নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তানভীরুল ইসলাম

কত অজানারে!

(অ)গাণিতিক

একজন আনাড়ি যার জানা চাই সব কিছুই!! © সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত

(অ)গাণিতিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

সাগর পাড়ের ছন্দ গুলো (কল্পগল্প)

১০ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:০৮

তমেশার এসব ঢংগিপনা পছন্দ করে না আশেপাশের ঘরের জেলে বৌ রা। তার স্বামীর ফিরতে একটু দেরী হলেই সে গিয়ে বসে থাকে সাগর পাড়ের একটা নারিকেল গুড়ির উপর। তার মেয়েটা তখন এবাড়ি ওবাড়ি গিয়ে, ‘মা কৈ, মা কৈ’ করতে করতে পাড়া মাথায় তুলে ফেলে। এক সময় নিজেও হাজির হয় সেই নারিকেল গুড়ির কাছে। তারপর দুজনে চুপ করে বসে থাকে সেখানে।



বড় বড় ঢেউ গুলো পাড়ের কাছে এসে ভেঙে চুরে এক ধরণের সাদা ফেনা তৈরি করে। সেই সাদা ফেনা আবার চাঁদের আলোয় জ্বল জ্বল করতে করতে পেচিয়ে ধরে সাগড়ের পাড়। তারপর ঢেউ এর তালে তালে দুলতে থাকে একটা মুক্তা হারের মত। একটানা, একটা চিরায়ত ছন্দে। মা আর মেয়ে অবশ্য এসব খেয়াল করেনা। তাদের চোখ চলে যায় সেই মুক্তা হার পেরিয়ে আরো দূরে। যেখানে চাঁদের আলোয় চিক চিক করছে সেই কাল অন্ধকার সাগর। যার ওপাশেই আকাশ। মা আর মেয়ে অপেক্ষা করতে থাকে কখন সেই আকাশ ফুড়ে উদয় হবে একটা বিন্দু! অবশ্য আশেপাশের কিছু অসময়ের টুরিস্টও সেদিকে তাকিয়ে থাকে। কিন্তু সেই আলো আধারীর মধ্যে মা-মেয়ের চোখে সেই আশা আর আশঙ্কার খেলাটা খেয়াল করে না তারা।



মাঝে মাঝে তাদের কেউ কেউ সাগর পাড়ের সেই সরব মৌনতা ভেঙে বলে ওঠে, “আরে আরে! কি কিউট একটা মেয়ে!! এই মেয়ে তোমার নাম কি?”। কিউট মেয়েটা বিপদে পড়ে যায়। আসলে তখনো তার তেমন কোন নামই রাখা হয়নি। ছুড়ি, বুড়ি, তমেশার বেটি বলেই চালিয়ে দেয় সবাই। তাই একদিন সেই টুরিস্টদের মধ্যে কেউ তার নাম রেখেদেয় স্বর্ণা। সোনা রঙের মুখটাকে হাসি হাসি করে সে নাম মেনে নেয় মেয়েটা। ততক্ষনে কালো বিন্দুটা উদয় হয়েছে সেই চকচকে আকাশ আর সাগর সন্ধিতে। মা আর মেয়ে তখন এগিয়ে গিয়ে সেই মুক্তা হারে পা ডুবিয়ে দাঁড়ায়।



সাগর পাড়ের আর দশটা পরিবারের মত এই জেলে পরিবারেরও জীবনযাত্রায় কখনো ছন্দপতন হয়না। জোয়ার ভাটা আর পৌনপনিক ঢেউ এর মত সেটা ঘুরতেই থাকে, একটা একঘেয়ে পুনরাবৃত্তির আবর্তে। মাঝে মাঝে ঝড়বাতাসে তাদের ছাপড়া ঘর উড়িয়ে নেয়। কখনো বা ভাসিয়ে নেয় জলোচ্ছাসে। জাল বৈঠা মাটি চাপা দিয়ে তাদের ঠাই হয় সাইক্লোন সেন্টারে। তবে সময়ের ব্যপ্তি একটু বাড়িয়ে নিলেই দেখা যাবে সেই ছাপড়া ঘরটাও উড়ে যাচ্ছে একটা নির্দিষ্ট ছন্দে। সাইক্লোন সেন্টারের দরজাটাও খুলছে আর বন্ধ হচ্ছে সেই একই পৌনপনিকতায়। সাগর পাড়ের মানুষরা এসব ভাবার সময় পায়না।



