| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ঠাকুরমাহমুদ
sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful
আপনার দিনের পর দিন ধর্মীয় লেখা পোস্ট করার কারণে -
হয়তো, আপনার কম্পিউটারটি স্বর্গে যেতে পারে।
কিন্তু, আপনার নিজে স্বর্গে যেতে হলে -
আপনার নিজের ধর্ম কর্ম করতে হবে।
ঠাকুরমাহমুদ
ঢাকা, বাংলাদেশ
১০ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:২৮
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
যেমন কর্ম তেমন ফল। যে ভালো কাজ করবে সেই স্বর্গে যাবে।
২|
১০ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:২১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি বলেছেন : যেমন কর্ম তেমন ফল। যে ভালো কাজ করবে সেই স্বর্গে যাবে।
এটা কোনো ধর্মীয় বাণী নয় ; এটি মানব ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন সামাজিক পর্যবেক্ষণ ও গড়ে উঠা ধারণা । সৃষ্টির শুরু থেকে মানুষ দেখেছে যে, প্রকৃতিতে প্রতিটি ক্রিয়ারই একটি সমমানের প্রতিক্রিয়া থাকে। এই ধ্রুব সত্যটিই কালের বিবর্তনে মানুষের অভিজ্ঞতায় একটি নৈতিক মানদণ্ড হিসেবে গেঁথে গেছে। পবিত্র কোরআনেও বলা হয়েছে, প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ কর্মের ফল পাবে। এই একই ধরণের কথা কোরআনের আগেও অনেক ধর্মগ্রন্থে এবং ঋষি-মুনিরা বলে গেছেন। কিন্তু কুরআানে বিষয়টিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইসলাম অনুযায়ী কেবল সৎ কাজ করলেই জান্নাত পাওয়া সম্ভব নয়, বরং এর জন্য আল্লাহর প্রতি অবিচল বিশ্বাস (ঈমান) এবং তাকওয়া থাকা জরুরি। অন্য কোনো ধর্মের প্রতি বিশ্বাস রেখে কিংবা ধর্মের প্রতি কোনো বিশ্বাস না কোনো রেখে কেউ কেবল সৎ কাজ করলেই যে জান্নাতে যাবে -ইসলামে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই ইসলামের দৃষ্টিতে দেখলে, কেবল ভালো কাজ করলেই জান্নাত পাওয়া যাবে, এই ধারণাটি পুরোপুরি সঠিক নয়।
১০ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১১
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
প্রতি মন্তব্যে কি বলেছি তার প্রতিমন্তব্য হবে - ২য়।
১ম - আমি পোস্টে বলতে চেয়েছি, আপনি যদি ব্লগ সহ যে কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে ধর্ম বিষয়ে লেখালেখি করেন সেই ক্ষেত্রে হয়তো আপনার কম্পিউটার / সেলফোন / ট্যাব / ল্যাপটপ স্বর্গে চলে যেতে পারে। কিন্তু আপনাকে স্বর্গে যেতে হলে যা লিখছেন তা আপনার নিজে আমল করতে হবে। আপনি ধর্মীয় বিষয়ে যা লিখছেন আপনি নিজে তা আমল করেন কিনা? নাকি আমাদের বাল্যশিক্ষা পড়াচ্ছেন?
২য় - আপনি মন্তব্য করেছেন, মন্তব্য উত্তর হচ্ছে “মহাবিশ্ব বিশাল, মহাবিশ্বের কাছে পৃধিবী বালুকণার চাইতেও অনেক অনেক ছোট, সেই বালুকণাতে আমরা মানুষ কি করছি তা নিয়ে মহান ঈশ্বর কি ভাবেন তা একমাত্র ঈশ্বরই জানেন। আমার শিক্ষা হচ্ছে “সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ” - বাংলা ব্যাকরণ, নবম শ্রেনী। আর আমার ব্যক্তিগত কথা হচ্ছে - ন্যায় হচ্ছে ধর্ম আর অন্যায় হচ্ছে অধর্ম।
আমার “চিন্তা ভাবনা” আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে এমন কখনও জরুরী না। তবে আশা করছি, আমার চিন্তা আপনাকে বুঝাতে পেরেছি।
আপনাকে ধন্যবাদ।
৩|
১০ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমার মন্তব্যটি যদি ভুল মনে হয়ে থাকে তবে ক্ষমা চাইছি। ইসলামে যা বলা আছে আমি শুধু সেটাই শেয়ার করেছি।
১০ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
আমি সরাসরি ইসলাম ধর্মের কথা বলিনি। তবে ব্লগে যেহেতু শুধুমাত্র ইসলাম ধর্মের পোস্ট আসে, সেই ক্ষেত্রে ইসলামের উপর যারা লিখছেন তারা নিজেদের উদ্দেশ্যে মনে করতে পারেন।
আপনি ভালো কথা বলেছেন, ক্ষমা চাওয়ার মতো কিছু নেই। আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ।
৪|
১০ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৭
নিমো বলেছেন: হা!হা!
