| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
১৯৬৫ সালের শ্রম আইনে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ছিল ৩০ হাজার টাকা। তখন মজুরি ছিল ১২৫ টাকা। কিন্তু মানুষের জীবনযাত্রার মান ও দ্রব্যমূল্য আড়াই শ গুণ বাড়লেও ২০০৬ সালের শ্রম আইনে এই ক্ষতিপূরণ এক লাখ টাকা করা হয়, যা সম্প্রতি মন্ত্রিসভার নতুন শ্রম আইনের খসড়া অনুমোদনের সময় দুই লাখ টাকা করা হয়েছে; যদিও ১৮৫৫ সালের মারাত্মক দুর্ঘটনা আইনে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা হিসাব করে ক্ষতিগ্রস্তের গড় আয়ুর দ্বিগুণ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিধান রয়েছে। ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধিতে এ রকম মারাত্মক অপরাধীর সম্পত্তি ক্রোক করে ট্রাস্ট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া সম্ভব হতে পারে। এমনকি উন্নত দেশগুলোর মতো আমাদেরও একটি ফৌজদারি ক্ষতিপূরণ আইন প্রণয়ন করার দাবি উঠেছে। এ ক্ষেত্রে পৃথক একটি শ্রমিক নিরাপত্তা আইনের বিষয়ও মানুষের দাবিতে এসেছে। আসলে গার্মেন্ট মালিকদের অহরহ বলা কমপ্লায়েন্স শব্দটি মনে হয় বিদেশি ক্রেতাদের সন্তুষ্টির জন্যই বেশি প্রযোজ্য। আমাদের দেশের বিদ্যমান আইনগুলোরও যে কমপ্লায়েন্স মানা বাধ্যতামূলক, সেটা যেন তারা মানতেই নারাজ। ব্যবসা পেতে হলে সব রকম কমপ্লায়েন্সে রাজি মালিকরা, দেশের গরিব শ্রমিকদের জীবনের কমপ্লায়েন্সের ক্ষেত্রে কেন এতটা উদাসীন হবেন? কারণ আইন যেখানে তৈরি হয়, সেই আইনসভায় বা সংসদে সরাসরি ২৬ জন সদস্য এখন গার্মেন্ট মালিকদের প্রতিনিধি।
©somewhere in net ltd.