| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আলমগীর সরকার লিটন
সামহোয়্যারইন শুরু থেকে লেখালেখি করছিলাম হঠাৎ আইডি বন্ধ হয়ে যায় তারপর আবার নতুন করে আইডি খুলে লেখালেখি শুরু করলাম সবার প্রতি কৃষ্ণচূড়া শুভেচ্ছা রইল
আমি ভাবতে পারি না মধ্য রাতের চাঁদ
আমি ভাবতে পারি না স্নিগ্ধ ভোরের স্নান
মধ্য দুপুরের সূর্য তাপ, সন্ধ্যার ক্লান্তি মুখ!
আমাকে ডেকে নিয়ে যায় ঘাসফড়িং কিংবা
জোনাকির ঘরপোড়া দল- শান্তির সংগ্রামে
দাঁড়িয়ে...
আমি দেখেছি কৃষ্ণচূড়ার রঙ
দেখেছি বড়ই পাড়ার উষ্ণ গন্ধ
আমি দেখিনি. দেখিনি শুধু .
গোলাপের চঞ্চলতার দৌড়।
প্রণয় আমার ভেসে গেছে-
শুধু বর্ষায় কদমফুলের মোহ;
বকুল তো ফুটেইনি আজও
সবুজ পাতার ডালে ডালে,
শুধু একটা মালা গাঁথার ছলে;
হায়-...
একটা দেওয়াল গাঁথ.. দেওয়াল
কুৎসিত ভাবনার পাথারে
দৃষ্টি ভঙ্গির অন্তরে অন্তরে
একটা দেওয়াল গাঁথ.. দেওয়াল।
ও কুৎসিত তোমার, বোধ শক্তি শূন্য
দৃষ্টি ভঙ্গি কতটা রেখেছ অন্ধ
হাজার প্রশ্নের মুখোমুখি কেমনে তুমি
এভাবেই পার কুৎসিত...
তোমার হাতে কাঁঠাল কাঁঠাল গন্ধ
নেই আর বরই. বরই পাড়ার ছন্দ-
তোমার হাতে কাঁঠাল কাঁঠাল গন্ধ
মন্দটা ভেসেওঠে আষাঢ়ের গল্প!
সুখটা ফলরাজ্যের ঘুমপাড়ানির পালঙ্ক
তোমার হাতে কাঁঠাল কাঁঠাল গন্ধ।
আমটা চুরি জমা গাছের...
মাটির গা ছিল রে ফর্সা বাউর
বুঝেনি মাটি ভাঙ্গে খেউর;
পছন্দ নদের পিরিতি মাটির
মাটির কি বুঝে তা ছিল ফর্সা
দৃষ্টির অদূরে ভেবে নিতো;
পিরিতি অহমিকার অলন
পুড়েছিলাম দাবানলের মতো
হইলাম কেমন কালোর দোসুর;
কালো ফর্সা...
তুমি আউয়াল বাওয়াল
দলকানা এক উম্মাদ;
তুমি কাকে বলছো সন্ত্রাস!
যদি সন্ত্রাস বুঝ- তাহলে
তুমি মস্তবড় সন্ত্রাস!
তুমি রক্ত দেখলে না
লাশ দেখলে না আর
লক্ষকোটি জনস্রোত-
ক্ষমতায় দেখলে সুদ্ধ
খুনির হাতে রক্তাক্ত-
বুঝলে না বুঝলে না।
তুমি আউয়াল বাওয়াল
দলকানা...
গোল নিয়ে খুব রক্তপাতের সংশয়ছিল-
হু খানিকটা ভয় কাটিয়ে গেলো;
ঐ হলুদ পাখিটা উড়িয়ে যাতে-
সামান্য হিংসার গতর ছুঁয়ে হাসি ঠাট্টা
সকাল বিকাল সন্ধ্যার ঝড় উঠবে-
চায়ের দোকানে কিংবা রাস্তার মোড়ে;
হু খানিকটা ভয় কাটিয়েই...
অপরাধের কোণঠাসাই
নিলাম হয়ে গেছি কবর;
গিরিখাতেই রাত পোহাই-
সকালটাও ভোর হবে না
বেদনাসিক্ত সূর্যমুখি রোদ;
অভিনয়ে শিশুসুলভ কণ্ঠ
ভেসে আসে যে অপরাধি!
তৃণমূল মাটির ভাষা চোখ
তবু কবিতার শেষ নাই ছন্দ
বিজয় হবে না আঁধারের...
নিয়নের মেয়ে অমানুষ
দেখা যায় সমান কথার আইল
জলে জলে বয়ে আনে বালুচর;
পার্থক্যটা হয়ে না মাটির ঘর
পলিতে যদি থাকে দোসর-
নিয়নের মেয়ে অমানুষ
সাধারণ কিছু না শুধু গোয়াল
ঘরের স্বপ্ন- ভোর কে বুঝে সর;
জুলাই...
দক্ষিণা সাগরের কাছে
আমি নিলাম হয়ে গেছি;
স্রোত আমাকে ডাকে না-
গিরিখাতেই রাত পোহানো
স্বপ্ন ঘুমের মধ্যে পদ্ম ফুল
ফুটা দেখি- সকালটা ভারি
বেদনাসিক্ত সূর্যমুখি ঘামায়!
তবু দক্ষিণা সাগর আমাকে
শিশুসুলভ ভাষায় বলে ওঠে
অপরাধ নয় শুধু ফেরার গল্প;
৩০-৬-২৬
আমি হিংসার তরে
দৌড় দিচ্ছি-
সঙ্গে প্রিয় ঘৃণার বাউর
সুখ পাচ্ছি!
একলা থাকার আনন্দটা
এই বুঝেছি-
তাই দৌড়াচ্ছি- দৌড়াচ্ছি
শূন্যতে ফাঁকি;
হিংসা ঘৃণা আপন কেউ
সুখ কে চিনো
ঘরের ভীতর সবিই আছে
এই খুঁজচ্ছি-
বুঝলে কেউ দৌড় দিচ্ছি;
২৯-৬-২৬
উম্মুখ চোখে কি দেখো
উম্মাদ মনে কিছু ভাবো
তোমার স্বার্থপরা ছাড়ো
দেখো সোনালি অতীত
কিংবা সম্প্রীতির অভয়
মাঠ-বলো বিচার করবে
বিবেকের কাঠগড়া দাঁড়িয়ে
স্বপ্ন বুনাচ্ছো বেশ ভালই;
ভাল কাজের প্রতিপক্ষ করো
কিন্তু রক্তাক্ত লাশ আর নয়;
২৫-৬-২৬
চলো একটা দৌড় দেই
শুন হাঁটুটাও ভাঙ্গবে না
পিছলোও যে পরবে না
কোমরটাও ভাঙ্গবে না
চলো একটা দৌড় দেই;
দৌড় দেওয়ার আগে
কিছু মনে করতে হবে-
ধর পিলখানা হেফাজত
মুগ্ধ, সাইদ- ভয় পাচ্ছো
আরে না চলো- চলো- চলো
চলো একটা...
তোরা আর কিছু করিস না কেউ
শুধু এক বার মনে করে দাও-
ওরা তুলসীপাতা হতে চায়
বলো বলো অতীতে কি পাই?
হু মারিস না-আর মারিস না
ওরা তো বট শিশু- ফেরেস্তা
বিশ্বজিৎ কে দেখে না- না
আরও...
গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির...
©somewhere in net ltd.