বর্ষার শুরুতে চিংড়ির পোনা ধরার মৌসুম। এসময় তাদের জীবনে আরেকটা ছন্দ যুক্ত হয়। জোয়ান পুরুষরা সব চলেযায় ইলিশ আর লইট্যা ধরার ট্রলারে। বয়োবৃদ্ধ, শিশু, আর মহিলারা মেতে ওঠে চিংড়ি পোনা ধরার ‘উৎসবে’। মশারির মত একটা জাল, যাকে এরা বলে ‘লেট’, সেই লেট নিয়ে সবাই চলে আসে সৈকতে। অনেকটা নৌকার গুন টানার মত করে কাধের উপর দিয়ে জালের দড়িটা ধরে টানতে থাকে তারা। কখনো হাটু, কখনো মাজা পানিতে। তাদের গৃহস্থলির যা হাল, তাতে কাজকর্ম থাকার তেমন সুযোগ নেই। জেলে বৌরাও তাই এই লেট টানার কাজে যোগ দেয় পুরোদমে। সৈকত বরাবর আড়াআড়ি বিশ-তিরিশ ফুট যায়গা নিয়ে তারা টানতে থাকে জাল। একবয়ার বায়ে একবার ডাইনে। আবারো সেই চিরায়ত ছন্দে! মাঝে মাঝে দুজন মুখোমুখি হয়ে যায়। তখন সাগরের গর্জন উপেক্ষা করে টুকটাক দুয়েকটা কথা সেরে নেয় তারা। নেট টানতে টানতেই। কখনো নিজের সীমানার এক পাশে যাবার পর দেখা যায় পড়শী তখনো অন্য পাশে। গল্পের সুযোগ হারিয়ে একটু দমে যায় তারা। এর পর নিজের গতি হিসেব করতে থাকে যাতে পরের বার দেখা হয়ে যায় একই পাশে।



তমেশার মেয়েটা ছোট। আরো এক বছর পরে হয়তো তাকেও একটা ‘লেট’ ধরিয়ে দেওয়া যাবে। এখন সম্ভব না। অগত্যা মেয়েটা পাড়ে বসে থাকে একটা ‘সিলভারের’ গামলা নিয়ে। পনের বিশ বার টানা হয়ে গেলে তমেশা ফিরে আসে তার কাছে। নেট থেকে শেওলা ময়লা পানি ফেলে গামলায়। তার পর মা-মেয়ে মিলে সেখান থেকে খুজে বের করে চিংড়ির পোনা। রাতে ঘেরের লোকেরা সেসব কিনে নেয়। প্রতিপোনা দেড়টাকা-দুইটাকা দরে। এমনিতে তিরিশ চল্লিশটা পোনা ধরে সবাই। ভাগ্য ভাল থাকলে কোন কোন দিন আশি নব্বইটা পোনাও পাওয়া যায়। গামলা থেকে বেছে সেগুলো পানিভরা একটা প্যাকেটের ওঠায় তারা। তারপর ফিরে গিয়ে আবারো সেই ‘লেট’ নামক ঘানি টানতে থাকে।



