নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহাদাত উদরাজী\'র আমন্ত্রণ! নানান বিষয়ে লিখি, নানান ব্লগে! নিজকে একজন প্রকৃত ব্লগার মনে করি! তবে রান্না ভালবাসি এবং প্রবাসে থাকার কারনে জীবনের অনেক বেশী অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা প্রকাশ করেই ফেলি - \'গল্প ও রান্না\' সাইটে! https://udrajirannaghor.wordpress.com/

সাহাদাত উদরাজী

[email protected] ০১৯১১৩৮০৭২৮গল্প ও রান্না udrajirannaghor.wordpress.comপ্লে স্টোরে ‘গল্প ও রান্না’ এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! আনন্দ সংবাদ! বাংলা রেসিপি নিয়ে এই প্রথম প্লে স্টোরে এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! ‘গল্প ও রান্না’ এখন Play Store এ Apps হিসাবে আপনার হাতের কাছে। নেট কানেশন বা WiFi জোনে থেকে Play Store এ যেয়ে golpo o ranna বা “Golpo O Ranna” বা “com.udraji.rannaghor” লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। খুব সহজেই আপনি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে ‘গল্প ও রান্না’র আইকন ইন্সটল করে নিতে পারেন। ফলে আপনাকে আর মোবাইলে আমাদের সাইট দেখতে লিঙ্ক বা কোন ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে না। নেট কানেশন বা ওয়াইফাই জোনে থাকলেই আপনি ওয়ান ক্লিকেই গল্প ও রান্না দেখতে পাবেন।

সাহাদাত উদরাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

মেট্রোরেল ও একজন সাধারন নাগরিকের চিন্তা।

৩১ শে আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:১৬

একজন সাধারন নাগরিক হিসাবে মেট্রো রেলের পিলারের নীচ দিয়ে যেতে যেতে অনেক চিন্তা মাথায় আসে, এটা কি ঢাকা বাসীর জন্য দরকার ছিলো বা এই প্রজেক্ট কি সরকারের জন্য লাভবান কিছু হবে নাকি রেল বিমানের মত বিশাল লস প্রজেক্ট হয়ে জাতির কাঁধে বসবে! আমি উত্তর পাই না।

আমি ইংল্যান্ড থাইল্যান্ডে এমন মেট্রো রেলে অনেকবার চড়েছি, সেই রকম বড় ব্যাংকক শহরের মত অবকাঠামোতে জরুরী মনে হলেও, আমি দেখেছি যাত্রী কম এবং প্রায় খালি বর্গি নিয়ে চলে, দিনের সামান্য কিছু সময়ে একটু ভীড় হয়! আমি গতকাল রাতে এই নিয়ে খুব চিন্তা করছিলাম, মেট্রো রেলের যে স্থান গুলোতে স্টেশন বানানো হচ্ছে, সেই স্থান গুলো থেকে কানেক্টিভিটি কি, মানুষ সেই স্থানে নেমে তার যথাযত স্থানে যাবে কি করে? ইত্যাদি নানান চিন্তা মাথায় ভর করছিলো, মতিঝিল ব্যানিজ্যিক এলাকায় আজকাল তেমন অফিস আদালত আর কই, মতিঝিল এলাকাকে তো সব চেয়ে ফকির্নি এলাকা বানিয়ে ফেলা হয়েছে, অথচ মতিঝিল হতে পারত, দেশের সব চেয়ে হাইরাইজ বিল্ডিং এর স্থান, মানুষ এখানে বিশাল ব্যবসা নিয়ে হাজার কোটি মানুষ কর্ম নির্ধারন করতে পারত। ফলে মেট্রো রেলের মতিঝিল অংশ তেমন ভাইবেল মনে হয় না। মীরপুর আগারগাঁও অংশে মতিঝিল থেকে সরাসরি যাবার ব্যবস্থা তো দেখি না।

এবার আসা যাক, আমাদের বর্তমান যাতায়তের ব্যবস্থা, এখন বাইক রাইড এসে আমাদের চলাচল সহজ করে দিয়েছে, রিক্সা, সিএঞ্জি সাথে পাল্লা দিয়ে বাইক বেষ্ট সার্ভিস, সাথে খরচ কম, সময় বাঁচে। আর উবার, পাঠাও দিয়ে কার সার্ভিস এতই চমতকার যে, এখন মধ্যবিত্তরা পরিবার নিয়ে (অন্তত ৫ জন) খুব কম টাকায় ঢাকার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে পারে, ফলে আমার মনে হয় ৫ জন নিয়ে কোথায় গেলে কার বেষ্ট, সেখানে মেট্রো রেলের প্রয়োজন পড়বে না বা টিকেটে দাম বেশি পড়বে।

