নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি লেখক নই, মাঝে মাঝে নিজের মনের ভাবনাগুলো লিখতে ভাল লাগে। যা মনে আসে তাই লিখি,নিজের ভাললাগার জন্য লিখি। বর্তমানের এই ভাবনাগুলোর সাথে ভবিষ্যতের আমাকে মেলানোর জন্যই এই টুকটাক লেখালেখি।

তারেক_মাহমুদ

পৃথিবীর সব ভাল টিকে থাকুক শেষ দিন পর্যন্ত

তারেক_মাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

কাজিন

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:০৩

বিশ্ববিদ্যালয়ের জারুল তলায় গোল হয়ে বসে গ্রুপ স্টাডিতে ব্যস্ত একদল ছাত্র, এই গ্রুপের মধ্যমনি রাশেদ। গ্রুপের সবাই যখন গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনায় ব্যস্ত ঠিক তখনই ওদের পাশেই একটা দামী গাড়ি এসে থামলো। গাড়ি থেকে বেরিয়ে এল ডিপার্টমেন্টের ডাকসাইটে সুন্দরী লীনা। দূর থেকে রাশেদ ভাইয়া, রাশেদ ভাইয়া বলে জোরে জোরে ডাকতে লাগলো।
রাশেদ গাড়ির দিকে এগিয়ে গেল
-ভাইয়া তুমি কি খুবই ব্যস্ত? লীনা জিজ্ঞাসা করলো
-না তেমন কিছু না বন্ধুরা মিলে একটু গ্রুপ স্টাডি করছিলাম।
-এখন কি তোমার কোন ক্লাস আছে?
- না, রাশেদের জবাব।
-তবে আমার সাথে গাড়িতে ওঠো।
বন্ধুদের বিদায় জানিয়ে লীনার সাথে গাড়িতে উঠে পড়ে রাশেদ।

রাশেদের বাবা মারা যাওয়ার পর তার মা তাকে অনেক কষ্ট করে মানুষ করেছে।ছেলেবেলা থেকেই রাশেদ ভাল ছাত্র, বাবার রেখে যাওয়া অল্পকিছু জমি ইতিমধ্যেই তার মা বিক্রি করে দিয়েছেন, এত বছর ধরে সেই টাকা দিয়েই চলছিল রাশেদের পড়াশোনা, কিন্তু সেই টাকাও এখন শেষ হয়ে এসেছে। তাই পড়াশোনা শেষ করে দ্রুত একটা জব পাওয়া রাশেদের জন্য খুবই জরুরি। আপাতত দুটো টিউশনিই তার একমাত্র ভরসা।

লীনা রাশেদের দুঃসম্পর্কের চাচাতো বোন। লীনার বাবা ঢাকা শহরের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি রাশেদকে যথেষ্ট স্নেহ করেন, তাই ওদের বাড়িতে অবাধ যাতায়াত রাশেদের। আসলে লীনা আর রাশেদ একই ভার্সিটিতে একই ডিপার্টমেন্টে পড়ে, রাশেদ চতুর্থ বর্ষে আর লীনা প্রথম বর্ষে। রাশেদ খুবই ভাল স্টুডেন্ট, তাই ভর্তির পর প্রথম দিনই লীনা বলে দিয়েছে
-ভাইয়া তোমার ভরসাই এই ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হলাম, তুমি হেল্প না করলে আমি কিছুতেই পড়াশোনা করতে পারবো না।
রাশেদ সেদিন লীনাকে অভয় দিয়েছিল,
-আমি থাকতে তোমার কোন চিন্তা নেই।
তারপর থেকে বন্ধুদের ছেড়ে অনেক বেশি সময় দিতে হচ্ছে লীনাকে। পড়াশোনার বাইরেও লীনা মাঝে মধ্যে রাশেদকে নিয়ে কফি সপে একান্ত সময় কাটায়। রাশেদের যতগুলো টি-শার্ট জিন্স প্যান্ট আছে তার সবই লীনার দেওয়া। আসলে অভাবের সংসারে নিত্যনতুন জামা কাপড় কেনার মত অবস্থা তার নেই।

