| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নতুন বার্তা ডেস্ক
ইসলামাবাদ: পাকিস্তানের প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক ডন মালালাকে নিয়ে একটি ‘অনুসন্ধানী’ প্রতিবেদন প্রকাশ করে ১১ অক্টোবর। এই প্রতিবেদনটি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। অনেকে আগপাছ না দেখে ধরে নেয় এটি সত্যিকারের খবর। বাংলাদেশেও কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ডনের ওই ফিকশনকে সত্য খবর বলে ধরে নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করে।
ডনের ওই ফিকশনে বলা হয়, মালালা হঙ্গেরির নাগরিক। ধর্মে খৃস্টান। তার প্রকৃত নাম জেইন। ১৯৯৭ সালে তার জন্ম। বাবা-মা খৃস্টান মিশনারি। আরো বলা হয় মালালাকে গুলি করা হয়নি। গোটা বিষয়টি সাজিয়েছে পশ্চিমা গোয়েন্দা বিভাগ। আর এটিকে বিশ্বব্যাপী পরিচিত করেছে পশ্চিমা মিডিয়া।
ডনের মতো প্রভাবশালী পত্রিকা এধরনের খবর দেখে অনেকেই হতবাক হন। কেউ কেউ বিশ্বাসও করেন। বিশেষ করে আমাদের দেশের কয়েকটি নিউজ পোর্টালের এই নিউজ দেখে অনেকেই ধরে নেন গোটা বিষয়টি সত্য। সোস্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়। কিন্তু বিষয়টি যে পুরোপুরিই কাল্পনিক তা অনেকের মাথাই ঢুকেনি।
ডনের ওই ‘প্রতিবেদনে’ শিরোনাম ছিল Malala: The real story (with evidence)। ‘প্রতিবেদেন’টির শুরুতেই বলা হয়েছে Disclaimer: The following article is a work of satire and fiction and in no way attempts to depict events in real life. (এই প্রবন্ধটি সম্পূর্ণ ব্যাঙ্গাত্মক ও কাল্পনিক। কোনোভাবেই বাস্তবের সঙ্গে মিল নেই)।
কেবল ‘প্রতিবেদনের’ শুরুতেই নয় ‘ডিসক্লেইমার’র ঘোষণাটি শেষেও বোল্ড করে বলা হয়েছে।
এই কাল্পনিক ‘প্রবন্ধ’টি লিখেছেন নাদিম এফ পারাচা। তিনি ডনের প্রিন্ট ও অনলাইন সংস্করণের কালচারাল ক্রিটিক ও সিনিয়র কলামিস্ট।
সাংবাদিকতায় এ ধরনের ফিকশন নতুন কিছু নয়। বিদেশে এ ধরনের ফিকশন প্রায়ই ছাপা হয়।
তবে এ ধরনের ফিকশনের কারণে ফিকশন লেখকের বিপদ ঘটতে পারে। এর উদাহরণ আমাদের দেশেই রয়েছে। তিনি হলেন প্রখ্যাত সাংবাদিক শফিক রেহমান। জনপ্রিয় সাপ্তাহিক যায়যায়দিনে এরশাদের আমলে এ ধরনের ফিকশন লিখে শফিক রেহমান বিপদে পড়েছিলেন। এরশাদ তাকে দেশছাড়া করেন। এরশাদের পতনের আগ পর্যন্ত তিনি আর দেশে আসতে পারেননি। Click
©somewhere in net ltd.