নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি কেমন করে গান করো হে গুনী, আমি অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি ।।

ঠাকুরমাহমুদ

sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful

ঠাকুরমাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

পেঁয়াজের অপকারিতা ও ক্ষতিকর প্রভাব

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:২৫



অত্যন্ত আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করেছি আমি গুগল সার্চ করে পেঁয়াজের কোনো প্রকার অপকারিতা খুঁজে পাচ্ছি না! এমন একটি পণ্য যার শুধু গুণ আর গুণ! - এমনটি তো হবার কথা নয়? পেঁয়াজ কোনো কনজ্যুমার প্রতিষ্ঠান দ্বারা তৈরিকৃত পণ্য নয়, তারপরও যারা গুগল সার্চ করবেন তারা পেঁয়াজের গুণাগুণ পড়ে সপ্তাশ্চর্য হবেন এটি আমার ধারণা। বাঙালির প্রধান খাদ্য পেঁয়াজ নয় ভাত - পেঁয়াজের জন্য হাহাকার দেখে মনে হয় প্রধান খাদ্য হিসেবে ভাতের স্থান পিয়াজ দখল করে নিয়েছে! যাইহোক পেঁয়াজের অপকারিতা ও অতিরিক্ত পেঁয়াজ খেলে কি কি ধরনের ক্ষতি হতে পারে তার কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে পেরে ভালো লাগছে, আশা করি ব্লগারদের উপকার হবে এছাড়া যারা ব্লগে না থেকেও ব্লগ পড়েন তারাও উপকৃত হবেন। সকলকে অগ্রিম ধন্যবাদ।

১। অ্যালার্জি: বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য নিয়মিত পেঁয়াজ খাওয়া আমাদের জন্য উপকারী। তবে, পেঁয়াজে অ্যালার্জিযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য খাওয়াটা মোটেই নিরাপদ নয়। কারণ হিসাবে বলা যায়, অ্যালার্জি ও ক্লিনিকাল ইমিউনোলজি জার্নাল অনুসারে, অ্যালার্জির অন্যতম একটি উৎস হচ্ছে পেঁয়াজ। যদি আপনার পেঁয়াজের কারণে অ্যালার্জি হয়, তবে আপনার মনে রাখা উচিত যে, পেঁয়াজ খেলে ত্বক এবং চোখে লালভাব, ত্বকের চুলকানি, শ্বাস নিতে অসুবিধা, শরীর জ্বলন ইত্যাদির মতো অ্যালার্জির লক্ষণগুলির জন্ম দিতে পারে।

২। অন্ত্রের গ্যাস, লিভার ও অম্বলজনিত সমস্যা: বেশি পেঁয়াজ খাওয়ার আর একটি পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হলো আমাদের দেহে অন্ত্রের গ্যাস সৃষ্টি। পেঁয়াজের এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মূলত ফ্রকটোজের মতো প্রাকৃতিক শর্করার উপস্থিতির কারণে। কেননা, আমাদের পেট বেশিরভাগ শর্করা হজম করতে খুব দক্ষ নয়। যার মধ্যে ফ্রুকটোজ অন্যতম। চিনি যেহেতু আমাদের পেটে সঠিকভাবে হজম হয় না তাই তারা অন্ত্রগুলিতে প্রবেশ করে যেখানে তারা ব্যাকটিরিয়া দ্বারা ভেঙে যায়। ফলে এই গ্যাস তৈরি হয়। তবে কম পরিমাণে পেঁয়াজ কোনও হুমকি নয়। যদি আপনি বেশি পেঁয়াজ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করেন তবে অন্ত্রের গ্যাসের মাত্রা বাড়তে পারে এবং এটি হজমজনিত সমস্যার কারণ হতে পারে। যেমন পেট ফুলে যাওয়া, অস্বস্তি, পেট ফাঁপা ইত্যাদি। আপনার পাচনতন্ত্রটি পেঁয়াজের প্রতি অসহিষ্ণু হলে লক্ষণগুলি আরও খারাপ হতে পারে। খাদ্য অসহিষ্ণুতা জীবন হুমকিস্বরূপ, কখনও কখনও এটি বমি বমি ভাব এবং ডায়রিয়ার কারণও হতে পারে। পেট ফাঁপছে, বুক জ্বালার সমস্যা কিছুতেই আপনার পিছু ছাড়ছে না। কিন্তু কেনো? অতিরিক্ত পরিমাণে পেঁয়াজ খাওয়া লোকদের অম্বল জাতীয় সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। সেইসঙ্গে গর্ভবতী মহিলারা রয়েছেন হৃদরোগের ঝুঁকিতে । অম্বল এমন একটি সমস্যা যার কারণে বুকে জ্বলন্ত সংবেদন এবং চরম ব্যথা অনুভব হয়। এটি প্রধানত ঘটে যখন আমাদের পেটে উপস্থিত অ্যাসিড খাদ্যনালীতে উর্ধ্বমুখী প্রবাহিত হয়। এই কারণে, মাঝারিভাবে পিঁয়াজ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় এবং বিশেষত গর্ভবতী মহিলাদের চিকিত্সকের সাথে পরামর্শ করার পরে পেঁয়াজ খাওয়া উচিত।

৩। অত্যধিক পটাসিয়াম আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর: পটাশিয়ামের কাজ হলো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা। তাই শরীরে পটাশিয়ামের পরিমাণ কমে গেলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। সেইদিক থেকে ভালো সংবাদ যে, পেঁয়াজে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম রয়েছে। তবে আপনি যদি খুব বেশি পেঁয়াজ খান তাহলে আপনার শরীরে উল্টো বিক্রিয়া হয়ে খুব অসুবিধে সৃস্টি করতে পারে। কারণ অনেক বেশি পেঁয়াজ খাওয়া আমাদের রক্তচাপকে বিপজ্জনকভাবে কমিয়ে আনতে পারে এবং হাইপোটেনশনের জন্ম দিতে পারে ফলে ক্লান্তি, হালকা মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, হতাশা, ঝাপসা দৃষ্টি ইত্যাদি সমস্যায় পড়তে পারেন। এ ছাড়াও, আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন নিয়ন্ত্রণের জন্য ইতিমধ্যে মেডিসিন গ্রহণ করছেন তবে আপনার ওষুধগুলির জন্য পেঁয়াজ পরিমিতভাবে খাওয়া উচিত কারণ ওষুধ এবং পেঁয়াজ উভয়ের সম্মিলিত প্রভাব আপনার রক্তচাপকে বিপজ্জনকভাবে নিম্ন স্তরে হ্রাস করতে পারে। এছাড়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য শরীরের নানাবিধ সমস্যা তৈরি করে অতিরিক্ত পেঁয়াজ।

৪। হৃদপিন্ডের সমস্যা: পেঁয়াজের নিয়মিত ও পরিমিত গ্রহণ আমাদের হৃদয়ের পক্ষে খুব উপকারী । যা আমাদের কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। পেঁয়াজের এই উপকারটি মূলত ভিটামিন, খনিজ, ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস ইত্যাদির মতো পুষ্টির উপস্থিতির কারণে হয়। পেঁয়াজে উপস্থিত পটাসিয়াম ভাসোডিলেটর হিসাবে কাজ করে যার অর্থ এটি আমাদের রক্তনালীগুলি শিথিল করে এবং আমাদের দেহে রক্ত চলাচলকে উন্নত করে এবং এইভাবে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি হ্রাস করে। তবে এটি লক্ষ করা উচিত যে, প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যে হৃদরোগের পক্ষে খুব ভাল নয়। কারণ আমাদের দেহে পটাসিয়ামের উচ্চ মাত্রা হাইপোটেনশনের জন্ম দিতে পারে। এতে হৃদযন্ত্রের জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। ফলে আপনার অনিয়মিত হার্টবিট এমনকি হার্ট স্ট্রোক এর মতো মারাত্মক অঘটন ঘটতে পারে যেকোনো সময়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বা ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে এমন ব্যক্তিদের জন্য নিয়মিত ও মাঝারি পরিমাণে পেঁয়াজ খাওয়া খুব উপকারী। পেঁয়াজের এই সুবিধাটি মূলত পেঁয়াজের কম গ্লাইসেমিক সূচক হওয়ার কারণে। পেঁয়াজ খাওয়া রক্তের প্রবাহে ধীরে ধীরে সুগার ছেড়ে দেয় এবং এইভাবে ডায়াবেটিস পরিচালনা করতে সহায়তা করে। এগুলি ছাড়াও, পেঁয়াজে উপস্থিত ক্রোমিয়াম যৌগটি ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ এটি রক্তের প্রবাহে চিনির শোষণকে ধীর করে দেয়। খুব বেশি পেঁয়াজ খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হাইপোগ্লাইসেমিয়ার জন্ম দেয়। এটি রক্তের শর্করার মাত্রা বিপজ্জনকভাবে নিম্ন স্তরে নামিয়ে আনতে পারে। ফলে অস্পষ্ট দৃষ্টি, দ্রুত হার্টবিট, অনিয়মিত হার্টবিট, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে।

৫। চোখের সমস্যা: উল্লেখ্য যে পেঁয়াজ কাটার সময় যে ঝাঁঝালো রস বাতাসে ভেসে চোখে লাগে ও তা চোখের জল ঝড়ায় ও ইরিটেশন সৃস্টি করে তা সকলেরই জানা। কিন্ত পেঁয়াজ নিসৃত রসের সাথে থাকে সালফিউরিক এসিড সেটা হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা। এই সালফিউরিক এসিডের অস্তিত্বের কারণে পেঁয়াজ কাটার সময় চোখ জ্বালাপোড়া করে ও পানি ঝড়ায়। বিজ্ঞানীরা বলেন এই সাল ফিউরিক এসিড চোখের সংস্পর্শে গেলে শুধু চোখ জ্বলাপোড়া সহ চুলকানিই নয় তা মানুষকে অন্ধ ও করে দিতে পারে। (☼ তথ্য সংগ্রহ করেছেন মাননীয় ব্লগার ডঃ এম এ আলী ভাই ☼। তথ্য: পেঁয়াজের অপকারিতা - ৩, ৪)

৬। মুখে দুর্গন্ধ: অনেক মানুষই মুখে প্রবল দুর্গন্ধের সমস্যায় ভোগেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে তো অবস্যই, সারা দিনই মুখে দুর্গন্ধ হয় অনেকের। ফলে অন্য কারোও সঙ্গে কথা বলতে গেলে মুখের দুর্গন্ধ অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মুখে বা শ্বাসে দুর্গন্ধ আপনার স্বাস্থ্যর জন্য কতোটা ক্ষতিকর তা দুর দুরের ব্যাপার হলেও আপনাকে খুব বিব্রতকর অবস্থায় ফেললে এটি নিশ্চিত। আর এই দুর্গন্ধের অন্যতম কারণ হতে পারে অতিরিক্ত পেঁয়াজ খাওয়া থেকে। কাঁচা পেঁয়াজের এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আপনার মুখ ও শ্বাসকে দীর্ঘসময় ধরে দুর্গন্ধযুক্ত রাখতে পারে।

উপসংহার: অতিরিক্ত যে কোনো খাবার খারাপ। আপনারা জেনে হয়তো অবাক হবেন - শুধুমাত্র গরুর খাঁটি দুধ খাইয়ে একজন সুস্থ সবল মানুষ হত্যা করা সম্ভব! আলাদাভাবে বিষ কেমিক্যাল খাওয়ানোর কোনো প্রয়োজন হবে না! - মানুষ মানুষের জীবনকে ভালোবাসবেন তাই হত্যা আত্মহত্যা নয়, জীবন অমূল্য সম্পদ - জীবনের মূল্যায়ন প্রতিটি মানুষের ধর্ম। বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের পেঁয়াজের প্রতি আসক্তি কমুক আপাতত এটিই একমাত্র কাম্য।


তথ্য:
পেঁয়াজের অপকারিতা - ১
পেঁয়াজের অপকারিতা - ২
পেঁয়াজের অপকারিতা - ৩
পেঁয়াজের অপকারিতা - ৪

ছবি: গুগল সার্চ ইঞ্জিন।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার: সামহোয়্যারইন ব্লগ। নির্বাচিত পোষ্টে “উক্ত লেখাটি” স্থান দেওয়াতে সামহোয়্যারইন ব্লগ কর্তৃপক্ষকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।





মন্তব্য ৭৫ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৭৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৪০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
যতই পেয়াজের বদনাম করেন
হেসেলে ঢুকতে হলে আগে থেকেই
পেয়াজ র্সংগ্রহ করে রাখবেন। তা না
হলে গিন্নির চোখ রাঙ্গানি আর আপনার
পুরুষত্বের বারোটা বাজিয়ে ছাড়বে। তাই
নিদেন পক্ষে টিসিবির ট্রাক সেলের পিছে
দাড়ান !!

