| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সর্বোচ্চ সময় ধরে রাস্ট্র পরিচালনা করেছে কোন দলঃ
যদি বলি স্বাধিনতার পর থেকে এই পর্যন্ত কোন দল সর্বোচ্চ সময় রাস্ট্র পরিচালনা করেছে। হিসেবের কোন দরকার হবেনা। নিঃসন্দেহে বিএনপি। শহীদ জিয়ার গড়া এই দল সব চাইতে বেশীবার দেশ পরিচালনা করেছে, তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে, জন সমর্থন পেয়েছে, মানুষের ভালোবাসা পেয়েছে, বার বার সুযোগ পেয়েছে।
তবুও একটা হিসেব কষি। দেশ স্বাধিন হয়েছে আজকে ৪২ বছর। এই ৪২ বছরে, স্বৈরাচার অগনতান্ত্রিক সরকার গুলো বাদ দিলে, [এরশাদের ৯ বছর, জরুরী সরকারের ২ বছর সহ, সব অগনতান্রিক, অনির্বাচিত সরকার গুলো বাদ দিলে] রেশিও টা হবে অনেক বেশী। বারবার নির্বাচিত হয়ে এসেছে বিএনপি। আগামীতেও তাদের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা প্রবল। কিন্তু, প্রশ্ন হচ্ছে, সারাজীবন ক্ষমতায় থাকা এই দলের আজকে এত দূরবস্থা কেন?
খাবার টেবিলে খেতে বসলে বাবার সাথে প্রায় তর্ক হয়। আম্লিগ এই, আম্লীগ সেই হা হুতাশ করতে থাকে। বাবাকে যখন বিএনপির অপরাধ গুলোর কথা বলি শুনতে চায়না। কথা বলার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। কানের উপর তাও বলি, আম্লীগ রে গালি দিলে হবেনা। আগে দেখেন বিএনপি এই অবস্থায় আসল কিভাবে? আত্মসমালোচনার আজকে খুব দরকার।
রাজনৈতিক দল বিএনপির সীমাহীন ভূলগুলোঃ
বিএনপির মূল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কে?
উত্তরঃ আওয়ামী লীগ
আওয়ামী লীগ কি গনতান্ত্রিক চেতনার কোন দল?
উত্তরঃ কখনোই না। আওয়ামী লীগের চেতনা একদলীয় বাকশাল। তাদের সমর্থক রা প্রতিক্রিয়াশীল, যারা ভিন্নমত গুড়িয়ে দিতে চায়।
তাহলে তাদের সাথে ভদ্র রাজনীতির অর্থ কি?
বিএনপির মিডিয়া উইংস কোথায়ঃ
আজকে যদি প্রশ্ন করি, বিএনপির মিডিয়া উইংস কোথায়? মিডিয়ার মালিক কে?
উত্তরঃ বিএনপির মিডিয়া উইংস নাই। তারা সেটা ক্রিয়েট করেনাই। ৯৫% মিডিয়ার মালিক আওয়ামী লীগের লোকেরা, তাদের সমর্থকরা, তাদের সমমনরা। মিডিয়া জগতে বিএনপি নাই।
প্রশ্ন জাগে, মিডিয়ার উপর সব চাইতে বেশী দমন পীড়ন করেছে এই আম্লিগ। বাকশাল করে বাক স্বাধিনতা কেড়ে নিয়েছে। তাহলে, আজ তাদের দখলে কিভাবে গেল সব মিডিয়া?
উত্তরঃ এটা তাদের ইন্টালেকচুয়াল পলিটিক্স এর সাফল্য। তারা মিডিয়াতে বিনিয়োগ করেছে। ভোল পালটে, ভদ্র সেজে মিডিয়ার লাইস্যান্স নিয়েছে, প্রতিকূল সময় পার করেছে। [লাইস্যান্স বেশিরভাগ বিএনপিই দিয়েছে]
বিএনপি কি মিডিয়া উইংস তৈরী করার চেস্টা করেনি?
হুম করেছে। কিন্তু, সেই মিডিয়া চালানোর মত সাচ্চা জাতীয়তাবাদিদের হাতে দায়িত্ব দেয়া হয়নি, অথবা সাচ্চা জাতিয়তা বাদি বিএনপিতেই নাই।
বৈশাখী টিভি, দেশ টিভি, আর টিভি, এস টিভি এগুলা কার হাতে ছিল?
