নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ইউসুফ যোবায়ের

ইউসুফ যোবায়ের › বিস্তারিত পোস্টঃ

কওমী-দেওবন্দিদের কতিপয় কুফর আক্বীদা (২য় পর্ব)

২৭ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:১৪

কওমী-দেওবন্দিদের অসংখ্য কুফরী বিশ্বাস রয়েছে। পর্যাক্রমে তা আপনাদের সকলের অবগতির জন্য তুলে ধরার চেস্টা করবো। যেন আপনারা সহজেই বুঝতে পারেন যে, হিন্দুদের গোলামী করার দরুন ভারতের দেওবন্দী মোল্লাদের কতটা করুন দশা হয়েছে, যা তাদের বিভ্রান্তিকর গোমরাহী মূলক বক্তব্যেই প্রমাণীত হয়েছে। যা কোন মুসলমান এ ধরনের কথা কোন দিনও মুখে আনতে পারে না। কুফরী বক্তব্যগুলো হলো-



* আলিয়া মাদরাসা- খালিয়া ও বেশ্যাখানা। নাউযুবিল্লাহ! (কওমীপন্থী চর্মনাইয়ের পীরের ওয়াজের ক্যাসেট)



* আমি রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দেখলাম তিনি পুলসিরাত থেকে পড়ে যাচ্ছেন। আমি তখন উনাকে ধরে পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করলাম। নাউযুবিল্লাহ! (মুবাশশিরাত, বুলুগাতুল হায়রান পরিশিষ্ট)



* মহান আল্লাহ পাক তিনি মিথ্যা বলতে পারেন। নাউযুবিল্লাহ! (বারহীনে ক্বাতিয়াহ পৃষ্ঠা ২, ফতওয়ায়ে রশীদিয়া ১ম খ- পৃষ্ঠা ৪৫)



* চুরি, চোগলখোরী, মূর্খতা, যুলুম ইত্যাদি বান্দা যা করতে পারে আল্লাহ পাক তিনিও তা করতে পারেন। নাউযুবিল্লাহ! (তাযকেরাতুল খলীল পৃষ্ঠা ১৩৫)



* নবীজী বড় ভাইয়ের মতো। নাউযুবিল্লাহ! (আক্বায়িদে দেওবন্দ) * কাক খাওয়া জায়িয। নাউযুবিল্লাহ! (ফতওয়ায়ে রশীদিয়া ২য় খ- ১৪৫ পৃষ্ঠা) (অথচ কাক খাওয়া সম্পূর্ণ হারাম)



* পূজার প্রসাদ খাওয়া যাবে কিন্তু মীলাদ ও মুহররমের তাবারুক খাওয়া শিরক। নাউযুবিল্লাহ! (রশীদিয়া পৃষ্ঠা ১০৭)



* হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাদের দেওবন্দ মাদরাসায় উর্দু শিক্ষা লাভ করেছেন। নাউযুবিল্লাহ! (বারহীনে কাতিয়াহ পৃষ্ঠা ২৬)



* গাইবের ক্ষেত্রে নবী, ওলী, জিন, শয়তান, ভূত, পরী, গরু, গাধা, চতুষ্পদ জন্তু জানোয়ারের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। নাউযুবিল্লাহ! (হিফজুল ঈমান পৃষ্ঠা ১৬) (অথচ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “আসমান-যমীনের সমন্ত ইলম আমাকে হাদিয়া করা হয়েছে।” (মিশকাত শরীফ পৃষ্ঠা ৭০, মিরকাত শরীফসহ প্রায় ৩০টি হাদীছ শরীফ-এর কিতাব)



* সকল নবী-রসূলগণ মিথ্যা ও গুনাহ হতে পবিত্র ও ভুলমুক্ত নন। নাউযুবিল্লাহ! (হিফজুল ঈমান পৃষ্ঠা ২৮, ফতওয়ায়ে রশীদিয়া ২য় খ- পৃষ্ঠা ১১) (অথচ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “সকল নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনারা সকল গুনাহ হতে মাসুম নিষ্পাপ।” নাউযুবিল্লাহ! (বুখারী, মুসলিম শরীফসহ ৩০টির বেশি কিতাব)



* মীলাদ ক্বিয়াম করা শিরক। নাউযুবিল্লাহ! * শবে বরাত পালন করা বিদয়াত। নাউযুবিল্লাহ! * ফরয নামাযের পর হাত তুলে মুনাজাত করা বিদয়াত। নাউযুবিল্লাহ! * জানাযার নামায পর দোয়া করা বিদয়াত। নাউযুবিল্লাহ!