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৪৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




নূর মোহাম্মদ নূরু ভাই, আমি আপনার মন্তব্য পড়ে কিছুক্ষণ হেসেছি - তারপর ভয়ে ভয়ে বলছি জ্বী আপনি সঠিক বলেছেন। আমি টিসিবির ট্রাক লাইনে মাস্ক পরে দাড়িয়ে আছি - আপনি কোথায়? আমি আকাশি রঙের শার্ট পরা - প্লাস্টিক দোকান বরাবর। আপনি লাইনের সামনে থাকলে আমাকে সামনে নেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

২| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৪৪

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: আমরা শুধুই পেয়াজ খাই,যেখানে দরকার নেই,সেখানেও খাই। ভাতের সাথে কাঁচা পেয়াজ,সিংগারা পুরির সাথে কাঁচা পেয়াজ, বিরিয়ানির সাথে কাঁচা পেয়াজ, মানে যাচ্ছেতাই অবস্থা। পেয়াজের এই খারাপ দিকগুলো একেবারেই প্রচারণা পায় না।বরং মহার্ঘ্য হিসেবে প্রচারিত হয়।যার ফলে পেয়াজের দাম বাড়লেও চাহিদা কমে না,ক্রেতা কমে না।আপনাকে ধন্যবাদ এই পোস্টের জন্য।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:০৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আপনি গুগল সার্চ করে দেখতে পারেন পেঁয়াজের গুণগান পড়ে আমি আশ্চর্য হয়েছি - একি অবস্থা? এভাবে পেঁয়াজ কেনো অমৃতও খাওয়া যাবে না। পেঁয়াজের অপকারিতা ভয়ঙ্কর! আমাদের দেশে যেভাবে কিডনি - লাঙ্ক - ক্যান্সার সহ নানা রোগ ধরা পরছে তার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত ভক্ষণ। বলতে লজ্জা নেই - আমাদের দেশের মানুষ রাক্ষস হয়ে গেছেন!

আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

৩| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৪৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: পেঁয়াজের সবচাইতে বড়ো অপকারিতা হইল পেঁয়াজ খাইলে মানুষ শুকাইয়া যায়। কারণ, পেঁয়াজ কেনার পর যে টাকা থাকে তা দিয়ে প্রয়োজনীয় চাল ও অন্যান্য খাবার কেনা যায় না। ফলে পর্যাপ্ত খাবারের চাহিদা না পাওয়ায় শরীর শুকাইতে থাকে।

দ্যট ওয়াজ দ্য লাইটার পার্ট :)

অসাধারণ পোস্ট ঠাকুর মাহমুদ ভাই। ভালো গবেষণা করেছেন এটা নিয়ে বোঝা যায়, যেমনটা আগের পোস্টে বলেওছিলেন এ নিয়ে পোস্ট দিবেন।

কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়ার আধঘণ্টার মধ্যেই মুখ গন্ধে ছেয়ে যায়। বাইরে বেরোবার প্ল্যান থাকলে, কিংবা বাসায় কারো আসার প্ল্যান থাকলে ঐদিন কাঁচা পেঁয়াজ যাতে মুখে না আসে, এ ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকি।

বেশি কাঁচা পেঁয়াজ খেয়ে ফেলে ইউরিনেশনের সময় বার্নিং সেনসেশন হতে পারে, এমনকি হোল পেনিসে বার্নিং সেনসেশন ডেভেলপ করতে পারে। এর একটা প্র্যাকটিক্যাল রিমেডি হলো, পানি খাওয়া।

সুন্দর পোস্টের জন্য শুভেচ্ছা রইল।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:১৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




অনলাইন নিউজ ফিড ও পত্রিকা টিভি চ্যানেলগুলো সমগ্র বাংলাদেশকে জিম্মি করে রেখেছে - কি খবরে প্রকাশ হয়েছে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে দর ও শুল্ক বেড়েছে - ভোক্তাগণ পেঁয়াজ বাজারকে রিতিমতো আগুনে রূপান্তরিত করেছেন।

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই ভাই, অতিরিক্ত যে কোনো খাবার মানব শরীরের জন্য বিষ হতে পারে এটি জানার জন্যও কি ডাক্তার বিজ্ঞানী প্রয়োজন? আর ভয়ঙ্কর তথ্য হচ্ছে সমগ্র বিশ্বে বাংলাদেশ একমাত্র দেশ সম্ভবত! - যে দেশে সবাই ডাক্তার, সবাই প্রকৌশলী, সবাই ট্রাভেল এজেন্ট সবাই সবজান্তা আবুল শমসের!

যাদের সাইনাসে সমস্যা আছে তাদের জন্য ভয়ঙ্কর সংবাদ পেঁয়াজের জন্য তাদের সাইনাস সমস্যা বাড়ছে।

আপনাকেও অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

৪| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১:৫৫

মৃন্ময়ী শবনম বলেছেন: কৃষি প্রধান এই দেশে পেঁয়াজের মতো একটি কৃষি পণ্যের জন্য আরেকটি দেশের উপর নির্ভরশীলতা থেকে বাংলাদেশকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রবাসী পণ্য হিসেবে পেঁয়াজের অনেক বড় বাজার বাংলাদেশ। তাই এর গুণগান হবেই। আসলে ঋণ করে সবাই বিষ খাচ্ছেন ঘি নয়।

উপকারী পোস্টের জন্য শুভ কামনা রইলো।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:৪৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




এটি সম্পূর্ণ সঠিক তথ্য। পুরো গুগলজুড়ে পে৭য়াজের যে গুণকীর্তন পেয়েছি এটি সম্পূর্ণরূপে মার্কেটিং পলিসি রেকর্ডব্রেক থ্রো। পেঁয়াজ মসলার পাশাপাশি এটি যে একটি হারবাল প্রসাধনী সামগ্রী তা জানা ছিলো না, আজ গুগল হতে জানতে পেরেছি। জানতে পেরেছি পেঁয়াজের অভাব মঙ্গা আকাল হওয়ার কারণও। বাংলাদেশী মানুষ সর্বভুক রাক্ষসে রূপান্তরিত হয়েছেন - বাজারে পেঁয়াজের পাশাপাশি আলুর দাম বাড়ছে।

আপনার জন্যও শুভ কামনা রইলো। ভালো থাকুন।

৫| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:২৫

নেওয়াজ আলি বলেছেন: পেয়াজের এত অপকারীতা কিন্তু পেয়াজ ছাড়া একটা পরিবার নাই রান্না করে। কাঁচা পেয়াজে মুখে গন্ধ হয় গ্রামের গরিব তারপরও পেয়াজ দিয়ে পান্তা ভাত খায়।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:৫৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




নেশা বলতে পারেন। পেঁয়াজের নেশা। বাজারে কাঁচা মরিচের দাম কতো হয়েছিলো আপনি জানেন কি? ২৫০ টাকা কিলোগ্রাম! অতিরিক্ত খাবার আর অপচয় - লাভবান হচ্ছেন ঔষধ কোম্পানীগুলো!

পান্তাভাত নেশাদ্রব্য - তবে গ্রামের হত দরিদ্র মানুষ যেটুকু পান্তাভাত আহার করেন তা শরীরের জন্য ভালো।

৬| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৩:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: পেঁয়াজের উপর আপনার এত রাগ কেন?
৫ শ' টাকা কেজি হলেও মানুষ পেঁয়াজ খাবে। আমিও খাবো।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৩:২০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




পেঁয়াজের প্রতি আমার কোনো রাগ নেই। তরকারিতে পেঁয়াজ তো আমিও খাই। যদিও আমি নিরামিষভোজী মানুষ কিন্তু আমার নিরামিষ রান্নায় পেঁয়াজ প্রয়োজন হয়। আমি নিজে পেঁয়াজ চাষ করি। সমস্যা হয়েছে বাংলাদেশের নিজস্ব চাষের পেঁয়াজে দেশ সয়ংসম্পূর্ণ থাকার কথা - সম্ভব হচ্ছে না তার অন্যতম কারণ বাংলাদেশীর অতিরিক্ত আহার ভোজন ভক্ষণ। - এই দেশে এভাবে চলতে থাকলে পরনির্ভরশীল দেশ হতে হবে আজীবনের জন্য।

এখন রাত ০৩:২০ আপনি এতো রাত জেগে আছেন!

৭| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ভোর ৫:৫০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
পেয়াজ মানুষ খাবেই।
সমস্যা হচ্ছে- আমরা চাষ করতে চাই না।
ভারতের দাদারা রফতানি না করলে চটে যাই।
মানুষ কখন রফতানি করে?
যখন ঘরের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত থাকে।
ভারতের চাহিদা না মিটলে তারা রফতানি না করলে তাদের উপর রাগ রাখা ঠিক নয়।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:০৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ভারতের সাথে রাগ করার মতো কোনো কারণ নেই। তারা তাদের ভালো দেখবেন আমরা আমাদের ভালো। দৈনন্দিন রান্নার জন্য পেঁয়াজ প্রধান উপকরণ নয়, পেঁয়াজ হচ্ছে রান্নার সহযোগি উপকরণ, মানুষ পেঁয়াজ খাবেন এখানে কোনো দ্বিমত নেই। বাংলাদেশে যে পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয় তাতে বাংলাদেশ পেঁয়াজে স্বনির্ভর থাকার কথা - কিন্তু তা কোনোভাবে সম্ভব হচ্ছে না, আর তার অন্যতম কারণ মাত্রতিরিক্ত অনুষ্ঠান, অতিরিক্ত ফাস্টফুড আহার, ভোজন ভক্ষন ও অপচয়।

৮| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৭:০৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


বেশ গুরুত্বপুর্ণ তথ্য সম্বলিত পোষ্ট ।
পেঁয়াজ নিয়ে আপনার পুর্বের একটি পোষ্টে বেশী পেঁয়াজ ভক্ষনের আপকারীতা তথা
স্বাস্থ্য ঝুকি সম্পর্কে আমি কিছু কথা বলেছিলাম ।
পেঁয়াজের বেশ কিছু উপকারিতা রয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই তবে এটা প্রয়োজনের
তুলনায় বেশী খেলে যে সমস্ত স্বাস্থ্য ঝুকি রয়েছে তা আপনার পোষ্টে সুন্দরভাবে উঠে এসেছে ।
এখানে উল্লেখ্য যে পেঁয়াজ কাটার সময় যে ঝাঝলো রস বাতাসে ভেসে চোখে লাগে ও
তা চোখের জল ঝড়ায় ও ইরিটেশন সৃস্টি করে তা সকলেরই জানা । কিন্ত পেয়াজ নিসৃত
রসের সাথে থাকে সালফিউরিক এসিড সেটা হয়ত আমরা অনেকেই জানিনা । এই
সালফিউরিক এসিডের অস্তিত্বের কারনে পেয়াজ কাটার সময় চোখ জ্বালা
পোড়া করে ও পানি ঝড়ায়। বিজ্ঞানীরা বলেন এই সাল ফিউরিকএসিড চোখের
সংস্পর্সে গেলে শুধু চোখের চুলকানীই নয় তা মানুষকে অন্ধ ও করে ফেলতে পারে ।
Sulfuric acid is a highly corrosive chemical that is potentially explosive
in concentrated form. It can cause severe skin burns, can irritate the
nose and throat and cause difficulties breathing if inhaled, can burn
the eyes and possibly cause blindness, and can burn holes in the
stomach if swallowed
সুত্র :https://www.atsdr.cdc.gov/phs/phs.asp?id=254&tid=47
https://assets.publishing.service.gov.uk/government/uploads/system/uploads/attachment_data/file/456131/Sulphuric_Acid_TO_PHE_250815.pdf

শুভেচ্ছা রইল
পোষ্টটি অধিক পরিমানে পেয়াজ না খাওয়ার
বিষয়ে গনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বেশ
সহায়তা করবে বলে মনে করি ।


শুভেচ্ছা রইল

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৪৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




প্রিয় ডঃ এম এ আলী ভাই,
গত পোস্টে আপনি পেঁয়াজের অপকারিতা সম্পর্কে খুব প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য লিখেছিলেন, আজও যে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়েছেন তা আমি মূল পোস্টে সযুক্ত করছি। অতিরিক্ত আহারে যে কোনো খাদ্যদ্রব্য বিষে পরিণত হতে পারে - এটি আমাদের ভাবতে হবে, জানতে হবে এবং বুঝতে হবে।

প্রতিটি খাবারের পার্শপ্রতিক্রিয়া আছে। আর অতিরিক্ত আহারে যে কোনো খাদ্যদ্রব্য মানব শরীরে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করে যার কারণ ক্লিনিক্যালি হয়তো সব সময় ধরা পরে না - কারণ সমস্যা তৈরি হয় দীর্ঘদিনে। তখন চিকিৎসকগণ সমস্যা নিরসনে ব্যস্ত হোন, সমস্যার কারণ নিরুপন করা আর সম্ভব হয় না।

আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ অত্যন্ত মূল্যবান মন্তব্য রেখেছেন এবং অত্যন্ত গর্বের সাথে আপনার দেয়া তথ্য আমি মূল্য পোস্টে সংযুক্ত করে নিচ্ছি। - আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

শুভ কামনা রইলো ভাই সাহেব।

৯| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:৩৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: পেঁয়াজ ছাড়া তরকারি, বিশেষত গরুর মাংস আমি কল্পনাই করতে পারি না। আমার রক্তে কলস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকায় ডাক্তার গরুর মাংস খেতে নিষেধ করেছেন। আমার স্ত্রীও দুই টুকরোর বেশি দিতে চান না। কিন্তু আমি চুরি করে পাঁচ ছয় টুকরা খেয়ে ফেলি। মাঝে মাঝে ধরা পড়ে যাই। তখন স্ত্রীকে মিথ্যে কথা বলি। একা একা ডাক্তারের কাছে গেলে তাকেও মিথ্যা কথা বলি। সাথে স্ত্রী থাকলে অবশ্য মিথ্যা বলা হয় না। তো এই চুরি আর মিথ্যা কথা বলার মতো কু-অভ্যাস আমার চরিত্রকে কলঙ্কিত করেছে। এর জন্য দায়ী বেশি বেশি পেঁয়াজ দিয়ে রান্না করা গরুর মাংসের ভুনা।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:০৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




