নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি কেমন করে গান করো হে গুনী, আমি অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি ।।

ঠাকুরমাহমুদ

sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful

ঠাকুরমাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

হুমায়ূন আহমেদের - অমানুষ ও কাজী আনোয়ার হোসেনের - অগ্নিপুরুষ

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৫:৪৬



এখানে একজন মানুষ ঘুমিয়ে আছে
তাঁকে শান্তিতে ঘুমোতে দাও।

- একটি ইতালিয়ান সমাধিলিপি।

"এক সময় থেমে যাবে সমস্ত কোলাহল,
ঘুমিয়ে পড়বে ধরণী।
আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারাটা মিটমিট করলে
বুঝবে আমি তোমায় ডাকছি।
সে-রাতে তুমি জেগে থেকো, বন্ধু, ঘুমিয়ে পড়ো না।

আর, হ্যাঁ, ফুলের গন্ধ পেলে,
বুঝে নিয়ো আমি আসছি।
আর যদি কোকিল ডাকে,
ভেব আমি আর বেশী দূরে নেই।

তারপর হঠাৎ ফুরফুরে বাতাস এসে তোমার গায়ে লুটিয়ে পড়লে,
বুঝবে আমি এসেছি।
সে রাতে তুমি জেগে থেকো, বন্ধু, ঘুমিয়ে পড়ো না।”

- বাংলাদেশী দুঃসাহসী এক যুবককে ইতালিয়ান এক বালিকার উপহার দেওয়া একটি গান।


১৯৮০ সনে প্রকাশিত বৃটিশ থ্রিলার সাহিত্যিক এ জে কুইন্যালের লেখা “ম্যান অন ফায়ার” উপন্যাসের কাঠামো থেকে ১৯৮৩ সনে একটি গল্প লিখেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। সেবা প্রকাশনীর প্রতিষ্ঠাতা কাজী আনোয়ার হোসেন সাহেবের অনুরোধ ও সহযোগিতায় হুমায়ূন আহমেদ সাহেব “অমানুষ” নামক থ্রিলার গল্পটি লিখেন। অমানুষ প্রথমে কাজী আনোয়ার হোসেন সাহেব সম্পাদিত রহস্য পত্রিকায় ধারাবাহিক থ্রিলার হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয়, পরবর্তীতে ধারাবাহিক লেখাটি একটি সম্পূর্ণ গল্প বই আকারে প্রকাশিত হয়। গল্পের মূল চরিত্র বাংলাদেশের একজন যুবক, যার নাম জামশেদ।



এছাড়া ১৯৮৫ সনে একই প্লটে আরোও একটি গল্প দুই পর্বে প্রকাশিত হয়। গল্পটি লিখেন - বাংলাদেশের জনপ্রিয় গল্প চরিত্র মাসুদ রানার স্রষ্টা কাজী আনোয়ার হোসেন। অগ্নিপুরুষ -১ ও ২। মাসুদ রানা সিরিজের দুই পর্বে সমাপ্ত অগ্নিপুরুষ ১ ও ২ গল্পের মূল চরিত্র মাসুদ রানা। যারা গল্প উপন্যাস পড়তে পছন্দ করেন তারা নিঃসন্দেহে “অমানুষ ও অগ্নিপুরুষ দুইটি বই পড়তে পারেন।

আমি বই পড়তে ও ছবি দেখতে পছন্দ করি, অবসরে বই পড়ি ছবি দেখি। এ জে কুইন্যালের লেখা ম্যান অন ফায়ার গল্পের প্লটে তৈরি তিনটি সিনেমা যথাক্রমে “ম্যান অন ফায়ার ১৯৮৭, ম্যান অন ফায়ার ২০০৪” আমি দেখেছি এবং অমিতাভ বচ্চনের অভিনীত ভারতের তৈরি “এক আজনবী” ও দেখেছি। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের গল্প অমানুষ বা কাজী আনোয়ার হোসেনের লেখা অগ্নিপুরুষ গল্পের ধারে কাছে এই তিনটি সিনেমার একটিও পৌছাতে পারেনি।



পৃথিবীতে বিনিময় ছাড়া কিছুই নেই। ভালোবাসারও বিনিময় আছে। ভালোবাসার বিনিময় ভালোবাসা। ভালোবাসার ঋণ শোধ করতে হয় ভালোবাসা দিয়েই। গল্প অমানুষ ও অগ্নিপুরুষে বাংলাদেশের সন্তান জামশেদ ও মাসুদ রানা ভালোবাসার বিনিময়ে ভালোবাসা দিয়েই ঋণ শোধ করেন। দীর্ঘদিন অথবা আমার ধারনা হয়তোবা আজীবন মনে রাখার মতোই গল্প অমানুষ ও অগ্নিপুরুষ।

শেষ কথা: ব্যক্তিগতভাবে আমি কাজী আনোয়ার হোসেন সাহেব ও হুমায়ূন আহমেদ সাহেবের কাছে চিরঋণী ও চিরকৃতজ্ঞ। সেই গল্প অন্য একদিন হবে কখনো। আসছে বই মেলা ভিত্তি করে অনেকেই অনেক বই পড়ার আগ্রহ করতে পারেন বই পড়তে পারেন। নতুন নতুন লেখা বই পড়ুন। তবে পুরাতন গল্প হুমায়ূন আহমেদের লেখা অমানুষ ও কাজী আনোয়ার হোসেনের লেখা অগ্নিপুরুষ পড়ে দেখতে পারেন। একটি লেখা একটি গল্প একটি বই কতোটা শক্তিশালী হতে পারে আশা করি বই দুইটি পড়ে নিজেই অনুধাবন করতে পারবেন। সবাইকে ধন্যবাদ।



কৃতজ্ঞতা স্বীকার: সামহোয়্যারইন ব্লগ। নির্বাচিত পোষ্টে “উক্ত লেখাটি” স্থান দেওয়াতে সামহোয়্যারইন ব্লগ কর্তৃপক্ষকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।


মন্তব্য ৬২ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৬২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৫:৫২

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: দুটই পড়া আছে অনেক অনেক আগে।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:০০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। বইগুলো সত্যি সত্যি পড়ার মতো ও দীর্ঘদিন অথবা অনন্তকাল মনে রাখার মতো।



২| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৫:৫৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


দুটি বইই অসাধারণ। আমার কালেকশন থেকে কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছে বই দুটো। বইমেলায় সংগ্রহ করার চেষ্টা করবো।

বইগুলোর কথা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্যে ধন্যবাদ নিরন্তর।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:০৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



মানুষ হারানো গেলে মানুষও ফিরে পাওয়া যায়। বই আর ছাতা হারানো গেলে ফিরে পাওয়া দুস্কর থেকে মহাদুস্কর। আমি বই ও ছাতা হারানো নিয়ে লিখবো। আপানাকে অগ্রিম দাও্য়াত।

অর্থাৎ বইয়ের কথা মনে করিয়ে উপকার করেছি। সত্যপথিক শাইয়্যান ভাই আমার এই লেখা সার্থক। আপনাকেও ধন্যবাদ নিরন্তর।


৩| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৫:৫৮

সাসুম বলেছেন: আপনার মতই মূল বই, ড্যাঞ্জেল এর মুভি, অমানুষ এবং অগ্নিপুরুষ সব পড়ার পর উপলব্দি-

কাজীদার অগ্নিপুরুষ বেস্ট! মজার একটা কথা আছে- এই বইতে ১ম সংস্করনে রানাকে কবরে নামানো দেখায় বাট প্রচুর মানুষ এটার বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়। এরপর পরের রিভিশনে হিন্টস দেয় রানা বেচে আছে। বাজারে এখন যেসব বই পাওয়া যায় সেগুলা আপডেট সহ!


রানা সিরিজের বেস্ট বই। লুবনার জন্য ভালোবাসা

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:২১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



“লুবনার জন্য ভালোবাসা”

মেজর জেনারেল (অবঃ) রাহাত খান কফিন ধরে কবরে নেমেছেন পড়ে বুক ফেটে কান্না আসার মতো অবস্থা। যে কোনো ভাবে যে কোনো মূল্যে মাসুদ রানাকে ফিরে চাই। সেই সময়, আমি নিজেও সেবা প্রকাশনীতে চিঠি লিখেছি।

মাসুদ রানার সিরিজের বই বার হলেই কিনে নিতাম, নতুন বইয়ের ঘ্রাণ আজও মনে পড়ে। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।


৪| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:০৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: অমানুষ পড়েছি , যেহেতু রানা সিরিজ পড়া হয়ে উঠে নাই তাই অগ্নিপুরুষ পড়া হয় নাই।
পড়ে ফেলবো এখন, ধন্যবাদ বইগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়ার জন্য।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৫৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



যেহেতু অমানুষ পড়েছেন জামশেদকে খুব ভালোভাবে মনে থাকার কথা। জামশেদের কথা মনে হলেই মন খারাপ লাগে। অমানুষ ও অগ্নিপুরুষ পড়ার মতো ও মনে রাখার মতো গল্প। আর বইগুলোও সংগ্রহে রাখার মতো। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।



৫| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:১৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


বই দুটো রকমারীতে ওর্ডার দিয়ে দিয়েছি। ২-৩ দিনের মাঝে চলে আসবে। দারুণ!

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৫৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ধন্যবাদ সত্যপথিক শাইয়্যান ভাই। অমানুষ ও অগ্নিপুরুষ পড়ার মতো ও মনে রাখার মতো গল্প। আর বইগুলোও সংগ্রহে রাখার মতো। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৬| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৪৯

নতুন বলেছেন: অমানুষ, অগ্নিপুরুষ, ম্যান অন ফায়ার তিনটা কাহিনিতে তিন রকমের অনুভুতি আছে।

জমসেদের জন্য চোখে পানি এসেছিলো কারন হুমায়ুন আহমেদ অন্য রকমের আবেগ পাঠকের মন ভরিয়ে দিয়েছিলো। যেটা ম্যান অন ফায়ারে পড়ে বা ছবি দেখে বাঙ্গালী পাঠকের আবেগটাকে ঠিক সেই ভাবে ছুতে পারেনি।

ডেনজেলের জন্যও চোখে পানি এসেছিলো। ছবিটা ২/৩ বার দেখেছি, প্রতিবারই চোখ ভিজেছে।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:০৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



জামশেদের কথা মনে হলেই মন খারাপ লাগে। সত্যি সত্যি চোখে পানি আসার মতোই গল্প। হুমায়ূন আহমেদের অমানুষ আর কাজী আনোয়ার হোসেনের অগ্নিপুরুষ নিঃসন্দেহে অনন্য এক সৃষ্টি।

আরব দেশ নিয়ে আমার খুব মজার মজার এবং খুবই দুঃখজনক স্মৃতি আছে আমি সময় করে লিখবো।
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৭| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:০৮

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আমি মাসুদ রানার ঐ একটা বই ই শেষ পর্যন্ত পড়েছি। মুগ্ধ হয়েছি। বাকি সব বই কেমন জানি অতিরঞ্জিত মনে হয়েছে। সম্ভবত মাছুদ রানা ধাঁচই এমন।


অমানুষ এর কথা কি বললো! অনেক বেশী মানবিক। লেখক হুমায়ুন আহমেদ জাদুকর। উনি কাঁদাতে পারেন।


১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



বাংলাদেশের মানুষকে বই কিনে বই পড়তে হবে এটি শিখিয়েছেন কাজী আনোয়ার হোসেন আর হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদ মানুষের মনের কথা পড়তে পারতেন তিনি সত্যি সত্যি যাদুকর ছিলেন।

কিছু বইই এমন হয়ে মানুষের মনে চিরোদিনের জন্য দাগ কেটে যায়। অমানুষ ও অগ্নিপুরুষ তাঁদের মধ্য অন্যতম।
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৮| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১১

