| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সর্ব প্রথম মিলাদের অর্থ জানা প্রয়োজন,মূলত ‘ঈদ’ অর্থ হচ্ছে খুশি বা আনন্দ প্রকাশ করা। আর ‘মীলাদ’ ও ‘নবী’ দুটি শব্দ একত্রে মিলে ‘মীলাদুন নবী’ বলা হয়। ‘মীলাদ’-এর তিনটি শব্দ রয়েছে- ميلادমীলাদ, مولد মাওলিদ ও مولود মাওলূদ। ميلاد‘মীলাদ’ অর্থ জন্মের সময়, مولد ‘মাওলিদ’ অর্থ জন্মের স্থান, مولود ‘মাওলূদ’ অর্থ সদ্যপ্রসূত সন্তান। আর النبى ‘নবী’ শব্দ দ্বারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
অর্থাৎ আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থে ميلاد النبى ‘মীলাদুন নবী’ বলতে নূরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার বিলাদত শরীফকে বুঝানো হয়ে থাকে। আর পারিভাষিক বা ব্যবহারিক অর্থে ميلاد النبى ‘মীলাদুন নবী’ বলতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে উনার ছানা-ছিফত বর্ণনা করা, উনার প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করা, উনার পুতঃপবিত্র জীবনী মুবারকের সামগ্রীক বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করাকে বুঝানো হয়।
অতএব, ‘মীলাদুন নবী’ শব্দটি যদিও খাছ কিন্তু মাফহূম বা ভাবার্থ হিসেবে এটি আম বা এর অর্থ ব্যাপক। কেননা, ‘মীলাদুন নবী’-এর উদ্দেশ্য হলো নূরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা উনার আহকাম বা নির্দেশাবলী খাছভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া।
হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেই নিজের মিলাদ শরীফ মানিয়েছেন। হযরত আবু কাতাদাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বণর্না করেন যে,হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জিজ্ঞাসা করা হল ইয়া রসুলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি সোমবারের দিন কেন রোযা রাখেন,হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করলেন ওই দিন আমার বিলাদত হয় এবং ওই দিন-ই আমার উপর ওহী নাযীল হয়।(মুসলিম ২য় খন্ড ৮১৯ পৃঃ,হাদিস নং১১৬২,ইমাম বায়হাকী আস সুনানুল কুবরা ৪ থ খন্ড ২৮৬ পৃঃ,হাদিস নং ৮১৮২) এ ছাড়াও হাদিস হতে প্রমাণিত স্বয়ং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই বিলাদত খুশির উদ্দেশ্যে ছাগল যবাহ করেছিলেন ।(ইমাম সুয়ুতী আল হাবিলুল ফাতোয়া ১ম খন্ড ১৯৬ পৃঃ,হুস্নুল মাকাসিদ ফি আমালিল মোলিদ ৬৫ পৃঃ,ইমাম নাব হানী হুজ্জাতুল্লাহে আলাল আলামীন ২৩৭ পৃঃ)
তাহলে বোঝা গেল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শরীফ পালন করা হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সুন্নত ।
২|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৩০
এইচ এম বিশ্বাস বলেছেন: প্রত্যেক মুসলমান নর-নারী সবার জন্য সাইয়্যিদুল আ'ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ'যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরজে আইন।
৩|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৪৬
দিশার বলেছেন: ফরজ এর defination জানেন?
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১৩
জেট টু এ বলেছেন: জেনেই লিখছি ।
৪|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৫২
নরাধম বলেছেন:
আপনার বর্ণনাকৃত মুসলিম ২য় খন্ডের হাদিসটাতো আমি পেলাম না। অনলাইনে ইংরেজীতে মুসলিম পাওয়া যায়, সেখানে চেক করে দেখলাম, কই পাইনি।
আর ২য় হাদিস বর্ণনা করেছেন যেসব বই থেকে সেসব তো কোন নির্ভরযোগ্য সহিহ হাদিসগ্রন্থ না।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১৪
জেট টু এ বলেছেন: মুল বইয়ে খোজ করুন ।
কোনটা সহি , কোনটা সহি তা বলার আমি -আপনি কে ?
৫|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:০১
নরাধম বলেছেন: আমি যেটার কথা বলছি সেটা মূল বই। আপনার হাদিসটার কোন অস্তিত্ব নাই সহিহ মুসলিমে। হাদিস নিয়ে মিথ্যা বলবেন না। রাসুল (সাঃ)-এর উপ মিথ্যা আরোপ করার শাস্তি কি জানেন?
কোনটা সহি আর কোনটা সহি না সেটা বলার আমি কেউ না তবে সমস্ত উম্মতের স্কলাররা ছয়টা হাদিসগ্রন্থকে সহিহ বলে স্বীকার করেন, আপনি সেটা মনে হয় জানেন না। আপনার শেষের হাদিসগ্রন্থ সে ছয়টার মধ্যে পড়েনা, এমনকি আরো যেসব নামকরা হাদিসগ্রন্থ আছে সেবেও পড়েনা।
আপনার প্রথম হাদিস যদি মুসলিমের বলে দাবি করেন তাহলে সেটার প্রমাণ দেন। মুসলিমের হাদিসটা স্ক্যান করে ব্লগে দেন, নাহয় লোকে এম্নিতেই বুঝবে আপনি মিথ্যা বলছেন।
ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:২০
পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: ফরজের চাইতেও বেশি বললে ভুল হবেনা
আল্লাহ যার নামের সাথে নাম মিশিয়ে দিয়েছেন এবং যার খাতিরে সৃষ্টি
সমুদয় পয়দা করেছেন , হেদায়েতের ভার দিয়েছেন , শাফায়াতের কাণ্ডারি বানিয়েছেন এবং সদা সর্বদা দরুদ ছালাম ভেজে থাকেন
অসংখ্য ফেরেস্তা গনকে নিয়ে সেই দয়াল নবীজীর প্রতি বেলাদত ও
তাজিম ঈমানের শক্ত আকিদা
ঈদে আজম ঈদে মিলাদুন্নবি সব ঈদের সেরা
তার রহমত আদায় কর পড় দরুদ জানাও ছালাম মদিনা মনোয়ারা ।