তমেশার মেয়েটা চাইলে উঠে গিয়ে অন্য বাচ্চাদের সাথে খেলা করতে পারে। কিন্তু তা সে করে না। একমনে গামলায় আটকাপড়া অন্য জাতের পোনাদের নিয়ে খেলা করতে থাকে। অবশ্য এই খেলাটা এত আকর্ষনীয় মনে করার কোন কারণ নেই। সে আসলে অপেক্ষা করে তমেশার ফিরে আসার জন্য। তমেশা ফিরে আসলে পোনা বাছতে বাছতে তাকে গল্প শোনায়। কখনো জল রাক্ষসের, কখনো জল রাজকন্যার, আবার কখনো ইয়া বর একটা চিংড়ি মাছের, যে মাছটা একবার একটা কাটা দিয়ে আটকে দিয়েছিল তার বাবার ট্রলার। এরকম দুই চারটা গল্পই জানে তমেশা। সেসব গল্প হাজার বার শোনা হয়েগেছে স্বর্ণার। তারপরও সে শুনতে চায় বারবার। জলরাজকন্যার গল্পটা সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে তার। এই গল্প যেদিন শোনে, সেদিন সে সবচেয়ে খুশি। যেমন আজ।



একটু আগে সওদাগর চাঁদসাগর রাজকন্যাকে উদ্ধার করেছে জলদানোর হাত থেকে। তার পরই তমেশা উঠে গেছে লেট টানতে। গল্প অবশ্য এখানেই শেষ। কিন্তু স্বর্ণা তার পরও বসে আছে। প্রতিদিনই থাকে। এরপর কি হল, তারপর কি হল? এসব প্রশ্ন করে করে পাগল করে তোলে তমেশা কে। তমেশা তখন বানিয়ে বানিয়ে আরো কিছু বলে। সেইটুকু হয় একেক বার একেক রকম। ওইটুক শোনাই আসল মজা। স্বর্ণা তার সোনা রাঙামুখ গামলার দিকে ঝুকিয়ে অপেক্ষা করতে থাকে তার মায়ের ফিরে আসার। বির বির করে গামলায় আটকা পড়া মাছ গুলো কে গল্প শোনায় নিজেও। একসময় তমেশা ফিরে আসে।

দুজন মন দিয়ে চিংড়ি পোনা খুজতে থাকে গামলায়। একসময় স্বর্ণা প্রশ্ন করে, ‘এর পর কি হইল মা?’

‘কি আর হইবো সওদাগর রাজকন্যারে নিয়ে গেল বাড়ি?’

‘এরপর?’

‘এরপর তারা বিয়া করল!’

‘তারপর কি হইল?’

‘মর্‌ হারামজাদি! গল্প এখানেই শ্যাষ’

স্বর্না তাও বায়না ধরে, ‘বল না, বল না মা!’

‘এর পর তাগো একটা বাচ্চা হইল। ঠিক তোর মত’ বলে স্বর্ণার মুখের দিকে তাকায় তমেশা। মনে মনে ভাবে, আসলেই কি রাজকন্যারা তার স্বর্ণার মত হয়!

‘এরপর কি হইল?’

‘এরপর তারা সুখে শান্তিতে বাস করতে থাকলো’

‘সুখে শান্তি বাস করে কেমনে?’

চমকে উঠে চোখ তোলে তমেশা। একটা অচেনা ঘোলা চোখে মেয়েটাকে একবার দেখে নিয়ে বলে, ‘এইডা তো মা কইতে পারি না...’ একটা বড় ঢেউ এসে হুশ করে চাপা দেয় তার দীর্ঘ্যশ্বাস।



সে আবার বলে, ‘দেখতো! তর বাপে আসছে কিনা?’ গামলা থেকে মুখ উঠিয়ে স্বর্ণা তাকায় সেই আকাশ আর সাগর সন্ধিতে। না বোধক মাথা নাড়ে একবার। তমেশার ঘোলা চোখ পরিষ্কার হয়ে গেছে ততক্ষনে।



