নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুয়া মফিজ

ভুয়া মফিজের সাথে ভুয়ামি না করাই ভালো...

ভুয়া মফিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইস্তান্বুলের অলি-গলিতে কয়েকটা দিন - পন্চম পর্ব

২০ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১:৫৬




আমার হোটেলের রিসিপশানে রাতে যেই ছেলেটা ডিউটি করতো তার সাথে ঐ কয়েকটা দিনে বেশ ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছিল। এইমেন আহমেত ওর নাম। সমস্তদিন ঘোরাঘুরির পর হোটেলে এসে একটা শাওয়ার নিয়ে আমি নীচে চলে আসতাম। ওর সাথে বসে বসে বেশ কিছুক্ষণ আকাশ-বাতাস গল্প চলতো। আমি টার্কিশ জীবন-যাত্রা, সমাজের হাল-চাল বোঝার চেষ্টা করতাম, ওর আবার ইংল্যান্ড সম্পর্কে খুব আগ্রহ ছিল, অনেক প্রশ্ন করতো। ভাষা খুব একটা সমস্যা হয়নি। ইংলীশটা ও মোটামুটি বললেও আটকে গেলে দুজনেই গুগল ট্রানস্লেটরের সাহায্য নিতাম। বেশুমার গল্পের সাথে চলতো চা-কফি-সিগারেট। সারাদিন কি করলাম, আগামীকালের প্ল্যান কি এসব খুব মন দিয়ে শুনতো; প্রয়োজনীয় তথ্য, সাজেশান দিতো। তো সেদিন রাতে ব্যাসিলিকা সিস্টার্ন আর গুলহানে পার্কের অভিজ্ঞতা ওকে বললাম। আরো বললাম যে, আগামীকাল আমি এশিয়ান সাইডে যাবো। শুনে এইমেন বললো, 'এশিয়ান সাইডে আমাদের এক নবী, হযরত ইয়ুশা (আঃ) এর মাজার আছে, তুমি কি জানো?'

আমার ঠিকমতো জানা ছিল না। ওর কথা শুনে আমি আমার প্রোগ্রামে কিছু রদ-বদল করলাম। পরদিন সকালে বের হলাম আমার প্রথম গন্তব্য বসফোরাসের তীরে গোল্ডেন হর্ণের ঠিক উত্তরে অবস্থিত গালাটা টাওয়ারের উদ্দেশ্যে। একটা ছোটখাটো পাহাড়ের উপরে পাথরের তৈরী মেডিয়াভ্যাল যুগের এই ৬৭ মিটার উচু টাওয়ারটার কাছে গিয়ে যারপরনাই হতাশ হলাম, টাওয়ারে উঠার লাইনের দৈর্ঘ্য দেখে। একটু ফাকা জায়গা দেখে বসলাম। উদ্দেশ্য, শ্রান্ত দেহটাকে একটু বিশ্রাম দেয়া আর একটা কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়া। এই টাওয়ারে যদি আমাকে উঠতে হয়, তাহলে কমপক্ষে ২/৩ ঘন্টার ধাক্কা। তাতে করে আমার আজকের টাইট শিডিউলে বিপর্যয় ঘটার সম্ভাবনা ১৪ আনা। আর যদি না উঠি, তাহলে কতোটুকু লোকসান হবে! হিসাব-নিকাশ করে সিদ্ধান্ত নিলাম গালাটা টাওয়ার বাদ! বাইরে থেকেই কয়েকটা ফটোক খিচলাম। তারপর দুঃখভারাক্রান্ত হৃদয়ে গালাটাকে বিদায় জানিয়ে হাটা দিলাম ফেরীঘাটের দিকে!

গালাটা টাওয়ার


এমিনন্যু থেকে ফেরী ছাড়লো, গন্তব্য উসকুদার (এশিয়ান সাইডে)। বরং বলা চলে বসফোরাসের বুক চিড়ে ইউরোপ থেকে এশিয়ার দিকে যাত্রা করলাম। কেমন যেন একটা অদ্ভুদ ভালোলাগায় আচ্ছন্ন হলাম। আমাদের বাংলাদেশ তো এশিয়াতেই, হোক না তা অনেক দুরে! তাতে কি? আমার জন্মভূমির মহাদেশে তো যাচ্ছি!

