নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি লেখক নই, মাঝে মাঝে নিজের মনের ভাবনাগুলো লিখতে ভাল লাগে। যা মনে আসে তাই লিখি,নিজের ভাললাগার জন্য লিখি। বর্তমানের এই ভাবনাগুলোর সাথে ভবিষ্যতের আমাকে মেলানোর জন্যই এই টুকটাক লেখালেখি।

তারেক_মাহমুদ

পৃথিবীর সব ভাল টিকে থাকুক শেষ দিন পর্যন্ত

তারেক_মাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

নব্বইয়ের দশকের বিটিভি

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:২২





বিটিভির নাম শুনলেই এখনকার ছেলেমেয়েরা নাক সিটকায়। এখন বিটিভি মানেই সরকারের গুণগান বিটিভি মানেই বাতাবীলেবুর বাম্পার ফলনের খবর ও নিন্মমানের অনুষ্ঠান। অথচ আমাদের ছেলেবেলায় এই বিটিভিই ছিল আমাদের সকল আনন্দের উৎস। বিটিভির সংবাদ মানেই সরকারের গুণকীর্তন, এই কথাটি সবসময়ের জন্যই প্রযোজ্য। সূর্য পূর্বদিকে উঠে এবং পশ্চিম দিকে অস্ত যায় যেমন সত্য বিটিভি সরকারের গুনকীর্তন করবে এটাও আজীবন স্বীকৃত।

বিটিভির সংবাদের ধরণ সবসময় একই রকম, তবে সে সময় আসমা আহমেদ মাসুদ, সিরাজুল মজিদ মামুন,রামেন্দু মজুমদার সংবাদ পাঠক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলেন। তবে নব্বইয়ের দশকে বিটিভির নাটকগুলো ছিল অসাধারণ। সপ্তাহে একটা ধারাবাহিক একটা সাপ্তাহিক নাটক প্রচার হতো,যা পরিবারের সবাই মিলে একসাথে বসে দেখা হতো।সপ্তাহে দুইটি কার্টুন ছবি ,মাসে একবার ইত্যাদি,প্রতি মাসে একটা বাংলা সিনেমা এইছিল বিটিভির অনুষ্ঠান। ম্যাকগাইভার নামের সিরিয়ালটি ছিল ব্যাপক জনপ্রিয়, যা দেখে আমরা সবাই ম্যাকগাইভার হতে চাইতাম,পরবর্তীতে দ্যা ফল গাই,এ টিম নামের বিদেশি সিরিজ গুলি দারুণ জনপ্রিয় ছিল। ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি ও বাংলা সিনেমা দেখার জন্য সারামাস আমরা তীর্থের কাকের মত বসে থাকতাম। সবমিলিয়ে সারা সপ্তাহ ৪থেকে ৫ ঘন্টা টিভি দেখতাম, এতেই আমাদের ইলেকট্রনিক বিনোদনের চাহিদা পূরণ হয়ে যেতো। এখনকার ছেলেমেয়েদের মত সারাদিন টিভি কিংবা ইউটিউব ভিডিও দেখার দরকার ছিল না। বিজ্ঞাপনের অত্যাচার এখনো যেমন আছে তখন আরও একটু বেশিই ছিল। বাকী সময়গুলোতে পড়াশুনার পাশাপাশি বন্ধুদের সাথে ফুটবল,ক্রিকেট, দাড়িয়াবান্ধা ছাড়াও নানারকম খেলায় মত্ত থাকতাম।

