নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

রাহেনূর ইসলাম স্বাধীন

রাহেনূর ইসলাম স্বাধীন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধুমপান ছাড়তে চান? জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ন বিষয় !

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৪৪

আমি নতুন লেখক, যদি কিছু ভুল লিখে থাকি দয়াকরে সংশোধন করে দিবেন।

ধূমপান
স্বাস্থ্যের
জন্য
অর্থাৎ
আমাদের
প্রত্যেকেরই
প্রিয়

জীবনের
জন্য
কতোটা মারাত্মক তা জেনেও সারা পৃথিবীতে
উলেস্নখযোগ্য সংখ্যক এ নেশাটির সঙ্গে
জড়িত। আর ধূমপান অর্থাৎ সিগারেট তো শুধু
স্মোকারদেরই ক্ষতি করছে তা তো নয়; বরং তার
চারপাশে উপস্থিত নন-স্মোকারদেরও সমানভাবে
ক্ষতিগ্রস্থ করছে। কাজেই মারাত্মক এ বদভ্যাসটি
ত্যাগ করার চেষ্টা করুন আজই।
এমন অনেকেই আছেন যারা সিগারেট ছাড়তে
চান; কিন্তু পারেন না। তাদের জন্য পরামর্শ হলো
প্রথমে আন্তরিক এবং দৃঢ়ভাবেই নেশাটি ছাড়ার
চেষ্টা করুন।
আর চেষ্টা করুন নিচের টিপসগুলো ফলো করারঃ
* প্রথমেই সিগারেট ছাড়ার একটি তারিখ ঠিক করুন।
যদি সম্ভব হয় তাহলে একজন স্মোকার বন্ধুকেও
সঙ্গী হিসেবে নিন এ সৎ উদ্দেশ্যটি সফল
করতে।
* খেয়াল করুন দিনের কোন সময়ে এবং কেন
আপনি সিগারেট খাচ্ছেন। সে সঙ্গে প্রতিদিনকার
রুটিনে অন্য নিয়মিত কাজগুলোও খেয়াল করুন।
* আপনার স্মোকিং রুটিনটাকে পাল্টে ফেলুন।
সিগারেট রাখার জায়গাটিরও পরিবর্তন করুন। স্মোক
করার সময় অন্য কোনো কাজ করবেন না এবং ওই
সময়ে আপনার অনুভূতি সম্পর্কে ভাবুন।
* একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সিগারেট ধরান। ভালো হয়
জায়গাটি বাড়ির বাইরে হলে।
* সিগারেট ধরানোর আগে কয়েক মিনিট
অপেক্ষা করুন। ওই সময়টিতে সিগারেটের
বদলে অন্য কিছু (এই যেমন চুইংগাম চিবানো,
চকোলেট খাওয়া ইত্যাদি) করা যায় কি না ভাবুন।
* একবারে একটির বেশি সিগারেটের প্যাকেট
কিনবেন না।
* কোনো একদিন হঠাৎ করেই আপনার সব সিগারেট
ফেলে দিন। হাতের কাছ থেকে সরিয়ে রাখুন
অ্যাশট্রে।
* সকালের রুটিনটি পাল্টে ফেলুন। অর্থাৎ নাশতা
করার আগে বা পরে দিনের প্রথম সিগারেটটি
ধরানোর সময় অন্য কোনো কাজ নিয়ে ব্যস্ত
থাকুন।
* সারা দিনের সিগারেট খাওয়ার সময়গুলোতে চুইংগাম,
হার্ড ক্যান্ডি, টুথপিক চিবানোর মাধ্যমে আপনার
মুখকে ব্যস্ত রাখুন।
* সিগারেটবিহীন পুরো একটি দিন কাটাতে সফল
হলে নিজেই নিজেকে পুরস্কৃত করুন, হতে
পারে সেটা প্রিয় একটি মুভি দেখে বা পছন্দের
কোনো খাবার খেয়ে।
* দীর্ঘদিনের বদভ্যাসটি ছাড়ার সময় সাময়িক কিছু
সমস্যা দেখা দিতে পারে যেমন- ক্ষুধা, ঘুম
বেড়ে যাওয়া, সিগারেটের প্রতি আকর্ষণ আরো
বেড়ে যাওয়া, মেজাজ খিটমিটে হওয়া ইত্যাদি।
ঘাবড়াবেন না, এগুলো অতি সাময়িক সমস্যা। অল্প
কিছুদিনের মধ্যেই কেটে যাবে।
* স্মোকিং ছাড়ার সময়কার সমস্যাগুলোর দ্রুত
সমাধানে হালকা ব্যায়াম করতে শুরু করুন। হতে
পারে সেটা হাটা বা সাইকেল চালানো।
* সিগারেট ছাড়ার পজিটিভ দিক সম্পর্কে ভাবুন।
যেমন ধরুন, আপনাকে নন-স্মোকার, ফ্রেশ
দেখলে আপনার প্রিয়জনরা নিশ্চয়ই আনন্দিত
হবে এবং তারা অন্যদের সামনে আপনাকে উদাহরণ
হিসেবে উপস্থাপিত করবে।
* স্মোকাররা সাধারণত টেনশনের সময় বেশি
করে সিগারেট খায়। কাজেই ওই সময়গুলোতে
নিজেকে ব্যস্ত রাখুন, সিগারেট না খেয়ে
টেনশনের কারণ এবং সমাধানের উপায় সম্পর্কে
ভাবুন।
* প্রতিদিনকার রুটিন খাবারগুলো সময়মতো খান, কারণ
ক্ষুধাবোধ সিগারেটের তৃষ্ণাকেও বাড়িয়ে দেয়।
* একটি মাটির ব্যাংক বা টাকা রাখার বাক্স কিনুন। সিগারেট
না কিনে যে টাকাগুলো বেচে যাচ্ছে সেগুলো
ওখানে সঞ্চয় করুন।
* অন্যদের কাছে আপনার সিগারেট ছাড়ার গল্প
বলুন। দেখবেন সবাই আপনাকে বাহবা দিচ্ছে।
স্মোকার বন্ধুদেরও নিজের কথা বলে সিগারেট
ছাড়তে উৎসাহিত করুন।
* সিগারেট ছাড়ার প্রথম উদ্যোগে ব্যর্থ হলে
হতাশ হবেন না। কারণ এ নেশা থেকে বের
হয়ে আসতে সড়্গম হয়েছেন এমন
অনেকেই কয়েকবার ব্যর্থ চেষ্টার পরই সফল
হয়েছেন। কাজেই দু-একবারে সিগারেট ছাড়তে
ব্যর্থ হলে ‘আমার দ্বারা হবে না’ এ রকমটি
ভেবে মহৎ এ উদ্যোগটি চিরদিনের মতো শেষ
করে দেবেন না।
ধূমপান বিষপান – কথাটি বিশ্বাস করুন মনে-প্রাণে। এই
বিষ থেকে নিজেকে রক্ষা করুন, চারপাশের
মানুষকেও মুক্তি দিন।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.