নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নেবুলা মোর্শেদ

মেঘ মুক্ত রাতের আকাশ দেখতে ভালবাসি,আর ভালবাসি ছবি তুলতে।

নেবুলা মোর্শেদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

গ্রহের হাতে মানুষের ভাগ্য।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:১৩

আমাদের দেশে তথা (ভারতীয় উপমহাদেশে) হাত দেখে মানুষের ভাগ্য বলে দেওয়ার প্রচলন অনেক অনেক বছর আগে থেকে চালু আছে।আপনার আজকের দিনটি কেমন কাটবে,কোন বিপদ আছে কিনা অর্থ প্রাপ্তি ঘটবে কিনা,মোটকথা মানব জীবনের সব কিছু বলে দেয়া।এবং এই কথা যারা অগ্রীম বলে দেয় তাদের কে জ্যেতীষবিদ বলে।সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো তারা এই জ্যেতীষবিদ্যাকে বিন্গান বলে অভিহিত করে।কিন্ত আমরা এটা জানি প্রকৃত বিন্গানে স্হির,নিশ্চিত,এবং শেষ বলে কোন কথা নেই এটি নিয়ত পরিবর্তনশীল।এই জ্যেতীষ সাহেবরা হাত দেখে,গ্রহ নক্ষএদের অবস্হান দেখে বর্তমান ভূত,ও ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেয় (পেপারে প্রকাশিত রাশিফলে কিছু কিছু কথা অনেকের বেলায় মিলেও যায়) আসলে এর সত্যতা কতটুকু আসুন এবার দেখি।

রাশিচক্র ও রাশি:

পৃথিবী নিজ অক্ষের চারপাশে ঘুরে চলছে।যার কারনে আকাশের বস্তুগুলোকে পূর্বদিকে উদয় ও পশ্চিমে

অস্ত যেতে দেখি।এই আপাতদৃস্ট গতি ছাড়াও সূর্য,চন্দ্র, ও গ্রহগুলোর নিজস্ব আরও একটি গতি আছে পশ্চিমদিক থেকে পূর্ব দিকে,এবং প্রত্যেকটির একটি করে নির্দিস্ট গতিপথ আছে।এই পথ 18 ডিগ্রী চওড়া একটি বেস্টনির মধ্যে অবস্হিত।এই বেস্টনিকেই রাশিচক্র বলা হয়।এই রাশিচক্রের 360 ডিগ্রী কে সমান বারো ভাগে ভাগ করা হয়েছে,অর্থাৎ প্রতিটি রাশিতে থাকছে 30 ডিগ্রী,বিষুব রেখার উওরে কল্পনা করা হয়েছে মেষ,বৃষ,মিথুন,কর্কট,সিংহ,ও কন্যা রাশি আর

বিষুব রেখার দক্ষিনে কল্পনা করা হয়েছে তূলা,বৃ্শ্চিক,ধনু,মকর,কুম্ভ,ও মীন রাশিকে।রাশিচক্রের বারো ভাগের প্রত্যেক ভাগে অবস্হিত তারা (নক্ষএ) গুলোকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা জুড়ে দিয়ে এক একটি ছবির কল্পনা করা হয়ে থাকে।এই ছবির সাথে যে প্রানী বা বস্তুর মিল পাওয়া যায় সেই নামেই রাশিটির নামকরন করা হয়।এবার দেখা যাক বাংলা এবং আরবী নাম ওছবি।

বাংলা আরবী পাশ্চত্য ছবি

------- -------- -------- --------

মেষ হামাল এরিস ভেড়া

বৃষ থৌর টরাস বলদ

মিথুন জৌরা জেমিনি নর-নারী

কর্কট সরতন ক্যান্সার কাঁকড়া

সিংহ আসাদ লিও সিংহ

কন্যা আজড়া ভির্গো কুমারী মেয়ে

তূলা মীযান লিব্রা নিক্তি

বৃশ্চিক আকরাব স্করপিও কাঁকড়া-বিছা

ধনু কৌস স্যাজিটারিয়াস ধনু

কুম্ভ দলওয়া এ্যাকোয়ারিয়াস কলস

মীন হুত পিসেস মাছ

আশ্চর্যের বিষয় কেবল মাএ চীন ছাড়া গ্রীস,মিশর,আরব,ভারতবর্ষ প্রভৃতি প্রত্যেকটি দেশে এই

