নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি লেখক নই, মাঝে মাঝে নিজের মনের ভাবনাগুলো লিখতে ভাল লাগে। যা মনে আসে তাই লিখি,নিজের ভাললাগার জন্য লিখি। বর্তমানের এই ভাবনাগুলোর সাথে ভবিষ্যতের আমাকে মেলানোর জন্যই এই টুকটাক লেখালেখি।

তারেক_মাহমুদ

পৃথিবীর সব ভাল টিকে থাকুক শেষ দিন পর্যন্ত

তারেক_মাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সময়ের স্রোত

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৮


এক:

ছাত্রজীবনে টিউশনি পাওয়াটা সত্যি সৌভাগ্যের ব্যাপার। টিউশানির সুবিধা অনেক, দৈনন্দিন হাত খরচ চালাতে যেমন বাবার কাছে হাত পাততে হয় না এটা যে কারো জন্য গর্বের ব্যাপার,আবার চাকুরীর প্রস্তুতি হিসাবে টিউশনি খুবই উপকারি।  মুলত সিক্স সেভেন এইট এই ক্লাশেগুলির অংক ইংরেজিই মুলত বিসিএস সহ অন্যান্য প্রতিযোগিতামুলক পরিক্ষায় আসে,তাই অতি সহজেই একটা টিউশনি পেয়ে রাশেদ খুবই আনন্দিত। টিউশনিটার প্রস্তাব এসেছে রাশেদের বাবার কলিগ ইয়াছিন সাহেবের তরফ থেকে।উনার ক্লাশ এইটের মেয়ে বর্ণাকে পড়াতে হবে সাথে তারই বান্ধবী নুপুর ও পড়বে। মূলত বর্ণার আগ্রহেই তার বাবা রাশেদের কাছে এসেছেই এই টিউশনির প্রস্তাব নিয়ে।  সম্মানীও রাশেদের কাছে মুটামুটি আকর্ষনীয়। ক্লাশ এইটের বইয়ের উপর বেশ ভালই দখল তার। তাই রাজী না হওয়ার কোন কারণ নেই। বাজার থেকে কয়েকটা নোট বই কিনে নিজেকে দুদিন ঝালিয়ে নিল রাশেদ।

রাশেদের দুই ছাত্রীর নাম বর্ণা এবং নুপুর। সদ্য বয়ঃসন্ধিতে পা দেওয়া দুটি মেয়ে। বর্ণা বেশ চটপটে, নুপুর একটু গম্ভীর টাইপের। তবে দুটো মেয়েই যথেষ্ট সুন্দরী। বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাস্ট ইয়ারে পড়া ছেলের কাছে ক্লাশ এইটের মেয়েরা নিতান্তই বাচ্চা, তাদের ওদের নিয়ে রাশেদের মনের মধ্যে তেমন কোন ভাবনা নেই।  প্রতিদিন বিকেল ৫টায় তাদের পড়াতে যায় রাশেদ।  মেয়ে দুটি যথেষ্টই মেধাবী তাই রাশেদকে খুব বেশি একটা বেগ পেতে হয় না তাদের পড়াতে। তবে এরা যথেষ্ট দুষ্টু, কারণে অকারণে একে আপরের দিকে তাকিয়ে অহেতুক  হাসাহাসি করে, রাশেদ মাঝেমাঝে বুঝতে পারেনা আসলে তাদের হাসির বিষয় বস্তু কি? রাশেদের ধমকেও তাদের হাসি থামতে চায় না।

রাশেদ ক্লাশ থেকে ফেরার পথে অনেকদিনই খেয়াল করেছে বর্ণা তাদের বাসার খোলা জানালায় চুল খুলে দাঁড়িয়ে আছে। প্রথম দিকে বিষয়টি কাকতালীয়ই ভাবতো, কিন্তু যখন দেখে প্রতিদিনই একই ঘটনা তখন রাশেদের বুঝতে বাকী রইলো মেয়েটা দিন দিন তার প্রতি দূর্বল হয়ে পড়ছে। আসলে এ বয়সের মেয়েদের বৈশিষ্ট্য এমনি,  খুব অল্পতেই প্রেমে পড়ে যায়। তাছাড়া বর্ণার বাবা রাশেদের বাবার কলিগ হওয়ায় রাশেদের বাসায় তার অবাধ যাতায়াত ছিল।

