নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুয়া মফিজ

ভুয়া মফিজের সাথে ভুয়ামি না করাই ভালো...

ভুয়া মফিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিরিয়ানীর রাজা, রাজার বিরিয়ানী ঃ হায়দ্রাবাদী দম বিরিয়ানী - ১

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:৪৬




পূর্বকথাঃ দিন কয়েক আগে ব্লগার কালীদাস এর রান্নার পোস্টে আলাপচারিতার মাঝে এক পর্যায়ে আমি বলেছিলাম যে ইস্টার এর ছুটিতে আমি হায়দ্রাবাদী বিরিয়ানী রান্না করেছি। তো কথা বলতে বলতে শায়মা বললো রেসিপিটা দিতে। শায়মা আর কালীদাসের আগ্রহেই আমার এই পোস্ট। আমার দূরতম চিন্তাতেও এটা নিয়ে লেখার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। তাই এই পোস্ট দু'টা সামুর দুই সেলেব শায়মা এবং কালীদাসকে উৎসর্গ করলাম।


রান্না করা আমার একটা শখ। ইউটিউবের কল্যানে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন মুখরোচক খাবার আমি ঘরে বসেই বানাই। কোনটাই খুব একটা খারাপ হয় না। এখন আমি বিশ্বাস করি যে, রান্না হচ্ছে একটা আর্ট। তবে দেশে থাকতে কেউ যদি আমাকে এই কথা বলতো, আমি নিঃসন্দেহে খুব একটা গুরুত্ব দিতাম না। বিদেশে সেট্ল হবার পর খাওয়া-দাওয়া নিয়ে পড়লাম মহা বিপদে! কাহাতক আর হাবিজাবি খেয়ে জোড়াতালি দিয়ে চলা যায়? ঠেকায় পড়েই শুরু করলাম রান্না। দেশের অনেক ছেলের মতোই যে আমি জীবনে কোনদিন রান্নাঘরের ধারে-কাছে ঘেষি নাই, সেই আমিকে আমি নতুনভাবে আবিস্কার করলাম। আশ্চর্যের সাথে লক্ষ্য করলাম, রান্না করে আমি মজা পাচ্ছি!!!

রান্নাতে হাত পাকা হওয়ার পর আস্তে আস্তে দেশী সাধারন ভাজি-ভর্তা-কারী রান্না থেকে আমার উত্তরণ ঘটলো। দেশী-বিদেশী রেসিপির সংমিশ্রনে নিত্য নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে লাগলাম। পোলাও-কোর্মা ইত্যাদি রান্না তখন আমার কাছে হাতের তুড়ি বাজানোর মতোই সহজ! এমনি সময় বেশ কয়েক বছর আগে আমার বোনের সাথে ফোনে কথা হচ্ছিলো। রান্না নিয়ে আমাকে গর্ব করতে দেখে ও বললো, যেদিন হায়দ্রাবাদী বিরিয়ানী ঠিকভাবে রান্না করতে পারবি, সেদিন বুঝবো তুই রান্না করতে পারিস! আমি বললাম, এইটা কোন ব্যাপারই না আমার কাছে। তুই খালি রেসিপিটা দে। ওর কাছ থেকে রেসিপি শুনে নিলাম। ওভার কনফিডেন্সের কারনে ইউটিউবও দেখি নাই। ক’দিন পর রান্না করলাম। যে জিনিসটা তৈরী হলো তাকে আর যাই হোক কোনভাবেই বিরিয়ানী বলা যায় না, হায়দ্রাবাদী তো বহুত দুরের কথা!! মুরগীর মাংস পুড়ে হাড়ির সাথে লেগে গিয়েছে, চাল অতি সিদ্ধ হয়ে জাউ ভাতের মতো দেখাচ্ছে! রাগে গর গর করতে করতে ১৫/২০ টা ভিডিও দেখলাম, ভালোভাবে তৈরী হলাম, তারপর আবার রান্না করলাম। যে কোন কারনেই হোক তারপর কোনবারই ওটার চেয়ে ভালো রান্না আর করতে পারি নাই, স্বাদ এখনও মুখে লেগে আছে!

