদিস) ও কর্ম(সুন্নাহ্)। এছাড়া, মুহাম্মাদের(স) পরবর্তী চার খলিফার(খোলাফায়ে রাশেদুন) অনুসৃত নীতিসমূহকে ইসলামের যথার্থ প্রয়োগ বলে সকল যুগে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের ঐক্যমত রয়েছে। এ কারনে, এদেরকে সর্বোত্তম নজির হিসেবে সামনে রেখেই ব্যাখ্যার কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হবে।
ইসলামের অন্য অনেক নীতিমালার মতই অমুসলিমের সাথে সম্পর্কেরও দুইটি দিক রয়েছে- একটি ব্যক্তিগত আর অপরটি সামষ্টিক।
ব্যক্তিগত পর্যায়ে মানুষ হিসেবে ইসলামে মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে সকলের মৌলিক মানবীয় অধিকার স্বীকৃত। তাঁদের এই অধিকারের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের বিরুদ্ধে মুহাম্মাদের(স) হুঁশিয়ারী তো আমরা এই লেখার শুরুতেই দেখেছি। এর বাইরেও তিনি মানুষ হিসেবে তাদের সমানাধিকারের ঘোষনা দিয়েছেন এভাবে, “তাদের রক্ত আমাদের রক্তের মতো এবং তাদের ধনসম্পদ আমাদের ধনসম্পদের মতো”। তিনি এবং তাঁর নিকটতম অনুসারীরা(সাহাবীরা) এই নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিলেন। সন্দেহ নেই, ধর্ম হিসেবে একজন অমুসলিম যা কিছুর উপর বিশ্বাস রাখেন, ইসলামে সেগুলোকে পছন্দ করে না। কিন্তু, কুরআনে, “তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন এবং আমাদের জন্য আমাদের দ্বীন”- এ কথা বলে তাঁর ঐ ধর্ম পালনের অধিকারের প্রতি পূর্ণাঙ্গ শ্রদ্ধা দেখানো হয়েছে। এমনকি মদ্য উৎপাদন এবং শুকর পালনের মত ইসলামে চিরতরে নিষিদ্ধ কাজগুলোও অমুসলমানদের নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে করতে দেয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে এবং এ সবের ক্ষতিসাধনকারী অন্যান্য ব্যবসার মতই এর পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য। কুরআনে অন্য ধর্মের উপাস্যদের নিন্দা করার ব্যাপারেও কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নবম হিজরী সনে নাজরান প্রদেশের খৃষ্টান প্রতিনিধিদল মুহাম্মাদের(স) সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তাদের উপাসনার জন্য তিনি মসজিদে নববীর একটি কোণ ছেড়ে দিয়েছিলেন। উমর(রা) জেরুজালেমের সহস্তে নিয়ন্ত্রনভার গ্রহনকালীন সময়ে একটি গীর্জা সামনে অবস্থান করা অবস্থায় নামাযের সময় উপস্থিত হয়। গীর্জা কর্তৃপক্ষের শত অনুরোধেও তিনি সেখানে নামায পড়তে রাজি হন নি, যাতে পরবর্তীকালে মুসলিমরা ঐ গীর্জাকে মসজিদে পরিণত করার নূন্যতম অজুহাতও না পান। মুহাম্মাদের(স) মৃত্যুশয্যায় যে কয়টি ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, তাদের মাঝে অমুসলিমদের সাথে সদাচরণের কথাও ছিল। এমনকি, উমর(রা) তাঁর শেষ সময়ে তাঁর উত্তরসূরীর উদ্দেশ্যে যে নির্দেশনামা রেখে গিয়েছিলেন তাতে তিনি বলেছিলেন, “নতুন খলিফার প্রতি আমার নির্দেশ, তিনি যেন নীতিমালা এবং চুক্তি অনুযায়ী সেই সব অমুসলিমের দেখাশোনা করেন যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের(রা) আশ্রয়ে রয়েছে, তাদের সম্মান ও সম্পদের রক্ষায় প্রয়োজনে যুদ্ধ করেন এবং তাদের সামর্থ্যের অতিরিক্ত করের বোঝা না চাপিয়ে দেন।” এ সকল কিছুর ভিত্তিতে ইসলামী আইনে বুৎপত্তিসম্পন্ন ব্যক্তিবর্গ এই ঐক্যমতে পৌছে গিয়েছেন যে, অমুসলিম নাগরিকের নিরাপত্তা বিধান মুসলিমদের জন্য ওয়াজিব(অবশ্য পালনীয়) এবং তাদের কোনরূপ কষ্ট প্রদান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাঁদের মতে, “অমুসলিম নাগরিককে যদি কেউ কষ্ট দেয়, একটি খারাপ কথাও বলে, এমনকি অসাক্ষাতেও তাদের সম্মানের উপরে বিন্দুমাত্র আক্রমন চালায় কিংবা তার সাথে অকারণ শত্রুতার ইন্ধন যোগায়, তাহলে সে আল্লাহ, তাঁর রাসূলের(স) এবং দ্বীন ইসলামের দায়িত্বকে লংঘন করলো।”
(সম্প্রতি কুরআনের বর্ণিত কুরবানী সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে রীট আবেদনকারী বিপক্ষে কথা বলতে গিয়ে যে সব 'একনিষ্ঠ' মুসলিম ঐ ব্যক্তির সম্প্রদায় তুলে অশ্লীল গালিগালাজ করেছেন তাদেরকে উপরের কথাগুলো ভেবে দেখার অনুরোধ রইল।)
উপরোক্ত আলোচনার ভিত্তিতে একজন ব্যক্তি অমুসলিমের সাথে অপর ব্যক্তি মুসলিমের সম্পর্কের রূপরেখা স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা। মানুষ হিসেবে তাঁর কোন অধিকারের প্রতিই ইসলামে অবজ্ঞা প্রদর্শন করা হয় নি এবং তাঁর মানবীয় মর্যাদাকে সমুন্নত রাখার ব্যাপারে মুসলিমদের বারেবারে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
এবারে, আসা যাক, সামষ্টিক পর্যায়ে মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্কের নীতিমালা বিষয়ে। কিন্তু, সে আলোচনায় যাওয়ার আগে দুইটি প্রশ্নের গ্রহনযোগ্য মীমাংসা হয়ে যাওয়ার অতীব প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়।
এক. ব্যক্তিগত পর্যায়ে একজন অমুসলিমের মৌলিক মানবীয় অধিকারের প্রতি ইসলামের পূর্ণ শ্রদ্ধা থাকা সত্ত্বেও কেন তাঁকে শুধুমাত্র মানুষ না বলে 'অমুসলিম' অভিধায় অভিহিত করা হচ্ছে?
