নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কাসাফাদ্দৌজা নোমান

আমার ভিতরে আমি স্বতন্ত্র জীবন যাপন করি।

নোমান নমি

এই শহর ব্যাস্ততার রোষানলে, সভ্যতা গড়ছে নাগরিক। আমি তখন অলস মস্তিস্কে শয়তানের কারখানার একনিষ্ঠ শ্রমিক। ফেসবুক: https://www.facebook.com/kasafaddauza

নোমান নমি › বিস্তারিত পোস্টঃ

গল্প : কবি-টা

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:১৮





সকাল সকাল ঘুম ভাঙ্গলে মেজাজ ধরে যায়, আমার জন্য সকাল মানে মধ্যদুপুর। ঠিক বেলা বারোটার সময় ঘুম ভাঙ্গিয়ে দিল দারোয়ান মনতাজ। মেজাজ খারাপ করার বদলে অবাক হয়ে আছি। এক ভদ্রলোক এসেছেন আমার সাথে দেখা করতে। ভদ্রলোক মানে কিতাবী ভাষার ভদ্রলোক না। একদম স্যুাট বুটের ভদ্রলোক। ফর্সা গায়ের গালে, সকলে শেভ করা আলো ছড়াচ্ছে।



-আপনি কবিতা লিখেন?

ঘুম থেকে উঠে সিগারেট ধরাবার অভ্যাস, “বসুন” বলে আরেকটা বিছানা দেখিয়ে একটা সিগারেট ধরিয়েই বললাম “দুঃখিত বদ অভ্যাস”

-আপনি কী কবিতা লিখেন?

দ্বিতীয়বার প্রশ্নটি করে ভদ্রলোক বুঝিয়ে দিলেন তার তাড়া আছে। মাথা নেড়ে হ্যাঁ জানালাম।

-আমি আহমেদ হাসিব জিতু, আমি আপনার কবিতা কিনতে চাই। বিক্রি করবেন?

অবাক হলাম “ আমিতো অত বড় কবি নই, ছোটখাটো কবি, আজেবাজে লিখি।

-আপনি আজে বাজে কবি আমি জানি, বড় কবি হলে চলবে না। তাই সস্তা কবির কাছে আসলাম।

ভদ্রলোকের কথাকে খোঁচা হিসাবে নিবো কিনা বুঝতে পারছি না। কিছুটা কনফিউজড আমি। সিগারেটটা ফেলে দিলাম। দারোয়ান নাস্তা নিয়ে এসেছে। গতকাল মুখ না ধুয়েই খেয়ে ফেলেছিলাম। আজ এই কান্ড করা যাবে না। ভদ্রলোক কষ্ট পাবেন। ফ্রেশ হবার জন্য সময় নিয়ে ফ্রেশ হয়ে আসলাম।



-আসুন নাস্তা করুন, লাল লাল ঠান্ডা পরোটা, তেলে ভাসা ভাজি, টাকা নেই বলে আজ ডিম আসেনি!

-না আমি সকালেই খেয়েছি!

সকালে বললেই হত। ভদ্রলোক একটা ই লাগিয়ে বুঝিয়ে দিল এখন সকাল না। পরোটা ছিড়ে ভাজি নিয়ে মুখে ঢুকাতে যাবো ফোনটা বেজে উঠলো। সে ফোন করেছে,

-শুভ সকাল

-উঠেছে তাহলে!

-না উঠেনি, সেই কবে থেকে পড়ে আছে। টেনে তুলবে?



সে বুঝে না। আমি আসলে তার ভিতর পড়ে আছি। উঠা সম্ভব না। সে হল নীলা, নীলা হল সে। আমার একমাত্র প্রেমিকা, কবিতা অথবা কেউ একজন। চোখের ভিতর সব সময় রাজহাঁস খেলে, একদিন রাজহাঁসটা আমি খেয়ে ফেলবো। এই কথা শুনলে সে ঝিনঝিন করে হাসে, তখন হাসিটাও খেয়ে ফেলতে ইচ্ছা করে। ইদানীং নাকি আবার খাদক হয়ে গেছি। তার সাথে আমার কথোপকথনের ধরণটা অদ্ভুত। করেছে, খেয়েছে সম্বোধনমূলক কথা বলে আসছি গত সাড়ে তিন বছর যাবত। এই মেয়েটি দিন শেষে সারাদিন কি করেছি খোঁজ নেয়, কীসে শরীর খারাপ হবে বলে দেয়। ফোন রেখে ভদ্রলোকের দিকে মনযোগ দিলাম। আমার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে শুরু করে দিলেন



-দেখুন রোমেল সাহেব, আমি একটা মাধ্যমে শুনেছি আপনি কবিতা লিখেন। অত আলাপে আমি নেই। সরাসরি বলছি আমি আপনার কবিতা কিনতে চাই।

বেশ কিছু পত্রিকায় আমার কবিতাসহ বেশ কিছু লেখা ছেপেছে তখন। নিজেকে সামান্য বিখ্যাত মনে হচ্ছে। তাই জানতে চাইলাম না কোন মাধ্যমে সে আমার খবর পেয়েছে। বিখ্যাতদের কতজনই না চিনে।

-পত্রিকার জন্য?