রাশির নাম ও ছবি হুবহ এক।কারন চীন সভ্যতা অন্য কোন সভ্যতার প্রভাবে আসেনি বলে রাশির নাম,ছবি ও অবস্হান সূম্পূর্ন পৃথক।

চীনা নাম ছবি

------------------- --------------

Ta Liang ইঁদুর

Hsi Chen বলদ

Tsum-nseo বাঘ

Tsum-go খরগোশ

Lsum-vi ড্রাগন

Hseo-Sing সাপ

Ta-no ঘোড়া

Hsi-mu ভেড়া

Sing-ki ধনুকধারী

Husan-nio মুরগী

Tsu-tsu কুকুর

Hiang-Lo ভাল্লুক

(যদি এই জ্যেতীষবিদ্যা বিন্গানই হতো তাহলে এই রাশিচক্র সব দেশেই এক হতো এই রকম আলাদা হবার প্রশ্নই আসে না)

এখন এক কথায় বলা যেতে পারে,সূর্য এক বছরে যে বৃক্ত পথে আকাশ প্রদক্ষিন করে তাকে রাশিচক্র বলে।অনুরুপভাবে চন্দ্রপথকে 27 ভাগে ভাগ করে এর নাম দেয়া হয়েছে চন্দ্রের আবাস বা নক্ষএ।আরবীতে এর নাম মানাজেলোল কামার এবং চীনে সিউ নামে পরিচিত।চন্দ্র তার নিজের পথ প্রদক্ষিনের সময় 27 দিনের একএক দিনে এক নক্ষত্রে অবস্হান করে।এই 27টি নক্ষএ হলো-অশ্বিনী,ভরনী,কৃত্তিকা,রোহিনী,মৃগশিরা,আদ্রা,পূর্নবসু পুষ্যা,অশ্লেসা,মঘা,পূর্ব

ফাল্গুনী,উওরফ্লাগুনী,হস্তা,চিত্রা,স্বাতী,বিশাখা,অনুরাধা,জ্যেস্ঠা,মূলা,পূর্বষাঢ়া,উওরষাঢা,শ্রবনা, ধনিস্ঠা,শতভিসা,পূর্বভাদ্রপদ,উওরভাদ্রপদ,রেবতি।এই 27 টি নক্ষএ কিন্ত শুধু 27 টি নক্ষএ নয়।এক বা একাধিক নক্ষএ নিয়ে এই 27 টি নক্ষত্রের নামকরন করা হয়েছে।

আবার প্রত্যেক নক্ষত্রের একজন করে দেবতাও আছে যেমন-অশ্বিনীর দেবতা যক্ষ,ভরনীর যম, কৃত্তিকার অগ্নি ইত্যাদি।জ্যেতীষদের মতে রাশি ও চন্দ্রের মধ্যে সম্পর্ক প্রত্যক্ষ ও নিবিড়। জম্নকালীন চন্দ্রের অবস্হানের উপর জাতকের জম্নরাশি নির্নীত হয়।এ সময় চন্দ্র যে নক্ষএযুক্ত ছিল জাতক জাতিকার জম্ন নক্ষএ ও সেই নক্ষএই হবে।

হাতের রেখা: হস্তরেখাবিদদের মতে কোন মানুষের আচার আচরন সবচেয়ে তারাতারি বোঝার উপায় হল সেই মানুষটির হাতের গঠন ও হাতের রেখা লক্ষ্য করা।এই হস্তরেখা বিচারের ইতিহাস কত পুরানো তা সঠিকভাবে জানা যায়না।তবে কিংবদন্তী পুরুষ কিরোর মতে ভারতের উওর পশ্চিম সীমান্তের লোকেরা অনেক প্রাচীন কাল থেকে হস্তরেখা বিচারের চর্চা চালিয়ে আসছিল।প্রাচীন গ্রীসে

ও হাতের রেখা দেখে ভাগ্য বিচারের প্রচলন ছিল।হাত দেখার অনেক রকম বিচার পদ্ধতি আছে,

যেমন-রেখা দেখে ভবিষ্যত বলা,হাতের রং দেখে চরিএ বিচার করা,নখ দেখে রোগ,নখ দেখে স্বভাব

ইত্যাদি।হাতে 9 টি গ্রহস্হল কল্পনা করেছেন জ্যেতিষীরা যেমন- 1.শুক্রস্হল (বুড়ো আঙুলের মূলে শুক্রের স্হল)