দুই. মানুষ হিসেবে মুসলিম-অমুসলিমের জীবন ও সম্পদের মূল্য সমান ঘোষনা দেয়া সত্ত্বেও তাঁকে ‘জিম্মী’ নামে অভিহিত করে আলাদাভাবে ‘জিয্ইয়া কর’ চাপিয়ে দিয়ে কেন তাঁকে দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিকে পরিণত করা হচ্ছে?
সে সব নিয়ে আলোচনা নিয়ে আসছি এর পরের পর্বে।
১৩ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৩৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ধন্যবাদ....দেরীতে হলেও...
২|
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:২৯
সাইফুর বলেছেন: প্লাস
১৩ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৩৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: যদিও খুব বেশী কিছু না, তারপরেও ধন্যবাদ....
৩|
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৩২
জামিনদার বলেছেন: চমৎকার একটি বিষয় উপস্থাপন করেছেন-
বর্তমান বাংলাদেশ অধিকাংশ মুসলিম এবং অনৈসলামিক রাষ্ট্র এর প্রেক্ষাপটে আপনার কথাগুলো বাস্তবিক কার্যকর অনুপস্থিত বিধায় ইসলামের এই সম্প্রীতিক দিকগুলো আমাদের তার আয়ত্বে নিতে পারেনি। সাথে জীবনের বহুলাংশে ইসলামের বাস্তব শিক্ষার অনুপস্থিতিও এর জন্য অনেকাংশে দায়ী।
আলোচনা চলুক
পরবর্তী পোষ্ট পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম।
১৩ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৪৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: জীবনের বহুলাংশে ইসলামের বাস্তব শিক্ষার অনুপস্থিতির ব্যাপারটা অনেক বেশী পীড়াদায়ক......
৪|
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৩৬
সিকদার বলেছেন: মুসলিম খেলাফত অমুসলিমদের থেকে জিজিয়া কর নেওয়ার অনেক কারণ আছে যা এতটুকুও অযৌক্তিক নয়।সব গুলো সল্প পরিসরে আলোচনা করা সম্ভব নয়।ইসলামী রাষ্ট্রে মুসলিমরা অবশ্যই যাকাত দিতে বাধ্য কিন্তু অমুসলিমরা বাধ্য নয় বিধায় তাদের জিজিয়া কর দিতে হয়।
১৩ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৫০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনি তো এক লাইনে সব কথা বলে দিয়ে সান্ডে-মান্ডে ক্লোজ করে দিলেন.........যাকাতের সাথে জিয্ইয়ার কোন সম্পর্ক নেই....
৫|
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৩৭
এস. এম. রায়হান বলেছেন: নিজের কাজ নিয়ে কিছুদিন ধরে ব্যস্ত থাকায় মন্তব্য করতে পারছি না। তবে আপনার সিরিজ পড়ছি। নতুন সিরিজ শুরু করার জন্য ধন্যবাদ। চালিয়ে যান।
১৩ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৫৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ধন্যবাদ।
৬|
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৩৮
সিকদার বলেছেন: আপনার সময় উপযোগি লেখার জন্য ধন্যবাদ।+++++++++++্
১৩ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৫৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ....
৭|
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪৩
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: সুন্দর লেখা, তায়েফ ভাই। বিষয়গুলো বিস্তৃত এবং আলোচনা সাপেক্ষ। জিজিয়া কর বা সেরকম কিছু ইসলামের বাইরে নয় এটা যেমন সত্য, তেমনি এও সত্য যে ইসলামের এসব বিধি বিধান পরিবেশ পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল।
ধন্যবাদ লেখাটির জন্য।
১৩ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৫৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: পরের পর্বগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখুন....![]()
![]()
৮|
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪৪
দুরের পাখি বলেছেন: হাদীসগুলা খালি আল-হাদীস বললেই তো হৈলো না । কোন গ্রন্থের কোথায় আছে, সেইটাও দেয়া দরকার । কোন অভিযোগের সময়তো বুখারি মুসলিম ছাড়া অন্য কোন কিছু মানতে চায় না । উল্টাদিকেও একই প্রচেষ্টা থাকা উচিৎ ।
আল বলতেছেন নন-এপোলোজেটিক, অথচ শুধু কনভেনিয়েন্ট আয়াত আর হাদিসগুলা কোট করতাছেন । নন-কনভেনিয়েন্টগুলা বাদ গেলো কেনো ? অজ্ঞতা না ভন্ডামি ?