একবার রক্তে কোলেস্টেরল পরিমাণ বেড়ে গেলে তা কমাতে পারা পরম সৌভাগ্য বলতে হবে। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ রাখা খুবই জরুরী - কারণ হাতে হাতেগোনা কয়েকটি ঘুমন্ত মরণঘাতকের মধ্য অন্যতম একটি অনিয়ন্ত্রিত কোলেস্টেরল।

*****
ডাক্তার পুলিশ আর উকিলের সাথে কখনো মিথ্যা কথা বলতে নেই। আপনি তাদের সত্যটি বলুন বাঁচার পথ বার করতে তারা সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিবেন।

পোস্টে আপনি অত্যন্ত মূল্যবান মন্তব্য করেছেন, আপনি বাংলাদেশের সমগ্র জনতার কথা আপনার মন্তব্যে চলে এসেছে। ধরে নিন বাংলাদেশের ৬০% - ৭০% লোকের কথা আপনি একা বলে দিয়েছেন। - আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

১০| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:৫০

এমএলজি বলেছেন: লেখাটি ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:১৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




প্রিয় এমএলজি ভাই, আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। ব্লগে আপনি নতুন রেজিষ্ট্রেশন করেছেন আপনার কাছে নিয়মিত লেখা আশা করছি, জীবনের কথা, ভালো লাগা মন্দ লাগা ব্লগে লিখে যান। আপনার ব্লগিং সুন্দর হোক এই কামনা করছি। ধন্যবাদ।

১১| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:১৭

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: চমৎকার তথ্যবহুল পোস্ট। পিয়াজ তরকারীর স্বাদ বাড়ায় তাছাড়া আর কোন উপকারীতা আছে বলে মনে হয়না।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:২২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




চমৎকার মন্তব্য করেছেন - ধন্যবাদ। পেঁয়াজ তরকারি ও ফাস্টফুডের স্বাদ বাড়ায় তবে তারচেয়ে বেশী ক্ষতি করে। আর অতিরিক্ত আহারে অতিরিক্ত ক্ষতি এটি তো সবার জানার কথা ভাই। দৈনন্দিন রান্নার জন্য পেঁয়াজ প্রধান উপকরণ নয়, পেঁয়াজ হচ্ছে রান্নার সহযোগি উপকরণ, মানুষ পেঁয়াজ খাবেন এখানে কোনো দ্বিমত নেই। বাংলাদেশে যে পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয় তাতে বাংলাদেশ পেঁয়াজে স্বনির্ভর থাকার কথা - কিন্তু তা কোনোভাবে সম্ভব হচ্ছে না, আর তার অন্যতম কারণ মাত্রতিরিক্ত অনুষ্ঠান, অতিরিক্ত ফাস্টফুড আহার, ভোজন ভক্ষন ও অপচয়।

আপনাকে আবারও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

১২| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:৩৯

জাহিদ হাসান বলেছেন: :D :D

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:২৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



জাহিদ হাসান ভাই, আপনাকে নতুন কিছু সিম্বল দিচ্ছি মন্তব্য করতে হয়তো আপনার কাজে আসতে পারে।
♠ ♣
♥ ♦

১৩| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:১৮

শাহ আজিজ বলেছেন: সুস্থ ও কম বয়েসিদের জন্য সাধারন মাত্রার পেঁয়াজ উপকারি । যারা ডায়াবেটিস , হৃদরোগ , কিডনি রোগে ভুগছেন তারা ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন পেঁয়াজের ব্যাপারে । ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে একজন শ্রমিক দুই রুটির সাথে বড় দুই টুকরো পেঁয়াজ খেয়ে নিল কারন তার কাছে ডাল বা সব্জির পয়সা নেই । গরুর মাংসে পেঁয়াজ দেবেন না তা কি করে হয় । হেনা ভাই গরুর মাংস প্রেশার কুকারে ৬/৭ টা সিটি দিয়ে পানি ফেলে দিয়ে সাধারন পন্থায় রান্না করুন , ওর মধ্যে বিপদজনক কিছু থাকবেনা । আমরা এভাবেই অভ্যাস্ত হয়ে গেছি । রিকশাচালক , কৃষক , শ্রমিকের জন্য এই উপদেশ নয় কারন আপনারা লোহা খেয়ে হজম করেন । আপনাদের অভাব পুষ্টির , পেঁয়াজের নয় । পেঁয়াজ মুলত খাদ্যকে সুস্বাদু করে , রসনা বাড়ায় । ভারত , পাকিস্তানে পেঁয়াজের ব্যাবহার সবচে বেশি , এরপর বাংলাদেশ । হ্যা পেঁয়াজ মুখে দুর্গন্ধ করে , যুবক সাবধান ।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৫৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ভারত পকিস্তান আাফগানিস্তন সহ বাংলাদেশে একজন কায়িক শ্রমিক রুটি/ভাতের সাথে আস্ত আস্ত পেঁয়াজ খেতে পারেন কারণ তারা লোহা খেয়েও হজম করতে পারবেন - ১০০% সহমত। কিন্তু বর্তমান বাংলাদেশে সম্ভবত গত ১৫ বছর যাবত সাপ্তাহিক মাসিক অনুষ্ঠান সহ বিয়ে জন্মদিন বৌ ভাত, দুধ ভাত, চিনি ভাত, নুন ভাত, পহেলা বৈশাখ, বারো মাসে তেরো পূজা সহ ঈদ মহরম লেগেই আছে তার সাথে আছে সরকারি ছুটি ও ইবনে বতুতাদের ভ্রমণ! খানা খাদ্যর যে ধুম লেগেছে - আমি আশচর্য হই! একটি প্রবাদ আছে “আলো নিভে যাওয়ার আগে হঠাৎ বেড়ে যায়” - বাংলাদেশে কি তেমন কিছু অপেক্ষা করছে? এভাবে ভোজন ভক্ষন ও অপচয় ভালো লক্ষণ হবার তো কথা নয়।

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম ভাই একটি মন্তব্যেতে সমগ্র বাংলাদেশের খাদ্য ও ভোজন সমস্যা তুলে ধরেছেন। রোগীদের জন্য পেঁয়াজ আহার ভয়ঙ্কর থেকে ভয়ঙ্কর ক্ষতিকর হচ্ছে। যাদের ডায়বেটিস আছে তারা জানেনও না তারা ডায়বেটিসের জন্য যতোই দৌড়ঝাপ করুন না কেনো ঘরে ফিরে পেঁয়াজ তথা ডায়াবেটিসের বন্ধু খাদ্যর সাথে আহার করছেন প্রতিদিন।

১৪| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:১৮

নূর আলম হিরণ বলেছেন: অতিরিক্ত বলতে কি পরিমাণকে অতিরিক্ত বলছেন সেটা দিন :)

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ভাতের সাথে আপনি কাচা লবন খেতে পারেন নাও খেতে পারেন। তবে নিয়মিত ভাতের সাথে আলাদা কাচা লবন যদি খেতে পারেন তা বেশী দিন খেতে হবে না - মোটামোটি ছয় মাসে তার বিরূপ ফলাফল ও লক্ষণ শরীরে ধরা দেয়। খাবারে মসলা ব্যবহারে সচেতনতা জরুরী। একটি ডিম ভাজি করার জন্য ফোর কোয়ার্টার - থ্রি কোয়ার্টার পেঁয়াজ যথেষ্ট আবার আপনি তিনটি প্রমাণ সাইজের পেঁয়াজ দিয়েও একটি ডিম ভাজি করতে পারবেন - যা খেতেও বেশ স্বাদ হবে। এটিই পরিমাণ আর অপরিমাণ।

*** আমার একটি মন্তব্য উত্তর আপনি আপনার পোস্টে দিতে ভুলে গেছেন।

১৫| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৪৫

জুন বলেছেন: শুধুমাত্র মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টির কারনে বর্তমানের বৃটেনের রানী ২য় এলিজাবেথের রসুইঘরে এত উপকারী রসুনের প্রবেশ পুরোপুরি নিষিদ্ধ। রানী এলিজাবেথ নাইবা হোলাম, এই একই কারনে আমরাও তো এত হাহাকার না করে পেয়াজকে হেসেল থেকে পুরোপুরি ঝেটিয়ে বিদায় না করলেও ব্যবহার কমিয়ে দিতে পারি । কি বলেন ঠাকুর মাহমুদ ?

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



অবস্যই অবস্যই। আত্মরক্ষা করা আমাদের আইনি মৌলিক অধিকার। আমাদের নিজেদের বেঁচে থাকার শর্তে অতিরিক্ত আহার পরিত্যাগ করতে হবে। আমার ধারণা মোটামোটি গত ১৫ বছরে বাংলাদেশে এতো অনুষ্ঠান বেড়েছে যা বলা বাহুল্য - সাপ্তাহিক ও মাসিক অনুষ্ঠান সহ বিয়ে জন্মদিন বৌ ভাত, দুধ ভাত, চিনি ভাত, নুন ভাত, পহেলা বৈশাখ, বারো মাসে তেরো পূজা সহ ঈদ মহরম, শবে বরাত শবে কদর, ১৪ই ফেব্রুয়ারী, বসন্ত দিবস লেগেই আছে তার সাথে আছে সরকারি ছুটি! খানা খাদ্যর যে ধুম লেগেছে - আমি আশচর্য হই! একটি প্রবাদ আছে “আলো নিভে যাওয়ার আগে হঠাৎ বেড়ে যায়” - বাংলাদেশে কি তেমন কিছু অপেক্ষা করছে? এভাবে ভোজন ভক্ষন ও অপচয় ভালো লক্ষণ হবার তো কথা নয়।

আমরা যদি পরিমিত আহার গ্রহণ করি নিজে সুস্থ্ থাকবো এবং একটি সুস্থ সমাজ উপহার দিতে পারবো।

১৬| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৪৫

ইসিয়াক বলেছেন: হায়! হায়!! পেয়াজের এতো বদনাম।
আমি যে পেয়াজ ছাড়া তরকারী খেতে পারি না।
পোস্টে ভালো লাগা্ প্রিয় মাহমুদ ভাই্।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ইসিয়াক ভাই আসলে বদনাম ঠিক না, বিষয়টি হচ্ছে অতিরিক্ত আহার। অতিরিক্ত আহারতো মানব শরীরের জন্য ঘি বিষ হতে পারে তাই না? আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।


১৭| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:১৯

রামিসা রোজা বলেছেন:
ভালো লাগলো আপনি সবাইকে পেঁয়াজ কমিয়ে খাওয়ার
জন্য উৎসাহ দিচ্ছেন । আসলে সত্যি কথা বলতে আমরাও
এখন অনেকটা কমিয়ে পেঁয়াজ খাচ্ছি । কিন্তু কিছু কিছু তরকারিতে বিশেষ করে গরুর মাংস এবং মাছ ভুনাতে এর
বিকল্প খুঁজে পাচ্ছি না তারপরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

সচেতনতা মুলক পোস্ট এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।



২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:

আমি নিজে মোটামোটি ভালো রান্না জানি। মসলাগুলো এমনই যার বিকল্প নেই বলা যায়। পেঁয়াজের কোনো বিকল্প নেই। পেঁয়াজ বিহীন রান্না করা সম্ভব না বলা যেতে পারে, তবে পরিমিত আহারে রোগমুক্ত থাকবো আমরা সকলে। মাংস রান্নাতে পরিমিত পেঁয়াজের পাশাপাশি জলপাই এর আচার দিতে পারেন মাংসের যে স্বাদ পাবেন তা অতুলনীয়। আর মাছ ভুনাতে তিনটি লেবু পাতা।

যে কোনো খাদ্য পরিমাণের বাইরে আহার করাতে শরীরে নানাবিধ রোগ বাসা বাঁধে আশা করি পোস্ট পড়ে তা জানতে পেরেছেন। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

১৮| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: পেঁয়াজের প্রতি আমার কোনো রাগ নেই। তরকারিতে পেঁয়াজ তো আমিও খাই। যদিও আমি নিরামিষভোজী মানুষ কিন্তু আমার নিরামিষ রান্নায় পেঁয়াজ প্রয়োজন হয়। আমি নিজে পেঁয়াজ চাষ করি। সমস্যা হয়েছে বাংলাদেশের নিজস্ব চাষের পেঁয়াজে দেশ সয়ংসম্পূর্ণ থাকার কথা - সম্ভব হচ্ছে না তার অন্যতম কারণ বাংলাদেশীর অতিরিক্ত আহার ভোজন ভক্ষণ। - এই দেশে এভাবে চলতে থাকলে পরনির্ভরশীল দেশ হতে হবে আজীবনের জন্য।

এখন রাত ০৩:২০ আপনি এতো রাত জেগে আছেন!

