| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
°▶আমি তোমার ভালবাসার যোগ্য নই।
°▶নীলা প্লিজ, এমন করে কেন বলতেছ?
°▶কারন আমার মত মেয়ে ভালবাসার যোগ্য না।
°▶কেন কি সমস্যা তোমার?
°▶কালো মেয়ে অবহেলিত,জানই তো।
°▶এইটাই তাহলে তোমার সমস্যা??
°▶হুম।
°▶তবুও তোমায় ভালবাসি।
°▶কেন ভালবাসো আমায় বলও ?
°▶কেন,আর কতটা ভালবাসি জানিনা।
°▶কেন জানো না? হুম বলও?
°▶ভালবাসার সীমা দেখাতে পারব না
°▶আর???
°▶কেন ভালবাসি তার উত্তর নেই।
°▶যদি কখনও উত্তর দিতে পারো সেদিন
ভালবাসব
তোমায় আলভি।
°▶সেদিন ও আমার উত্তর একই।
°▶দেখাই যাক।
^^^
••••
এই বলেই নীলা চলে গেল,,আলভি তার পথের
দিকে
চেয়ে আছে। মেয়েটা খুব অভিমানী সেটা সে
জানে। নীলা কে এই পর্যন্ত অনেক বার
ভালবাসার
কথা বলেছে সে। কিন্তু নীলা এই পর্যন্ত একই
উত্তর
দিয়েছে। কিন্তু তাতেও অালভি পিছু পা
হয়নি।
কারন সে জানে নীলা বুঝবে। আসলে দোষটা
নীলার না।
^^^
••••
আমাদের সমাজে বর্তমানে ভালবাসা মানে
শুধুই
রুমডেট। এরপর ভালবাসার মানুষটি কে ভুলে
যাওয়া।
সেই জন্যই নীলা ভালবাসাকে কাছে টেনে
নিতে
চায় না। কিন্তু প্রতিদিন এইভাবে আলভি যখন
তাকে ভালবাসি বলে তখন তারও ইচ্ছা হয়
বলতে,,*আমিও তোমাকে খুব ভালবাসি*। কিন্তু
ভাল বাসার শেষ পরিনতি টার জন্যই সে শুধু ভয়
পায়। কথা গুলো ভাবতেছে নীলা,,,এর মধ্যেই
একটি
অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন এলো,,,,
---
°▶হ্যালো?? কে বলছেন??
°▶((উত্তর নেই))
°▶আজিব তো!!! কথা বলেন না কেন?
°▶আমি, ইয়ে মানে, ডিনার করছো?
°▶কে!!! আলভি???
°▶হুম,প্লিজ ফোনটা রেখো না।
°▶ফোন দিছো কেন?? (রেগে)
°▶ভালবাসতে হবেনা,একটা শর্তে?
°▶থ্যাকু, অালভি সাহেব। সেটা কি???
°▶আমার সাথে কথা বলতে হবে।
°▶উহু পারব না।
°▶আরে শুধুই ফোনে??
°▶বেশি বলতে পারব না।
°▶হ্যা। সকালে তো ভার্সিটি যাবা।
°▶তো???
°▶খেয়ে নিও,,,আর তাড়া তাড়ি ঘুমাও।
°▶আচ্ছা।
°▶একটু বারান্দায় আসবা?
°▶এখন পারবো না।
°▶তাহলে তোমার বাসায় আসবো?
°▶নাহ,,এই তো দাড়িয়েছি বান্দায়।
°▶নিচে তাকাও...
°▶হা হা হা ব্যাগ নিয়া কই যাও?
°▶রাতের বাসে চিটাগাং চলে যাচ্ছি।
একটা ভাল চাকরী পেয়েছি। তোমার জন্য কিছু
গিফ্ট দারোয়ান চাচার কাছে দিয়েছি। নিয়ে
নিও।
°▶কি দরকার ছিল?