উসকুদার ফেরীঘাটের ঠিক উল্টাপাশেই বিখ্যাত তুর্কী আর্কিটেক্ট মিমার সিনানের করা ডিজাইনে মার্বেল আর গ্রানাইট পাথরে তৈরী মিহরিমাহ সুলতান মসজিদ। ১৫৬২ - ১৫৬৫ খৃষ্টাব্দে এই মসজিদটি ইতিহাস-খ্যাত সুলতান সুলেইমান - ১ এর কন্যা রাজকুমারী মিহরিমাহ-র নামে করা।

মিহরিমাহ সুলতান মসজিদের প্রধান গম্বুজের ভিতরের কারুকাজ


মসজিদের মিম্বর ও নামাযীদের স্থান



মসজিদ দেখে বাসে করে রওয়ানা দিলাম আমার পরবর্তী গন্তব্য, ১৮৬০ সালে নির্মীত সুলতানদের গ্রীষ্মকালীন আবাসস্থল বেইলারবেয়ী প্রাসাদের উদ্দেশ্যে। এবং আবারও ধরা, যদিও কারনটা ভিন্ন। সেদিনটা ছিল মঙ্গলবার, আর মঙ্গলবারেই ওটা দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ থাকে! যথেষ্ট হোম ওয়র্ক না করার ফল হাতে নাতে পেলাম।

আবার বাস, এবার যাত্রা হযরত ইয়ুশা (আঃ) এর মাজার অভিমুখে। এই মাজার যশুয়া’স হিল নামে একটা পাহাড় চুড়ায় অবস্থিত। দুই বার বাস পরিবর্তন করে প্রায় দেড় ঘন্টার জার্নি করে যেখানে এসে নামলাম, তা একেবারেই নির্জন একটা জায়গা, শহর থেকে অনেকটা বাইরে, পাহাড়ের উপর। বাস স্ট্যান্ডে দু’জন লোক বসেছিল। তাদের কাছ থেকে জানলাম, পাহাড়ে আরো প্রায় ১৫ মিনিটের চড়াই-এর পর মাজারের দেখা মিলবে।

মাজারের প্রধান গেইট এবং নামফলক



হযরত ইয়ুশা (আঃ) এর কবরটি অনেক লম্বা



উনার সঙ্গীসাথীদের কবরস্থান


মাজার কমপ্লেক্সের পিছনে


মাজার কমপ্লেক্সের থেকে দেখা, দুরে বসফোরাস


তৃষ্নার্তদের জন্য পানিপানের ব্যবস্থা



একটা ব্যাপার আমার একটু আশ্চর্যই লাগলো। যতোটুকু জানি আমাদের ধর্মে কুকুরকে অপবিত্র মনে করা হয়। সেখানে উনার ঠিক কবরের পাশে এই কুকুরটা শুয়ে ছিল। আমি সেখানে প্রায় ঘন্টাখানেক ছিলাম, এর মধ্যে ওটা ওখান থেকে নড়ে নাই। শুধু শোয়ার স্টাইল পরিবর্তন করেছে কয়েকবার। কেউ কিছু বলেও নাই।


আরো একটা বিষয় আমার কাছে অস্পষ্ট। বাসায় ফিরে আমি হযরত ইয়ুশা (আঃ) সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য নেটে অনেক ঘাটাঘাটি করলাম। যা জানলাম তাতে আমি পুরাপুরি বিভ্রান্ত! উনার পুরা নাম ছিল হযরত ইয়ুশা বিন নুন বিন আফ্রাইম বিন ইউসুফ (আঃ)। বাইবেলে উনাকে যশোয়া বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। কোরান শরীফে ইনার নাম সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও দুই জায়গায় উনার রেফারেন্স দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন তথ্য এবং ভিডিওতে উনার কবর তুরস্ক (যেখানে আমি গিয়েছিলাম), জর্ডান এবং লেবাননে বলা হয়েছে। তথ্যেও ভিন্নতা রয়েছে। সংক্ষেপে আপনাদেরকে জানালাম, কেউ যদি সঠিক তথ্য জানেন তাহলে আমাকে লিংক দিলে বাধিত হবো।