লীনা ক্যাম্পাসে ভর্তি হওয়ার পর থেকে রাশেদের ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে, একসময় যেসব বন্ধুরা তাকে মনে মনে গ্রাম্য ক্ষ্যাত বলতো তারাই এখন রাশেদকে দেখে অবাক হয়ে তাকায়।একদিকে পড়াশোনায় যেমন ভাল আবার চালচলনেও এই মুহুর্তে দারুণ স্মার্ট রাশেদ। বন্ধুরা কেউ কেউ বলে তোরই তো ভাগ্য রাজ্য রাজকন্যা একসাথে পাবি। বন্ধুদেরকে হালকা ধমক দিয়ে থামিয়ে দেয়, আসলে দুটো পরিবারের ব্যবধান বিস্তর তাই ওসব বিষয় কখনোই মনে আনে না।

রাশেদ যতই চায় লীনাকে নিয়ে ভাববে না কিন্তু ক্লাশের সময়টুকু বাদে তার প্রতিমুহূর্তের সঙ্গী ধনীর দুলালী লীনা। এমন সুন্দর মেয়ে যার হাসিতে মুক্ত ঝরে, আর প্রতিটি মুহুর্তে যে রাশেদের খেয়াল রাখে তাকে অবহেলা করা আসলে কোন ছেলের পক্ষেই সম্ভব নয়।
কোন এক বিকেলে প্রাকটিকাল ক্লাস শেষে রাশেদ বাইরে বেরিয়ে দেখে ঝুম বৃষ্টি, লীনাও দাঁড়িয়ে ডিপার্টমেন্টের বারান্দায়। রাশেদকে দেখেই উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে লীনা
-চল ভাইয়া বৃষ্টিতে ভিজি।
-আরে না এই অবেলায় বৃষ্টিতে ভিজলে নির্ঘাত ঠান্ডা লেগে যাবে, বলে রাশেদ।
কিন্তু কে শোনে কার কথা লীনা নেমে পড়ে বৃষ্টিতে ভিজতে, রাশেদকেও আহবান করতে থাকে। এই আহবানে সাড়া না দিয়ে উপায় নেই, রাশেদও নেমে পড়ে। সেদিনের বৃষ্টিভেজা বিকেলটা আর দশটা বিকেল থেকে রাশেদের কাছে সম্পূর্ণ আলাদা মনে হয়।লীনার সেই দিনের বৃষ্টি ভেজার উচ্ছ্বাস রাশেদের বড্ড ভাললাগে।

পরের দিন ডিপার্টমেন্টে লীনার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে রাশেদ কিন্তু তার পাত্তা নেই ।বুকের ভিতর অদ্ভুত এক শূন্যতা অনুভব করে সে, লীনাদের ইয়ারের একজন মেয়ের কাছ থেকে জানতে পারে সেদিন লীনা ক্লাশে আসেনি। আসলে রাশেদ কখনোই লীনাকে ফোন দিতো না, লীনাই প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে তাকে ফোন দিতো,আজ ভাবলো ওর একটু খোঁজ নেওয়া দরকার।
রাশেদের ফোন লীনার মা আন্টি রিসিভ করলো
-ও রাশেদ, লীনারতো খুব জ্বর।
রাশেদ ভাবলো লীনাকেতো দেখতে যাওয়া উচিত তার, কিন্তু কি নিয়ে যাবে লীনার জন্য? তার হাততো একেবারেই খালি। অনেক ভাবনা চিন্তা করে দুটো লাল টকটকে গোলাপ নিয়ে লীনাকে দেখতে যায়।
লীনাদের বাসার কলিং বেল বাজাতেই লীনার মা দরজা খুলে দেন,
-ও রাশেদ তুমি এসেছো? যাও লীনা তোমার জন্যই অপেক্ষা করছে,ও ভাল কথা আমি রান্না করতে গেলাম তুমি না খেয়ে যাবে না কিন্তু।