সাসুম বলেছেন: একটা লুপহোল আছে অগ্নিপুরুষ এ। সেইম লুপহোল টা মূল বইয়েও আছে।

মূল বইয়ের ক্রিসি কিংবা আমাদের রানা- করাপ্ট পুলিশ অফিসার টার রেক্টামে চার্জার, সি ফোর আর ডিটোনেটর ফিট করে আসে।
এখন এমন বিস্ফোরণ হয় তাতে বোম তার রেক্টামের ভেতর সব মিলিয়ে এমন ভাবে বিস্ফোরিত হয় কোন কিছুই অবশিষ্ট থাকেনা। সেখানে ইন্সপেক্টর মাত্র অল্প সময়েই বুঝে যায় রেক্টামে বোমা বেধে রেখেছিল। এটা তো বুঝার কথাই না এত অল্প টাইমে, কিন্তু কাহিনি তে দেখায় পুলিশ বের করে ফেলেছে কিভাবে আর কোথায় বোমা ফিট করিয়ে মেরেছে।

বিঃদ্রঃ প্রিয় মুভি আর বই হওয়াতে এত বেশি বেশি বার দেখছি আর পড়ছি যে সব মুখস্ত হয়ে গেছে

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৩০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আমারও অনেক অনেক প্রিয় গল্প। আমার আরেকটি প্রিয় গল্পের বই মারিও পুজোর গড ফাদার, এবং গড ফাদার মুভি। এতো মজাদার বই খুব কম মিলে। গড ফাদার মুুভি ও গড ফাদার গল্পের ছায়া এতো এতো সিনেমায় কপি, অনুকপি নেওয়া হয়েছে যে হাতের বিশ আঙুলে গুনে শেষ করা যাবে না।

গত কিছুদিন আপনার মন্তব্য পড়ে আমি প্রচুর হেসেছি। চিরন্তন বাস্তব এতো হাস্যকর করে তুলে মন্তব্য করেছেন যার তুলনা আপনি নিজে। ভাই সেরা সেরা আপনিই সেরা এই মন্তব্যটি কোট করার মতো।

বিচিত্র কারণে জানতে চাইছি আপনি রান্না জানেন কেমন?

৯| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:২৮

অপু তানভীর বলেছেন: অগ্নিপুরুষ থেকে আমার কাছে অমানুষটা বেশি পছন্দ। অগ্নিপুরুষে কাহিনী অনেক বেশি ডিটেইলস লেখা, অমানুষ এ বলা যায় সংক্ষেপ। এই জন্যই হয়তো। অথবা আমি হুমায়ূন ভক্ত বলেই হয়তো।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৩৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



অগ্নিপুরুষ থেকে আমার কাছে অমানুষটা বেশি পছন্দ। অগ্নিপুরুষে কাহিনী অনেক বেশি ডিটেইলস লেখা, অমানুষ এ বলা যায় সংক্ষেপ। এই জন্যই হয়তো। অথবা আমি হুমায়ূন ভক্ত বলেই হয়তো। - আপনার মন্তব্য ও চিন্তা সম্পূর্ণ সঠিক।

আপনাকে মজাদার একটি তথ্য দিচ্ছি জামশেদ আর মাসুদ রানা একই ব্যক্তি! লুবনার জন্য মন খারাপ লাগে তবে জামশেদের জন্য খুব বেশী মন খারাপ লাগে।

অমানুষ পড়ে যিনি নিজেকে নিজে জামশেদ ভেবেছেন তিনি অমানুষ পড়েছেন, বুঝতে পেরেছেন, এবং গল্পের গভীরে যেতে পেরেছেন। অমানুষ আমার খুবই প্রিয় একটি বই ও জামশেদ আমার অত্যন্ত প্রিয় একটি চরিত্র।


১০| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৪৫

শেরজা তপন বলেছেন: মাসুদরানার সিরিজের খুব কম সংখ্যক বই আমার পড়া হয়েছে। সৌভাগ্যক্রমে অগ্নিপুরুষ কমন পড়ে গেছে :)
হুমায়ুন আহমেদের 'অমানুষ'-এর তুলনা হয় না।
------------------------------------------------
~যখন থামবে কোলাহল
ঘুমে নিঝুম চারিদিক
আকাশের উজ্জল তারাটা
মিটমিট করে শুধু জ্বলছে
বুঝে নিও তোমাকে আমি ভাবছি
তোমাকে কাছে ডাকছি
ঘুমিয়ে পড়ো না বন্ধু আমার
জেগে থেকো সেই রাতে
যখন থামবে কোলাহল
ঘুমে নিঝুম চারিদিক...

আপনার উদ্ধৃত কবিতাটার সাথে এই রুনা লায়লার '৮৭ সালের গাওয়া এই গানটার লিরিক্সের দারুন মিল পেয়ে বিস্মিত হলাম!!

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৫৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



যখন থামবে কোলাহল গান
শিল্পী - রুনা লায়লা
গীতিকার - মাসুদ করিম (কাজী আনোয়ার হোসেন সাহেবের বন্ধু)
সুরকার - সুবল দাস (কাজী আনোয়ার হোসেন সাহেবের বন্ধু)
মূল ভাবানুবাদ - কাজী আনোয়ার হোসেন

অমানুষ ও অগ্নিপুরুষ পড়ার মতো বই। আপনি পড়েছেন আপনি জানেন এর শক্তি। পাঠক মনে এই গল্প অনন্তকাল মনে রাখার মতো। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১১| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৮:২০

সোবুজ বলেছেন: কান্নাকাটি আমার একটুও ভাল লাগে না।আমার ভাল লাগে জীবনের গল্প সংগ্রামের গল্প।জীবন সংগ্রামের গল্প।এমন লেখক খুব কম।যার জন্য পড়াও হয়েছে খুব কম।এখন যদি পড়তেও বসি আপনার কথা শুনে তবে হয়তো শেষ করতে পারবো না।
একটাও পড়া হয় নাই এবং দেখা হায় নাই।আপনি যে গরম ভাত আলু ভর্তা আর ডাল দিয়ে খাবার কথা লিখেন সেগুলো পড়ে অনেক আনন্দ পাই কারন তাতে জীবনের কথা লেখা থাকে।ভাল থাকবেন।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৯:৫৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনি সঠিক বলেছেন। আমার আসলে পাঠক বুঝে লেখালেখি করা প্রয়োজন। আমি এখন অবশ্যই বিবেচনা করে আগামী পোস্ট লিখবো। এবং আমার বিবেচনাগুলো শেয়ার করে নিচ্ছি।

১। পাঠকরা কেমন লেখা পছন্দ করেন?
২। আমার কাছে কেমন লেখা আশা করেন?
৩। কি ধরনের লেখা আমার দ্বারা লেখা সম্ভব?

