| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আলমগীর সরকার লিটন
সামহোয়্যারইন শুরু থেকে লেখালেখি করছিলাম হঠাৎ আইডি বন্ধ হয়ে যায় তারপর আবার নতুন করে আইডি খুলে লেখালেখি শুরু করলাম সবার প্রতি কৃষ্ণচূড়া শুভেচ্ছা রইল
আমার সলক জ্বালানো জানালায়
সন্ধ্যা তারার জনশূন্য মিছিল
মিছিলের কোন স্লোগানের শব্দ নেই
শুধু পেত্নী মুখের হি হি মুচকি হাসি-
ভোর হতেই না হতেই অবরোধ প্রতিরোদ
দেওয়ালে কেনো লেখেছে বর্ণমালার যোগ...
স্বাদের কালো স্বাদের ফর্সা
এভাবে চাইতে চাইতে জীবন
সম্পর্কটা উল্টে গেলে হয় রে মরণ
হায় রে স্বাদের জীবন, জীবন
এমনি সময়ে বুক পেতে হাঁটছি
ক্ষীণ লোভ- ক্ষীণ কষ্ট- নিচ্ছি
তবুও কেনো সুদৃষ্টির হও দূরত্ব
মনি সময়ে বুক...
আমার মন ইটভাটার অনল
পয়দা হচ্ছে পিরিতির ইট
সেই ইটের ছুঁয়াই গড়ি প্রাসাদ।
আমি কোন প্রাসাদের ইটের খই
প্রশ্নের গা ধরেছে উইপোকা-
খাইচ্ছে টুকরো টুকরো করে
উত্তরটা তাই- মরিচিকা হায়-
দুঃখ কষ্টের জানতে নেই নিনাদ;
কাদা...
নীল দিগন্তের মাঠ ছুঁয়ে
রাত যায় ভোরের প্রেমে,
প্রেমে আমি স্বপ্ন দেখি স্বপ্ন সাজাই
আল পাথার মুড়িয়ে মুড়িয়ে।
জল পদ্মপাতার প্রেম আছে লুকিয়ে
জোনাকির ঘুম ভাঙ্গাই প্রেম খুঁজিয়ে।
চক্ষু আমার আলের ধার
মৃদুল জল যায় গড়িয়ে...
দুনিয়া দারি আমার
এই কালো এই ফর্সা
ঝড় তুফান রোদ বৃষ্টি
দুনিয়া দারি স্বপ্ন আড়ি
এই প্রেম এই বেদনা
শূন্যতে ভাসায় নীলিমা;
খুজ প্রেম খোলা বাতাস
খেলছ সই টিকার তাস
ভাগ্য নাকি বিধির লিখন
দেহ সুখের তিনহাত বাঁশ;
আঁধার...
কিছু কিছু জায়গায় তুমি বন্ধু
পাখির মতো হইলে না
পিরিতির নজর বন্ধু ভাল না
মন ময়না পাখিত এতো কিছু ভাবে না
পবিত্র জায়গায় তুমি
অপবিত্র হিংস্র পশুর মতো হইলা
তোমার ভীতর শুদ্ধ প্রেম থাকল...
মা গো.. মা... মা-
১০৯৫দিন গত হলো
তোমাকে মা ডাকতে পারি না
তুমিও বাবা বলে ডাকও না
আকাশ ভেঙ্গে পরছে-
মাটির চোখে জলকাদা
খুঁজছি পথে পথে হচ্ছি দিশেহারা
তুমি মা আমার জান্নাত-
যেখানে থাকো মা দোয়া...
দাঁত পড়েছে, বয়স বেড়েছে
জ্ঞান বৃদ্ধি হচ্ছে বড় যেনো
ফোকলা দাঁতের হাসির সমান;
চিন্তায় অস্থির-বিশ্বাস মলিন
নতুন দাঁত নতুন দাঁত গজাবে ত
কত প্রশ্ন দাঁতটি কোথায় রাখব;
এই শহরে নেই, ইঁদুরের গর্ত
কোথায় রাখবে পড়া দাঁত!...
তোমার ফসলী মাঠের ফসল.
কেন উইপোকায় খাওয়াচ্ছ
কিছুদিন পর করবেটা কি
পাগল পাগল হবেই. শুনি!
পড়ালেখা করে একদিন বড় হবে
এটাই তো স্বপ্ন দেখি ওগো সোনাধন
তোমার সুনাম ভরে যাবে পাড়ায় পাড়ায়
গর্বে ভরে ওঠবে বাবা মায়ের...
আমি ভাবতে পারি না মধ্য রাতের চাঁদ
আমি ভাবতে পারি না স্নিগ্ধ ভোরের স্নান
মধ্য দুপুরের সূর্য তাপ, সন্ধ্যার ক্লান্তি মুখ!
আমাকে ডেকে নিয়ে যায় ঘাসফড়িং কিংবা
জোনাকির ঘরপোড়া দল- শান্তির সংগ্রামে
দাঁড়িয়ে...
আমি দেখেছি কৃষ্ণচূড়ার রঙ
দেখেছি বড়ই পাড়ার উষ্ণ গন্ধ
আমি দেখিনি. দেখিনি শুধু .
গোলাপের চঞ্চলতার দৌড়।
প্রণয় আমার ভেসে গেছে-
শুধু বর্ষায় কদমফুলের মোহ;
বকুল তো ফুটেইনি আজও
সবুজ পাতার ডালে ডালে,
শুধু একটা মালা গাঁথার ছলে;
হায়-...
একটা দেওয়াল গাঁথ.. দেওয়াল
কুৎসিত ভাবনার পাথারে
দৃষ্টি ভঙ্গির অন্তরে অন্তরে
একটা দেওয়াল গাঁথ.. দেওয়াল।
ও কুৎসিত তোমার, বোধ শক্তি শূন্য
দৃষ্টি ভঙ্গি কতটা রেখেছ অন্ধ
হাজার প্রশ্নের মুখোমুখি কেমনে তুমি
এভাবেই পার কুৎসিত...
তোমার হাতে কাঁঠাল কাঁঠাল গন্ধ
নেই আর বরই. বরই পাড়ার ছন্দ-
তোমার হাতে কাঁঠাল কাঁঠাল গন্ধ
মন্দটা ভেসেওঠে আষাঢ়ের গল্প!
সুখটা ফলরাজ্যের ঘুমপাড়ানির পালঙ্ক
তোমার হাতে কাঁঠাল কাঁঠাল গন্ধ।
আমটা চুরি জমা গাছের...
মাটির গা ছিল রে ফর্সা বাউর
বুঝেনি মাটি ভাঙ্গে খেউর;
পছন্দ নদের পিরিতি মাটির
মাটির কি বুঝে তা ছিল ফর্সা
দৃষ্টির অদূরে ভেবে নিতো;
পিরিতি অহমিকার অলন
পুড়েছিলাম দাবানলের মতো
হইলাম কেমন কালোর দোসুর;
কালো ফর্সা...
তুমি আউয়াল বাওয়াল
দলকানা এক উম্মাদ;
তুমি কাকে বলছো সন্ত্রাস!
যদি সন্ত্রাস বুঝ- তাহলে
তুমি মস্তবড় সন্ত্রাস!
তুমি রক্ত দেখলে না
লাশ দেখলে না আর
লক্ষকোটি জনস্রোত-
ক্ষমতায় দেখলে সুদ্ধ
খুনির হাতে রক্তাক্ত-
বুঝলে না বুঝলে না।
তুমি আউয়াল বাওয়াল
দলকানা...
©somewhere in net ltd.