বিটিভি ধারাবাহিক নাটকগুলি আমার মত অনেকেরই মনে এখনো দাগ কেটে আছে। হুমায়ুন আহম্মেদের সেই অয়োময় নাটকের মির্জা সাহেব, হানিফ,মির্জাসাহের পাখাল(পাখির রাখাল) যে চরিত্রগুলি ছিল আমাদের বন্ধুদের সাথে আলোচনার বিষয়। এছাড়া কোন কাননের ফুল,কোথাও কেউ নেই, রূপনগর,বহুব্রীহি, সংশপ্তক নাটকগুলো কথা এখনো মানুষ ভুলে যায়নি। কোথাও কেউ নেই নাটকের সেই বাকের ভাইয়ের কথা কোনদিন বাঙালী ভুলতে পারবে?এক বই মেলায় হুমায়ুন আহম্মেদের নিজস্ব বইয়ের স্টলের নাম ছিল, কোথাও কেউ নেই। তাছাড়া শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস অবলম্বনে রচিত সংশপ্তক নাটকের কানকাটা রমজান, হুরমতি,লেকু কথাও ভোলা সম্ভব নয়।

কোথাও কেউ নেই নাটক কিংবা ইত্যাদি প্রচারের সময় ঢাকার রাস্তাঘাট একদম ফাকা হয়ে যেতো। মানুষ আগেই নিজেদের সব কাজ সেরে বাসায় ফিরে যেতো শুধুমাত্র নাটক দেখার জন্য। বাকের ভাইকে ফাসি থেকে বাচানোর জন্য সারাদেশে মিছিল হওয়ার খবরতো সবারই জানা।

সেসময় হুময়ুন আহম্মেদের পাশাপাশি ইমদাদুল হক মিলনের লেখা নাটকও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। রূপনগর নাটকে ইমদাদুল হক মিলন, হুমায়ুন আহম্মেদের বাকের ভাইয়ের অনুকরনে খালেদ খানকে দিয়ে একটি মাস্তান চরিত্র তৈরি করেছিলেন। হুমায়ুন আহম্মেদের মত অতোটা জনপ্রিয়তা না পেলেও রূপনগরের জনপ্রিয়তাও কম ছিল না। সে সময় এই দুজনের বইয়েরই ব্যাপক চাহিদা ছিল বইমেলায়। আর এখন? হুমায়ুন আহম্মেদ আকাশের তারা, আর মিলনের জনপ্রিয়তা একেবারেই নিন্মমুখী।

এখন এত চ্যানেল কিন্তু দেখার মত অনুষ্ঠানই খুজে পাওয়া যায় না। সব চ্যানেল সারাদিন একই খবর ট্যাবলেট বানিয়ে গুলিয়ে খাওয়াচ্ছে। মানহীন অনুষ্ঠান, আর বিজ্ঞাপনের যন্ত্রনায় মানুষ বিদেশী চ্যানেলে আশক্ত। জানিনা এত চ্যানেলের লাইসেন্স দেওয়ায় উদ্দেশ্য কি?এমন অনেক চ্যানেল আছে যেগুলির নামও মানুষ জানে না দেখাতো দুরের কথা। সব চ্যানেল মালিকরাই বলছেন প্রতিদিনই তাদের লস গুনতে হচ্ছে কিন্তু তবুও কেন কিছুদিন পরপরই নতুন টিভি চ্যানেলের আগমন ঘটছে সেটাই আমার বোধগম্য নয়। সময় বদলেছে টিভি চ্যানেলগুলোরও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তবে চ্যানেলগুলির অনুষ্ঠানের মান বাড়ানোও জরুরি।

(রিপোষ্ট)

মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:২৮

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আহা আমাদের যুগ, কত আনন্দময় জীবন ছিলো। এক মাসের একটা সিনেমা। টিভি সেদিন ঘরের বারান্দায় নামিয়ে আনতাম । উঠোনে শীতল পাটি বিছিয়ে গ্রামের মানুষ মিলে সিনেমা দেখতাম। সেই স্মৃতিগুলো কত সুখের ছিলো। ম্যাকগাইভার, অয়োময়, কোথাও কেউ নেই, হুমায়ুন আহমেদের নাটকগুলোই বেশী টানতো। , হারকিউলিস তারপর হাতেম তাই, আলি বাবা চল্লিশ চোর আরও কত সিরিয়াল দিতো।