ধর্মীয় ও রাজনীতি বিষয়ক লেখালেখি থেকে আমি অবসর নিয়েছি। তাই আগামীতে জীবনমুখী লেখা লিখবো। অত্যন্ত প্রয়োজনীয় মন্তব্য করেছেন এবং আপনার মতামতের জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।

১২| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১০:৪১

ইসিয়াক বলেছেন: একসময় সেবা প্রকাশনী প্রতিটা বই বের হবার সাথে সাথে মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটের নিউজ পেপারের দোকান থেকে সংগ্রহ করতাম। কোন বই বাদ দিতাম না। তখনকার প্রতিটা বই ছিল অনন্য কিশোর ক্লাসিক,ওয়েস্টার্ন , অনুবাদ, তিন গোয়েন্দা ( রোমান্টিক সিরিজ বাদে) কি চমৎকার ছিল দিনগুলো। একটু বড় হতে মাসুদ রানা ধরলাম তবে লুকিয়ে পড়তাম। মা রাগ করতেন। হুমায়ুন আহমেদ ও তখন থেকে পড়তাম। প্রকাশিত হবার সাথে সাথে কিনে আনতে আনতে রাস্তায় দুচার পাতা পড়া হয়ে যেত। অগ্নিপুরুষ ও অমানুষ পড়েছি। চমৎকার দুটি বই। অগ্নিপুরুষ সংগ্রহে আছে। অমানুষটা সম্ভবত কেউ পড়তে নিয়ে আর ফেরত দেয়নি।
পোস্টে ভালো লাগা প্রিয় মাহমুদ ভাই।
শুভ কামনা সতত।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১১:১৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



মানুষের সবচেয়ে ভালো বন্ধু “বই”। কথাটি কে বলেছেন আমার সঠিক মনে নেই তবে কথা সত্যি। বাংলাদেশে সবচেয়ে কম মূল্যে যে প্রকাশনী বই প্রকাশনা করেছেন তার নাম সেবা প্রকাশনী। সেবা প্রকাশনী বাংলাদেশের মানুষের কাছে কতোটা জনপ্রিয় ছিলো তা কল্পনাতীত। একটি কথা প্রচলিত ছিলো - সেবা বই প্রিয় বই।

ইসিয়াক ভাই আপনার জন্যও শুভ কামনা রইলো।

১৩| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১০:৫৪

কাছের-মানুষ বলেছেন: বই দুটি পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়ল। আমি বই পড়লে বেশীরভাগ সময়েই উপন্যাসের নাম মনে থাকে না, তাই অমানুষ পড়েছিলাম কিনা মনে নেই, তবে মাসুদ রানা অল্প পড়া হয়েছে আমার।

হুমায়ুন আহম্মেদের একটি বৈশিষ্ট্য তিনি বাংগালীদের পালস বুঝতে পেরেছিলেন, তাই গল্প উপন্যাসে একটি মায়া এবং আবেগ তৈরি করতে পারতেন, সংলাপে বাস্তবতার ছোয়া এবং শব্দের অহেতুক কচলাকচকি করতেন না, তার উপর তার হিউমার এবং বুদ্ধিবৃত্তিক প্লটে পাঠক মোহিত হত এবং হয়। তিনিই স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সাইন্স ফিকশান লেখেন, তবে কেন যে বেশী লেখলেন না! তারমত মেধাবীর আরো অনেক কিছু দেবার ছিল এই জেনরিতে!

বই দুটি সংগ্রহ করার ইচ্ছে আছে। আপনার লেখা ভাল হয়েছে।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১১:১৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



মানুষ হিসেবে আমি এমন একজন যে নিজেকে অত্যন্ত গর্বের সাথে সময়ের সাক্ষী কালের সাক্ষী বলতে পারি। হুমায়ূন আহমেদ অনেক অনেক লেখা উপহার দিতে পারতেন। একই বিষয় সাপ্তাহিক যায়যায়দিন এর শফিক রেহমান স্যারের বেলায়ও প্রযোজ্য। “সঙ্গদোষে লোহা ভাসে” - আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

হুমায়ূন আহমেদের তারা তিনজন, তোমাদের জন্য ভালোবাসা সহ প্রতিটি সাইন্স ফিকশন অনন্য ও একক সৃষ্টি।

আপনার সাইন্স ফিকশন আমি পড়ি। আপনার লেখাগুলো বেশ প্রাঞ্জল এবং পরিচ্ছন্ন যাতে করে মনে হয় গল্প নয় সত্যি। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।


১৪| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১২:০৩

নীল আকাশ বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদের অমানুষ গল্পটা একটা অসাধারণ অনুবাদ। স্বাগত এত চমৎকার অনুবাদ আমি খুব কম পড়েছি। এ লেখাটার যতবার পড়ছি ততবার মুগ্ধ হয়েছি। ‌ একজন কন্টাক্ট কিলারকে কতটা মানবিক ভাবে উপস্থাপন করা যায় সেটা উনি উনার পারদর্শিতার মাধ্যমে দেখিয়েছেন।
এটাই হুমায়ূন আহমেদের মুনশিয়ানা। লেখায় অপ্রয়োজনীয় অংশ উনি কখনোই লিখতেন না।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১:১৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



মার্সেনারীদের জীবন অনেকটা জামশেদের মতোই। আমার জীবনে পড়া চমৎকার দুইটি বই অমানুষ ও অগ্নিপুরুষ।

পৃথিবীতে বিনিময় ছাড়া কিছুই নেই। ভালোবাসারও বিনিময় আছে। ভালোবাসার বিনিময় ভালোবাসা। ভালোবাসার ঋণ শোধ করতে হয় ভালোবাসা দিয়েই। গল্প অমানুষ ও অগ্নিপুরুষে বাংলাদেশের সন্তান জামশেদ ও মাসুদ রানা ভালোবাসার বিনিময়ে ভালোবাসা দিয়েই ঋণ শোধ করেন। দীর্ঘদিন অথবা আমার ধারণা হয়তোবা আজীবন মনে রাখার মতোই গল্প অমানুষ ও অগ্নিপুরুষ।