-না, কোন পত্রিকার জন্য না

-তাহলে

-সেটা জেনে আপনার খুব একটা লাভ হবে না। শুনুন আপনি আমাকে কবিতা দিবেন যখন চাইবো, মানে অনেকটা বলতে পারেন একটা কাজ কিংবা চাকরী। আপনি যেভাবেই নেন। আপনার কাজ হল কবিতা লেখা। কবিতা লিখে দিবেন, পে করা হবে!

বুঝে উঠতে সময় নিচ্ছি। কবিদের মাথা খুব দ্রুত কাজ করে না, দ্রুত কাজ করে গণিতের শিক্ষকদের মাথা। অনেক প্রশ্ন, অনেক ভাবনা। লোকটার কি কবিতার দোকান আছে? পাইকারি দরে আমার থেকে কিনে মোটা দামে বেচবে। না তা হবে না। আমি গরীব কৃষক হতে পারি, রক্তে কিন্তু বিদ্রোহ আছে। ভদ্রলোকের তাড়া আরেকবার প্রকাশ করলেন

-প্রেমের কবিতা হতে হবে, কত নিবেন প্রতি কবিতা?

-৫০০ টাকা

গরীবদের চাহিদা কম হয়, গত দুদিন পকেটে টাকা নেই। রাতে না খেয়ে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। দারোয়ান মনতাজ বড় মনের মানুষ। মাঝে মাঝেই নিজ টাকা খরচ করে আমাকে নাস্তা করায়। আজও তেমন একটা দিন। পাঁচশো টাকা বলেই লজ্জায় পড়ে গেলাম। কবিতার দাম হিসাব করা কঠিন! বেশী চেয়ে ফেললাম? না কম চেয়ে ঠকে গেলাম। এমন দ্বিধা কাটিয়ে দিলেন জিতু সাহেব

-প্রতি কবিতা এক হাজার পাবেন!

চোখ কপালে তুলতে হল। কী বলে? আমার কবিতার দাম দেখছি জীবনানন্দের কবিতার চেয়ে বেশী। হায় জীবন, জীবন দেখলে কিন্তু আনন্দ দেখলে না।

-রোমেল সাহেব, আপনার সাথে একটা চুক্তিতে আসবো। আপনাকে আমি পনেরশ টাকা দিবো প্রতি কবিতায়। চুক্তি হচ্ছে আপনি এসব কবিতা কখনো নিজের বলে দাবি করতে পারবেন না। কোথাও প্রকাশ করতে পারবেন না। ভুলে যাবেন এগুলো আপনি লিখেছেন।

আসল ঘটনা বেরিয়ে গেছে। ব্যাটা আমার কবিতা নিজের নামে চালাতে চাচ্ছে। এতক্ষন এরকম স্মার্ট জিতু সাহেবের কাছে নিজেকে তুচ্ছ লাগছিল। এইমাত্র ব্যাটার দিকে তাকিয়ে খুব করুণা হচ্ছে। আহারে! বেচারা কবিতা লিখতে পারে না!



এক ঘন্টার আলাপ, চিন্তা সবকিছু করে ভেবে দেখলাম। টাকাটা আমার প্রয়োজন। কবিতা কেন লিখি জানিনা, কবিতা লিখতে খুব বেশী কষ্টও হয় না। খুব বেশী ভালো জিনিস করতে বেশী কষ্ট হয়। তাই বিক্রি করে দিলাম না হয় অ-কষ্টের সৃষ্টি। সকালে দারোয়ান এর স্পন্সরে আর কতদিন নাস্তা করা যায়। খুব বেশী কঠিন বিষয় না, সে আগে থেকে বলে দিবে কখন কবিতা লাগবে, আমি তখন ডেলিভারী দিয়ে দিবো। ডেলিভারী মানে মেইল। অনেকটা হোমমেড খাবার বাইরে বিক্রি করার মত। দেখি ব্যবসা কতদূর যায়!





*******

সন্ধ্যায় নাগাদ ভদ্রলোকের ফোন আসলো। অর্ডার এসেছে দেড়ঘন্টার মধ্যে শহর এবং প্রেমিকা নিয়ে একটা কবিতা লিখে দিতে। রিকশা ভ্রমণের বিষয়টা যেন থাকে এটাও বলে দিলেন ফোন রাখার আগে। এটা কয়েক মিনিটের মামলা।



আমি নেমে যাবো আলো হয়ে, ল্যাম্পপোষ্টের শরীর বেয়ে

উড়ে যাবো তোমার রিকশার ছায়ার শরীর ছুঁয়ে!

পিছু নিবো পুরো পথ, দরজা আঁটকে শরীর আঁটকে ফেলবে ঠিক

আমি ল্যাম্পপোষ্ট থেকে নেমে আসা প্রেমিক আলো

যেভাবে ঢুকে সকালের পত্রিকা, সূর্য্যের আলো, গাছের ছায়া

এভাবেই ঢুকে ঘাপটি মরে থাকবো, তোমার ঘরের জানলার পর্দায়

শীতল মেঝেতে, বিছানার আঁটসাঁট বালিশে কিংবা ড্রেসিং টেবিলের আয়নায়!