সব মিলিয়ে আমার চিন্তায় হিজিবিজি মনে হয়, মেট্রো রেল ভাইবেল মনে হয় না! তবুও প্রজেক্ট শেষের পথে, শেষ হউক, দোয়া থাকলো। এখন যদি কেহ আমাকে বলেন, এই শহরের যানজটে আপনার কি চিন্তা, আমি সহজে উত্তর দিবো, মেট্রো রেল না করে এই টাকা দিয়ে পূর্বাচল বা এমন আরো দুইটা শহরের গোড়পতন করে মানুষ সরিয়ে নেয়া যেত, পাশাপাশি শহরে আরো কিছু ফ্রাইওভারের ব্যবস্থা করা যেত।

গাড়ির তেলের দাম বাড়ানোতে এমনিতে আমার কাছে শহরে ঘুরে বেড়াতে এখন মনে হয়, কিছু প্রাইভেট গাড়ি কমেছে, মধ্যবিত্ত যাদের কাছে গাড়ি আছে তারা তা বের করছেন না, যানযটে রুখতে তেলের দাম এমনি আরো কয়েক দফা বাড়ানো যেতে পারে (বিষয়টা হাস্যকর হিসাবে নিন)!

যাই হোক, মেট্রো রেলের পিলারে পোষ্টার লাগানোর শূয়রদের জন্য শুনছি কিছু ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, এতে খুশি হয়েছি, এবার ফ্রাইওভার গুলোর পিলার রক্ষা করাতে সরকারের নজর চাই!

আপনার অভিমত দিতে পারেন, বিষয়টা নিয়ে গবেষনা করতে পারেন বা কোন গবেষণা দেখলে পাঠাতে ভুলবেন না। (ছবি ঢাকা পোষ্ট হেকে নেয়া)

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:২৩

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: পিলারে যারা পোস্টা লাগায় ওরা আসলেই শুয়োর। ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সময়ের দাবী।

৩১ শে আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:৪১

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: পিলারে পোষ্টার দেখলেই মেজাজ খারাপ হয়ে যায়।

২| ৩১ শে আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:০১

জুল ভার্ন বলেছেন: সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে মগবাজার ফ্লাইওভারের মতোই ভবিষ্যতের আর এক দূর্ভোগের নাম হবে মেট্রো রেল।

৩১ শে আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:৪২

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: কি আর বল্বো, বলার কিছু দেখি না!

৩| ৩১ শে আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:০৮

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: যানজট নিরশনে মেট্রোরেলের বিকল্প কিছু নেই, আমি মনে করি না যে থাইল্যান্ডের মত ঢাকাতেও রেল ফাঁকা আসা যাওয়া করবে, তিলধারনের জায়গা থাকবে না, মানুষ ছাদেও উঠে যেতে পারে। পুর্বাচলে এখন পুরোদমে কাজ চলছে, এটা দেশের সবচেয়ে আধুনিক সিটি হতে যাচ্ছে। সময়ের সাথে সাথে ঢাকাতে আরও নতুন নতুন ফ্লইওভার হবে।

৩১ শে আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:৪৩

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: বেচে থাকার ইচ্ছা হয় এই সব দেখে যেতে!

৪| ৩১ শে আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:৩৩

রানার ব্লগ বলেছেন: আমার মনে হয় ঢাকার ভেতরের খাল গুলো কে সচল করে দ্রুত গতির বোট নামালে অনেক বেশি ভালো হতো !!!