°▶এমনিতেই। গেলাম ভাল থেকো।
°▶আচ্ছা,ভাল ভাবে যেও।
***
***
অতপর আলভি চলে গেল চিটাগাং। অার কখনও
ফোন
দেয়নি নীলাকে। অবশ্য এর একটা কারন আছে।
কারন
সে চায়নি আর জ্বালাতে। তাই সে চিটাগাং
শহরে তার বন্ধুর সাথে চাকরী করতে থাকল।
সেদিন
আসার সময় দারোয়ান চাচার কাছে কিছু গিফ্ট
দিয়েছিল। সেটা ছিল, নীলার জন্য একটি নীল
রংয়ের শাড়ি। কিছু চুরি,কালো টিপ,জোড়া
কানের
দুল,মুক্তার মালা,আর লাল রংয়ের লিপস্টিক।
কিন্তু
গিফ্ট গুলো একটি বারের জন্যও পড়ে দেখেনি
নীলা। কারন সে এইগুলো সেদিনই পড়বে
যেদিন
আলভি আবার আসবে।
কিন্তু এই ২টা বছরে একটি বারও নীলার সাথে
দেখা হয়নি আলভির।
^^^
•••
সেদিন হটাৎ অালভির মত কাউকে দেখে ছুটে
গেল
নীলা। হ্যা সেটা আলভিই ছিল,তাই খুশিতে
আলভিকে জড়িয়ে ধরলো নীলা। ঠিক তখনি
নীলার
থেকে নিজেকে মুক্ত করে নিল।তাই নীলা
অভিমানের গলায় বলল,,,
•••
°▶এই তোমার ভালবাসা? একটি বারের জন্যও
কি
মনে পড়েনি আমায়?(রেগে)
°▶কে আপনি???
°▶(কথাটি নীলার কাছে হাজার ভোল্টে এর
শক
এর
মত লাগছিল) আমি নীলা, এখন ভুলে গেছো
আমায়?
তাইনা?
°▶সরুন,,অামার হাত ছাড়ুন।
°▶আমার অভিমান করার কথা আর তুমি
করতেছো?
হ্যা? (রেগে নীলা)
°▶ছাড়ুন। যেতে দিন আমায়।
***
***
অত:পর নিজেকে মুক্ত করে সেখান থেকে চলে
আসল
আলভি। নীলা কিছুই বুঝতে পারল না। তাই
পরদিন
আবার আলভিকে দেখে কথা বলতে গেল আর
উত্তর
একই *কে আপনি?*। তাই আলভির পিছু নিয়ে
তার
বাড়ি চিনে আসল। প্রতিদিনই এভাবে ফলো
করে।
সেটা অবশ্য আলভিও বুঝে। হটাৎ একদিন
আলভির
দেখা না পাওয়া চলে গেল তার বাড়িতে।
কিন্তু
আজ পরিবেশটা যেন কেমন।
***
***
বাড়ির সামনে মানুষগুলো কেমন জড় হয়ে আছে।
একটু
এগিয়েই নীলার শরীরটা অবশ হয়ে গেল। সাদা
কাফনে জড়ানো একটি মানুষ। যে তার ভাল
বাসার
মানুষ অালভি ছিল। লাশটি দেখেই নীলা
অজ্ঞান
হয়ে গেল। এরপর আর কিছু মনে নেই।
হসপিটালের
বেডে নিজেকে দেখতে পেল পাশে তার
আব্বু,,আম্মু।
***
***
সুস্থ হওয়ার পর আলভির বাসায় গিয়ে নিজের
পরিচয়
দিল। তখনি আলভির রুমে নিয়ে গেল আলভির
আম্মু।
সারা টা রুমে শুধুই নীলার ছবি দেখল নীলা।
পড়ার
টেবিলে চিঠি আর কিছু একটা আছে দেখে
নিতে
বলল আলভির আম্মু। অত:পর টেবিলে উপর রাখা
চিঠিটি নিয়ে পড়তে লাগল।নীলা
***
***
[[প্রিয় নীলা,
তুমি যখন চিঠিটা পড়বে তখন আর আমি
থাকবনা।
তোমাকে ভুলে যাওয়ার অনেক চেষ্টা
করেছিলাম।
কিন্তু পারি নি। সেদিন হটাৎ শরীর অসুস্থ
হয়েছিল, তাই ডাক্তারকে দেখালাম। যখন বল
ছিল
আমার দেহে আমি ক্যান্সার পুষে রেখেছি।
আর
খুব
দেরি হয়ে গেছে, বেচে থাকার সম্ভবনা খুবই
কম।
তখন থেকে তোমাকে না চেনার ভান করেছি।
জানও তোমার চোখে আমার জন্য ভালবাসা
দেখে
আমার সব পাওয়া হয়ে গেছে। আর কিছু চাইনা
জীবনে। তবে তুমি একটা কথা জেনে রাখো