খুব সুন্দর কথা বলেছেন। মন্তব্য পড়ে ভালো লেগেছে। আসলে তরকারি রান্না করতে গেলে পেঁয়াজ লাগেই। অভ্যস্ত হয়ে গেছি। তবে আমাদের দেশে সব রকম ফসল উৎপাদন করা সম্ভব। সরকার যদি এদিকে নজর দেয়- খুব সম্ভব। বিদেশ থেকে নিয়ে আসা আমার পছন্দ না।

জেগে আছি। কারন ঘুম নাই চোখে।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ঘুম নিয়ে মজার মজার পোস্ট দিবো। আমার জীবনটাই গল্পময়। এক জীবন দেখতে দেখতে চলে যাবে গল্প করে করে। খুব সতর্কতার সাথে আমাদের দেশের কৃষকদের অলস করা হচ্ছে এটি কি জানেন? বাংলাদেশের অবাধ টিভি চ্যানেল এর জন্য অন্যতম ও একমাত্র দায়ী।

শরীরের ও মনের অন্যতম একটি খাদ্যর নাম ঘুম।


১৯| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৪৯

অক্পটে বলেছেন: জুন এর সাথে সহমত। আমাদের কৃষ্টি থেকে পেয়াজের ব্যবহার বাদ দেয়া যাবেনা। তবে অপকারিতাটা জানার পর এর ব্যবহার কমানো যেতে পারে। পেয়াজের ব্যবহার কমানোর ভাবনাটা যদি 'ঘরওয়ালীকে' একবার বুঝিয়ে ফেলা যায় তাহলে আর ভাবনার কোন প্রয়োজন নেই।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আমি হলফ করে বলতে পারি যেদিন থেকে বাংলাদেশী পরিবারের রান্নাঘরে মসলা ও তৈল ব্যবহারে সতর্ক হবেন সেদিন থেকে এ দেশে রোগ শোক কমে যাবে। আমি নিজে মোটামোটি ভালো রান্না জানি। মসলাগুলো এমনই যার বিকল্প নেই বলা যায়। পেঁয়াজের কোনো বিকল্প নেই। পেঁয়াজ বিহীন রান্না করা সম্ভব না বলা যেতে পারে, তবে পরিমিত আহারে রোগমুক্ত থাকবো আমরা সকলে।

সুন্দর ও মূল্যবান মন্তব্য করেছেন, আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২০| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বাবারে! পেঁয়াজের এত অপকারিতা? পড়ে তো রীতিমতো স্তম্বিত হলাম। ধন্যবাদ প্রিয় ঠাকুরমাহমুদ ভাই আপনাকে। এখন থেকেই একটু সাবধান হতে হবে।
সচেতনতা মূলক পোস্টে লাইক।‌

শুভেচ্ছা জানবেন।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




পদাতিক চৌধুরি ভাই আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ। অতিরিক্ত আহারতো মানব শরীরের জন্য ঘি বিষ হতে পারে তাই না? আমাদের দেশে পেঁয়াজ অতিরিক্ত আহার হচ্ছে। যা হিসাব বিহীন। একটি পরিবার জানেনও না প্রতি বছর কি পরিমাণ পেঁয়াজ তারা খাচ্ছেন অথচ চাইলেই হিসাবটি বার করতে পারেন। অতিরিক্ত আহারে ফার্মেসীর সামনে ডাক্তারখানায় ভীর করছেন - সিরিয়ালে মরছেন রোগী। এটি আমার সাধারণ ধারণা: এক বছরে করোনার চেয়ে বেশী মানুষ মৃত্যুবরণ করেন কিডনি ডিজিজ ও ক্যান্সার সহ অন্যান্য অসুখে।

শুভেচ্ছা নিবেন।

২১| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৪৭

করুণাধারা বলেছেন: এই সময়ের জন্য সচেতনতামূলক পোস্ট। সমস্যা হচ্ছে, আমরা স্বভাব বদলাতে চাই না। নাহলে পেঁয়াজ এমন কিছু নয় যে তার জন্য এমন হাহাকার করতে হবে!!

এমনিতে আমি খাবার তেল মশলা খুব কম দেই। হালকা মশলায় অভ্যস্থ হয়ে গেলে আর অসুবিধা হয় না।

পেঁয়াজের এত অপকারিতা জানা ছিল না, জানানোর জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। এরপর রান্না করার সময় আমার মনে থাকবে আশা করি।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:০৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আমাদের দেশে এটি একটি প্রধান সমস্যা দেশের মানুষ ফেসবুক ভিত্তিক জীবন যাপন করছেন। কি শুনেছেন ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হতে যাচ্ছে দেশের জনগণ পেঁয়াজ বাজার শূন্য করে দিয়েছেন। সকল পেঁয়াজ এখন দেশের জনগণের ঘরে ঘরে নষ্ট হচ্ছে পোকায় খাচ্ছে।

অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণে কি পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে জনগণ তা নিয়ে দেশে কোনো জরিপ নেই। কারণ তাতে ফুড ও সহযোগী ফুড কোম্পানী থেকে শুরু করে ঔষধ কোম্পানীগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। ঔষধ কোম্পানীগুলো মানুষের সাথে যে ধরনের প্রতরণা করছে তা রিতিমতো মানুষ হত্যার সামিল।

প্রতিটি খাবারের উপকারিতা ও অপকারিতা আছে আর অতিরিক্ত আহার থেকে ঘি বিষে রূপান্তরিত হতে পারে। আপনাকে ানেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

২২| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: চাষবাসে আরো মনোযোগ দিতে হবে কৃষকদের।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:১৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




প্রতিটি ঔষধ কোম্পানী কোনো না কোনোভাবে টিভি চ্যানেল, সেলফোন ও ইন্টারনেটের সাথে জড়িত। বাংলাদেশের কৃষকদের টিভির দর্শক সহ হাতে হাতে স্মার্টফোন দেওয়া গেলে সবাই লাভবান হবেন - হচ্ছেনও তাই।

২৩| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৩

সোহানাজোহা বলেছেন: ৬ লাখ টন পেঁয়াজ মজুত, বিশেষ নজরদারিতে ৪ জেলা ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়ায় খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম ৯০-১০০ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়। আর পাইকারিতে ৫০ টাকা থেকে বেড়ে পেঁয়াজের কেজি হয় ৭০ টাকা। কোনো কোনো পাইকার ৮০ টাকা কেজিতেও পেঁয়াজ বিক্রি করেন। এমন দাম বাড়ায় আতঙ্কিত হয়ে ভোক্তাদের মধ্যে বাড়তি পেঁয়াজ কেনার হিড়িক পরে যায়।

পেঁয়াজ আমদানির ওপর আরোপিত শুল্ক থেকে ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করেছেন বাংলাদেশ সরকার।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:২১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আগামী পরিস্থিতিতে বোঝা যাবে বাংলাদেশ পেঁয়াজ বাজার ও ভোক্তা কোনদিকে মোড় নেন। বাংলাদেশে সব সময় বৃটিশ সরকার রাজ করেছেন। বাংলাদেশে শুল্ক সম্পর্কে যারা জানেন তারা এটি পরিস্কার জানেন বাংলাদেশ আজও জমিদার ও বৃটিশ রাজার অধিনে আছে।

আমার মনে হচ্ছে বাংলাদেশে এবারও হয়তো পেঁয়াজ নিয়ে ভালো দেন দরবার হবে। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

২৪| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:০৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: পেয়াজ ছাড়াও চমৎকার সব রান্না আছে।
পেয়াজ কমিয়ে দিয়ে ও চলা যায়।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৪২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:

আপনি যথার্থ বলেছেন, পেয়াজ ছাড়াও চমৎকার সব রান্না আছে। পেয়াজ কমিয়ে দিয়ে ও চলা যায়। উদাহরণ: একটি ডিম ভাজি করার জন্য কাচা মরিচ পেঁয়াজ না দিয়ে প্লেইন ডিম ভাজি করা যেতে পারে। আমি নিজে মোটামোটি ভালো রান্না জানি। মসলাগুলো এমনই যার বিকল্প নেই বলা যায়। পেঁয়াজের কোনো বিকল্প নেই। পেঁয়াজ বিহীন রান্না করা সম্ভব না বলা যেতে পারে, তবে অল্প পেঁয়াজ দিয়ে বেশ ভালো রান্না করা সম্ভব। মাংস রান্নাতে পরিমিত পেঁয়াজের পাশাপাশি আম অথবা জলপাই এর আচার দিতে পারেন মাংসের যে স্বাদ পাবেন তা অতুলনীয়। আর মাছ ভুনাতে তিনটি লেবু পাতা।

২৫| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১৫

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: পিয়াজের অনেক অপকারীতার কথা জানতে পারলাম।বেশি বেশি প্রচার হলে দেশের এবং মানুষের উপকার হবে।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




প্রতিটি খাবারের ভালো এবং মন্দ দিক আছে। আর তা যখন অতিরিক্ত খাওয়া হবে তখন মন্দ হতে বাধ্য। বিচিত্র কারণে বাংলাদেশের মানুষ খাবারে প্রচুর বিলাসী হয়ে পরেছেন।

২৬| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৮

মা.হাসান বলেছেন: একজন সুস্থ অ্যাডাল্টের প্রতিদিন ৩৫০০ মিলিগ্রাম বা এর বেশি পটাশিয়াম দরকার। প্রতি কেজি পিয়াজে থাকে ১৫০০ মিলিগ্রামের মতো পটাশিয়াম। শুধু পিয়াজ যদি খায় তবে প্রয়োজনিয় পটাশিয়ামের জোগান দিতে একজন লোককে দিনে আড়াই কেজির মতো পিয়াজ খেতে হবে। কাজেই পিয়াজ থেকে অতিরিক্ত পটাশিয়াম গ্রহন করার তথ্য ঠিক হবার কথা না।

খাবারের মধ্যে সবচেয়ে সহজে হজম হয় কার্বোহাইড্রেট- গ্লুকোজ-ফ্রুক্টোজ এসব। এমনকি মানুষের পেটে যাবার আগে মুখেই কার্বোহাইড্রেট হজম হওয়া শুরু করে। ডায়াবেটিস থাকলে আলাদা কথা। চিনির কারনে গ্যাস হবার কথা না।

প্রতি কিলোগ্রাম পিয়াজে সালফার কন্টেন্ট ৩০০-৪০০ মিলিগ্রামের মতো। পিয়াজে সালফিউরিক এসিড থাকে না, কিছু এনজাইম থাকে যা ভেঙে সালফেনিক এসিড তৈরি করে। এখন পর্যন্ত পিয়াজ কেটে কেউ অন্ধ হয়েছে বলে জানা যায় নি। কাউকে ধরে বেধে তার চোখে কয়েক গ্যালন পিয়াজের রস কয়েক ঘন্টা ধরে ঢাললে হতেও পারে।

FAO স্ট্যাটিসটিকস অনুসারে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পিয়াজ খায় তাজিকিস্তানের লোকেরা- বছরে জন প্রতি ৫৩ কেজির মতো (গড়ে)। ইউএসএতে এটা ত্রিশ কেজি পার হেড পার ইয়ার। বিলাতে দশ কেজির মতো। বাংলাদেশে ১৩ কেজির মতো। পৃথিবীর জন প্রতি সবচেয়ে বেশি পিয়াজ ব্যবহারকারি ২০টা দেশের মধ্যে বাংলাদেশ নাই। বাংলাদেশের লোকেরা অতিরিক্ত পিয়াক খায় এটা মনে হয় ঠিক না।

পিয়াজের অত্যধিক মূল্যের জন্য আমাদের খাদ্যাভ্যাস মোটেও দায়ী নয়, দায়ি বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের অথর্ব কর্মকর্তা ও লুটেরা ব্যবসায়িরা। এই মুহূর্তে আলিবাবাতে পেঁয়াজের দর টনপ্রতি ২০০ ডলারের কাছাকাছি। আনার খরচ, সিএনএফ চার্জ সহ এই দর কেজিপ্রতি ৪০ সেন্ট বা ৩৫ টাকার বেশি হওয়ার কথা না।

গত বছরেও বিশ্ব বাজারে পেঁয়াজের দর এর কাছাকাছি ছিলো। বাংলাদেশে পিয়াজের বাজার সিটি গ্রিপ, মেঘনা গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ সহ দুই ডজনের মত কোম্পানি নিয়ন্ত্রণ করে। সরকার এদের নিয়ন্ত্রণ না করে বরং এদের দস্যুতাকে লালন করে। এমনকি এদের হাতে ব্যাংক এবং টেলিভিশন কোম্পানিও তুলে দিয়েছে।

কোনো কিছুই অতিরিক্ত খাওয়া ভালো না। পিয়াজ কম খাওয়ার দরকার নেই, প্রয়োজনানুসারে ব্যবহার করা দরকার। পিয়াজের দাম বৃদ্ধির সাথে জড়িত এই সমস্ত লুটেরাদের এর বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন করা দরকার।

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:০৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ব্লগের প্রতিটি ব্লগারের কাছে আমার অনুরোধ রইলো আমার মন্তব্যটি মন দিয়ে পড়ুন। এটি সময়ের মন্তব্য, আমি মোটামোটি পঞ্চাশ বছরের সময়কালের বিষয় নিয়ে মন্তব্যটি করছি।