আর বর্তমানের অবস্থা শুনবেন? আমার শহরে দেশী ভাই-বোনেরা বিরিয়ানী রান্না করতে গেলেই আমাকে ডাকে, এডভাইজারী রোল প্লে করার জন্য।

সেই রেসিপিটাই আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। প্রথমে ভেবেছিলাম শুধু রেসিপিটাই দিয়ে দিবো। কিন্তু সেটা এক পর্বের জন্য বড় হয়ে যায়। আবার দুই পর্ব করলে প্রতিটা পর্ব ছোট হয়ে যায়। মহাসমস্যা! তাই ভাবলাম হায়দ্রাবাদী বিরিয়ানীর ইতিহাসটাও জানি এবং জানাই, তাহলে দু’টা পর্বের সাইজও ঠিক থাকে। যেমন ভাবা তেমন কাজ। তাহলে চলুন, প্রথমে হায়দ্রাবাদী বিরিয়ানীর ইতিহাসটা জেনে নেই অতি সংক্ষেপে, তারপর রেসিপি!!!

শুরুতেই বলি, বিরিয়ানী একটা উর্দু শব্দ যেটা ফার্সী ভাষা থেকে এসেছে। অনেকের মতে, ফার্সিতে ’বিরিন্জ’ মানে হলো ভাত, সেখান থেকেই বিরিয়ানী শব্দের উৎপত্তি। মতান্তরে, এটি ফার্সি শব্দ ’বেরিয়ান’ থেকে এসেছে যার মানে হলো ভাজা বা রোস্ট করা। ইতিহাসবিদ লিজি কলিংহামের মতে, বিরিয়ানীর উৎপত্তি পারস্যে। মুঘলরা এটা ভারতবর্ষে নিয়ে আসে।

মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব আসাফ জাহ ১ কে দক্ষিনাত্যের গভর্নর হিসাবে নিয়োগ দেন। ইনি পরবর্তীতে নিজাম-উল-মুল্ক উপাধি ধারন করেন। এই হায়দ্রাবাদী নিজামদের রাজকীয় বাবুর্চীখানায় তৎকালীন প্রচলিত বিরিয়ানীকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন কিংবা পরিমার্জন করে বর্তমান হায়দ্রাবাদী বিরিয়ানীর রুপ দেয়া হয়। হায়দ্রাবাদী বিরিয়ানী সব ধরনের বিরিয়ানীর উপরে স্থান করে নিয়েছে এর ইউনিক রান্নার পদ্ধতি, সুঘ্রান এবং অতুলনীয় স্বাদের কারনে।

এবার চলেন রান্না শুরু করি। প্রথমেই বলে নেই, আমার বর্ণনা হবে আমি যেভাবে রান্না করি তার উপর ভিত্তি করে। আপনি চাইলে অনেকভাবেই এর পরিবর্তন করতে পারেন, কোন সমস্যা নাই। একটা উদাহরন দেই; আমি মাংস মেরিনেট করে ফ্রীজে রেখে দেই। পরদিন রান্না করি। এখন আপনি চাইলে ২ ঘন্টা, ৬ ঘন্টা কিংবা ৮ ঘন্টাও রাখতে পারেন। তবে, আমার গবেষণার ফলাফল হচ্ছে একদিন ফ্রীজে রাখলে বিভিন্ন মশলার নির্যাসগুলো ভালোভাবে মাংসের ভিতরে ঢোকে। ফলাফল তো আমার প্রিয় রাধুনী ব্লগারদের বলে দিতে হবে না! স্বাদ কয়েকগুন বেড়ে যায়। আরেকটা কথা, আমি কোন উপকরনের লিস্ট দিচ্ছি না। অনেক লম্বা। রন্ধন-পদ্ধতির সাথে সাথেই আপনারা উপকরনের লিস্টটাও অটোমেটিক্যালিই পেয়ে যাবেন। যাউকগা, প্যাচাল বন্ধ করে আপনাদেরকে প্রথম দিনের মূল কাজ বলে দিচ্ছি।

