| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পৃথিবীতে অনেক জাতিই তাদের স্বাধীনতার জন্য লড়ছে, কিন্তু স্বাধীনতা পেয়েও যাদের মতো দুর্ভাগা আর কেউ নেই তারা হলো সোমালিল্যান্ডবাসী ( পাইরেট অব সোমালিয়া নয় কিন্তু!!)। ১৯৯১ সালে স্বাধীনতা পেয়েও যারা আজও কোনো একটি দেশেরও স্বীকৃতি পায়নি। আজ তাদের স্বাধীনতা দিবস (১৮ ই মে) উপলক্ষ্যে এই লেখা।
১৯৯১ সালে সোমালিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের পতনের পর সোমালিল্যান্ডের আঞ্চলিক দল নিজেদের অঞ্চলকে স্বাধীন ঘোষণা করে। বর্তমানে তাদের নিজস্ব সরকার ও সংবিধানও রয়েছে। তাদের নিজস্ব সেনাবাহিনী ও পুলিশ ব্যবস্থাও রয়েছে।
কিন্তু রাজনৈতক কারণে পৃথিবীর কোনো দেশই সোমালিল্যান্ডকে এখনো স্বীকৃতি দেয়নি। সোমালিল্যান্ড অনেক শান্ত, হানাহানি বিহীন একটি দেশ। সোমালিয়ার মতো এখানে নেই কোনো জলদস্যু সমস্যা এবং অভ্যন্তরীণ গোলযোগ।
সোমালিল্যান্ডের অধিকাংশ জনগণই মুসলিম। আয়তনে দেশটি বাংলাদেশের কাছাকাছি হলেও জনসংখ্যা মাত্র ৩৫ লক্ষ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আফ্রিকান ইউনিয়ন দেশটিকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে জোরালো আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রও ভাবছে টালমাটাল সোমালিয়ার বিপরীতে, শান্তশিষ্ট সোমালিল্যান্ডের ব্যাপারে কি করা যায়।
তথ্য ও ছবিঃ উইকিপিডিয়া ।
সোমালিল্যান্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ।
বাংলাদেশ থেকে সোমালিল্যান্ড যাবার অনন্য অভিজ্ঞতার গল্প পড়তে পারেন ফয়সাল খানের ব্লগে । (আমি ওনার ব্লগ থেকেই এই লেখার উৎসাহ পেয়েছি। ধন্যবাদ ফয়সাল ভাইয়াকে)
১৮ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯
কে এম তানভীর আহম্মেদ বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।
২|
১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:১১
ডি এস এন হীরা বলেছেন: ভালো লেগেছে লেখাটি। +১
১৮ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০
কে এম তানভীর আহম্মেদ বলেছেন: ধন্যবাদ।
৩|
১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:১৩
নাহিদ বলেছেন: আপনার ভ্রমনটা কাহিনী টা এক নিঃশ্বাসে পড়ে শেষ করলাম। আমারতো পড়তেই ভয় লাগছিল.....কিভাবে যে গেছেন, নিজের চোখে দেখতে পারতাম.......
আমার একজন পরিচিতজন আছে সোয়াজিল্যান্ড এ (মোস্তাক আহমেদ) সরকারী কাজে নিয়োজিত আছেন।
১৮ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২০
কে এম তানভীর আহম্মেদ বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু ভ্রমণ কাহিনীটা তো আমার না। এইটা ফয়সাল খানের লেখা। আমি তার ব্লগটা পড়তে বলেছি, কেননা আমি নিজে ঐ ব্লগটা পড়ে সোমালিল্যান্ড নিয়ে উৎসাহ পেয়েছি।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:০৬
সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন বলেছেন: ধন্যবাদ।