যাইহোক, মাজার থেকে বের হয়ে শহরে আসতে আসতে ক্ষুধায় এমন কাতর হয়ে পরলাম যে মনে হলো গোটা দুনিয়াটাই খেয়ে ফেলতে পারি! বাস থেকে নেমেই ঝটপট একটা রেষ্টুরেন্টে ঢুকে পরলাম। মূল ভোজনপর্ব সেরে ভাবলাম একটা টার্কিশ ডেজার্ট খাই। মেন্যুতে দেখলাম একটা আইটেম 'কুনেফে'। বেশ আগে কাতারে একবার 'কুনাফা' খেয়েছিলাম, ভালোই ছিল। দেখলাম চেহারাও প্রায় একই রকমের, তো ভাবলাম খেয়ে দেখি। দেখলাম আইটেম মোটামুটি একই!


উসকুদার ফেরীঘাটে ফিরে এলাম আবার। বিকাল হয়ে এসেছে। আমার লিষ্টে আরেকটা জায়গা বাকী ছিল। জামলিজে টেপেসি। তুর্কী ভাষায় টেপেসি মানে হলো পাহাড়। 'ট্রিপ এ্যাডভাইজার' এর রিভিউতে পড়েছিলাম, এই পাহাড় চুড়া থেকে নাকি চমৎকার সুর্যাস্ত দেখা যায়। কিন্তু সেখানে গেলে ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে যাবে। দোনো-মোনো করতে করতে শেষে ফেরীঘাটের পাশে ইনফরমেশান সেন্টারে গেলাম। ওরা জানালো, না গেলে বিরাট মিস হবে! আর অভয় দিয়ে জানালো, নিরাপত্তা নিয়ে কোন আশংকা নাই। কাজেই আল্লাহ্-র নামে রওয়ানা দিলাম। মেট্রোর (আন্ডার গ্রাউন্ড রেল)তিন স্টেশান পরে নেমে হাটতে হাটতে অনেক কষ্টে পাহাড়ের চুড়ায় উঠলাম। নাহ্, না এলে মিসই করতাম। সুন্দর করে সাজানো একটা পার্ক। পার্ক আর চমৎকার সুর্যাস্ত দেখে মনটা পুরাপুরিই ভালো হয়ে গেল।




ফেরীঘাটে আবার যখন ফিরে এলাম, তখন চারদিক আধার হয়ে এসেছে।

মিহরিমাহ সুলতান মসজিদ এর রাতের ছবি


আবার বসফোরাস পাড়ি দিয়ে এশিয়া থেকে ইউরোপ যাওয়া। ফেরী থেকে এশিয়ান সাইডের রাতের দৃশ্য। আর শেষের ছবিটাতে দুরে বসফোরাসের একটি ব্রীজের আলোকসজ্জা



আরেকটা দিন শেষ হলো সাধের ইস্তান্বুলে!


ছবিঃ প্রথমটা নেট থেকে, বাকিসব আমার ক্যামেরা ও ফোন থেকে।
তথ্যঃ বিবিধ।

প্রথম পর্বঃ view this link

মন্তব্য ৫০ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৫০) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৩৩

হাসান জাকির ৭১৭১ বলেছেন: চমৎকার সব জায়গা ও স্থাপনা।
ভাল লাগল ভাই।

২০ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:১৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

২| ২০ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:১৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: খুব ভালো লাগলো মফিজ ভাই। এইমেনের প্রতি শুভেচ্ছা রইল।
বর্ননা, ছবি সবমিলিয়ে এককথায় অসাধারণ।


অনেক শুভ কামনা আপনাকে।

২০ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এইমেনকে আপনার শুভেচ্ছা পৌছে দিবো।
আপনাকেও অনেক শুভেচ্ছা অার ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

৩| ২০ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:২৩

করুণাধারা বলেছেন: চমৎকার ছবি ও লেখা, একটানে পড়ে গেলাম।

হযরত ইউশার কথা কোরআন শরীফে নেই, কোন গল্প কাহিনীতেও তার নাম পাই নি। আপনার ভ্রমণের বদৌলতে তার বিষয়ে জানা হলো!

