| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আলমগীর সরকার লিটন
সামহোয়্যারইন শুরু থেকে লেখালেখি করছিলাম হঠাৎ আইডি বন্ধ হয়ে যায় তারপর আবার নতুন করে আইডি খুলে লেখালেখি শুরু করলাম সবার প্রতি কৃষ্ণচূড়া শুভেচ্ছা রইল
রঙের মধ্যে গুপ্ত ঘুম
জেগে ওঠে শয়তান সুম;
ভাল মন্দ যে খুলা রুম
চায় শুধু সুখের জুম-
এভাবেই আকাশ চুম;
গুপ্ত মাটির গিরগটি টুম
স্বপ্ন সাগর দেখায় ঘুম-
কি আছে জীবনে ডুম
ওদের কাছে গুপ্তই মুম
স্বর্গই পাবে রে...
ঢাকা শহরে ত ঝড়ই পাচ্ছি না
শুধু গরমে সিদ্ধ আন্ডা হচ্ছি-
কালবৈশাখী আর পায় কই!
ঐ বজ্রপাতের আর হুস নাই-
কেড়ে নেয় তাজা প্রাণের স্বপ্ন;
ওরা কেছাল গ্যাঞ্জামে করে যে
ফুসফাস-ওরাই কালবৈশাখী গুপ্ত-
কখন মারে দেয়...
এক মুঠো ভাল মন্দ চোখের ভীতর
দিয়ে ছুঁয়ে যায় সূর্য চাঁদের অথৈ সময়;
অথচ ক্ষমা শুধু অনুভূতির অদৃশ্যময়
একটা মায়া কিংবা হিংসার অথৈ জল;
খুঁজে পাওয়া ভীষণ কষ্টদ্বায়- তবু ক্ষমা
জামগাছের পাতা কিংবা কাঁঠাল...
ঘরের ছোল নাকি ঘরত আছছে
পুটি, বওল, টেংরা মাছ কুটিরে?
পাতিলত ভরে পুরপুরি ছালুনের
বাসনা যেনো আকাশত উরে-
কি সখ ছোলপল নিয়ে হামি এনা
যমুনাত যামু গাওধুমি, সাতরামু;
কে বারে শুন শুন হামাগিরে...
ঐ বাঁশের মধ্যে অনাধিকার চর্চার
একটা মাটির গন্ধ বাতাস উড়ে উড়ে!
চাঁদ তার স্বার্থের টানে ঝলক মারে-
পূর্ণিমা রাতে কিংবা সন্ধ্যার গ্লাসে চুম্বন;
তবু অনাধিকার চর্চা বেশ ফুরফুরা
সোনালি মাঠে বাঁশপাতালি মাছের
চঞ্চলনার মিষ্টি স্বাদ, লক্ষ্যকরা...
চোখ হাজার দিনের কথা বলে
যেখানে সোনার খনি লুকিয়ে আছে;
পূর্ণিমা রাতে যে ঝলঝল করে!
রোজ কথাহয় কষ্ট বড় সন্নিবেশ-
তবু চোখজুড়া প্রণয়ে ওড়া সিক্ত;
অপরিচিত চিনামুখ নিয়ে যায় বহুদূরে
সাতসমুদ্র কিংবা মলয়সাগর- তবু
সোনা হার...
বৈশাখ রাঙিয়ে দিয়ে গেলো
নতুনকিছুর ছোঁয়া ! যেখানে
হাসি কান্নার চাঁদ চিমটি দিবে-
চৈত্রের শেষে আবার অপেক্ষা
পূর্ণিমার রাত জুড়ে যে কল্পনা;
কষ্টরা ক্লান্তি করে না পোড়া রোদ
তবু বৈশাখ বলে কথা, বাঙ্গালির
গন্ধ বার...
সময়ের গতী ভীষণ খারাপ
শব্দ স্বৈরাচারের গন্ধ বাতাস
কোন দিকে যাবে- আকাশ?
সূর্য চাঁদ মেঘমালা বড় ক্লান্তি-
নদীতে রক্ত কি শব্দ মিথ্যাচার
ভেসে যাচ্ছে নব্য শব্দ স্বৈরাচার-
ভারি হচ্ছে এ মাটির রঙ সুবাস
যাদের দেশপ্রেমের শব্দ নেই...
সাদা আকাশ- ধূসর মাটি
হলুদ রঙে আবার এলো ফিরে
বৈশাখ বৈশাখ বাংলাদেশ খাটি
বৈশাখে রঙিন মন উড়াই ঘুড়ি
সাদা মেঘে নয় তো আড়ি!
বাড়ি আমার নয় তো ছাড়ি;
বৈশাখ এলো বৈশাখি খাটি-
ধানের গন্ধ নবান্ন...
সাদা রাগের গোড়ায় থাকে
অছায়া হিংসার যে বালুচর;
জল তরঙ্ক অথৈ হয়ে যায়
দেহ নাশের চিমটি খবর;
তবু সন্দেহ মনটা দুরু দুরু
ভীষণ ক্লান্তি, চাঁদের নেই
ভুল ভান্তি- রাগটা থেমেই
গেছে- ঘুমিয়ে আদর মাটি;
কেউ আর নিবে...
সাদা চোখ রঙিন মনের পার্থক্যটা মৌমাছি;
হুল ফুটালেই বুঝা যায়- ব্যথাটা কোথায়?
তবু মৌমাছি চোখদিয়ে দেখে মনে শুধু মধু
বাহন করে, প্রচালিত ইবাদাতের বিছানায়;
মাটির পোকামাকড় অপেক্ষা করে থাকে
কখন এক ফোঁটা মধু বৃষ্টির...
মানুষ মরে গেলে বাড়ায় মায়া
বেঁচে থাকলে, মানুষে ভাজে
হিংসার খই; উপরে ওঠতে
লাগাই যে মই- এই না হলো
মানুষে মানুষের পরিচয়;
মৃত্যু হলো নিয়তির নিয়ম
হিংসা হলো নিয়তির বারন-
কোনটা সাজায় নিত্যদিনে
মানুষে মনের ধারন-মায়ার
পিছে...
এই সংগ্রামের রক্ত বাজ
তবু এভাবেই চলতে থাক !
শান্তি নামের ঘুমের খাট
এভাবেই শুধু চলতে থাক;
রক্তচক্ষু দুয়ে মিরল বাঁধ
ভাঙ্গবে কারা- তারাই যে
পড়ে রাতের ধারাপাত;
পড়বে ইতি- শুনবে কথা
চোরচাপটা ঝিঝি পোকা-
এভাবেই দিচ্ছে যে...
©somewhere in net ltd.