| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ধরেন, এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে। শেখ হাসিনা সংসদ ভবনের সামনে ভারতের স্বাধীনতা দিবস জাঁকজমক করে পালন করলেন। ভারতের শীর্ষ নেতা এলেন, ভারতের পতাকা উড়ল...
এখন চুপ করে থাকা পাকিস্থানপন্থীরা কি বলতো?
- "এটা স্বাধীন দেশের আচরণ না।"
- "হাসিনা গোপন চুক্তি করে দেশটা মোদির হাতে তুলে দিয়েছে। এখন শুধু ঘোষণা বাকি।"
- "আজ ভারতের স্বাধীনতা দিবস, কাল ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসও এখানেই হবে।"
- "আজ ভারতের পতাকা উঠেছে, কাল জাতীয় সংগীতও বদলে যাবে।"
- "আর কিছুদিন পর হিন্দিই হবে রাষ্ট্রভাষা।"
- "ঢাকা আর ঢাকা নেই, দিল্লির সাব-অফিস হয়ে গেছে।"
- "সংসদ ভবন এখন বাংলাদেশের না, ভারতীয় দূতাবাসের এক্সটেনশন।"
- "আজ উৎসব, কাল সীমান্তও কাগজে-কলমে তুলে দেবে।"
- "এটাই ছিল সেই গোপন চুক্তি, এতদিনে প্রকাশ্যে আসছে।"
- "দেশ বিক্রির লাইভ টেলিকাস্ট চলছে!"
অথচ জাতীয় সংসদে আম্রিকার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস পালন নিয়ে এদের কোন মাথা-ব্যাথা নাই। হাস্যকর বিষয় হচ্ছে, ইরানে ধবংসযজ্ঞে ইসরায়েল-আম্রিকার বিরোধীতা জ্বালময়ী ভাষন দিবে আবার দুইদিন বাদে আম্রিকাকে কাছে টেনে নেবে। যে ভারতের বিরোধীতা করতে করতে মুখে ফেনা তুলে ফেলে সেই ভারত আম্রিকা-ইজরায়েলকে মধ্যাঙ্গুলি দেখিয়ে খামেনির জানাজায় অংশ নিয়েছে। মানবতার বন্ধু তাহলে কে?
দেশের বড় বড় ঘটনা পাশ কাটিয়ে ব্লগারদের পুরো এনার্জি চলে যায় "সব দোষ হাসিনার", গাজী সাহেবে ভুল ধরিয়ে দেবার টপিক নিয়ে। গাজী সাহেব ভারতক চতুর্থ বড় অর্থনীতির দেশ বলাতে "চতুর্থ বড় অর্থনীতির দেশ" কথার কোন মূল্য নাই সেটার থিসিস পেপার বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে গেছে! অথচ গাজী সাহেব ইউটিউবও চালান না, টক শোতেও যান না - ব্লগের ভিউ ১০০~২০০ এর কম হয়।
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৭:০৮
মাথা পাগলা বলেছেন: হাসিনার আমলে টক শোতে জোনায়েদ সাকি, আসিফ নজরুল জনগণের হয়ে সরকারের কাছে জবাবদিহিতা চাইতো যেটা প্রশংসনীয়। কিন্তু বাংলাদেশের বামাতিরা সুবিধাবাদী, পল্টি খেতে সময় নেয় না। ২০১২~১৩ রাজাকার ইস্যুতে জোনায়েদ সাকি ভালো ভাষন দিয়েছিলেন কিন্তু পরে পল্টি খেয়েছিলেন। পুরোনো ব্লগাররা এব্যাপারে ভালো বলতে পারবেন।
২|
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৪০
কলাবাগান১ বলেছেন: আমার কথা হল, শেখ হাসিনা তো ভারত এর কাছে দেশ বিক্রি করে দেওয়ায়, মানুষ অভাব এ থাকত....কারন সব সম্পদ ভারত কে দিতেন। তো এখন তো শেখ হাসিনা নাই, এখন তো ঘরে ঘরে পোলাউ কোর্মা খাওয়ার কথা.....।
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৭:৪০
মাথা পাগলা বলেছেন: হাসিনার দেশবিরোধী চুক্তিগুলোর মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পোলাও-কোর্মা খাওয়ার টাকা আসবে না। কিন্তু দেশবিরোধী চুক্তিগুলো কি কি বলতে পারে না।
২০০৭ আর এখনকার জনগণের জীবনযাত্রার মান কম্পেয়ার করলে অনেক কিছুই বোঝা যায়। বাংলাদেশের না আছে তেলের খনি না আছে হিরার খনি। ভারতের মানুষের ইনকাম, জীবনযাত্রার মানের সাথে তুলনা করলে বাংলাদেশের মতো ছোট দেশে এতো বিপুল সংখ্যক মানুষ থাক সত্ত্বেও জীবনযাত্রার মানের খুব একটা পার্থক্য হবে না। কিছুদিন আগে জামাতের এক নেতাকে নতুন এক সেতুর নির্মানকাজের কথা জিগাস করলে ২০ কোটিকে ২০০ বা ২০০০ কোটি বলে ফেলে, ১০ বা ১০০ গুন বেশি বলেছিল। পরে পাশ থেকে আর একজন শুধরে দেয়। এদের অভিযোগ বাংলাদেশ বছরে যা ইনকাম করে তার ১০~২০ গুণ টাকা হাসিনা চুরি করে নিয়ে গেছে।
