নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুয়া মফিজ

ভুয়া মফিজের সাথে ভুয়ামি না করাই ভালো...

ভুয়া মফিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশ: একটি নবীন রাষ্ট্রের অভ্যুদয়কালীন প্রথম ডাকটিকেট

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:২৭




১৯৭১ সাল। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ তখন বিভিন্ন সেক্টরে পুরোদমে চলছে। সে সময়ে মুজিবনগর সরকার বিভিন্ন স্থানে ফিল্ড পোষ্ট অফিস স্থাপন করে, মুক্তান্চলের তৎকালীন পোষ্ট অফিসগুলোর নিয়ন্ত্রন গ্রহন করে এবং এগুলোর পরিচালনার দায়িত্ব ন্যস্ত করে পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের উপর। সে সময়ে বাংলাদেশ সরকারের কোন নিজস্ব ডাকটিকেট ছিল না। পাকিস্তানের বিভিন্ন ডাকটিকেটের উপর ইংরেজি ও বাংলায় 'বাংলাদেশ' সিল মেরে কাজ চালানো হচ্ছিল।


এই পটভূমিকায় বৃটিশ সাংসদ এবং সাবেক পোস্ট মাস্টার জেনারেল জন স্টোনহাউজ শরনার্থীদের অবস্থা সরেজমিনে দেখা এবং বাংলাদেশ সরকারের নেতৃবৃন্দের সাথে বিভিন্ন আলোচনার জন্য কয়েকবার মুজিবনগরে আসেন। উল্লেখ্য, তৎকালীন বৃটিশ রাজনীতিবিদদের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ সেসময়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করছে পুরোপুরিভাবে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের সাথে বিভিন্ন আলোচনার একপর্যায়ে সিদ্ধান্ত হয় বাংলাদেশের ডাকটিকেট বের করার। মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্ব-জনমতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। এটা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রচার, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন লাভ এবং তহবিল সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। আলোচনার সিদ্ধান্ত মোতাবেক, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য মি. স্টোনহাউজের সহায়তা কামনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি জুন মাসে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় ডাকটিকেট ডিজাইনার বিমান মল্লিককে ড. এনামুল হকের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। ড. হক যুদ্ধকালীন বাংলাদেশের কালচারাল সোসাইটির সভাপতি ছিলেন এবং তিনি মুজিবনগর সরকারের সাথে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে লিয়াজো রক্ষা করতেন।

দায়িত্ব পেয়ে বিমানবাবু ৮টি ডাকটিকেটের ডিজাইন করেন এবং সেই জুনেই তা ড. হকের মাধ্যমে মুজিবনগরে প্রেরন করেন অনুমোদনের জন্য। ওদিকে মি. স্টোনহাউজ লন্ডনের ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসকে রাজি করান ডাকটিকেটগুলো তাদের খরচে প্রিন্ট করানোর জন্য। ঠিক হয়, প্রিন্টিং প্রেস ডাকটিকেটগুলো প্রিন্ট, ডিস্ট্রিবিউট এবং বিক্রয় করবে এবং যাবতীয় হিসাব মুজিবনগর সরকারের কাছে পেশ করবে। আর মি. স্টোনহাউজ দায়িত্ব নেন ডাকটিকেটগুলো সংগ্রাহকদের কাছে জনপ্রিয় করার, বিশেষ করে ইউরোপে।

অবশেষে ১৯৭১ এর ২৯শে জুলাই সেই মাহেন্দ্রক্ষন এলো। মুক্তিযুদ্ধরত বাংলাদেশের জন্য সেটা ছিল একটা বিশেষ দিন। ৮টি ডাকটিকেট একযোগে কোলকাতা এবং লন্ডনের বাংলাদেশ মিশন থেকে অবমুক্ত করা হয়। একইসঙ্গে দু’জায়গা থেকেই একই ডিজাইনের কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন রং এর দু’টি অফিসিয়াল First Day Cover ও অবমুক্ত করা হয়।


বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব হোসেন আলী কোলকাতায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে ডাকটিকেটগুলো অবমুক্ত করেন। অন্যদিকে লন্ডনে বৃটিশ সংসদের হাউজ অফ কমন্সের হারকোর্ট রুমে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এখানে সাংসদ জন স্টোনহাউজ, সাংসদ পিটার শোর, মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত (পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি) বিচারপতি আবু সাইদ চৌধুরীসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বৃটিশ সংসদের একটি ভবনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল একটা নজীরবিহীন ঘটনা, কারন, একটি দেশের স্বাধীনতার সমর্থনে এমন বেসরকারী সভা বৃটিশ পার্লামেন্ট ভবনে অতীতে আর কখনও হয়নি। পরবর্তীতে সাংসদ জন স্টোনহাউজের কার্যকর সহযোগিতায় লন্ডনে এই ডাকটিকেটগুলোর নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এই ডাকটিকেটগুলো বাংলাদেশ বিষয়ক প্রচারণায় অভূতপূর্ব সাড়া ফেলে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সাহায্য করে বাংলাদেশকে চিনতে।


লক্ষ্যনীয় যে, এই ৮টি ডাকটিকেটে বাংলাদেশকে 'বাংলা' এবং 'দেশ' এই দু’টি আলাদা শব্দে লিখা হয়। এগুলোর মুদ্রামান ছিল রুপি। এগুলোই বাংলাদেশের প্রথম ডেফিনিটিভ ডাকটিকেট। সে সময়ে বৃটিশ জাতীয় পত্রিকাগুলোতে এই খবর গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করা হয়। টাইমস এবং মিররে ছাপা হওয়া নীচের ছবি দু’টি বিমান মল্লিক বাবুর ওয়েবসাইট থেকে দিলাম।



বিজয় অর্জনের পর ১৯৭১ এর ২০শে ডিসেম্বর এই ৮টি ডাকটিকেটকে আবার ঢাকা জিপিও থেকে অবমুক্ত করা হয়। এগুলোতে ইংরেজি এবং বাংলায় ওভারপ্রিন্ট করা হয়, 'Bangladesh Liberated' এবং 'বাংলাদেশের মুক্তি'। কিন্তু জিপিও বিক্রির জন্য শুধুমাত্র ৩টি মুল্যমানের ডাকটিকেটের সরবরাহ পায় (Rs.10, Rs.5 এবং 10p)। ফলে এই ৩টি ডাকটিকেটই হলো বাংলাদেশের প্রথম commemorative stamp বা স্মারক ডাকটিকেট। বাকী ৫টিকে পরবর্তীতে নন-ইস্যু হিসাবে গন্য করা হয়।


পরবর্তীতে ইওরোপ এবং আমেরিকার ফিলাটেলিক মার্কেটে আরও ১৫টি ডাকটিকেটের (পূর্ববর্তী ৮টি ডিজাইনের ৩টি, বিভিন্ন মুল্যমানের) বিক্রয় শুরু হয়। বাংলাদেশের ডাকবিভাগ এগুলোকে প্রত্যাখ্যান করে এবং এগুলোও নন-ইস্যু হিসাবে গন্য হয়। এই ডাকটিকেটগুলোতে 'বাংলা' এবং 'দেশ' এই দু’টি আলাদা শব্দে না লিখে বর্তমানের মতো একসাথে লিখা হয়, আর মুদ্রামান ছিল রুপির বদলে টাকা; তবে সেটা Tk. না লিখে শুধু T লিখা হয়।


প্রচলিত ধারনা এই যে, এগুলো স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডেফিনিটিভ ডাকটিকেট হিসাবে ১৯৭২ এর ১লা ফেব্রুয়ারী অবমুক্ত করার কথা ছিল, কিন্তু অজানা কারনে তা আর হয়ে উঠেনি। এটাও ধারনা করা হয় যে, এই অজানা কারনের পিছনের কারন ছিল বৃটিশ সাংসদ জন স্টোনহাউজ, যিনি পরবর্তীতে একজন প্রচন্ড বিতর্কিত ব্যক্তিত্বে পরিনত হন; সেটা আরেক কাহিনী।

বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব ডাকটিকেট থাকার পরও অবশ্য সরকার ১৯৭৩ এর এপ্রিল পর্যন্ত 'বাংলাদেশ' সিল দেয়া পাকিস্তানী ডাকটিকেটের ব্যবহারও অব্যাহত রাখে। ২৯শে এপ্রিল এক আদেশের মাধ্যমে এর ব্যবহার বন্ধ করা হয়।

এ পর্যায়ে আপনাদেরকে দু’টা ইন্টারেস্টিং তথ্য দেই।

প্রথমতঃ ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান যেসব ডাকটিকেট ছাপায় সেগুলোতে 'পাকিস্তান' শুধুমাত্র উর্দু এবং ইংরেজীতে লিখা হতো। ১৯৫৬ সালের ১৫ই আগষ্ট প্রথম বাংলায় 'পাকিস্তান' লিখা ডাকটিকেট বের করে। অনুমান করি, ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনের ফলে তারা এটা করতে বাধ্য হয়।