৯|
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:২৪
পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন: প্লাস। শতভাগ দ্বিমত পোষণ করে আলোচনা শুরু করছি-
ইসলামী সাম্রাজ্যের বিকাশ তথা জিহাদের মূল কারণ ছিলো অর্থনৈতিক। একহাতে কুরয়ান আর আরেক হাতে তরবারির যে উল্লেখ আমরা খ্রিস্টান যাজক এবং অধুনা মুসলিম এপোলোজেটিকদের থেকে পাই, ঐতিহাসিকরা তা অনেক আগেই নাকচ করে দিয়েছেন।
"যুদ্ধ করো- যাদের প্রতি কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে, যে পর্যন্ত না তারা নত হয়ে স্বহস্তে জিজিয়া না দেয়"- এর তৃতীয় শর্তটিই অর্থাৎ করপ্রদান, দেওয়া হয়েছিলো জরাথ্রুস্টীয় এবং ধর্মবিশ্বাসহীন বার্বার ও তুর্কিদের। শূধুমাত্র ধর্মোন্মক্ততা দিয়ে কখনোই বেদুইনদের এক হওয়াকে দেখা যায়না, তাদের ইতিহাস বলে যে তারা শুধু অর্থনৈতিক প্রয়োজনবোধেই চালিত হতো। মুসলিম বিজয়ী সেনাবাহিনীর অধিকাংশই ছিলো এই বেদুইনরা।
প্রাচীন আরব ঐতিহাসিকরাও একে অস্বীকার করেন না। আল-বালাযুরি বলেন যে সিরিয়ার সামরিক অভিযানের প্রাক্কালে খলিফা আবু-বকর মক্কা, তায়েফ, ইয়ামান, নাজদ ও হিজাজের সমস্ত আরবদের উদ্দেশ্যে চিঠি লিখে এই পবিত্র যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহবান জানান। এই যুদ্ধের জন্য এবং গ্রীকদের কাছ থেকে লুঠের মালএর ভাগ পাবার জন্য তাদের মাঝে প্রবল আশা জাগিয়ে তোলেন তিনি।(ফুতুহ- ১০৭ পাতা)
আরব আগ্রাসন থেকে পারস্যকে রক্ষার জন্য লড়াই করা পারসীয় জেনারেল রুস্তমের মন্তব্যটিও উল্লেখযোগ্য-
"আমি জানতে পেরেছি যে, তোমরা যে কাজটি করছ তা আর কিছুর জন্য নয়, কেবলমাত্র দারিদ্র ও জীবনধারণের জন্যই তা করতে বাধ্য হচ্ছ"(বালাযুরি- ২৫৬-২৫৭ পাতা)
কবি আবু তাম্মাম তার চাঁছাছোলা এক কবিতায় তাই স্পষ্টই বলেছিলেন,
"না, স্বর্গলাভের আকাঙ্ক্ষায় তোমরা যাযাবর জীবন পরিত্যাগ করনি বরং, আমি বিশ্বাস করি, তোমরা তা করেছো রুটি ও খেজুরের জন্য"(ঐ- ৭৯৫)
সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি তাই এই প্রক্রিয়াকে অনুর্বর মরুভূমি থেকে সেমিটিকদের উর্বর তুরস্কে অনুপ্রবেশের চূড়ান্ত ধাপ হিসেবেই দেখবে।
খলীফাদের প্রাথমিক আক্রমণগুলো মোটেই কোনো সুদুরপ্রসারী চিন্তার ফসল নয়, বরং নিজেদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ নিষিদ্ধ হবার পর রক্তক্ষয়ী উপজাতিদের যুদ্ধাকাঙ্ক্ষাকে বাইরে চালিত করার একটি প্র্ য়াস ছিলো তা। প্রাথমিক কিছু আশাব্যাঞ্জক সাফল্যের পরে উমরই প্রথম একটা সুশৃংখল সেনাবাহিনী বানান এবং তখন থেকেই ইসলামি ইমপেরিয়ালিজমের সুচনা হয়।
জিহাদ এবং মুসলিম ইমপেরিয়ালিজমের ধর্মীয় তত্ত্বগত ব্যাখ্যার সবচেয়ে বড় ত্রুটি হচ্ছে এটাকে স্রেফ ধর্মীয় হিসাবেই দ্যাখা। ইসলাম শব্দকে তিনভাবে দ্যাখা উচিত। প্রথমে ধর্ম, পরে রাষ্ট্র এবং সবশেষে সংস্কৃতি। তিনটের মধ্যেই বিপুল, বিপুলাকার পার্থক্য আছে।
মধ্যযুগীয় যেকোনো রাষ্ট্রই বর্বর এবং যুদ্ধবাজ এবং করভোগী ছিলো, এতে লজ্জিত হওয়ারও কিছু নেই, অস্বীকার বা এপোলোজেটিক হওয়ারও কিছু নেই। সমস্যা তখনই যখন, আধুনিককালের চিন্তাধারার মানদন্ডে তাকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করা হয় বা হিজবুতিয়া খেলাফতের ইউটোপিয়ায় সেই পুরাতন ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার কথা বলা হয়।
পুরো ব্যাপারটিকে এভাবে দেখলে সবচেয়ে ভালো হয়, প্রাথমিকভাবে ইসলাম ছিলো বৌদ্ধ বা ইহুদী ধর্মের শান্তির বাইরের এবং খৃস্টান শান্তি ও জংগী কিন্তু সেবামূলক একটা ধর্ম। পরে এই ধর্মের ভিত্তিতে একটা ধর্মরাষ্ট্র গঠিত হয়। ইসলাম নয়, বরং এই রাষ্ট্রই প্রাথমিক ভাবে উত্তরাঞ্চল দখল করে। সম্পুর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবে আরবীয়রা ধর্মভিত্তিক জাতীয় রাষ্ট্রের সদস্য হিসেবে প্রতিবেশি রাষ্ট্রের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ইসলাম ধর্ম নয়, প্রথমে জয়লাভ করে আরব জাতীয়তাবোধ।
মুসলিম যুগের ২য় ও৩য় শতকের আগে সিরিয়া, মেসোপটেমিয়া ও পারস্যের অধিকাংশ লোকই এ ধর্ম গ্রহণ করেনি। সামরিক বিজয় এবং এ অঞ্চলে ধর্ম পরিবর্তনের প্যাটার্ন যদি দেখি তবে পাই যে, মূলত ব্যক্তিগত স্বার্থ অর্থাৎ করের হাত থেকে মুক্তি এবং শাসকগোষ্ঠির সাথে আত্মীকরণই ছিলো এর উদ্দেশ্য।
নিজ দেশে কর দিয়ে কেইবা থাকতে চায় বলুন?