মা মেয়ের এই হঠাৎ থমকে যাওয়াতে সাগর পাড়ের ছন্দের কোন ব্যাত্যয় হয় না। একসময় তমেশা উঠে গিয়ে সেই ‘লেট’টাই টানতে থাকে। একই চিরায়ত ছন্দে। স্বর্ণাও উকি দেয় তার গামলায়। যে গামলার পানিতেও তখন উকি দিয়েছে আরেকটা স্বর্ণরাঙা চাঁদ।

মন্তব্য ৬৯ টি রেটিং +২২/-১

মন্তব্য (৬৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:১৭

রন্টি চৌধুরী বলেছেন: জনৈক(!) এক ব্লগারের সাথে তোমার লেখা নিয়ে আলাপ হচ্ছিল, তখন তোমাকে আমি আগের পোষ্টে একটা নেতিবাচক কমেন্ট করে এসেছি। যে গল্পের দুর্দান্ত শুরুর পর তুমি আর গল্পটাকে মায়া করছ না। জনৈক ব্লগার বলল ও তো এভাবেই লেখে, এবং এভাবেই দুর্দান্ত হয়। ইজি লেখাই ভাল।

এটাও খূব সহজ ভাষায় লেখা, কিন্তু পড়লে শুধু পড়তে ইচ্ছে হয়। আবার একবার শুরু থেকে। কাহিনী তো কিছু নেই, সেই আটপৌড়ে দুঃখগাথা, কিন্তু বর্ননাভঙ্গি...বুনন, সমাপ্তির দীর্ঘশ্বাস...অসাধারন।

নাটকের কথা যেন মনে থাকে। চুক্তি করে রাখলাম কিন্তু।

তোমার এবং আরও কজনের জন্য একটা ফরমায়েস পোষ্ট আসবে , একটু লক্ষ্য রেখ। মেইল ও যেতে পারে।

১০ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২১

(অ)গাণিতিক বলেছেন: এই গল্পে কোন ক্লাইমেক্স নাই! আসলে চিত্রকল্প নিয়ে গবেষনা করতে গিয়ে লেখা। জাস্ট একটা ছবি আঁকতে চেয়েছি। গল্প বড় হইসে! এখন কেউ পড়লে হয়। B:-)

২| ১০ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২৪

এমিল বলেছেন: আসলেই সুখে শান্তিতে বসবাস করা যায় শুধু রূপকথায়।

১০ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯

(অ)গাণিতিক বলেছেন: বড় গল্প! পড়ার জন্য ধন্যবাদ! :)

৩| ১০ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২৫

রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ক্লাইমেক্স থাকা তো গল্পের চাহিদা না। সো এটা নিয়ে চিন্তা করো কেন।
আর আকার নিয়ে ফালতু চিন্তা বাদ দাও। বড় লেখাও লোকজন পড়ে। কটা অসহ্য বড় লেখা দিয়ে দেখলাম তো। আরও বিঘত সাইজ ছাড়ব কিছুদিন পরে..;)
গল্পের পাঠক আছেন ব্লগে। গল্প মাঝখানে সামহোয়ারে পোষ্ট হত কম। তাই হয়থ একটু ভাটা পড়েছিল। এখন আবার চালু হয়ে গেছে।

তোমার লেখা দেখে কিন্তু আমার মাঝে মাঝে রাগ লাগে। ইর্ষা থেকে রাগ আর কি :)

১০ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩১

(অ)গাণিতিক বলেছেন: হা হা !! কি যে বলেন!! গল্প বড় হইলে আমি নিজেই তো ধৈর্য হারাই!! অন্যদের কি কমু? দেখেন না আমার লাস্ট তিন পোস্ট এ হিট কত কম !!! এইটারও একই অবস্থা হবে!
তবে ঐটা ম্যাটার না। আমি লিখি আমার নিজের হাতের আরামের জন্য!! তাই বড় হল নাকি ছোট হল মাথা ব্যাথা দেইনা তেমন!

৪| ১০ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৬

আসিফ আহমেদ বলেছেন: পড়ছি !