প্রথমেই ৭/৮ টা বড় পেয়াজ বেরেস্তা কাট দিয়ে বেরেস্তা বানান। পুড়বেন না, গোল্ডেন ব্রাউন রং ধারন করলে টিস্যু পেপার দেয়া প্লেটে নামিয়ে ফেলবেন। তেল শুষে নিলে নেড়ে-চেড়ে ঝরঝরা বানান, একটা আরেকটার গায়ে যেন লেগে না থাকে।

(টেচা-টেবিল চামুচ, চাচা-চা চামুচ)

এবার মাংসের টুকরাগুলো (২ টা মাঝারী সাইজের মুরগী) একটা পাত্রে নিয়ে তাতে ১ টেচা লেবুর রস, লবন, ১/২ চাচা হলুদ গুড়া, ১ চাচা মরিচ গুড়া, আদা বাটা দেড় টেচা, রসুন বাটা ১ টেচা, টক দই ১ কাপ, বেরেস্তা ১/২ কাপ, ঘি ১/২ কাপ, ৫/৬ টা কাচা মরিচ লম্বা ফালি করে কাটা, কাচা পেপে বাটা ১ টেচা, ধন্যাপাতা কুচি ১ কাপ, পুদিনা পাতা কুচি হাফ কাপ, ৬টা সবুজ এলাচ (দাত দিয়ে অল্প ভেঙ্গে), কালো এলাচ ৩টা (অল্প থেতলানো), লং ৫ টা, দারুচিনি ২টা মাঝারি সাইজ, যাভিত্রি ৩টা, ৭ দানা কালো গোলমরিচ, ৩টা তেজপাতা দিয়ে ভালো করে মেখে ফ্রীজে রেখে দিন। ব্যাস, প্রথম দিনের কাজ শেষ।

প্রবাসী রাধুনীদের বলছি, ভয় পাবেন না। সাহস করে ঝাপিয়ে পড়ুন। দেখবেন রান্না শেষে মুখের হাসি চওড়া হবে। আর যখন অন্যরা প্রশংসা করবে তখন দাত সবগুলো কেলিয়েই হাসতে পারবেন। তো, হয়ে যাক!!!!


*আগামী পর্বে সমাপ্য*

ছবি, তথ্য নেট থেকে।

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:০৭

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: শেষ হইয়াও হইলো শেষ!

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:২৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কেমন আছেন আপনি? আশা করি সবই ঠিক আছে।

২| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৪২

সৈয়দ তাজুল বলেছেন: শেষ হোক, তারপর ঝাঁপিয়ে পড়ি ;)

ভাল লাগলো রান্না বিষয়ক তথ্য জানায়।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:২৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দ্রুতই শেষ হবে। ঝাপানোর জন্য তৈরী হন।
ধন্যবাদ।

৩| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:১০

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: রান্নাটা আগে শেষ করুন দেখি মজা হয় কিনা তারপর অন্যসব আয়োজন হবে।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৩১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: রান্না মজা হবে, গ্যারান্টি। আপনি আয়োজন শুরু করেন।

৪| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:২৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: তো হোয়ে যাক !!!!
আগামী পর্বে।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৩৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আগামী পর্বের পরে কিন্তু হতেই হবে। ধন্যবাদ আপনাকে।

৫| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:০৭

সামিয়া বলেছেন: অফিসে আছি সময় করে পড়ে মতামত জানাবো। সুন্দর চেষ্টা।।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:১৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অবশ্যই জানাবেন। অপেক্ষায় থাকলাম।

৬| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:০১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আমারতো এখনই খেতে ইচ্ছে করছে।

+++

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:২৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ইচ্ছা টা কি ছবি দেখে নাকি বর্ণনা পড়ে? রান্না করে ছবি দিয়ে দিন, আমরাও খাই (ভার্চুয়ালী খাবো, আপনারও কম পড়লো না, আমরাও খেলাম :) )। ধন্যবাদ।

৭| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:১৫

শাহ আজিজ বলেছেন: ৮২ সালে হায়দ্রাবাদে মোরগ পোলাও খেয়ে চমকে উঠেছিলাম , এত স্বাদ হয়? ওই স্বাদ আজও লেগে আছে মুখে।