আপনি পর্যটন স্পটে ঘুরেছেন, কিন্তু ভিড় বেশ কম মনে হচ্ছে। আমাদের দেশের মত ইস্তাম্বুলেও কি পথে-ঘাটে এমন কুকুর শুয়ে থাকতে দেখা যায়?

আপনার ভ্রমণ কাহিনী খুব আগ্রহ নিয়ে পড়ছি, যদিও সব পর্বে মন্তব্য করা হয়নি।

পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

২০ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: উনি হযরত মুসা (আঃ) এর পর বনী ইসরাইলদের নেতৃত্বে এসেছিলেন। কোরান শরীফে উনার নাম নেই কিন্তু ঘটনার বর্ণনা আছে। মহানবী (সাঃ) উনার নাম উল্লেখ করেছিলেন।
ইস্তান্বুলে পথে-ঘাটে প্রচুর কুকুর, বেড়াল দেখা যায়।
আর ভিড় আসলে ইউরোপ অংশে অনেক বেশী। আপনার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

৪| ২০ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:২৬

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: বাহ, চমৎকার লাগল! আমিও গালাটা টারয়ারে গিয়ে বাইরে কিছু ছবি তুলে চলে এসেছিলাম, সময় কুলাতে পারব না ভেবে! :D

২০ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার ভ্রমন-অভিজ্ঞতাও লিখে ফেলুন, আমরা পড়ি! :)

৫| ২০ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:২৯

লাবণ্য ২ বলেছেন: চমৎকার লেখা ও ছবি!

২০ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৬| ২০ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৪

রোকনুজ্জামান খান বলেছেন: চমকপ্রদ সব ছবির সাথে দারুন লেখনি।
ভালো লেগেছে ।

আমার নতুন পোষ্টে একবার ঘুরে আসার আহ্ববান রইল।
আপনাদের অণুপ্রেরণাই আমাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে?

২০ শে জুন, ২০১৮ রাত ১০:৪৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ। অবশ্যই।

৭| ২০ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬

জুন বলেছেন: ভুয়া মফিজ আপনার প্রথম অংশটুকুর সাথে আমারো কিছু মিল আছে অর্থাৎ স্থানীয় কারো সাথে বসে সেখানকার তথ্য নেয়া। রেংগুনের থামাডা হোটেলের সামনে অপেক্ষারত ট্যাক্সি ড্রাইভারদের সাথে বসে বসে গল্প করার ফাকেই জেনেছিলাম সেখানে একটি জাপানী সৈন্যদের ও সিমেট্রি আছে যা কোথাও কোন ব্রশিওরে উল্লেখ নেই । এটা ছিল আমার জন্য এক দারুন অভিজ্ঞতা।
যশুয়া নবীর কবর একটি নতুন জিনিস দেখা হলো মানে জানা হলো । আপনার এই সিরিজটি পড়ছি আর ভাবছি ঈশ কবে ইস্তাম্বুলের অলিতে গলিতে ভুয়া মফিজের মত ঘুরে বেড়াতে পারবো :(

অনেক অনেক ভালোলাগা রইলো ।

২০ শে জুন, ২০১৮ রাত ১০:৫০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আসলে গুগল করে অনেক কিছুই জানা যায় না যেটা স্থানীয়রা জানাতে পারে। তাই এটা খুব ভালো কাজ করে। আপনিও এই পদ্ধতি এপ্লাই করেন জেনে ভালো লাগলো। খুবই কার্যকর একটা পদ্ধতি। :)