বিএনপির হাতে ছিল। কিন্তু, তারা চ্যানেল বিক্রী করে দিয়েছে। তাও শত্রুর হাতে।
বিএনপি কি পত্রিকা দাড় করানোর চেস্টা করেছে ৫ বছর ক্ষমতায় থেকে?
প্রথম আলো কে ডাউন করার চেস্টা করে বিকল্প পত্রিকা কি তারা দাড় করাতে পেরেছে? পারেনি।
বিএনপি সমর্থক বুদ্ধিজীবি গুলার আরেক বেহাল অবস্থা। তারা পরিচয় লুকিয়ে রাখতে পারেনা। রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ে। শওকত মাহমুদ তার বড় প্রমান। কিন্তু, আওয়ামী রা পারে। তারা যতই দালালী করুক, নিজেদের নিরপেক্ষ, সুশীল, নাগরিক সমাজ বিভিন্ন টাইটেল দিয়ে দলের দালালী করতে পারে।
মিডিয়া তৈরী করতে না পারার এই মাশুল আজকে বিএনপি দিচ্ছে।
আমার দেশ কোন মিডিয়া না। এটা মেইন্সট্রিম মিডিয়া হতে পারেনা। বিএনপির দরকার একটা চিকন বুদ্ধির পত্রিকা। প্রথম আলোর মত। চিকন চালে আস্তে আস্তে স্লো পয়জনিং করার মত। আমার দেশের মত সরাসরি জিহাত ঘোষনা করা পত্রিকার তাই হয় যা আজকে তাদের সাথে হয়েছে।
এই ব্যার্থতার কারনে, আজকে জাতীয়তাবাদীদের ঘরে ঘরে প্রথম আলো। তারা বিনোদন, নকশা, খেলার খবর পড়ার জন্য পত্রিকা রাখে। শেফিক রহমান এর মত একজন সাংবাদিক থাকতে বিএনপির ব্যার্থতা নজীরবিহীন।
সামনে ক্ষমতায় আসলে বিএনপির প্রধান কাজ হবে মিডিয়া রিফর্ম করা। হলুদ মিডিয়া গুলা কে সাইজ করা। এটা এমন কঠিন কিছুনা। এ ব্যাপারে ভবিষ্যতে বলব।
বিএনপির বিপ্লবী উইংস কোথায়?
প্রহাসের বিষয়, সারা জীবন ক্ষমতায় থেকেও, অধিক সময় ক্ষমতায় থেকেও বিএনপির আন্দোলন করার মত কোন শক্তিশালী উইংস নেই। আম্লীগ অথচ তাদের গুন্ডা বাহিনি নিয়ে বড়াই করে, জামাত যারা জীবনে ক্ষমতা দেখেনাই তারাও তাদের স্টুডেং উইংস শিবির দিয়ে তুমুল আন্দোলন করতে পারে। আর সর্বোচ্চ সময় ক্ষমতায় থাকা বিএনপির জন্য আন্দোলন করার মত উইংস নাই।
আসলে ৮০-৯০ দশকে এমন ছিলনা। সে সময় ছাত্রদল অনেক শক্তিশালী ছিল। কিন্তু, বিএনপি আস্তে আস্তে তাদের নিজেদের দলকেই দূর্বল করেছে। বিএনপি তে এক শ্রেনীর চাটুকার, সুবিধাভোগী নেতা ঢুকেছে। তারা ভেবেছে আমরাই আজীবন ক্ষমতায় আছি। আমাদের জনপ্রিয়তা কমবে না। শক্তিশালী স্ট্রাইক উইংস তৈরী করতে না পারার ফলাজ বিএনপি হাতে হাতে পাচ্ছে।
অতিরিক্ত আত্মতৃপ্তির কুফলঃ
আজ থেকে ১০ বছর আগে বিএনপি এবং খালেদা জিয়া যে পরিমান জনপ্রিয় ছিল, আজ কি সেই অবস্থা আছে? আওয়ামী লীগ কিভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে মাথা চাড়া দিয়ে দাড়াল? বিএনপি কি খবর রাখে যে, আওয়ামী রা প্রচারনা মেশিনের মাধ্যমে বাকশাল জায়েজ করে ফেলেছে? তাদের নতুন প্রজন্মের সমর্থকরা বাকশালকে দ্বিতীয় বিপ্লব বলে?