তোমার অালভি অন্যসব ছেলেদের মত না। তাই
তোমাকে শুধু ভালবাসতে চেয়েছে। এর থেকে
বেশি কিছু চায়নি। যেটার ভয় তুমি সব সময়
করতে।
হাতের পাচটা আঙুল যেমন এক না। সব ছেলের
ভালবাসার ধরনও এক না। যাই হোক কাউকে
নিজের
জীবনে জড়িয়ে ভাল থাকবা কিন্তু তুমি। আর
আমি
আল্লাহর কাছে খুব ভাল থাকব। আর সেই একই
প্রশ্নের উত্তর আজ দিব। *কেন আর কতটা
ভালবাসি
তা কখনো বলতে পারব না* ।]]
***
***
চিঠিটা পড়ে চোখের কোনার জলটুকু মুছলো
নীলা।
চিঠির পাশে রাখা গিফ্টটা নিয়ে বাসায়
ফিরল।
খুলে দেখল একটা পুতুল, আর পুতুলটাকে নাড়া
দিলে,
*আই লাভ ইউ* বলে।
পুতুলটা যতবার আই লাভ ইউ বলে ততোবারই
নীলার
বুকটার ভেতর কেমন যেন করে। হটাৎ তার মনে
পড়ে
গেল ।
***
***
আগের বারের কিছু গিফ্ট রাখা ।সেগুলো
নীলা
পড়বে আজ।। কারন সে জানে আলভি তাকে
দেখছে।
নিজেকে সাজালো অালভির মনের মত করে।
নিজেকে আয়নায় দেখে কাদতেছে আর
চোখের
কাজল গুলো নষ্ট হচ্ছে। নীলা চেয়েছিল সেও
আলভির কাছে বহুদুর চলে যাবে। কিন্তু আলভি
চেয়েছিল সে যেন ভাল থাকুক। তাই সে সেটা
করেনি। বরং সারাটা জীবন শুধুই আলভির
অপেক্ষা
করেছে। এটা জেনেও যে আলভি পারি
দিয়েছে *
না ফেরার দেশে* তবুও-। কারন হয়ত এটাকেই
সত্তিকারের ভালবাসা বলে।
২|
১২ ই অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৫:৫২
কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনার লেখার এই ধরনের ফরমেট কোন ভাবেই পাঠক হিসেবে আমার ভালো লাগে নি। বরং কিছুটা বিরক্ত হয়েছি পড়তে গিয়ে। আমি মনে করি, আপনি আরো পড়ুন, শেখার চেষ্টা করুন ব্লগে কিভাবে গল্প কবিতা লেখা উচিত। অন্যদের পোস্টে গিয়েও পড়ুন, আপনার মতামত দিন।
শুভ কামনা রইল।
৩|
১২ ই অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৫:৫৯
রুদ্র জাহেদ বলেছেন: খুব ভালো লাগল নীলা আর আলভির উপাখ্যান+
৪|
১২ ই অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০২
রুদ্র জাহেদ বলেছেন: কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন:আপনার লেখার এই ধরনের ফরমেট
কোন ভাবেই পাঠক হিসেবে আমার
ভালো লাগে নি। বরং কিছুটা বিরক্ত
হয়েছি পড়তে গিয়ে। আমি মনে
করি, আপনি আরো পড়ুন, শেখার
চেষ্টা করুন ব্লগে কিভাবে গল্প কবিতা লেখা উচিত।
অন্যদের পোস্টে গিয়েও পড়ুন, আপনার মতামত
দিন।
শুভ কামনা রইল।
সাংকেতিক চিহ্ন আর লাইন সাজানোতে আপত্তি রয়েছে
৫|
১২ ই অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১২
জনাব মাহাবুব বলেছেন: সিম্বলগুলি বাদ দিয়ে লিখলে হয়তো লেখাটি সুখকর হতো।
সিম্বলের কারনে লেখা পড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেললাম। ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৫:৫১
শূণ্য মাত্রিক বলেছেন: মনটা খারাপ হয়েই গেল