না, আমি কেন নীলাকে ভেবে লিখছি? এটাতো বিক্রির কবিতা! ব্যবসায় কেন প্রেমিকা আনছি। পারবো না, এটা লিখে বরং নীলাকে দিই। টাকাটা ভীষন প্রয়োজন। বন্ধু টাকা পায়, দেনায় মরি বাচি অবস্থা। নীলার জন্য বরং আরেকটা লেখা যাবে। এটা বিক্রির জন্য হোক, কিছু কবিতা বিক্রি হোক পেটের দায়ে! নিজেকে হঠাৎ পতিতা মানে হচ্ছে কেন?



রাত তিনটা, কোন বিলম্ব নেই, দৈনিকের টাকা দৈনিক পকেটে। কাল দেড় হাজার টাকা পাচ্ছি, তবুও এটা দৈনিক। খুশী লাগছে। নীলাকে জানাবো না। চমকে দিবো ভাবছিলাম। কাল বরং একটু নৌকা ভ্রমণ করে আসি। বহুদিন পানির শব্দে সাথে প্রতিযোগীতা করে চুমুর শব্দ করা হয় না। কাল বরং পানিকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে দেয়া যাক আরেকবার।

-আজকাল আমাকে কবিতা শোনাচ্ছে না যে

-কাল কবিতা শুনাবো, ঘোর লাগা কবিতা। নেশা ধরে যাবে

-আমার নেশা চাই না, ভালো লাগা চাই, আজ কোন কবিতা লিখেনি?

-নাহ, আজ মুড ছিল না

মিথ্যা বলতে আমি অভ্যস্থ না। কিন্তু এই মিথ্যেটি বলতে ভাবতে হয়নি । আমি মোটামুটি সৎ মানুষ। মানুষের সাথে চুক্তি ঠিক রাখি। নীলা আমার সংসারে সাজানো একটি ফুল, ওর কাছে এসব জটিলতা প্রকাশ করার কোন মানে নেই।



****



নীলার ব্যস্ততার কারণে আজকে লাঞ্চ একসাথে করা হল না। নিজেই খেয়ে নিয়েছি একা একা। দিনটি ভালো যাচ্ছে। বেনসনের একটি প্যাকেট, আর তিন হাজার টাকা সকালেই চলে এসেছিল। দেড় হাজার টাকা দেয়া হয়েছে অগ্রীম। দু ঘন্টার মধ্যে আরেকটা কবিতা লিখে দিতে হবে। কবিতার বিষয় একটি ভোর এবং প্রেমিকা। এখন ভর সন্ধ্যা। আমার রিকশায় ঘুরতে ইচ্ছা করছিল। সান্ধ্যকালীন সোডিয়াম লাইটগুলোর নীচে বসে বাদাম খাবো, ল্যাম্পপোষ্ট ভৃত্যের মত আলো দিবে কেবল। নীলার ব্যস্ততা শেষ হয়েছে।

-সোডিয়াম লাইটের আলোয় বিষন্ণতা আছে তাই না?

-মোটেও না, এই যে আমার শক্ত হাত তোমার নরম হাত ধরে আছে, এতে কোন বিষণ্নতা থাকতে পারে না। সোডিয়াম লাইটের বাপের সাধ্য নাই বিষণ্নতা দেয়।

-হিহিহি, মাঝে মাঝে তোমার কথায় মুগ্ধ হই, একদিন নিশ্চয় তুমি অনেক বিখ্যাত হবে তাই না?

-ঠোঁট দিবে?

-কেন?

-বিখ্যাত হবার আগে আরো একবার অট্রোগ্রাফ দিব

-অসভ্য! আজ হবে না।

সেদিন অটোগ্রাফ হয়নি। ফোন পেয়ে আমাকেও দ্রুত বাসায় ফিরতে হয়েছে। অর্ডার এসেছে। নীলাকে সেদিন বাসায় পৌছে দেয়া হল না। মেয়েটা বড্ড ভালো। মেনে নিয়েছে। তার ঘাড়ে অবিন্যস্ত চুলে এজন্য মাঝে মাঝে দুএকটা ডুব বেশী দিতে ইচ্ছা হয়।

এবারের কবিতার বিষয় রাতের নির্জনতায় কাউকে মিস করা। বড় রসালো বিষয়। লিখে পাঠিয়ে দিলাম।



এভাবেই চলছিল। খরচের চাকা সচল হয়েছে। দেখতে দেখতে পনেরদিন হয়ে গেল, বেশ কিছু জামা কাপড় কিনে ফেলেছি। কবিতা ভালো হলে আবার বোনাসও জুটে। যেন শব্দে শব্দে টাকা। ভাবতেই ভাল্লাগছে। কীবোর্ডের শব্দে টাকা আসছে। টাকার কথা নীলাকে বলা হয়নি, বললে উৎস জানতে চেয়ে পাগল বানিয়ে ফেলবে। কিন্তু তার জন্য কেনা শাড়ীটা পেলেতো হাজার প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সাদা পাড়ের শাড়ীর সাথে নুপুর পরে ঘুরবে। এক সাথে বসে চা চক্র শেষে, কোন এক উড়াল রিকশাওয়ালার রিকশায় চেপে শহরের আয়তন মাপবো দুহাত দিয়ে।