-ও ভাইয়া তুমি এসেছো? লীনা বলে

রাশেদের দেওয়া দুটো লাল গোলাপ পেয়ে লীনা বেশ উচ্ছ্বসিত। বিছানা থেকে উঠে বসে লীনা, রাজ্যের গল্প হয় দুজনের মধ্যে।
খাবার টেবিলে লীনার বাবা জামান আংকেল রাশেদের কাছ থেকে গ্রামের পরিচিতজনদের খোঁজ খবর নিতে থাকেন,এবং বলেন
-তুমিতো ইদানীং আসোই না মাঝে মাঝে আমাদের বাসায় আসবে জমিয়ে গল্প করা যাবে।
-জি আসবো আংকেল।

এতদিন রাশেদ লীনাকে শুধুমাত্র চাচাতো বোনই ভাবতো কিন্তু লীনার অতিরিক্ত কেয়ার,বৃষ্টিতে ভেজা, কফি সপে কটানো একান্ত সময়গুলো যেন ভিন্ন কিছুই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

লীনাদের বাসায় যাওয়ার জন্য রাশেদের কোন অজুহাত খোজার প্রয়োজন হয় না, কিন্তু তবুও সেদিন হাতে লীনার জন্য কয়েকটা হ্যান্ডনোট নিয়ে বাসার কলিংবেলের সুইচে টিপ দেয় । বাসার কাজের বুয়া দরজা খুলে দিল। ভিতরে ঢুকে দেখে এলাহি কান্ড, পুরুষ মহিলা বাচ্চাসহ আট দশজন মানুষ। বাসায় কোন একটা অনুষ্ঠান চলছে সেটা বুঝতে বাকী রইলো না, এরমধ্যে লীনার বাবা জামান আংকেলের চোখ পড়লো রাশেদের উপর।
-ও রাশেদ, তুমি এসে ভালোই করেছে, আজ লীনার এনগেজমেন্ট, ছেলে ইঞ্জিনিয়ার দেশের বাইরে থাকে, এত ঝামেলা একা কিভাবে সামলাই বল, তুমি আসাতে একটু ভরসা পেলাম।

কথাগুলো রাশেদের বুকের ভিতর তীরের ফলার মত বিধে গেল,মনে হয় ধরণী তুমি দ্বিধা হও আমি তোমার চরণে আশ্রয় নেই । নিজেকে সামলে নিয়ে অতিথি আপ্যায়নে মনোযোগ দিল রাশেদ, হাজার হোক লীনাতো তার কাজিন।

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



অকাল বৃষ্টিতে আমের মুকুল ঝরে গেলো

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৪৩

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: হা হা হা, অনেকটা সেরকমই, অনেক ধন্যবাদ চাঁদগাজী ভাই।

২| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৩৭

মুক্তা নীল বলেছেন: তারেক ভাই,
শুভ সকাল। বৃষ্টির দিনে এমন গল্প.....
গল্পটা পড়তে পড়তে ভালো লাগছিলো, কিন্তু হঠাৎই ধাক্কা খেলাম শেষে এসে। একতরফা ভালোবাসা থাকলে কি এমনই হয়?
ভালো লাগা রইলো।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৪৭

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: বাহ চমৎকার মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ মুক্তা নীল আপু, আজও বৃষ্টি হচ্ছে নাকি?