ক্ষমতায় থাকার সময় কি বিএনপির কি এতো হুশ ছিল? আমার তো মনে হয় তারা নেশাগ্রস্থ ছিল, যার মাশুল আজ দিচ্ছে।
ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় অবহেলাঃ
বিএনপি নেত্রত্ব বলে বেড়ায় তারেক রহমান তাদের ভবিষ্যত প্রধানমন্ত্রি। তারা কি কখনো তারেক কে বাচানোর চেস্টা করেছে? জয়ের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় মাহমুদুর রহমান কে হাসিনা যেভাবে শায়েস্তা করেছে, ক্ষমতায় থাকতে বিএনপি কি তারেক বিরোধী অপপ্রচার বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছিল? নেয়নি।
জিয়াউর রহমানের করা পঞ্চম সংশোধনি বিএনপির অস্তিত্ব। অবিশাস্য হলেও সত্য সেই সংশোধনি বাতিল করা হয়েছিল বিএনপির আমলে। আপিল করার জন্য তখনো পৌনে দুই বছর সময় ছিল। ইন্ট্যালেকচুয়াল ক্রাইম করেছিলেন বিচারপতি। তিনি রায় না লিখে আপিল আটকিয়ে রেখেছিলেন। বিএনপি কোন ঘোরে নেশাগ্রস্থ ছিল? এই ঘটনা আম্লীগ আমলে হলে গুন্ডামি করে হলেও তারা রায় নিজেদের পক্ষে নিত।
সমালোচনা করার অনেক বিষয় আছে। বলে শেষ করা যাবেনা। বিএনপি সমর্থকদেরও কিছু দোষ আছে। একটা কানাঘুষা আছে যে, বিএনপির ভোটার দের একটা অংশ ভোট দিতে যায়না। তারা ঘরে বসে বিএনপি করে। তাদের জাতীয়তাবাদের মাত্রাও সমস্যা আছে।
বিএনপি সমর্থক দের জাতীয়তাবাদের মাত্রাঃ
এক সময় বিএনপি আমলে চুরি চামারীর জন্য অনেক গালি দিতাম। অনেক বন্ধু আমাকে বিএনপি কে গালি দিতে দেখে নাই, তাই হার্ডকোর বিএনপি মনে করে। বিএনপি কে আমি নিজেই ব্যঙ্গ করে "ব্যাসিক্যালি নো পার্টি" বলি। দূর্নীতির কথা শুনলে চান্দি গরম হয়ে যেত। গালি দিতাম, কানসাট-ফুলবাড়ির সময়ও গালি দিছি। তখন বলতাম, বিএনপি যেন আর জীবনে ক্ষমতা চোখে না দেখে।
নারে, গালি দিতাম আগে দেশাত্ববোধ ছিল বলে।
খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকলেও, বিএনপি নেতাদের দেখলে, তাদের কথা বার্তা শুনলে গা জ্বলে। এখন বুঝি, আমরা আসলে প্রতারিত হয়েছিলাম। দূর্নীতি বিরোধি হম্বি-তম্বি সব ছিল ফাকা বুলি। দূর্নীতির বিরোধিতা হতো ঠিকি, কিন্তু বিরোধিতা হতো রাজনৈতিক কারনে। কেউ বিরাট দেশপ্রেমিক এই কারনে নয়।
আজকে আওয়ামী লীগের অবস্থা আরও ভয়াবহ। এখন তো এটা ফরয ই হয়ে গেছে যেন আওয়ামী লীগ আর কোন দিন ক্ষমতা চোখে না দেখে। খুনাখুনি-লুটপাট-ব্যার্থতা সীমাতীত, ক্ষমারও অযোগ্য। তবে, এবার কাহিনী ভিন্ন। এরা কখনো নিজের দলের অপকর্মের সমালোচনা করবেনা, বরং সব অপকর্ম সমর্থন দিয়ে যাবে। এটাই সত্য। এখানেই খেলাটা ভিন্ন।
আম্লীগ আর বিএনপির পার্থক্যঃ
বিএনপি আমলে ১৮ টাকার চাল খাইয়ে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতিতে বাচিনা বলে হাউ মাউ করে কাদলেও, তাদের পেয়ারের দল আম্লীগের আমলে ৫০ টাকার চাল ঠিকি খাইতে পারে।