2.প্রথম মন্গল স্হল (ভারতীয় মতে বাহু স্হল) তর্জনী ও বুড়ো আঙুলের মাঝে এই স্হল।

3.বৃহস্পতি স্হল (তর্জনীর মূলে এই ক্ষেএ)।

4.শনি স্হল (মধ্যমার মূলে এই ক্ষেএ)।

5.রবি স্হল(অনামিকার মূলে এই ক্ষেএ)।

6.বুধ স্হল( কনিস্ঠার নিচে এই ক্ষেএ)।

7.দ্বিতীয় মন্গল স্হল (বুধের ক্ষেত্রের নিচেই এই ক্ষেএ)।

8.চঁন্দ্র স্হল (দ্বিতীয় মন্গল স্হলের নিচে কজ্বির উপরে এই ক্ষেএ)।

9.মন্গলের সমতল ক্ষেএ(হাতের তালুর কেন্দ্র স্হলেই মন্গলের এই ক্ষেএ)।এই 9 টি ক্ষেএ জাতকের ভাগ্যে বিভিন্ন ছাপ ফেলে।

হাতের প্রধান প্রধান রেখা:

শিবরেখা,আয়ুরেখা,মনরেখা,ভাগ্যরেখা,রবিরেখা,বিবাহরেখা ইত্যাদি।এছাড়াও জ্যেতিষবিদ্যা মতে

হাতের রেখা যেমন একটি মানুষের জীবনের সবকিছুর ইন্গিত দিতে পারে,তেমনি বিশেষ কিছু চিহ্ন আছে যা জীবন ও ভবিষ্যতের পথ নির্দেশ করে।যেমন- তারা চিহ্ন,ক্রশচিহ্ন,চতুস্কোন,যব বা দ্বীপচিহ্ন,বৃক্ত বা চক্র,ত্রিভূজচিহ্ন,ত্রিশুল,জালচিহ্ন ইত্যাদি।এখন দেখি এর সত্যতা কতটুকু

জ্যেতীষবিদ্যার মতে জম্নক্ষনে দিগন্তে যে রাশির উদয় হচ্ছে সেটাই হলো জাতক জাতিকার জম্নরাশি।কিন্ত একই জায়গার দিগন্তে প্রতিদিন 12 টি রাশির উদয় হয়,সম্পূর্নভাবে উদয় হতে একটি রাশির সময় লাগে দুই ঘন্টা। আবার প্রত্যেক পৃথক পৃথক স্হানান্ক (অক্ষাশং দ্রাঘিমাংশ) আছে,সেজন্য প্রত্যেক জায়গার দিগন্ত পৃথক,(এটি মাপতে সুক্ষ যন্ত্রের প্রয়োজন শুধু চোখ দিয়ে সম্ভব নয়)।সুতারং যারা কোস্ঠি তৈরী করেন,

তাদের নিভূর্ল ভাবে জায়গা ও সময় জানতে হয়,তা না হলে কোস্ঠিতে ভূল হতে পারে।জ্যেতীষ সাহেবা কি এটা জানেন? মনে হয় না, কারন।

সূর্য যখন দক্ষিনায়ন থেকে উওরায়নে প্রবেশ করে তখন নতুন বর্ষ আরম্ভ (ঝূতুবর্ষ) হয়।আকাশ প্রদক্ষিন শেষে সূর্য আগের স্হানে উপস্হিত হলে এক বছর পূর্ন হয়।এই দুই অয়নের সন্ধিবিন্দুকে বিষুবন বিন্ধু বলে।এরকম দুটি বিন্দু আছে বসন্ত বিষুবন,ও হেমন্ত বিষুবন,অবশ্য বিন্দু দুটি সূর্যপথ ও খ-বিষুবের ছেদ বিন্দু।এই বিষুব বিন্দুর একটি অগ্রগতি আছে