কত মজাদার সময় আমাদের সময়।

খুব সুন্দর পোস্ট

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সেই সময়গুলো জানি ফিরে পাওয়া যাবে না তবে স্মৃতিচারণ করতে বেশ লাগে, সেই যে টিভির সময় দেখে ঘড়ির সময় মিলিয়ে নেওয়া, মাসে একটা বাংলা সিনেমা খুব আগ্রহ নিয়ে দেখা আরও কত কি! নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।

২| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৮

রাকিব আর পি এম সি বলেছেন: আপনার পোস্টটি পড়তে পড়তে ছোটবেলার নানা স্মৃতি উজ্জ্বল হয়ে উঠলো। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫১

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আপনাকে স্মৃতিকাতর করতে পেরেছি জেনে ভাল লাগলো। অনেক ধন্যবাদ রাকিব ভাই।

৩| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বাংলাদেশে টিভি এসেছিল কোলকাতার দুরদর্শনেরও আগে।
৮০-৯০ দশকেও সীমান্তের ভারতীয়রা উচু এন্টেনা লাগিয়ে বিটিভি দেখতো।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫২

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: বাহ দারুণ একটা তথ্য দিলেন হাসান ভাই। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৪| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: স্মৃতিকাতর হয়ে পড়লাম। অ্আহ দিনগুলোই না ছিল তখন। আসলেই সে সময়টার বিনোদন্মুলক অনুষ্ঠান ছিল আক্ষরিক অর্থে বিনোদনমুলক।শক্তিমান সব অভিনেতা অভিনেত্রীদের অভিনয়ের প্রতিযোগিতা চলত তখন। । হুমায়ুন আহমেদের নাটকগুলোই সেরা। মিলনের নাটকের জনপ্রিয়তা থাকলেও আমার ভাল লাগতো না। আরো কয়েকটা ধারাবাহিক নাটকের নাম মনে পড়ছে। রাইসুল ইস্মলাম আসাদ অভিনীত ''সময় অসময়'' , সেলিম আল দীনের '' ভাঙ্গনের শব্দ শুনি'' , খালেদ খান অভিনীত '' মফস্বল সংবাদ '' । বাংলা নাটক এর মান তখন এত উন্নত ছিল যে পশ্চিম বঙ্গের মানুষ তখন ডিশ এন্টেনা লাগিয়ে আমাদের নাটক দেখতো। ভিডিও ক্যসেটে নাটক রেকর্ড করে মানুষ প্রবাসে আত্মীয় স্বজনদের পাঠাতো।



১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৩

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ঠিকই বলেছেন হুমায়ুন আহমেদ সবসময়ই সেরা, খালেদ খান দারুণ একজন শক্তিমান অভিনেতা ছিলেন। অনেক ধন্যবাদ।

৫| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সত্যি বলতে কি সেলিম আল দ্বীন বেচে নেই, বেচে নেই হুমায়ূন আহমেদ , হুমায়ূন ফরীদিও বেঁচে নেই নূর রাজনীতিতে ব্যস্ত দর্শক টানার মত তারকার অভাব। অনুষ্টানের নিম্নমান সবাইকে বিটিভি বিমুখ করেছে । তারা বিটিভি সরকারের প্রচার বাক্স হওয়াতে খবর উদ্দেশ্য প্রনোদিত তথা অসত্য এক পেশে হওয়াতে এটাকে অনেকে বয়কট করেছে মিথ্যা জেনে লাভ কী ? বাড়াবাড়ির সীমা ছাড়িয়ে গেছে।

কোথাউ কেউ নেই, সংসপ্তক, পাথর সময়, বহুব্রীহি, ঢাকায় থাকি, নক্ষত্রের রাত আজ রবিবার এমন জনপ্রিয় মানসম্মত ধারাবাহিক এখন একটিও নেই। আর আগে বিটিভির সাপ্তাহিক নাটকতো উৎসব মুখর পরিবেশে দেখা হত। একটা নাটকে অসংখ্য তারকার সমাহার।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৬