বাংলাদেশের মানুষ ১৯৯০ সনের পর থেকে সচ্ছলতার আভাস পেয়েছে। ১৯৯০ সনের আগে হাতেগোনা কিছু মানুষের বাড়িতে রঙিন টেলিভিশন ছিলো। মানুষ অন্যের বাড়িতে বাংলা সিনেমা দেখার জন্য বাসা বাড়িতে ফ্লোরে মাটিতে পাটিতে বসে টেলিভিশন দেখতেন, কেউ কেউ জানালা দিয়েও টিভি দেখতেন। মানুষের সংখ্যা বেশী হলে টেলিভিশন ঘরের বাইরে এনে উঠোনে ছাড়া হতো। বেশী দিন আগের কথা নয় মাত্র ত্রিশ বছর আগের কথা বলছি - আমার নিজের চোখে দেখা। ১৯৯০ সনের আগে যারা প্রবাসে থাকতেন তাদের আয়ও ছিলো যতসামান্য।

বাংলাদেশে খাবার দাবার অনুষ্ঠান বিয়ে বৌ ভাত, দুধ ভাত, চিনি ভাত, নুন ভাত, ফিরা যাত্র, উল্টা যাত্রা, তিসরা যাত্রা শুরু হয়েছে ভারতীয় সিরিয়ালের হাত ধরে। ১৯৯০ সনের আগে বাংলাদেশে যেমন তেমন বিশেষ বিয়ে বাড়িতেও খাবার হতো প্লেইন পোলাও, চিকেন কোরমা, ও গরুর মাংসের রেজালা আর দই - আর ঢাকাতে দইয়ের বদলে বোরহানি দেয়া হতো।

বিশেষ করে গত ১৫ বছরে বাংলাদেশে যে হারে খাবারের উপর চাপ পরেছে তার বহিঃপ্রকাশ দেখতে হলে দেখতে হবে কি পরিমান রেষ্টুরেন্ট তৈরি হয়েছে ঢাকা সহ সমগ্র দেশে! দেখতে হবে সমগ্র দেশে পহেলা বৈশাখের নামে কি পরিমাণ খাবার খেয়ে থাকেন বাংলাদেশী। দেখতে হবে বিয়ে জন্মদিন বৌভাত সহ পূজা পার্বণে কি পরিমাণ খাবার খাচ্ছেন সবাই - পাশাপাশি দেখতে হবে এই দেশে কি পরিমাণ ঔষধ কোম্পানী আছে আর কি পরিমাণ হাসপাতাল ডায়গনষ্টিক সেন্টার, ক্লিনিক ও ফার্মেসি আছে? - কারণ কি? কারণ: - গ্রাহক ভোক্তা বেড়েছেন, আর তার জন্য অন্যতম দায়ী খাবার অভ্যাস ও জীবন যাপনের অভ্যাস।

সম্প্রতি ঘটনা করোনা প্রভাব নিয়ে বলছি, আমরা ব্লগ সহ নানা মাধ্যমে জানতে পেরেছি “হার্ড ইমিউনিটি” সম্পর্কে, খাবারের ব্যাপারেও হার্ড ইমিউনিটি শব্দটি প্রযোজ্য। আমার নিজের দেখা অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি - বাংলা মদ হাফ গ্লাস খেয়ে টাল হয়ে রাস্তায় গড়াগড়ি করছে এমন মানুষ দেখেছি, দুই প্যাগ কি ছাইপাশ হালকা ওয়াইন হুইস্কি অথবা এক ক্যান বিয়ার খেয়েও বার পাব রেষ্টুরেন্ট বমি করে নোংরা করেছে এমনও দেখেছি আবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গের ডোমকে দেখেছি মিনারেল ওয়াটারের মতো হাফ বোতল অর্থাৎ ৫০০ মিলি বাংলা চোলাই মদ একসাথে গলাধঃকরণ করে প্রফেশনাল কাজ সারছেন - সাবাস।

বাংলাদেশের মানুষের খাবারের অভ্যাস কতো বছরের? আমার ধারণা গড় পরতায় সর্বোচ্চ ১৫ - ২০ বছরের। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি খাবারের অভ্যাস তৈরি হয় বাই জেনেটিক ও দীর্ঘদিনের অভ্যাসে।

ভারতের পাঞ্জাবে আমার ঘনিষ্ট দুইটি পরিবার আছে যারা তিনবেলা খাবারের সাথে ঘি মাখন খেয়ে থাকেন। বাংলাদেশের কয়টি মানুষ কয়বেলা মাখন খেতে পারবেন - অচিরেই তার ঠিকানা আজিমপুর গোরস্থান অথবা সরকারি হাসপাতাল হবার কথা! পাঞ্জাব ও রাজস্থানের মানুষ ঘি ও মাখনের সাথে পরিচিত ৪০০ বছর ধরে হয়তোবা তারও আগে থেকে। আর বাংলাদেশের মানুষ পরিচিত শুটকি ‍পান্তা ভাত ও পেঁয়াজ কাচা মরিচের সাথে।

বাংলাদেশে মানুষ অতিরিক্ত খাবার খেয়ে খেয়ে অসুস্থ হচ্ছেন এখানে কোনো দ্বিমত থাকার কথা নয়। কারণ বাংলাদেশের মানুষ এখনও তৈলাক্ত খাবারে অভ্যস্ত না।

আসছি পেঁয়াজ প্রসঙ্গে, সনাতন ধর্মের লোক সহ বৌদ্ধ ধর্মে এখনও বিধবাদের পেঁয়াজ খাওয়া নিষিদ্ধ। কারণটি ক্লিনিক্যালি সঠিক। আমি ব্যাখ্যায় যাচ্ছি না, গুগল থেকে জেনে নিবেন এবং এ বিষয়ে আমার পোস্টে না লেখার জন্য অনুরোধ করছি। পেঁয়াজ মানুষের রক্ত গরম করে - বাংলাদেশের সমাজে নারী পুরুষের যে ধরনের অধঃপতন হচ্ছে তার পেছনে অতিরিক্ত পেঁয়াজ ভক্ষণ অবস্যই দায়ী।

একজন মানুষের চোখ নষ্ট হতে যদি দীর্ঘ সময় নেয় তাতে করে কে কিভাবে জানবেন স্মার্টফোন দায়ী নাকি পেঁয়াজ? গ্রামের মহিলা সহ বাসা বাড়ির কাজের বুয়াদের চোখে ছানি পরার কারণ হতে পারে দীর্ঘ সময় চুলার পাশে থাকা ও পেঁয়াজ কাটা - কারণ তারাতো স্মার্টফোন ব্যবহার করেন না। গ্রাম এলাকায় ফসলি জমিতে যিনি বিষ প্রয়োগ করেন তিনি নিজেও জানেন না তার ক্যান্সার কেনো হয়েছে? - তিনি ধরে নেন তার ক্যান্সারের কারণ হুক্কা বিড়ি সিগারেট! এটি কি সম্ভব বিষের গ্যাসে তার ফুসফুস আক্রান্ত হয়েছে সেখানে সিগারেটের ধোঁয়া আঘাত করেছে, সম্ভব কি?

আমার পোস্টে পেঁয়াজ সংক্রান্ত তথ্য যদিও গুগল থেকে সংগ্রহ করা তথাপি আমি ঢাকা মেডিক্যালের দক্ষ ডাক্তারের সাথে কথা বলেছি তিনি বলেছেন - সম্পূর্ণ সঠিক ***। আপনার মন্তব্য আমি মেনে নিয়ে বলছি মানুষের শরীরে লবনেরও প্রয়োজন আছে তাহলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ কেনো ভাতের সাথে বাড়তি সামান্য লবন খেতেও বারণ করেন? মানুষের শরীরে চিনিরও প্রয়োজন আছে তাহলে ডায়াবেটিস রোগীর জন্য চিনি বিষ কেনো? মানুষের খাদ্য তালিকায় ফল থাকা বলতে হবে স্বর্গীয় ব্যাপার স্যাপার তাহলে একজন কিডনি রোগীর জন্য আনার/বেদানা এর মতো এমন একটি মহৎ ফল বিষ হয়ে যায় কিভাবে?

বাংলাদেশে সিন্ডিকেট প্রতিষ্ঠানগুলো নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়াচ্ছে এটি আমরা সবাই জানি এর জন্য আমরাও কম দায়ী নই, আমাদের খাবার অভ্যাস অবস্যই এখানে দায়ী। আমরা বেশী খাচ্ছি। আমরা বেশী খেয়ে অভ্যাস করতে পারলে একদিন আমরা তাজিকিস্তানের লোকদের পিছে ফেলে ১০০ কিলো পেঁয়াজ ভোজন করতে পারবো - ঐ যে বলেছি অভ্যাস।

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে লড়াই করে পারা যাবে না, অত্যন্ত মূল্যবান একটি কথা বলছি মান রাখবেন - সিন্ডিকেটদের সাথে লড়াই করলে তারা আরও মজবুত হবে, তাদের মতো তাদের ছেড়ে দিন আপনা আপনি সিন্ডিকেট ভাঙ্গবে। রাজনীতির মাইর হয় সময়ের সাথে - আমি সময় দেখা মানুষ।

বিশ্ব বাজারের সাথে বাংলাদেশের তুলনা করে কি হবে বলুন? বাংলাদেশ বিশ্বের বাইরের একটি দেশ - কথা সত্যি কিনা?

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমার ধারণা আমার পোস্টে এটি আপনার সবচেয়ে বড় মন্তব্য। তাই আপনাকে সম্মান করে আমার মন্তব্য উত্তরও ঘুড্ডির লেজের মতো আমার পোস্টের চেয়ে বড় হয়েছে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ দিয়ে আজকের মতো বিদায় নিচ্ছি। শুভেচ্ছা রইলো।

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৩:০৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




এসিড যে কোথায় কোথায় থাকে তা কল্পনা করার বাইরে, পেঁয়াজে এসিড আছে, এসিড আছে মানব দেহের ঘামেও। পোস্টের তথ্য সূত্র: পেঁয়াজের অপকারিতা - ৩, পেঁয়াজের অপকারিতা - ৪ খুবই নির্ভরযোগ্য বৃটিশ সরকারের তথ্য। পড়ার জন্য অনুরোধ রইলো।

২৭| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:০১

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহা, আপনার এ পোস্ট পড়িয়া যদি বাঙ্গালীকূল কিঞ্চিত পেয়াজ খাওয়া কমায়, কিংবা এক কেজি মাংসে আধা কেজির পরিবর্তে ২৫০ গ্রাম পেয়াজ ইউজ করে তাহলেই হবে!!!!!!!!!

ভাইরে কোন বুদ্ধিতে কাজ হবে না!! যেকোন শাহী রান্না করতে পেঁয়াজ কুচি , পেঁয়াজ বাটা, পেঁয়াজ ভেরেস্তা, আস্ত কাটা পেঁয়াজ......... কত ধরনের স্টাইলে পেঁয়াজ লাগে তা কি জানেন???????

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:১২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




একজনও হয়তো কমাবেন না, আসলে আমি নিজের মনের আনন্দের জন্য লিখি। সেই লেখাগুলো যখন আপনারা পড়েন আমার খুবই ভালো লাগে। ব্লগার মা.হাসান এর ২৬ নং মন্তব্য প্রতি উত্তরটি পড়লে আপনার ভালো লাগবে বলে আশা করি।

যেকোন শাহী রান্না করতে পেঁয়াজ কুচি, পেঁয়াজ বাটা, পেঁয়াজ ভেরেস্তা, আস্ত কাটা পেঁয়াজ - শুধু কি তাই? পেঁয়াজ মুখে দিলে হেন হয়, চুলে দিলে তেন হয়, হাতে পায়ে দিলে ফ্যান হয় আরও কতো কি? গুগলে পেঁয়াজের নিত্য ব্যবহার পড়ে আমি হতবাক ও বাক্যহারা।

আপনি কেমন আছেন বোন? ব্লগার চাঁদগাজী ভাই অসুস্থ তাকে সাহস দিন তার সাথে আসুন সবাই মজা করি ভদ্রলোককে ইলেকশানে দাড়া করাতে হবে নয়তো ব্লগ ঝিম মারবে।

শুভ কামনা রইলো।

২৮| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:৪৪

সোহানী বলেছেন: আমি ভালোই আছি বাট বরাবরের মতোই বিজি...।

চাঁদগাজী ভাই এর ভাই এর আবার কি হলো??? জানি না তো? উনার চোখের সমস্যা কি বেড়েছে?

উলেকশানে দাঁড় করালে উনি জিতে যাবেন, এটা আমি নিশ্চিত!