আশা করছি খুব শীঘ্রই আপনার সেই দিন আসবে। শুভ কামনা।

৮| ২০ শে জুন, ২০১৮ রাত ১০:২৮

তারেক ফাহিম বলেছেন: ৫ম পর্ব 8-| আমিতো ‍ঘুমেই ছিলাম |-)

হযরত ইউসার, আমার কাছে একদমই নতুন।



২০ শে জুন, ২০১৮ রাত ১০:৫২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: পুরোপুরি জেগে উঠুন। আরো অনেক নতুন নতুন জিনিস জানতে পারবেন। ;)

৯| ২০ শে জুন, ২০১৮ রাত ১১:০৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: চমৎকার !!
অনেক সুন্দর সব ছবি ,ইউশা নবীর নাম আমি অন্য সুত্রে শুনেছিলাম,কিন্তু এটা যে ইস্তাম্বুলে তা জানতাম না।আপনার সাথে সাথে জামলিজে টেপেসি এসে আমার ও মন ভালো হয়ে গেলো।
ধন্যবাদ চমৎকার ভ্রমন কাহিনির জন্য।

২০ শে জুন, ২০১৮ রাত ১১:১৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: হযরত ইয়ুশা (আঃ) সম্পর্কে আমারও পরিস্কার ধারনা ছিল না। ওখানে গিয়ে খুব ভালো লেগেছিল।
এইমাত্র আপনার পোষ্টেও ঘুরে এলাম। দারুন।

ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা আর অভিনন্দন।

১০| ২১ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১১:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: ইস্তাম্বুল যাবো।

২১ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কবে?

১১| ২১ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৩৩

যাযাবর চখা বলেছেন: সব বারের মতোই, অসাধারন।

২১ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১২| ২১ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:১৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: দারুন ! আপ্নারেতো ভুয়া বা মফিজ কোনটাই মনে হইতেছে না ! :D

২১ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: তাতে কি যায় আসে? আপ্নারেও তো টারজান বা ০০০০৭ কোনটাই মনে হইতেছে না ! =p~ =p~

১৩| ২১ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৭

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: ছবিগুলো আমাকে খুবই চমৎকার লেগেছে সেই সংগে বর্ণনা।

২১ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৪০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনাকে অনেক দিন পর দেখলাম মনে হচ্ছে?

১৪| ২১ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১:৩৪

শামচুল হক বলেছেন: ছবি বর্ননা এবং মাজার দেখে খুব ভালো লাগল। ধন্যবাদ

২১ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:২৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইজান।

১৫| ২১ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১:৪১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আসলেই তুরষ্ক দেখার মত এক জায়গা।

ভাললাগা জানবেন।

২১ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:৩১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমি তো শুধু ইস্তান্বুলে গিয়েছি। গোটা তুরস্ক জুড়েই এমন অসংখ্য দর্শনীয় স্থান রয়েছে!
ধন্যবাদ।

১৬| ২১ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ২:২১

আহলান বলেছেন: যওয়ার একান্ত ইচ্ছা আছে ... আল্লাহ ভরসা !

২১ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:৩২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অবশ্যই যাবেন। আল্লাহ ভরসা।

১৭| ২১ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:২৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনার ভ্রমন কাহিনী আমি খুব আগ্রহ নিয়ে পড়ি। দারুন হচ্ছে, চালিয়ে যান। আরো বেশি ছবি দিয়েন!!!

২১ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:২৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আরে, কি সৌভাগ্য!
এতো দেখছি গরীবের ঘরে হাতীর পা!!
আপনার মন্তব্যে এতোটাই উৎসাহ বোধ করছি যে, ইচ্ছে করছে তল্পি-তল্পা গুটিয়ে এখনই আবার বেরিয়ে পড়ি, যাতে করে নতুন ভ্রমন কাহিনী লিখতে পারি। :)

অসংখ্য ধন্যবাদ এভাবে অনুপ্রানিত করার জন্যে।

১৮| ২১ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: ভুয়া মফিজ ,




সবটাই ঝরঝরে করে লিখেছেন । তবে বেশী ভালো লেগেছে হযরত ইয়ুশা (আঃ) এর পর্বটুকু ।
সুন্দর ।

২১ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন সবসময়।

১৯| ২২ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৬:২৮

সিগন্যাস বলেছেন: ইস্তাম্বুলে মসজিদ ছাড়া দেখার মত অন্য কিছু নাই?