সামান্য মন খারাপ। বিকালের ভ্রমণটুকু হয়নি। সে ভীষণ ব্যস্ত। আমিও ভীষন ব্যস্ত। টাকা লাগবে অনেক টাকা। সপ্তাহে নীলার সাথে দেখা হয় দু একদিন। চাকরীতে জয়েন করেছে। দিনের বেলা ব্যস্ত। সন্ধ্যায় দ্রুত বাসায় ফিরতে হয়। ইনকাম করা মেয়ে পেলে মধ্যবিত্ত মা বাবারা খুশী হন। মেয়ের প্রতি কেয়ার বেড়ে যায়। তাই নীলাকে খুব সন্ধ্যায় বাড়ী ফিরতে হয়। পুরো নগর ইনসোমনিয়ায় আক্রান্ত। মনে হচ্ছে কেবল আমি না, এই শহরের কেউ ঘুমাতে পারছে না। কেউ না। একাউন্টে বেশ টাকা জমেছিল। চাকরীর বয়স এক মাসে এত টাকা আমার সার্টিফিকেট আমাকে দিত না। আজ তাই বিশ্ব হুইস্কি রাত। বন্ধুদের ডাকতে পারতাম, কিন্তু সেখানে মাতলামি হতো। একা খেয়ে নিজেকে আবিস্কার করবো। দুর্দান্ত কোন কবিতা লিখে কিছু বোনাস নিবো। নীলাকে শাড়ী দেয়া হয়নি নানা কারণে। কাল আরেকটা কিনে দুটো এক সাথে দিতে হবে। সবচে বড় কথা কাল ছুটি!

প্রতিরাতে বেলা করে ঘুমাই। তাও আজ মনে হচ্ছে রাত জাগবো, কাল ছুটির দিন। ব্যস্ত মানুষদের ছুটির দিনের রাতটা অন্যরকম হয়। কাল অবশ্যই নীলকে নিয়ে ঘুরতে হবে। বেচারীকে সময় দেয়া হয়নি এই একটা মাস। মাত্র মনে পড়লো নতুন কোন কবিতা দিইনি তাকে গত একমাস। ভীষন মিস করছি, রাত বড় ভারী। মিস করার দীর্ঘশ্বাস মাপার মেশিন থাকলে রাতের সাথে পাল্লা দিত।



একদিন এক গভীর রাতে, দীর্ঘশ্বাসের রেলগাড়ী উল্টে

পেয়ে যাবো একটি খাঁমচি,

নখের দাগের আঁচড়ে লেখা আছে জপে যাওয়া নাম

পেতে পেতে পাইনি তাকে কতদিন ,কতকাল

হিসাব রুখে দিই, ক্রমশ ঘন হয় না পাওয়া

দীর্ঘরাত হিসাবে ঘোষনা করে দিই তুমিহীনা



না হচ্ছে না, কিছুতেই হচ্ছে না। কবিতা না হলে কাগজ ছিড়ে ঘরে ফেলে দেবার নিয়ম কবিদের। কিন্তু কম্পিউটার ফেলে দেবার কোন উপায় নেই। বেকস্পেস দিই আবার লিখি। শেষ পর্যন্ত লিখলাম একটা কিছু। ভালোবাসার মানুষের জন্য কবিতা দুর্বল হলে সমস্যা নেই। হৃদয়ের কবিতাতো দুর্বল না। তরতাজা যুবকের মত সবল। হৃদয়ের কবিতা আমার মত করে রবীন্দ্রনাথও লিখেননি।



*********

ঘুমিয়েছি কখন জানিনা, কবিতাটা শেষ করতে পেরেছিলাম কিনা তাও মনে করতে পারছি না। মোবাইল হাতড়ে নীলার সাথে কথা হয়েছিল কিনা চেক করলাম। হয়নি। ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। জিতু সাহেবের ডাকে ঘুম ভেঙ্গেছে। আজ আরও বেশী ফিটফাট হয়ে আসছেন। সকালের শেভের চাকচিক্য জ্বলজ্বল করছি। মুখে গোমড়া ভাব নেই, বেশ খুশী খুশী।

-রোমেল সাহেব, খুশীর সংবাদ আছে। দারোয়ানকে বলুন নাস্তা দিতে, চাও আনতে বলুন। নাস্তা খেতে খেতে বলি। আপনি ফ্রেশ হয়ে নিন।

লোকটা পাগল হয়ে গেল কিনা কে জানে। যাকগে মনতাজকে নাস্তার অর্ডার দিয়ে ফ্রেশ হয়ে আসলাম। পরোটা মুখে দিয়ে জিতু সাহেব শুরু করলেন “আমার বিয়ে ঠিক হয়েছে, আজ সোমবার, শুক্রবার রাতে বিয়ে, আমাদের বাড়ীতেই। কাছের অল্প কিছু মানুষ থাকবে, আশা করছি আপনিও থাকবেন”

