| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আলমগীর সরকার লিটন
সামহোয়্যারইন শুরু থেকে লেখালেখি করছিলাম হঠাৎ আইডি বন্ধ হয়ে যায় তারপর আবার নতুন করে আইডি খুলে লেখালেখি শুরু করলাম সবার প্রতি কৃষ্ণচূড়া শুভেচ্ছা রইল
অপরাধের কোণঠাসাই
নিলাম হয়ে গেছি কবর;
গিরিখাতেই রাত পোহাই-
সকালটাও ভোর হবে না
বেদনাসিক্ত সূর্যমুখি রোদ;
অভিনয়ে শিশুসুলভ কণ্ঠ
ভেসে আসে যে অপরাধি!
তৃণমূল মাটির ভাষা চোখ
তবু কবিতার শেষ নাই ছন্দ
বিজয় হবে না আঁধারের...
নিয়নের মেয়ে অমানুষ
দেখা যায় সমান কথার আইল
জলে জলে বয়ে আনে বালুচর;
পার্থক্যটা হয়ে না মাটির ঘর
পলিতে যদি থাকে দোসর-
নিয়নের মেয়ে অমানুষ
সাধারণ কিছু না শুধু গোয়াল
ঘরের স্বপ্ন- ভোর কে বুঝে সর;
জুলাই...
দক্ষিণা সাগরের কাছে
আমি নিলাম হয়ে গেছি;
স্রোত আমাকে ডাকে না-
গিরিখাতেই রাত পোহানো
স্বপ্ন ঘুমের মধ্যে পদ্ম ফুল
ফুটা দেখি- সকালটা ভারি
বেদনাসিক্ত সূর্যমুখি ঘামায়!
তবু দক্ষিণা সাগর আমাকে
শিশুসুলভ ভাষায় বলে ওঠে
অপরাধ নয় শুধু ফেরার গল্প;
৩০-৬-২৬
আমি হিংসার তরে
দৌড় দিচ্ছি-
সঙ্গে প্রিয় ঘৃণার বাউর
সুখ পাচ্ছি!
একলা থাকার আনন্দটা
এই বুঝেছি-
তাই দৌড়াচ্ছি- দৌড়াচ্ছি
শূন্যতে ফাঁকি;
হিংসা ঘৃণা আপন কেউ
সুখ কে চিনো
ঘরের ভীতর সবিই আছে
এই খুঁজচ্ছি-
বুঝলে কেউ দৌড় দিচ্ছি;
২৯-৬-২৬
উম্মুখ চোখে কি দেখো
উম্মাদ মনে কিছু ভাবো
তোমার স্বার্থপরা ছাড়ো
দেখো সোনালি অতীত
কিংবা সম্প্রীতির অভয়
মাঠ-বলো বিচার করবে
বিবেকের কাঠগড়া দাঁড়িয়ে
স্বপ্ন বুনাচ্ছো বেশ ভালই;
ভাল কাজের প্রতিপক্ষ করো
কিন্তু রক্তাক্ত লাশ আর নয়;
২৫-৬-২৬
চলো একটা দৌড় দেই
শুন হাঁটুটাও ভাঙ্গবে না
পিছলোও যে পরবে না
কোমরটাও ভাঙ্গবে না
চলো একটা দৌড় দেই;
দৌড় দেওয়ার আগে
কিছু মনে করতে হবে-
ধর পিলখানা হেফাজত
মুগ্ধ, সাইদ- ভয় পাচ্ছো
আরে না চলো- চলো- চলো
চলো একটা...
তোরা আর কিছু করিস না কেউ
শুধু এক বার মনে করে দাও-
ওরা তুলসীপাতা হতে চায়
বলো বলো অতীতে কি পাই?
হু মারিস না-আর মারিস না
ওরা তো বট শিশু- ফেরেস্তা
বিশ্বজিৎ কে দেখে না- না
আরও...
গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির...
মাটিগুলোর দেহে রক্ত ঝরা
বন্ধ করবে কোন পথে- পথে
আইল নাই- পাথারে পাথারে
আবার করতে চায়- রক্ত চাষ;
বিবেকটাই পশু মহি আকাশ;
হিংসার আর লজ্জাহীন জ্ঞান
অন্যায় বুঝে না হিংসায় করে
বসবাস, তবু তারা ভাবে...
১
বট ছায়া কিংবা
ঘর ছাউনির মতো দাঁড়িয়ে থাকে
একমাত্র দায়িত্ববোধ মানুষটি
কখন হয়ে ওঠে
বাবা নামের মহৎ ব্যক্তি;
দেহের রক্ত ঝরিয়ে
টিকিয়ে রাখে সংসার ধর্ম
রাগ অভিমান সেতো ভালোবাসা
পাহাড় শস্য শ্যামল মাঠ;
তোমার মতো হওয়া...
সরিষা ফুলের আকাশে
কালো মেঘ জমাই যে
আষাঢ়ের গুপ্ত হাসি;
মাটির রাস্তা ঘর দেখছি-
মানুষ হওয়ার চিৎকার অথচ
মানুষ হতে পারলাম না আর
আবর্জনা ধূলি বালির অত্যাচার!
তবু স্বপ্নের হাঁটে দেখে কেউ
আমি মানুষ হয়ে...
এ আষাঢ়ের চোখ কেমন জানি-
চৈত্রের হাওয়ায় কদম নয় যেনো
আগুন- আগুন- তবু ভেজে যাচ্ছে-
শান্তি চুক্তির গন্ধ বাতাস-বাতাসে;
আনন্দময় আষাঢ়ে কাম ভাবনায়
শুধু মাটির বুক গড়ে- গড়ে আসে
জলকাঁদার শ্রেষ্ঠ হাসি অথচ বসন্ত
কান্না...
ওরা স্বর্গ দেখে, মৃত্যুর পরে
নিঃশ্বাসের চোখ- হেঁটে যাচ্ছে-
মধুময় নরকের পেটের মধ্যে;
হু দুধ কলা দিয়ে পালছি শুধু
স্বর্গে বসানো,আড্ডার জুড়া মন!
সন্ধ্যায় আলোক ঝলমলতে;
আর খানিকটা থাকি আনন্দে-
নরকের চুমিটি খসা গভীর জলে
ঘরের...
©somewhere in net ltd.