৩|
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ ভোর ৫:১২
শ্রাবণধারা বলেছেন: হাসিনা ভারতকে সাথে নিয়ে দেশে যে অপকর্মগুলো করেছে সেগুলো খারাপ ধরণের বাণিজ্য চুক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তিনি ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য, ভোট চুরির জন্য, এবং জনগণের মাথায় কাঠাল ভাঙার জন্য সুষমা স্বরাজের মত উগ্রপন্থী বিজেপির কতগুলো আবর্জনা বাংলাদেশে ঢুকিয়ে জনগনকে ক্ষেপিয়ে তুলেছে। এখন জামাত জনগণের সেই ক্ষোভটাকে ঘৃণায় রূপান্তর করেছে।
ভারত এবং আমেরিকা দুই দেশের সাথেই বাংলাদেশের স্বার্থরক্ষার ভিত্তিতে বাস্তব সম্পর্ক রাখতে হবে। ছোট দেশ হিসেবে সব ধরণের বাণিজ্য চুক্তিতেই ভারত এবং আমেরিকা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে। তারপরও যতটা সম্ভব দেশের স্বার্থরক্ষা করার চেষ্টা যাতে সরকার করে সেটা মানুষ দেখতে চায়। ক্ষমতা আকড়ে থাকার জন্য ভারত বা আমেরিকার উপর নির্ভর করলে বড় বিপদ।
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৭:০০
মাথা পাগলা বলেছেন: পরাধীনতাকে স্বার্থরক্ষা বলে চালিয়ে দেয়াটা কি ঠিক হচ্ছে? আম্রিকার সংসদের সামনে বাংলাদেশের পতাকা কবে উড়বে? আমি আসলে এক বিশেষ শ্রেণীর চিন্তা-ভাবনার কথা বলেছি। আমার ধারনা এই ঘটনাকে হালকা করার জন্য আপনার মতোই হাসিনাকে সামনে এনে সেম যুক্তি দিতো।
গাজার গণহত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে আম্রিকার ককাসের সদস্য হয়ে সাম্রাজ্যবাদের নিপাত বলে সংসদে আম্রিকার পতাকা উত্তোলন করাকে নিজেদের স্বার্থ বাঁচাচ্ছি যুক্তি দেবার থেকে "এক লোক ধর্ষণ করে বলছে শয়তান করিয়েছে বুঝতে পারে নাই"। এইটা বেশি সেন্স মেইক করে।
৪|
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ ভোর ৬:৪১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: "সংসদ ভবন এখন বাংলাদেশের না, ভারতীয় দূতাবাসের এক্সটেনশন।"
"সংসদ ভবন এখন বাংলাদেশের না, পাকী দূতাবাসের এক্সটেনশন।"
"সংসদ ভবন এখন বাংলাদেশের না,আমেরিকা দূতাবাসের এক্সটেনশন।"
...................................................................................................
আমাদের এখন ত্রিশন্কু অবস্হা,আসুন সবাই একসঙ্গে বঙ্গপোসাগরে ঝাঁপ দেই ।
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৭:৩৪
মাথা পাগলা বলেছেন: ঝাঁপ দিতে চাই বললে দেয়া যাবে কি? সবাই বলাবলি করছে ইউনুস সাহেব গোপনে বন্দর বিক্রি করে দিয়েছেন।
৫|
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:১০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইউনুস সাহেব কে নিয়ে অযথাই বন্দর নিয়ে সন্দেহ করছেন; এটা মেঘনা গ্রুপের কাছে যাবে । শেখ হাসিনার আমলে ডিপি ওয়াল্ড এর সাথে কথা হয়েছিলো। ইউনুস সাহেবের দোষ আছে যেমন জামায়াতকে সিট বেশি দেয়া , হাম রোগের টিকা ইউনিসেফ কে পাশ কাটিয়ে অন্য কারো থেক ক্রয় করা ।
৬|
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২০
মিরোরডডল বলেছেন:
২০২০ থেকে খেলাঘরের লেখা পড়ছি। সেইসময় তার যে চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি, বক্তব্য ছিলো, এখনও সেরকম।
সময়ের সাথে সাথে সেগুলোর কোনো পরিবর্তন হয়নি। একই মূল্যবোধ ধারণ করে।
শেখ হাসিনার শাসনামলেও এই খেলাঘরকে দেখেছি অকপটে তার কাজের সমালোচনা করতে।
খেলাঘর একজন ক্রিটিক যিনি পক্ষপাত না করে হাসিনা, খালেদা, জিয়া, মুজিব সবার সমালোচনা করেছে।