আমরা মানে আমি এবং আমার প্রয়াত স্ত্রী প্রবাসে সব শিখে নিত্য নতুন রান্না খেতাম । আমাদের কন্যা প্রথম বিরিয়ানি রান্না করে আমাদের চমকে দিল । আমরা গোটা পরিবার খেতে ভালোবাসি এবং রান্নাও পারি । মফিজের কারিশমা দেখে ভালো লাগল এবং লোভ জাগছে কিন্তু তুমি তো ভাই বিদেশে , পোড়া কপাল । পুরুষ যারা রান্না পারে তাদের আমি যথেষ্ট যোগ্য মনে করি ।

বিরিয়ানির কম্বিনেশনটা ভারতে সৃষ্ট । আরবদের আছে কুশকুশ যা আরেক বিরিয়ানির মতই কিন্তু অসাধারন টেস্ট , আমি আরব মেয়েদের হাতেই করা রান্না খেয়েছি । এই ব্লগেই আমাদের কিছু সচিত্র মেন্যু আছে । এখন বাড়িটা ফাকা , কেউই ভালো কিছু খাবারের ইচ্ছা পোষণ করি না , অপরের রান্না খাই আর ছবি দেখে লালা ঝরাই । আহারে জীবন । ধন্যবাদ মফিজ ।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: হায়দ্রাবাদ আসলেই পোলাও-বিরিয়ানীর জন্য বিখ্যাত। বিরিয়ানীতো এখন সারা পৃথিবীতেই পাওয়া যায় তবে হায়দ্রাবাদ গিয়ে খাওয়ার মজাই আলাদা!!
নিত্য নতুন কুইজিন ট্রাই করা আমার অন্যতম শখ। তাই খাদক কাউকে পেলে খুব ভালো লাগে। আপনাকে খাওয়াতে পারলে খুবই ভালো লাগতো কিন্তু উপায় নাই :( । আপনার মতোই বলি, আহারে জীবন। এক জীবনে সব সম্ভব হয় না।
কুশকুশ আমার অতোটা ভালো লাগে না, মোটামুটি। তবে আরবদের একটা জেনুইন বিরিয়ানী আছে, মাকলুবেহ্ নাম। খেয়েছেন কিনা জানিনা। খেতে অসাধারন।
আপনার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

৮| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৭

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: জিভে মাত্রই জল আসতে শুরু করেছিল, অমনি ব্রেক মারলেন? :`>

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: জল কন্ট্রোল করেন, এখনও অনেক বাকী... :)
তবে জল বেশী ফেলেন না, মুখ ড্রাই হয়ে গেলে বিরিয়ানী মজা লাগবে না।

৯| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:০৮

কালীদাস বলেছেন: ইন্সাফ নাই এই দুনিয়ায় :-0 পুরাই আগেকার আমলের মেগাসিরিয়াল, থালবাসন ধুয়া সাজাইতে সাজাইতে পর্ব শেষ :(( এক নাম্বার পর্ব দেইক্ষ্যা ভাবছিলাম মনে হয় কয়েক রকমের হায়দ্রাবাদী বিরিয়ানি রান্ধা শিখমুই শিখমু এইবার :``>>

পরের পর্ব জলদি দেন মিয়া। আর রাইন্ধা খাওয়ান একদিন ব্লগারগরে ঢাকায় আইসা; অনেক দোয়া করুমনে খায়া B-))

উৎসর্গের জন্য অনেক ধন্যবাদ :) সেই সাথে টেনশনে ফালায়া দিলেন; আপনার ব্লগিং আমার ভাল লাগে। এদিকে আমি আসলেই কুফা, এর আগে যতজন আমারে উৎসর্গ কৈরা পোস্ট দিছে পরে সবাই ঝিমায়া পড়ছে ব্লগে /:)