নীল আকাশ ভাই, আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও ভালোবাসা।

১৫| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১২:৪১

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: Léon: The Professional মুভিটা দেখেছেন নিশ্চয়ই। যদি না দেখে থাকেন তবে একটা রাত বরাদ্দ করুন মুভিটার জন্য।


১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১২:৫৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আপনিও কি ছবিভক্ত মানুষ? Leon: The Professional ছবিটি আমি দেখেছি বেশ কয়েকবার। খুবই চমৎকার ছবির কাহিনী। আপনি কি ববি দিওল অভিনীত ভারতীয় ছবি “বিচ্ছু” দেখেছেন? বিচ্ছু সিনেমা Leon: The Professional হতে কপিকৃত বা ছায়া অবলম্বনে তৈরি। বিচ্ছু ছবিটিও সুন্দর।

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: - শব্দ দূষন, বাংলাদেশে গান বাজনা ওয়াজ আতশবাজী লাউড স্পিকার গাড়ির হর্ন ইত্যকার বিষয় নিয়ে আমি লিখবো।

১৬| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১২:৪৪

সাসুম বলেছেন: @ স্বপ্নবাজ সৌরভঃ এই মুভির সাউন্ডট্র‍্যাক চালানো ছাড়া কোন রাত কাটেনি আমার গত ১০ বছরে!

কি মুভি!! আহারে জীবন! আহা জীবন

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১:০৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আপনাকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য দিচ্ছি খুব সম্ভব তথ্যটি আপনার জানা আছে তারপরও দিচ্ছি কারণ আমার মনে হচ্ছে আপনি ছবি পছন্দ করেন।

“ছবি দেখতে হয় ছবি দেখার মতো বোঝার মতো সঙ্গী নিয়ে, নয়তো একা” Leon: The Professional ছবিটির মূল একটি আকর্ষন ছবির সাউন্ডট্র্যাক থিম। যারা ছবি বুঝে না তাদের Leon: The Professional না দেখাই ভালো।

আহারে জীবন! আহা জীবন - জীবন এমনই হয়। না চাইলেও হয়। চাইলেও হয়।

আপনি মন খারাপ করে আছেন, তাই আপনার জন্য এনরিক ইগলেসিয়াসের একটি গান।


১৭| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ২:০৮

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আমি মুভিখোর ছিলাম বলতে পারেন। এখন আর দেখা হয় না। লাস্ট উপভোগ করেছি দ্যা পার্জ।
জ্বী বিচ্ছু দেখেছি। মজাই লেগেছিল।
ঠিক বলেছেন যারা ছবি বোঝে না তাদের না দেখাই ভালো।
Leon: The Professional কে একটা মিষ্টি প্রেমের গল্প বলে চালিয়ে দেয় অনেকে। বুঝুন অবস্থা!!



@সামুস ভাইঃ আহা জীবন । আহারে জীবন। ছবিটা আপনার জন্য।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ১:২১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




সময় কাল বিশাল বড় বিষয়। সময় কাল পরিবেশ আমাদের ঠিক করে দেয় দায়িত্ব কর্তব্য কতোবড় হতে পারে। কখনো কখনো স্নেহ মায়া মমতা ভালোবাসার ঊর্ধ্বে থাকে দায়িত্ব ও কর্তব্য। আপনার দেয়া ছবিটি আমার খুবই পছন্দ হয়েছে***। আমি পরবর্তীতে Leon: The Professional নিয়ে এক সময় লিখবো।

আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।

১৮| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ২:২০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
অগ্নিপুরুষ প্রথমে পড়েছি, পরে মুল কাহিনী ম্যান অন ফায়ার দেখেছি
হুমায়ুন আহমেদ তখন এত ফেমাস ছিলেন না। লেখা শুরু করেছিলেন, মাঝে ছিলেন শেষ আবদুল হাকিমের মত একজন ঘোষ্ট রাইটার। অগ্নিপুরুষ কাজী আনোয়ার হোসেনের নামেই লিখেছিলেন হুমায়ুন আহমেদ।

নতুন আমার কথাটাই বলে ফেলেছেন:
অমানুষ, অগ্নিপুরুষ, ম্যান অন ফায়ার তিনটা কাহিনিতে তিন রকমের অনুভুতি আছে।
হুমায়ুন আহমেদ অন্য রকমের আবেগ পাঠকের মন ভরিয়ে দিয়েছিলো। যেটা ম্যান অন ফায়ারে পড়ে বা ছবি দেখে বাঙ্গালী পাঠকের আবেগটাকে ঠিক সেই ভাবে ছুতে পারেনি।
ধন্যবাদ।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ১:৩৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




হুমায়ূন আহমেদের লেখা পছন্দ হবার কারণ তাঁর লেখা পড়ার সময় মনে হয় তিনি আমার কথাই লিখছেন। অর্থাৎ পাঠকের কথা ভেবেই তিনি বই লিখতেন পাঠকের আবেগ ধরতে পেরেছিলেন। আমার ধারনা, হুমায়ূন আহমেদের বই পড়ে কাঁদেননি এমন পাঠক খুব কম পাওয়া যাবে।

হুমায়ূন আহমেদের “লীলাবতী” উপন্যাসের সাথে আমাদের পরিবারের অনেক মিল আছে। লীলাবতীর মাঝে আমি আমার বেহেস্তবাসী দাদীজানকে খোঁজে পাই। আমি সময়ে বিস্তারিত লিখবো এ বিষয়ে।

অমানুষ ও অগ্নিপুরুষ শুধু পড়ে ফেলে দেওয়া বা রদ্দি কাগজের সাথে বিক্রি করে দেওয়ার মতো বই নয়, সংগ্রহে রাখার মতো চমৎকার দুইটি বই। পিতামাতা পড়ে সন্তানের হাতে তুলে দেওয়ার মতো বই। এমন বই পাওয়া বিরল বিষয়।

আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৯| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৮:৩০

নেওয়াজ আলি বলেছেন: আগে আমি মাসুদ রানা সিরিজের বই অনেক পড়লেও এখন ভুলে গিয়েছি। আপনার পোষ্ট দেখে আবার পড়ার ইচ্ছা করতেছি

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ২:০৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনি পড়া ও লেখার মানুষ। ব্লগেই পড়তে হবে বা ব্লগেই লেখতে হবে এটি জরুরী নয়। তবে নিজের পড়া ও লেখা ধরে রাখুন। অবসরের সবচেয়ে বিস্বস্ত বন্ধু বই।