৩| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:২১

আনু মোল্লাহ বলেছেন: রাশেদের জন্য সমবেদনা রইল।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৬

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আনু ভাই।

৪| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০৫

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: এই গল্পগুলোর এই একইরকম ফিনিশিং কেন হয় ভাই?
মনে মনে মধ্যবিত্ত বাঙালি এই ফ্যান্টাসিগুলো নিয়ে বাঁচে, কিন্তু কদিন পরেই বুঝতে পারে, ফ্যান্টাসিটা প্র্যাকটিকাল হয়নি

লেখা ভালো লাগলো

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:১৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সব গল্পের ফিনিশিং এমন হবে তা নয়, এর ব্যতিক্রমও অনেকসময় ঘটে। অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রান্ত।

৫| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:০৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্রত্যেকেরই তার নিজ নিজ অবস্থান সম্পর্কে সচেতন থাকলে মানসিক ধাক্কাটা কম লাগে। বাস্তবতা বোঝাটা খুবই জরুরী। ধনী-গরীবের পার্থক্য সবসময়েই যে কোনও সম্পর্কে একটা বড় বাধা।

তবে, অপু তানভীরের মতো একটা সমাধান দিলেও পারতেন। আমাদের জুন আপা আবার এ'ধরনের ফিনিশিং পছন্দ করে না! :P

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৩৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: নাটক সিনেমায় এ ধরনের গল্পে নায়ক নায়িকাকে শত বাধা বিপত্তির পর মিলিয়ে দেওয়া হয়, বাস্তবেও নায়কনায়িকার মিল হওয়া অসম্ভব নয় কারণ রাশেদ যথেষ্ট মেধাবী, তবে তারচেয়ে বেটার অপসন যদি পাওয়া যায় তবে বাবা কেন গরীর রাশেদের সাথে মেয়ের বিয়ে দেবে? সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ মফিজ ভাই।

৬| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: গ্রুপ স্টাডির নামে পুলাপান আড্ডা দেয়। এটা আমার ভালো লাগে না।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৪১

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আচ্ছা রাজীব ভাই আপনার বাসা মগবাজার ফ্লাইওভারের আশেপাশে, প্রতিদিন ঐ রাস্তাদিয়ে যাওয়ার সময় ফেসবুকের নেয়ারবাই ফ্রেন্ড হিসাবে আপনাকে দেখায়।

৭| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:২১

জুন বলেছেন: হ ভুয়া মফিজ ঠিকই বলছে ;)
তারেক এটাতো সবসময় ঘটে, বড়লোকের মেয়ে সে কাজিনই হোক আর যাই হোক গরীব ছেলেদের পাত্র হিসেবে পছন্দ করে না। জিজ্ঞেস করলে বলবে "আব্বা আম্মা কিছুতেই মেনে নিচ্ছে না, তুমি আমাকে ভুলে যাও রাশেদ " ;)
আপনি এই মেয়েকেই রাশেদের সাথে মিলিয়ে দিতে পারতেন। ব্যতিক্রম হতো। প্রাইমারিতে পড়ার সময় আমাদের সাথে ভর্তি হলো এক সরকারি কর্মকর্তার মেয়ে। আমাদের থেকে বেশ বড় ছিল কিন্ত গাইভেই ভর্তি হলো। তারপর স্কুলের সবচেয়ে হত-দরিদ্র টিচারের সাথে প্রেম করে বিয়ে করে বসলো। সেই মফস্বল এলাকায় তাই নিয়ে কি হুলস্থুল। যাক আর কিছু কমুনা, আমি নিজেই এইটা নিয়া একখান গল্প লেখমু B-)
+

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৪৬

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: জুনাপি, মেয়ে সুন্দরী এবং নামকরা ভার্সিটির ছাত্রী, মেয়ে যদি কিছুটা দূর্বল হতো পড়াশোনা বা চেহারা কোনটার কমতি থাকতো তবে রাশেদের সাথে বিয়ে হওয়ার সম্ভাবনা থাকতো। আমরা সবাই আপনার গল্পের প্রত্যাশায় রইলাম। আচ্ছা ভুয়া মফিজ ভাই কিভাবে আগেই যেনে গেল এ ধরনের ফিনিশিং আপনার পছন্দ নয়?

৮| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৪৮

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: আমরা তো জাস্ট ফ্রেন্ড !!!!!