২২ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ২:২৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কেন এমনটা মনে হলো আপনার? মসজিদ ছাড়া দেখার মতো বহু কিছুই আছে। :)

২০| ২২ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:০০

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো আপনার ইস্তাম্বুল সফরের বর্ণনা। আগের চারটি পর্ব বোধ হয় আমার পড়া হয়নি। সময় করে পড়বো।


ধন্যবাদ ভাই ভুয়া মফিজ।

২২ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৩২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনাকে বহুদিন পরে আমার পোষ্টে পেলাম। রাগ করেছেন নাকি? আজকাল আর দেখাই দেন না!
শরীর এখন কেমন? ভালো থাকবেন।

২১| ২২ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:২৭

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: না, না, ভাই। রাগ করবো কেন? আমার নাতনি হওয়ার পর ঐদিকে একটু ব্যস্ততা, রোজা, তারাবী, ঈদ ইত্যাদি নানা কারণে অনলাইনে একটু কম আসা হয়েছে এতদিন।
আমার শরীর ভালোই আছে। খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

২৫ শে জুন, ২০১৮ রাত ১২:২০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যাক, শান্তি পাইলাম।

এবার তাহলে অন্য পর্বগুলো পড়ে বলেন, কেমন হয়েছে! :)

২২| ২৩ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৪:১২

খনাই বলেছেন: কুরআন শরীফে যে ছাব্বিশ জন নবীর নাম উল্লেখ আছে তাদের একজন হলেন Al-Yasa (সাঃ ) ! উনিই কি আপনি যার কথা বলছেন সেই ইউশা নবী (সাঃ )? আপনি মফিজ (সাধারণ মানুষ অর্থে) হতেই পারেন কিন্তু ভুয়াতো না। সাধারণ ভাবেই লিখছেন কিন্তু সত্যি সত্যি (ভুয়া না)খুব ভালো লাগছে ! সুন্দর ফটোগুলো আইসক্রিমের ওপর হুইপক্রিমের টেস্ট এনে দিচ্ছে লেখায় I

২৪ শে জুন, ২০১৮ রাত ১১:২৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ক্বুরআন শরীফে ২৫ (মতান্তরে ২৬) জন নবীর নাম উল্লেখ আছে। হযরত উজাইর (Uzair)(আঃ) কে নিয়ে এই মতান্তর।

Al-Yasa (আঃ) এর নাম ক্বুরআন শরীফে উল্লেখ আছে, ইউশা (আঃ) এর উল্লেখ নাই। বাইবেলেও উনারা আলাদা নামে পরিচিত। উনাদের বংশ পরিচিতিও আলাদা (যতোটুকু পেয়েছি)। তাই, উনারা এক না বলেই মনে হচ্ছে।
একটা সংশোধনীঃ (সাঃ) আমরা শুধু মহানবীর নামের শেষে বলি। বাকী নবী/রাসুলদের নামের শেষে (আঃ) বলি।

কেন জানি, আমার নিক নিয়ে আগেও কেউ কেউ কিউরিয়াস হয়েছেন। সবাইকে আমি প্রথম ব্যাখ্যার লিংক দিয়ে দেই। আপনাকেও দিলাম, ৫ নং মন্তব্য এবং উত্তর দেখুন, view this link

আপনার প্রশংসায় অভিনবত্ব আছে। পছন্দ হয়েছে। ধন্যবাদ। :)