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সেলিম আলদিন, হুমায়ুন আহমেদ হুমায়ুন ফরিদি,আতিকুল হক চৌধুরীর পরপারে চলে যাওয়ার শুণ্যতা সত্যি পুরণ হওয়ার নয়। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৬| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১১

রাজীব নুর বলেছেন: সেই সময় গুলো হুমায়ূন আহমেদ এর নাটক গুলো ছিল বেস্ট।
এখনও সে সময় গুলোর নাটক ইউটিউবে দেখি।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৭

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: একদম তাই, হুমায়ুন আহমেদ সব সময়ের সেরা। ধন্যবাদ রাজীব ভাই।

৭| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০০

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: একদম তাই, হুমায়ুন আহমেদ সব সময়ের সেরা। ধন্যবাদ রাজীব ভাই।

একটা দামী কথা বলেছেন, হুমায়ুন আহমেদ সব সময়ের সেরা।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:১৩

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা ও ভালবাসা।

৮| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৮

আরোগ্য বলেছেন: যদিও একানব্বইতে আমার জন্ম তবু সেসময়কার কথা মনে পড়লে আজকের বিনোদন জগতের জন্য মায়া হয়। আমার খুব শখ ছিল মিনার কার্টুন, আলিফ লায়লা আর একটা নাটক যেটায় আহসানুজ্জামান নুর পাতা দিয়ে বাঁশি বাজায়।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:১৬

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সে সময় ইচ্ছে করলেই টিভি দেখা যেতো না তবে অনেক প্রতিক্ষার পর খুব সুন্দর কিছু অনুষ্ঠান দেখা যেতো। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৯| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০৪

জগতারন বলেছেন:
আমি ১৯৮০ সালের টি-ভি দর্শক !
৮০ শতকের কেহ থাকলে লিখুন।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:১৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: হা হা হা, না আশির দশকের কথা কিছুই মনে নেই, আপনি নিজেই লিখে ফেলুন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১০| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আহ ছেলেবেলায় ফিরে গেলাম।
অনুরূপ একটি জনপ্রিয় সিরিয়াল ছিল সোর্ড অফ টিপু সুলতান।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:১৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: টিপু সুলতান দেখে আমরা লাঠি দিয়ে তলোয়ার বানিয়ে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলতাম সত্যি দারুণ স্মৃতিময় শৈশব।

১১| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৯

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: বিটিভিতে এখন অনুষ্ঠানের চাইতে গ.গলাবাজি বেশি চলে। বাগুনের সাথে করলার বাম্পার ফলন হয় তাই পোলাপান নাক সিটকায়।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২১

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: হা হা হা এটা সব সময়ই ছিল তবে তখন অনুষ্টানের মান ভাল ছিল। অনেক ধন্যবাদ শাহাদাৎ ভাই।

১২| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৩১

আনমোনা বলেছেন: 'এইসব দিনরাত্রি', 'ঢাকায় থাকি', এসব ভোলা যায়?

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫২

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: এই দুটো নাটকের কথা আমার ঠিক মনে নেই, নাটক দু'টোর গল্প আমার আব্বার কাছে এক সময় শুনতাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:২০

আহমেদ জী এস বলেছেন: তারেক_মাহমুদ ,




হায়, কোথায় যে গেলো সেইসব দিন!

সেলিম আনোয়ার এর মন্তব্যে সহমত।
ঢাবিয়ান এর এ কথাটিও সত্য -- বাংলা নাটক এর মান তখন এত উন্নত ছিল যে পশ্চিম বঙ্গের মানুষ তখন ডিশ এন্টেনা লাগিয়ে আমাদের নাটক দেখতো।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৬

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সেই সূবর্ণসময়গুলো আর ফিরে পাওয়া সম্ভব নয় কিন্তু প্রতিভাবান অনেক নির্মাতা আছেন যারা চেষ্টা করলে অনেক ভাল মানের অনুষ্ঠান উপহার দিতে পারেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৪| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৪৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



তখন টিভির অনুষ্ঠানের জন্য অপেক্ষা করতো সবাই। আর সেটা দেখার পর পরের দিন অফিস বা ক্লাসে গিয়ে তা নিয়ে আড্ডা। এক হুমায়ুন আহমেদ বা হানিফ সংকেতের নাটক নিয়ে কত আলোচনা। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারি বিদ্যুৎ চলে যাবে কিনা তা নিয়ে টেনশন থাকতো। না থেকে উপায় নেই, কোনো পুন:প্রচারের ব্যবস্থা ছিল না বললেই চলে!

