| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
৮ ও ১০ নং অপরাধে সাঈদীর মৃত্যুদণ্ড হয়েছে।
দেখা যাক কি আছে ৮ ও ১০ নং –এ ঃ
অষ্টম : ৮ মে বেলা ৩টায় সাঈদী ও তার দলের সদস্যরা চিথোলিয়া গ্রামের মানিক পসারির বাড়ি লুট করে পাঁচটি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেন। মানিক পসারির ভাই মফিজ পসারি ও ইব্রাহিম কুট্টিকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় সাঈদীর প্ররোচনায় সৈন্যরা ইব্রাহিম কুট্টিকে হত্যা করে। মফিজকে নির্যাতন করা হয়।
দশম : ২ জুন সকাল ১০টায় সাঈদীর নেতৃত্বে সশস্ত্র দল উমেদপুর গ্রামের হিন্দুপাড়ার ২৫টি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং বিশাবালী নামের একজনকে গুলি করে হত্যা করে।
--- কিন্তু এর থেকে বড় গুলায় ফাসি হল না কেন ? আপিলে কি হবে দেখার বিষয়, এখনও নিশ্চত হতে পারছি না ..!
সাঈদীর বিরুদ্ধে ২০টি অভিযোগের মধ্যে ৮টিই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল।
সাঈদীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ৬, ৭, ১১, ১৪, ১৬ ও ১৯নং অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পেরেছেন রাষ্ট্রপক্ষ। তবে ট্রাইব্যুনাল তার রায়ে জানান, ২ অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়ায় এসব অপরাধে নতুন সাজা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু কেন ? এইগুলাতেও ফাসি হবে না কেন ?? যদি অই ২ টা আপিলে অন্যরকম হয় ? আর বাকি ১২ টি গুরতর অপরাধের কি হল ??
২ টা ছাড়া অন্যান্য যে অপরাধসমুহ ঃ
প্রথম অভিযোগে বলা হয়, ৪ মে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর নেতৃত্বাধীন দলের সদস্যরা পাকিস্তানি সেনাদের খবর দিয়ে পিরোজপুর সদর এলাকার মধ্য মাসিমপুর বাসস্ট্যান্ডের পেছনে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকে জড়ো করা ২০ জন নিরস্ত্র মানুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
দ্বিতীয় : ৪ মে সাঈদী ও তার দল পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে নিয়ে মাসিমপুর হিন্দুপাড়ার বাড়ি লুট এবং আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করলে ১৩ জন মারা যান।
তৃতীয় : ৪ মে সেনাদের নিয়ে মাসিমপুর হিন্দুপাড়ায় মনীন্দ্রনাথ মিস্ত্রী ও সুরেশ চন্দ্র মণ্ডলের বাড়ি লুট করে সাঈদী আগুন ধরিয়ে দেন। সাঈদী নিজে বিভিন্ন গ্রামে অসংখ্য বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।
চতুর্থ : ৪ মে সাঈদী রাজাকার বাহিনী ও সেনাদের নিয়ে ধোপাবাড়ীর সামনে এবং সদর পুলিশ স্টেশনের এলজিইডি ভবনের পেছনের হিন্দুপাড়া ঘিরে ফেলে গুলি চালানো হলে দেবেন্দ্রনাথ মণ্ডল, জগেন্দ্রনাথ মণ্ডল, পুলিন বিহারী ও মুকুন্দ বালা মারা যান।
পঞ্চম : পিরোজপুরের তৎকালীন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সাইফ মিজানুর রহমান সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন। সাঈদী ও শান্তি কমিটির সদস্য মন্নাফ কয়েকজন পাকিস্তানি সেনাকে নিয়ে ৫ মে হাসপাতাল থেকে তাকে ধরে বলেশ্বর নদের তীরে নিয়ে যান। একই দিনে পুলিশ কর্মকর্তা ফয়জুর রহমান আহমেদ (লেখক হুমায়ূন আহমেদের বাবা) এবং ভারপ্রাপ্ত এসডিও আবদুর রাজ্জাককেও কর্মস্থল থেকে ধরে নেওয়া হয়। সাঈদীর উপস্থিতিতে এ তিন সরকারি কর্মকর্তাকে গুলি করে লাশ বলেশ্বর নদে ফেলে দেওয়া হয়।
ষষ্ঠ : ৭ মে সাঈদীর নেতৃত্বে শান্তি কমিটির একটি দল পাক সেনাদের নিয়ে পাড়েরহাট বাজারের আওয়ামী লীগ, হিন্দু সম্প্রদায় এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজনের বাড়িঘর ও দোকান লুটপাট করা হয়। এ সময় তারা মাখনলাল সাহার দোকান থেকে ২২ সের স্বর্ণ ও রুপা লুট করে। (প্রমাণিত)