৩১ শে আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:৪৪

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: থ্যাইল্যান্ড এর ব্যাংককে এখনো খাল আছে, যেখানে এখনো নৌকা চলে, এটা মানুষের যাতায়তের সহজ রাস্তা এখনো।

৫| ৩১ শে আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:৫৩

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: চমৎকার লেখা।

৩১ শে আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:৪৪

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: ধন্যবাদ ব্রাদার, অনেক চিন্তা মাথায় আসে। কত কি পরিবর্তন আস্তে পারত।

৬| ৩১ শে আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৩:৪১

রিফাত হোসেন বলেছেন: একটি ভাল ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করছেন। প্রথমেই ধন্যবাদ। ব্লগে যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে তেমন আলোচনা করা হয় না। আমার ভাবনাটা একটু ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে চাচ্ছি। মেট্রোরেল এর বিকল্প নাই তবে পাতাল কেন্দ্রিক হলে ভূমি অধিগ্রহণ এর ঝামেলা কমে যেত। নির্মাণকালীন যোগাযোগ এর সমস্যাও কমে আসত। এই ফাঁকে বেসরকারিভাবে পরিকল্পিত শহরগুলোতে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সীমিত আকারে ট্রামের প্রচলন করা যেত। আমরা যেহেতু নদীমাতৃক দেশ সেহেতু নৌ রুটকে connect করা জরুরি। বর্তমান mrt লাইন যেখানেই stoppage আছে সেখানে রিকশা, brtc বাস stand রাখলেই হবে। bus stand এর নিয়ম লোকাল বাস এর মত হওয়া যাবে না। বাসগুলো সময় মেনে আসা যাওয়া করবে। তবে রিকশা stand দূরে হলেও সমস্যা হবে না যদি দিক চিহ্নিত করে দেওয়া হয়। অদূরে দ্বিচক্রযান(app ভিত্তিক),taxi,cng stand রাখতে পারে তবে দিক চিহ্নিত থাকতে হবে। প্রত্যেকটা stand এ ভাড়া & schedule(যদি থাকে), Service No, জরুরি সেবার নাম্বার আর অবশ্যই ঐ stand কেন্দ্রিক mini map থাকতে হবে৷ তাহলে আশে পাশের জরুরী সেবা(পুলিশ, হাসপাতাল, ডাকঘর ইত্যাদি) ও route(আশে পাশের সড়কের stand) চেনা যাবে।
বাসের, মেট্রো ও জলের route এমনভাবে করতে হবে যেন ঢাকার এক মাথা থেকে আরেক মাথা খুব স্বাচ্ছন্দ্যে যাওয়া যায়। connectivity কে focus করছি।

দেশ যেহেতু ডিজিটাল সেহেতু এগুলোকে এক সুতায় বাধতে গেলে app এর গুরুত্ব অপরিসীম। যেখানে রিকশা ভাড়া, থেকে, বাস ভাড়া, মেট্রো, পানি পথ সব আনুমানিক দেখাবে। সাথে পথ নির্দেশনাতো দিবেই।
এটা হবে আরেকটা মেগা প্রকল্প। কিন্তু এটা করতে পয়সা এত লাগবে না তবে এর থেকে বড় প্রয়োজন স্বদিচ্ছা। যদি পাতি নেতা চাঁদাবাজি করে বা প্রভাবশালী মহল(বাস,লঞ্চ,রিকশা) নয়ছয় করে তাহলে ভাড়া বা stand বা route কিছুই করা যাবে না। কোনভাবে করলেও ছাইপাঁশ কোনভাবে করবে। দূর্নীতিবাজদের দিয়ে ভাল কিছু আশা করা দুরূহ।

৩১ শে আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:৪৫

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আসলে আমাদের একজন সুশাসক দরকার সব কিছুর আগে।

৭| ৩১ শে আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:০৩

রিফাত হোসেন বলেছেন: একটি ভাল ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করছেন। প্রথমেই ধন্যবাদ। ব্লগে যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে তেমন আলোচনা করা হয় না। আমার ভাবনাটা একটু ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে চাচ্ছি। মেট্রোরেল এর বিকল্প নাই তবে পাতাল কেন্দ্রিক হলে ভূমি অধিগ্রহণ এর ঝামেলা কমে যেত। নির্মাণকালীন যোগাযোগ এর সমস্যাও কমে আসত। এই ফাঁকে বেসরকারিভাবে পরিকল্পিত শহরগুলোতে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সীমিত আকারে ট্রামের প্রচলন করা যেত। আমরা যেহেতু নদীমাতৃক দেশ সেহেতু নৌ রুটকে connect করা জরুরি। বর্তমান mrt লাইন যেখানেই stoppage আছে সেখানে রিকশা, brtc বাস stand রাখলেই হবে। bus stand এর নিয়ম লোকাল বাস এর মত হওয়া যাবে না। বাসগুলো সময় মেনে আসা যাওয়া করবে। তবে রিকশা stand দূরে হলেও সমস্যা হবে না যদি দিক চিহ্নিত করে দেওয়া হয়। অদূরে দ্বিচক্রযান(app ভিত্তিক),taxi,cng stand রাখতে পারে তবে দিক চিহ্নিত থাকতে হবে। প্রত্যেকটা stand এ ভাড়া & schedule(যদি থাকে), Service No, জরুরি সেবার নাম্বার আর অবশ্যই ঐ stand কেন্দ্রিক mini map থাকতে হবে৷ তাহলে আশে পাশের জরুরী সেবা(পুলিশ, হাসপাতাল, ডাকঘর ইত্যাদি) ও route(আশে পাশের সড়কের stand) চেনা যাবে।
বাসের, মেট্রো ও জলের route এমনভাবে করতে হবে যেন ঢাকার এক মাথা থেকে আরেক মাথা খুব স্বাচ্ছন্দ্যে যাওয়া যায়। connectivity কে focus করছি।