* ঈদে মীলাদুন নবী পালন করা শিরক। নাউযুবিল্লাহ! * নবীজী কাউকে নাজাত দেয়ার ক্ষমতা রাখেন না। নাউযুবিল্লাহ! (দেওবন্দীদের কিতাব ও মাসিক পত্রিকাসমূহ)



সম্মানিত পাঠক! উপরোক্ত কুফরী আক্বীদাসমূহের একটি আক্বীদাও যদি কেউ পোষণ করে তবে সে কি ঈমানদার থাকতে পারবে? কস্মিনকালেও নয়। এ ধরনের আরও বহু কুফরী আক্বীদা তাদের কওমী মাদরাসায় শিক্ষা দেয়া হয়।



(চলবে)



প্রথম পর্ব পরুন এখান থেকে

মন্তব্য ১১ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৩৮

ভেজাল* বলেছেন: kichu vejal ache... abar kichu right ache...jemon - milad, shab-e-barat, faraz namaer por sobai haat tule monajat - egulo asoley bid'aat.

২৭ শে নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৩১

ইউসুফ যোবায়ের বলেছেন: এইগুলান কেমনে বিদাত হইলো? দলিল সহকারে জানাবেন। নাইলে বুঝবো আপনি মিছা কতা কইতেছেন।

২| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৪৬

সকাল>সন্ধা বলেছেন: @ইউসুফ যোবায়ের আপনে ঘুমাইলেও পুষ্ট হিট করছে।

৩| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৪৩

জেট টু এ বলেছেন: @ভেজাল* ,

মীলাদ শরীফ-
আমরা যেভাবে মজলিস করে মীলাদ শরীফ-এর মাহফিল করে থাকি তা খোদ আল্লাহ পাক-এর হাবীব, নূরে মুজাস্‌সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের যামানাতেই ছিলো। এ সম্পর্কে হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি একদা তাঁর নিজগৃহে সমবেত ছাহাবীগণকে আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিলাদত শরীফ-এর ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছিলেন। এতে শ্রবণকারীগণ আনন্দ ও খুশী প্রকাশ করছিলেন এবং আল্লাহ পাক-এর প্রশংসা তথা তাসবীহ-তাহলীল পাঠ করছিলেন এবং আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর ছলাত ও সালাম তথা দরূদ শরীফ পাঠ করছিলেন। এমন সময়ে রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেথায় উপস্থিত হলেন এবং মীলাদ শরীফ-এর পাঠের অনুষ্ঠান দেখে বললেন, তোমাদের জন্য আমার শাফায়াত ওয়াজিব।”


হাদীছ শরীফ-এ আরো ইরশাদ হয়েছে, “হযরত আবু দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। একদা তিনি রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে হযরত আবু আমির আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর গৃহে উপস্থিত হয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি তাঁর সন্তানাদি এবং আত্মীয়-স্বজন, জ্ঞাতী-গোষ্ঠী, পাড়া-প্রতিবেশীদেরকে নিয়ে রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিলাদত শরীফ-এর ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছেন এবং বললেন, এই দিবস এই দিবস অর্থাৎ এই দিবসে রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যমীনে তাশরীফ এনেছেন। এই দিবসে এটা সংঘটিত হয়েছে ইত্যাদি। এতদ্‌শ্রবণে রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক তাঁর রহমতের দরজা আপনার জন্য উন্মুক্ত করেছেন এবং সমস্ত ফেরেশতাগণ আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছেন এবং যে কেউ আপনার মত এরূপ কাজ করবে,আপনার মত সেও নাযাত বা ফযীলত লাভ করবে।”


, উপরোক্ত হাদীছ শরীফদ্বয় থেকে প্রথমতঃ যে বিষয় প্রমাণিত হলো তা হলো, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ ‘মীলাদ শরীফ-এর’ মজলিস করেছেন। আর আখিরী রসূল হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা শুধু সমর্থন করেননি বরং মীলাদ শরীফ-এর মজলিস করার জন্যে উম্মতদেরকে বিশেষভাবে উৎসাহিত করেছেন। সুতরাং প্রমাণিত হলো, মীলাদ শরীফ-এর মজলিস করা সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সুন্নতে ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম।

দ্বিতীয়তঃ যে বিষয়টা প্রমাণিত হলো তা হলো, বর্তমানে যে মীলাদ শরীফ-এর মজলিস করা হয় তা মূলতঃ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের অনুসরণেই করা হয়। কারণ, হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের মীলাদ শরীফ আর বর্তমান মীলাদ শরীফ-এর মজলিসের মধ্যে মৌলিক কোন পার্থক্য নেই।