দ্বিতীয়তঃ বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যাওয়ার পরও ১৯৭২ এর নভেম্বর পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রায় এক বৎসরকাল তারা তাদের ডাকটিকেটে বাংলায় 'পাকিস্তান' লিখা অব্যাহত রাখে। কেন? তৎকালীন পাকি শাসকদের কি আশা ছিল যে বাংলাদেশ আবার তাদের সাথে একীভূত হবে? স্টোনহেন্জের মতো এটাও একটা অমিমাংসিত রহস্য। আপনাদের কি মনে হয়? নীচের ডাকটিকেটটা ১৯৭২ এর ২৮শে নভেম্বর অবমুক্ত করা হয়। এটাই বাংলায় 'পাকিস্তান' লিখা পাকিদের শেষ ডাকটিকেট। এরপর হতাশ হয়েই সম্ভবতঃ তারা বাংলায় পাকিস্তান লিখা বন্ধ করে!


১৯৭১ এর ২৯শে জুলাই এই ডাকটিকেটগুলোর অবমুক্তির দিনকে স্মরনীয় করে রাখতে বাংলাদেশে প্রতি বছর ২৯শে জুলাইকে 'ডাকটিকেট দিবস' হিসাবে পালন করা হয়। এই দিনে নতুন ডাকটিকেট, First Day Cover এবং স্যুভেনির শীট অবমুক্ত করা হয়। ২০০৮ সালে এমনিভাবে অবমুক্ত করা একটি স্যুভেনির শীট দেখুন।


সবশেষে আবার ফিরে আসি প্রথম ডাকটিকেটগুলোর প্রসঙ্গে। এই ডাকটিকেটগুলোর একটা বিশাল রাজনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক গুরুত্ব ছিল। উদাহরন স্বরুপ উল্লেখ করা যায়, নিউইয়র্ক টাইমসের সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সংখ্যায় এই ডাকটিকেটগুলো এবং বাংলাদেশ নিয়ে একটা আর্টিকেল লিখা হয়। এমনিভাবে এই ৮টি ছোট্ট রঙ্গীন কাগজের টুকরোর মাধ্যমে বিশ্ব-মন্চে এই বার্তা শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিশ্ব-মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটা নবীন রাস্ট্রের অভ্যুদ্য় হয়েছে এবং তা একটা যথাযথ সরকার দ্বারা কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এই বার্তা পরবর্তীতে নবীন বাংলাদেশের স্বীকৃতি লাভেও বিরাট সহায়ক ভূমিকা পালন করে।


শেষকথা: এই লেখাটা আমার ব্লগ জীবনের একেবারে প্রথম দিককার লেখা। বহুদিন পর গত সপ্তাহে হঠাৎ করে পড়লাম। পড়ে খুব একটা মনপূতঃ হলো না। মনে হলো, এটাকে আরও তথ্য দিয়ে আরও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব। তাই অনেক ঘষামাজা করে, অনেকটা নতুনের মতো করে আবার পোষ্ট করলাম। কতোটুকু কি হলো জানিনা।
মাসটা আমাদের প্রাণের মাস, বিজয়ের মাস। যাদের ত্যাগের মাধ্যমে আমরা এই বিজয় পেয়েছি, যাদের কারনে আমরা একটা স্বাধীন দেশে নিঃশ্বাস নিতে পারি, যাদের কারনে আমরা বিদেশে মাথা উচু করে বলতে পারি.. .. ..আমরা একটা স্বাধীন দেশের নাগরিক; সেই মহান মুক্তিযোদ্ধাদেরকে আমার এই ক্ষুদ্র অর্ঘ্য নিবেদন করলাম, উৎসর্গ করলাম। জানি, সেই বিশাল ত্যাগের তুলনায় এটা একেবারেই নগন্য, তবু এতোটুকুই পারলাম। অতি নগন্য একজন আমি’র যে এতোটুকুই ক্ষমতা!!!