একদিন পড়ার ফাকে বর্ণা বললো
-স্যার আপনি শুধু জিন্স আর টি শার্ট পরবেন, আপনাকে ভাল মানায়,
বলেই বর্ণার নুপুরের একযোগে হাসি।
রাশেদ ধমক দিয়ে ওদের থামায়।

অন্য একদিনের কথা পড়ানো শেষ নুপুর চলে গেছে রাশেদ তখন চা খাচ্ছিল হঠাৎ বর্ণা তার টেবিলের ড্রয়ার থেকে র‍্যাপিং পেপারে মোড়ানো একটা গিফট বের করে বলে
-হ্যাপি বার্থডে টু ইউ স্যার।আমার কাছে খুব বেশি টাকা ছিল না তাই আপনার জন্য শুধুই একটা টি শার্ট কিনেছি।
আসলে রাশেদের নিজেরও মনে ছিল না আজ তার জন্মদিন। কোন একদিন হয়তো কথায় কথায় বলে ফেলেছিল জন্মদিনের কথা। বর্ণা সেটা তার ডাইরিতে লিখে রেখেছিল। রাশেদ বর্ণাকে একটা ধমক লাগায় এবং বলে
-কোন প্রয়োজন ছিল না তোমার জমানো টাকায় আমার জন্য গিফট কেনার।
-স্যার আপনি যদি আমার গিফট গ্রহণ না করেন তবে আমি খুবই কষ্ট পাবো। অনেকটা বাধ্য হয়েই বর্ণার উপহার গ্রহণ করে রাশেদ।

এভাবেই টানা দুই বছর রাশেদ বর্ণা আর নুপুরকে পড়াতে থাকে।বর্ণা আকারে ইঙ্গিতে বোঝানোর চেষ্টা করতে থাকে তার ভালবাসার কথা কিন্তু রাশেদ বিষয়টি মোটেই পাত্তা দেয় না।

একদিন পড়াতে গিয়ে খেয়াল করলো বর্ণার মুখে হাসি নেই  পড়ার ফাকেই হঠাৎ করেই বর্ণা রাশেদের পায়ে হাত দিয়ে সালাম করে,
রাশেদ জিজ্ঞাসা করে
-এটা কি হল? 
স্যার আপনার পায়ের সাথে আমার পা লেগেছে তাই সালাম করলাম।

এর পরেরদিনই রাশেদ জানতে পারলো বর্ণার বাবা বদলী হয়ে গেছে, তাই ওরা অন্য শহরে চলে যাবে। টিউশনিটা থাকবে না, রোজগারের পথ বন্ধ তাই কিছুটা হলেও মর্মাহত হল রাশেদ, কিন্তু কি করা! আসলে বর্ণার প্রতি রাশেদের প্রেম ভালবাসার কোন অনূভুতি কখনই কাজ করেনি তাই রাশেদ খুব বেশি দুঃখিতও নয়। শেষ যেদিন পড়াতে যায় এবং বিদায় নিতে যায় সেদিন বর্ণার চোখ ছিল ছলছল। বর্ণার শেষ কথা ছিল
-আপনাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল স্যার কিন্তু তার কিছুই পূর্ণ হল না ।


দুই:

বর্ণারা চলে গেছে রাশেদ তার পড়াশুনায় মনোনিবেশ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ চার বছরেও প্রেম ভালবাসার আগমন ঘটেনি তার জীবনে। মাঝেমধ্যে তার এজন্য কিছুটা আক্ষেপও হয়,ইস বন্ধুরা কি সুন্দর গার্লফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, গার্লফ্রেন্ডের হাতের রান্না খাচ্ছে আর তার কাছে এসে গল্প করছে মনের মধ্যে কিছুটা হতাশা বিরাজ করে তার মধ্যে।  দু'একজনকে যে তারও ভাললাগেনি তা নয়। আর এই ভালোলাগা একজন মেয়ের নাম মৌলী। একদিন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘুরতে গিয়ে হঠাৎ করেই একটা মেয়েকে দেখে রাশেদের চোখ আটকে যায়। রাশেদের মনে হয় আহা কি সুন্দর মেয়েটা! রাশেদ তার নাম ঠিকানা ডিপার্টমেন্ট সব জোগাড় করে ফেলে। মেয়েটার নাম মৌলী, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলেই থাকে। রাশেদ পুরো একটা রাত জেগে মৌলীর জন্য একখানা আবেগঘন ভালবাসার চিঠি লিখে ফেলে।