১০ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৬
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
আমি পোস্টে বলতে চেয়েছি, আপনি যদি ব্লগ সহ যে কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে ধর্ম বিষয়ে লেখালেখি করেন সেই ক্ষেত্রে হয়তো আপনার কম্পিউটার / সেলফোন / ট্যাব / ল্যাপটপ স্বর্গে চলে যেতে পারে। কিন্তু আপনাকে স্বর্গে যেতে হলে যা লিখছেন তা আপনার নিজে আমল করতে হবে। আপনি ধর্মীয় বিষয়ে যা লিখছেন আপনি নিজে তা আমল করেন কিনা? নাকি আমাদের বাল্যশিক্ষা পড়াচ্ছেন?
আপনাকে হাসাতে পেরেছি। - এখন মনে হচ্ছে আগামী পোস্টে হাসির কিছু লিখতে হবে।
আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ।
৫|
১০ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:১৯
অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: কিন্তু যারা কিছু লেখে না, তারা কই যাবে?
১০ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৪১
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
বাংলাদেশে ধর্ম আর রাজনীতি মনে হয় চোলাই মদের মতো। আপনার আমার ধর্ম নিয়ে লেখার প্রয়োজন নেই। আপনার আমার কর্মই ধর্ম।
৬|
১০ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:১২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি পোস্টে বলতে চেয়েছি, আপনি যদি ব্লগ সহ যে কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে ধর্ম বিষয়ে লেখালেখি করেন সেই ক্ষেত্রে হয়তো আপনার কম্পিউটার / সেলফোন / ট্যাব / ল্যাপটপ স্বর্গে চলে যেতে পারে। কিন্তু আপনাকে স্বর্গে যেতে হলে যা লিখছেন তা আপনার নিজে আমল করতে হবে। আপনি ধর্মীয় বিষয়ে যা লিখছেন আপনি নিজে তা আমল করেন কিনা? নাকি আমাদের বাল্যশিক্ষা পড়াচ্ছেন?
কুরআন মজিদে স্পষ্টভাবে মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং একে সর্বোত্তম কথা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। সূরা হা-মীম সিজদাহর ৩৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে:ঐ ব্যক্তির চেয়ে উত্তম কথা আর কার হতে পারে, যে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে এবং নিজে নেক আমল করে । সূরা আন-নাহল-এর ১২৫ নম্বর আয়াতে দাওয়াতের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে:আপনি আপনার রবের পথে হিকমত (প্রজ্ঞা) ও সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে আহ্বান করুন এবং তাদের সাথে বিতর্ক করুন সর্বোত্তম পন্থায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ভালো কাজের পথ দেখাবে, সে ওই কাজ সম্পাদনকারীর সমান সওয়াব পাবে।" (সহীহ মুসলিম: ১৮৯৩)। একজন ইসলামিক ব্লগারের লেখা পড়ে যদি কেউ অনুপ্রাণিত হয়ে একটি ভালো কাজ করেন বা ভুল পথ থেকে ফিরে আসেন, তবে সেই সওয়াবের একটি অংশ লেখকও পাবেন।
আমি কোনোদিন ইসলাম নিয়ে সামুতে লিখিনি ; ইসলাম নিয়ে যারা লিখে থাকেন উনারা মুলত উপরের কাজটি করছেন । উনারা সওয়াবের আশায় এমন টা করছেন । এটাই উনাদের সাইকোলজি ।
।
১১ ই মে, ২০২৬ রাত ১:১৫
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
হাদিস কোনটি সত্য কোনটি মিথ্যা তা যাচাই করা সম্ভব না। আপনি বলতে আপনাকে উদ্দেশ্য করে বলি নি, যারা ধর্ম নিয়ে লিখেন তাদের বলেছি। নিজে আমল না করে অন্যকে দাওয়াত দিয়ে আমার বিশ্বাস হয় না এতে ধর্মে তেমন কোনো প্রভাব হবে। নিজে ধর্ম কর্ম করতে হবে। আর যারা ধর্ম বিষয়ে দিনের পর দিন লেখালেখি করেন - তাদের প্রতিও আমার বিশ্বাস নেই তারা ধর্ম কর্ম করেন - ন্যায়ের পথে থাকেন। কারণ ধর্ম বলতে আমি বুঝি - ন্যায় হচ্ছে ধর্ম আর অন্যায় হচ্ছে অধর্ম।
আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ।
৭|
১০ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:২৩
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ধর্ম বিষয়ে আমার জ্ঞান হাঁটুর কাছে। তবে এতোটুকু নিশ্চিত যে বর্তমান পৃথিবীতে অশিক্ষিত, অনগ্রসর সমাজে ধর্মের প্রভাব বেশি। আর অফ টপিক হচ্ছে- আপনি আসলে কেন জানি ব্লগার চাঁদগাজী ভালোভাবে ব্লগিং করেন। আপনার প্রভাব উনার উপর
- পৃথিবী থেকে চাঁদের মতো ......