পোস্ট পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২০| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১০:৫৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
সুন্দর তুলনা। পাঠে মুগ্ধতা।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ২:০৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



অমানুষ ও অগ্নিপুরুষ শুধু পড়ে ফেলে দেওয়া বা রদ্দি কাগজের সাথে বিক্রি করে দেওয়ার মতো বই নয়, সংগ্রহে রাখার মতো চমৎকার দুইটি বই। পিতামাতা পড়ে সন্তানের হাতে তুলে দেওয়ার মতো বই। এমন বই পাওয়া বিরল বিষয়।

পোস্ট পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২১| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:৪৭

বিটপি বলেছেন: রুনা লায়লার গানটা আমি আগেই শুনেছিলাম। কিন্তু অগ্নিপুরুষ পড়ার পরে গানটা যখন আবার শুনলাম, টেরই পেলাম না কখন চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে! গানটা শোনার সময় চোখের সামনে ভিজ্যুয়াল ছিল এরকম, সদ্য কৈশোরে পা দেয়া একটা মেয়ে চোখ ধাধানো প্রাকৃতিক পরিবেশে পিকনিকের মুডে তার প্রিয় বন্ধুকে দরদ দিয়ে একটা গান শোনাচ্ছে। সেই বন্ধু একজন রাফ টাফ মানুষ - গানটা মনোযোগ দিয়ে শুনছেনা, কিন্তু এই গানের প্রতিটি শব্দ সে তার হৃদয় দিয়ে অনুভব করছে যখন সেই মেয়েটা আর নেই।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ২:৩৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



“লুবনার জন্য ভালোবাসা”
“জামশেদ ও মাসুদ রানার জন্য রইলো গভীর ভালোবাসা”


রুনা লায়লা শুধু বাংলাদেশের নন, তিনি দক্ষিণ এশিয়া তথা উপমহাদেশের অ্যাসেট। তার গান প্রতিটি আমার কাছে প্রিয়। বানিজ্যক ছবির প্রয়োজনে তাঁকে দিয়ে অকারণ অযথা কিছু গান করানো হয়েছে যা তাঁর জন্য বালির বাঁধের মতো হয়েছে। এইসব গান যারা করিয়েছেন তারা গুরুতর অপরাধ করেছেন।

সময় কাল বিশাল বড় বিষয়। সময় কাল পরিবেশ আমাদের ঠিক করে দেয় দায়িত্ব কর্তব্য কতোবড় হতে পারে। কখনো কখনো স্নেহ মায়া মমতা ভালোবাসার ঊর্ধ্বে থাকে দায়িত্ব ও কর্তব্য। অমানুষ ও অগ্নিপুরুষে দায়িত্ব কর্তব্য ভালোবাসার ঋণ শোধ আমরা গল্পের প্রতিটি পাতায় পাতায় পেয়েছি।

অমানুষ ও অগ্নিপুরুষ শুধু পড়ে ফেলে দেওয়া বা রদ্দি কাগজের সাথে বিক্রি করে দেওয়ার মতো বই নয়, সংগ্রহে রাখার মতো চমৎকার দুইটি বই। পিতামাতা পড়ে সন্তানের হাতে তুলে দেওয়ার মতো বই। এমন বই পাওয়া বিরল বিষয়।

পোস্টটি পড়ার জন্য ও মূল্যবান মন্তব্যর জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।


২২| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ১:৫১

মোগল সম্রাট বলেছেন: এট্টাও পড়ি নাই !!!! ঠাকুর ভাই দ্যাশের থিকা ফিরলেন কবে?

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ২:৪৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



মোগল সম্রাট ভাই, আমি ঢাকা ফিরেছি শনিবার অর্থাৎ গতকাল সকালে। আপনি কেমন আছেন? মল্লযুদ্ধ নিয়ে একটি পোস্ট ট্রাফিকে আছে, আগামী পোস্টে আপনার দাওয়াত রইলো পোস্ট টি অবশ্যই পড়বেন।

সেবা প্রকাশনীর মাসুদ রানা সিরিজ “অগ্নিপুরুষ”- ১ ও ২ পড়তে পারেন মনে রাখার মতো কাহিনী এবং সংগ্রহে রাখার মতো বই। এছাড়া হুমায়ূন আহমেদ লিখেছেন “অমানুষ” পিতামাতা পড়ে সন্তানের হাতে তুলে দেওয়ার মতো বই। এমন বই পাওয়া বিরল বিষয়।

মোগল সম্রাট ভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৩| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৩:২২

বিটপি বলেছেন: অমানুষ বাচ্চাদের উপযোগী বই হতেই পারেনা। ভায়োলেন্স, নারকোটিক্স আর চাইল্ড এবিউসের দুনিয়ায় বাবা মা সন্তানকে কিভাবে আমন্ত্রণ করতে পারে? আমি ক্লাস নাইনে থাকতে বইটি পড়েছি। এই বইটি পড়ার আগে 'ধর্ষকামী' শব্দটার সাথে আমার পরিচয়ই ছিলনা। বইটি পড়ে আশ্চর্য হয়েছি - একটা মানুষ কিভাবে মা-মেয়ে দু'জনের সাথেই আকাম করতে পারে? এই বই আমি ২০ বছরের কম কারো জন্য রেফার করব না।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৩:৪৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আমি হয়তো বুঝাতে ভুল করেছি বা হয়তো আপনি ভুল করেছেন। সন্তান অর্থ শিশু বা কিশোর নন। অবশ্যই প্রাপ্ত বয়স্ক। পিতামাতা সন্তানের বন্ধু, সবচেয়ে আদর্শ বন্ধু পিতামাতা। পিতামাতার হাত ধরে সন্তান বই পড়া শিখবেন। লেখালেখি শিখবেন।

দায়িত্ব কর্তব্যে ভায়োলেন্স ওভারকাম করতে হয়। যে কোনো ধরনের ভায়োলেন্সে হাত ছাড়া যাবে না। হাত আরোও মজবুত করে ধরে রাখতে হবে।