পরের দিন বিকেলে রাশেদ প্রচুর সাহস সঞ্চয় করে মৌলীর হলের সামনে যায় এবং তার এক সহপাঠী বান্ধবীর মাধ্যমে মৌলীকে কল দেয়। দীর্ঘ এক ঘন্টা অপেক্ষার পর মৌলীর আগমন,

-ভাইয়া আপনি কি আমাকে কল দিয়েছেন? -জি হ্যা, রাশেদের উওর।
-কেন বলুনতো?
-চলুন কোথাও বসে বলি।
-আচ্ছা চলুন।
রাশেদ বেশ আশাবাদী হয়ে ওঠে তার মনে হচ্ছে কাজ হবে।
রাশেদ মৌলীকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় বসে। হট প্যাটিস আর কোল্ড ড্রিংক অর্ডার দেয়।
মৌলী বেশ মিশুক মেয়ে সেটা রাশেদ অল্প সময়েই বুঝে যায়।
-ভাইয়া আপনি কি বলতে চাইছিলেন যেন?
মৌলীর প্রশ্ন?
যদি প্রেম ভালবাসার কথা বলতে চান তাহলে আমি সত্যি দুঃখিত ভাইয়া।আমার বয়ফ্রেন্ড আছে।
মৌলীর এই কথা শোনার পর রাশেদ একেবারে চুপসে যায়। তার মনে হয় ধরণি তুমি দুভাগ হয়ে যাও আমি ভিতরে ঢুকে যাই। রাত জেগে লেখা চিঠিটা আর কোনদিনই দেওয়া হয়না।

এরপর ক্যাম্পাসে মৌলীর সাথে অনেকবারই দেখা হয়েছে প্রত্যেকবারই তার সাথে ছিল সেই বয়ফ্রেন্ড, কখনো একটু হেসে কুশল বিনিময় করে চলে গেছে, আবার কখনো কিছু না বলেই পাশ দিয়ে হেটে গেছে। অবশ্য রাশেদ আর মৌলীর ব্যাপারে মাথা ঘামাতে চায় না।

তিন:

রাশেদের পড়াশুনা প্রায় শেষ পর্যায়ে, অনার্স পরীক্ষার রেজাল্টও বেশ ভাল হয়েছে।  রাশেদের হাতে বেশ কিছুটা অবসর সময় আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন এডমিশন টেষ্ট চলছে রাশেদের এলাকার কিছু ছোট ভাই তার রুমে থেকে ভর্তি পরিক্ষা দিচ্ছে। ওরা ক্যাম্পাসে নতুন,কিছুই চেনে না, তাই রাশেদ ওদেরকে পরিক্ষার হলে বসিয়ে দিতে ক্যাম্পাসে যায়। ছোটভাইদের পরিক্ষা শুরু হওয়ার আগেই বাইরে বেরিয়ে লাইব্রেরির দিকে পা বাড়ায়। ভাবলো একঘন্টার পরিক্ষা, এত সময় একা একা বাইরে বসে থাকা খুবই বোরিং, তারচেয়ে লাইব্রেরিতে বসে একটু আধটু পড়াশুনা করা ঢের ভাল।

রাশেদ যখন লাইব্রেরিতে ঢুকতে যাবে তখন হঠাৎ করেই খেয়াল করলো একজন বয়স্ক ভদ্রলোক পত্রিকা বিছিয়ে বসে আছেন। লোকটা কেমন যেন চেনা চেনা মনে হল তার কাছে তাই দাঁড়িয়ে গেল রাশেদ। 