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:৫২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আমি বিস্তারিত জানতে চাইনি, একজন যখন বলেছেন অসুস্থ তার কাছে রোগের বৃত্তান্ত জানতে চাওয়া কেমন? আমি মন্তব্য করে চলে এসেছি তার পোস্ট আজ প্রথম পাতায় এক্সেস পেয়েছে। আমাদের সকল ব্লগারদের উচিত তার সাথে মজা করে কিছু মন্তব্য করা। তাই আপনাকে অনুরোধ করা বলতে পারেন।

ধারণা করছি বাংলাদেশে এবারও পেঁয়াজ কেলেঙ্কারী হবে, সবাই সাধারণ মানুষের গলায় ছুরি চালানোর জন্য উৎ পেতে থাকেন। আর সাধারণ মানুষ নিত্য পণ্যর জন্য যেভাবে হাহাকার করেন তাতে করে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট, পত্রিকা টিভি চ্যানেল সবাই আনন্দ পান।

২৯| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ভোর ৬:০৩

কবিতা ক্থ্য বলেছেন: ভাই,
আপনার ইমেইল কি

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:১০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ভাই কবিতা ক্থ্য, ব্লগে কারো সাথে তো আমার ব্যক্তিগত যোগাযোগ নেই। আপনি যা বলার ব্লগে বলতে পারেন।

৩০| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার কোয়ার্টারের দিঘীতে মাছ ধরতে শ্রদ্ধ্যেয় চাঁদগাজীর সাথে আমাকে নিয়ে যাবেন। এটা জেনে আমি আনন্দিত। সেই দিনের অপেক্ষায় আছি। ভালো থাকবেন। অবশ্য আমি মাছ ধরতে জানি না। তবে আপনাদের সহযোগিতা করতে পারবো।

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৫৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আপনি মাছ না ধরতে পারলেও যা দেখবেন তাতে আশা করি আপনি কমপক্ষে পাঁচ পাঁচটি সুন্দর গল্প লিখতে পারবেন। ব্লগাররা পড়ে আনন্দ পাবেন - আপনার আমার সেই আনন্দের মূল্য অনেক। ভৈরব বাজারের যাদু মিয়া বাবুর্চির হাতের বিরিয়ানি খেলে আপনি দীর্ঘদিন মনে রাখবেন। বিরিয়ানির সাথে তিনি এক গ্লাস টক দই পরিবেশন করেন, সেই টক দই নিয়ে দশপাতার গল্প লিখা সম্ভব।

মাছ ধরা দেখতে পারাটাও এক মজার বিষয়।

৩১| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




মুল্যবান মন্তব্যের জন্য মা. হাসানকে ধন্যবাদ। বিভিন্ন ওয়েবসাইট হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আমার মন্তব্যে কিছুটা বিভ্রানিতকর ব্যখ্যা উঠে এসেছিল।এখন এ মন্তব্যে বিভ্রান্তি নিরোশন মুলক কিছু কথামালা তুলে দেয়া হলো ।

তার পুর্বে বলি এ কথা সত্য যে অনেক খাবারেই পটাশিয়াম পাওয়া যায়। বিভিন্ন সুত্রহতে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায় যে এটি হৃৎস্পন্দনকে নিয়মিত এবং পেশীকে সঠিকভাবে কাজ করতে ভূমিকা রাখে।উল্লেখ্য মানুষের দেহে সঠিক পরিমাণে পটাসিয়াম রাখাই স্বাস্থ্যকর কিডনির কাজ। তবে, যখন কারও কিডনি তেমন স্বাস্থ্যকর/কার্যকর থাকেনা , তখন প্রায়শই এমন কিছু খাবার সীমাবদ্ধ করতে হয় যা রক্তে পটাসিয়ামকে বিপজ্জনক পর্যায়ে বাড়িয়ে তুলতে পারে। পটাশিয়াম সামগ্রী উচ্চ স্তরে থাকলে এটি কিছুটা শারিরিক দুর্বলতা, অসাড়তা এবং ইরিটেটিভ অনুভবে সহায়তা করে । কারও পটাসিয়াম খুব বেশি হয়ে গেলে এটি অনিয়মিত হার্টবিট বা হার্ট অ্যাটাকের কারণ হতে পারে । যেহেতু প্রায় সব খাবারেই কিছুটা পটাসিয়াম থাকে সেহেতু এটি গ্রহনের/ভক্ষনের আকারটিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি কম পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার একটি উচ্চ- পটাসিয়াম খাবারে রূপান্তর করতে পারে। সুতরাং পটাসিয়াম বেশি থাকে এমন খাবার গ্রহন সীমিত থাকা উচিত(সুত্র : https://www.kidney.org/atoz/content/potassium) কারণ পেয়াজের সাথে আমরা আনেক পটাসিয়াম সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবরো গ্রহন করে থাকি ।

এটাও সত্য যে পেঁয়াজের অ্যামিনো অ্যাসিড সালফক্সাইডগুলির এনজাইম সালফেনিক অ্যাসিডে রূপান্তর করে। অস্থির সালফেনিক অ্যাসিড নিজেকে রি এরেঞ্জ করে syn-ropanethial- S-oxide পুনঃব্যবস্থা করে। syn-ropanethial- S-oxide বাতাসে উঠে আমাদের চোখের সংস্পর্শে আসে। ফলে চোখের ল্যাচরিমাল গ্রন্থিগুলি বিরক্ত হয়ে অশ্রু সৃষ্টি করে!

তবে এটাওসত্য যে পেঁয়াজের মধ্যে প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক সহ সালফার যৌগ রয়েছে ,যার মধ্যে এনজাইম এবং অ্যামিনো অ্যাসিড সালফক্সাইড রয়েছে যা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরে সালফেনিক অ্যাসিড তৈরি করে, যা মানুষের চোখের জলের সাথে মিশে সালফিউরিক অ্যাসিড গঠন করে এবং চোখে জ্বালা পোড়া অনুভব তৈরী করে ।

যখন আমরা একটি পেঁয়াজ কাটি, তখন আমরা এর কোষগুলি ভেঙে দিয়ে এর মধ্যে থাকা কনটেন্ট গুলিকে অবমুক্ত করতে সহায়তা করি । ফলে এটি পূর্বে কোনও কোষের ঝিল্লি দ্বারা পৃথক করা রাসায়নিকগুলিকে একে অপরের সাথে এবং বায়ুর সাথে একত্রিত হওয়ার অনুমতি দেয়। কোষের অভ্যন্তর থেকে এনজাইম এবং "অ্যামিনো অ্যাসিড সালফোক্সাইড" রাসায়নিকগুলি একটি উদ্বায়ী সালফার গ্যাস উৎপাদন করতে প্রতিক্রিয়া দেখায়। এই গ্যাসটি পেঁয়াজ থেকে বেরিয়ে আসে এবং মানুষের চোখের প্রাকৃতিক জলের সাথে প্রতিক্রিয়া করে সালফিউরিক অ্যাসিড তৈরি করে, যা চোখে পরিচিত বিরক্তিকর সংবেদন তৈরী করে ( সুত্র : Click This Link)
যাহোক বিভিন্ন সুত্র হতে পাওয়া এ তথ্যগুলিই বা কতটুকু সত্য তা কেমিষ্টগনই ভাল বলতে পারবেন। সুত্র উল্লেখসহ সঠিক তথ্য আমরা সানন্দ চিত্তে মেনে নিব ।

যাহোক, আমরা সকলেই জানি যে জীবন রক্ষাকারী প্রায় সকল ঔষুধেরই কিছু না কিছু সাইড ইফেক্ট আছে
যা মাত্রাতিরিক্তভাবে ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন রকমের স্বাস্থ্য ঝুকি এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে ।

তাই, পেঁয়াজ থেকে সালফেনিক কিংবা সালফিউরিক এসিড যেটাই তেরী হোক না কেন তা মাত্রাতিরিক্তভাবে ভক্ষন করলে স্বাস্থ ঝুকির সম্ভাবনা থাকবেই। মাত্রাতিরিক্ত পেঁয়াজ গ্রহন করলে পরিনামে দীর্ঘমেয়াদে এটা অন্ধত্বের একটি কারণ হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে বিভিন্ন ওয়েবসাইট সুত্রে পাওয়া তথ্যে, কোথাও ক্যাটাগরিকেলি বলা হয়নি এর কারণে কেও অন্ধ হয়ে গেছে । শুধু একটি সম্ভবনার কথা বলা হয়েছে যেহেতু এটা চোখে পরিক্ষিত ভাবে একটি জ্বালাপুড়ার মত সঙবেদনশীল অনুভুতির সৃস্টি করে ।

পেঁয়জের অনেক উপকার থাকলেও এর কতিপয় উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্য ঝুকির কিছু কথামালার অবতারনা করে নিয়মিত বিরতিতে মনুষ্য সৃষ্ট বিভিন্ন কারসাজিতে দেশের মানুষের পকেট খালি করা অতি অত্যাবশ্যক নয় এমন একটি পণ্য পেঁয়াজের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারকে কিছুটা নিরোতসাহিত করার কথা বলা হয়েছে ।

কারণ গুটি কয় মুনাফা লোভি দেশী বিদেশী মানুষকে পেঁয়াজ নিয়ে তেলেসমাতি কান্ড ঘটানো ক্ষমতার লাগাম টেনে ধরা যে সম্ভব নয় তা সাম্রতিক সময়ের ঘটনায় প্রমানিত হয়ে গেছে । এখন উপায় একটাই ,তা হল সাধারণ ভোক্তাগন যদি দয়া করে এর ব্যবহারে একটু হ্রাস টেনে ধরার ক্ষমতা প্রদর্শন করতে পারেন তাহলে পেঁয়াজের সিন্ডিকেট ব্যবসা খানিকটা হলেও চিন্তিত হবে,
পেঁয়াজ নিয়ে তেলেসমাতি কান্ড ঘটানোর পুর্বে । কারণ অতি পচনশীল কৃষি পন্য গুলির মধ্যে পেঁয়াজ একটি অন্যতম পণ্য,
এটাকে বেশীদিন গুদামজাত করনের ঝুকি তারা নিবেনা। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম হতে জানা গেছে যে সিমান্তের উপারে
আটকে পরা পেয়াজ বুঝাই ট্রাকে নাকি হাজার হাজার মন পেঁয়াজ পঁচে গেছে!!

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




প্রিয় ডঃ এম এ আলী ভাই,
আমার সালাম নিবেন। আশা করি ২৬ নং মন্তব্য প্রতি উত্তর আপনি পড়েছেন। মন্তব্য উত্তরটি আমার নিজের দেখা নিজের জানা ও নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লেখা হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি আমার লেখা প্রতি উত্তরটি ব্লগের কেউ দ্বিমত পোষণ করবেন না।

*** আপনাকে একটি ঘটনা বলি, আমার নিজের দেখা আমাদের এলাকার ঘটনা। সময় ১৯৯৮ সন। জুন মাসের দুপুরের তপ্ত গরমে বিয়ের অনুষ্ঠানে একদিকে চলছে বিয়ে বাড়ির কাবিন নিয়ে দেন দরবার, আরেক দিকে খাবার দাবার, অনুষ্ঠানে আগত পাত্রের বাবা বয়স আনুমানিক ৬০ - ৬২ হবেন। শক্ত সম্ভ্রান্ত পরিবার, বিয়ে বাড়ি সহ সমাজের দেন দরবার দেখে দেখে এরা অভ্যস্ত। তিনি বিয়ে বাড়ির তিরপল এর নিচে খেতে বসেছেন। পোলাও গরুর মাংস! তিনি অর্ধেক খেয়ে স্ট্রোক করলেন এবং হাসপাতালে নিতে নিতে মৃত্যু।

পুরো ব্যাপারটি লক্ষ্য করুন: -

১। মাথার উপর তপ্ত গরম
২। বিয়ে বাড়ির দেন দরবার
৩। বয়স ৬০ - ৬২
৪। খেয়েছেন মাংস পোলাও

১ - ৩ নং তিনি অভ্যস্ত। মাংস পোলাও উপরের তিন ৩টি অভ্যস্ত জীবনকে ভেঙ্গে স্ট্রোক করে দিয়েছে - অনেকটা আগুনে ঘি ঢেলে দেওয়ার মতো হয়েছে। শরীরের জন্য খাবার জরুরী তবে তা কখনো কখনো মৃত্যুর কারণ হয়ে দাড়ায়। একজন অসুস্থ মানুষকে পেঁয়াজ কি পরিমাণ ক্ষতি করছে তা জানতে হলে আমাদের দেশে সত্যি সত্যি পেঁয়াজ নিয়ে রিসার্চ হওয়া জরুরী কারণ পেঁয়াজ আমাদের দেশে বেশী খাচ্ছেন। উদাহরণ: আপনার আয় ১,০০,০০০ টাকা আর ব্যয় ৭০,০০০ টাকা। আর আমার আয় ১০,০০০ টাকা আর ব্যয় ১০,০০০ টাকা। কে বেশী ব্যয় করছেন? আমার উত্তর পরিস্কার “আমি বেশী ব্যয় করছি”। - অর্থনীতি ও যুক্তিবিদ্যা তাই বলে। পাকিস্তান আফগানিস্তান রুটি দিয়ে পেঁয়াজ খাচ্ছেন, তারা শত শত বছর ধরে অভ্যস্ত - আমাদের অভ্যস্ত সময়কাল কতো বছরের?