একটা মানুষ কিভাবে - - - - জানিনা আপনি অবাক হবেন কিনা? পেশাগত কারণে এই বিষয়গুলোর সাথে আমি পরিচিত। এই বিষয়গুলো বাংলাদেশে প্রবলভাবে হয়েছে এবং হচ্ছে। সমাজের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত সবখানে। প্রচার হওয়ার পর মানুষ জানতে পারে। প্রচার না হলে সবাই সাধু সন্ত পীর মুরিদ আশেকান। হা হা হি হি হো হো দলে এইগুলো সবচেয়ে বেশী চলছে। যার বা যাদের চরিত্র খারাপ তার বা তাদের কোনো কিছুই ভালো না। (এই বিষয়ে খোলা পাতায় আলোচনা না করাই ভালো, আমরা এই বিষয়ে আলোচনা বন্ধ রাখি।)

আবার মন্তব্যের জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।

২৪| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৫:১৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: অমানুষ এবং অগ্নিপুরুষ দুটোই পড়েছি। ম্যান অন দ্যা ফায়ার দেখেছি। অগ্নিপুরুষ অনেক বেশি টেকনোলজিকাল, স্ট্রাটেজিকাল মনে হয়েছে। তীব্র ইমোশন ঐভাবে ফুটে ওঠে নাই। এদিকে অমানুষ পুরোই মাইন্ড ব্লোয়িং। চরিত্রগুলির প্রতি তীব্র ভালোবাসা এবং ঘৃণা জন্মায়। অল্প পরিসরেই হুমায়ূন আহমেদ চরিত্রগুলিকে নিয়ে দুর্দান্ত কাজ করেছেন। ম্যান অন দ্যা ফায়ারে বইয়ের সেই স্বাদ পাই নি।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১০:৫৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




হাসান মাহবুব ভাই, হারিয়ে যাওয়া একজনকে ফিরে পেয়েছি। আমি আপনার মন্তব্য উত্তর কিছুক্ষন পরে দিচ্ছি। আশাকরি মনোকষ্ট নিবেন না।

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১১:১৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



হাসান মাহবুব ভাই, গল্প হবে জীবনমুখী যাতে জীবনের কথা উঠে আসবে। স্নেহ মায়া মমতা ভালোবাসা, ভালোবাসার ঋণ, দানের প্রতিদান, কৃতজ্ঞতা, শোধ প্রতিশোধ। আমরা “অমানুষ” গল্পে ভালোবাসার ঋণ পরিশোধ করতে দেখি। গল্পে জামশেদের প্রতি পাঠক মনে যে তীব্র ভালোবাসা তৈরি হয় তা আমার ধারনা অনন্তকাল মনে রাখার মতো।

অগ্নিপুরুষ ও অমানুষ আপনি পড়েছেন এটি আমার জানা আছে। এই দুইটি বই যারা পড়েছেন আমি বলবো তারা বই পড়েছেন। তারা সত্যিকার গল্প পড়ার স্বাদ পেয়েছেন।

আপনার মন্তব্য ও মতামতের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৫| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১০:৩৪

এমজেডএফ বলেছেন: ঠাকুর মাহমুদ ভাই, কেমন আছেন? অনেকদিন পর আসলাম। বিলম্বে হলেও আমার খবর জানতে চেয়ে আপনার আন্তরিকতাপূর্ণ মন্তব্যটি পড়েছিলাম। ইদানিং কাছের মানুষও যেখানে খবর নেয় না, সেখানে আপনি অনেক দূর থেকে কুশলাদি জানতে চেয়েছেন জেনে খুবই আবেগাপ্লুত হয়েছিলাম। আমি আল্লাহর রহমতে ভালো আছি, আশা করি আপনিও ভালো আছেন। ব্যক্তিগত ব্যস্ততা, সময়ের অভাব ও ব্লগে কিছু লোকের নোংরামির কারণে এতোদিন সামু ব্লগে আসা হয় নাই। এখন নিয়মিত না পারলেও চেষ্টা করবো মাঝে মাঝে উঁকি দিতে।

চমৎকার দুটি বই সম্পর্কে পোস্ট দিয়েছেন। তরুণ প্রজন্ম এখন বই পড়ে না, ফেইসবুক, ইউটিউব, টিকটক নিয়ে ব্যস্ত। আশা করি আপনার পোস্টটি পড়ে অনেকেই বই দুটি পড়তে আগ্রহী হবে। আমার মনে হয় পোস্টে বই দুটির ঘটনা-সংক্ষেপ বা সামান্য রিভিউ দিলে নতুন পাঠকদের জন্য আরো ভালো হতো।

সবকিছুর জন্য কৃতজ্ঞতা রইলো, ভালো থাকুন।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১১:০৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




এমজেডএফ ভাই, আমি আপনাকে মনেপ্রাণে খোঁজ করেছি। পরম করুণাময়ের দরবারে অশেষ কৃতজ্ঞতা আপনাকে ফিরে পাওয়া গিয়েছে। আমি খুবই চিন্তাযুক্ত ছিলাম। আমি ও আমরা ভালো আছি, আশা করি আপনি ও আপনার পরিবার পরিজন নিয়ে ভালো আছেন।

আমি সব সময় দোয়া করি আল্লাহপাক যেনো পৃথিবীর সকল মানুষ সহ সকল জীব জগতকে রক্ষা করেন রহমতের শীতল ছায়ায় নিরাপদ রাখেন। আমি এই মাত্র রাতের খাবার খেয়ে উঠেছি আপনার মন্তব্য দেখে এতোটা ভালো লেগেছে যে, মনে হয়েছে অনেক অনেক দিন পর খোলা আকাশ দেখেছি।

আমি নিজেও বারংবার আক্রান্ত হয়েছি। ফোর্সের মানুষ সারভাইভ করতে জানি। আমি জানি আমি বুঝতে পেরেছি আপনার মনের দুঃখ ব্যাথা ও বেদনা। এমজেডএফ ভাই, একটি কথা মনে রাখবেন “পথ, চলার জন্য, পথে গড়াগড়ির জন্য না” যারা পথে গড়াগড়ি করে তারা আজীবন পথে গড়াগড়ি করবে।”

আপনার মন্তব্য ফিরে এসে জানান দিয়ে যাওয়ার জন্যও কৃতজ্ঞতা ও অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১১:৪৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




