নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তিতাস মুনীর

তিতাস মুনীর › বিস্তারিত পোস্টঃ

বন্ধু রাষ্ট্র ভারত

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫৪

স্বাধীন রাষ্ট্রের অস্তিত্ব পাওয়ার ৪২ বছর পরেও যারা ৭১-এ কার ভূমিকা কী ছিল এই নিয়ে হৈ চৈ করেন, তারা কি কখনও ভেবে দেখেছন-

৭১ এর ভূমিকায় যারা এদেশে ভারতবিরোধী ও ইসলামপন্থী হিসেবে চিহ্ণিত, তাদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জন্মের পর এমন কোন কাজ হয়েছে কি যা এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পরিপন্থি?

একথা সবাই স্বীকার করতে বাধ্য যে, এদেশের স্বাধীনতার উপর যদি কোন আঘাত কোথাও থেকে আসে তা একমাত্র ভারত থেকেই আসতে পারে। দেশের চারপাশে যদি ভারত ছাড়া অন্য কয়েকটি দেশ থাকতো তাহলে এ বিষয়ে ভিন্ন মত পোষণ করার সুযোগ থাকতো। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে ভারতের ভূমিকার কারণে যারা এ বাস্তবতা থেকে চোখ বন্ধ করে রাখতে চান, তারা জনগণ থেকে ভিন্ন চিন্তা করেন। জনগণকে বাদ দিয়ে দেশরক্ষা সম্ভব নয়। নিঃসন্দেহে এদেশের জনগণ ভারত সরকারকে বন্ধু ভাবে না। তাদের কোন আচরণই বন্ধুসুলভ বলে প্রমাণিত নয়। এমনকি স্বাধীনতা আন্দোলনে ভারতের সাহায্যও এদেশের জন্য ভারতের শূভাকাঙ্খা নয়। এদেশকে তাদের বাজারে পরিণত করার কুমতলবেই পাকিস্তানকে তারা ভেঙে দেয়ার তৎপরতার বহিপ্রকাশ মাত্র ঐ সহায়তা।

সশস্ত্র বাহিনী দেশকে রক্ষা করবে। কার হাত থেকে রক্ষা করবে?

যেহেতু এদেশের চারপাশে রযেছে ভারত তাই আক্রমণ আসলে ভারত থেকেই আসতে পারে যার প্রমাণ আজ প্রতিনিয়তই ঘটছে।

আমদানি, রপ্তানি, কৃষি, শিল্প, পানি বন্টন, সীমান্ত, সমূদ্র সীমা ইত্যাদির প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে আজ তাদের যে আচরণ স্পষ্ট তাতে কোন সচেতন নাগরিক তাকে বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকার করতে পারে না। আর এসব্ শোষনোদ্দেশ্যই ছিল স্বাধীনতা যুদ্ধে সহয়তার নেপথ্য নকশা। প্রিয় পাঠক, সুতরাং ভারত আমাদের বন্ধু না শত্রু এই প্রশ্নের সমাধান পাঠকের কাছে সমর্পন করে আজকের মত এখানেই বিদায় নি্চ্ছি.................।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.