একটা সভ্য দেশে মানুষ খুন করা হয়। [কোন সরকার মানুষ খুন করছে এটা কল্পনারও অতীত] আর তার চ্যালারা আনন্দ করছে। আমরা হতবাক হয়ে দেখছি। কিছু কিছু চ্যালা পৈতাল হইছে, তারা নিজেরাই ম্যাসিভ কিলিংস এর নির্দেশনা দেয়।
বিএনপি সরকারের সময় বায়বীয় দূর্নীতির কথা বলে দেশ অকার্যকর হয়ে যাচ্ছে বলে অনেক হা হুতাশ করবে এগুলা। কিন্তু, তাদের সরকারের সময় রেকর্ড ব্রেকিং দূর্নীতি হলেও মুখ বন্ধ করে রাখবে। আপনি যখন বলতে যাবেন, আপনাকে বাংলা পরীক্ষার জুজু ধরাই দিবে। আর আপনিও ঘাড় নেড়ে সায় দিবেন।
বিএনপি সমর্থক দের সমস্যা হলো, তারা হার্ডলাইনে যেতে পারেনা। আগে একটু সুশীলতার ভাব ধরে। আম্লীগ রা এর ধার ধরেনা। তাই তারা ফেসবুকে পলিটিক্যাল ভিউ তে আম্লীগ লিখে দেয়। যদিও সেখানে, তার আইডিওলোজি জানতে চাইছে, কোন দল করে সেটা জানতে চাওয়া হয় নাই। বিএনপি ওয়ালা রা আগে সুশীল, পরে বিএনপি। আর তারা কেয়ামত আসলেও আগে আওয়ামী লীগ, আর বিএনপির বেলায় বলবে, ম্যাউ ম্যাউ, ম্যা, ম্যা, হাম্বা, হাম্বা। আর বিএনপি ঘাড় নাড়িয়ে সায় দেয়, বলদের দল।
আরে বেটা বিএনপি, কোদাল কে কোদাল বল। খুনি কে খুনি বল, রেপিস্ট কে রেপিস্ট বল, ফ্যাসিস্ট কে ফ্যাসিস্ট বল, ডিক্টেটর কে ডিক্টেটর বল। হুদাই সুশীলতা আর সম্মান প্রদর্শনীর কোন মানে হয়না। হার্ড লাইনে আয়।
কি? খটকা লাগে? ......... মনে রাখিস, তারা ২৫ মার্চের কাল রাতের পূনরাবৃত্তি করেছে। নপংশুক এর মত আমরা চেয়ে চেয়ে দেখেছি। এক তরফা ভদ্রতার দাম অনেক চড়া রে।
ওহে বিএনপি সমর্থক। তোমাকে সুশীলতার ঠেকা কে দিয়েছে? কেন তুমি সুশীলতা ল্যাদাইতে যাও? হারামখোর এর সাথে কিসের সুশীলতা? তারা তো খুনীর দল।
তুমি কি জামাত এর সংগ নিয়ে কনফিউশনে ভুগতেছ? তোমার ভিতরে এই গিল্টিনেস কে ঢুকাইছে??? আওমী রা ঢুকাইছে। সুশীল, প্রগতিশীল, চেতনাবাজ বিভিন্ন নামে ঢুকাইছে।
যে শালার বেটারা তোমাকে এই ব্যাপারে খোচাইতে আসে সে কি আদতে জামাত বিরোধী? চ্যালেঞ্জ করে কইলাম মোটেও না। তারা জামাত বিরোধিতার ভেক ধরে। বাস্তবে জামাত কে সাথে পাইলে খুশিতে বগল বাজাইবে চুতিয়ার দল। অতীতের মত। আদতে জামাত বিরোধি হইলে এতদিনে তাদের অতীতের প্রেমিক জামাত কে নিষিদ্ধই করে দিত।
তাই এইসব মূর্খামি ছাইড়া, হার্ড লাইনে আস বিএনপি সমর্থক। দাতভাংগা জবাব দাও। ট্যাগিং তাদের পশ্চাতদেশে ঢুকাই দাও। তাদের ভাষায় তাদের গাল দাও। তুমি তো শিবির না, হেফাযত না, যে ভদ্রতার মধ্যে থাকতে হবে। হার্ডকোর হও।
জিয়াকে ভালোবেসে থাকলে, বল জিয়া স্বাধিনতার ঘোষক। উচু গলায় বল দেখিঃ
"জিয়া তুমি আছো মিশে, সারা বাংলার ধানের শীষে"
০৭ ই মে, ২০১৩ দুপুর ১:১৩
তৃষ্নার্থ বলেছেন: কথাগুলো সবার মাথায় রাখেন। ধন্যবাদ।
২|
০৭ ই মে, ২০১৩ ভোর ৫:৫৬
ওবায়েদুল আকবর বলেছেন: সবার শেষ কথা হল সেভ জামাত। আপনার বাবা জাতীয়তাবাদী কিন্তু আপনি কি?
