| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
চাহিদা পূরণ না হলে আজেবাজে কাজ হবেই এর জন্য আজেবাজে কাজ যে করছে তাকে দোষারোপ না করে কেন করছে,তার এই কাজ করার কারণটা খুঁজে বের করাটা উচিত আমি মনে করি। এখন আমি কিছু কথা বলব সেটা অনেকের ভাল না ও লাগতে পারে,এর জন্য আমি আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমাদের দেশে এখন বিশাল একটা ব্যাপার ইভটিজিং নৈরাজ্য এবং যতদিন যাচ্ছে তত এটার পরিমাণ বাড়ছে। গতকিছুদিন আগে একটা ট্রল্ দেখলাম যেখানে একটি আকর্ষণীয় বিদেশী মেয়ে (আমরা যাকে বলি সেক্সি মেয়ে আমি আবার বলছি হ্যাঁ আমরা বলি
) হেঁটে যাচ্ছে এবং উনার পাশে অনেক গুলো লোক দাঁড়িয়ে যার যার কাজে বেস্ত এবং তারা কেউই তার দিয়ে তাকাচ্ছে না এবং একই ট্রলের আরেক অংশে কোন এক আরব দেশে একটা বোরকা পড়া দুটি মেয়ে যাচ্ছে এবং মটর সাইকেল দিয়ে যাওয়া দুটি ছেলে সেটা দেখছে এবং বাজে কথা বলছে। (অনেকেই ট্রল্টি দেখতে পারেন এর পরেও আমি বলে নিলাম) ওই ট্রলে বলা হয়েছে চিন্তা ধারা বদলানো উচিৎ পোশাক না।আমার মা,বোন,বান্ধবী,প্রেমিকা যত নারী জাতি আছে সবাই আমাদের দেশে কোননাকোন ভাবে ইভটিজিং এর শিকার হয়েছেন এটা কি তাহলে তাদের দোষ, অবশ্যই না; কারণ একজন দুইজন হলে মেনে নিতে পারতাম তাদের দোষ যেহেতু সবাই হচ্ছেন সুতরাং এটা অবশ্যই তাদের দোষ না। এখন আমার কথা হচ্ছে যে বেক্তিগুলো যেসব কারণে ইভটিজিং করে সেসব কারণ কি যারা বলেনা তাদের ভিতরে নেই?? ঠিক আছে ধরে নিলাম নেই। এখন আমার কথা হল যে বলছে সে কেন বলছে এটা কি শুধুই নৈতিকতার অভাব বলবেন? এটা কি তাহলে শুধুই নৈতিকতার অভাবের কারণে হচ্ছে?? না এটা আমি মানতে পারছিনা। তাহলে কেন হচ্ছে???
১। তাহলে কি তাদের অতিরিক্তি জৈবিক চাহিদা যেটা তারা মেটাতে পারছেনা?
২। বহির বিশ্বের অপসংস্কৃতি?
৩। পরিবার থেকে পাওয়া শিক্ষা?
৪। পড়ালেখার অভাব?
৪। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী?
৫। ধর্মীয় শিক্ষা?
না এসব কিছুই না। আমার মতে এটা পুরোটাই সমাজ বেবস্থাপনার সমস্যা। প্রত্যেক পুরুষ মানুষের জৈবিক চাহিদা আছে,এখন এটা আমার দেশ হোক আর বিদেশ হোক এবং খুব স্বাভাবিক ভাবেই নারী সঙ্গ লাগবেই তার স্পর্শ লাগবে। এখন ভাল করে চিন্তা করে যদি দেখি আমি আজ যদি বিয়ের আগেই ভালবাসার মানুষটির সাথে হাত ধরে রাস্তায় হেঁটে যাই আর ঠিক ওই মুহূর্তে আপনি আপনার বাবা কিংবা মা কে নিয়ে রিকশা করে যাওয়ার সময় আমাদের পাশ দিয়ে যান তখন আপনার বাবা অথবা মা আমাদের দেখে কি বলেন??? অনেকে বলতে পারেন আমার মা বাবা এতটা সস্তা মন মানসিকতার না,হ্যাঁ আমি মেনে নিছি শতকরা ১০ ভাগ মা বাবা ব্যাপারটাকে মেনে নিবেন কিন্তু বাকি যারা আছেন তারা কি বলেবেন? সামাজিক ভাবেই ব্যাপারটাকে আমরা নোংরা করে দেখি। এখন বলতে পারেন এটার সাথে ইভটিজিং এর কি সম্পর্ক, আমার মতে অবশ্যই আছে কারণ আমি নিজেই আমার পরিবার থেকে শিখে আসছি আমার মা বাবা থেকে বিয়ের আগে এভাবে ঘুরাফেরা করা ঠিক না। যার কারণে মনস্তাত্ত্বিক ভাবেই আমরা ধরেই নিচ্ছি ব্যাপারটা এটা অন্ধকারের কাজ। যার কারণে যখনি কোন নারী দেখছি তখন মনস্তাত্ত্বিক ভাবেই আমার ভিতর থেকেই একটা বাজে কথা আসছে। এখন বলা জেতে পারে কেন পুরুষ মানুষের ক্ষেত্রে তা হয় না। এক কথায় বললে পুরুষ শাসিত সমাজ। একটা পুরুষ মানুষ যেভাবে ইচ্ছে যা ইচ্ছে করতে পারবে কিন্তু নারীরা তা পারেনা এটাই আমাদের ছোট বেলা থেকেই শিখিয়ে দেয়া হচ্ছে। একটা ছেলে শুধু একটা ছেলের সাথে ঘুরবে একটা মেয়ে শুধু একটা মেয়ের সাথে ঘুরবে, নারী এবং পুরুষ আলাদা করা হচ্ছে ছোট বেলা থেকেই এবং এটা আমরা আমাদের পরিবার থেকেই শিখে আসছি।ব্যাপারটায় নারীদের সব সময় একটা কৌতূহলী বস্তু হিসেবে রাখা হচ্ছে ছেলেদের কাছে। নারীরাও মানুষ পুরুষের মত নারীরাও রক্তে মাংসে গড়া একটি মানুষ দুজনই একি রকম কোন ভেদাবেদ নেই এটা আমদের ভিতরে গড়ে তুলতে হবে ছোট বেলা থেকেই তা না হলে আমার আপনার মা বোনেরা এভাবেই আজীবন ভুক্তভুগি হতে হবে।
©somewhere in net ltd.