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনের মন্তব্যের নীচ থিকাই শুরু করি! আমার এম্নিতেই ঝিমাইন্না ব্যারাম আছে। যে কোন সময়ই ঝিমায়া পড়তে পারি! এইজইন্য আপনেরে কেউ দোষ দিব না, আমিও না ;)
হুনেন নাই...সবুরে মেওয়া ফলে? এইবার বিরানী ফলবো।
আর ব্লগারগোরে আমি রাইন্ধা খাওয়ামু ক্যান, হ্যারা নিজেরাই অনেক কামিল, রাইন্ধা খাইতে পারবো।

১০| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩০

শায়মা বলেছেন: থ্যাংক ইউ এ্যান্ড লাভ ইউ সো মাচ ভাইয়া!!!!!!!!!!! :)


কিন্তু আধা কেনো????


পুরাটা লিখো তাড়াতাড়ি আলসামী ছেড়ে !

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আধা'র কারন তো বলেছি, তবে বাকীটা দ্রুতই দিতে হবে নইলে মেরিনেট করা মাংস আবার পচে যেতে পারে।
আমি অবশ্য জন্মের অলস, দেখি আড়মোড়া কতো দ্রুত ভাঙতে পারি!!!

১১| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩২

শায়মা বলেছেন: তোমার এই রেসিপির নাম কোনো হায়দ্রাবাদীমাদী দম মম চলিবেক না। এটা হবে ভুয়াভাইয়া টেচা চাচা বিরিয়ানী! :)

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ভাইয়া-চাচা সব একসাথে....তার সাথে আবার বিরিয়ানীও? এই নাম শুনলে লোকজন খাবে না, দৌড়ে পালাবে।

১২| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০২

শায়মা বলেছেন: হায় হায় ২৪ ঘন্টার বেশি মেরিনেট করলে মাংস পঁচে যেতে পারে ভাইয়া! :(

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সেইটাইতো বললাম। নাহ্, আজই লেখা শুরু করতে হবে দেখছি!!!!

১৩| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৩

কালীদাস বলেছেন: পোস্টের মাহাত্ম্য অন্য জায়গায়। আপনি দেখায়া দিছেন যে যুগ পাল্টাইছে। পোলারা আর রান্নাঘরে নির্বাক না :D

আমরাও পারি :`>

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: পোলারা রান্নাঘরে নির্বাক কোন কালেই আছিলো না। একসময় রান্না খারাপ হইলে বউ পিটানের জন্য তো প্রায়ই রান্নাঘরেই যাইতে হইতো। হাত চলতো, সাথে মুখও :D

১৪| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩

কাছের-মানুষ বলেছেন: বিরিয়ানি দেখলে জিব সামলানো মুসকিল হয়ে যায় আমার! আজ ইস্টার ব্রেক শেষ, না হলে হয়ত আপনার রেসিবি মোতাবেক ট্রাই-মারতাম!

আপনার মত আমারো মাংস পুরে হারির সাথে লেগে যাবার মত অভিজ্ঞতা হয়েছিল, একবার নয় একাধিক বার! তবে সেটা বিরিয়ানি নয় কাচ্চি রান্না করতে গিয়ে , মাংস মেরিনেট করে রেখে চাল আধা সিদ্ধ করেছিলাম, তারপর মেরিনেট মাংস এর উপর আধা সিদ্ধ চাল দিয়ে ঢাকনা আটকিয়ে চুলায় বসিয়েছিলাম, ফলাফল হিসেবে মাংস লেগে গিয়েছিল!

হায়দারাবাদের বিরিয়ানি ইউটিউব দেখে ট্রাই করেছিলাম কয়েকটা রেসিপি, তারমধ্যে আমার কাছে একটা রেসিপি ছিল সরিষার তেল দিয়ে রান্না করার, সেটার সাধ দারুন হয়েছিল!!

আগামি পর্ব আসুক তখন দেখি রান্নায় ঝাপিয়ে পরা যায় নাকি!