কোনো কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে কোনো নাটকের এপিসোড মিস হয়ে গেলে শুধু আফসোস। আর পরের দিন স্কুলে গিয়ে বন্ধুদের কাছ থেকে গল্প শুনে নেয়ার অনুভুতি আজকের প্রজন্ম হয়ত বুঝবেনা।

সেসময় হুমায়ূন আহমেদ, অরুণ চৌধুরী, কায়েস চৌধুরী, ফেরদৌস হাসান, মোহন খান, মামুনুর রশীদ, আব্দুল্লাহ আল মামুনরা নির্মাণ করেছেন একের পর এক নাটক। অন্যদিকে নাট্যকার হিসাবে ইমদাদুল হক মিলন, প্রনব ভট্ট, মাসুম রেজারা ছিলেন চাহিদার শীর্ষে।

৯০ দশকের উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে এক ঘন্টার নাটক হিসাবে জনপ্রিয়তা পায় তৌকির-বিপাশার ‘প্রিয়জন’, তৌকির-শমী কায়সারের ‘কুসুম’, আজিজুল হাকি-শমীর ‘নাটের গুরু’ কিংবা নির্মানের জাদুকর হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত প্যাকেজ যুগের প্রথম টেলিফিল্ম আজ নিতুর বিয়ে পায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা। জাহিদ-শমির ‘গাঙচিল ভালবাসা’য় দেখা যায় লোকেশনের দারুণ ব্যবহার।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: বাহ দারুণ কিছু স্মৃতিচারণ করে ফেললেন। অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালবাসা।

১৫| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৩০

সোহানী বলেছেন: সেটি ছিল সোনালী দিন......। ইলেকশনের সময় সারা রাতে একটি বাংলা ছবি দেখানো হতো। সারা রাত জেগে তা দেখতাম। ঘুমিয়ে পড়লে বাকিরা জাগিয়ে দিতো।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৬

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আসলেই ইলেকশনের সময় দারুণ মজার ছিল। তবে একটা সিনেমাতেই সারারাত পার হয়ে যেতো।

১৬| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:২৪

বলেছেন: কোথায় হারিয়ে গেলো সোনালী দিনগুলো হায়!!!!

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সোনালী সময়। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৭| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৩৯

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: বহুব্রীহি, সংশপ্তক- মা, চাচী, ফুফু, বোন তথা অনেকের সাথে বসে দেখবার অভিজ্ঞতা আছে।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সত্যি সবাই একসাথে বসে টিভি দেখার আনন্দ বর্ণনাতীত। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৮| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৪৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: অসাধারণ একটি পোস্ট।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সাজ্জাদ ভাই।

১৯| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৩

নীল আকাশ বলেছেন: লেখা চমৎকার হয়েছে। বিটিভির নাটকের মান খুব উচুমানের ছিল। ঐ সময় পশ্চিমবঙ্গে নাটক প্রায় হতোই না। এইদেশের নাটক সেখানে ব্যাপক সাফ্লয পেয়েছিল। তবে আপনার লেখায় একটা বিরাট তথ্য আসেনি। প্রতিটা ঈদের
সময় শ্রদ্ধেয় আমজাদ সাহেবের জবা কুসুম রোকন দুলালদের পরিবার নিয়ে যে নাটক হতো সেটা আসেনি।
টাকা দেন দুবাই যামু। ভুলে গেলেন নাকি এই ডায়ালগ? আজ পর্যন্ত এই লেভেলের নাটক অন্য কাউকে লিখতে বা নাট্যারূপ দিতে দেখিনি।
এখনকার নাটকগুলির থীম খুব বাজে। বেশিরভাগ ভাড় প্রকৃতির। জোর করে পাবলিক হাসানোর চেস্টা আর সস্তা বস্তা পচা প্রেমের কাহিনী ছাড়া এদের মাথায় আর কিছু আসে না।