বাংলাদেশের মানুষ খেয়ে অভ্যস্ত না। গত ১৫ - ২০ বছরে হঠাৎ করে বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে ভক্ষণ ভোজন শুরু করেছেন তার জন্য বাংলাদেশে কিডনি, লিভার হার্ট ফেইলিউর সহ ক্যান্সার হচ্ছে যত্রতত্র, যার অন্যতম কারণ খাদ্যাভ্যাস। আর এভাবে চলতে থাকলে মোটামোটি ৫০ বছর পর হার্ড ইমিউনিটি চলে আসবে তখন বাংলাদেশের মানুষ - মাংস কাবাব মোরগা মোসাল্লাম পেঁয়াজ আদা রশুন সহ সকল মসলা অনায়াসে ভোজন করতে পারবেন ইনশা-আল্লাহ।

ডঃ এম এ আলী ভাই, মানুষ বেড়াতে যাবার জন্য কোথায় কোথায় চলে যান! - বাড়ির পাশে সরকারি হাসপাতালে জীবনের একটি শিক্ষা সফর হতে পারে! এটি তিনিই একমাত্র জানবেন যিনি সরকারি হাসপাতালে গিয়েছেন এবং সময় দিয়েছেন। মানুষ কি কি রোগে আক্রান্ত, কে কিভাবে পরে আছেন তা দেখার পর জীবন ও খাদ্য সম্পর্কে বাস্তব ধারণা চলে আসে - যেখানে ব্যাখ্যা প্রয়োজন নেই।

ব্লগার মা হাসান ভাই গতকাল কিছুটা মানসিকভাবে বিক্ষিপ্ত ছিলেন তিনি এ জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত্ও হয়েছেন। পোস্টে তার মন্তব্যতে আপনাকে আবারও স্টাডি করে প্রতি উত্তর করতে হয়েছে। যেখানে আপনার প্রথম মন্তব্যতে নির্ভরযোগ্য বৃটিশ সরকারের তথ্য দেওয়া আছে। তারপরও আমি ২৬ নং মন্তব্যে আমার জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে প্রতি উত্তর দিয়েছি। ব্লগে মন্তব্য প্রতি মন্তব্যে মাঝে মাঝে তিক্ততা চলে আসে, আপনি ভূক্তভোগি না হলেও তা দেখেছেন অসংখ্যবার। আমি অনুরোধ করবো দয়াকরে এগুলো মনে রাখবেন না।

আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। পরম করুণাময় আল্লাহপাক আপনাকে ভালো রাখুন সুস্থ রাখুন নিরাপদ রাখুন।

৩২| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৫৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ,





পেঁয়াজের খোসার ভাজে ভাজে এতোদিন লুকিয়ে থাকা ক্ষতিকর বিষয়গুলো তুলে আনলেন। এই খোসার ভাজে যে এমন বিষয় লুকিয়ে থাকতে পারে তা জেনে পাঠক এবার থেকে সাবধানে পেঁয়াজের খোসা ছড়াতে সচেষ্ট হবেন।

২৬ নম্বর মন্তব্যে মা, হাসান প্রথম দিকে যা বলেছেন তা ঠিকই বলেছেন বলে মনে হয়।

পেঁয়াজের বাজারে যে ঝাঁঝ তা কিন্তু আমরা পেঁয়াজ বেশি খাই বলে নয়, পেঁয়াজের এই ঝাঁঝের জন্যে দায়ী আমাদের বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের অথর্ব কর্মকর্তা ও সিন্ডিকেটেড ব্যবসায়িরা যাদের কাজই হলো ঝোপ বুঝে কোঁপ মারা। যেমন চাল নিয়ে মিলাররা এখন কারসাজিতে মগ্ন। কতো যে ফালতু কারন দেখিয়ে তারা চালের দাম কেজি প্রতি ৪/৫ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে।
আমাদের ব্যবসায়ীরা কিছু হলেই বলে - আমদানী নেই, মাল আসছেনা, কৃষকেরা ছাড়ছেনা আর ছাড়লেও বেশী দামে বিক্রি করছে ইত্যাদি। এমন শত বায়নাক্কা তাদের। কিন্তু সব যখন কমতির দিকে তখন তাদের মুখে আবার অন্য বোল - আগে বেশি দামে কেনা ছিলে বলে এখন লোকসান দিয়ে বিক্রি করা সম্ভব নয়।
তাহলে প্রশ্ন, ১৪ তারিখের আগে তো পেঁয়াজ কম দামেই কেনা ছিলো ব্যবসায়ীদের ঘরে তা হলে ১৪ তারিখে ভারতের পেঁয়াজ আসা বন্ধ হবার কথা শুনেই দাম একলাফে বাড়লো কেনো ? এসবই ব্যবসায়ীদের লুটের ফন্দি ফিকির যার সাথে সরকারও পেরে ওঠেনা । কেন পেরে ওঠেনা, কারনটি না হয় না-ই বললুম।

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আহমেদ জী এস ভাই,
পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধির পেছনে অবস্যই অবস্যই দায়ী সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী বহর ও সরকারি কর্মকর্তা সহ সাংসদ এখানে কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু পোস্টের মূল বিষয় হচ্ছে পেঁয়াজের মূল্য নয় পেঁয়াজের অপকারিতা ও ক্ষতিকর প্রভাব।

পেঁয়াজ আমাদের নিত্যদিনের এতো প্রয়োজন হয়েছে যে পেঁয়াজ নিয়ে এখন রিতিমতো ফি বছর মনোপলি হচ্ছে। যদিও বিশ্ব বাজারে পেঁয়াজের দাম আমাদের হতাশ করে - কোন দেশে আমাদের বসবাস। বাংলাদেশে অতি চাহিদার জন্য ভোজ্যতৈলের মূল্য এখন ১০০ - ১১০ টাকা লিটার! যা বিশ্ব বাজারে অতি নিম্নমানের তৈল।

আমি মাত্র আপনার ব্লগে গিয়ে এসে দেখতে পেয়েছি আমার পোস্টে আপনার মন্তব্য। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভ কামনা জানবেন।

৩৩| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৫৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ,




পেঁয়াজের অপকারিতা ও ক্ষতিকর প্রভাবের কথাই তো স্বীকার করে নিয়েছি সাথে পেঁয়াজ ব্যবহারে আমাদের সচেষ্ট হবার কথাও,
আমার মন্তব্যের এই প্রথম লাইনটিতেই - পেঁয়াজের খোসার ভাজে ভাজে এতোদিন লুকিয়ে থাকা ক্ষতিকর বিষয়গুলো তুলে আনলেন। এই খোসার ভাজে যে এমন বিষয় লুকিয়ে থাকতে পারে তা জেনে পাঠক এবার থেকে সাবধানে পেঁয়াজের খোসা ছড়াতে সচেষ্ট হবেন।

প্রতিটি সংসারেই কি প্রয়োজনের অতিরিক্ত পেঁয়াজ ব্যবহার করা হয় ? মনে তো হয়না। এদেশের ৭০/৮০ ভাগ মানুষই দারিদ্য সীমা ঘেষা বা সে সীমার নীচেই অবস্থান করেন। তাদের কাছে অতিরিক্ত পেঁয়াজ ব্যবহার বিলাসিতা তো বটেই কেনাও হয়তো হয়না অনেক সময়। তারা কতোটুকুই বা পেঁয়াজ কিনে থাকেন ? তার পরেও দেশে বছরে পেঁয়াজের বাজার ২০/২৫ লক্ষ মেট্রিক টন। কারন পেঁয়াজ একটি দ্রুত পঁচনশীল পন্য। হয়তো ঐ ২০/২৫ লক্ষ মেট্রিক টনের ২/৩ লক্ষ টন বা তার বেশীই পঁচে যাওয়ার খাতায় থাকে।
হিসেব করলে দেখা যাবে আমাদের মাথা পিছু পেঁয়াজের ব্যবহার বছরে মাত্র ১৫ কেজি বা তার কম। অবশ্য কিছু কিছু পরিবারে এর ব্যবহার অত্যাধিক। বাজারে পেঁয়াজ কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়া মানুষের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার কতো অংশ ? এটা দেখে আমরা যে অতিরিক্ত পেঁয়াজ খাই তা বলা যাবে কি ?
তারপরেও আপনার সাথে একমত হয়ে বলি যারা অতিরিক্ত পেঁয়াজ খান বা কেনেন তাদের অবশ্যই সংযত হওয়া উচিৎ।

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:২৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আহমেদ জী এস ভাই, আপনার সাথে ১০০% সহমত পোষণ করছি। প্রতিটি খাবারের অতিরিক্ততায় ক্ষতির দিক তো অবস্যই আছে। আর যারা বাজারে হুমড়ি খেয়ে পরে বাজার দর একপাশ করে রেখে দেন তাদের জন্য ভূক্তভোগি হতে হয় সমগ্র দেশবাসীকে। আর সেই সুযোগে ব্যবসায়ীরা হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ কোটি টাকা প্রতিটি বছর।

বাংলাদেশে পেঁয়াজের উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বনির্ভর থাকার কথা কিন্তু অতি আহারে আসলেই তা শেষ হচ্ছে। নির্ভর করতে হচ্ছে ভারত পাকিস্তান বার্মা এমনকি মিশর তুরস্ক দেশের উপরও।

*** বাংলাদেশে খাদক পরিবার দেখতে হলে দেখতে হবে রেমিটেন্স ভোক্তা পরিবারদের। তাহলে জানা যায় প্রবাসের ঘাম ঝরানো টাকা তারা কি করছেন? বাংলাদেশে খাদক পরিবার দেখতে হলে দেখতে হবে উঠতি ব্যবসায়ী ট্রাভেল এজেন্ট (বর্তমানে তাদের ব্যবসা লাটে উঠেছে) গার্মেন্টস ব্যবসায়ী সহ রেডিমেড কাপড় বিক্রেতা সহ ছোট বড় মাঝারি ব্যবসায়ী সহ ব্যাংক চাকরিজীবি পরিবার ও সরকারি তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিজীবি, ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী - কে নয়?

এছাড়া ঢাকা রেলওয়ে বস্তিতে আমার দেখা বস্তিবাসী তারা মাছ মাংস ডিম ছাড়া আর কিছুই খান না। বাংলাদেশে খাবার কষ্ট করেন কয়েকটি শ্রেণী তারা কাউকে কিছু বলেন না। তারা বেসরকারি ছোট মাঝারি চাকরিজীবি ও তাদের পরিবার।

*** ঢাকা সহ মফস্বল অঞ্চলের একজন চা পানের দোকানদার যে ধরনের বাজার করেন তা একটি দেখার বিষয় বলতে পারেন। প্রতি বছর বাংলাদেশে পেঁয়াজ প্রয়োজন বেসরকারি হিসেবে ৫৫,০০,০০০ মেট্রিক টন - এই পেঁয়াজ কারা শেষ করেন? - আমাদের দেশের মানুষ।

করোনার কারণে এখন দেখা যাচ্ছে না। বাংলাদেশে এখন বিয়ে বৌভাতের অনুষ্ঠান সহ মৃত্যুবার্ষিকীও প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান।

এই দেশে মানুষের অতিরিক্ত খাবারের কারণে ঔষধ কোম্পানী থেকে শুরু করে ডায়গনষ্টিক সেন্টার ক্লিনিক হাসপাতাল ফার্মেসি ব্যবসা করে যাচ্ছে বেসুমার। ঢাকা সহ সমগ্র বাংলাদেশে খাবার রেষ্টুরেন্টগুলো প্রমাণ করে এই দেশের মানুষ খাচ্ছে বেশী।

সমগ্র ঢাকা এখন রেষ্টুরেন্ট আর মেয়েদের কাপড়ের বাজারে পরিণত হয়েছে।

৩৪| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:০৩

মা.হাসান বলেছেন: সুস্থ লোকের দিনে কম করে দুই লিটারের মতো পানি খাওয়া দরকার। কিছুটা বেশি খাওয়া ভালো- তিন-চার লিটার মতো। তবে কেউ যদি দিনে বিশ-তিরিশ লিটার পানি খেতে থাকে তবে শরীর থেকে দরকারি মিনারেল বের হয়ে সে মারা যাবে। অতিরিক্ত কিছু ভালো না। যার হাই কোলেস্টেরল তার জন্য গরু না খাওয়া ভালো। যার ডায়াবেটিস তার জন্যেও আলাদা বিধান। কিডনি রোগির বিধান আলাদা। তবে সুস্থ লোক পরিমিত ভাবে সব খেতে পারে।

দই বা ভিনিগারে এলকোহল থাকে। কিন্তু তা খুব অল্প মাত্রায়। এটা হারাম না বা কেউ একথা বলে না যে দই বা ভিনেগার খেলে এলকোহল পয়জনিং হবে। কেউ যদি এক বসায় এক বোতল ভিনেগার খায় তবে আলাদা।

আমার ধারনা ৯০এর বদলে হয়তো একটু আগে, ৮৫ বা ৮৮র পর থেকে মানুষের খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন এসেছে। আগে গ্রামে ছোটো-বড় মাছই বেশি চলতো । হঠাৎ মেহমান আসলে মুরগির ডিম। বড় মেহমান আসলে বাড়ির মুরগি। বাসায় বাজার থেকে গরু বা ছাগলের মাংস হঠাৎ কখনো আসতো। যারা শহরে থাকতেন শুক্রবারে হয়তো মাংস হতো। এখন পরিচিত অনেক বাসাতেই প্রতিদিন মাংস দেখি। এটা আগে মনে হয় ছিলো না।

আমাদের এলাকায় বিয়েতে বাধা মেনু ছিলো- পোলাও, গরু, সালাদ- শেষে জর্দা বা দই। কিছু লোক গরু খান না এদের জন্য সীমিত আকারে খাসির মাংস। রোস্ট বা টিকিয়া স্কুলে পড়ার সময় দেখি নি। অল্প আয়ের লোকেরা বিয়েতে ভাত, ডাল, মাছ এসব রাখতেন। এখন মানুষের আয় বেড়েছে, রুচিও বদল হয়েছে।

