| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আলমগীর সরকার লিটন
সামহোয়্যারইন শুরু থেকে লেখালেখি করছিলাম হঠাৎ আইডি বন্ধ হয়ে যায় তারপর আবার নতুন করে আইডি খুলে লেখালেখি শুরু করলাম সবার প্রতি কৃষ্ণচূড়া শুভেচ্ছা রইল
এ আষাঢ়ের চোখ কেমন জানি-
চৈত্রের হাওয়ায় কদম নয় যেনো
আগুন- আগুন- তবু ভেজে যাচ্ছে-
শান্তি চুক্তির গন্ধ বাতাস-বাতাসে;
আনন্দময় আষাঢ়ে কাম ভাবনায়
শুধু মাটির বুক গড়ে- গড়ে আসে
জলকাঁদার শ্রেষ্ঠ হাসি অথচ বসন্ত
কান্না...
ওরা স্বর্গ দেখে, মৃত্যুর পরে
নিঃশ্বাসের চোখ- হেঁটে যাচ্ছে-
মধুময় নরকের পেটের মধ্যে;
হু দুধ কলা দিয়ে পালছি শুধু
স্বর্গে বসানো,আড্ডার জুড়া মন!
সন্ধ্যায় আলোক ঝলমলতে;
আর খানিকটা থাকি আনন্দে-
নরকের চুমিটি খসা গভীর জলে
ঘরের...
ওরা জান্নাত দেখে না
পুড়তে পুড়েই তো ছাই-
কতখানি জান্নাত দেখো
ঘরের ভিতর আছি কি?
নাকি মাটিতে থাক ঘুম;
যতক্ষুণ আছো নিঃশ্বাস
ততক্ষুণ জান্নাত দেখো
পরিবারে কিংবা চারপাশ!
পরকাল কে দেখে শান্তিময়
এখানে রচনা করো স্বর্গময়;
১৫-৬-২৬
মৃত্যুর কান্না বর্ষার নীরবতা
আকাশ নীলে- মাটির কাঁদা;
শূন্যতা ভারি যে পৃর্ণিমা রাত
তবু মৃত্যু বুঝে না নিয়তির
নিঠুরতা, আবেগ সেতো বর্ষার
আগন্তুক নিদ্রাহীন জোড়া চোখ;
জ্ঞানের গড়ায় যে দেখি শুধু
একখানা মৃত্যুর কবর; অথচ
চিনি না...
কবিতাগুলো কবিতা হয়ে
ওঠতেছে না শুধু গা ভেজায়
ভোরের স্নান, দুপুরের রোদ
ক্লান্তি মন- পাঠ করতে চায়
কবিতার হাত পায়ের নিংড়ানো
রস, তবু কবিতার শান্ত উঠনে
সরিষার গন্ধ বাতাস উড়ে না-
তবে শীত কতটা অপেক্ষমান
শিমুলের...
জোড়া মঙ্গলের চোখ দুটো
যেদিকে ঘোরেই না দুর্গন্ধ
ধ্বংসের নেশা ধরাই শুধু;
কয়জনে বা দেখে মুচকি
হাসিটার অন্ধ ক্রন্দন মেঘ-
তবু মঙ্গল যেদিন দেখবে
কথা হবে গোল আলুর সাথে
এমনকি ঠোঁট জোড়া মুখে
মাটির আদরে জেগে ওঠবে
সজীবতা,...
স্বার্থের ঊর্ধ্বে পাখি গান গায়-
প্রণয়ের উঠনে কান বড় ভারি!
চোখের পর্দায় ঘুটঘুটে অন্ধকার-
নীবর মৃত্যুতে বলে না চমৎকার;
তবু এই হলো স্বার্থের বাড়ি ঝাড়
কোথায় যায় পাখি, ভেবে কি সখী?
প্রশ্ন শুধু হাওয়া হাওয়া শূন্য...
এভাবেই হোক নরপিশাচের বিচার;
জাগ্রত হোক সমস্ত ফাঁসির দড়ি!
রাস্তা ঘাট অলি গলি- সমাজের
নর্দমার পচা গন্ধ ধুয়ে মুছে যাক;
পবিত্র হয়ে ওঠুক আরও সম্প্রীতি-
শান্তিতে ভরে ওঠুক রামিসার মতো
আত্মার আর্তনাদ, আসুন জান্নাত দেখি
সমাজে,...
প্রেমের হাওয়ায় হাওয়ায়
দুলছে মন- উড়ে বসি কার
কুলে ওরে পাগলা প্রেম শুন-
প্রেমের হাওয়ায় দুলছে মন;
রঙিন চাওয়া- মাটির পাওয়া
কে শুনে পাগলার বাওয়া;...
আমার কাজ কর্ম দেখে
হাসছে বনোহাঁস কিংবা বক;
পানকৌড়ি তারপর শিয়াল পন্ডিত
ভবিষ্যৎ বাণী করছে- মানুষ হবে,
মানুষ নামের- মানুষ পশু;
হবে না মা বাবা ভাই বোন
বন্ধু স্বজন হচ্ছে সর্ম্পকহীন
তাই না...
মুনিব, কুকুরের গোয়াল ঘর একটাই-
মাটির উঠনে হেঁটে যায়, শব্দ আওয়াজ;
ভয় থাকে কর্ম কাজে কিছু না সরদার,
অহংকার টি চায়ে, ঠান্ডা হয়ে যায়
গলা শুকনো রঙিন কাপে- কাপে
তবু চোখে চোখ রাখে শয়তানির...
তুমি কেনো অসহায় হয়েছিলে
তোমাকে মেরে ফেলবে জানার
পরোও নিজেকে রক্ষা করনি-
কি এমন বিশ্বাসছিল তোমার?
প্রশ্ন আকাশে বাতাসে মাটিতে
ঘুঁটেকুড়ানির মতো উড়ছে ধুয়া
কত গল্প কান পেতে শুনলাম
৮১ সাল বেঁচে থাকলেই তুমি
কারো কাছে মাথানিচু...
©somewhere in net ltd.