কারো কাছের মানুষের সম্মান পাওয়াটা বিরাট সৌভাগ্যের। আমার গর্ব লাগছে। গর্বে অর্ধেক পরোটা একসাথে ঢুকিয়ে দিলাম মুখে। এখন পড়েছি বিপাকে, না পারছি গিলতে, না পারছি এরকম ভদ্রলোকের সামনে বের করতে। ভদ্রলোক না থাকলে বের করে অর্ধেক করে আবার মুখে দিতাম।

-অবশ্যই থাকবো, বিয়ে খাওয়া হয় না অনেকদিন, একদম কবজি ডুবিয়ে খাবো।



জিতু সাহেব পরোটা রেখে হাত ধুয়ে চা নিলেন, সিগারেট ধরিয়ে টান দিয়েই ব্যাগ থেকে বের করে দিলেন ইনভাইটেশন কার্ড। অতি সুন্দর একটা জিনিস। বড়লোকদের যেমন হয় আরকি। কবিদের বিয়ের কার্ড হবে না কোনদিন। টেক্সট মেসেজে লেখা থাকবে “অমুক দিন অমুক কণ্যার সাথে আমার বিয়ে আপনি আসবেন আশা করি”। ভালো কথা জিতু সাহেবের পাত্রী দেখা দরকার। মেয়েদের সৌন্দর্য্য দেখার ভিতর একটা মজা আছে।

-ভাবী কী করে? ছবি দেখা যাবে?

-অবশ্যই! দেখুন



টাচ মোবাইল হাতড়ে তার হবু বউয়ের ছবি খুঁজছেন। আমি ততক্ষনি সিগারেট ধরিয়ে উদাস হয়ে গেলাম। দুনিয়ার সবার বিয়ে হচ্ছে। কেবল আমার আর নীলার বিয়ে হচ্ছে না।“দেখুন” জিতু সাহেবের ডাকে সম্বিত ফিরে মোবাইল স্ক্রিনের দিকে তাকালাম “নীলা”

পুরো পৃথিবীর থমকে যাবার কথা এখন, সেটাই হয়েছে। রাস্তার হর্ণও কানে আসছে না। সিগারেট টেনেই যাচ্ছি। কেন টানছি বুঝতে পারছি না। সিগারেটের স্বাদ যে পাচ্ছি তা না, তবুও অকাতরে টেনে যাচ্ছি। এভাবে সিগারেট টানে অসহায় মানুষেরা। আমি কী অসহায়? বুঝতে পারছি না। জিতু সাহেবের চোখ ট্যারা হয়ে আমাকে দেখছে, তিনিও সিগারেট টানছেন, পায়চারিই করছেন এবং আমার মত সিগারেটের স্বাদ পাচ্ছেন না। হঠাৎ থেমে গেলেন।

-রোমেল সাহেব, সাড়ে তিনবছর আগে ফিরে যান। নীলার সাথে আপনার প্রেম হয়ে গেল।

এতটুকু বলেই দম নিলেন ভদ্রলোক। আমি তখনো নির্বাক। মোবাইল খুঁজছি, নীলাকে ফোন দিতে ইচ্ছা করছে। জিতু সাহেব আবার শুরু করলেন “ আপনি যে বছর নীলাকে আপনার কবিতার ফাঁদে ফেলেছেন, ঠিক তার আড়াই বছর আগ থেকে আমি নীলার পিছনে ঘুরছি। আপনার আর আমার ফারাক হল কবিতা। আজ সাড়ে পাঁচ বছর পর আপনারই কবিতা দিয়ে তা ঘুঁচিয়ে দিলাম! দরজা বন্ধ করার শব্দ শুনতে পেলাম। বাকি সব শব্দ নিজেরাই বধির হয়ে গেছে।

মন্তব্য ৮৫ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৮৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:২৮

পাঠক১৯৭১ বলেছেন: পরে সময় নস্ট হলো, ফেইসবুকীয় শব্দের ডিকশনারী।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৩১

নোমান নমি বলেছেন: ধন্যবাদ, পরেরবার আবার সময় নষ্ট করার জন্য আসবেন। যদি কী জন্য সময় নষ্ট হইছে বলতেন। ভালো হতো।

২| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:২৯

হাসান তাজদিক বলেছেন: কবি যদি ভালোবেসেই থাকে তাইলে সনেট লেইখা ফিরায়া আনুক ;)

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১:৪৮

নোমান নমি বলেছেন: হা হা হা হা

৩| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:২৯

হাসান তাজদিক বলেছেন: কবি যদি ভালোবেসেই থাকে তাইলে সনেট লেইখা ফিরায়া আনুক ;)

৪| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৪৫

হৃদয়ের ক্যানভাস বলেছেন: প্লাস

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:১৫

নোমান নমি বলেছেন: ধন্যবাদ সাজ্জাদ

৫| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৪৭

গৃহ বন্দিনী বলেছেন: গল্প শেষ হওয়ার আগেই বুঝে গেসিলাম লাস্টে কি হবে । তাই তেমন একটা ভাল লাগে নাই ।

''ফর্সা গায়ের গালে, সকলে শেভ করা আলো ছড়াচ্ছে।'' এই লাইনটা ঠিক করে নেন।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:২০

নোমান নমি বলেছেন: থেংকস। ঠিক করে নিচ্ছি।

৬| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৫৩

হুমায়ুন তোরাব বলেছেন: minus....
valo lage nai...