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৪৭

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: এটা ভাবা ছাড়া আর উপায় কি?

৯| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৫৭

করুণাধারা বলেছেন: গল্পের শেষে টুইস্ট দিয়ে সমাপ্তি টেনেছেন, ভালোই হয়েছে! তবে এটাই বাস্তবতা, অন্য রকম হলে সেটা ঠিক মনে হতো না.....

৭ নং মন্তব্য পড়ে জুনের গল্পের অন্যরকম গল্পের জন্য অধীর অপেক্ষায় রইলাম।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৪৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু, আমি আপনার মত জুনাপির গল্পের প্রতিক্ষায় রয়েছি।

১০| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:১৮

মুক্তা নীল বলেছেন: তারেক ভাই,
আজ এখনও বৃষ্টি হয় নাই। তবে হবে । আমি লিখবো, বৃষ্টি দিনের আর লিখেছি বৃষ্টির দিনের ।
আর গতকালই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে তো, সেই রেশ এখনো রয়ে গেছে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৫০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: হুম এখন প্রতিদিনই যখন বৃষ্টি হচ্ছে তখন বৃষ্টির প্রত্যাশা করাটাই স্বাভাবিক। পুনারায় ধন্যবাদ আপু।

১১| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় তারেক ভাই ভালোই লিখেছেন। ইঞ্জিনিয়ার পাত্র ধরে লীনা তাহলে আপাতত বিদেশে পাড়ি দিচ্ছে। রাশেদ আপাতত এদেশে, তবে উচ্চশিক্ষা নিয়ে বিদেশে গিয়ে রাশেদ লীনাকে দেখতেই পারে। আগামীতে গল্পটি এগিয়ে নিয়ে গেলে একটু ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হতে পারে।
পাশাপাশি জুনাপুর গল্পের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।

শুভকামনা জানবেন।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৫২

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: দেখি রাশেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও কিছু লেখা যায় কিনা। সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ পদাতিক ভাই।

১২| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৩

অজ্ঞ বালক বলেছেন: বামন যদি নিজে বুঝবার পারতো যে সে চাইলেই চান্দের দিকে হাত বাড়াইতে পারে না তাইলে আর হাত পুড়লে কান্দনের টেনশনও থাকে না। যাই হোক, বিয়াতে পেট ভইরা খাইসিল তো? মানে গোলাপের দামটা অন্তত যাতে পুষাইয়া যায়। বেচারা গরীব! তা না হইলে না-ইনসাফি হয়!

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৫৪

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ছেলে যেহেতু মেধাবী লীনার মত ধনীর দুলালীর সাথে বিয়ে হওয়া বিচিত্র নয়, এমন অনেক ঘটনা আমি বাস্তবেই দেখেছি। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১৩| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১১

অন্তরা রহমান বলেছেন: যাক বাবা। কপাল ভালো আমার জামাইয়ের পরিবার অত বড়লোক ছিল না। কাজিন হলেও সব ব্যাটে বলে মিলে গিয়েছে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৫৬

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আরে বাহ আপনার জীবনের গল্পটাও মনে হচ্ছে অনেক সুন্দর হবে, লিখুন না আপু। সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৪| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১০

বলেছেন: ভালো লাগলো

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৫৬

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ সুপ্রিয় লতিফ ভাই।

১৫| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

হাবিব স্যার বলেছেন: মুক্তা ঝরানো হাসিয়েই তো খাইলো জগতটা!

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৫৭

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: হা হা হা তাই নাকি হাবিব ভাই?

১৬| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৩০

আহমেদ জী এস বলেছেন: তারেক_মাহমুদ ,




শুরুটা হয়েছে সাউথ ইন্ডিয়ান সিনেমা ষ্টাইলে। শেষটাকে কোন ষ্টাইলে ফেলা যাবে ? বাংলা ষ্টাইল হলে মিলন হতো। কিন্তু কোনও ষ্টাইলেই তো ফেলেননি। :(
দেখা যাক সহ ব্লগার মোহতারেমা জুন কোন ষ্টাইলে লেখেন!