আমহেদ জী এস ভাই যেমন বলেছেন, পিয়াজ পচনশীল। আমি কারওয়ান বাজারে দেখেছি পিয়াজ ব্যবসায়ী পিয়াজের পাশে টেবিল ফ্যান লাগিয়ে রেখেছে যাতে গরমে ঘেমে পেয়াজ নষ্ট না হয়। এছাড়া আরেকটা বিষয়। পেয়াজ শুকিয়ে যায়। আপনি যদি নতুন পিয়াজ পাঁচ কেজি কিনে বিছানার নিচে বিছিয়ে রাখেন (গ্রামে রাখা হয়), তবে কয়কমাস পরে এটা আর পাঁচ কেজি থাকবে না, কমে চার কেজি বা হয়তো আরো কম হবে।

আমাদের জনসংখ্যার তুলনায় কৃষি জমি কম। আশার কথা এই যে আমরা ধান উৎপাদনের প্রায় সাবলম্বি, অধিকাংশ বছরই এখন আর আমদানি করতে হয় না। তবে তেল, ডাল, চিনি এরকম অনেক কিছুই আমদানি করতে হয়।

অন্যান্য পন্যের মূল্য নিয়ন্ত্রনে সিন্ডিকেট থাকলেও পিয়াজের দাম নিয়ে যে তুঘলকি কান্ড ঘটে তা অভাবনিয়। এর বড় কারন এই যে পিয়াজ আমদানির জন্য আমরা একটা দেশের উপর বেশি নির্ভরশিল। ভারত একদিনের জন্য বর্ডার বন্ধ রাখলে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দেন। হাতের কাছেই মিয়ানমার। মিয়ানমারের সাথে বানিজ্য বাড়ানো দরকার।

মিসর, তুরস্ক, রাশা, ইউক্রেন প্রচুর পিয়াজ উৎপাদন করে। এর মধ্যে দুটি দেশে যাবার অভিজ্ঞতা আমার আছে। আমি নিজে ঐ দেশ গুলোতে ১৫ টাকা কেজি বা আরো কম দামে খোলা বাজারে পিয়াজ বিক্রি হতে দেখেছি। দূর থেকে আমদানিতে খরচ কিছুটা বেশি হলেও ভারতের আভ্যন্তরিন উৎপাদন যাচাই করে আমাদের নিজেদের আমদানির অপশন বাড়ানো দরকার।

যতটা জানি আপনি কৃষির সাথে যুক্ত আছেন। পিয়াজ আবাদের সমস্যা আমার চেয়ে আপনি অনেক ভালো জানেন। ভালো বীজ এবং ন্যায্য মূল্যের নিশ্চয়তা পেলে কৃষক নিশ্চয়ই আবাদ বাড়াবে। কৃষি মন্ত্রনালয় সেই কাজ করার আগ পর্যন্ত বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের দায় কম না।

চোখে ছানি পুরুষ-মহিলা সবার চোখেই পড়ে, যারা রান্না ঘরে কাজ করেন, করেন না- সবারই হতে পারে। জৈন-সাত্বিক হিন্দু (যারা পিয়াজ খান না) তাদের চোখেও পড়ে। ছানির একাধিক কারণ আছে। পিয়াজের রসের কারণে ছানি হয় এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে বলে জানা নেই।

অশেষ শুভ কামনা।

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:০৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




প্রথমেই অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনার আমার মন্তব্য দিয়ে আলাদা পোস্ট হতে পারতো তাতে করে ব্লগারগণ দেখতে পেতেন। এখন পুরাতন পোস্ট ভেবে কেউ হয়তো আর নকুন করে পড়ার আগ্রহ করছেন না। অথচ পোস্টের বাটার পার্ট চলছে এখন আপনার আমার মন্তব্যে। - এটাই দুঃখ।

আপনার আমার মন্তব্য থেকে অনেক অনেক স্মৃতি মনে পরছে যা ব্লগে ক্রমান্ময়ে পোস্ট দিবো। এখন বিয়ে বাড়ি মানেই আনন্দ। অথচ ৭০ ও ৮০ এর দশকে আনন্দের পাশাপাশি ছিলো আতঙ্ক, যৌতুক, বিয়ে ভাঙ্গা ইত্যাদি।

বাংলাদেশের লোকজন শুধুমাত্র চাকরি নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য সহ সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া যেতে পারেন এছাড়া ষ্টুডেন্ট ভিসাতে নানা দেশে যাচ্ছেন অথচ ভারত শ্রিলংকা ফিলিপাইন চীন সমগ্র বিশ্বে চাকরি নিয়ে যাচ্ছেন - এটি হচ্ছে সরকারি দক্ষতা যা আমাদের সরকারের কোনোকালেই ছিলো না। নানা দেশে পেঁয়াজ চাষ হলেও বাংলাদেশ ভারতের কাছে অলিখিত চুক্তিবদ্ধ ও দায় - আমরা নিশ্চুপ দর্শক মাত্র।

বাংলাদেশে কৃষকদের হত্যা করা হয়েছে অবাধ টিভি চ্যানেল দিয়ে। আর কৃষক হত্যার পাশাপাশি হত্যা হয়েছে আখ চাষ, পাট চাষ, গম চাষ সহ হত্যা হয়েছে চিনিকল ও পাটকল।

আপনি সঠিক জানেন আমি কৃষি কাজের সাথে জড়িত আছি। বাংলাদেশে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম হতে হবে ৫০ - ৭০ টাকা কিলোগ্রাম তাহলে বাংলাদেশের কৃষক লাভবান হবেন। আপনি লক্ষ্য করবেন যখনি বাংলাদেশের পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু হবে ভারত তার পেঁয়াজ বাংলাদেশের জন্য মুক্তবাজার করে দিবে এবং বাংলার কৃষক আবার হত্যা হবেন।

***
বাংলাদেশের বাজারে নিজস্ব পেঁয়াজ স্টক যখন শূন্যের কোটায়, তখন ভারত বাংলাদেশকে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিলো, (আপনার ২০১৯ এর কথা খুব ভালো মনে আছে) বাংলাদেশ তখন মরিয়া হয়ে বার্মা, তুরস্ক, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করে, এদিকে পেঁয়াজের খুচরা বাজার মূল্য ২০০-২৫০ টাকা কিলো পৌছেছে।

বাংলাদেশের কৃষকরা জান প্রাণ লাগিয়ে দিলো পেঁয়াজ চাষে, আমি আবারো বলছি বাংলাদেশের কৃষকরা প্রাণ বাজি ধরে ফেললো পেঁয়াজ চাষে! এই আশায় যে পেঁয়াজ ৫০ - ৭০ টাকা কিলো বিক্রি করতে পারলে কৃষকরা ঘরের জং ধরা নষ্ট টিনের চাল বদলাবেন/অথবা ঘরে দুধের গাভি কিনবেন/জীবনে শখ করে স্ত্রীকে কিছু দিতে পারেন নি এবার হয়তো রুপার একজোড়া বালা বা একজোড়া কানের দুল কিনে দিবেন। - কৃষকরা স্বপ্ন দেখতে লগলেন আর রোদে পিঠ পুড়তে লাগলেন, শীতের কামড়ে হাত পা ফাটিয়ে ফেললেন --- --- ---

যেই বাংলাদেশের ফসলি জমির পেঁয়াজ উঠা শুরু হলো আমাদের বন্ধু দেশ ও দয়ার সাগর ভারত তাদের পেঁয়াজ আমাদের জন্য উন্মুক্ত করে দিলেন। যেখানে আমাদের চাষীদের পেঁয়াজ চাষে উৎপাদন খরচ কিলো দরে গড়ে ২২ - ২৫ টাকা সেখানে বাংলাদেশের চাষীরা কতো দামে পেঁয়াজ বিক্রি করলে বর্তমান খুচরা বাজার দর ৪০ টাকা কিলো হতে পারে? উত্তর: ২৫ - ২৮ টাকা কিলো।

বন্ধু দেশ ও দয়ার সাগর ভারত জুয়ার স্টেকের মতো বাংলাদেশে পেঁয়াজ নিয়ে স্টেক দেন। আমরা সব সময় হারি, এই ধরনের হেরে যাওয়াতে আনন্দ নেই, তারপরও আমরা হাসি বন্ধু দেশ বলে কথা। ভারতীয় পেঁয়াজ বাংলাদেশে এ বছর ৩০ - ৩৫ টাকা কিলোগ্রাম বিক্রি হয়েছে তাতে করে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন বাংলাদেশের কৃষক।

চোখের ছানি বিষয়টি একটি উদাহরণ মাত্র। একজন মানুষের চোখ নষ্ট হতে যদি দীর্ঘ সময় নেয় তাতে করে কে কিভাবে জানবেন স্মার্টফোন দায়ী নাকি পেঁয়াজ? গ্রামের মহিলা সহ বাসা বাড়ির কাজের বুয়াদের চোখে ছানি পরার কারণ হতে পারে দীর্ঘ সময় চুলার পাশে থাকা ও পেঁয়াজ কাটা - কারণ তারাতো স্মার্টফোন ব্যবহার করেন না। গ্রাম এলাকায় ফসলি জমিতে যিনি বিষ প্রয়োগ করেন তিনি নিজেও জানেন না তার ক্যান্সার কেনো হয়েছে? - তিনি ধরে নেন তার ক্যান্সারের কারণ হুক্কা বিড়ি সিগারেট! এটি কি সম্ভব বিষের গ্যাসে তার ফুসফুস আক্রান্ত হয়েছে সেখানে সিগারেটের ধোঁয়া আঘাত করেছে, সম্ভব কি? চোখ নানা কারণে নষ্ট হতে পারে তারমধ্য পেঁয়াজের রস দায়ী হতে পারে সম্ভবনা উড়িয়ে দেওয়ার মতো কারণ নেই।

পেঁয়াজের রসের কারণে ছানি হয় এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে বলে জানা নেই - কারণ চোখের ছানি হলে অপারেশন করা হয়, কি কারণে ছানি হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হয় না, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে জানতে পারছি বিজ্ঞানীরা আকাশ, টিভি সেলফোন, ইন্টারনেট নিয়ে ব্যস্ত! তারা রোগশোক সামলাতে কবিরাজি ঔষধ আর মাস্ক ব্যবহার ছাড়া পথ্য দিতে পারছেন না।

দিন দিন প্রমাণ হচ্ছে বিজ্ঞান প্রকৃতির কাছে খুবই দুর্বল একটি বিষয়। মানুষ পৃথিবীতে টিকে আছে মানুষের সারভাইভাল দিয়ে।

আপনার জন্যও অশেষ শুভ কামনা।


৩৫| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:২৮

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: যারা ভাত,সিংগারার সাথে কাঁচা পেয়াজ খায়,এরা আমার চোখের বিষ। নিজের পকেটে টাকা দিয়ে পেস্ট কিনে দেয় দাঁত মেজে আসার জন্য। সে যাইহোক, পেয়াজের দাম এখন বেশি বাঙালীর কাছে পেয়াজ অমরৃত এক সবজির নাম। পেঁয়াজের স্বাদ,গুন, এখন অনেকাংশেই বেড়ে যাবে। মুখের দুর্গন্ধ না উল্টে মাউথ ওয়াসার হিসেবে কাজ করবে। বিশ্বাস না হলে ৩০০ টাকা কেজি দিয়ে নিয়ে আসুন

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৪০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আমার পোস্টে আপনাকে স্বাগতম। আসলেই সত্যি বলেছেন পেঁয়াজ বাংলাদেশের সাধারণ মসলার নাম না এটি বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাদ্য তালিকায় উঠে যাওয়া নাম। যে কোনো খাবার পরিমিত আহারে মানুষ সুস্থ থাকেন। বাংলাদেশের আদীবাসীদের লক্ষ্য করে দেখতে পারেন তারা আহার করেন পরিমিত এই কারণে তারা সুস্থ আছেন অবস্য তারা জাতি হিসেবে কঠোর পরিশ্রমী।

আপনি সঠিক বলেছেন দেশে পণ্যর মূল্যবৃদ্ধির সাথে ভোক্তার উন্মাদনা জড়িত আছে। আর কিছু হোক আর না হোক পেঁয়াজে মানুষের মুখে দুর্গন্ধ হয় এখানে দ্বিমত করার লোক বিশ্বে পাওয়া যাবে না।

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩৬| ১৪ ই অক্টোবর, ২০২০ রাত ১১:২৮

ঢুকিচেপা বলেছেন: বেশ ক’দিন আপনাকে দেখছি না। ঠিক আছেন তো ?

৩৭| ১৮ ই অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৩:০০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ঠাকুর মাহমুদ ভাই,

শরীর কেমন আছে? অনেক দিন আপনাকে না দেখে চিন্তায় আছি।প্লিজ দেখা দিয়েন.....

৩৮| ২৭ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৮:৩৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



সুপ্রিয় ঠাকুর মাহমুদ ভাই,

কেমন আছেন? অনেক দিন আপনাকে না দেখে খুবই চিন্তায় আছি।
দোয়া করি যেখানে যে অবস্থায় থাকুন , আল্লাহ যেন ভাল ও সুস্থ
রাখেন ।

৩৯| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:২১

ইসিয়াক বলেছেন: প্রিয় মাহমুদ ভাইয়া কোথায় আপনি? নিশ্চয় ভালো আছেন। অনেক অনেক দোয়া রইলো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.