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:২৯

নোমান নমি বলেছেন: হুম ধন্যবাদ

৭| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:১২

সায়েম মুন বলেছেন: টুইস্টটা কার্যকরী হলো না। #:-S

গল্প ভাল লেগেছে। তবে নোমানের অন্যান্য গল্পের তুলনায় কিছুটা ম্রিয়মান। :)

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৩০

নোমান নমি বলেছেন: হুম এখন বুঝতে পারছি টুইষ্টে একটা ঝামেলা হয়ে গেছে। টুইষ্ট বাদ দিয়ে গল্পটা অন্যদিকে ঘুরানো উচিত ছিল। থেংকু ভাই

৮| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:১৬

দিগন্ত নীল বলেছেন: ভালো লাগছে ভাই । দৃশ্যগুলো চোখে নিয়ে নিয়ে গল্পটা শেষ করেছি ।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৩২

নোমান নমি বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

৯| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:১৮

বৃত্তবন্দী শুভ্র বলেছেন: গল্প লেখা সত্যিই কঠিন ব্যাপার। এরকম একটা গল্প লেখা আরো কঠিন :)

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৩২

নোমান নমি বলেছেন: হা হা হা ধন্যবাদ

১০| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:২৪

বাক স্বাধীনতা বলেছেন: এটাই ছিল?

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৩৩

নোমান নমি বলেছেন: হুম এটাই :)

১১| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:৩৪

প্রিন্স হেক্টর বলেছেন: মোটামুটি লাগছে

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৩৪

নোমান নমি বলেছেন: থেংকস :) ভালো থাকবেন।

১২| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:৩৯

শাকিল ১৭০৫ বলেছেন: নোমান ভাই আপনার আগের গল্পগুলির চেয়ে এইটা ভালো হয় নাই তেমন একটা

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৩৫

নোমান নমি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য, পরের গল্পে কাটিয়ে উঠবো আশা করি

১৩| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:০৬

মুহাম্মদ রাফিউজ্জামান সিফাত বলেছেন: ভালো লাগলো

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৩৫

নোমান নমি বলেছেন: ধন্যবাদ

১৪| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:২৯

মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন: গল্প ভালো হইছে । টুইস্টটা আগেই ধরতে পারছিলাম , কিন্তু ঐ ভদ্রলোক যে রোমেলকে চিনতেন সেটা বুঝতে পারিনি । অন্যদের মতো না , আমার কাছে লাস্টের দিকটা টুইস্টেডই লাগছে ।

কবিতাগুলো চমৎকার হইছে ।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৩৬

নোমান নমি বলেছেন: হুম প্রথম টুইষ্টটা এখন আমার নিজেরিই ভাল্লাগতেছে না। :)

১৫| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:২৯

সোজা কথা বলেছেন: ভালো লেগেছে।তবে সত্যিকারের একটা প্রেমে নীলার চলে যাওয়াটা কেন জানি মেনে নিতে পারলাম না।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৩৬

নোমান নমি বলেছেন: হুম

১৬| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:৩৫

জেরিফ বলেছেন: টুইস্ট টা সহজেই বুঝা যাই , তাতে কি লাইন গুলা অনেক সুন্দর হইছে

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৩৭

নোমান নমি বলেছেন: ধন্যবাদ

১৭| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১:০৪

স্বপ্নবাজ বাউন্ডুলে বলেছেন: গল্প ভালো হয়েছে। টুইস্ট মনে হচ্ছে সবাই আগেই বুঝে ফেলেছে! কিন্তু আমার কাছে যথেষ্ট টুইস্টেড লেগেছে।
বর্ণনা, কবিতা সবকিছু মিলিয়ে বেশ ভালোলেগেছে :)

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৪২

নোমান নমি বলেছেন: ধন্যবাদ রনি ভাই।

১৮| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১:২০

বাকতাড়ুয়া বলেছেন: গল্পের কাহিনী ভালো ছিল, টুইস্টটা ভালো লাগছে।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৪২

নোমান নমি বলেছেন: ধন্যবাদ বাকতাড়ুয়া

১৯| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১:৫৭

অপু তানভীর বলেছেন: মাইয়া এতো জলদি কেমনে পটে গেল !
পাজি মাইয়া /:) /:)

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৪৪

নোমান নমি বলেছেন: সম্পর্ক ভাঙ্গে ভিতরে ভিতরে, এক বড় ভাই বলছিল। ঘটনা কিন্তু সত্যি!