পাঠক হিসাবে আমি একটু বেশি অলস, তাও পড়লাম।

বর্ণনা গুলো খুব মনকাড়া।

১০ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৫

(অ)গাণিতিক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যাদ আপনাকে ! :)

৫| ১০ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭

দ্বিধা বলেছেন: ধারাবাহিকভাবে ভাল লেখা শুরু করেছেন । এই বল্গে এমন নিয়মিত ভাল লেখক আসলেই কম । আমার মনে হয়, একজন লেখকের যা যা গুন থাকা দরকার , তার সবই আছে । আর বড় লেখা এটা কোন সমস্যায় না । আর আপনার কোন রম্য গল্প নাই ?...

১১ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:৩৩

(অ)গাণিতিক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার এবং কমেন্ট করার জন্য! :) বড় লিখতে ভরসা দিলেন!! তাইলে কিছু বড় গল্প লেখা যায়! :)

কি যে বলেন!! আমারতো প্রায় সবই রম্য গল্প!! Click This Link
এখান থেকে আগের দিকে যেতে থাকেন! :)

'আব্‌জাব' ট্যাগ দিয়ে লেখা গুলো দেখতে পারেন।

৬| ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:২৪

রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: সৈকত ভালো।

আর নাটকের ব্যাপারটা কী?

১১ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:৩৪

(অ)গাণিতিক বলেছেন: নাটকের ব্যপার যে কি সেটা আমি নিজেও ঠিক জানিনা ভাল মত! রন্টি ভাই আমারে নাটক লিখতে বলেছে। শুধু এইটুক জানি। :)

৭| ১১ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:১২

একরামুল হক শামীম বলেছেন: ভালো লাগছে।

১১ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:৩৪

(অ)গাণিতিক বলেছেন: ধন্যবাদ! আপনাকে! :)

৮| ১১ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:০৯

রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: হুমম... নাটক একটা লেখার অল্যান আমারও আছে তো...

১১ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:০০

(অ)গাণিতিক বলেছেন: গতকাল টিভি খুলে একটু নাটক দেখতে বসেছিলাম!! কি যে দেখাচ্ছিল! পুর মেজাজই খারাপ হইসে!

৯| ১১ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:১০

রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: অল্যান=প্ল্যান।

১১ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:০১

(অ)গাণিতিক বলেছেন: :)

১০| ১১ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৪৪

ঝুমী বলেছেন: অসাধারণ! চমৎকার! আপনার লেখার হাত বেশ ভাল! মাশাল্লাহ্!!! :D

১২ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:২৬

(অ)গাণিতিক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ!! আমি কিন্তু অনেক রকম লেখাই লিখি!! সব আবার আপনার ভাল লাগবে না! :P

১১| ১২ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১২

মৈথুনানন্দ বলেছেন: সামনের একুশেতে বই বের করে রাখবে - আমি এপ্রেল-মেতে আসছি।

১২ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:২৭

(অ)গাণিতিক বলেছেন: হা হা হা! কি যে বলেন!! বই বের করব আমি !!! B:-)

১২| ১২ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:৫৩

যীশূ বলেছেন: অসাধারণ লেখা! আমি পুরাপুরি মুগ্ধ!

আচ্ছা, এটাকে কল্পগল্প কেন লিখেছেন?

১২ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:২৬

(অ)গাণিতিক বলেছেন: আসলে আমার সব লেখা তিনটা ক্যাটাগরিতে ভাগ করি,

ছেলেবেলা( স্মৃতিচারণ মুলক)
কল্পগল্প(একটু যত্নকরে লেখা কাল্পনিক কাহিণী)
আব্‌জাব( বেশিরভাগই বাস্তব কাহিণী। তবে মোটেও যত্ন আত্তি করিনা এগুলোর।)

আব্‌জাব ক্যাট্যাগরীর লেখা গুলোই লিখে বেশী আরাম পাই। :

আপনার কমেন্টের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ!! :)

১৩| ১২ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৫২

চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: একটু বড়..................অনেক রাত হলো।
ঘুমাতে গেলাম
ঘুম থেকে উঠে ভালো করে পড়ে এর পর কমেন্ট করবো