ভাল করে খেয়াল করেই বুঝতে পারলো
-আরে ইনিতো ইয়াছিন আংকেল তার সাবেক ছাত্রী বর্ণার বাবা এবং রাশেদের বাবার সাবেক কলিগ।
কাছে গিয়ে সালাম দিয়ে বললো আংকেল আমি রাশেদ, ইয়াছিন আংকেলও রাশেদকে দেখেই চিনতে পারলো।

-আংকেল আপনি এখানে কি মনে করে?
-আমার মেয়ে বর্ণা এডমিশন টেষ্ট দিতে এসেছে আমি ওর সাথে এসেছি, ও পরিক্ষা দিতে হলে ঢুকেছে তাই আমি বাইরে বসে আছি।
বর্ণা নাম শুনতেই রাশেদের অতীতের কথা মনে পড়ে যায়। রাশেদ আংকেল পাশেই বসে পড়ে, আংকেল রাশেদের পড়াশুনোর খোজ নেন তার বাবা মা কেমন আছে সেটাও জিজ্ঞাসা করেন। রাশেদও বর্ণার মা আন্টির খোজ নেয়। আংকেলের সাথে কথা বলতে বলতে বর্ণা পরিক্ষা শেষ হয়। রাশেদ বর্ণাকে দেখে পুরোপুরি অবাক! তিন বছর আগের সেই বর্ণার সাথে এই বর্ণার পার্থক্য আকাশ পাতাল। এখন আর তাকে বাচ্চা মেয়ে মনে হচ্ছে না, এখনকার বর্ণা অনেক সুন্দরী এবং স্মার্ট।

-রাশেদকে দেখে বর্ণাও যে খুবই উচ্ছসিত সেটা রাশেদের বুঝতে বাকী থাকে না।
-ভাইয়া আমার বিশ্বাস ছিল পরিক্ষা দিতে এসে আপনার সাথে দেখা হবেই, দুজনার মোবাইল নাম্বার আদানপ্রদানের কাজটাও এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়। অত:পর বর্ণা ক্যাম্পাস থেকে বিদায় নেয়।

বর্ণাকে দেখার পর থেকেই রাশেদের বুকের ভিতর তোলপাড় চলতে থাকে। অনেকবার ভাবছে ফোন দেবে কিন্তু পরে ভাবে না থাক বর্ণাই আগে ফোন দিক। রাত বারোটা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও যখন বর্ণা ফোন আসে না তখন রাশেদ নিজেই ফোন দেয়।  ফোন পেয়ে বর্ণার প্রথম কথা ছিল
-আমি সেই সন্ধ্যা থেকে অপেক্ষা করছি আপনার ফোনের আর এখন সময় হল আপনার?
রাশেদের কোনকিছু বলার প্রয়োজন হচ্ছে না, বর্ণা তার হাবভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছে সে রাশেদকে কতটা ভালবাসে।
-তুমি কবে থেকে এত সুন্দরী আর স্মার্ট হলে?  রাশেদের প্রশ্ন।

-আমি সবসময়ই স্মার্ট ও সুন্দর সেদিন আপনার চোখ ছিল না তাই দেখতে পাননি,বর্ণার উওর।  এভাবেই মোবাইলে রাতের পর চলতে থাকে ভালবাসা মাখা কথোপকথন।

দুজন দুই শহরে থাকায় তাদের মধ্যে দেখা হয় না শুধুই ফোনে চলতে থাকে তাদের ভালবাসার কথোপকথন।

চার:

রাশেদের পড়াশুনা শেষ সে ঢাকায় এসেছে চাকুরী খুঁজতে। ওদিকে বর্ণা একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছে। ইদানীং বর্ণার ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে রাশেদের ফোন রিসিভ করে কম। একদিন বর্ণা বলেই ফেললো
-একবছর হল পড়াশুনা শেষ করেছো এখনো একটা চাকুরী জোগাড় করতে পারলে না, তোমার সাথে আমি আর নেই আজই তোমার সাথে আমার শেষ কথা,আসলে আবেগ দিয়ে জীবন চলে না।

বর্ণার এমন আচরণে খুবই কষ্ট পায় রাশেদ, আসলেইতো বর্ণা ঠিকই বলেছে আবেগ দিয়ে জীবন চলে না।

