| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আলমগীর সরকার লিটন
সামহোয়্যারইন শুরু থেকে লেখালেখি করছিলাম হঠাৎ আইডি বন্ধ হয়ে যায় তারপর আবার নতুন করে আইডি খুলে লেখালেখি শুরু করলাম সবার প্রতি কৃষ্ণচূড়া শুভেচ্ছা রইল
গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির...
মাটিগুলোর দেহে রক্ত ঝরা
বন্ধ করবে কোন পথে- পথে
আইল নাই- পাথারে পাথারে
আবার করতে চায়- রক্ত চাষ;
বিবেকটাই পশু মহি আকাশ;
হিংসার আর লজ্জাহীন জ্ঞান
অন্যায় বুঝে না হিংসায় করে
বসবাস, তবু তারা ভাবে...
১
বট ছায়া কিংবা
ঘর ছাউনির মতো দাঁড়িয়ে থাকে
একমাত্র দায়িত্ববোধ মানুষটি
কখন হয়ে ওঠে
বাবা নামের মহৎ ব্যক্তি;
দেহের রক্ত ঝরিয়ে
টিকিয়ে রাখে সংসার ধর্ম
রাগ অভিমান সেতো ভালোবাসা
পাহাড় শস্য শ্যামল মাঠ;
তোমার মতো হওয়া...
সরিষা ফুলের আকাশে
কালো মেঘ জমাই যে
আষাঢ়ের গুপ্ত হাসি;
মাটির রাস্তা ঘর দেখছি-
মানুষ হওয়ার চিৎকার অথচ
মানুষ হতে পারলাম না আর
আবর্জনা ধূলি বালির অত্যাচার!
তবু স্বপ্নের হাঁটে দেখে কেউ
আমি মানুষ হয়ে...
এ আষাঢ়ের চোখ কেমন জানি-
চৈত্রের হাওয়ায় কদম নয় যেনো
আগুন- আগুন- তবু ভেজে যাচ্ছে-
শান্তি চুক্তির গন্ধ বাতাস-বাতাসে;
আনন্দময় আষাঢ়ে কাম ভাবনায়
শুধু মাটির বুক গড়ে- গড়ে আসে
জলকাঁদার শ্রেষ্ঠ হাসি অথচ বসন্ত
কান্না...
ওরা স্বর্গ দেখে, মৃত্যুর পরে
নিঃশ্বাসের চোখ- হেঁটে যাচ্ছে-
মধুময় নরকের পেটের মধ্যে;
হু দুধ কলা দিয়ে পালছি শুধু
স্বর্গে বসানো,আড্ডার জুড়া মন!
সন্ধ্যায় আলোক ঝলমলতে;
আর খানিকটা থাকি আনন্দে-
নরকের চুমিটি খসা গভীর জলে
ঘরের...
ওরা জান্নাত দেখে না
পুড়তে পুড়েই তো ছাই-
কতখানি জান্নাত দেখো
ঘরের ভিতর আছি কি?
নাকি মাটিতে থাক ঘুম;
যতক্ষুণ আছো নিঃশ্বাস
ততক্ষুণ জান্নাত দেখো
পরিবারে কিংবা চারপাশ!
পরকাল কে দেখে শান্তিময়
এখানে রচনা করো স্বর্গময়;
১৫-৬-২৬
মৃত্যুর কান্না বর্ষার নীরবতা
আকাশ নীলে- মাটির কাঁদা;
শূন্যতা ভারি যে পৃর্ণিমা রাত
তবু মৃত্যু বুঝে না নিয়তির
নিঠুরতা, আবেগ সেতো বর্ষার
আগন্তুক নিদ্রাহীন জোড়া চোখ;
জ্ঞানের গড়ায় যে দেখি শুধু
একখানা মৃত্যুর কবর; অথচ
চিনি না...
কবিতাগুলো কবিতা হয়ে
ওঠতেছে না শুধু গা ভেজায়
ভোরের স্নান, দুপুরের রোদ
ক্লান্তি মন- পাঠ করতে চায়
কবিতার হাত পায়ের নিংড়ানো
রস, তবু কবিতার শান্ত উঠনে
সরিষার গন্ধ বাতাস উড়ে না-
তবে শীত কতটা অপেক্ষমান
শিমুলের...
জোড়া মঙ্গলের চোখ দুটো
যেদিকে ঘোরেই না দুর্গন্ধ
ধ্বংসের নেশা ধরাই শুধু;
কয়জনে বা দেখে মুচকি
হাসিটার অন্ধ ক্রন্দন মেঘ-
তবু মঙ্গল যেদিন দেখবে
কথা হবে গোল আলুর সাথে
এমনকি ঠোঁট জোড়া মুখে
মাটির আদরে জেগে ওঠবে
সজীবতা,...
স্বার্থের ঊর্ধ্বে পাখি গান গায়-
প্রণয়ের উঠনে কান বড় ভারি!
চোখের পর্দায় ঘুটঘুটে অন্ধকার-
নীবর মৃত্যুতে বলে না চমৎকার;
তবু এই হলো স্বার্থের বাড়ি ঝাড়
কোথায় যায় পাখি, ভেবে কি সখী?
প্রশ্ন শুধু হাওয়া হাওয়া শূন্য...
এভাবেই হোক নরপিশাচের বিচার;
জাগ্রত হোক সমস্ত ফাঁসির দড়ি!
রাস্তা ঘাট অলি গলি- সমাজের
নর্দমার পচা গন্ধ ধুয়ে মুছে যাক;
পবিত্র হয়ে ওঠুক আরও সম্প্রীতি-
শান্তিতে ভরে ওঠুক রামিসার মতো
আত্মার আর্তনাদ, আসুন জান্নাত দেখি
সমাজে,...
প্রেমের হাওয়ায় হাওয়ায়
দুলছে মন- উড়ে বসি কার
কুলে ওরে পাগলা প্রেম শুন-
প্রেমের হাওয়ায় দুলছে মন;
রঙিন চাওয়া- মাটির পাওয়া
কে শুনে পাগলার বাওয়া;...
©somewhere in net ltd.