নিখোঁজ ব্লগারদের খোঁজে একটি পোস্ট।

২৬| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৩:১৫

সাসুম বলেছেন: জিজ্ঞেস করেছিলেন - রান্না কেমন পারি। আমি মেনুয়াল থেকে অটোমেটীক কার, ভ্যান গাড়ি থেকে রিক্সা, সাইকেল থেকে সেইল বোট , স্পিড বোট থেকে ড্রোন সবই চালাতে পারি, বাসার সকল প্রজেক্ট নিজে ডি আই ইউ হিসেবে করি, জীবনে কোনদিন ইলেক্ট্রিসিয়ান ডাকি নাই, গ্যাস মিস্ত্রী ডাকিনাই, প্লাম্বার ডাকিনাই, রঙ্ এর কাজ থেকে ফার্নিচার এর কাজ, কম্পুটার সারাই থেকে নারকেল গাছে উঠা, জাল মেরে মাছ ধরা থেকে জমিতে ধান বোনা - পারিনা যে এমন কোন কিছুই নাই। ইভেন বাড়িতে গ্রিল লাগাইছি ইলেক্ট্রিক ওয়েল্ডিং মেশিন কিনে এনে নিজে নিজে :)

লজ্জার বিষয় হল- রান্নার সময় হলে এক ডিম সিদ্ধ করা ছাড়া আর কিচ্ছু পারিনা :/ দুনিয়ার যে দেশেই গেছি লোকাল কুইজিন কিনে খেয়ে বেচে আছি :) আপাতত চীনে আছি, সাপ ব্যাঙ , পোকা মাকড়, পর্ক, চিকেন, বিফ থেকে আরম্ভ করে সম্ভাব্য অসম্ভাব্য সকল কিছুই কিনে খাই রাস্তার পাশের দোকান থেকে। লোকাল কুইজিন এর মজাই আলাদা :)

ও হ্যা, চা আর কফি রান্না করতে পারি দুর্দান্ত :)

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৯:০৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আপনি যেই কাজের বিবরণ দিয়েছেন তারপর আর রান্না না জানা বড় কোনো বিষয় থাকে না। সমস্যা এই, চলার পথে খাবারের কষ্ট করতে হয়। রান্না জানলে এই বিদেশ বিভুঁইয়ে হয়তো আপনি নিজে নিজে নিজের মতো রান্না করে নিতে পারতেন (কখনো কখনো) তবে দেশের বাইরে প্রচুর হোটেল রেস্টুরেন্ট আছে যেখানে নিজে রান্না করার চেয়ে রেষ্টুরেন্টে খাওয়া সাশ্রয় এবং আরামদায়ক। অন্তত থালা বাসন ধোয়ার কষ্টটি করতে হয় না।

আমিও স্থানীয় খাবার পছন্দ করি। একটি দেশের খাবারের বিশেষত্ব লুকিয়ে থাকে সেই দেশের স্থানীয় ও পুরাতন খাবারগুলোতে। আর হ্যা অনেকেই মনে করতে পারেন চা কফি বানানোতে কোনো বিশেষত্ব নেই এটি ভুল ধরানা। এই যে আপনি বলেছেন আপনি ভালো চা কফি বানাতে পারেন অর্থাৎ আমিও জানি চা কফি বানানো আসলে এতোটা সহজ বিষয় নয়। বাংলাদেশে এখনও ট্রেনে দুরপাল্লার ভ্রমনে দুইটি খাবার খেতে মন ডাকে তার মধ্য একটি চা আরেকটি হচ্ছে চানাচুর।

আমি যতো দেশে গিয়েছি তার মধ্য সবচেয়ে মজাদার রুটি খেয়েছি আরব দেশে। আরব দেশের রুটির মতো এতো মজাদার রুটি বিশ্বের আর কোনো দেশে আছে কিনা আমার জানা নেই।

আপনি আমার পোস্ট লেখা সার্থক করে দিয়েছেন। আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৭| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১১:৫৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: আলোচনাটি ভালো লাগল। মূল পোস্ট এবং মন্তব্য/প্রতিমন্তব্য, সবই উচ্চমানের হয়েছে এবং সবই ভালো লেগেছে।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৯:০৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আলোচনাটি ভালো লাগল। মূল পোস্ট এবং মন্তব্য/প্রতিমন্তব্য, সবই উচ্চমানের হয়েছে এবং সবই ভালো লেগেছে। - আপনি পোস্ট পড়েছেন একই সাথে মন্তব্য প্রতিমন্তব্য। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৮| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:৪৯

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: পড়া হয় নি। তবে পোস্ট এবং মন্তব্য প্রতি মন্তব্য পড়ে পড়ার ইচ্ছে হলো।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৯:০৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




অবশ্যই পড়তে পারেন। আমারা ধারনা বইগুলো পড়ে আপনার ভালো লাগবে। দীর্ঘ দিন মনে রাখার মতো গল্প। আপনি পোস্ট পড়েছেন একই সাথে মন্তব্য প্রতিমন্তব্য। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।


২৯| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৪:২৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: অমানুষ অগ্নিপুরুষ কোনটাই পড়া হয়নি আমার । পড়ার ইচ্ছা হচ্ছে ।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১০:৩৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




অমানুষ একজন মানুষের গল্প। আর অগ্নিপুরুষ সত্যিকার এক অগ্নিপুরুষের গল্প। অবশ্যই পড়তে পারেন। আমারা ধারনা বইগুলো পড়ে আপনার ভালো লাগবে। দীর্ঘ দিন মনে রাখার মতো গল্প। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩০| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৫:৩৪

সাসুম বলেছেন: ঠাকুরভাই!!! আমাদের মাসুদ রানার স্রষ্টা কাজিদা আর নেই! একটু আগে ইন্তেকাল করিয়াছেন!

মৃত্যু অবধারিত তবুও কি যে খারাপ লাগছে!

আজকের সাথে সাথে শেষ হল- আমার এক জীবনের অবসান। আহারে জীবন, আহা জীবন

১৯ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১০:৪২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



সাসুম ভাই, আজকের সাথে সাথে শেষ হল - আমার এক জীবনের অবসান। আহারে জীবন, আহা জীবন। জীবন এমনই। এমনই হয়। আমি হয়তো কখনো লিখবো এই বিষয়ে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.