তবে পুরো গল্পটা চাঁদগাজী যেমন বলেছেন: অকাল বৃষ্টিতে আমের মুকুল ঝরে গেলো.... তেমনই ব্যথাতুর!

নাইস রাইটিং...................

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:০০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আপনার মন্তব্য পেলে মন ভাল হয়ে যায়, আরে শেষের নাইস রাইটিং কথাটি প্রেরণাদায়ক। বইমেলায় যেভাবে দেখা হয়েছিল আশাকরি কোন একদিন আবারো দেখা হবে।

১৭| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:০৮

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: শেষ লাইনে :D

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:০১

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: হুম অনেক সময় অনেক কষ্ট বুকে জমা রেখে অভিনয় করে যেতে হয় এটাই পৃথিবীর নিয়ম।

১৮| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:০৫

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ রাত্রী,
লাইনটা হবেঃ ধরনী তুমি দ্বিধা হও, আমি তোমার চরণে আশ্রয় নেই।
লেখা আমার কাছে ভালো লেগেছে।
কেউ প্রেমে ইচ্ছে করে পড়ে না। প্রেমে পড়া অনেকটাই কালবৈশাখী ঝড়ের মতো জীবনে আসে। কারো জীবনে তছনছ করে দিয়ে যায় আর কারো জীবনে প্রণয়ের স্বর্গীয় সুধার বৃষ্টি নামিয়ে দেয়।
জীবনে ভালবাসা কেন বা আসে,আর আসলেও কেনই বা চলে যায়? যদি চলে যায়,পরে কি আবার তাকে ফিরে পাওয়া যায়? হয়তো বা যায়। আবার নাও পাওয়া যেতে পারে। যদিও বা পাওয়া যায়,তাকে কি নিজের করে নেওয়া যায়? সবাই পারে না, কেউ কেউ পারে।
চমৎকার গল্প লেখার জন্য আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ। আপনার লেখার হাত ভাল এটা আমি আগেই বলেছিলাম।
শুভ কামনা রইল!!

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:০৫

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: প্রিয় নীল আকাশ ভাই, আপনার মত গুণি লেখকের কাছ থেকে এমন সুন্দর মন্তব্য আমার জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। লাইনটা ঠিক করে দিচ্ছি। আপনি ঠিকই বলেছেন প্রেম হুট করেই চলে আসে। অনেক ধন্যবাদ পাশে থাকার জন্য।

১৯| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৪৭

সুমন কর বলেছেন: কমন প্লট। মিষ্টি সব কথা-বার্তা।। শেষটা অনুমান করাই যায়....... ;)
+।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:০৭

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: প্রেম বিরহ এগুলো নিয়ে লেখকেরা যুগ যুগ ধরে লিখে আসছেন আমি আমার মত করে উপস্থাপন করলাম। মন্তব্য ও প্লাসের জন্য ধন্যবাদ সুমন ভাই।

২০| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:১৫

আরোগ্য বলেছেন: গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:০৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ভালবাসাতো এমনই ধনী গরিব বিবেচনা করে আসে না।

২১| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:১২

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: আচ্ছা রাজীব ভাই আপনার বাসা মগবাজার ফ্লাইওভারের আশেপাশে, প্রতিদিন ঐ রাস্তাদিয়ে যাওয়ার সময় ফেসবুকের নেয়ারবাই ফ্রেন্ড হিসাবে আপনাকে দেখায়।


জ্বী আশে পাশেই।
আসুন আমার বাসায়। খুব খুশি হবো।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:২৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ইনভাইটেশনের জন্য ধন্যবাদ, ইনশাআল্লাহ দেখা হবে কোনএকদিন। অনেক শুভেচ্ছা ও ভালবাসা সুপ্রিয় রাজীব ভাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.