১১ ই মে, ২০২৬ রাত ১:২৫
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
ধর্ম সম্পর্কে আমার জ্ঞানও আপনার মতোই অবস্থা। ধর্ম বিষয়ে ২/৩টি তথ্য আমি বিশ্বাস করি, তার মাঝে একটি আমার নিজের বলা - ন্যায় হচ্ছে ধর্ম, আর অন্যায় হচ্ছে অধর্ম।
চাঁদগাজী সাহেব / ড: এম এ আলী সাহেব / আহমেদ জী এস সাহেব আমরা প্রায় একই সময়ের মানুষ। তাই কিছুটা দাবী রাখি অধিকারও রাখি।
ব্লগে অনেক দিন পর মোটামোটি আলোচনা হয়েছে আজ। ব্লগের অবস্থা গুরুতর খারাপ হচ্ছে দিনকে দিন। আমি পোস্ট তৈরি করছি কিভাবে ব্লগ কিছুটা উন্নত করা যায়, পোস্টে আপনাদের সহযোগিতা লাগবে, মন্তব্য করে জানাবেন - ব্লগে কি কি ধারা / ভালো মন্দ যোগ বিয়োগ হলে ব্লগে ব্লগার লেখক পাঠক বৃদ্ধি পেতে পারে।
আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ।
৮|
১১ ই মে, ২০২৬ রাত ২:৫৯
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
খুব সুন্দর লিখেছেন ।
তবে শুনুন কিছু কথা আমার ।
ধর্ম করিনা স্বর্গের লোভে
না কোনো সোনালি প্রতিদানের আশায়
মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর
এক গভীর দায় থেকেই
আমি ধর্মের পথে হাঁটি।
কারণ ধর্ম মানে শুধু
মসজিদে মাথা নত করা নয়
মন্দিরে প্রদীপ জ্বালানো নয়
গীর্জার ঘণ্টাধ্বনি কিংবা
উপাসনালয়ের নিঃশব্দ প্রার্থনাও নয়
ধর্ম মানে সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো
অন্যায়ের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তোলা
ক্ষুধার্ত মুখে একমুঠো অন্ন তুলে দেওয়া
অসহায়ের চোখের জল মুছে দেওয়া।
আমি জানি
ধর্ম করিনা সোয়াবের আশায়
ধর্মের মাধ্যমে ন্যয় কর্ম করি মানবতার দায়।
এই পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ
একই স্রষ্টার আলোয় গড়া
তাই মানুষের সেবাই
আমার সবচেয়ে বড় ইবাদত।
যে ধর্ম মানুষকে ছোট করে
ঘৃণার দেয়াল তোলে
রক্তের দাগে ভিজিয়ে দেয় বিবেক
সে ধর্ম নয়
সে কেবল অন্ধতার ছদ্মবেশ।
ধর্ম তো শেখায়
ভালোবাসতে, ক্ষমা করতে
নিজেকে ভেঙে অন্যকে গড়তে।
ধর্ম তো শেখায়
নিজের সুখের ভেতর
অন্যের কান্নার শব্দ শুনতে।
আপনার নিজে স্বর্গে যেতে হলে
আপনার নিজের ধর্ম কর্ম করতে হবে।
কারণ স্বর্গ কোনো উত্তরাধিকার নয়
এটি অর্জিত হয়
সততা, দয়া আর ন্যায়ের পথে চলায়।
যে হাত নামাজ শেষে
অভাবীর দিকে বাড়ে না
যে মন প্রার্থনার পরেও
বিদ্বেষে জ্বলে ওঠে
সে কেবল আচার পালন করে
ধর্মকে হৃদয়ে ধারণ করে না।
আমি তাই ধর্মকে খুঁজি
মানুষের হাসিতে
শ্রমিকের ঘামে
মায়ের নিঃশব্দ ত্যাগে
অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো
এক সাহসী কণ্ঠে।
যদি ধর্ম আমাকে
আরও মানবিক না করে,
তবে সে ধর্মের বাহ্যিক রূপে
কোনো মুক্তি নেই।
তাই আজও বলি
ধর্ম করিনা সোয়াবের আশায়
ধর্মের মাধ্যমে ন্যয় কর্ম করি মানবতার দায়।
মানুষের কল্যাণে যে জীবন জ্বলে ওঠে
সেই জীবনেই লুকিয়ে থাকে
স্বর্গের প্রকৃত দরজা।
১১ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০৮
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
ভাইসাহেব,
সালাম নিবেন, আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে আমিও ভালো আছি।
আপনার আমার মূল ন্যায় কথা হচ্ছে “কর্মই ধর্ম”।
ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ।
৯|
১১ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:২৪
হাসান জামাল গোলাপ বলেছেন: চমৎকার, অল্প কথায় বিস্তর ভাব।
১১ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:১০
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