০৮ ই মে, ২০১৩ রাত ২:০৩
তৃষ্নার্থ বলেছেন: ঘাস খান।
৩|
০৭ ই মে, ২০১৩ ভোর ৬:৫৯
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: বিএনপি ক্ষমতা পাইলে আপ্নে কোন কোন জায়গায় চান্দাবাজি করার লাইসেন্স পাবেন সেইটা আগে বলেন।
০৭ ই মে, ২০১৩ দুপুর ১:০৯
তৃষ্নার্থ বলেছেন: এখানে আপনার কাম কি? ভাগেন
৪|
০৭ ই মে, ২০১৩ সকাল ৭:০৯
মিতক্ষরা বলেছেন: প্লাস।
০৮ ই মে, ২০১৩ রাত ২:০২
তৃষ্নার্থ বলেছেন: ধন্যবাদ।
৫|
০৭ ই মে, ২০১৩ সকাল ৭:২৮
শফিক১৯৪৮ বলেছেন: বেশ ভাল লাগল, আপনি বেশ গুছিয়ে লেখেন।
০৭ ই মে, ২০১৩ দুপুর ১:১৪
তৃষ্নার্থ বলেছেন: ধন্যবাদ।
৬|
০৭ ই মে, ২০১৩ সকাল ৯:০১
হাসিব০৭ বলেছেন: ভাই আমি কোন রাজনীতির ধার ধারি না তয় জীবনের প্রথম ভোট আওয়ামিলীগরে দিছিলাম তার ভূলের মাসুল ও পাইতেছি। যাইহোক একটা কথা বলি পিপিলিকার পাথা গজায় মরিবারও তরে.......
০৭ ই মে, ২০১৩ দুপুর ১:১১
তৃষ্নার্থ বলেছেন: পতন আম্লীগের হবে, এটা সবাই জানে। কিন্তু, বিএনপির ভূলগুলো ধরাই না দিলে, তারা আবারও ফিরে আসবে। আজকে হয়তো এতটা স্বৈরাচার তারা হতে পারতনা যদি বিএনপির হুশ থাকত।
৭|
০৭ ই মে, ২০১৩ সকাল ৯:২১
পথিক মানিক বলেছেন: "জিয়া তুমি আছো মিশে, সারা বাংলার ধানের শীষে"
০৭ ই মে, ২০১৩ দুপুর ১:১৩
তৃষ্নার্থ বলেছেন: কথাগুলো সবার মাথায় রাখেন। ধন্যবাদ।
৮|
০৭ ই মে, ২০১৩ দুপুর ১:৪৫
আ.র.জা বলেছেন: আওয়ামিলীগের আরেকটি ব্যাপার যোগ করা দরকার। তা হলো আন্তজাতিক অভিভাবকত্ব। ভারত তাদের প্রভু এবং তাদের রক্ষক। তারা যে কোন ভাবে আওয়ামিলীগ কে রক্ষা করবে।
০৮ ই মে, ২০১৩ রাত ২:০১
তৃষ্নার্থ বলেছেন: ভারত কয়দিন তাদের বাচায় এটা দেখার বিষয়। সব কিছু পাওয়া হয়ে গেলে ছুড়ে ফেলে দিবে।
৯|
০৭ ই মে, ২০১৩ দুপুর ২:০৫
শিরোনাম বলেছেন: সরকারের নৃশংস হত্যা দেখে যারা উল্লাস করছে তারা মানুষ না, মানুষের বাচ্চা না। ওরা সেফ আওয়ামীলীগ।
বিএনপির ব্যপারে অর্ভজারবেশন ঠিকাছে।
০৮ ই মে, ২০১৩ রাত ২:০২
তৃষ্নার্থ বলেছেন: তাদের উল্লাস আমাদের সবাইকে হতবাক করে দিয়েছে ভাই।
১০|
০৭ ই মে, ২০১৩ রাত ১১:২৩