ধন্যবাদ।
১৪ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:২০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনার কথার জবাবে অনেক কথাই বলা চলে।
তার আগে একটা কথা বলি। আপনার পড়াশোনা আর জানার উপরে আমার যথেষ্ট শ্রদ্ধা আছে। শুধু একটা কথা বলতেই হয়। আপনি খুব দ্রুত উপসংহারে চলে আসেন।![]()
যাই হোক। সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করি।
জিয্ইয়ার ব্যাপারটা যদি নিছক অর্থনৈতিক হোত, তাহলে ইসলামী রাষ্ট্রের মূল রাজস্ব এটিই হোত এবং এর আদায়ে সর্বোচ্চ কঠোরতা পালন করার কথা ছিল।
লুঠেরমাল(মাল-ই-গনিমত) আর জিয্ইয়া এক জিনিস নয়। জিয্ইয়া প্রদানকারীর সম্পত্তি মাল-ই-গনিমতের অন্তর্ভূক্ত নয়।
খলিফাদের প্রাথমিক আক্রমনসমূহের ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী চিন্তা বলতে কী বোঝাচ্ছেন-বুঝি নি।
ধর্ম-রাষ্ট্র-সংস্কৃতি এই তিন ইসলামকে আদতে আলাদা মনে হলেও মূলসুর একই। দৃষ্টিকোনের পার্থক্যটাই এদেরকে আলাদা করে দেখার মূল কারন।
পারস্য ও রোমান সম্রাজ্য দখলে ইসলামের ভূমিকা মুখ্য নাকি আরব জাতীয়তাবাদের সম্প্রসারণই মূখ্য - সেটি বিশাল আলোচনার বিষয়। এই লেখার সাথে অপ্রাসঙ্গিক।
১০|
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৪৯
সজীব আকিব বলেছেন: সময় বুঝে কল্লা কাটতে হয় আবার সময় বুঝে সোহাগ করতে হয়। কল্লা কাটার আয়াত আর হাদীসগুলো নিয়ে আসেন।
১৪ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:০৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনি উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন....![]()
![]()
১১|
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:০৬
পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন: আগের কমেন্টে সংক্ষেপে মুসলিম সাম্রাজ্যের বিকাশ ও কারণ এবং তার ফলে অধিকৃত অঞ্চলের মানুষের ধর্ম পরিবর্তনের ধারা দেখিয়েছি। এবারে আসুন বিজিত অঞ্চলে অমুসলিমদের সাথে ব্যবহার নিয়ে। শুনতে অবাক লাগলেও প্রাথমিক ভাবে বিজিত অঞ্চলে তেমনভাবে শাসনব্যবস্থা স্থাপনই করে নি আরবীয় রা। গণিমতের মাল নিয়ে আসা, একটা ট্যাক্স ধার্য করে হারুপাট্টির শাসককেই ক্ষমতায় বসানো(কারণ তারাই সবচেয়ে ভালোভাবে এই ট্যাক্স আদায় করতে পারবে) পর্যন্তই তা সীমাবদ্ধ ছিলো। কারণ স্বাভাবিক, সে পরিমাণ জনবল তখনো আরবদের ছিলো না যা দিয়ে একইসাথে দেশ শাসন ও সাম্রাজ্যবিস্তার করা যায়। ধীরে ধীরে সাম্রাজ্যের কেন্দ্র মদীনা থেকে সরেছে, কুফায় গিয়েছে, অর্থাৎ ইরাকে স্থানাতরিত হয়েছে। এবারে আরবরা এসে ভীড় করতে থাকে পারস্যে এবং তুর্কিতে। বন্টনব্যবস্থায় কিন্তু প্রায়োরিটি পেয়েছে আরবরা, আজমী(বহিরাগত) মুসলিমরা ছিলো দ্বিতীয় শ্রেণীর এবং কর দিয়ে থাকা ৩য় শ্রেণীর নাগরিক ছিলো অমুসলিমরা। দাস হিসেবে শুধু অমুসলিমদেরই কেনাবেচা করা হতো(যদিও এই সুযোগে দাসদের মধ্যে মুসলমান হবার হার বেড়ে যাওয়ার ফলে আজমী মুসলিমদেরও দাস বানানো হয় অনেক পরে)।
আপনার টপিকটার ঐতিহাসিক আলোচনা করা একারণেই অসম্ভব যে, প্রাথমিকভাবে সম্পর্কটা ছিলো, আরব-অনারব(মুসলিম/অমুসলিম) সম্পর্ক। ইসলামী সংস্কৃতি চার খলীফারো কয়েকশো বছর পরে এসেছে এবং তখন আরব কতৃত্ব সম্পুর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। টিকে আছে পারসীয় এবং তুর্কি সালজুকেরা।
থিয়োলজিতে এটা চলতে পারে, প্রাচীন আরবের মহানবীর সময় মক্কা-মদীনায় চলতে পারে, বাট যখন একটা ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশন চলে আসে, তখন জাতিসত্ত্বার মনোভাব অনেকগুণে বেশি আলোচনার দাবী রাখে।
তাই প্রাথমিক চার খলীফাদের যে উদারতা বা মহানুভবতার কাহিনী আমরা শুনি তাকে আরব সাম্যবাদ এবং আতিথেয়পরায়ণতা এবং সাধাসিধে থাকার মনোভাব হিসাবেই আমি বেশি দেখি। মহানবী মারা যাওয়ার পরেই কুরাইশরা আবার নেতৃত্ব নিয়ে মেতে ওঠে বীভৎস রক্তারক্তিতে যার প্রাথমিক হাসি হাসেন উমাইয়া সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা মুয়াবিয়া এবং শেষ হাসি হাসে আব্বাসীয়রা। আর এই সাম্রাজ্যের প্লাটফর্ম বানানোতে কাজ করেন প্রাথমিক চার খলীফা। কাজেই মুসলিম-অমুসলিম এখানে রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে বেশ গৌণ।
আশা করি আমার বক্তব্য পরিষ্কার করতে পেরেছি।
১৪ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৪৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: অনেক বিস্তৃত আলোচনা করেছেন।
প্রথমতঃ ইসলামী রাষ্ট্রের কাঠামোই মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্কের রূপরেখা নির্ধারন করে দেয়-গৌণ হওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না।
দ্বিতীয়তঃ আরবী-আজমি-অমুসলিম, এর তিন শ্রেনীতে নাগরিকদের অযৌক্তিক বিভক্তকরণের বিষয়টা ইসলাম পরবর্তী দ্বিতীয় শতকে(যখন খেলাফত পুরোপুরিভাবে রাজতন্ত্রে গিয়ে ঠেকেছিল) জেঁকে বসেছিল- এর আগে নয়।
ইসলামের শুরুটা আরব ভূমিতে হওয়ায় এর একটি আরবীয় চরিত্র আছে। কিন্তু, যে জাতি শতাব্দীর পর শতাব্দী স্বীয় গোত্রের বাইরে পৃথিবীর সবাইকে শত্রুজ্ঞান করতো, সেই জাতি তিন দশকের মাঝেই কোন কারন ছাড়া নিজ বৈশিষ্ট্যের গুনে উদার, মহানুভব আর সাম্যবাদী হয়ে উঠবে- এমন ভাবাটা অলীক কল্পনা নয় কি??
