| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আলমগীর সরকার লিটন
সামহোয়্যারইন শুরু থেকে লেখালেখি করছিলাম হঠাৎ আইডি বন্ধ হয়ে যায় তারপর আবার নতুন করে আইডি খুলে লেখালেখি শুরু করলাম সবার প্রতি কৃষ্ণচূড়া শুভেচ্ছা রইল
কি ভেবে সংসার সাজালাম
পাচ্ছি না স্বর্গ সুখের দাম!
কল্পনাতেই সাজায় হুরপরীর কাম
দমে দমে বলছি ও রে থাম
অত্যাচারীর মাত্রায় পাবিনা সাম;
রঙের দুনিয়ায় গলে যাচ্ছু
মুখরোচক পেয়ে পাম
জ্ঞান বিবেকের নাই লাজ লজ্জার মাম
কি করে...
কি লজ্জাহীন সাধুর মুখ-
১১হাজার কোটি টাকার হাসি
বাতাসের চোখে মুখে আজ!
ভেসে এসেছে মুখ চেহারা
এ বার গঙ্গায় বালুচর জেগেছে
সবাই দলকানার হাসিটাই হাসে;
তবে কি লজ্জাহীন সাধু বুঝেছে
মরেগেলে তো আর দোষ দেখবে না
মিথ্যায়...
শান্তির পায়রা আকাশ দেখে না
কবিতার চোখ আগুন থেকে বিস্ফোরক;
তবু পায়রা হতে চায়, কি অদ্ভুত?
তারপর সন্ত্রাসী হুমকী পাঠকরে যায় কবিতা
তাহলে শান্তি কোথায় আকাশে নয় মাটিতে
অথচ কবিতা পণ্য হতে দ্বিধাবোধ করে না...
আমি কবিতার ভবিষ্যৎ
চোখে দেখি না- কল্পনায়
শুধু প্রেমের উজ্জ্বল হাসি;
কি অদ্ভত জ্ঞানশূন্য দেহ
কি ভাবে মাটি হচ্ছে-
তারপরও চোখে দেখি না;
বর্তমান কবিতার মুর্খতর্ক
রাগটা হাসির ঠোঁটের ভাজেই রাখি!
তা না হলে কবিতা রক্তাক্ত হবে;...
কবিতা তোমাকে দিল্লিকা লাডু বানাব
টক ঝাল কিসমিস মিশ্রন করবো সাথে
কাজুবাদাম রস লাগিয়ে দিবো কোন
দিন যাতে ভুল করে বলতে পার না
যে মিষ্টি কম হয়েছে! কবিতা তুমি
অহমিকার চোখে দলকানা দেখো;
নিজের ভুল বুঝতে...
বিশ্বাসগুলো হাবুডুবু খাচ্ছে
ভাগ্যের কম দোষটার হাত
ঝাঁকনি কম নেই তো- তাহলে
বিশ্বাসগুলো মরে যাচ্ছে এই;
মাটির আনন্দটা শুধু ফুল গন্ধ
নাকের সুসংবাদ যে দৌড়াচ্ছে
রাতের ঘুমটা যেনো স্বপ্নবিরল কষ্ট
ভোরের শিশির গড়ে না আর শক্ত;
তবু নিশ্বাসে...
যুগোপযোগি সময়ের চোখে
স্বপ্নটা দেখা খারাপ না-
আমি ছায়া দেখি পাগল সব
তবু রাতটা যে নষ্ট না!
পূর্ণিমায় যুগল বন্দি
কে না থাকতে চায়
সবিই পাগল পাগল খেলায়
তবু জানি রাত ফুরায় না
আনন্দটা আজ অন্যরকম
হাতের...
বিশ্বখাতায় নাম লিখিলাম পাগল
কবিতারা হেসেই মাঠে হয়ে যায় ছাগল;
ঘাস খাওয়া আনন্দটা অন্যরকম
তবু পাগল বলে কথা, পূর্ণিমায় যুগল;
আজ কাল হাঁটবাজারে হিংসাটা
কম মূ্ল্যেই বিক্রয় হচ্ছে! যোগোপযোগি
সময়টা পাগল ছাড়া চলেই না
লেখার খাতার দামটাও...
কিছু ভাবতেই, মাঝে মধ্যে জ্ঞান হারায়
মানুষ এত নিঠুর হয় কেমনে, বুঝে না
বত্রিশ দাঁতের অভিনয় চমৎকার মনমুখোশ;
লোভ লালসার ছবিটা দেখে না কেউ
বুঝার আগেই স্বার্থপরটা ঘাড়ে চরে-
মানুষের জীবন বড়ই বৈচিত্রের গন্ধ;
বাতাস তো...
শূন্য আকাশ নীলে ভয়
মনটা যে চলে না সংশয়
কি করে নিবো সান্ত্বনা
মাটি ছুঁয়ে যায় বেদনা;
ও মেঘতন্নী তুমি রাখ না
সাদা মেঘের আদলে
ভুলে নিয়েছ সুখ তারা...
হিসাবের খাতাটা অনেকখানি দায়বদ্ধতা
ঘরবাতি ঘুনে ইউপোকার বসবাস
তবু ঘুমের ঘোরে স্বপ্ন পিপাসুর দোকান
তারিখটা ভুল করে লেখা হয়নি খাতায়
অথচ হিসাবটা টানটান ভাবমুখচোর!
সন্ধ্যায় হলো কি না মধ্যরাত সুখ চামুচ
চাঁদের দোকান বড়ই আগলা হাসির...
ভাসতে ভাসতে অচিনপুর
সুখের ডাকে ডাকি
আমি আমার নদীর জলে ভাসি
খুজতে গেলে খুজে পায় না কেউ
সুখ তো মরা গঙ্গার ঢেউ
সুখের ডাকে ডাকি।
নদীর নামটা রে যমুনা
কেউ বলে রাক্ষসী কেউ...
এই কবিতাকে ভুলে যাওয়ার
সবচেয়ে উত্তম কাজের মধ্যে
নিঃশ্বাস ফেলার কিছু জায়গা পাব;
স্বার্থপর কবিতা কোনদিন আমাকে
স্মরণ করবে না- কি দরকার
এতো বর্ণ মালার প্রেম লেখে,
তার চেয়ে আমি দুবলা ঘাস হই...
কবিতার ভাবনা ভীষণ রাগ করেছে
ঠোঁটের বুলি বুলি ভাষাগুলো আগুন
হাত স্পর্শ করায় যায় না, না-
যেনো পুড়ে ছাই- ধোয়া উড়া মেঘ
রঙধনু বেদনাগুলোর হাতছানি বৃষ্টি
কে তাকায় বলো সব গড়ে গড়ে
সমতল মাটির ঢেউ...
ভালোবাসা হলো জল শব্দ
স্বার্থপরে ফুটে রহস্য পদ্ম!
ধরাও যায় না- ছুঁয়াও যায় না-
অনুভবে চলে তার ভাবনা
অদৃশ্য এক মন কায়া
মান অভিমান- রাগ অনুরাগ
এই রোদ- এই মেঘ ঝড়...
©somewhere in net ltd.