| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অনেকদিন পরে ঢাকার বাইরে
যাচ্ছি।ফ্রেন্ডের বোনের বিয়ে
সেই উপলক্ষে নারায়নগন্জ যাচ্ছি।
অবশ্য যাওয়ার কোনো নিয়তই ছিলো
না!এতো জ্যাম,ধুলোবালি,ভীড়ে
কারোই বা ভালোলাগে কোথাও
যেতে।কিন্তু ফ্রেন্ডের এতো
রিকোয়েষ্ট আর ফেলতে পারলাম
না!অগত্যা রাজি হয়ে গেলাম!
.
সকাল 9 টায় গুলশান থেকে বাসে
উঠলাম।কিন্তু বাসে উঠেই মাথায়
আগুন।একটা সিটও খালি নেই।
তারমধ্যে আবার এতো গরম।
কন্টাকটারকে মনে মনে গালি
দিতে লাগলাম।একটা সিট কি
খালি রাখতে পারলি না।এতো
সুন্দর করে মান্জা মেরে এসেছি,এই
অবস্থায় দেখছি সব বেস্তে যাবে।
কিন্তু কি করার কপালে তিনটা
থাপ্পর দিয়ে সব মেনে নিলাম।
কোনোরকম দাড়িয়ে ডেমড়া
পর্যন্ত যেয়ে শেষে জানালার
ধারে একটা সিট পেলাম।এবার
কিছুটা হাফ ছেড়ে বাচলাম।
.
.
ঘুম চলে আসছিলো।হঠাৎ একটি
মেয়েলি কন্ঠে ঘুম ভেঙ্গে গেলো,
.
=হ্যালো,কিছু না মনে করলে
এখানে বসতে পারি?{মেয়ে}
.
এতো সুন্দর একটা মেয়ে আমার
পাশে বসবে!খুশিতে মন চাইছিলো
জানালা দিয়ে লাভ দেই।কিন্তু
পথযাত্রিদের ক্ষতি হতে পারে
ভেবে নিজেকে শান্তনা দিতে
লাগলাম।
.
=জি,বসতে পারেন!{আমি}
=থেংকস।কোথায় যাবেন?
=এইতো ফতুল্লায়!ফ্রেন্ডের বোনের
বিয়ে।আপনি?
=এইতো বাবা মার সাথে একটু
মার্কেটে যাচ্ছি।
.
তারপর মেয়েটি মোবাইলে কি
যেন করতে লাগলো।মনে হয় ফেইসবুক
এই আর কি।
আমিও মোবাইলে একটি গেমস
খেলতে লাগলাম আনমনে।আর মাঝে
মাঝে আড়চোখে মেয়েটিকে
দেখছি।মেয়েটিও একটু পরপর কেমন
জানি আমাকে দেখছে।
.
একটু পরে একটা 5 থেকে 6 বছরের
পিচ্ছি ছেলে এসে মেয়েটি
বলছে,
=আপু,আপু চকলেটটা একটু খুলে দাও!!
{পিচ্ছি}
=যা আব্বুকে বল!{মেয়েটি}
=না তুমি ছিড়ে দাও
.
মেয়েটা ছিড়তে লাগলো।
পিচ্ছিটা মেয়েটির ভাই।দেখে
খুবই পাকনা মনে হলো।
আমাকে দেখে পিচ্ছিটা,
=আপনার নাম কি?
=আমার নাম রাহাত।{বলে ফেললাম
নয়তো কি না কি বলবে,পিচ্ছিদের
দিয়ে ভরসা নাই!!!}
=আপনি কোথায় যাচ্ছেন?
.
মেয়েটা এবার ধমক দিয়ে
পিচ্ছিটাকে ওর বাবার কাছে
পাঠিয়ে দিলো।যাক মেয়েটা
তাহলে আমার মনের কথা বুঝছে।না
পাঠালে হয়তো আমাকে ঝাঝড়া
করে ছাড়তো।
.
=আপনার নাম কি সত্যিই রাহাত!!
{মেয়েটি}
=জি,কেনো?
=আপনার ফেইসবুক আইডি "কুয়াশা
ঢাকা সকাল" তাইতো?
=হুম,কিন্তু আপনাকে তো চিনলাম
না!!!
=আপনার ফেইসবুক ফ্রেন্ড জেরিন।
অর্থ্যাৎ মেঘবালিকা।
.
এখন চিনতে পারলাম।মেয়েটার
সাথে প্রায়ই চ্যাটিং কথা হয়
আমার।
মেয়েটার আইডিতে তার ছবি
দেওয়া নাই।
কিন্তু আমার আইডিতে আমার একটা
ছবি দেওয়া আছে।
তাই হয়তো মেয়েটা বারবার
আমাকে দেখছিলো।তবে
মেঘবালিকা যে এতোটা সুন্দর হবে
আমি ভাবিনি।
.
=আপনার লেখাগুলি সত্যিই অনেক
সুন্দর।আমি আপনার সব গল্পই পরি।
{মেঘবালিকা}
.
আমি সত্যিই কথা বলার শক্তি
হারিয়ে ফেলছি।মেয়েটার দিকে
ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছি।
মেয়েটা কিছুটা লজ্জা পেয়ে
নিচের দিকে তাকিয়ে রইলো।
মেয়েটা তার গন্তব্যে পৌছে
গেছে।আমাকে বাই বলে চলে
গেলো।আর বলে গেলো চ্যাটে
কথা হবে।
আমি বোবার মতো সব শুনলাম।আর
মেয়েটার চলে যাওয়া দেখলাম।
আমিও পৌছে গেলাম আমার
গন্তব্যে।
.
তারপর থেকে প্রায় প্রতিদিনই কথা
হতে থাকে মেয়েটির সাথে।
অনেক গভীর হয়ে যায় আমাদের
বন্ধুত্ব।সত্যিই এখন আমি এক মুহুর্তের
জন্যও ভুলতে পারি না মেয়েটিকে।
মেয়েটিও মনে হয় আমাকে অনেক
ভালোবাসে।
.
কালকে আমরা দেখা করবো!!!
ভাবতেছি মনের কথা জমিয়ে
রেখে কি লাভ।বলে দিবো তাকে।
.
দোয়া করবেন,যেন আনসারটা
পজেটিভ হয়!!!
.
.
বি:দ্র:....গল্পটি সম্পুর্ন কাল্পনিক...
কারো জিবনের সাথে মিলে গেলে লেখক
দায়ী নয়...!
০৯ ই অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ৯:২৪
রাহেনূর ইসলাম স্বাধীন বলেছেন: ধন্যবাদ
২|
০৯ ই অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ৯:৪২
লীনা জািম্বল বলেছেন: ভাল লাগলো পড়ে। শুভেচ্ছা
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ৯:১০
ভাচুয়াল ফন্ট বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার লেখা গল্প