সকল মুক্তিযোদ্ধাকে এই মহান বিজয় দিবসে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই।


তথ্যসূত্র: Click This Link বিমান মল্লিক বাবুর ওয়েবসাইট এবং বিবিধ ওয়েবসাইট।
ছবিসূত্র: বিমান মল্লিক বাবুর ওয়েবসাইট, ইন্টারনেট এবং আমার ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে।

মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৩২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সকল মুক্তিযোদ্ধাকে এই মহান বিজয় দিবসে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই।
..................................................................................................
এটাই আমাদের জাতির প্রেরনা ।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:১৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ।

২| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৪০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: চমৎকার তথ্যবহুল লেখা, ডাকটিকেট গুলো দেখেছিলাম; কিন্তু এত কিছু জানতাম না। ধন্যবাদ আপনার উদ্যোগ এর জন্য তথ্য দিয়ে গুছিয়ে লেখার জন্য। সকল মুক্তিযোদ্ধাকে এই মহান বিজয় দিবসে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই।


ব্লগের সবার জন্য , আপনার জন্য ও বিজয়ের শুভেচ্ছা।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৩৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ডাকটিকেটগুলো মোটামুটি সবারই দেখার কথা, শুধুমাত্র পিছনের কথা জানানোর জন্যই এই প্রসঙ্গের অবতারনা।
আপনার ভালো লাগায় ভালো লাগলো।

আপনাকেও মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

৩| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১:৪৩

যাযাবর চখা বলেছেন: নতুন কিছু জানলাম।
সকল মুক্তিযোদ্ধাকে এই মহান বিজয় দিবসে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৪২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

৪| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৫১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

৫| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:১৮

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বলেছেন: আমার কাছে আছে পাকিস্তান আমলের পূর্ব পাকিস্তানের কিছু মুদ্রা। এটা হয়তো তখনের যখন আলাদা মুদ্রা চাওয়া হয়েছিল।।।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৫৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বলেছেন: সেসময়ে পূর্ব পাকিস্তানের আলাদা মুদ্রা ছিল নাকি? এটা তো জানিনা!!
এটা নিয়ে একটা পোষ্ট দেন। বিষয়টা ইন্টারেস্টিং।

৬| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৯

করুণাধারা বলেছেন: দেখতে- পড়তে চমৎকার পোস্ট, যেমন তথ্যবহুল তেমনি চমৎকার সব ডাকটিকেটের ছবি! অনেক কিছু জানতে পারলাম, লিংকটা কাজ করলে আরেকটু ভালো হত অবশ্য.......

আপনি বলে না দিলে অবশ্য বুঝতে পারতাম না যে, এটা ব্লগ জীবনের প্রথম দিকের লেখা! বেশ ভালো বিষয় নির্বাচন করেছিলেন লেখার জন্য।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বেশ ভালো বিষয় নির্বাচন করেছিলেন লেখার জন্য ডাকটিকেট আমার কাছে নেশার মতো, বহুদিন থেকে।

আপনার চমৎকার মন্তব্য পেয়ে খুব ভালো লাগলো।
মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

৭| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৫৫

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:




ডাকটিকেট সংগ্রহের ভুত চেপে ছিল কিন্তু করতে পারিনি ।

তবে এখন সুযোগ পেলে করব । সুন্দর পোস্ট ।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমি সেই ক্লাশ ফোরে থাকতে শুরু করেছিলাম, এখনও চলছে! :)

৮| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:০৫

আমি তুমি আমরা বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্ট। প্লাস এবং প্রিয়তে।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ডাকটিকেট আমার খুব প্রিয় বিষয়। আপনার পছন্দ হওয়াতে ভালো লাগছে!
প্লাস এবং প্রিয়তে সেজন্যে আপনাকে ডাবল ধন্যবাদ। :)

৯| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৭

চিত্রাভ বলেছেন: সুন্দর লেখা -- নানা তথ্য ও ছবিসহ । খুব ভাল লাগলো । শুভেচ্ছা নিন ।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

১০| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:১০

ফয়সাল রকি বলেছেন: ছোটবেলায় ডাকটিকিট সংগ্রহ করতাম, কোথায় যে হারিয়ে গেলো এই শখগুলো! :(
++++

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমি সেই ক্লাশ ফোরে থাকতে শুরু করেছিলাম, আমার এখনও চলছে...হারায়নি! :)

বহুদিন আপনার কোন লেখা পাচ্ছি না। খুব ব্যস্ত? সময় করে আরেকটা চমৎকার গল্প লিখে ফেলুন। এবার একটা সাইকো-থ্রিলার!!