দেশ যেহেতু ডিজিটাল সেহেতু এগুলোকে এক সুতায় বাধতে গেলে app এর গুরুত্ব অপরিসীম। যেখানে রিকশা ভাড়া, থেকে, বাস ভাড়া, মেট্রো, পানি পথ সব আনুমানিক দেখাবে। সাথে পথ নির্দেশনাতো দিবেই।
এটা হবে আরেকটা মেগা প্রকল্প। কিন্তু এটা করতে পয়সা এত লাগবে না তবে এর থেকে বড় প্রয়োজন স্বদিচ্ছা। যদি পাতি নেতা চাঁদাবাজি করে বা প্রভাবশালী মহল(বাস,লঞ্চ,রিকশা) নয়ছয় করে তাহলে ভাড়া বা stand বা route কিছুই করা যাবে না। কোনভাবে করলেও ছাইপাঁশ কোনভাবে করবে। দূর্নীতিবাজদের দিয়ে ভাল কিছু আশা করা দুরূহ।

৮| ৩১ শে আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:০৮

ইমরোজ৭৫ বলেছেন: এই মেট্রোরেল টাঙ্গাইল, সাভার, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ ও দাউদকান্দি (কুমিল্লা) এই পযর্ন্ত নেয়া দরকার।

৩১ শে আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:৪৬

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: এই সামান্য অংশ করতে এত দিন লাগছে, আর বড় ধরলে তো ১০০ বছর লাগবে।

৯| ৩১ শে আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:৪৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ঢাকা শহরে পাতাল রেল ভায়াব্যাল না। এত ঘিঞ্জি শহর! ওগুলো করতে যেয়ে পুরো শহরে আবার কোথায় কী ধ্স নামে, বলা যায় না; তা ছাড়া, শহরের নাড়ি নক্ষত্র এত বেশি যে, অনেক বিভ্রাট ও বিড়ম্বনা সৃষ্টির সম্ভাবনা অনেক বেশি।


মেট্রোরেলের চিন্তা বাংলাদেশে প্রথম আনেন ড: ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রেজা নামক এক ব্যক্তি। তার আলোচনা থেকে জানা যায়, মেট্রোরেল ঢাকা শহরে খুবই কার্যকরী হবে। জ্যাম কমে যাবে, সময় অনেক বাঁচবে শহরবাসীর। জানামতে, এ প্রজেক্ট শুরুর আগে পর্যাপ্ত স্টাডি করা হয়েছে। কাজেই, এটা রেলের মতো লস প্রজেক্ট হবার সম্ভাবনা খুব কম।

আমরা আইল্যান্ডের তার টপকে পার হই, তবু ফুট অভার ব্রিজে পার হই না। মেট্রোরেলের স্টপেজগুলো যদি মুভমেন্ট ফ্রেন্ডলি না হয়, তাহলে অনেক যাত্রীই নিরুৎসাহিত হতে পারেন।

তবে আমার মনে হচ্ছে, এটা খুব চলবে ঢাকা শহরে।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:৩১

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: এই পোষ্ট সাক্ষী থাকলো, আপনি শহরের মানুষের উপার্জনের কথা আগে ভাবতে হবে। আমার মনে হয় এই রেলের কথা যখন চিন্তা করা হয়েছিল তখন বাইক রাইড ছিলো না, ফলে এই বাইক রাইডকে চিন্তায় আনা হয় নাই। আপনি দেখবেন, মানুষ এখন বাইকেই বেশী যাতায়ত করে, বিশেষ করে মধ্যবিত্তরা। সরকার বাইক রাইড না জানি আবার বন্ধ করে দেয়! এই বাইকে এখন লক্ষ মানুষের জীবিকা, এটা সহজ এবং সস্তা, সময় বাঁচে।