ইসলামী সংস্কৃতি চার খলীফারো কয়েকশো বছর পরে এসেছে - এই তথ্যের সাথে অবধারিতভাবে যে প্রশ্নটি জেগে ওঠে তা হচ্ছে, 'ইসলামী সংস্কৃতি' বলতে আপনি কী বোঝাচ্ছেন? অন্যথায়, এর উপরে কথা বলা অবান্তর।
১২|
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:০৮
পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন: প্রাথমিক খিলাফতের আমলেই কিন্তু দাসদের ও অমুসলিমদের ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী কিছু বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে।
১৪ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৪৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: দাস বিদ্রোহের ব্যাপারটা আমার জানা নেই....সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, প্রাথমিক খিলাফতের যুগে দাসের সংখ্যা এত বেশী থাকার কথা নয় যে, তারা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে একটা বিদ্রোহের সূচনা করবে!!
১৩|
০৮ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:১১
অলস ছেলে বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন। শিরোনামে যেহেতু অ-কৈফিয়তমূলক বিশেষণ দিয়েছেনই, তা মুখ্য হয়ে দাড়িয়েছে। পরের পর্ব পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম।
আর আমার কাছে ঐতিহাসিক বাস্তবতাই সবচেয়ে বেশি মুল্যবান প্রমাণ, এ বিষয়য়ে সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষেত্রে। কিছু ব্যাতিক্রম ছাড়া বেশিরভাগ মুসলিম শাসকদের অধীনে অমুসলিম জনগোষ্ঠীর অবস্থা আর পৃথিবীর অন্যান্য স্থান আর সময়ে মুসলিম সংখ্যালঘিষ্ঠের অবস্থা তুলনা করলে আর কোন সন্দেহ থাকার কথা না।
১৪ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৫২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কিছু ব্যাতিক্রম ছাড়া বেশিরভাগ মুসলিম শাসকদের অধীনে অমুসলিম জনগোষ্ঠীর অবস্থা আর পৃথিবীর অন্যান্য স্থান আর সময়ে মুসলিম সংখ্যালঘিষ্ঠের অবস্থা তুলনা করলে আর কোন সন্দেহ থাকার কথা না। আপনার এই কথাটি সত্য।
কিন্তু, ঐ যে, কৈফিয়তমূলক কিছু বলার চেষ্টা থেকে বিরত থাকব, তাই সেদিকে যাইই নি......'কে কী করেছে' এর চাইতে ইসলাম কী বলেছে এবং প্রাথমিক যুগে এর সমর্থনে কী ঘটেছে- সেটাই আমার কাছে মূখ্য.....
১৪|
০৮ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:১৫
অলস ছেলে বলেছেন: সম্ভবত ভুলে মাইনাস বাটনে আর কনফার্মেশনে চাপ পড়ে গেছে, একটু অন্যমনস্ক ছিলাম মন্তব্য লেখার পর।
সরি।
১৪ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৫৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: এইটা কোন টেনশনের বিষয় না......
১৫|
১১ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:০৭
আদনান ফারাদী বলেছেন: আমি কি এই লেখাগুলোর প্রিন্ট নিতে পারি?
১৪ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:০৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কেন নয়??
১৬|
১১ ই আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:৩৬
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: আরও লেখা আসুক এ ব্যাপারে।
১৪ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: পরের পর্ব দিছি......
১৭|
১১ ই আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:৪৮
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: গ্যালারিতে বইলাম।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:৫৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আর কত গ্যালারীতে বইবেন!!![]()
![]()
বুকে বল নিয়ে এগিয়ে যান, মাঠে নামেন........
১৮|
১৩ ই আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৪
হেমায়াত উল্লাহ বলেছেন: 
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:৫৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ভয় পাইছি....
১৯|
১৩ ই আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২০
পারভেজ আলম বলেছেন: হুম। আপনার প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু, পুরো হাদিস শাস্ত্রকে অস্বিকার না করে এবং একেবারে আধ্যাত্ববাদী সূফিবাদে মগ্ন না হয়ে আসলে ইসলামে ভিন ধর্মের মানুষের মুসলমানের সাথে সমমর্যাদা দেখানো সম্ভব না। আপনি যেসব হাদিস দিয়েছেন সেসবের একেবারেই উলটো বক্তব্যের অনেক হাদিসও আছে। সেগুলোকে কি আপনি অস্বিকার করবেন?