২০২৪ সালের জুলাই মাসের আন্দোলনে খেলাঘরের মন্তব্য নিয়ে ব্লগাররা তীব্র সমালোচনা করেছিলো, হাসিনার দোসর বলতো।
তবে পরবর্তী সময়ে স্বীকার করুক আর নাই করুক ব্লগাররা তাঁর কথার সত্যতা দেখেছে, সমগ্র বাংলাদেশিরা দেখেছে, বিশ্বের যে যেখানেই থাকুক। জামাত শিবির আর জুলাই নিয়ে এখন সবাই সেটাই বলে, যা খেলাঘর শুরুতে বলেছে। অভিজ্ঞতা কথা বলে।
আমাদের বাংলাদেশের রাজনীতি আর এখানে সামুর রাজনীতি কোনো ডিফারেন্স নেই।
ইউনুস সরকারের সময় যে মব সন্ত্রাস হয়েছিলো, মুজিবের ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা, ৩২ ভেঙে ফেলা, জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে মারা, এরকম প্রতিদিন কত শত মব, এগুলোর কোনো বিচার হয়নি, হবার সম্ভাবনাও নেই। মেহেদি লালে লাল দাড়ি টুপিতে সুশোভিত পার্লামেন্টে এগুলো নিয়ে কোনো কথা হয়না।
একইভাবে, সামুতেও একপাক্ষিক বিচার।
সহব্লগারদের সাথে আচরণে খেলাঘরের অনেক ভূলত্রুটি ছিলো বা আছে কিন্তু প্রতিনিয়ত দল বেঁধে সবাই যে খেলাঘরকে আক্রমন করতো, প্রতিদিন পোষ্ট হতো তাকে নিয়ে, সবাই দলবদ্ধভাবে কত গালিগালাজ করতো, এদের বিরুদ্ধে কখনো কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি, কোনো ব্যান হয়নি, নাথিং!!!
সকল আইন শুধু খেলাঘরের জন্য, কারণ সকল অপরাধ খেলাঘরের।
শুভকামনা থাকবে, খেলাঘর যেন এভাবেই ধৈর্য নিয়ে আরো দীর্ঘদিন ব্লগিং করে যায়।
৭|
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০৭
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনাকে সহজ একটা কথা বোঝাতে পারিনি। আরেকবার চেষ্টা করি। সেটা হলো, আপনি আমেরিকার পতাকা মাথায় দেন নাকি গায়ে মাখেন, নাকি সংসদ ভবনের উড়ান, নাকি বল বানিয়ে ফুটবল খেলেন তাতে কিছু যায় আসে না। আসে যায়, আপনি আমেরিকার সাথে কি ধরনের চুক্তি করলেন সেটাতে। মানুষ কি ভাবলো সেটা বড় বিষয় নয়। আপনি মানুষের জন্য, দেশের জন্য কি করলেন সেটা বড় বিষয়।
একই কথা ভারতের সম্বন্ধেও প্রযোজ্য। ভারতের পতাকা সংসদ ভবনে উড়িয়ে আপনি যদি উদাহরণ হিসেবে সুবিধাজনক পানি চুক্তি করতে পারেন বা বড় বিনিয়োগ আনতে পারেন তাহলে আপনাকে স্যালুট। হাসিনা ঠিক এর উল্টো কাজ করেছে বলে আমি মনে করি! হাসিনার অপকর্ম, লুটপাট, দেশের সকল প্রতিষ্ঠান ধ্বংস এবং গুম-খুন, হাতুড়ি-হেলমেটের বাইরে তার প্রতি আমার কোন বিশেষ ঘৃণা নেই, ভক্তিও নেই! আপনি তার উদাহরণ দিয়ে শুরু করেছেন বলেই তার প্রসঙ্গে বলা।
৮|
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৫২
জাহিদ অনিক বলেছেন: এগুলো না করলে কি চলে। কী যে বলেন...
সোমাজের নোমাজ পড়তে হয় না !! ![]()
৯|
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৩
অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: বাংলাদেশে জাঁকজমকপূর্ণভাবে আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস পালিত হলো। আমি ব্লগে এসে খুঁজছিলাম এ বিষয়ে দেশপ্রেমিক ব্লগাররা কী বলেন। দেখলাম কিছুই বলেন না, মানে আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস পালন সমস্যার কিছু না। সরকার পতন যদি না হতো, একই কাজ যদি আওয়ামী লীগ করত ব্যাপারটা কেমন হতো? মোনাফেক শব্দটা কেন এসেছে বুঝতে ভাষা বিশারদ হতে হয় না।
১০|
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৩
রাজীব নুর বলেছেন: সব দোষ ও অন্যায় মূলত জামাত শিবিরের।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:০৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আগের জোনায়েদ সাকিকে খুব মিস করি ।