| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আলমগীর সরকার লিটন
সামহোয়্যারইন শুরু থেকে লেখালেখি করছিলাম হঠাৎ আইডি বন্ধ হয়ে যায় তারপর আবার নতুন করে আইডি খুলে লেখালেখি শুরু করলাম সবার প্রতি কৃষ্ণচূড়া শুভেচ্ছা রইল
রোদের সাথে লাশের পার্থক্যটা
যেনো অবেলা মাটির ছোঁয়া;
যেখানে মায়ার হুরপরীর পাহাড়
ঘেঁষে আছে এক ছায়া রোদ!
তবু অবেলায় রোদটা নিদারুণ
যেনো প্রণয়ের ময়ূরপঙ্খী ডানা
অথচ রোদ আমাকে পুড়েছে-
অবেলায় বিকেল হয়ে কিংবা
ভোরের উষ্ণ আর্তনাদের নীরবতা
কখনো অবেলা...
তুমি কবর দেখো
দেখো মৃত্যুর শোক
অনুভূতির রঙে তুমি
দেখো না নিজের জোক;
কবর পাশে হাঁটো- পাশে যাও
ঠোঁট ভেলকে কথা কও
তবু তোমার হুশ হলো না
বেহুশ হয়ে চাও আর অবেলায় সুখ।
তুমি কবর দেখো
দেখো মৃত্যুর শোক
দেখ...
নতুন ফুলের নতুন গন্ধ
সূর্য হাসে রাত জাগা চাঁদের স্বপ্ন
ভাবনার সুখ বেদনা ক্ষীণ
তবু দেখি না শান্তির নীড় ছন্দ।
শুধু বাগান সাজাই দৃষ্টির পলক
প্রেম খেলায় ছলৎ ছলৎ শব্দ-
অপেক্ষার ধূলি তাও ভাল নয় অন্ধ
এই...
রঙের খেলা খেলতে গিয়ে
সুখের কথা ভুলেই গেছি
যখন সুখের কথা মনে পড়ে
তখন দেখি- পৃথিবী আমার
দুই ভাগে বিভক্ত-বিভক্ত;
সূর্য রাত জুড়ে ভীষণ বেদনা
সাদা বক সাদা মেঘ দেখি না
জ্বলছে দাবানল- স্মৃতিরা তাই
জেগে থাকে...
আমার রক্ত মাংস এক হলো
খুঁজতে খুঁজতে প্রেম হলো
গোপন জানালার বাতাস ফাঁস হলো
তোমার নাক আয়নায় গন্ধ নিয়ো।
মাটির প্রেমে বন্দি শুধু
মাটির প্রেমে বন্দি আমি বলছি শুনো
পূর্ণিমা রাতে স্বপ্ন দেখো-
প্রণয়ের বদলা কষ্ট...
বৃষ্টির গায়ে কেনো অস্থির হয়, বুঝি না;
মেঘ তো কালো রঙের বাঁশের বাঁশি-
সুরে ভাসায় পুড়ে বজ্রপাতের দেহ সুখ
তবু বৃষ্টি ভেজা ভোর কিন্তু স্বপ্নদৌড়!
সূর্য আলোয় ভুলিয়ে যাই স্পর্শ স্মৃতি-
বৃষ্টি তুমি ভাঙ্গাটিনের চালে...
কি ভেবে সংসার সাজালাম
পাচ্ছি না স্বর্গ সুখের দাম!
কল্পনাতেই সাজায় হুরপরীর কাম
দমে দমে বলছি ও রে থাম
অত্যাচারীর মাত্রায় পাবিনা সাম;
রঙের দুনিয়ায় গলে যাচ্ছু
মুখরোচক পেয়ে পাম
জ্ঞান বিবেকের নাই লাজ লজ্জার মাম
কি করে...
কি লজ্জাহীন সাধুর মুখ-
১১হাজার কোটি টাকার হাসি
বাতাসের চোখে মুখে আজ!
ভেসে এসেছে মুখ চেহারা
এ বার গঙ্গায় বালুচর জেগেছে
সবাই দলকানার হাসিটাই হাসে;
তবে কি লজ্জাহীন সাধু বুঝেছে
মরেগেলে তো আর দোষ দেখবে না
মিথ্যায়...
শান্তির পায়রা আকাশ দেখে না
কবিতার চোখ আগুন থেকে বিস্ফোরক;
তবু পায়রা হতে চায়, কি অদ্ভুত?
তারপর সন্ত্রাসী হুমকী পাঠকরে যায় কবিতা
তাহলে শান্তি কোথায় আকাশে নয় মাটিতে
অথচ কবিতা পণ্য হতে দ্বিধাবোধ করে না...
আমি কবিতার ভবিষ্যৎ
চোখে দেখি না- কল্পনায়
শুধু প্রেমের উজ্জ্বল হাসি;
কি অদ্ভত জ্ঞানশূন্য দেহ
কি ভাবে মাটি হচ্ছে-
তারপরও চোখে দেখি না;
বর্তমান কবিতার মুর্খতর্ক
রাগটা হাসির ঠোঁটের ভাজেই রাখি!
তা না হলে কবিতা রক্তাক্ত হবে;...
কবিতা তোমাকে দিল্লিকা লাডু বানাব
টক ঝাল কিসমিস মিশ্রন করবো সাথে
কাজুবাদাম রস লাগিয়ে দিবো কোন
দিন যাতে ভুল করে বলতে পার না
যে মিষ্টি কম হয়েছে! কবিতা তুমি
অহমিকার চোখে দলকানা দেখো;
নিজের ভুল বুঝতে...
বিশ্বাসগুলো হাবুডুবু খাচ্ছে
ভাগ্যের কম দোষটার হাত
ঝাঁকনি কম নেই তো- তাহলে
বিশ্বাসগুলো মরে যাচ্ছে এই;
মাটির আনন্দটা শুধু ফুল গন্ধ
নাকের সুসংবাদ যে দৌড়াচ্ছে
রাতের ঘুমটা যেনো স্বপ্নবিরল কষ্ট
ভোরের শিশির গড়ে না আর শক্ত;
তবু নিশ্বাসে...
যুগোপযোগি সময়ের চোখে
স্বপ্নটা দেখা খারাপ না-
আমি ছায়া দেখি পাগল সব
তবু রাতটা যে নষ্ট না!
পূর্ণিমায় যুগল বন্দি
কে না থাকতে চায়
সবিই পাগল পাগল খেলায়
তবু জানি রাত ফুরায় না
আনন্দটা আজ অন্যরকম
হাতের...
বিশ্বখাতায় নাম লিখিলাম পাগল
কবিতারা হেসেই মাঠে হয়ে যায় ছাগল;
ঘাস খাওয়া আনন্দটা অন্যরকম
তবু পাগল বলে কথা, পূর্ণিমায় যুগল;
আজ কাল হাঁটবাজারে হিংসাটা
কম মূ্ল্যেই বিক্রয় হচ্ছে! যোগোপযোগি
সময়টা পাগল ছাড়া চলেই না
লেখার খাতার দামটাও...
কিছু ভাবতেই, মাঝে মধ্যে জ্ঞান হারায়
মানুষ এত নিঠুর হয় কেমনে, বুঝে না
বত্রিশ দাঁতের অভিনয় চমৎকার মনমুখোশ;
লোভ লালসার ছবিটা দেখে না কেউ
বুঝার আগেই স্বার্থপরটা ঘাড়ে চরে-
মানুষের জীবন বড়ই বৈচিত্রের গন্ধ;
বাতাস তো...
©somewhere in net ltd.