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:৫৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সাধুবাদ জানানোয় কৃতজ্ঞ।
হাদিস শাস্ত্রের ইতিহাস, ক্ষেত্র এবং কার্যকারিতার ব্যাপারে আপনার আর আমার মাঝে আগেও মতদ্বৈততা হয়েছে এবং আমার বিবেচনায়, তা হয়েছে দুইটি সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে একে বিবেচনা করার কারনে। তাই, সেদিকে যাচ্ছি না।
আমি শুধু সমমর্যাদার বিষয়ে একটু দৃষ্টি আকর্ষন করতে চাই। আপনি যখন "ইসলামে ভিন ধর্মের মানুষের মুসলমানের সাথে" কথাটি উল্লেখ করবেন তখন স্বাভাবিকভাবেই "সমমর্যাদা" কথাটি পেছনে পড়ে থাকবে। একটি বিশেষ মতাদর্শে বিশ্বাসী মানুষ কিভাবে ভিন্ন মতাদর্শী ব্যক্তিকে সমমর্যাদা দিতে পারে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অধীনে একজন বিদেশী বাংলাদেশী হিসেবে আমার সমান মর্যাদা পাবেন না! আবার, একই রাষ্ট্রের অধীনে দায়িত্বের ভিত্তিতে মর্যাদার হেরফের হবে- এটাই স্বাভাবিক। আমার বিবেচনায়, শব্দটা হওয়া উচিৎ "সুষম মর্যাদা"। আমরা কেবল মানুষ হিসেবে সমমর্যাদা, কিংবা মৌলিক মানবিক আইনের চোখে সকলের সমমর্যাদা আশা করতে পারি; অন্য ক্ষেত্রে ব্যক্তি তাঁর উপরে অর্পিত দায়িত্ব অনুযায়ী মর্যাদা পাচ্ছেন কীনা তাই দেখার বিষয়।
২০|
১৪ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৫১
পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন: জিয্ইয়ার ব্যাপারটা যদি নিছক অর্থনৈতিক হোত, তাহলে ইসলামী রাষ্ট্রের মূল রাজস্ব এটিই হোত এবং এর আদায়ে সর্বোচ্চ কঠোরতা পালন করার কথা ছিল।
আমি কোথায় বললাম যে জিজিয়া নিছক অর্থনৈতিক? আমি বলেছি জিহাদের মূল কারণ অর্থনৈতিক। ইসলামী রাষ্ট্রের মূল রাজস্ব জিজিয়া কি করে হবে যদি পাইকারী হারে কয়েকশো বছরে সবাইই মুসলিম হয়? আর এর আদায়ে সর্বনিম্ন শিথিলতাই বা কোথায় দেখানো হয়েছে? জানাবেন দয়াকরে।
লুঠেরমাল(মাল-ই-গনিমত) আর জিয্ইয়া এক জিনিস নয়। জিয্ইয়া প্রদানকারীর সম্পত্তি মাল-ই-গনিমতের অন্তর্ভূক্ত নয়।
আমিই বা কোথায় তা এক বলেছি? যুদ্ধ জয় না করে জিজিয়া ধার্য করা বেশ কঠিন যেখানে আরবের বেশিরভাগই মুসলিম; কাজেই আগে জিহাদের কারণ ব্যাখ্যা করেছি, আর সে হিসেবেই মালে গণিমত এসেছে।
খলিফাদের প্রাথমিক আক্রমনসমূহের ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী চিন্তা বলতে কী বোঝাচ্ছেন-বুঝি নি।
ইসলামিক ইমপেরিয়ালিজমের কথা বুঝিয়েছি।
ধর্ম-রাষ্ট্র-সংস্কৃতি এই তিন ইসলামকে আদতে আলাদা মনে হলেও মূলসুর একই। দৃষ্টিকোনের পার্থক্যটাই এদেরকে আলাদা করে দেখার মূল কারন।
আবারো সর্বাংশে দ্বিমত। এ নিয়ে আলোচনা করতে গেলে মহাভারত হয়ে যাবে। তাই স্রেফ একটা উদাহরণ দেই-
ধর্ম- উপাসনার ব্যবস্থা।
রাষ্ট্র- হেরেমে রাখার জন্য খোজাকরা দাসের নিয়োগ।
সংস্কৃতি- গান, কবিতা, নৃত্য ইত্যাদি ইত্যাদি।
মিল দ্যাখান।
পারস্য ও রোমান সম্রাজ্য দখলে ইসলামের ভূমিকা মুখ্য নাকি আরব জাতীয়তাবাদের সম্প্রসারণই মূখ্য - সেটি বিশাল আলোচনার বিষয়। এই লেখার সাথে অপ্রাসঙ্গিক।
সম্পুর্ণ প্রাসংগিক; অমুসলিম যখন মূলত অনারবরা, তখন তাদের সাথে আচরণের ক্ষেত্র বিশ্লেষণ করতে গেলে (আরব-অনারব)এটা না আনলে কিভাবে হবে?
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:৩০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: জিহাদের মূল কারন অর্থনৈতিক কীনা সেটি নিয়ে পরে আসছি।
মহানবীর(স) জীবদ্দশায় রোমান-পারস্য সম্রাজ্যের সাথে মুসলিমদের চলমান সীমান্ত সংঘর্ষ এবং এর ভিত্তিতে দিনে দিনে নবগঠিত রাষ্ট্রের অস্তিত্বের প্রতি হুমকি হয়ে ওঠা ঐ দুই সম্রাজ্যের সাথে খলিফাদের নীতিনির্ধারনী যুদ্ধসমূহকে ইম্পেরিয়ালিজম বলার সুযোগ কম।
রাষ্ট্র- হেরেমে রাখার জন্য খোজাকরা দাসের নিয়োগ!!!
সংস্কৃতি- গান, কবিতা, নৃত্য ইত্যাদি ইত্যাদি!!!!!
কী বলব??