আপনার লেখা পড়ে সাত সকাল বেলা নস্টালজিক হয়ে গেলাম।
ধন্যবাদ।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১২

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ঠিকই বলেছেন আমজাদ হোসেনের সেই নাটকটাও বেশ মজার ছিল। এখনকার ভাড়ামোপূর্ণ নাটকগুলো মোটেই মানসম্মত নয়। অনেক ধন্যবাদ ও ভালবাসা।

২০| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আহা মধুর স্মৃতি! মন্তব্যগুলিও ততটাই উপভোগ্য। ++

শুভকামনা প্রিয় তারেক ভাইকে।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১২

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

২১| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ২:২৬

জাহিদ অনিক বলেছেন: সবকিছুরই একটা ভালো সময় যায়, তারপর সে গুণগত মান হারায়। সেটাকে আবার আগের মত প্রাণ দিতে চাইলে 'ঢেলে সাজাতে হয়'---- বাংলাদেশ টেলিভিশনের ক্ষেত্রে ঢেলে দেয়া হয়েছে, সাজানোটা হয় নাই


পোষ্ট পড়ে কিছুটা নস্টালজিক হয়ে গিয়েছিলাম তারেক মাহমুদ ভাই। ভালো থাকবেন

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১৪

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: বাজেটে বিটিভি এত এত টাকা পায় কিন্তু অনুষ্ঠানের মান বাড়ে না। চাটুকারিতা ছাড়া বিটিভির আর কোন কাজই দেখি না।

২২| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩৮

মা.হাসান বলেছেন: তারেক ভাই, ছায়াছন্দ বাদ গেল। ৭০ এর দশকের মাঝে টারজান এবং শেষের দিকে সিক্স মিলিয়ন ডলার ম্যান আর এর পরে বায়োনিক ওম্যান খুব জনপ্রিয় সিরিয়াল ছিল। স্যাটারডে নাইট শোতে ভালো ইংরেজি সিনেমা দেখানো হতো। সলিড গোল্ড নামের একটা পাশ্চাত্য সঙ্গিতের অনুষ্ঠান হতো। সে সময় প্রতি তিন মাসে বিটিভিতে একটা বাংলা সিনেমা দেখানো হতো। পরে মাসে একটা হয়। তবে বিটিভির সবচেয়ে বড় আকর্ষন ছিল সাপ্তাহিক নাটক এবং ফজলে লোহানীর যদি কিছু মনে না করেন (ওনার মৃত্যুর পরে হানিফ সংকেত এটা এই নামে কিছুদিন চালানোর পরে নাম বদলে ইত্যাদি করা হয়) নামের অনুষ্ঠান যা অনেকটা ইউ আস্কড ফর ইট এর আদলে নির্মিত ছিল (ই্উ আস্কড ফর ইট ও সে সময় দেখানো হতো)। পশ্চিম বঙ্গের দর্শকের অনেকেই এই দুই অনুষ্ঠানের বড় ভক্ত ছিলেন, যেমনটা হাসান কালবৈশাখী ও ঢাবিয়ান বলেছেন। এরশাদের সময়ে মঞ্চনাটক, যাত্রা এসবও দেখানো হতো। অবাক করার মতো হলেও সত্য যে এরশাদকে আমরা স্বৈরাচার বললেও তার আমলই ছিল বিটিভির স্বর্ণযুগ। এখন বিটিভি কে দেখে তা আমার ধারণার বাইরে।

২৩| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: আহা! আগের দিন, আগের নাটক কত ছিল ভাল
আপনি লিখেছেনও ভাল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.