পবিত্র শবে বরাত

আল্লাহ পাক তাঁর কালাম পাকে ইরশাদ করেন, “হা-মীম! (এটি হুরূফে মুক্বাততায়াত। এর অর্থ আল্লাহ পাক ও তাঁর রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই বেহতর জানেন এবং ঐ সকল বান্দাগণ জানেন যাঁদেরকে আল্লাহ পাক কিংবা আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জানিয়েছেন।) শপথ প্রকাশ্য কিতাবের, নিশ্চয়ই আমি কুরআন শরীফ নাযিল করেছি (অর্থাৎ নাযিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি) এক বরকতময় রাত্রিতে। নিশ্চয়ই আমিই ভীতি প্রদর্শনকারী। আমারই নির্দেশক্রমে উক্ত রাতে প্রতিটি প্রজ্ঞাসম্পন্ন বিষয় ফায়সালা করা হয়। নিশ্চয়ই আমি প্রেরণকারী। আপনার রবের পক্ষ হতে রহমত। নিশ্চয়ই তিনিই সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।” (সূরা দুখান/১-৬)

কেউ কেউ কম জ্ঞান, কম বুঝের কারণে বলে থাকে যে, সূরা দুখান-এর উক্ত আয়াত শরীফ দ্বারা শবে ক্বদরকে বুঝানো হয়েছে। কেননা উক্ত আয়াত শরীফ-এ সুস্পষ্টরূপে উল্লেখ আছে যে, আমি কুরআন শরীফ নাযিল করেছি...... আর কুরআন শরীফ যে ক্বদরের রাত্রিতে নাযিল করা হয়েছে তা সূরা ক্বদরেও” উল্লেখ আছে।” মূলত যারা এরূপ মন্তব্য করে থাকে তারা সূরা দুখান-এর এই আয়াত শরীফ-এর সঠিক ব্যাখ্যা (তাফসীর) না জানার কারণেই করে থাকে।

হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে-

عن ام المؤمنين حضرت عائشة عليها السلام قالت فقدت رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة فاذا هو بالبقيع فقال اكنت تخافين ان يحيف الله عليك ورسوله قلت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم انى ظننت انك اتيت بعض نسائك فقال ان الله تعالى ينزل ليلة النصف من شعبان الى السماء الدنيا فيغفر لاكثر من عدد شعر غنم كلب

অর্থ: উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম-উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার সাথে কোন এক রাত্রিতে রাত্রিযাপন করছিলাম। এক সময় উনাকে বিছানা মুবারক-এ না পেয়ে আমি মনে করলাম যে, তিনি হয়তো অন্য কোন উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের হুজরা শরীফে তাশরীফ নিয়েছেন। অতঃপর আমি তালাশ করে উনাকে জান্নাতুল বাক্বীতে পেলাম। সেখানে তিনি উম্মতের জন্য আল্লাহ পাক-উনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। এ অবস্থা দেখে আমি স্বীয় হুজরা শরীফে ফিরে আসলে তিনিও ফিরে এসে আমাকে বললেন, আপনি কি মনে করেছেন, আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তায়ালা ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা আপনার সাথে আমানতের খিয়ানত করেছেন! আমি বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি ধারণা করেছিলাম যে, আপনি হয়তো অপর কোন হুজরা শরীফে তাশরীফ নিয়েছেন। অতঃপর হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক তিনি শা’বানের ১৫ তারিখ রাত্রিতে পৃথিবীর আকাশে অবতরণ করেন অর্থাৎ রহমতে খাছ নাযিল করেন। অতঃপর তিনি বনী কালবের মেষের গায়ে যতো পশম রয়েছে তার চেয়ে অধিক সংখ্যক বান্দাকে ক্ষমা করে থাকেন।” (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, রযীন, মিশকাত)


ছিহাহ সিত্তাহর অন্যতম হাদীছ গ্রন' “ছহীহ ইবনে মাযাহ” শরীফ-এ আরো ইরশাদ হয়েছে, “হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ পাক উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, যখন অর্ধ শা’বানের রাত্রি উপসি'ত হবে তখন তোমরা উক্ত রাত্রিতে নামায আদায় করবে এবং দিনে রোযা রাখবে। কেননা নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক উক্ত রাত্রিতে সূর্যাস্তের সময় পৃথিবীর আকাশে আসেন। অর্থাৎ রহমতে খাছ নাযিল করেন। অতঃপর ঘোষণা করেন, ‘কোন ক্ষমা প্র্রার্থনাকারী আছ কি? আমি তাকে ক্ষমা করে দিব।’ ‘কোন রিযিক প্রার্থনাকারী আছ কি? আমি তাকে রিযিক দান করব।’ ‘কোন মুছিবতগ্রস্ত ব্যক্তি আছ কি? আমি তার মুছিবত দূর করে দিব।’ এভাবে ফজর বা ছুবহে ছাদিক পর্যন্ত ঘোষণা করতে থাকেন।” (ইবনে মাযাহ শরীফ, তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ, মিরকাত শরীফ, লুময়াত, আশয়াতুল লুময়াত)