![]()
জিয্ইয়া আদায়ের ব্যাপারে আমি 'কিতাবুল খারাজ' থেকে শুধু দুইটি উক্তি নিচ্ছি।
১."যে পরিমান সম্পদ রাষ্ট্রকে প্রদান করা তাদের সামর্থের বাইরে তা দিতে তাদেরকে বাধ্য করা যাবে না" -উমর(রা)
২."কোন অমুসলিম নাগরিক তার কাছে প্রাপ্য জিয্ইয়া পুরো কিংবা আংশিক আদায়ের আগেই মৃত্যুবরণ করলে তা তার উত্তরাধিকারীর কাছ থেকে কিংবা তার পরিত্যক্ত সম্পদের থেকে আদায় করা হবে না।"- ইমাম আবু ইউসুফ(রহ্)
আপনার "নিজ দেশে কর দিয়ে কেইবা থাকতে চায় বলুন?"- এর জবাবে জানাচ্ছি, যতদুর মনে পড়ছে, ধনীদের জন্য এই পরিমান নির্ধারিত ছিল এক দেরহাম। আর মুসলিম ধনীদের যাকাতের পরিমান সম্পদের আড়াই শতাংশ এবং তা যে কোন মূল্যে আদায়যোগ্য।
ইসলাম আরবী ভাষায়, আরবদের হাত ধরে একটি বিশ্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। আরবীয় জাতীয়তাবাদ থেকে তা একেবারে মুক্ত থাকবে এমনটি আশা করাই বাতুলতা। বিবেচনার বিষয় হচ্ছে, এই জাতীয়তাবাদকে ছাপিয়ে ঐ বিশ্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গিটি সামনের দিকে আসতে পেরেছিল কীনা.........
২১|
১৪ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১৫
পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন: দ্বিতীয়তঃ আরবী-আজমি-অমুসলিম, এর তিন শ্রেনীতে নাগরিকদের অযৌক্তিক বিভক্তকরণের বিষয়টা ইসলাম পরবর্তী দ্বিতীয় শতকে(যখন খেলাফত পুরোপুরিভাবে রাজতন্ত্রে গিয়ে ঠেকেছিল) জেঁকে বসেছিল- এর আগে নয়।
ইসলামের শুরুটা আরব ভূমিতে হওয়ায় এর একটি আরবীয় চরিত্র আছে। কিন্তু, যে জাতি শতাব্দীর পর শতাব্দী স্বীয় গোত্রের বাইরে পৃথিবীর সবাইকে শত্রুজ্ঞান করতো, সেই জাতি তিন দশকের মাঝেই কোন কারন ছাড়া নিজ বৈশিষ্ট্যের গুনে উদার, মহানুভব আর সাম্যবাদী হয়ে উঠবে- এমন ভাবাটা অলীক কল্পনা নয় কি??
ভয়াবহ ভুল তথ্য। এই বৈষম্য একদম ২য় খলিফা উমার থেকেই শুরু হয়েছে। হিট্টির হিস্ট্রি অফ এরাবস থেকে-
২য় খলিফা উমারই প্রথম সাম্রাজ্যের শাসনকে একটা সাংবিধানিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেন। পুরনো সব চুক্তি অগ্রাহ্য করে তিনি প্রথমেই আরব উপদ্বীপ থেকে আরো অনেকের সাথে খাইবারের ইহুদীদের বিতাড়িত করেন ১৪-১৫ হিজরী, ৬৩৫-৬৩৬ খ্রিস্টাব্দে। নাজরানার খ্রিস্টানদেরও তাড়ান।
আরব জনগণকে একত্র এবং একচ্ছত্র অধিকার দিতে অনারবদের সমানাধিকার দিতে তিনি নারাজ ছিলেন। দখলী অনারব এলাকার শাসকরা এলাকাবাসীদের ২য় শ্রেণির নাগরিকের মর্যাদা দিতেন। মুসলমানদের কল্যাণে (মাদ্দাত আল-মুসলিমিন) তারা সংরক্ষিত ছিলো। আরব মুসলিমদের সমান সুবিধা অনারব মুসলিমরাও পেতনা।
যিম্মীদের ফৌজে কাজ করার বারণ ছিলো। তাদের বছরে মোটা অঙ্কের রাজস্ব দিতে হতো। অনারব মুসলিমদের জমির জন্য ফাই বা ওয়াকফ কর দিতে হতো। আরবরা তো এই করের বাইরে ছিলেনই এবং তারা এর ভাগও পেতেন নির্দিষ্ট হারে।সবচেয়ে বেশি পেতেন নবীর পরিবার, তারপরে মুহাজিররা।
উমার জিজিয়া আর খারাজ এর মাঝে সুস্পষ্ট ফারাক করে দেন, এর আগে তা সমার্থক বলেই বিবেচিত হতো। মুসলিম সেনাবাহিনীর জন্যও আলাদাভাবে কর নেওয়া হতো।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:৪৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: হিট্টির হিস্ট্রি অফ এরাবস সাম্প্রতিককালে ঘাঁটার সুযোগ হয় নি। তাই, বিস্তারিত আলোচনা করা কষ্টকর। কিন্তু, "পুরনো সব চুক্তি অগ্রাহ্য করে" বাক্যাংশটির দিকে নজর আটকে গেল। এমনটি হলে ওরিয়েন্টালিস্টেরা ছেড়ে কথা বলতেন বলে মনে হয় না।
উমরের(রা) হাত দিয়ে ইসলামী রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামো দৃশ্যমান হতে থাকে - এটি ঐতিহাসিক সত্য। তাঁর শাসনামলের পূর্ববর্তী এক যুগ(মহানবীর(স) দশ বছর আর আবুবকরের(রা) দুই বছর) ছিল ইসলামী রাষ্ট্রের ভীত গঠনের কাল।