২০| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ২:২৭

নষ্ট কাক বলেছেন: ব্যাপার নাহ, বিয়ের পরে কবি আবার তাঁর কবিতার ফাঁদে নীলকে আটকায়ে নিব B-))

এইবার তবে পরকীয়া চলুক ! =p~

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৪৪

নোমান নমি বলেছেন: হাহাহাহ

২১| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ২:২৭

নষ্ট কাক বলেছেন: ব্যাপার নাহ, বিয়ের পরে কবি আবার তাঁর কবিতার ফাঁদে নীলকে আটকায়ে নিব B-))

এইবার তবে পরকীয়া চলুক ! =p~

২২| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ২:৩০

স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: অনবদ্য ! আমি অলস টাইপের পাঠক , কিন্তু শুরুর দিকেই টেনে ধরেছেন আর গল্প ছেড়ে পালাবার উপায় নাই !!

কবিতা বিক্রিটা আরো কিছুদিন চলতো - ইনকাম তো খারাপ না এক্কেবারে !
এভাবে কবিতা লেখা যায় , কি অত্যাচার !

শেষের টুইষ্টের সময় মাথায় ঝিম ধরে গিয়েছিল অনবদ্য নমি ভাই !

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৪৫

নোমান নমি বলেছেন: কবিতা বিক্রি করার ব্যবস্থা থাকলে ভালো হতো, কারণ আমার প্রেমিকা নাই

২৩| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:১৮

ফ্রাস্ট্রেটেড বলেছেন: প্রেডিক্টেবল কাহিনী। সেইটা ব্যাপার না, উপস্থাপনাটা আরো শক্তিশালী করা যেতো... আপনার সেই ক্ষমতা আছে ।

শুভকামনা।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৪৭

নোমান নমি বলেছেন: সত্যি বলতে কি দুইমাস পর গল্প লিখতে গিয়ে আমি কিছুটা অসহায়বোধ করছি । কোন বিষয়টা হাইলাইট করবো,কোন বিষয়টা সুক্ষ আঁচড় রাখবো বুঝতে পারছিলাম না। বেশ কিছু লাইন এলোমেলো। এদিকে খুব গল্প পোষ্ট দিতে ইচ্ছা করলো। তাই দিয়ে দিলাম। ভালো থাকবেন।

২৪| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৫:৪৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: টুইস্ট জমলো না একদমই। এর চেয়ে অন্যদিকে মনোযোগ দিলে গল্পটা ভালো হতে পারতো।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৪৮

নোমান নমি বলেছেন: হুম ভাই টুইষ্টটা সস্তা কমন হইয়া গেছে। আর নিজেও কিছুটা এলোমেলো ছিলাম। আগের কমেন্টের রিপ্লাইটা একটু পইড়া। যদি কিছু একটা ব্যাখ্যা করতেন। কনফিউজড আমি।

২৫| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:২১

ইরফান আহমেদ বর্ষণ বলেছেন: টুইস্ট মোটামুটী। :)

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৪৮

নোমান নমি বলেছেন: থেংকস

২৬| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:৩৬

মোঃ আনারুল ইসলাম বলেছেন: মোটামুটি লেগেছে । নম্বর চাইলে ১০০/৫৫ দিতাম।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৫০

নোমান নমি বলেছেন: হাহাহ থেংকস

২৭| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ১১:১৩

আকিব আরিয়ান বলেছেন: গল্পের প্রথমভাগেই টুইস্টটা ধরতে পেরেছিলাম :D
আপনার ভাষার গাঁথুনি দেখে প্রতিবারই মুগ্ধ হই

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৫০

নোমান নমি বলেছেন: ধন্যবাদ আকিব :)

২৮| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ১১:২৪

মশিকুর বলেছেন:
আপনার শেষ লাইনে সবসময় কুরমুরে মিস্টার টুইস্ট খাইতে খাইতে সবাই অভ্যস্ত হয়ে গেছে। তারপরেও অবরোধের মাঝে ড্যাম মিস্টার টুইস্টও চরম মজা লাগলো। গল্পে +++

মাইয়া টিকবো না। মাইয়া কবিরে ভালবাসে না, কবিতারে ভালবাসে। তবে একটা প্রশ্ন না করে পারছি না, সবসময় যার কবিতা পড়ে মেয়েটি অভ্যস্ত তার কবিতা ধরতে পারল না?

শুভকামনা।।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৫১

নোমান নমি বলেছেন: ধরতে পারে নাই, এটা কবির দুর্ভাগ্য অথবা গল্পকারের দুর্বলতা :)
প্রেমিকার দোষ নাই।

২৯| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:১২

বৃতি বলেছেন: ভাল লাগল গল্পটা । তবে মেয়েদের ব্যাপারে এই ধরণের ডিসিশান নেয়াটা মনে হলো ঠিক হয়নি ।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৫২

নোমান নমি বলেছেন: না এটা মোটেও মেয়েদের ব্যাপারে কোন ডিসিসান না। এইটা কেবল একটা গল্প। গল্পে যে কেউ যে কাউকে ছেড়ে চলে যেতে পারে। তাছাড়া মেয়েটিকেতো দোষীও করা হচ্ছে না। কবিতো তাকে এড়িয়ে গেছে বেশ।
ধন্যবাদ।

৩০| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:২৯

জেমস বন্ড বলেছেন: একটা বাঁশ কাইত কইরা লগে আরেকটা খাম্বা সিদা কইরা প্লাস :-B :-0

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৫৪

নোমান নমি বলেছেন: থেংকস জেমস

৩১| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৩:৫৫

তাশমিন নূর বলেছেন: Apni golpo likhte paren na-ei kothata shunle amar voy hoy. Na jani jedin pari bolben sedin kotota valo hobe. Chomotkar laglo.