ফরয নামায ও জানাযার নামায পর হাত তুলে মুনাজাত করা

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘তোমরা আমার নিকট দোয়া-মুনাজাত কর, আমি তোমাদের দোয়া-মুনাজাতকে কবুল করবো।’ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করে না, মহান আল্লাহ পাক তিনি সে ব্যক্তির প্রতি অসন্তুষ্ট হন।’ শরীয়তের দৃষ্টিতে ফরয নামাযের ন্যায় তারাবীহ নামাযসহ যে কোন নামাযের পরই হাত উঠিয়ে সম্মিলিতভাবে দোয়া-মুনাজাত করা জায়িয ও সুন্নত।

৪| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৪

অথর্ব আমি বলেছেন: নামাযের পরই হাত উঠিয়ে সম্মিলিতভাবে দোয়া-মুনাজাত করা জায়িয ও সুন্নত।

৫| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৫২

ভেজাল* বলেছেন: amar eto kichu janar ba dalil pesh korar dorkar nai...ami khali jani bangladesher hujurder chaite saudi hujur ra beshi medhabi..ami khali juktir khatire bolte chai tara bongshanukrome muslim r amra dekhe r shune muslim...thats it..r ekhonkar islami sowal-jobab a kintu niyaat, milad, monajat somporke saudi mot onusoron kore bangladeshi hujurera uttor dicchen..(khali channel i, mohona, my tv chara). sedin beshi dure na egulo aste aste bondho hobe inshallah..

৬| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৫৯

ভেজাল* বলেছেন: @yusuf zubair - apni nishchoi kheyal korechen ekhon paye dhore salam, namaje arabi niyat pora, milad, shab-e-barat palon kora onek kome geche..zamater namaje sura fatehar por idaning 'amin' shobdotau jore shuna jacche ..alhamdulillah...

৭| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:১৬

সকাল>সন্ধা বলেছেন: ঐরাজাকার আলতামাশ তুই এইখানে ঘেও ঘেও করতে আছস কেন?

৮| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪২

আলতামাশ বলেছেন: তোর এই পোস্টে (কমেন্টের মাধ্যমে) হাগা-মুতা কইরা গেলাম। (কমেন্ট মুইছা) এটা সাফ কইরা ফালাইস। রাজারমাগিরা কিন্তু এটা খুব ভালো পারে

৯| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫১

রব্বানীইন বলেছেন: @ আলতামাশ , একটা বাঝে মানুশ যতই বাঝে হোক, তার ভাষাও এত খারাপ না যতটা খারাপ আপনার ভাষা ।
পশুদের নিজেদের উপর নিয়ন্ত্রন থাকেনা । নিজেকে অত নিছে নামায় যে , সে মানুষ না ।

১০| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৩০

শুভ জািহদ বলেছেন: লেখক @ একথা চূড়ান্ত সত্য যে দেওবন্দীদের আক্বিদা শিরকী আক্বিদা যার অনেকগুলো আপনি তুলে ধরেছেন। কিন্তু সত্য যেহেতু বলতেই হবে তাই বলছি, আপনারও কিছু বুঝার ভূল হয়েছে। তাদের অনেক শুদ্ধ আক্বিদাকেও আপনি ভূল বলে চালিয়ে দিচ্ছেন যা অন্যায়। যেমনঃ

* মীলাদ ক্বিয়াম করা শিরক।* শবে বরাত পালন করা বিদয়াত। * ফরয নামাযের পর হাত তুলে মুনাজাত করা বিদয়াত।

উপরোক্ত তিনটি বিষয় তো ঠিকই আছে। ইসলামে শবে বরাত নামে কিছু নেই। তাই এটি বিদআত। রাসুল সাঃ কখনো সালাতের পর সম্মিলিত মোনাজাত করেন নি তাই এটিও বিদআত। আর মিলাদ মানে জন্ম। মীলাদে কিয়াম করা হয় কারণ মনে করা হয় রাসুল সাঃ মিলাদে হাজির হয়েছেন। নাউজুবিল্লাহ।

ভূলকে ভূল হিসেবে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু সঠিক জিনিসকে ভূল বলার আপনার কোন অধিকার নাই।

* ঈদে মীলাদুন নবী পালন করা শিরক। অবশ্যই শিরক! * নবীজী কাউকে নাজাত দেয়ার ক্ষমতা রাখেন না। অবশ্যই নবী সাঃ কাউকে নাজাত দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন না।
এটার দলিল সূরা ক্বসাস এর ৫৬ নং আয়াত।

......তুমি যাকে ভালবাস তুমি চাইলেই তাকে হিদায়েত দিবে পারবে না। তবে আল্লাহ যাকে হেদায়েত দিবেন সে পাবে। (সূরা ক্বসাস-৫৬)

নবী সাঃ কাউকে নাজাত দিতে পারবেন না। এই দেওবন্দী আক্বিদা শুদ্ধ। বাদ বাকি যেগুলো তুলে ধরেছেন সেগুলো ঠিকই আছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.