| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল। [ নাম নিতে মানা ]
দলগুলো নাকি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
তারা নাকি গণতন্ত্রের রক্ষক।
দুইটি দলের পাচাটা তোষামোদকারীরা উভয় দলের চেয়ারম্যানকে গণতান্ত্রিক নানান ধরনের উপাধি দিতে দিতে বাংলা অভিধানকে একেবারে খালি করে ফেলছে।
কিন্তু আপনি যদি খোলা চোখে তাকান তাহলে দেখবেন এগুলো সব ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছু না।
অনেক ত্যাগ তিতিক্ষা আর সংগ্রামের স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের দেশে গুষ্টিতন্ত্র নামক গণতন্ত্র চলে আসছে।
যারা গুষ্টিতন্ত্রের সমার্থক শব্দ জানেন না তাদের বলছি,
গুষ্টিতন্ত্র মানে পরিবারতন্ত্র।
আমাদের দেশের রাজনীতি এখন দুটি পরিবারের কাছেই জিম্মি,
এক পরিবারের শাসনামল শেষ হলে অন্য পরিবার আমাদের শাসন করে,
এক নেত্রী নিজের বাবার সুনামের উপর ভর দিয়ে রাজনীতির ময়দানে টিকে আছেন। মহতী সেই নেত্রীর একমাত্র পুত্র দেশের পরবর্তী দেশনেতা হিসেবে নিজের দৌড়ঝাঁপ অলরেডি শুরু করে দিছেন।
আরেক নেত্রী নিজের স্বামীকে অবলম্বন করে রাজনীতির ময়দানে টিকে আছেন। তাহার আদরের বড় ছেলে দেশের পরবর্তী কেন্দ্রীয় জননেতা হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন , তার নামে জ্বালাময়ী শ্লোগান দিয়ে রাজপথ গরম করছেন দলের কিছু গৃহপালিত চাটুকার।
চোখের সামনে গুষ্টিতান্ত্রিক এত অনিয়ম থাকার পরেও আমাদের নেত্রীদ্বয় গণতন্ত্রের জন্য চিল্লাইয়া গলা ব্যাথা করে ফেলেন।
এইসব দেখে আমরা সাধারন জনগন হাততালি দেই আর পরবর্তীতে
কোন গুষ্টিরে ভোট দিলে দুর্নীতি একটু কম হইব সেই চিন্তা করি।
যেখানে গুষ্টিতান্ত্রিক রাজনীতি চলে,
সেখানে গণতন্ত্র শব্দটা নিছক কৌতুক ছাড়া আর কিছুই নয়।
©somewhere in net ltd.