শুভেচ্ছা রেখে গেলাম।

১২ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৫

(অ)গাণিতিক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ! :)

১৪| ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:১২

মৈথুনানন্দ বলেছেন: ----- বস ----- তোমার ঐ কমেন্ট্টা মুছে দিলাম ----- কারণ ঐ স্তুতির হকদার আমি নই ----- মায়ন্ডায়ায়ো না ----- স্পেশেফেক্যালে ঐ লায়নগুলো লিখতে না পারার ক্ষোভ কোনো দিনও যাবে না ----- প্রথম পড়ার পরে সারা দিন ধরে কবিতাটা মনে মনে বলছিলুম ----- তবু আশ মিটছিলো না ----- শেষকালে চোখের সামনে তুলে আনতে তবে মনটা কিঞ্চিত শান্ত হলো ----- আসল লোককে ক্রেডিট্টা একটু কষ্ট করে কন্ভে করে এলে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো -----

১৪ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:১২

(অ)গাণিতিক বলেছেন: ঠিকাসে!! :)

১৫| ১৪ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:২৮

চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: অসাধারণ বলা ছাড়া আর কোন শব্দ খুঁজে পেলাম না ।

সাগর পাড়ের কাহিনী.............আমি ও সাগর পাড়ের মানুষ!

তাই, আপনার লেখাটা পড়ার সময় সবকিছু যেন চোখে ভাসতেছিলো.......কত ঘটনা এ রকম দেখেছি................
মানুষের জীবন কাহিনী চমৎকার ভাবে ফুটে তুলেছেন।
এদের জীবনটা সাগরের ফেনার মত তুচ্ছ..........।
বেঁচে থাকার জন্য কত সংগ্রাম করে।

খুব ভালো লাগলো
আরো লিখুন
শুভেচ্ছা রেখে গেলাম ।

১৪ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৪৪

(অ)গাণিতিক বলেছেন: যাক এত বড় গল্পটা পড়েছেন!! খুব ভাল লাগছে! :)

সুন্দর কমেন্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ!!
এবং শুভেচ্ছা।

১৬| ১৫ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৩১

রন্টি চৌধুরী বলেছেন: গান শুনে আমি পুরোপুরি ইমপ্রেসড!!

১৫ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:২২

(অ)গাণিতিক বলেছেন: B:-) শুনে ফেলছেন!! :P

১৭| ১৫ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:২৪

আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: দারুন।

১৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:২০

(অ)গাণিতিক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ! :)

১৮| ১৫ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৩৭

দি ওয়ান বলেছেন: আমার জন্য একটু লম্বা লেখা। :)

১৫ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:২১

(অ)গাণিতিক বলেছেন: হা হা!! আসেন কোলাকুলি করি! :)
এইটা আমার জন্যও অনেক লম্বা!!

কেমনে যে লিখে ফেলসি কে জানে ! B:-)

১৯| ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:০৩

রাশেদ বলেছেন: পরে পড়ুম।

তোমার ঐ গানটা শুনলাম। গানের ঐ ভার্শন আর অরিজিনালের লিঙ্ক চাই। :)

১৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৫৭

(অ)গাণিতিক বলেছেন: সনুনিগমের ভার্সন টা আমার কাছে নাই। আর আমার আব্‌জাব প্রোডাকশন এর ভার্সন এর লিঙ্ক দিয়ে দিসি আপনার পেজে! :)

২০| ১৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৩৪

আন্দালীব বলেছেন: কৈবর্ত্যগ্রাম.....খুব চমৎকার ক্যানভাস বেছে নিয়েছেন। অপেক্ষার চিত্রটি সুন্দর ফুটেছে....পুরুষটির ফিরে আসা- না আসার দোলাচল।