আপনাকে অশেষ অশেষ শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।
১০|
১১ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪০
অগ্নিবাবা বলেছেন: আমার মনে হয়, আপনারা কেউই প্রকৃত অর্থে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম মানেন না। ধর্ম অনেকটা একটি দলের মতো—দলে থাকতে হলে দলের নিয়মকানুন মানতেই হয়। আবার দলকে টিকিয়ে রাখতে গেলে অন্য দলের সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে হয়। আর সংঘাতে নামলে মানবিকতা বিসর্জন না দিয়ে জয়ী হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
অন্য দলের প্রতি বিরোধিতা বা শত্রুতা না থাকলে দলের অস্তিত্বই অনেক সময় উদ্দেশ্যহীন হয়ে যায়। একইভাবে, দলের কাছ থেকে স্বীকৃতি বা পুরস্কার পেতে গেলে মানবিকতা কিংবা ভালো-মন্দের বিচার নয়, বরং দলের প্রতি আনুগত্যই বেশি গুরুত্ব পায়।
তাই যদি আপনারা দলনির্ভরতা ছাড়া ধর্ম চাইতে চান, বা অন্য দলের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চান, তাহলে প্রশ্ন হলো—নিজের দল কি আপনাদের সেটি সহজে করতে দেবে?
১১ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:১৩
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
আপনার মন্তব্যটি হচ্ছে বাংলাদেশে সহ সমগ্র বিশ্বের সকল ধর্মের মূল প্রতিপাদ্য।
আপনাকে অশেষ অশেষ শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।
১১|
১১ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:৫৭
হুমায়রা হারুন বলেছেন: লেখক বলেছেনঃ আপনি যদি ব্লগ সহ যে কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে ধর্ম বিষয়ে লেখালেখি করেন সেই ক্ষেত্রে হয়তো আপনার কম্পিউটার / সেলফোন / ট্যাব / ল্যাপটপ স্বর্গে চলে যেতে পারে।
চিন্তায় পড়ে গেলাম।
কম্পিউটার / সেলফোন / ট্যাব / ল্যাপটপ, একা একা স্বর্গে বসে কি করবে?
১১ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৪
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
বিচিত্র কারণে আমার ভাবনায় এসেছে, মানুষে যেই হারে ধর্মীয় কথা সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড দিচ্ছে আমার মনে হয় সোশ্যাল মিডিয়া সহ যাবতীয় যন্ত্র তথা কম্পিউটার, সেলফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ স্বর্গে চলে যেতে পারে। কিন্তু মানুষ না স্বর্গে না নরকে - মাঝামাঝি কোথাও ঝুলে থাকবে।
১২|
১১ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:২৪
রাজীব নুর বলেছেন: ধর্মে কর্মে আমার মন নেই।
একেবারেই মন নেই।
১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১:৪৭
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
বই পুস্তকে লেখা ধর্ম আর ঈশ্বরের ধর্ম ভিন্ন বিষয়।
১৩|
১৩ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৫৩
হুমায়রা হারুন বলেছেন: লেখক বলেছেনঃ কিন্তু মানুষ না স্বর্গে না নরকে - মাঝামাঝি কোথাও ঝুলে থাকবে।
ঐ রকম স্থানে শুনেছি পশুপাখিরা থাকবে। আর থাকবে পাগলরা।
১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১:৪৮
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
আপনার কি কখনও মনে হয়েছে বাংলাদেশের ধর্ম প্রচারকারী ও ধর্মীয় লেবাসধারী লোকজন কোনোভাবে সুস্থ ?
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আপনার নিজে স্বর্গে যেতে হলে -
আপনার নিজের ধর্ম কর্ম করতে হবে।
................................................................
আমি শুনেছি অনেক বির্ধমীওরা স্বর্গে যাবেন
তাহলে তাদের কর্ম কি হবে ।