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৫৫

নোমান নমি বলেছেন: আয়হায় বলে কী? লজ্জা কালো মুখ আরো কালো হল। ধন্যবাদ নুর। ভালো থাকবেন।

৩২| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৩২

দিকভ্রান্ত*পথিক বলেছেন: বাহ বাহ !

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:৫৫

নোমান নমি বলেছেন: আহ আহ দিকভ্রান্ত :D

৩৩| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:১৯

মশিকুর বলেছেন:
"প্রেমিকার দোষ নাই???" -আপনি গল্পকারের চেয়ে বেশী কবি। কবিরা প্রেমিকার কোন প্রকার দোষ খুজে পায় না। তারা বরং প্রেমিকার দোষকে পুজি করে আরও কয়েকটা কবিতা লিখে ফেলে।

কবিতা বেচবেন? হা হা

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৪:২২

নোমান নমি বলেছেন: হা হা হা বেচবো, আমার রিস্ক নাই। কারণ প্রেমিকা নাই :)

৩৪| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০২

shapnobilash_cu বলেছেন: কাহিনী যদিও প্রেডিক্টেবল। তবে অনেক ভাল লাগছে নোমান ভাই, সাবলীল উপস্থাপনা। শুভ কামনা নোমান ভাই।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৪৪

নোমান নমি বলেছেন: থেংকস ভাই

৩৫| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:০০

ইমরান নিলয় বলেছেন: আপনার স্ট্যান্ডার্ডের হয় নাই। এই খুব বেশি অনুমেয় হয়ে গেছে।
এইটারেই কাটাছেঁড়া করলে ভালো কিছু হবে। ছুরি হাতে নেন। ;)

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৪৫

নোমান নমি বলেছেন: ছুরি হাতে নিমুনি :)
এইটা নিয়া বসার ইচ্ছা আছে।

৩৬| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:৪৮

অপরিচিত একটা মানুষ বলেছেন: ভাইয়া এত সুন্দর করে কিভাবে লিখেন?

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৪৫

নোমান নমি বলেছেন: এমনেই :)

৩৭| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:৩৪

অশ্রু কারিগড় বলেছেন: কবিতার জন্য কবির একটু
হলই না হয় ক্ষতি।


আমার কাছে একটু অন্যরকমই লাগল । যদিও বুঝতে পারছিলাম কি হবে শেষে কিন্তু নীলার আচরণ ভাল লাগে নাই :)

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৪৭

নোমান নমি বলেছেন: নীলার আচরন ঠিক করতে হবে :ঢ়

৩৮| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ২:৫২

রৌহান খাঁন বলেছেন: নিচের লিংকে লুইস সুয়ারেজ টা কে সেটা একটু দেখে আসবেন :P

Click This Link

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৪৭

নোমান নমি বলেছেন: ওকে

৩৯| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:৪৪

একজন সৈকত বলেছেন:
এটা আমার পড়া আপনার প্রথম গল্প। অসাধারন লেগেছে। বিশেষ করে নাম টা।দ্ব্যর্থক! আর পুরো গল্পটাই অনেক সুখপাঠ্য! ভালো থাকুন। নববর্ষের শুভেচ্ছা রইল সুলেখক!

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৪৮

নোমান নমি বলেছেন: থেংকস। অন্যগল্পগুলো আশা করি পড়ে দেখবেন। আরো ভালো লাগবে আশা করছি :)

৪০| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ৯:৪৪

কালোপরী বলেছেন: :)

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১:২৬

নোমান নমি বলেছেন: :)

৪১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:৩৪

ভষ্ম মানব বলেছেন: কন্ট্রাকে কবিতা লেখার থিমটা আগে কোথায় যেন পড়েছি--গল্প বা উপন্যাসে ঠিক মনে আসছে না।

সবাই টুইস্ট টা চুপসানো বললেও আমার কাছে মচমচেই লাগছে।

লাইন গুলো অনেক কাব্যিক।সুপাঠ্য তো রটেই।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:০৭

নোমান নমি বলেছেন: পড়তে পারেন, বিষয়টা আনকমন না।
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৪২| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:৪৮

প্রোফেসর শঙ্কু বলেছেন: পড়ে আনন্দ পেলাম।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:১৩

নোমান নমি বলেছেন: ধন্যবাদ :)

৪৩| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:৫২

একজন ঘূণপোকা বলেছেন: :( :( :( :(




হায় জীবন, জীবন দেখলে কিন্তু আনন্দ দেখলে না।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ৩:২৬

নোমান নমি বলেছেন: :(

৪৪| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:৫৯

লাবণ্য ২ বলেছেন: চমৎকার গল্প।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.