| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আলমগীর সরকার লিটন
সামহোয়্যারইন শুরু থেকে লেখালেখি করছিলাম হঠাৎ আইডি বন্ধ হয়ে যায় তারপর আবার নতুন করে আইডি খুলে লেখালেখি শুরু করলাম সবার প্রতি কৃষ্ণচূড়া শুভেচ্ছা রইল
হিংসার রূপটা জল গরম করার মতো;
অথচ ভেবে ওঠে না বাতাসের মতো-
তবু মাটির গন্ধে ফসলের বিরল চাষ
চাষীরা হয়ে ওঠে হিংসার বাতিঘর?
শীতল করা মাঠে দেখে না, সরল মন
তবু মৃত্যু তুমি কি? মৃত্যু...
ফুলের গন্ধে চাঁদ হাসে
সূর্যটাও গুরু গম্ভীর অগ্নি;
তাই বলে বাগান অভিমান
এতো রাগ, কলি কলি তুমি
জেগে ওঠ মৃদুল বাতাসে-
আমি যে জল কাদা মাটি;
নিঃশ্বাসে তোমারী সুবাস-
বিশ্বাসে সকাল সন্ধ্যা রাত!
ফুটে ওঠ ফুল- অপেক্ষাই
মেঘ বৃষ্টি...
চমৎকার রম্য নাটকে কাব্যিক
সমাধানটাই নাই যে কার্তিক;
স্বার্থটাই যেন বানর বাজিক নাচ-
দেশপ্রেমটাই গলায় দড়ি, কি আছে বাঁচ;
রম্যটাই যে রঙিন জীবন চাদর-
ক্ষমতায় থাকে ভাই আকাশ কদর;
স্বপ্ন সাগর জলে আছে থৈ থৈ
ঢেউ ভাঙ্গে...
কি এক আশ্চর্য ঘটনার রস তলে
হাসির ঠোঁটে বন্যার ঢেউ- নিঃশ্বাস
নিচ্ছে বেঁচে থাকার দলবদরের ইট;
যেখানে বাতাস শুধু বয়ে আনুক
মনের খুশি; গাছের ঝরা পাতা চেয়ে
দেখে- সে বেঁচে আছে- ঘুমন্ত খাট;
রাত...
ঘুর্ণিঝড় বজ্রপাত ধ্বংসের রক্ত দেখছি
সময় যাচ্ছে, বছর আসছে বর্ণমালার
নতুন গন্ধ- চারপাশটা মৌ মৌ করছে;
তবু আমার মুখশূন্য ডাক ভারি হচ্ছে!
কতদিন মা বলে ডাকতে পারি না- কষ্ট;
হতাশায় চোখ ভেজে যাচ্ছে রাতের...
খানিক সময়ের জন্যে হলোও
জীবনের অডিট করতে হয়-
দেখবে অনেক ভুলের পৃষ্ঠা
যেখানে আর সংশোধন করার
সময় নেই- সন্ধ্যা, দুপুর- রাত
আমি অডিট করতে- করতে-
কখনো ক্লান্ত হই না, কারণ
সব স্মৃতিতে মৌচাক মনে হয়!
বর্তমানে অবুঝদের...
শৈশব কৈশর কেমন জানি গরল
এক মায়া মায়া জাগে অশ্রুসজল
মেঘ না আসতেই শুধু বৃষ্টি কমল
বয়স কি আর বুঝে ওঠে রে সরল-
তবুও নিঠুর নিয়তি সান্ত্বনায় খরল;
জন্মের স্বাদ বাতাসে ভাসে মোড়ল!
এখন আর আদর্শের...
চোখ দুটো ঘুর্ণিঝড়ে ঘুর ঘুর
কিছু দৃশ্য বলয় কষ্টি হচ্ছে;
বুকের তাজা রক্ত গুলো
বালুচর একখামচি মরুময়!
তবু চোখের দুপুর কিছু
যায় আসে না সন্ধ্যার বাতি
আলোক সজ্জায় যে মুখ-
পা ও দুটি হেঁটে যাচ্ছে ঘুড়ি
উড়ার...
শ্রম এনে দেয় সুসম্পর্কের প্রাণ
রক্ত শরীরে এক মাতৃপ্রেম যা
ফুটে তুলে মানবতার মহা রূপ;
যেখানে চেয়ে থাকে আকাশ কিংবা
জাগ্রত রূপ লাবণ্যের খুনসুছি;
শ্রম মানেই আত্মার আত্মীয় হাসি
যেখানে সুখের পায়রা খেলা করে
সুদীর্ঘ পূর্ণিমা রাত...
অলি গলিতে নোংরা ঠোঁটের হাওয়া-
বাতাসের মন দূষিত হচ্ছে বিরূপ ঘন্টায়
রাস্তাগুলো কাঁদছে রক্ত কান্না; কিছুটা
বিরক্ত সর দুধে ভাসছে না-ধৈর্যের গরম
পানি তাক করে আছে বৃষ্টির অপেক্ষায়;
ঐ যে মেঘমালাও পরিস্কার ভাষা শিখছে
এটাই...
বাতাসের নিঃশ্বাস, পিঠ ঠেকে যাচেছ
শহরের ধূলি বালির নর্দমার কাছে;
কখন চিৎকার করে বলে ওঠবে-
দূষিত নিঃশ্বাস তোমরা সরে যাও
তোমরাই স্বার্থপুরের রাক্ষস রাক্ষসী;
সাবধান বাতাসের কোটি নিঃশ্বাসগুলো
লজেঞ্জুষ হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে-
খুব আদর করে...
রঙের মধ্যে গুপ্ত ঘুম
জেগে ওঠে শয়তান সুম;
ভাল মন্দ যে খুলা রুম
চায় শুধু সুখের জুম-
এভাবেই আকাশ চুম;
গুপ্ত মাটির গিরগটি টুম
স্বপ্ন সাগর দেখায় ঘুম-
কি আছে জীবনে ডুম
ওদের কাছে গুপ্তই মুম
স্বর্গই পাবে রে...
ঢাকা শহরে ত ঝড়ই পাচ্ছি না
শুধু গরমে সিদ্ধ আন্ডা হচ্ছি-
কালবৈশাখী আর পায় কই!
ঐ বজ্রপাতের আর হুস নাই-
কেড়ে নেয় তাজা প্রাণের স্বপ্ন;
ওরা কেছাল গ্যাঞ্জামে করে যে
ফুসফাস-ওরাই কালবৈশাখী গুপ্ত-
কখন মারে দেয়...
এক মুঠো ভাল মন্দ চোখের ভীতর
দিয়ে ছুঁয়ে যায় সূর্য চাঁদের অথৈ সময়;
অথচ ক্ষমা শুধু অনুভূতির অদৃশ্যময়
একটা মায়া কিংবা হিংসার অথৈ জল;
খুঁজে পাওয়া ভীষণ কষ্টদ্বায়- তবু ক্ষমা
জামগাছের পাতা কিংবা কাঁঠাল...
©somewhere in net ltd.