অতীতে বসন্ত বিষুবন মেষ রাশির আদি বিন্দুতে অবস্হিত ছিল।বর্তমানে এই বিন্দু মেষ রাশির আদি অবস্হান থেকে প্রায় 26 ডিগ্রী 24 মিনিট সরে প্রায় মীন রাশির আদিবিন্দুর নিকট উপস্হিত হয়েছে (এবং ভবিষ্যতে এটি আরো সরে গিয়ে কুম্ভ রাশির নিকট চলে যাবে)। বর্তমানে সূর্য মেষ রাশিতে প্রবেশ করে 14 ই এপ্রিল এবং 15ই মে পর্যন্ত এই রাশিতে থাকে। 21 শে মার্চ থেকে 20 শে এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সূর্য মীন রাশিতে থাকে,কিন্ত এই রাশির সন্গে সূর্যের কোন সম্পর্ক থাকে না।কাজেই 21 শে মার্চ থেকে 20 শে এপ্রিলের মধ্যে জম্নালেই যে সে মেষ রাশির জাতক জাতিকা হবে তা ঠিক নয়।যে রাশির সন্গে জম্নের কোন সম্পর্ক নেই তখন

তকে সেই রাশির জাতক জতিকা বলা হচ্ছে এর ভিতরে কতটুকু সত্যতা আছে তা জ্যেতিষবিদরা বলতে পারবেন?

রাশিফল নির্নয়ের বইগুলি টলেমির ট্রেটাবিবলস থেকে সংকলিত ও বর্তমানে সেই অনুসারেই বছর ভাগ করা হয়।আর আমরা সবাই জানি ভূ-কেন্দ্রিক মতবাদ ভূল ছিল,সৌরকেন্দ্রিক মতবাদ প্রতিস্ঠিত হয়েছে,কিন্ত তার জ্যেতিষ মতবাদ এখনো চালু আছে।

রাশি বা তারকা মন্ডলিকে দিয়ে যে কোন ছবি কল্পনা করা সম্ভব,কারন তারাদের আপেক্ষিক দূরত্বের কারনে এদের মধ্যে কোন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় না,এদেরকে স্হির মনে হয়।এবং এক

দৃস্টি রেখায় আছে বলে এই সব তারা দিয়ে বিভিন্ন ছবি কল্পনা করা সম্ভব।বাস্তবে একটি তারার সাথে অন্য তারার কোন সম্পর্ক নেই।তাছাড়া ও এসব তারদের পাস্পারিক দূরত্ব হাজার,লক্ষ,কটি আলোকবর্ষ (1 Light- year=5,878,000,000,000 mile=9,457,702,000,000 km)। তাছাড়া ও প্রত্যেকটি তারার নির্দিস্ট দিকে নির্দিস্ট গতি আছে যেমন- মৃগব্যাধ (Cains Major) মন্ডলের মুখের তারা প্রতি সেকেন্ডে 5 মাইল বেগে আমদের দিকে ছুটে আসছে,আর লেজের তারা 7 মাইল বেগে দুরে সরে যাচ্ছে।কাজেই যে 27টি তারার কথা উল্লেখ আছে জ্যোতীষবিদ্যায় তাদের মানুষের উপর প্রভাব ফেলার মত বিশেষত্ব নেই।আমাদের ছায়াপথে 10 হাজার কোটি তারা আছে,এর মধ্যে জ্যেতিষরা 27 টি তারার কথা উল্লেখ্য করেছেন, এই তারাগুলো আমাদের ছায়াপথের তারা (নক্ষএ) এই তারাগুলো আমাদের ভাগ্য নির্ধারন করে। তাই যদি হবে তাহলে বাকি 9,99,99,973 টি তারার ভাগ্য নির্ধারন না করার কারন কি? আর এখন পর্যন্ত হাজার কোটি ছায়াপথ আবিস্কার করা হয়েছে,এর

ভিতরে যে তারা আছে তাদের কি হবে?

নিজের হাত দেখলেই দেখা যাবে তিনটি স্পস্ট মোটা রেখা ,এই রেখাগুলোকে বলা হয় Crease সুক্ষ রেখাগুলিকে বলা হয় Ridge,শিশু গর্ভে থাকাকালীন সময় হাত মুস্টিবদ্ধ করে রাখে যার ফলে এই ভাঁজ বা রেখার সৃস্টি হয়।নৃবিন্গানীদের মতে হাত ও আন্গুলের ভাঁজগুলো আমাদের হাতের নড়াচড়ায় ও আন্গুল চালনায় সহায়তা করে।তাছাড়া হাতের তালু যদি মসৃন হতো তবে আমরা হাত বা আন্গুল নড়াচড়া করতে পারতাম না,আর বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাতের নড়াচড়ার পরিবর্তন হয়,সাথে সাথে রেখা।