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

১১| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪৫

রাকু হাসান বলেছেন:

মৌলিক পোস্ট পড়ে ভালো লাগছে । বেশ কিছুটা পড়ছি । আপনাকে অভিনন্দন ভাইয়া । এমন পোস্ট করার জন্য । পোস্টে +

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার অভিনন্দন আমাকে আরো এগিয়ে যাওয়ার শক্তি যোগাচ্ছে, মনে হচ্ছে পরিশ্রম সার্থক। :)

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা আপনাকে।

১২| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪৬

রাকু হাসান বলেছেন:

প্রিয়তে থাক পোস্টটি ।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

১৩| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:০৪

শিখা রহমান বলেছেন: তথ্যবহুল লেখা বেশীরভাগ সময়েই আসলেমি করে পড়া হয় না। আপনার এই লেখাটা পড়া শুরু করার পরে থামতে পারিনি।

এত্তো এত্তো ভালো লেগেছে। পোস্টে লাইক আর প্রিয়তেও নিলাম।

অনেক অনেক ধন্যবাদ এই লেখাটার জন্য। শুভকামনা নিরন্তর!!

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৩১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনি তো দেখছি প্রশংসায় একদম ভাসিয়ে দিলেন আমাকে!
আপনার মুখে ফুল এবং চন্দন একসাথে পড়ুক। :)
ইচ্ছে করছে কি-বোর্ডে এখনই ঝড় তুলি আবার!!

১৪| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০০

জুন বলেছেন: বিজয়ের মাসে দারুন এক তথ্যপুর্ন লেখায় ব্লগকে সমৃদ্ধ করলেন ভুয়া মফিজ। আমাদের প্রথম ডাকটিকিট আবার দেখা হলো আপনার কল্যানে ।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কি যে বলেন না আপা! আমি আর কি সমৃদ্ধ করলাম। ব্লগ কতো নামী-দামী ব্লগারের লেখায় অলরেডী অনেক সমৃদ্ধ! :)

মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৫| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:১৮

ফয়সাল রকি বলেছেন: সাইকো থ্রিলার! হা হা হা ... দেখা যাক।
তবে হিমু বিষয়ক একটা পুরোনো লেখা খুঁজে পেয়েছি, ওটা পোস্ট করবো কি না বুঝতেছি না #:-S

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৫৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বুঝাবুঝির কিছু নাই, চোখ বন্ধ করে পোষ্টান!
আপনার লেখা পুরানো হলেও আমাদের কাছে তো নতুন, তাইনা!

১৬| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:২২

ফয়সাল রকি বলেছেন: পোষ্ট একটা দিয়েছি, সময় করে দেখে আসবেন। ধন্যবাদ।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৫৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এখনই যাচ্ছি। :)

১৭| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪২

নীলপরি বলেছেন: অসাধারণ একটা তথ্যমূলক পোষ্ট । খুব ভালো লাগলো ।

শুভকামনা

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:২৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আর ইংরেজী নববর্ষের অগ্রীম শুভেচ্ছা।

১৮| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:২১

কালীদাস বলেছেন: সবুজ স্ট্যাম্পটা সম্ভবত দেখেছি ছোটবেলায়। বাংলাদেশ বানান যে ভেঙে লেখা হত আসলেই জানতাম না। বাকিগুলো দেখিনি।

১৯৭২ পর্যন্ত বাংলায় ফাকিস্তান লেখার কারণটা আসলেই বুঝলাম না। একটা কারণ হতে পারে, পশ্চিম ফাকিস্তান থেকে অসংখ্য পরিবার পরবর্তী বছরগুলোতে বাংলাদেশে চলে এসেছে। কেউ কেউ এসে সব মুক্তিযোদ্ধা মেরে শেষ করে প্রেসিডেন্ট এবং পরে সরকারের বিশেষ দূত পর্যন্ত হয়েছে X((

চমৎকার পোস্ট, মফিজ সাহেব। থ্যাংকস :)

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সবুজ রং এর স্ট্যাম্প তো তিনটা; কোনটার কথা বলছেন?

পশ্চিম পাকিস্তান থেকে অসংখ্য আটকেপড়া বাঙ্গালী পরিবার পরবর্তী বছরগুলোতে বাংলাদেশে চলে এসেছিল। অনেকে আফগানিস্থান বর্ডার দিয়ে জীবন বাজী রেখে পালিয়েও এসেছিল। একটা বই আছে এ সম্পর্কীত, আবদুল হাই এর ''ফিরে চলো", সম্ভবতঃ (সঠিক মনে করতে পারছি না)। পড়ে দেখতে পারেন, আমার খুব ভালো লেগেছিল।

যারা দেশের টানে এসেছিল, কিংবা ওদের দ্বারা অত্যাচারিত হয়ে এসেছিল, তারা বেশীরভাগই উচ্চ-পদস্থ কর্মকর্তা ছিল। তারা দেশে এসে কেউ মুক্তিযোদ্ধা মেরেছে বলে শুনিনি। :)

তবে কয়েকটা পচা আপেল তো সব ঝুড়িতেই থাকে / থাকতে পারে, তাই না! তাই বলে সব আপেলকেই পচা বলবেন?