এই তো আর কয়েক মাস, চালু হলেও দেখা যাবে, যদিও সব সত্য সরকার বলবে না।

১০| ৩১ শে আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৫:০৮

নিরীক্ষক৩২৭ বলেছেন: স্টাটিস্টা ডটকম অনুযায়ী ঢাকায় প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ বাস করে, ব্যাংকক বা ইংল্যান্ডের কোনো শহর টপ ১৫ তেও নাই। তারা আমাদের ঢাকার মতো জ্যামের সম্মুখীন হয়েছে কিনা নিজ দেশে এইটাও প্রশ্ন। সাথে তাদের দেশের মানুষের কি পরিমান ব্যক্তিগত বাহন আছে তার সাথে আমাদের তুলনা করে দেখেন।
ভাড়া কম্পিটিটিভ হলে আর মেট্রোরেল টাইম টেবিল মেইনটেইন করতে পারলে যাত্রীর অভাব হবে না।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:৩৩

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: আমাদের চাকচক্য বাড়লেও ভেতরে ফাকা, বেশির ভাগ মানুষের পকেট ফাকা, প্রায় মানুষ ধানাই পানাই করে চলে। যা দেখি আর কি!

১১| ৩১ শে আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৫:৪৫

কামাল৮০ বলেছেন: আসলে আমাদের একজন সুশাসক দরকার সব কিছুর আগে।
সুশাসনের সাথে মেট্রোরেলের সম্পর্ক কি বুঝলাম না।সুনাগরিক আর সুশাসন এই দুটি অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত।একটিকে বাদ দিয়ে আরেকটি হবে না।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:৩৫

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: এটা আরো বয়স বাড়লে বুঝবেন। সুশাসনেই সুনাগরিকের জন্ম হয়। সুশাসন আনতে পারেন একজন সুশাসকই! দুনিয়ার অনেক দেশ বিশ্লেষন করলে চোখে পড়ে।

১২| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২২ রাত ২:০১

অপু তানভীর বলেছেন: যতই পাঠাও উবারের কথা বলেন একবার টঙ্গী উত্তরা থেকে মতিঝিল যাওয়া আসা করবেন আর মেট্রো চালু হওয়ার পর সেটাতে করে যাবে । দুইটার পার্থক্য নিজেই টের পাবেন । ঢাকা শহরের মুল সমস্যা হচ্ছে ধারণ ক্ষমতার থেকে অধিক গাড়ি । পাঠাও উবার এসে সেই গাড়ির সংখ্যা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে । এই যানযটে একটা মেট্রোরেল কতটা হেলফুল হবে সেটা আপনি কি আসলেই কল্পনা করতে পারছেন না ?


হ্যা সবার জন্য এটা হয়তো সমান সুবিধা নিয়ে আসবে না । যেমন আমার জন্য মেট্রো বিশেষ কোন সুবিধা বয়ে নিয়ে আসবে না । কিন্তু ঢাকার একটা বড় অংশের জন্য এটা সুবিধা বয়ে আনবে কোন সন্দেহ নেই ।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:৩৬

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: এই পোষ্ট সাক্ষী থাকলো। হা হা হা

১৩| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:৫৯

জুন বলেছেন: সাধারণ একটা মেট্রোরেল স্টেশন এর পিলার ব্যাংককে। অন্য কোন ফাস্ট ওয়ার্ল্ড এর কথা নাই বা বললাম। আমাদের দেশে এমন একটা পরিচ্ছন্ন পিলারের কথা ভাবতে পারেন পানের পিচকি, কফ থুতু নাকের শিকনি আর পোষ্টার ছাড়া উদ্রাজী ভাই!

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:০৭

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: সরকারের আক্কল নাই যেখানে সেখানে সাধারন অভাবি, গরীব মানূষ্কে কি আর বলবেন? সরকারের মেয়র বলেও না যে, এখানে পোষ্টার লাগাবেন না, দেখতে খারাপ লাগে! মেয়ুরেরা রাস্তায় বাইর হয় না, দেখেও না। কাউকে তো বলতে হবে যে, এই সব করা যাবে না, সেই লোক কই!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.