একটি ব্যাপার সম্ভবতঃ আপনার নজরের বাইরে চলে গিয়েছে। ইসলামী সমাজে নবীর(স) পরেই সাহাবীদের(রা) অবস্থান। প্রত্যাশিতভাবেই, সালমান, সুয়াইব কিংবা বেলালের(রা) মত কিছু ব্যতিক্রম বাদে সাহাবীরা সকলেই ছিলেন আরব এবং মহানবীর(সা) তিরোধানের(৬৩২ খৃ.) পরবর্তী আট দশক পর্যন্ত(সর্বশেষ সাহাবী আনাস ইবন মালিক(রা) অস্টম শতকের প্রথম শতকে মৃত্যুবরণ করেন) সাহাবীরাই ইসলামী সমাজের অবিসম্বাদিত পথপ্রদর্শকের আসনে বসে ছিলেন আর আরব-অনারব নির্বিশেষ সকলেই তাঁদের কাছ হতে ইসলামের শিক্ষা নিয়ে যাচ্ছিলেন। এই প্রেক্ষিতে খুব স্বাভাবিকভাবেই, আরব মুসলিম এবং অনারব নও-মুসলিমের মাঝে কিছু মর্যাদাগত পার্থক্য দেখা যায়। আর পরবর্তী শতক থেকেই অনারব মুসলিমরা ইসলামের শিক্ষায় যে পরিমান অগ্রসর হয়েছিলেন, তাতে স্পষ্টতঃই প্রতীয়মান হয় যে, অন্যায়ভাবে খোলাফায়ে রাশেদুনকে উৎখাত করে রাজতন্ত্র জেঁকে না বসলে আরব-অনারবের এই আপাতঃ পার্থক্য একেবারেই দূরীভুত হয়ে যেত। উমাইয়া খলিফা উমর ইবন আবদুল আযীযের সংক্ষিপ্ত শাসনামলে এমনই দেখা গিয়েছিল।
২২|
১৪ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১৯
পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন: ইসলামের শুরুটা আরব ভূমিতে হওয়ায় এর একটি আরবীয় চরিত্র আছে। কিন্তু, যে জাতি শতাব্দীর পর শতাব্দী স্বীয় গোত্রের বাইরে পৃথিবীর সবাইকে শত্রুজ্ঞান করতো, সেই জাতি তিন দশকের মাঝেই কোন কারন ছাড়া নিজ বৈশিষ্ট্যের গুনে উদার, মহানুভব আর সাম্যবাদী হয়ে উঠবে- এমন ভাবাটা অলীক কল্পনা নয় কি??
ইসলামিক সাম্রাজ্য বা রাষ্ট্র কখনোই উদার, মহানুভব এবং সাম্যবাদী ছিলোনা। কাজেই অলীক কল্পনাতো অবশ্যই।
ইসলামী সংস্কৃতি' বলতে আপনি কী বোঝাচ্ছেন?
আবারওতো মহাভারত হয়ে যাবে!
তারচেয়ে আপনার ভাররসনটাই আগে শুনি, আপনিই বা এটা বলতে কি বোঝেন?(দেখছেন, কি সুন্দর করে ফাঁকি মেরে দিলাম! হে হে।)
২৩|
১৪ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৩৬
পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন: দাস বিদ্রোহের ব্যাপারটা আমার জানা নেই....সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, প্রাথমিক খিলাফতের যুগে দাসের সংখ্যা এত বেশী থাকার কথা নয় যে, তারা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে একটা বিদ্রোহের সূচনা করবে!!
রেফারেন্স ছাড়া এটা বলা আমার একেবারেই বেকুবি হয়েছে, রেফারেন্স খুজে পাচ্ছিনা আপাতত, সম্ভবত আলীর আমলে হয়েছে এটা। সোর্স জানলে আপনাকে জানাবো।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:৫৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সোর্সের অপেক্ষায় থাকলাম।
নানান ঝামেলায় ব্লগে অনিয়মিত। দেরীতে আলোচনায় যোগ দেয়ায় আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী.........
২৪|
১৪ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৫৯
কেউটে সাপ বলেছেন: গ্যলারী
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:৫৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: মারামারি না হৈলে গ্যালারী বৈসা ফায়দা কম। আর এইদিকে আমি আবার মারামারিতে বড়ই ডরপুক............![]()
![]()
![]()
২৫|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:১০
জাতি জানতে চায় বলেছেন: আপনের পোস্টের বিষয়, বক্তব্য আর জবাব গুলা দারুন! পোস্টটা তাত্ত্বিক (কোরান-হাদিস) হলেও কয়েকজনকে ইতিহাস দিয়া সেটা ডিফেন্ড করার অপচেষ্টা দেখে মজা পাইছি! ইতিহাসের সহায়তায় গোজামিল দেয়া বা নিদেনপক্ষে দীর্ঘ কটুতর্কে চলে যাওয়ার সুযোগ থাকে! কারন ইতিহাস দিয়ে প্রাচীন কোন পরিস্থিতির সম্যক ধারনা দেয়া কখনও কখনও সময়সাধ্য-দুঃসাধ্য ব্যপার! তার থেকে ভিন্নমত পোষনকারীরা শুরুতে তত্ত্বীয়ভাবে ডিফেন্ড করে পরে সেটা আনুযায়ী ইতিহাসে গেলে বরং উনাদের দৃষ্টিকোণ বোঝা যেত!
এইসব পোস্ট হইলো রেফারেন্স উইথ সদকায়ে জারীয়া, যত বেশি দিবেন তত বেশি পাবলিকের সুবিধে!
২৬|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:১৭
জাতি জানতে চায় বলেছেন: এধরনের পোস্টে গ্যালারীতে বসতে চােনওয়ালাদের চুপচাপ বসার চেষ্টা করা উচিৎ! চেয়ারে শব্দ করে বসাটা (ভাবের মন্তব্য) বেকুবি!
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:১৮
নাসের সরকার বলেছেন: যারা প্লাস বা মাইনাস যাই দিন না কেন, পড়ে তারপর দিন।