পুরো লেখাটি স্পেলবাউন্ড করে রাখছে পাঠককে। শুভেচ্ছা।

১৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৫৬

(অ)গাণিতিক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে! :)
আসলেই শুধুই একটা চিত্র আকতে চেয়েছি।
আপনার ভাললেগেছে জেনে খুব ভাল লাগছে।
শুভেচ্ছা।

২১| ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩

রাশেদ বলেছেন: আরে, ঐ লিঙ্ক চাইছে কে! :-P ঐগুলা তো জানিই। চাইছিলাম ডাউনলোড এর লিঙ্ক, বারবার নেটে আইসা গান শুনে কে। তোমার থেকে আপুনির গলাতে দরদ অনেক বেশি। হ্যাটস অফ টু হার। :)

১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:১৫

(অ)গাণিতিক বলেছেন: হা হা হা! ঐ গুলা তো ইস্নিপ্সে আপলোড করা নাই। আর আমার গলা বেশি ভাল :-P

২২| ১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:২৬

রাশেদ বলেছেন: হা হা! পাগলে কয় কি! আগে গানগুলা পাইয়া নেই, তারপর তোমার গলার সমালোচনা করুম আয়েশ কইরা। :D :D

১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৪৫

(অ)গাণিতিক বলেছেন: অই সনুনিগমের টা হয়তো পাবেন কিন্তু আমার টা পাবেন কই???
অইটা তো আমার লেখা এবং সুর করা !! :D

২৩| ১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৫৬

রাশেদ বলেছেন: সনু নিগামেরটা শুনলাম। পুরা হতাশ। আপুনি অনেক অনেক ভালো গাইছে, তারে সালাম জানাইলাম। :)

তোমার আরো প্র্যাকটিস লাগবে! :-P

১৭ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৭

(অ)গাণিতিক বলেছেন: আমার গলার যে কারুকাজ সেইটা বুঝতে ট্রেনিং লাগে!!

২৪| ১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৫৮

রন্টি চৌধুরী বলেছেন: কই পাইলা !!!

২৫| ১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৮:০১

রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আমি ভাবছিলাম ওইটা খালি আমার কাছেই আছে /:)

১৭ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৯

(অ)গাণিতিক বলেছেন: হা হা হা!! সনুর টার উপর একটু কারুকাজ করছে বাধন !

২৬| ১৭ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭

রাশেদ বলেছেন: হ, ঠিক বুঝছো। তোমারটা যে গান সেইটা বুঝতে গানের উরপে কোর্স করা লাগবে! :D

আছো কেমন?

১৭ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৮

(অ)গাণিতিক বলেছেন: :-P

উচ্চশিক্ষা নিয়ে চিন্তায় আছি। :(

ঐ মিয়া আপনার পি এইচ ডি কত দূর?? মানে আর কত দিন লাগবে?
আর এত দেশ থুইয়া ইংলান্ড গেলেন ক্যান? ফ্রান্স জাইতেন। ফ্রেন্স কিস দিতেন মেয়ে দের ধইরা ধইরা !!! ;)

আর সবাই তো দেখি কনাডা অস্ট্রেলিয়া ইউএস এ জায়। আপনি বিলেত গেলেন ক্যাম্নে??

২৭| ১৭ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩১

রাশেদ বলেছেন: হা হা! ইংল্যান্ডে যাইতে জি আর ই দেয়া লাগে না, কিছুই লাগে না, আইএলস বাদে। তাই উৎসাহ বেশি ছিল।

আমি পি এইচডি করি, এই খবর কই পাইলা! :-*

১৭ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪

(অ)গাণিতিক বলেছেন: তা কি করেন?? কামলা খাটেন???

২৮| ১৭ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩

রাশেদ বলেছেন: তোমার চিন্তার কি আছে! তোমার কাহিনী তো জানি। :P

ইউ এস এ তে যাও। এখন পারবা নাকি আরো দেড় বছর লাগবে না?