১৯| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৩

সামিয়া বলেছেন: তথ্য সমৃদ্ধ লেখা---------

উপকারী পোস্ট --

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:১০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।
জনগনের উপকার করা আমার কাছে একটা নেশার মতো......তাই চেষ্টা থাকে উপকারী পোষ্ট লেখার। :)

২০| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:০৪

কালীদাস বলেছেন: ৪ নাম্বার ছবির টপরাইট কর্ণারেরটা। এই ফ্ল্যাগটা আমাকে খুবই আন্দোলিত করে, যখনই দেখি!

ফাকিস্তানে অনেকেই আটকে পড়েছিল, এবং তাদের অনেকে আসলে বিপদেই ছিল। কিন্তু আমি যে স্পেসিফিক লোকটির কথা বলেছি, সে সিমলা চুক্তির আন্ডারে দেশে ব্যাক করে এবং সেনাবাহিনীতে জয়েন করে এরপর প্রেসিডেন্ট হয় দেশের আশির দশকে!! জেনারেল জিয়ার হত্যাকান্ডের বিচারের কথা মিন করেছি। সব আপলকে পঁচা বলিনি :)

বইয়ের সাজেশনের জন্য থ্যাংকস। পড়ে দেখার আগ্রহ থাকল :)

জিজ্ঞেস করতে ভুলে গিয়েছিলাম: ছোটবেলায় স্ট্যাম্প জমাতেন নাকি? টেকনোলজির ধাক্কায় সাত আট বছর পর কেউ এই পোস্ট পড়লে হয়ত স্ট্যাম্প কি প্রশ্ন করে বসতে পারে :P

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এই ফ্ল্যাগটা আমাকে খুবই আন্দোলিত করে, যখনই দেখি একদম আমার মনের কথা! আমাদের এখনকারটাও সুন্দর, কিন্তু এটার আবেদনই আলাদা। এটাই রেখে দেয়া উচিত ছিল।
আপনার ওই স্পেসিফিক লোক তো কোটিতে একটা। =p~ আসলেই একটা পিস, একেবারেই রেয়ার স্পিশিজ!! ওটা দেশে না আসলেই ভালো ছিল।
স্ট্যাম্প আমি এখনও জমাই, শখটা আর ছাড়তে পারিনি। টেকনোলজির ধাক্কায় সাত আট বছর পর কেউ এই পোস্ট পড়লে হয়ত স্ট্যাম্প কি প্রশ্ন করে বসতে পারে :P কিংবা মনে করতে পারে ক্রিকেটের স্ট্যাম্প এর কথা বলছি! আমাদের দেশের চিত্র অবশ্য এমনটাই। তবে, এখানে, বৃটেনে এখনও আগের মতোই এর ব্যবহার হয়। পোষ্ট অফিস এখনও যোগাযোগের একটা বিরাট মাধ্যম। এর জন্য অবশ্য আমাদের পোষ্টাল সার্ভিস অনেকাংশেই দায়ী, নয়তো লোকে এখনও ব্যবহার করতো।

২১| ০৩ রা মার্চ, ২০২০ রাত ২:৩৬

শের শায়রী বলেছেন: পোষ্ট খান প্রিয়তে গেল। আপনে কৈ?

০৩ রা মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্রিয়তে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। হে হে হে......বান্দা অলরেডি হাজির!! :)

২২| ০৩ রা মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪০

শের শায়রী বলেছেন: এই জায়গায় রাইখা দিছি যে জায়গায় আমার সাত বছরের সব অমূল্য ধন লুক্কায়িত B-) শের শায়রীর রহস্যের দুনিয়ায় স্বাগতম

০৩ রা মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বারে বারে ধন্যবাদ দেওনের কাম নাই। আমাগো বাঘ জাতিতে এর চলও অতোটা নাই, কি কন!! :P

তয় আপনের সাত বছরের সব অমূল্য ধনের মধ্যে এইটারেও শামিল করছেন......চিন্তা কইরাই আনন্দ হইতাছে। :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.