ইতিমধ্যেই অনেক সময় পেরিয়ে গেছে। বর্ণা ভেবেছিল রাশেদ সারাজীবনই বেকার থাকবে আসলে তেমনটি ঘটেনি রাশেদ চাকুরী পেয়েছে,বিয়েসাদী করে সংসারী হয়েছে।রাশেদ জানেনা বর্ণা কোথায় আছে? জানতেও চায় না,যে সময়ের স্রোতে হারিয়ে গেছে তাকে হারিয়ে যেতে দিতে হয়।তবে এখনো বর্ণার একটা কথা তার কানে বাজে 'আবেগ দিয়ে জীবন চলে না'।




মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৩৪

শায়মা বলেছেন: গল্পটা যদিও পড়লাম, দুঃখও পেলাম। কিন্তু রাশেদকে চুলে তেল দেওয়া সারাজীবনেও স্মার্ট হতে না পারা চেক চেক হাফ হাতা শার্ট আর পাজামা টাইপ প্যান্ট পরা বোকা বোকা এক নায়ক মনে হচ্ছে!! :P

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৪০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: হা হা হা ভালই বলেছেন আপু, এই গল্পের রাশেদের চরিত্র আপনার বর্ণানার সাথে মুটামুটি মিলে যায়, আসলে মানুষের জীবনে প্রেম বহুবার আসে, সব প্রেমতো আর সফল হয় না। মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।

২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৪১

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: এভাবে গুলি করলেন ?
বুকে অনেক ব্যাথা পেলাম !

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৪৪

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: গুলির করার কিচ্ছু নেই বাস্তব জীবনে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এমনটিই ঘটে।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৪৬

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাই পবিত্র হোসাইন।

৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৪৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: মেয়েটা সত্যিকারের ভালোবাসা হয়নি। হলে এমনটি হতো না। গল্পের নায়ক নিতান্তই সরল চরিত্র। ফলাফল খাঁটি সোনায় অলংকার হয়না..... ;)

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:০০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আমিও আপনার সাথে একমত সেলিম ভাই, মেয়েটা আসলেই ছেলেটাকে ভালবাসেনি, মেয়েটা ছেলেটার জন্য পারফেক্ট ছিল না। পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ সেলিম ভাই।

৪| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৪৮

শায়মা বলেছেন: সেলিমভাইয়া মনে হয় ওমন টাইপ নায়ক ছিলো ..... সব সময় খাঁটি সোনা টাইপ কাব্য লিখে!!!!!!!!! :) :) :) :P


যাইহোক মানুষের জীবনে বহুবার প্রেম আসিলেও প্রকৃত প্রেম একবাই আসে!!!!!!!!! ( গুরু বলেছিলো আমিও বলছি :) )

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: হুম বহু প্রেমের মধ্যে প্রকৃত প্রেম একবারই আসে, এটা প্রকৃত প্রেমের গল্প নয় ব্যর্থ প্রেমের গল্প।। পুনরায় মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু।

৫| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৫৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হায়রে আবেগ আর বাস্তবতা !
ভালো লাগলো আপনার গল্প।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩২

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: প্রেমের শুরুটা এমন আবেগ দিয়েই শুরু হয় আর বাস্তবতার কাছে শেষ পরাজিতদের সংখ্যাও কিন্তু কম নয়। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ মনিরা আপু।

৬| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:১০

নজসু বলেছেন:



গৃহশিক্ষকের সাথে ছাত্রীর প্রেম বর্তমানে হরহামেশা শোনা যায়।
টিভি নাটকেও এটা লক্ষ্যনীয়।
তবে সেসবের সব পরিণতি রাশেদের মতো হয়না।

বাস্তবতা আলাদা। গল্প গল্পই।
আপনার গল্পে প্রচুর দরদ আছে।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৭

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: এখন মোবাইল যুগে প্রেমের উৎস অনেক সহজ কিন্তু একসময় সহপাঠী, কিংবা গৃহ শিক্ষকের সাথেই প্রেমটা বেশি হতো, আর বাস্তব জীবনের প্রেমের পরিনতি এমনই বেশি হয়
আপনি ঠিকই বলেছেন গল্প গল্পই।