সপ্তম : ৮ মে বেলা দেড়টার দিকে সাঈদী সেনাদের বাদুরিয়া গ্রামের শহীদুল ইসলাম সেলিমের বাড়িতে গিয়ে নূরুল ইসলাম খানকে আওয়ামী লীগ ও শহীদুল ইসলামকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে চিহ্নিত করে সেনাদের হাতে সোপর্দ করেন। পরে বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। (প্রমাণিত)
নবম : ২ জুন সকাল ৯টায় সাঈদী ও তার সহযোগীরা ইন্দুরকানি পুলিশ স্টেশনের নলবুনিয়া গ্রামের আবদুল হালিম বাবুলের বাড়িতে লুটপাট এবং অগ্নি সংযোগ করেন।
একাদশ : ২ জুন সাঈদী টেংরাখালী গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুবুল আলম হাওলাদারের বাড়িতে সেনাদের নিয়ে তার বড় ভাই আবদুল মজিদ হাওলাদারকে নির্যাতন করেন। সাঈদী নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিস নিয়ে যান। পরে বাড়িতে অগি্নসংযোগ করা হয়। (প্রমাণিত)
দ্বাদশ : সাঈদীর নেতৃত্বে সশস্ত্র দল পাড়েরহাট বাজারের ১৪ জন হিন্দুকে ধরে সৈন্যদের কাছে নিয়ে গেলে গুলি করে তাদের লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
ত্রয়োদশ : মুক্তিযুদ্ধ শুরুর দুই-তিন মাস পর সাঈদীর নেতৃত্বে সেনারা নলবুনিয়া গ্রামের আজহার আলী ও তার ছেলে সাহেব আলীকে নির্যাতন করে। সাহেব আলীকে পিরোজপুরে নিয়ে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
চতুর্দশ : মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে সাঈদীর নেতৃত্বে রাজাকার বাহিনী হোগলাবুনিয়ার হিন্দুপাড়ায় যায়। অধিকাংশ হিন্দু নারী পালিয়ে গেলেও মধুসূদন ঘরামীর স্ত্রী শেফালী ঘরামী বের হতে পারেননি। রাজাকাররা তাকে ধর্ষণ করে। স্বাধীনতার পর একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেওয়ায় গ্রামে বিভিন্ন কথা ওঠায় শেফালী ঘরামী ভারতে চলে যেতে বাধ্য হন। (প্রমাণিত)
পঞ্চদশ : মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে সাঈদীর নেতৃত্বে রাজাকারের একটি দল হোগলাবুনিয়া গ্রামের ১০ জন হিন্দুকে ধরে নিয়ে গেলে সেনারা তাদের হত্যা করে নদীতে ফেলে দেয়।
ষষ্ঠদশ : সাঈদীর নেতৃত্বে রাজাকাররা পাড়েরহাট বন্দরের গৌরাঙ্গ সাহার তিন বোনকে ধরে সেনাক্যাম্পে নিয়ে গেলে ধর্ষণের পর ছেড়ে দেওয়া হয়। (প্রমাণিত)
সপ্তদশ : সাঈদী ও রাজাকার বাহিনী পাড়েরহাটের ভানু সাহাকে আটকে রেখে নিয়মিত ধর্ষণ করে।
অষ্টাদশ : সেনা ক্যাম্পের ভাগীরথী নানা খবরাখবর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পাচার করেন সাঈদীর এমন খবরে তাকে হত্যা করা হয়।
উনবিংশ : সাঈদী প্রভাব খাটিয়ে পাড়েরহাটসহ অন্য গ্রামের ১০০-১৫০ জন হিন্দুকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেন।(প্রমাণিত)
বিংশতম অভিযোগ : নভেম্বরের শেষ দিকে সাঈদীর নেতৃত্বে একটি সশস্ত্র দল ইন্দুরকানি গ্রামের তালুকদার বাড়িতে আক্রমণ ও ৮৫ জনকে আটক করে মালামাল কেড়ে নেওয়া হয়।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:১২
টোটোগ্রাফার_রিপন বলেছেন: হুম সেটাই অপেক্ষায় থাকলাম ...!!
২|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:১৬
মাগফার উদ্দিন মনি বলেছেন: কিছুই বুঝলাম না, অন্ধকারে আছি, মনে হচ্ছে আরে অন্ধকারের দিকে যাচ্ছি !
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:১৮
টোটোগ্রাফার_রিপন বলেছেন: হুম সবাই তো রায় না দেখেই খুশী হলাম আসলে যে কি হল এইটা পর বোঝা যাবে ,
আপাতত আনন্দটা করে নেই ...!
জয় জনতা।।!!
৩|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৩০
এম.ডি জামান বলেছেন: অন্য অভিযোগগুলো কেন প্রমান করতে পারলনা। নাকি ওগুলো মিথ্যা ছিল?
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৪
টোটোগ্রাফার_রিপন বলেছেন: পারল না না . আসলে করল না .!
৪|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৬
বহুরুপি জীবন বলেছেন: আর যদি অই ২ টাতে আপিলে অন্যরকম হয় ? তখন কি হবে জানেন কেউ ?
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:০৮
রানিং ফ্ল্যাশ বলেছেন:
এই প্রশ্নের উত্তর আমার মনে হয় আপাতত কেউই দিতে পারবে না।