পাথ-ফাইন্ডার বলেছেন: মনের কথাগুলো বলেছেন, প্রতি রাতে টকশো দেখি এই ব্যাপারগুলা নিয়া ভাইয়ের সাথে ডিসকাস করে বিএনপির ধামাধরা স্থায়ী কমিটির প্যারালাইজড নেতাদের গালি গালাজ করি, ওদের গুনে ধরা রাজনীতি সত্যি মনটাকে পীড়া দেয়, খালেদা জিয়া স্থায়ী কমিটির যেই বলদগুলারে নিয়া চোরের মত রাত ৮টার পর মিটিং করে ওদের যদি একটু সামনে পেতাম??? ইচ্ছামত চড়ায়া শিখায়া দিতাম আওয়ামীলীগের সাথে রাজনীতি কেমনে করতে হয়। ওরে গাধা রা ডিসিশন নিতে দেরী করস কেন???? সেইতো হরতাল দিলি--- রাত আড়াইটায় গণহত্যা করছে, তোরা কি জানস নাই?? সকাল আটটায় জরুরী সংবাদ সম্মেলন করেইতো অনির্দিস্ট কালের জন্য হরতাল ঘোষণা করতে পারতি, সারাদেশ থেকে আসা লাখ লাখ হুজুর রা তো রাস্তায়ই ছিল, হরতাল ডাক দিলে তোদের তো আর মাঠে থাকতে হতনা, হেফাজত ই হরতাল করত, খালেদা জিয়ারে যদি বলতে পারতাম ?---- ম্যাডাম, এই আতলামী বাদ দিয়ে পাওয়ার পলিটিক্স করেন, যদি নীতি-নির্ধারনী কমিটির সব সদস্যদের সাথে আপনে পেড়ে উঠতে না পারেন তবে এখনো সময় আছে স্তায়ী কমিটি রিফর্ম করেন, আপনার মাদারচোত নাজমুল হুদা কই??? বিএনপির ঘাড়ে থেকে কি সুখই না করছে জীবনে , লীগের নাসিমরে দেখে শিক্ষা নেন, কোন ক্ষমতা না পেয়েও আজ দলের জন্য কেমনে উঠে-পড়ে লাগছে, অঘোষিত ভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মত কাজ করে দলকে সাহায্য করছে, ম্যাডাম আপনে কষ্ট করে সাভার গেছেন--- ভাবছেন এই মানবিকতায় আপনার ভোট বাড়বে, হাসিনা অনেক দেরীতে গেছে --তার ভোট কমবে, এই সেন্টিমেন্ট বাদ দেন, প্লিজ এইসব বাদ দেন, ভদ্র হয়ার দরকার নাই, পাবলিক ভোট দিব, এখন দরকার সঠিক পলিটিক্স, গত ৪ বছর যা করছেণ সব ভুল পলিটিক্স, ২০০৬ এ তো দেশের ৬৪ জেলার প্রায় সবগুলাই কষ্ট করে নির্বাচনী ওয়ার্ক করেছিলেন---কিন্তু ফলাফল কি পাইছিলেন??? হাসিনা এগুলার ধার ও ধারে নাই, সো এমন বোকামী না করে পাওয়ার পলিটিক্স করেন, জনগন নিয়া টেন্সড হয়ার কিছু নাই, ভবিষ্যত নিয়া অনেক চিন্তা করছেন, আগে বর্তমান ভাবেন, প্রতিপক্ষকে সামলাতে ২/৩ শ খুন করে জ্বালাও-পোড়াও করে পাবলিক কি ভাববে সেটা নিয়া চিন্তা না করে কিভাবে সামলাবেন সেই রাজনীতি করেন, বর্তমানে টিকতে পারলে তো ভবিষ্যতে এদেশে রাজনীতি করতে পারবেন, আওয়ামীলীগ এত্ত ভবিষ্যতের ধার ধারেনা, পাবলিক কি ভাবল সেটা তোয়াক্কা করেনা, যদি তোয়াক্কা করত আর ভবিষ্যত চিন্তা করত তাহলে গণহত্যা করতে ইতস্তত করত, আজকে আপনে স্ট্রং থাকলে তো কাল পাবলিক আপনাকে ভোট দিবে, আমি আপনার কোন সমাবেশে আপনার সামনে সুযোগ পেলে জোড় গলায় বলতাম--- ১৮ দল চরম বেঈমান ও স্বার্থপর, আপনাদের কোন মিডিয়া নেই, আপনারা সরকারী