১৭ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৬

(অ)গাণিতিক বলেছেন: অ্যাআ ইউ এস এ তে যাইতে চাই!! দুনিয়ার সব নষ্টা মেয়েরা ইউ এস এ তে থাকে!! তাগো লগে ইটিশ পিটিশ করুম! :D
ফ্রেন্স মেয়েদের কথাও শুনেছিলাম 'সৈয়দ মুজতবা আলী' র লেখায়! তারাও জোশ ! ;)

২৯| ১৭ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০২

রাশেদ বলেছেন: নাহ, ঠিকই জানো। আরো দেড় বছর বাকি।

কমনওয়েলথ স্কলারশিপের জন্য অ্যাপ্লাই করলে কানাডা, ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়াতে মনে হয় যাইতে পারবা। আর নাইলে নিজেই ট্রাই করলে তুমি পারবা ইউ এস এ তে। :)

১৮ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:০৮

(অ)গাণিতিক বলেছেন: কমন ওয়েল্থ স্কলার শিপ!! আর আমি !!! কি যে বলেন। আপনার মাথা ঠিক আসে ত???
আমি হইলাম হাবা গঙ্গা রাম। ক্লাসের লাস্ট বয়। আমারে অই 'জাহাজ' দিবো কেডা??

৩০| ১৮ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:২৮

উত্তরাধিকার বলেছেন:
এ কমপ্লিট সিকোয়েন্স।
সাধারন সাগর পাড়ের সেট।

বাছাই করা কাস্ট আর টিউন্ড ক্রু টীম।
আর কি লাগে ...

'সাগর পাড়ের ছন্দ গুলো'- একটি অনবদ্য ডকুমেন্ট্রি !
খুব জীবন্ত :)

১৮ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:১০

(অ)গাণিতিক বলেছেন: আপনার কাছে জীবন্ত মনে হয়েছে জেনে আমি খুব খুশি!! :)
এই লেখাটা সফল তাহলে!!!

৩১| ১৮ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩২

সারিয়া তাসনিম বলেছেন:
শেষ ??

ওমা , মন তো ভরে নাই :)

১৮ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:১২

(অ)গাণিতিক বলেছেন: হ্যাআআআআ! শেষ!! :)
এত বড় গল্পটা পড়েছেন এতে আমি খুব খুব খুশি। আর সেইটা পড়েও আরো পড়তে চাইছেন সেইটা জেনে ভীত!! :P

৩২| ২০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০

দোলাহাসান বলেছেন: গল্পটা খুবই ভাল হয়েছে। কয়েক দিন আগেই পড়েছিলাম, তাড়াহুড়া থাকাতে কমেন্ট করা হয়নি,সে জন্য দুঃখিত।আমার বাচ্চাটা যখন ছোট ছিল তখন ওর সাথে অনেক সময় কাটাতে হয়েছে, তারমধ্যে প্রিয় ছিল ওকে নিয়ে খেলার ফাঁকে গল্প বলা। ও খুব এনজয় করত রাজা রানীর গল্প। পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল আমি ফেরে গেছি ঐ দিনগুলিতে!!

২১ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৪

(অ)গাণিতিক বলেছেন: অনেক ধনব্যাদ! অবশেষে কমেন্ট করার জন্য। :)
গল্পটা ভাল লেগেছে জেনে খুব ভাল লাগছে!

৩৩| ২৬ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:০০

যূঁথী বলেছেন: ‘সুখে শান্তি বাস করে কেমনে?’ - আমারও একই প্রশ্ন। +

২৭ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮

(অ)গাণিতিক বলেছেন: তুমি বাস কর যেমনে!! ;)

৩৪| ১০ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:২০

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

আপনার অনেকগুলো গল্প মিস করে গেছি । একটা একটা করে পড়বো ।

১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:২০

(অ)গাণিতিক বলেছেন: আমি নিজেই আজকাল অনিয়মিত। :(

৩৫| ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০২

ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: সুখে শান্তিতে থাকে কেমনে আসলে??

৩৬| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৪

পারভেজ বলেছেন: ++++++

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.