অনেক ধন্যবাদ সুজন ভাই।

৭| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ভাল হয়েছে গল্পটা।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ প্রিয় মাইদুল ভাই।

৮| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: রাশেদ কি আপনি? আবেগী মানূষদের কষ্ট বেশি পেতে হয়।
আমি জন্মের পর থেকে আজও চুলে তেল দেই।
মানুষের জীবনে প্রেম- বার বার আসে।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৪২

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: রাশেদ আমি নই তবে সমাজে রাশেদের সংখ্যা কম নয়
আপনি চুলে তেল দেন তার মানে শায়মা আপুর বর্ণনার রাশেদের সাথে আপনার বেশ মিল, হা হা হা।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ রাজীব ভাই।

৯| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:২১

মাহের ইসলাম বলেছেন: প্রতিটি চরিত্র জীবন্ত মনে হয়েছে।
ভালো লিখেছেন।

শুভ কামনা রইল।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৩

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আপনার কাছে চরিত্রগুলো জীবন্ত লেগেছে জেনে ভাল লাগলো, অনেক ধন্যবাদ মাহের ভাই।

১০| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৮

মানুষ বলেছেন: আফসোস এই ভালবাসার মাঠে একটা গরুও ছিল। তাকে কেউ খেয়াল করল না। :(

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৫

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আমিও খেয়াল করিনি একটু বুঝিয়ে বলবেন?

১১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৬

সুমন কর বলেছেন: সাদামাটা লাগল।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৫৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: এটা আসলে গল্প হয়েছে কিনা সে ব্যাপারে আমি নিজেই কনফিউজড, তাই সাদামাটা লাগাটাই স্বাভাবিক। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সুমন ভাই।

১২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৫৭

হাবিব স্যার বলেছেন: এমন ঘটনা অহরহ ঘটে.......

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:০০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ঠিকই বলেছেন, অনেক ধন্যবাদ হাবিব স্যার।

১৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:০৪

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: তারেক ভাই,

"আবেগ দিয়ে জীবন চলে না!"
এমন কথাটা অনেক পরিচিত।

অনেক সুন্দরভাবে গল্পটি সাজিয়েছেন তারেক ভাই। গল্পের প্রথমদিকে মনে হয়েছে এই বুঝি রাশেদের সাথে বর্ণার মিলন ঘটছে। অতপর একরাশ কষ্ট!
আবার মৌলী, আবারো যন্ত্রনা শেষ পর্যন্ত বর্ণার সাথে পুনর্মিলন তাও শেষ পর্যন্ত ঘটলো না!
অবশেষে রাশেদের প্রাপ্তি আর সংসারের মাধ্যমে গল্পের সমাপ্তি। আসলে অসাধারণ এক গল্প রচনা করলেন।

অনেক অনেল নির্মল ভালবাসা আপনার জন্য
মন্তব্যটি লাঞ্চের সময় লেখে প্রকাশ করতে গিয়েও পারিনি!

দেরিতে আসিনি কিন্তু! সবার আগেই আমি পড়েছি মনে হয়!

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:০৫

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: বাহ দারুণ বিশ্লেষণ তাজুল তাই, ইচ্ছে করলেই বর্ণার সাথে রাশেদের মিলন ঘটিয়ে অত:পর তাহারা সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিলো লেখা যেতো, তবে আমার কাছে মনে হয়েছে সময় মাঝখানের অনেকটা গ্যাপ সময় বর্ণার ভালবাসাকে ফিকে করে দিয়েছে।

সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ তাজুল ভাই।

১৪| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১:৪৪

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: গল্প ভালো লাগল। তবে এমনটা ইন্ডিংয়ে চাইনি। লেখকের মর্জি।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:১০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ওদের মিলন হলেই আসলে সমাপ্তিটা ভাল হতো, আসলে রাশেদকে এখানে সাদামাটা টাইপের ছেলে হিসাবে দেখানো হয়েছে এমন ছেলেদের মেয়েরা খুব বেশিদিন ভালবাসে না, তবে বিয়ে হয়ে গেলে আলাদা ব্যাপার।

পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সুজন ভাই, আশকরি ভাল আছেন? দেশে আসছেন কবে?