অপকর্ম/দূর্নিতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে পারেননাই ঠিকমত, আপনাদের এই কাজগুলা সঠিকভাবে করে দিছিল এক আমার দেশ আর মাহমুদুর রহমান, আপনারা কি পারছেন তাকে রক্ষা করতে??? হুম আপনাদের ১৫০ এর বেশি নেতাই তো বন্দী, ঠিক আছে মানলাম, কিন্তু তাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে দিছিলেন কোন হরতাল??? তো আজকে কেমনে আশা করেন আপনাদের পক্ষে কেউ কথা বলবে নিজের ঘরের খেয়ে, আপনাদের পক্ষে দাড়াতে যেয়ে কেউ বিপদে পড়লে আপনারা তো শেল্টার দিতে পারেনইনা, উল্টো অতি মানব হয়ে তার সমালোচনা করেন, যদি সেদিন কঠোর অবস্থান নিতেন মাহমুদুর রহমান এর পক্ষে তাহলে আজ সরকার দিগন্ত ইসলামিক টিভি বন্দ করার সাহস পেতনা,.... আমি রাজনীতি করিনা, কিন্তু রাজনীতির মারপ্যাঁচ যতটুকু বুঝি, আপনাদের রাজনৈতিক দূর্বলতার বিশ্লেষণ যতটুকু করতে পারি ----আপনার চারপাশের রামছাগলগুলা এতটুকুও কি বুঝে না???এখনো সময় আছে নিজেদের আত্নসমালোচনা করে শোধরান, পলিটিক্সের স্টাইল চেঞ্জ করেন---নয়তো নেক্সট টাইম ক্ষমতায় যেয়েও শান্তিমত একটা দিনও দেশ শাসন করতে পারবেননা, ২০০১ আর ২০১৪ কখনো এক হবেনা, ২০১৪ হবে অনেক চ্যালেঞ্জিং, গত ৪২ বছরে শত শত আওয়ামী অংগ-সংগঠন ধীরে ধীরে চারা গাছ থেকে বড় হয়ে গত ৪ বছরে সব পরিপক্ক হয়েছে, আপনাদের দীর্ঘ শাসন কালে যাহারা আপনাদের থেকে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছে সেই সুশিল-বুদ্ধিজিবি রাই আজ আওয়ামী গ্রুপে, আপনারা শুধু দেশের ক্ষমতা ভোগ করছেন কিন্তু কখনো এগুলার প্রতি দৃষ্টি ও দেননাই, আজ হারে হারে তা টের পাচ্ছেন, কিন্তু আমার সন্দেহ এতে ও আপনাদের শিক্ষা হবে না, আপনার নেতা-কর্মী সব তো নাজমুল হুদা আর ফালু মার্কা, ক্ষমতায় গেলে সব আখের গোছাতে ব্যাস্ত থাকবে, কিন্তু দলের অস্তিত্ব আর ভবিষ্যৎ গড়তে যে অসংখ উইংস লাগে সে দিকে কি নজর থাকবে??? দরকার হলে আপনার উপদেষ্টা বদলান, দূরদৃষ্টি সম্পন্ন ডাইনামিক, সৃজনশীল লোক নিয়োগ করেন, জড়-বৃদ্ধ-ভাড় বাদ দিয়ে প্রয়োজনে তরুন প্রজন্ম ব্যাবহার করেন, নেহায়েত না পারলে শিবিরের নেতা-কর্মী ইউজ করেন, সবাই নাজমুল হুদা হলেও ওরা অন্তত বিপদের সময় আপনার সাথে বেইমানী করবে না
০৮ ই মে, ২০১৩ রাত ২:০০
তৃষ্নার্থ বলেছেন: সত্য বলেছেন।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই মে, ২০১৩ ভোর ৪:৫৪
সাইফ সানি বলেছেন: ভালো লাগলো। প্রিয়তে নিলাম।