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনিতো ভাই দেখি বিরাট অভিজ্ঞ লোক। বর্ণনা শুনে তো মনে হচ্ছে হায়দ্রাবাদীই রান্না করছিলেন!!!
আপনিও একটা রেসিপি দেন, আমরা ট্রাই করি!
সরিষার তেলের আইডিয়াটা খারাপ না। একবার হলেও ট্রাই করতে হবে।

১৫| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭

কালীদাস বলেছেন: কথা সত্যি। দুঃখজনক হলেও সেই বীরপুরুষদের বেশিরভাগের সব গায়ের জোর খালি বউ পেটানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ, খুঁজলে দেখা যাবে বাইরের দুনিয়ায় বিড়ালের চেয়েও ভীতু এই বীরপুঙ্গবরা।

আমি বাকিদের কথা বলেছি /:)

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: তাতো বটেই। ছোটোখাটো কারনে বউয়ের গায়ে হাত তোলা পুরুষরা প্রকৃত পুরুষ কিনা আমার সন্দেহ আছে!
আমি বাকিদের কথা বলেছি /:) কাকে বাদ দিয়ে বাকিদের কথা বললেন?

১৬| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

কালীদাস বলেছেন: মানে আমার মত এমেচাররা যারা শখ করে রান্নায় পন্ডিতি দেখাতে গিয়ে বা শিখতে চেয়ে দৌড়ানি খেত :-0

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সবাই-ই তো কোন না কোন সময় এ্যামেচার থাকে। শেখার ইচ্ছাটাই আসল, সেটা দৌড়ানি খেয়ে হলেও ভালো ;)

১৭| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫১

কাছের-মানুষ বলেছেন: হা হা রান্না বান্নাটা আমি ইনজয় করি! রান্না বান্না শিখছিলাম ঠেলায় পরে, আন্ডারগ্রাজুয়েট করতে দেশের বাহিরে আসছিলাম তখন, এমন জায়গায় ছিলাম রান্না না শিখলে না খেয়ে থাকতে হত! বাহিরে হালাল খাবার পাওয়াও খুব কঠিন ছিল সেখানে!

সরিষার তেল দিয়ে রান্না করে দেখবেন, পোলাও, বিরিয়ানি, কাচ্চি সব কিঁছুতেই দেয়া যায়, সরিষার তেল খাবারের সাদ বারিয়ে দেয়, গ্রানটা ভাল হয়, অন্তত আমার কাছে তাই মনে হয়!

০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমাদের কালচারে পুরুষরা বেশীরভাগই ঠেলায় পড়েই রান্না শিখে। আমি-আপনিও এর বাইরে না। তবে পরে কিন্তু রাধতে ভালোই লাগে! আমি যখন এই শহরে আস্তানা গারলাম তখন এখানেও হালাল কিছুই পাওয়া যেত না। এখন অবশ্য অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে!
নেক্সট হলিডেতেই সরিষার তেল পর্ব হবে। আইডিয়াটার জন্য ধন্যবাদ।

১৮| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৩৩

সামিয়া বলেছেন: হাহাহা ভাল লেগেছে রেসিপি লেখার ধরন!! আপনার তো দেখছি অনেক গুন ভাইয়া।।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৪৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধরন ভালো লাগায় আমি আনন্দিত।
আমার গুনের দেখছেন কি? সবে তো শুরু। সামনে আরো দেখবেন... =p~ =p~

একটু মজা করলাম আরকি!! আপনার বহুমুখী প্রতিভার তুলনায় আমি বে-গুন টাইপের মানুষ!

১৯| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:০১

সুমন কর বলেছেন: শুরুটা ভালোই করেছেন কিন্তু এসব আমার দ্বারা হবে না................ :((

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: মানুষ পারে না, এমন কিছুই নাই। আর এটা এমন কিছুই না........ইচ্ছাটাই আসল। তো, হয়ে যাক!!!

২০| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৫৩

সঞ্জীব ব্যানার্জী বলেছেন: বালাই ষাট!

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৫০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কেন?

২১| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:২০

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: রান্না করার মাঝে আমিও আনন্দ খুঁজে পাই।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৩৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ভালো রান্না করতে পারার মধ্যে অনেক অানন্দ। ট্রায়াল এন্ড এরর এর মাধ্যমেই মানুষ শিখে। রান্না হচ্ছে আর্ট, আপনার মতো আমিও এতে আনন্দ পাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.