জ্যোতীষদের মতে 9 টি গ্রহ মানুষের ভাগ্য নিয়ত্রন করে।এর মধ্যে 5 টি হলো গ্রহ একটি নক্ষএ

একটি উপগ্রহ আর রাহু কেতুর কোন অস্তিত্ব নেই।আসলে রাহু কেতু কি? আমরা জানি পৃথিবীর কক্ষতলকে বলা হয় পৃথিবীর কক্ষতল।তেমনি চাঁদের কক্ষপথের তলকে বলা হয় চাঁদের কক্ষতল। এই দুই কক্ষতল পরস্পরের সাথে 5 ডিগ্রী কোন করে রয়েছে।যার কারনে চাঁদের কক্ষপথ পৃথিবীর

কক্ষতলকে দুটি বিন্দুতে ছেদ করে।এই বিন্দু দুটিকে বলে রাহু ও কেতু,জ্যোতিষীরা একে গ্রহ হিসেবে

কল্পনা করেন।আসলে রাহু কেতু মহাকাশে দুটি বিন্দু ছাড়া আর কিছুই নয়,কি হাস্যকর ব্যাপার। শুধু তাই নয় পাশ্চাত্যের জ্যোতিষীরা ইউরেনাস,নেপচুন,ও প্লুটোকেও তাদের হিসেবে ধরে কিন্ত আমাদের এখানে ধরে না এর কারন কি? পৃথিবী ও একটি গ্রহ যার উপরে আমরা বেঁচে আছি,সে

কেন আমাদের ভাগ্য নির্ধারনে কোন ভূমিকা রাখবে না?

আমি হিসেব করে দেখেছি আমার রাশির অধিপতি হল বৃহস্পতি গ্রহ 1994 সালে শুমেকার লেভী 9 নামের একটি ধূমকেতুর 21 টি টুকরা এক সপ্তাহ ধরে এই গ্রহের পৃস্ঠে আছড়ে পরে।এতে করে

যে শক্তি উৎপন্ন হয়েছিল তা লক্ষ পারমানবিক বোমার সমান।ধূমকেতুর টুকরাগুলি বৃহস্পতির অবস্হা শোচনীয় করে দিয়েছিল।তখন তো এই গ্রহের যারা জাতক জাতিকা তাদের ভাগ্য বা শরীরের উপর প্রচন্ড প্রভাব পড়া উচিৎ ছিল,কিন্ত তাদের কিছুই হয়নি।কিন্ত হবার কথা ছিল আমাকে যে

নিয়ন্ত্রন করে তার কিছু হলে আমার ও তো কিছু হবার কথা।

সবশেষে বলবো ভূ-কেন্দ্রিক মতবাদের মত জ্যোতীষবিদ্যার ও দিন শেষ হয়ে আসছে।বিভিন্ন গ্রহে মহাকাশযান পাঠিয়ে দেখা গেছে যে এগুলি পাথরের তৈরী নিস্প্রান বস্তু ছাড়া আর কিছুই নয়।এদের

কোন অলৌকিক ক্ষমতা নেই।এই গ্রহ উপগ্রহ ও তারাদের (নক্ষএ) যে শক্তি আছে তা হলো মহাকর্ষ

শক্তি,বিভিন্ন ধরনের বিকীর্ন মহাজাগতিক রশ্নি ও চৌম্বক শক্তি, আর এই শক্তির প্রভাব মহাবিশ্বের সব অংশে পরিব্যাপ্ত।আর এ পর্যন্ত কোন অতি প্রাকৃত শক্তির সন্ধান কোন জায়গায় পাওয়া যায়নি।যদিও প্রকৃতির বেশিরভাগ রহস্যই এখনো মানুষের অজানা।

তার মানে এই নয় যে একটি নিস্প্রান গ্রহ মানুষকে চালিত করবে।

ছবি সৌজন্যে:গুগল

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:২৫

পদ্ম।পদ্ম বলেছেন: ++++++

২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৩৬

মিথী_মারজান বলেছেন: চমৎকার পোস্ট! :-B

অনেক অনেক ভাললাগা রইল। :)

৩| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:৫৫

নেবুলা মোর্শেদ বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ.........

৪| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪১

কি-বোর্ড বলেছেন: আপনি কোথায় শিখেছেন জানতে পারি? কয়েকটা বই এর নাম বললে সংগ্রহ করে দেখতে পারি

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.