১৫| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:০৩

ইসিয়াক বলেছেন: ভালো লাগল

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৪৬

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ইসিয়াক ভাই।

১৬| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় তারেকভাই,

গল্প বেশ ভালো হয়েছে। বেশ এঞ্জয় করলাম বয়সন্ধির প্রেম কথন। তবে দুটি বিষয় একটি চোখে পড়ল। ১- রাশেদ যখন অনার্স ফার্স্ট ইয়ার, বন্যা তখন এইট। পরে রাশেদ যখন চারবছরের অনার্স কমপ্লিট করল ,বন্যা তখন ফাসটিয়ারের প্রবেশিকা পরীক্ষার্থী। অর্থাৎ অংকের হিসেবে রাশেদের চার বছর হলেও বন্যার ক্ষেত্রে 5 বছর হচ্ছে নয়কি ?
২-রাশেদ মৌলীর কাছ থেকে পরিত্যক্ত হয়ে বা প্রবেশিকা পরীক্ষার দিন হঠাৎ সাক্ষাৎ পেয়ে একে অপরের ( রাশেদ ও বন্যা ) যে বাঁধনহীন আবেগ দেখালেন সেখানে এক বছরের মধ্যে রাশেদের চাকরি না পাওয়ার জন্য বন্যার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়াটা বড্ড তাড়াহুড়ো হয়ে গেল। গল্পের যে রিদিম আপনি এক দুই এ দেখালেন ; তিনে এসে যেন ছন্দপতন ঘটলো। পরবর্তীকালে লেখককে আরও একটু ধৈর্যশীল হতে অনুরোধ করবো।
পরীক্ষা ও লাইব্রেরী বানানে একটু টাইপো আছে ; পারলে একটু ঠিক করে নিন।

মোটের উপর পোস্টে লাইক ।

অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা প্রিয় তারেকভাইকে।






১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:০৫

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সুপ্রিয় পদাতিক ভাইয়া, চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, প্রথম কথা হচ্ছে অংকের হিসাবে গড়মিল, এটা আমাদের দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে মেলানো খুব সহজ, এখানে সেশনজটের পরিমান এতই বেশি যে ৪ বছরের অনার্স কখনো কখনো ৬ বছরও লেগে যায়।

তাড়াহুড়োর কারণ এখানে বর্ণার তাড়াহুড়ো করার ভিন্ন কারণ থাকতে পারে, ছেলেবেলার যে বর্ণা রাশেদকে ভালবাসতো এই বর্ণ হয়তো চলার পথে বেটার কোন অপশন পেয়েছে।

বানান ভুল বানান ভুল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

পরিশেষে অনেক ভালবাসা সুপ্রিয় পদাতিক ভাইয়া।

১৭| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: দুঃখিত তারেকভাই একটু টাইপো হয়ে গেল। ছন্দপতনটি তিনে নয় ; চারে বলতে চেয়েছি।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:০৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

১৮| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:২৯

নীলপরি বলেছেন: ভালো লিখেছেন ।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:০৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নীলপরি আপু।

১৯| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:২২

মেহেদী হাসান হাসিব বলেছেন: আপনার লেখার হাত ভাল।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:২৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ হাসিব ভাই, পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

২০| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:২৪

মেহেদী হাসান হাসিব বলেছেন: শ্রদ্ধেয় তারেক ভাই সময় পেলে আমার নতুন লেখাটি–ধোঁয়া (ছোট গল্প) পড়ে আসবেন। ভালবাসা জানালাম।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: নিশ্চয়ই পড়বো হাসিব ভাই।

২১| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:১৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: তারেক_মাহমুদ,




মোটামুটি লেগেছে।
বাস্তবের কাছাকাছি সব ছবি নিয়ে গল্পটি আরো আবেগময় ও কষ্টাক্রান্ত হতে পারতো।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৩

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আহমেদ জি এস ভাইয়া, আমি মানছি শেষের দিকে একটু তাড়াহুড়ো হয়ে গেছে, আশাকরি ভবিষ্যতে আরও ভাল গল্প উপহার দিতে পারবো। পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

২২| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৫

SoAm Crafts বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.