২৩| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:৪১

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: মিস করে যাওয়া পর্বটিও পড়ে ফেললাম!
জানিনা আমি কোনদিন এমন ভ্রমন বিষয়ক লেখা লিখতে পারব কিনা :(
তবে আপনার মত যারা ভ্রমন পোষ্ট দেন তাদের সাথে আমরাও মনে মনে ঘুরে আসি সেই সব না দেখা স্থান।
আন্তরিক ধন্যবাদ ভাইয়া সময় করে এত কিছু আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: জানিনা আমি কোনদিন এমন ভ্রমন বিষয়ক লেখা লিখতে পারব কিনা এমন না, এর চেয়েও ভালো লিখতে পারবেন। একবার লিখেই ফেলুন না! বিদেশই হতে হবে এমন তো কোন কথা নেই। দেশেই কতো সুন্দর সুন্দর জায়গা আছে! আপনার একটা ভ্রমন পোষ্টের অপেক্ষায় থাকলাম।
নিশ্চিত করে বলতে পারি, ভালো হবে।

২৪| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৮

শিহরিত রাজনৈতিক বলেছেন: পাঠ চলতেছে, মন্তব্য সব শেষে করতে ইচ্ছে কিন্তু একটা বিষয়ে সন্দেহ দেখে মন্তব্য করতে হচ্ছে।
কুকুর নাপাক নয়, কুকুরের লালা নাপাক, কুকুর যেহেতু অপবিত্র খাবার খায় তাই তার গায়ে লাগার সম্ভাবনা থাকে তাই নাপাক বলা হয়েছে। মূলত কুকুরের দেহ নাপাক নয়।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ভুয়া মফিজ বলেছেন: বিষয়টা ব্যাখ্যা করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আপনার শেষ মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম। ধন্যবাদ।

২৫| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:২৭

কালীদাস বলেছেন: গালাটা টাওয়ারের স্পেশালিটি কি? মানে কোন ঐতিহাসিক কিছুমিছু আছে নাকি? উঠেন নাই ভাল করছেন (আবার মিসও করছেন) B-)) কোপেনহেগেনে চার্চ অফ সেভিয়ারের চূড়ায় উঠেছিলাম, পুরা কুত্তার মত হাঁপাচ্ছিলাম সবাই হাজারখানেক সিড়ি বাওয়ার ঠেলায়। তবে উপর থেকে ভিউটা সেরকম; যেটা হয়ত মিস করেছেন গালাটায় :((

মসজিদের ভেতরটা সুন্দর। খানিকটা রাজকীয় আবহ মনে হল .....

হযরত ইয়ুশা (আঃ) এর কবরের দৈর্ঘ্য নিয়ে পোস্টে আরেকটা মহাযুদ্ধ লাগেনি দেখে একইসাথে আনন্দিত ও বিস্মিত হলাম ;)

আপনার এই ইউরোপ আর এশিয়ার মধ্যে ট্রাভেলের কাহিনী পড়ে ভাল লাগল। ছবিগুলোও ভাল এসেছে, রাতের অন্ধকারে ছবি তোলা অনেকটা রাশানদের ফিনল্যান্ড দখলের চেষ্টার মতই দুর্জেয় ;)

বাইদ্যাওয়ে, টার্কিশ লোকজনের বিহেভ কেমন? আমার আশেপাশে যে কয়জন দেখেছি, কিছুটা অদ্ভুতই মনে হয়েছে সবসময় :|

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৩৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ১৩৪৮ সালে গালাটা টাওয়ার বানানো হয়। প্রাচীণ একটা স্থাপনা, সেই হিসাবে আকর্ষনীয়। উপরে উঠলে ইস্তান্বুলের একটা বার্ডস আই ভিউ পাওয়া যায়, এটাই স্পেশালিটি! ইস্তান্বুলের মসজিদগুলো আসলেই সুন্দর, তবে অনেকটা একই রকমের। একটা দেখলেই অন্যগুলো প্রায় দেখা হয়ে যায়। :)

আমার পোষ্টে মহাযুদ্ধ লাগার সম্ভাবনা কম, যুদ্ধবাজরা আমার পোষ্টে আসেনা বললেই চলে। =p~
টার্কিশরা আমার কাছে তো নর্মালই মনে হয়েছে, এবনর্মাল কিছু নজরে পরে নাই। ;)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.