| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি নতুন ব্লগার ভাল লিখতে জানিনা তবুও আশা করে লিখি তা যদি হয় একটু উপকারি মানুষের জন্য, এই দেশের মুসলমানের জন্য, দেশের গরিব দুঃখিদের জন্য যারা তাদের অধীকার থেকে বন্ছীত। এখন আমাদের ক্লাস বন্ধ সামনে কয়েকদিন পর শুরু হয়ে যাবে মনে করেছিলাম লিখবনা কিন্তু, না লিখে থাকতে পারলামনা ।যে দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য মুসলমানের জন্য ইসলামের জন্য লড়ে যাচ্ছে তাকে জানাই সাধর সম্ভাষন ।কালের পরিবর্তনের ফলে মুসলমান যে এভাবে পাল্টাতে পারে তা আমার জানা ছিলনা ।কি সব রাজনীতিক খেলা খেলছে দেশের মনুষকে নিয়ে রাজনীতক দল গুলো ।শ্রদ্ধেয় রাজনীতিবীদগন আপনাদের আমি বলব দয়া করে দেশের উন্নয়ন না করেন তাদের সেবা না করেন তাতে তাদের এতটুকু ক্ষতি হবেনা তারা আখেরাতে পার পেয়ে যেতে পারে কিন্তু মুসলমানের ঈমান আমল নিয়ে যে খেলা আপনারা শুরু করেছেন সে খেলা দয়া করে বন্ধ করুন আর তাদের বোকা বানাবেননা তাদের ঈমান নষ্ট করিবেননা ।যে প্রকৃত দেশ প্রেমিক হয়ে থাকে সে অবশ্যয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই এবং চাইতে হবে তাকে যদি সে এই দেশের নাগরিক হয়ে থাকে ।তবে বিচারের নাম করে ইসলামকে এত অপমান আর লান্ছনা রাসূলের অপমান আপনারা মুসলমান হয়ে তা করতে পারেননা ।আপনারা অবশ্যয় নিজেদের নবীর উম্মত বলে দাবি করেন ৫ ওয়াক্ত নামাজ না পড়েন শুক্রবারে ঠিকি জামাতে শরিক হন সারা রমজান রোজা না রাখলেও দুই ঈদের নামাজে শরিক হন কার জন্য বলতে পারেন ,কোন টানে এই নামাজ গুলোতে শরিক হন। সারা জীবন ইসলাম আর মুসলমানের ও আলেমদের বিরোধীতা করেও মৃত্যুর পর জানাজা পড়ান কার জন্য ।কিসের ভয়ে আপনাকে আলেমদের দাওয়াত দিয়ে এত হুজুর হুজুর বলে দোয়া করান একটু চিন্তা করেছেন ।একটু চিন্তা করেন বাকিটা আল্লাহ অবশ্যয় জবাব দিয়ে দিবেন এবং আপনার কাছে আছে সে জবাব কিন্তু আপনি আজ বুঝতে চেষ্টা করছেননা ।যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবিতে আপনি জামাত ও শিবিরকে ইসলামের হেতা হোতা বানিয়ে ইসলামি বিধি বিধান কে অপমান করছেন।দাড়ি টুপিকে ব্যঙ করে মুসলমানদের কষ্ট দিচ্ছেন জামাত শিবিরের সাথে দাড়ি টুপির কি সম্পর্ক এ গুলোর সম্পর্ক ইসলমের সাথে ।কিন্তু হায় একি মুসলমান হলাম আমরা আজকে যারা ইসলামকে রাসূলকে আল্লাহকে অপমান করছে তাদের কাছে সুবিচারের আশা করে বসে আছি যিনি সয়ং সব বিচারের মালিক তাকে অপমান করছে কিছু মুসলমানের সন্তান ।তা দেখে অমুসলিমরা যে সুযোগ নিবেনা আপনি বলতে পারেন ,বলতে হবে কেন এখন শুরু হয়ে গেছে যেখানে রাজশাহীতে এক হিন্দু ইসলামকে অপমান করার ফলে জনগন প্রতিবাদ করেছিল আজ ফেসবুকে শত শত গালি পড়তে হচ্ছে অমুসলিমদের পক্ষ থেকে। এই আশা ছিল আমাদের ব্রিটীশ থেকে পাক ভারত আলাদা হওয়ার? এই কি আশা ছিল হিন্দুস্হান, পাকিস্হান হওয়ার? এই কি আমরা কামনা করেছিলাম বাংলাদেশ হওয়ার পর বাংলার মুসলমান ইসলাম ভুলে যাবে ।স্বাধীনতার ৪১ বছর পার করে আমরা কি পেলাম আর কি হারালা। যারা কষ্ট করে এদেশ স্বাধীন করেছে আমরা তাদের আদর্শ ভুলে এ কোন খেলায় মেতে উঠেছি ,না আর বসে থাকার দিন নেই সময় বলে এখন গর্জে উঠার যারা দেশের মানুষকে এত বছর ধোকা দিয়ে আসছে তাদের সময় শেষ এখন সময় তোমার, তুমি উঠ সেই কবি নজরুলের মত যিনি আল্লাহ ও রাসূলকে গালি দিয়ে নয় বরং তাদের তারিফ করে শুরু করতেন তার প্রতিবাদী শ্লোগান প্রতিবাদে গর্জে উঠ আঃ হামিদ খান ভাষানী ,এ,কে ফজলুল হক ,শেখ মুজিবুর রহমান শহিদ জিয়াউর রহমান এবং মোহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্ঝি হুজুরের মত যাদের মাঝে মতানৈক্য ছিলনা এই দেশ নিয়ে দেশের শান্তি নিয়ে ।এক হও হে বাংলার মুসলিম সমাজ সময় এসেছে এবার তোমার শান্তি ছিনিয়ে আনার যারা তোমাদের মায়ের বুক থেকে শান্তি ও তোমাদের ধর্ম ইসলাম কে উৎখাত করার পায়তারা করছে।তাদের রুখতে হবে তা নাহলে তোমার ভবিষ্যৎ জাতি তুমি চলে যাওয়ার আগেই ইসলাম হারা ও ঈমান হারা হয়ে জাহান্নামের পথে চলে যাবে।
©somewhere in net ltd.