| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইনি মাওলানা ইসহাক খেলাফত মজলিশের নেতা আদর্শে জামাত শিবির বিরুধী হলেও যুদ্ধকালীন ৭১ এ ছিল পাকিস্তান সরকারের মন্ত্রী, মন্ত্রী থাকা অনস্থায় ইনিই বলেছিলেন যুদ্ধে ধর্ষনের ঘটনা ঘটতেই পারে এটা জায়েজ, কিন্তূ কোন অজানা কারনে এই মহান যুদ্ধাপরাধী ধরা ছোঁয়ার বাইরে খুবই জানতে ইচ্ছা করে ...!
একে চিহ্নিত করে বিচার চাইতে হবে !
ই-তে ইসহাক তুই রাজাকার !!!
(চোবি সোংগৃহিত প্রত্রিকা হতে ফটোগ্রাফার অজানা ঃ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি বাংলা কোনঠ)
২|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৮
যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলেছেন: এই ব্লগে আপনাদের মতের লোক থাকবে আবার জামাতি শিবিরেরকুত্তা দেরও লোক থাকবে।
আপনারা হলেন মুক্তিযুদ্ধ ব্যাবসায়ী আর অই কুকুররা ধর্ম ব্যাবসায়ী ।
আর আমরা হলাম সাধারণ মানুষ । তাই আমাদের নিক ব্যান করা হয়।
আমি জামাতি শিবিরেরকুত্তাদের কাফির বলি তাই আমার নিক ব্যান করা হয়।
আমি মুক্তিযুদ্ধ ব্যাবসায়ীদের হাকিকত ফাঁস করে দেই তাই আমার নিক ব্যান করা হয়।
সব বাটপার। সব বাটপার। সব বাটপার। সব বাটপার।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৪১
টোটোগ্রাফার_রিপন বলেছেন: ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩ তারিখে বাংলার বাণী পত্রিকার একটি খবরের শিরোনাম "দালাল মন্ত্রী ইসহাকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড"। চারদলীয় জোটের শরিক খেলাফত মজলিসের একাংশের আমির মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক সেই ‘দালাল মন্ত্রী’। তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সমর্থনে গঠিত ডা. মালিক মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। স্বাধীনতার পর ওই মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যদের সঙ্গে তাঁকেও গ্রেপ্তার করা হয়। রায়ের প্রায় ১০ মাস পর ’৭৩-এর ৫ ডিসেম্বর তিনি মুক্তি পান। মুক্তিযুদ্ধের পর সব মিলিয়ে তিনি প্রায় ২৪ মাস কারাগারে ছিলেন। মালিক মন্ত্রিসভায় জামায়াতে ইসলামীর দুজন সদস্য ছিলেন।
তার মানে তখনও যাবদজীবন কারাদন্ডি ছিল সর্বোচ্চ ...!??
আর পরে ছাড় ...!