| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমার সন্তানের সাথে প্রথম ঈদ। প্রবাসে আসার পর থেকে২৪টা ঈদ গেছে তার মধ্যে এটা নিয়ে ৫টা করেছি দেশে, আরও কত যে করতে হবে জানা নেই। ঈদ আসে ঈদ যায়। কিন্তু প্রবাসীরা পায়না ঈদের আনন্দ।
আমার ছেলে তালহা ও ভাঘনি সুমাইয়া
এসবি ব্লগের সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা। আশা করি সবাই ভালো আছেন। ঈদ নিশ্চয়ই ভালো কেটেছে। আমারো কেটেছে ভালোই। প্রবাসে আসার পর থেকে ঈদ একাই করা হতো। মা বাবার সাথে ঈদ করা হয় না প্রায় ১৩ বছর। প্রবাসের ঈদ তাই সবসময়ই ছিলো অপূর্নতায় ভরা। আল্লাহর রহমতে এইবার সাথে পেয়েছি আমার সন্তানকে। তাই ঈদের অনুভুতি ছিলো অন্য রকম। গত১৯জুলাই২০০৯ জন্ম নেয় আমার ছেলে তালহা । এইবারই তার জীবনের প্রথম ঈদ বাবা সাথে। সদ্য বসতে শেখা, চঞ্চলতায় আর দুষ্টুমীর নানান কারুকার্য দিয়ে ঈদের দিন মাতিয়ে রেখেছিলো সবাইকে। আপনাদের সাথেও তাই শেয়ার না করে পারলাম না।
আমার আরেক ভাগিনা ফাহিম
গভীর রাতেই ছেলে বলে আব্বু আমি নামাযে যাব খাওয়া দাওয়া সেরে একটু ঘুমাতেই কানে ভেসে আসলো ফজরের আযানের ধ্বনি-আল্লাহ আকবার আল্লাহু আকবার। আযান শুনে ছেলে যেগে উটল অজু করে নায পড়ে আমার হাত দরে বসে আছে আমি কখন ঈদের নামাযে যাব। একটু পরেই সোজা চলে গেল গোষলে। গোষল শেরে অপেক্ষা করতে থাকল বহু আকাংখিত সেই ঈদের জামাতের জন্য। জান্তে পারলাম সকাল ৯টায় হবে ঈদের নামাজ। শেষ হলো ঈদের নামাজ। নামাজ পড়ে খুতবাহ শুনে মসজিদ থেকে বেরিয়ে দেখা হলো প্রতিবেশীর সাথে তাদের সাথে কোলাকুলি করে চলে আসলাম।
ও আর নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় আমার ভাঘিনা ঢাক দিয়ে বলে মামা সেমাই খেয়ে যাও। নতুন জামা পরে সালাম করে ভাঘিনা ভাঘনি নতুন টাকার নোটগুলো হাতে উঠিয়ে দিলাম। সে খুশি হয়ে গেল।
আপনারা সবাই আমার সন্তানের জন্য দোয়া করবেন।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:১৪
বিকারগ্রস্থ মস্তিস্ক বলেছেন: