নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুয়া মফিজ

ভুয়া মফিজের সাথে ভুয়ামি না করাই ভালো...

ভুয়া মফিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সখী তুমি কার?

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:১৫




গত শুক্রবারের ঘটনা। সকাল ১১টার দিকে এক দেশী ছোটভায়ের এন্ট্রি ঘটলো আমার অফিসে। মুখ-চোখ শুকনা, উদভ্রান্ত চেহারা।
বললো, ভাই, ভীষণ বিপদে পড়ছি। আপনে ছাড়া এই বিপদ থেকে কেউ আমারে উদ্ধার করতে পারবে না।
আমি বললাম, আমি তো উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা না। তবে ঘটনা বলো দেখি, আমার সাধ্যে যদি কুলায় অবশ্যই সাহায্য করবো।

অফিসের বাইরে গিয়ে ধুমপান করতে করতে ওর কাহিনী শুনলাম।

মাস তিনেক আগে এক ডেটিং সাইটের মাধ্যমে জনৈক রোমানীয়ান মেয়ের সাথে ওর বন্ধুত্ব হয়। বন্ধুত্ব থেকে প্রেম। একপর্যায়ে ওরা সিদ্ধান্ত নেয় বিয়ে করার। সিদ্ধান্ত মোতাবেক মেয়ে ইংল্যান্ডে আসার টিকেট করে এখন বুখারেস্টের হেনরী কোয়ান্ডা এয়ারপোর্টে বসে আছে। কেন? কারন মেয়ের কাছে কোন টাকা-পয়সা নাই। রোমানীয়ান ইমিগ্রেশান ওকে আটকে দিয়েছে, এই বলে যে, কোন টাকা ছাড়া সে কোন বুদ্ধিতে ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে উড়াল দিতে চায়?

মজনু ছোটভাই তার লাইলীর সাথে কথা বলেছে, ইমিগ্রেশান অফিসারের সাথেও কথা বলেছে। ইমিগ্রেশান অফিসারের কথা অনুযায়ী ওকে ওয়েস্টার্ণ ইউনিয়নের মাধ্যমে ৮০০ পাউন্ড পাঠাতে হবে। তাহলে মেয়েকে অনুমতি দেয়া সম্ভব হবে। এখন টাকা পাঠাতে ফটো আইডি লাগবে যেটা ওর নাই (ড্রাইভিং লাইসেন্স নাই, পাসপোর্ট হোম অফিসে)। গোদের উপর বিষফোড়ার মতো ওর কাছে ৮০০ পাউন্ডও নাই, ২০০ আছে। এদিকে হাতে সময়ও নাই। এতো এতো 'নাই' এর মধ্যে আমার কাছে ওর সবিনয়ে নিবেদন, আমি যেন আমার ফটো আইডি এস্তেমাল করে, আমার টাকা পাঠিয়ে ওই মেয়েকে এখানে আনার ব্যবস্থা করি।

ওকে অবশ্য আমার টাকা দিতে কোন সমস্যা নাই। সে একজন বিশ্বাসযোগ্য মানুষ। তাছাড়া একজন 'মফিজ' হিসাবে আমি এমনিতেই সবাইকে বিশ্বাস করি।
ওকে বললাম, দেখো ছোটভাই, টাকা পাঠাইতে আমার কোন সমস্যা নাই। কিন্তু তুমি যেই কাহিনী আমারে শুনাইলা, তাতে আমি মোটামুটি ৯০ ভাগ নিশ্চিত যে, তুমি প্রতারকের খপ্পড়ে পড়ছো। এই মেয়ে তোমার টাকা নিবে, কিন্তু তোমার কাছে আসবে না। তাছাড়া কোন ইমিগ্রেশান অফিসার তার কাজ-কাম ফালায়া ওই মেয়ের হয়া তোমার সাথে কথা বলবে না।

ছোটভাই দার্শনিকের মতো উত্তর দিলো, কতো টাকা কতোখানে যায়, কিছু টাকা না হয় রোমানীয়া গেলই! তবে ও আসবে, আমি নিশ্চিত। আমাকে খুব ভালোবাসে। এক দাদী ছাড়া এই দুনিয়াতে ওর কেউ নাই। সেই দাদীর সাথেও আমার কথা হইছে। দাদীই তার নাতনীর দায়িত্ব আমারে নিতে কইছে। তাছাড়া, আমারে বোর্ডিং পাসের ছবিও একটু আগে পাঠাইছে।
আমি বললাম, শোনো টেলিফোনে আমিও তোমার আব্বা হইতে পারি, অসুবিধা কি? কই দেখি বোর্ডিং পাসের ছবি? আর আমারে মেয়ের ছবিও দেখাও।

বোর্ডিং পাস দেখি ঠিকই আছে, তবে প্রতারকরা কাচা কাজ করবে এটা আশা করাও ঠিক না। মেয়ের ছবি দেখে তো আমার নিজেরই চোখ ট্যারা হয়ে গেল, ছোটভায়ের অন্ধ হওয়া অস্বাভাবিক কিছু না! এই মেয়েকে দেখে প্রেমে না পড়াটা ফৌজদারী অপরাধ বলে গন্য হওয়া উচিত। আমারই তো ইচ্ছা করছে প্রেমে পড়ি! বুকের ভিতরে কেমন একটা চিনচিনে ব্যথা অনুভব করলাম। মনের মধ্যে লক্ষ লক্ষ প্রজাপতি উড়াউড়ি শুরু করে দিল! মনে হলো যেন শরীরে বসন্তের বাতাসের মৃদু-মধুর স্পর্শ অনুভব করলাম। আমার চেহারা দেখে ও পরিস্থিতি সম্ভবতঃ আচ করতে পারলো। আমার হাত ধরে বললো, ভাই, হাতে সময় নাই। একটু সাহায্য করতেই হবে আপনের এই ছোটভাইরে।

এই ছেলের আবার ইউকেতে রেসিডেন্ট স্ট্যাটাসে সমস্যা আছে। ইউরোপিয়ান বিয়ে করতে পারলে তার সেই সমস্যারও সমাধান হয়। আমাকে জানালো গতসপ্তাহেই ও মেয়েকে ৩০০ পাউন্ড পাঠিয়েছে ইমার্জেন্সী পাসপোর্ট আর টিকেট করার জন্য। আমি বললাম, ওকে। সাহায্য করতে আমার আপত্তি নাই। কিন্তু এই মেয়ে ভুয়া, আমি নিশ্চিত। টাকা নিয়া উধাও হয়ে যাবে। তারপরে ওর করুণ চেহারার দিকে তাকিয়ে বললাম, ঠিক আছে, চলো। টাকা পাঠাই। কিন্তু মনে রাইখো, আমি তোমারে সাবধান করছিলাম।

ওয়েস্টার্ণ ইউনিয়নের মাধ্যমে আমি অনেকবারই এদিক-সেদিক টাকা পাঠিয়েছি। শেষবার পাঠিয়েছি প্রায় বছর দুয়েক আগে। আইডি, টাকা, ফিলআপ করা ফর্ম দিয়ে কাউন্টারে অপেক্ষা করছি। কাউন্টারের মেয়েটা বললো, তোমার টাকা যাচ্ছে না, 'অন হোল্ডে' আছে। তোমার নাম্বারে কল আসবে, কথা বলো; কিছু সিকিউরিটি চেকআপের ব্যাপার-স্যাপার আছে। এটা আমার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা, এমনটা আগে কোনবারই হয়নি। ফোন নাম্বার দেয়া ছিল ছোটভায়েরটা। কল আসলো, ও কথা বললো এবং আল্লাহর কি রহমত, টাকা পাঠানো গেল না। ওরা নাকি এতো টাকার ট্রান্জেকশানের জন্য যে কারন প্রদর্শিত হয়েছে তাতে সন্তুষ্ট না।

এর মধ্যেই ছোটভাই মিনিটে মিনিটে সেই মেয়ে আর ইমিগ্রেশান অফিসারের সাথে কথা বলছে। মেয়ে ওদিক থেকে কান্নাকাটি করে বলছে, এখন সে কোনমুখে দাদীর কাছে ফিরে যাবে! কাউন্টারের মেয়েটা আমার পরিচিত। আমাকে বললো, ঘটনা কি? তুমি রোমানীয়ায় কাকে টাকা পাঠাও? আমি ঘটনা সবিস্তারে বর্ণনা করলাম।
সে বললো, দাড়াও, আমার এক রোমানীয়ান বান্ধবী আছে, তাকে কল দেই। সব শুনে ওই বান্ধবী যা বললো, তাতে আমি যেসব পয়েন্টে সন্দেহ করছিলাম তা বহুলাংশে মিলে গেলো।

বাইরে এসে ছোটভাইকে বললাম, তুমি মিলাদ দিও একটা। বড় বাচা বাইচা গেলা আজকে। আমার তো এখনও বুঝে আসে না ওয়েস্টার্ণ ইউনিয়ন টাকা আটকায় দিল কি মনে কইরা? মনে করো, এইটা আল্লাহ তোমারে সরাসরি রহমত করছে।

সর্বশেষ ঘটনা হলো, ওই মেয়ে ওকে জানিয়েছে, এয়ারপোর্ট থেকে ওর বাসা প্রায় ৪ ঘন্টার পথ। বাসায় ফেরত যাওয়ার ট্যাক্সি ভাড়া ওর কাছে নাই। সেজন্যে ১০০ পাউন্ড যেন পাঠায়!!

শুনে আমার মনে একটা কথাই আসলো, সখী তুমি আসলে কার? ছোটভায়ের, নাকি অন্য কারো, নাকি অন্য আরো অনেকের?

(ঘটনা কিন্তু আমার বানানো না, ১০০% সত্যি। আমি শুধু ছোটভায়ের নামটা বলি নাই! পুরো ঘটনা ঘটার পর মনে হলো এটা আপনাদের না জানালে আমার পেটের ভাত হজম হবে না, তাই লিখে ফেললাম।)


ছবিঃ ইন্টারনেট থেকে।

মন্তব্য ৬২ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৬২) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:২৫

মা.হাসান বলেছেন: ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন বা মানিগ্রামের মাধ্যমে এ ধরণের প্রতারনা নতুন না। আপনার বুদ্ধি দেখে মনে সন্দেহ জাগে ব্লগার করুণাধারা আপা যে মফিজের কথা লিখেছিলেন আপনার সঙ্গে তার পরিচয় বা আত্মিয়তা আছে।
মানিগ্রাম বা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন টাকা পাঠানোর বিষয়ে খুব সতর্ক। বিশেষ করে প্রেরক বা প্রাপকের মুসলিম কমন নেম থাকলে প্রথম ট্রানজ্যাকশনের ব্যাপারে প্রায় অবধারিত ভাবে তারা হোল্ডে রাখে।
যার ৮০০ পাউন্ড বাচায়ে দিলেন তার কাছ থেকে ২০০ পাউন্ড কমিশন দাবি কর‌তেই পারেন, পাইলে সে ক্ষেত্রে আমারে ৫০ পাউন্ড দিয়েন। :-B

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৪২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার বুদ্ধি দেখে মনে সন্দেহ জাগে ব্লগার করুণাধারা আপা যে মফিজের কথা লিখেছিলেন আপনার সঙ্গে তার পরিচয় বা আত্মিয়তা আছে। হে হে হে....এইটা একটা কথা কইলেন? তারে তো আমি চিনিই না।

আসলে এর আগে কোনসময় এভাবে আটকায় নাই, সম্ভবতঃ এটা তারা নতুন করেছে। আমার নাম খুব কমন মুসলিম নামের মধ্যে পরে না। আর ওই মেয়ে তো খৃষ্টান! তাছাড়া, ওদের ওখানে আমার একাউন্ট আছে, আমি বহুত পুরানো ক্লায়েন্ট। যাই হোক, আমার জরুরী ব্যাপার থাকলে হাউ-কাউ লাগিয়ে দিতাম। ওরটা যেহেতু আমি শিওর ছিলাম যে, স্ক্যাম....তাই চেপে গিয়েছিলাম।

২০০ পাউন্ড ওর থেকে আমি নিতেই পারি.....কিন্তু আপনেরে ৫০ পাউন্ড দেওয়ার তো কোনো কারন দেখি না!! =p~

২| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৩২

জুন বলেছেন: হ ঠিকই এক্টু পরেই ভাত খাইতে যামু। এই কাহিনি না পইড়া গেলে সত্যি কইতাছি আমার পেডেও ভাত হজম হইতো না ভুয়া মফিজ ;)
তবে এই কাহিনিও বিয়োগান্তক :((
এখন যাই পরে এসে বলবো বাকিটা =p~
প্লাস দিয়ে গেছি কিন্ত।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্লাসের জন্য আপনেরে কি কয়া যে ধন্যবাদ দিমু বুঝতে পারতাছি না।

এই কাহিনী তো আমি বানাই নাই.....আমার কিছু করারও নাই। তবে আপনেরে কথা দিলাম, আমার নেক্সট গল্প মিলনাত্বক-ই হইবো। :)

৩| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: এয়ার পোর্টে আটকে যাওয়াতেই সন্দেহ শুরু! আজকাল কতকিছুই যে সম্ভব।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এটা লাখ টাকার একটা কথা বলেছেন। আমার প্রথম সন্দেহ এখানেই হয়েছিল।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কোন এক দেশ থেকে আরেক দেশে গেলে ইমিগ্রেশানে কিছু জিজ্ঞেস-ই করে না, টাকার কথা তো বহুত পরে! তখনই বুঝেছিলাম যে, এই মাইয়া ওর মাথায় কাঠাল ভাঙ্গতে চাচ্ছে! :)

৪| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০৩

মুক্তা নীল বলেছেন: ভাই,
সত্যিই হাসালেন বটে , হোক না কোন রোমানীয় প্রতারণার নাটক । ভাবতে অবাক লাগে , ঐ দেশেও এ রকম.....।

এই মেয়েকে দেখে প্রেমে না পড়াটা ফৌজদারী অপরাধ বলে গন্য হওয়া উচিত। আমারই তো ইচ্ছা করছে প্রেমে পড়ি! বুকের ভিতরে কেমন একটা চিনচিনে ব্যথা অনুভব করলাম...... আহা!!!
এমন সময়েও এতো ফিলিংস। অবশ্য এটাতো আপনাদের স্বহজাত স্বভাবের বৈশিষ্ট্য। (হা হা হা) মাইন্ড করলেন না-তো?

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:১২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্রতারক সব দেশেই আছে। রোমানীয়ায় না থাকার কোন কারন নাই।

আপনার কথায় মাইন্ড করার কিছু নাই। প্রেমে পরা প্রত্যেকের একটা গনতান্ত্রিক অধিকার। না পরাটাও তেমনি। যার যেটা ভালো লাগবে, সে সেটাই করবে। :)

৫| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:১৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
খুব সুন্দর বর্ননা দিলেন, এক নিঃস্বাসে পড়া যায়।
আমেরিকার ভেতরেও বাটপার প্রচুর। ভুয়া আইআরএস এজেন্ট সেজে ফোন করে অনেক আবুলকে বাঁশ দিয়ে যাচ্ছে।

ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন টাকা পাঠাতে প্রেরক বা প্রাপকের মুসলিম কমন নেম থাকলে ট্রানজ্যাকশন হোল্ডে রাখে।
এটা ভুয়া কথা।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ ডলার আসে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নএর মাধ্যমে, কখনো আটকাইছে বলে শুনি নি।
শুধুমাত্র প্রেরক বা প্রাপক নাম ভেরিফিকেশনে সন্দেহ, বা নাম বা ঠিকানা (পুর্বে বাটপার হিসেবে) কালো তালিকায় থাকলে টাকা আটকাবে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:২১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার কথায় যুক্তি আছে।
আমি বহুবার দেশে টা্কা পাঠিয়েছি। ৮০০ পাউন্ডের চেয়ে বড় এমাউন্টও পাঠিয়েছি....কোনদিন এমন সমস্যা হয়নি। আমার নাম কালো তালিকায় থাকার তো প্রশ্নই আসে না, সম্ভবতঃ ওই মেয়ের নাম দেখেই কিছু একটা সন্দেহ করেছে।
আর ছোটভায়ের সাথে কথা বলেও সম্ভবতঃ ওরা কিছু আচ করতে পেরেছে। পরে একসময় গিয়ে শুনবো, আসল ঘটনা কি, কেন আটকালো।

৬| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:২৯

করুণাধারা বলেছেন:

গতকাল পাওয়া মেসেজের স্ক্রিনশট উপরে দিলাম। প্রতারণার ফাঁদ পাতা ভুবনে/ কে কোথায় ধরা পড়ে কে জানে..........

গল্পটা ভালো লাগলো। ছোট ভাইয়ের বিপদ অল্পের উপর দিয়ে গেছে......

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৪১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আজকের পাউন্ডের রেট হিসাবে বাংলাদেশী টাকায় এটা ৫,৫৬,৫০,০০০। কনগ্রাচুলেশানস.....আপনি অতি শীঘ্রই কোটিপতি হতে যাচ্ছেন। =p~ =p~

প্রতারকদের খপ্পর থেকে বাচতে সাবধানতার কোন বিকল্প নাই।
ও তো খপ্পরে পরার জন্য রেডি হয়েই ছিল.....নেহায়েত কপাল জোড়ে বেচে গিয়েছে।

৭| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৩১

করুণাধারা বলেছেন: মন্তব্য দেখি ছবি যোগ করা যায়!! তাহলে তো নতুন নকীবের বিপদ কমে নাই....... :(

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৪৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: মন্তব্যে ছবি যোগ করা যায়।
উনি বেচে যাচ্ছেন...সেই সাথে আমরাও; কারন, নতুন নিকের রেজিস্ট্রেশান করেই মন্তব্য করার অপশান আপাততঃ বন্ধ.....এই কারনে।

৮| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৩৭

নজসু বলেছেন:




সখী কাররো নয়......
সখী শুধু সুজনের :-B

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৫১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যাক তাহলে.....সখী কার এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেল শেষ পর্যন্ত। :)
তবে নামটা কেমন যেন চেনা চেনা ঠেকছে! আচ্ছা....এই সুজন কি নজসু-র কেউ হয়?

৯| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: যুগ যুগ ধরে এরকম ব্যবসা চলছেই। কিছু বোকা মানুষ ধরা খেয়ে যায়।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৫৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কিছু বোকা মানুষের জন্যই কিছু চালাক মানুষ খেয়ে-পরে বেচে আছে, কি বলেন! :)

১০| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:০০

আখেনাটেন বলেছেন: ওরে কত ধরণের প্রতারণা রে!! আপনার ছোটভাইকেই ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নে করে রোমানিয়াতে পাঠিয়ে দিলেন না ক্যান? :P

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:০৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দেখছেন নাকি কান্ড! এই বুদ্ধি তো আমার মাথায় আসেই নাই।

এই জন্যই কোন এক বিদ্বান ব্যক্তি কোন এক সময় বলেছিলেন, 'সবসময় জ্ঞানীদের দ্বারা পরিবেষ্টিত অবস্থায় থাকার চেষ্টা করিবা। আর এনাদের মধ্যে যদি কোন প্রাচীণ মিশরীয় সম্রাট থাকেন....তাহলে তো সোনায় সোহাগা।' ;)

১১| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:২৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হাহাহাহাহা প্রিয় মফিজ ভাই দারুন মুখরোচক গল্প । পড়ে চমৎকৃত হলাম। তবে কমেন্ট দাতাদের মধ্যে এখনো শ্রদ্ধেয় গাজীসাহেব এখনো আসেননি। এলে হয়তো আপনার নিক নিয়ে অহেতুক সন্দেহ করতেন। আমরা অবশ্য আপনাকে নিয়ে একদম সন্দেহ করি না। করুনাধারা আপু যাই শিখুন না কেন আমাদের মনে আপনি সাচ্চা হয়ে আছেন। বয়সন্ধির এমন মাসুম বাচ্চা ভাইকে যে বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পেরেছেন জেনে খুশি হলাম। আমার পাশ থেকে অপরিচিত একজন মন্তব্য করলেন, আধুনিক যুগে রাম- লক্ষণ বলে। আমি অবশ্য ব্যাটাকে দু কথা শুনিয়ে দিয়েছি আপনার নাম এরকম কুমন্ত্রণা দেওয়ার জন্য। কত কষ্ট করে বিদেশে থেকে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ডলার উপার্জন করে ভাইকে রক্ষা করলেন সেটা বড় হলো না; তা নিয়ে আবার টিপ্পনী কাটা।
আমি সব সময় আপনার দলে হা হা হা হা. ।


১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্রথমেই জানিয়ে রাখি, এটা কিন্তু গল্প না, সত্যি ঘটনা।
গাজীভায়ের 'ভূয়া' শব্দটাতে এলার্জী আছে :)। আপনার জানা ভালো কোন হোমিওপ্যাথির ডাক্তার আছে?

টিপ্পনী কাটার লোকের কি অভাব আছে এই দুনিয়াতে! তবে দুর্মুখেরা সবসময়েই আকথা-কুকথা বলতে থাকবে। গায়ে মাখলে চলবে না। আমরা আমাদের কাজ করে যাবো....কি বলেন!! ;)
দলের সদস্যসংখ্যা বাড়াতে হবে। দেখেন, মিশর-অধিপতি আর গাজীভাইকে দলে টানতে পারেন কিনা। :P

১২| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:০১

আরোগ্য বলেছেন: আল্লাহর রহমতে ছোট ভাই মফিজ হইতে হইতে বেঁচে গেল। B-)

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৩১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ভালো কথা বলেছেন। মফিজ প্রায় হয়েই গিয়েছিল.......একটুর জন্য!! :)

১৩| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


নিক থেকে "ভুয়া" বাদ দেয়ার অনুমতি দিলাম।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এটা আর নতুন কি?
'ভুয়া' বাদ দেয়ার অনুমতি দেয়ার জন্য তো আপনি অনেক আগে থেকেই একপায়ে খাড়া।
আচ্ছা যান, আপনার সন্মানে নিক-ই বদলে ফেলবো.....কা_ভা ভাইকে যদি রাজি করাতে পারেন! :)

১৪| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:০৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: বড় বাঁচা বেঁচে গেল ছুটু ভাইডি ;)

ভাগ্যিস ওই ঠাকা আটকে দিয়েছিল ;)
হা হা হা

মজারু কাহানি

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: হ্যা....আটকে না দিলে আম আর ছালা দু'টাই যেতো। তবে এখনও ওই মেয়েকে বেচারা ভুলতে পারছে না।

শক কাটতে সময় লাগবে! ;)

১৫| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:১০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: হা হা হা এমন অফার আমার কাছে অনেক বারই এসেছে। তবে জীনের বাদশার সাথে কখনো কথা বলেছেন? কিছুক্ষণ ওদের কথা শোনার পর বিশ্বাস হতে শুরু করে, আমি ওদের সাথে কথা বলেছি একদিন ৩০ মিনিটের মত, তারপরই আর কেটে দিয়ে কল রিসিভ করিনি, আমার মনে হয় ওরা প্রতারণা করতে করতে এক ধরনের সম্মহনী শক্তি অর্জন করেছে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: জ্বীনের বাদশাহদের কথা শুনেছি। কোন এক টিভি রিপোর্টিং এ এদের কাজ-কারবারও দেখেছিলাম। তবে আমার কোন বাস্তব অভিজ্ঞতা নেই এ ব্যাপারে। কিছু বিশেষত্ব তো এদের নিশ্চয়ই আছে, নাহলে লোক-জন এদের ফাদে পা দেবে কেন?
ইনফ্যাক্ট, সব প্রতারকদেরই কিছু না কিছু কারিশমা থাকে।

১৬| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:২৩

পুলক ঢালী বলেছেন: অবিশ্বাস্য প্রতারনার ফাঁদ! যাই হোক ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন বাঁচিয়ে দিয়েছে । আমাদের যেমন শতকোটি ডলারের যায়গায় ১০ কোটির উপর দিয়ে গেছে সেরকম। সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র সেটা প্রতারনার ক্ষেত্রেও----। :D
বর্ণনা সুন্দর হয়েছে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্রতারণার জন্য কোন না কোন অস্ত্রতো লাগেই।
এক্ষেত্রে ছিল 'সুন্দর মুখ'!

প্রতারকদেরকে ইনোভেশানের জন্য পুরস্কার দেয়া উচিত। কতো বুদ্ধি করে একেকটা উপায় বের করে! :)
এই উদ্ভাবনের জন্য হলেও এদেরকে কিছু টাকা দেয়া উচিত।

১৭| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৩

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: ভাই, আপনার বুকের ভেতর চিনচিনে ব্যথাটা কি এখনও আছে? :P

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৫১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ব্যাথাটা এখন কমের দিকে......তবে দীর্ঘশ্বাসের পরিমান বেড়ে গিয়েছে! =p~

জানেন তো, 'বড় প্রেম শুধু কাছেই টানেনা, দুরেও ঠেলে দেয়!' ;)

১৮| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৫

নতুন নকিব বলেছেন:



সত্যি ঘটনাটাকেই আপনার চমৎকার উপস্থাপন কৌশল মজাদার রম্যে পরিনত করেছে। আখেনাটেন ভাইয়ের সাথে সহমত পোষণ না করে পারছি না। ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন ব্যবহার করে ছোট ভাইকে রোমানিয়া প্রেরণের দাবি আমাদেরও।

@বোন করুনাধারা,
ব্লগ যেন নোংরা মানসিকতার মানুষের বিচরণ ক্ষেত্রে আর কখনোই পরিনত না হয়। ওদের জন্য ধ্বংসের নয়, পথপ্রাপ্তির দুআই করি।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:১১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ছোটভাইকে রোমানীয়া পাঠানোর প্রস্তাব দিলেই ও নিশ্চিত রাজি হয়ে যাবে, সেটা যেভাবেই হোক। :)

সুস্থ ব্লগ আর সুস্থ মানসিকতাসম্পন্ন ব্লগার আমাদের সকলেরই কাম্য। আপনার দোয়া ওদেরকে বদলে দিক, এটাই প্রত্যাশা।
ভালো থাকবেন।

১৯| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৪৩

বলেছেন: রোমানিয়ানরা আসলেই বজ্জাত - বেনিফি, কার্ড, প্রসট্টিটিউশন রিং, গাড়ি, বাড়ি ডাকাতি সবি ওরা করে থাকে।
আপনার লেখাটা পড়ে সত্যি মজা পেলাম। সবার জন্য এটা একটা মেসেজ।
অনলাইনে কাউকে বিশ্বাস না করা শুধু ভুয়া মফিজের কাজ নয় আমাদের সবার দায়িত্ব।



শুভ কামনা।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:১৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমি অবশ্য কোন জাতিকে ঢালাওভাবে বজ্জাত বলার পক্ষে না ল'ভাই। বজ্জাত সব দেশেই আছে। ব্রিটেনে যেসব রোমানীয়ানরা আছে তাদের মধ্যে বজ্জাতের সংখ্যা বেশী, এটা ঠিক। 'কারন' অবশ্য অন্য আলোচনা, কোন একসময় করা যাবে।

সত্যি ঘটনা, তবে একটু মজা করে লেখার চেষ্টা করেছি। আপনি মজা পাওয়াতে মনে হচ্ছে কিছুটা সফল। :)

প্রতারণা একটা আর্ট। প্রতারকরা নিঃসন্দেহে গড়পরতা মানুষ থেকে বেশী চালাক। সুতরাং, নিজেদের সাবধান থাকার কোন বিকল্প নাই। সাবধানে থাকবেন। ;)

২০| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৩৫

মা.হাসান বলেছেন: এক নম্বর মন্তব্যের একটি তথ্যের বিষয়ে ৫ নম্বর মন্তব্যে যা বলা হয়েছে তার প্রেক্ষিতে এই পাল্টা মন্তব্য করতে বাধ্য হলাম।

ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন/ মানিগ্রাম থেকে আমার প্রেরিত টাকা চারবার হোল্ডে রাখা হয়েছিল। দুইটি ট্রানজেকশন এর ডেস্টিনেশন ছিল বাংলাদেশ এবং দুইটির ডেস্টিনেশন ছিল পূর্ব ইউরোপের দুইটি দেশ। প্রথমবার মানিগ্রামের কাস্টমার সার্ভিসে ফোন করার পর পাসপোর্ট এর স্ক্যান কপি ইমেইল করতে হয়েছিল। কাস্টমার সাপোর্ট থেকে আমাকে বলা হয়েছিল আমার নামটা সন্দেহজনক নামের তালিকায় ছিল। পরের তিন বার পাসপোর্ট এর কপি পাঠাতে হয় নাই তবে ফোন করে হোল্ডকে অান হোল্ড করতে হয়েছিল। পূর্ব ইউরোপের একটি ট্রানজেকশনের ক্ষেত্রে কাস্টমার সাপোর্ট থেকে আমাকে বলা হয়েছিল কম্পিউটার কিছু র‌্যানডম হোল্ড করে থাকে যার মধ্যে আমারটা পড়েছিল। কিছু মুসলিম নাম যে সন্দেহজনক তালিকায় আছে তারা নিচের লিঙ্ক থেকে দেখা যাবেঃ
https://www.quora.com/Why-does-Western-Union-hold-funds

লিংকের এসডিএন (Specially Designated Nationals List -SDN) লিস্টটি লক্ষ্য করুন। প্রথমে কয়েকটি অর্গানাইজেশন এর নাম দেওয়া আছে। পরে কিছু ব্যক্তির নাম দেওয়া আছে। ব্যক্তির নামের ক্ষেত্রে কয়েকটি নাম বাদে সবগুলি মুসলিম নাম। আমার জানা মতে ২০০২ সালের পর থেকে সন্ত্রাসিদের অর্থায়নের উৎস বন্ধ করার জন্য (এবং কিছু স্ক্যাম বন্ধ করার জন্য) এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে (সালের বিষয়ে ভুল হতে পারে) । এটি ইউএস ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের তৈরি লিস্ট, ২০১৯ সালে শেষ আপডেট হয়েছে। এই লিস্ট যুক্তিযুক্ত কিনা সে বিষয়ে মন্তব্য এখানে অপ্রাসঙ্গিক। আমার সবগুলো ট্রানজেকশনেরঅ্যামাউন্ট খুব সামান্য ছিল।

নিজের জ্ঞান-বুদ্ধির বাহিরে কোন বিষয় থাকলে তাকে ভুয়া কথা বা গাধার কথা যারা বলেন তাদের রুচি বোধ কি ধরনের তা বিবেচনার ভার অন্যদের উপর দিলাম, তবে এধরনের অহেতুক অসৌজন্যমূলক কমেন্ট একটি পোষ্টের সৌন্দর্যকে অনেকখানি ম্লান করে বলেই আমার মনে হয়। উনার এধরনের কিছু মন্তব্যের লিঙ্ক নিচে দিলামঃ
https://www.somewhereinblog.net/blog/belablog/30269003 (২৯ নম্বর কমেন্ট দেখুন। পোস্টটি ১৪০০ বারের বেশি দেখা হয়েছে, এখন পর্যন্ত ৪০ টি লাইক পেয়েছে)।

https://www.somewhereinblog.net/blog/hasras80/30271727#c12542168 (৩ এবং ১৪ নম্বর মন্তব্য দেখুন)।

ওনার বহুল পঠিত একটি পোস্ট দেখুন, ওনার চিন্তাধারা সম্পর্কে জানতে পারবেন (পোস্টটি প্রায় ৮০০ বার দেখা হয়েছে)।https://www.somewhereinblog.net/blog/mmdhw/30266437

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৩৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার লিঙ্কগুলো দেখলাম। বিশেষ করে এসডিএন (Specially Designated Nationals List -SDN) লিস্টটি। আমি ভাসাভাসা এ'ব্যাপারে জানলেও এতোটা স্পেসিফিক্যালী জানতাম না। আপনাকে ধন্যবাদ।

আসলে জানার কোন শেষ নাই। আর সবার পক্ষে সবকিছু জানা একটা অসম্ভব ব্যাপার। সেজন্যেই আমি চট করে কাউকে বা কোন কথাকে রুল আউট করি না। সন্দেহ থাকলে আরো ভালোভাবে জানার চেষ্টা করি। আর আজকাল মামার কল্যানে যে কোনকিছু জানা খুবই সহজ।

এখানে আমরা কেউ কাউকে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। কাজেই সহনশীলতা খুবই জরুরী, বিশেষ করে ব্লগের এই দুর্দিনে। প্রত্যেকেরই যে কোনও আদর্শ, দল, মত বা মানুষের প্রতি ব্যক্তিগত বিশ্বাস-অবিশ্বাস থাকতেই পারে। তবে সেটার প্রকাশে যেন কেউ আহত না হন; সেদিকে নজর দেয়া আমাদের সবারই দায়িত্ব।

আশাকরি, আমার এই কথা আবার কেউ ব্যক্তিগতভাবে নিবেন না। সবাইকে ধন্যবাদ। :)

২১| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৩৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: ভুয়া মফিজ,




এ্ইডা এক্কেরে জব্বর কতা কৈছেন - "সুন্দরী মেয়ে দেখে প্রেমে না পড়া ফৌজদারী অপরাধ"। =p~
আমি পুলিশ হৈলে এক্কেরে ফাঁসিতে ঝুলাইন্নার মতো অপরাধের চার্জশীট দিতাম। :#)

এরকম ঘটনা অহরহই ঘটে।
তবে আপনার অত্তোগুলি টাকা জলে ভেসে গেলোনা বলে একটা মৌলুদ-শরীফ পড়িয়ে দিয়েন।
চৌকষ লেখা, বর্ণনার ঢংয়ে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৪৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: "সুন্দরী মেয়ে দেখে প্রেমে না পড়া ফৌজদারী অপরাধ" আপনি এই কথায় একমত হওয়াতে ভালো লাগছে। ইংলিশে একটা কথা সেজন্যেই আছে Great minds think alike. :P

অনেকেরই ভাগ্য ভালো যে, আপনি পুলিশ না, হইলে আবার অনেকের খবরই ছিল!!

টাকা তো আমার না, ছোটভায়ের যেতো। ওকে বলেছি মিলাদের কথা। দেখি, পড়াইলে আপনার জন্যে তবারক রেখে দিব। :)

চমৎকার মন্তব্যে ভালো লাগা জী এস ভাই।

২২| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:১৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
সকাল বেলায় একটি অসাধারণ লেখা পড়লাম। এই ধরনের লেখা আরো লিখুন। জাতি উপকৃত হবে। সব চেয়ে বেশী উপকৃত হবো সম্ভবত আমি। কেননা, এমন সুন্দর লেখা পড়লে আমার সারাটা দিন খুব ভালো কাটবে।

অনেক অনেক শুভ কামনা। ভালো থাকুন সব সময়।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৪৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: একটা অসাধারন কমপ্লিমেন্ট দিলেন। কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা নাই।

আসলে দেশে-বিদেশে আমাদের চারপাশে এতো বিভিন্ন ধরনের ঠগবাজ আছে যে কি বলবো। এরা কখন যে কিভাবে আক্রমন চালাবে তা বোঝা আসলেই খুব মুশকিল। অনেক সময় মানুষ বুঝে-শুনেও সম্মোহিতের মতো এদের ফাদে পা দেয়। এদের প্রতারণা নিয়ে লিখলে অন্যরা সাবধান হতে পারে। তবে, এদের খপ্পড়ে পরলে অনেকে লোকলজ্জার ভয়ে চেপে যায়। এটাই সমস্যা।

২৩| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:১৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
পূর্ব ইউরোপের মেয়েরা অভাবের তাড়নায় অনেক বেশী ধান্ধাবাজি করে। আহা , কি কষ্ট তাদের।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৫২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: পূর্ব ইউরোপের মানুষ পশ্চিমের তুলনায় দরিদ্র এটা ঠিক, কিন্তু বৈশ্বিক বিচারে এরা কিন্তু দরিদ্র না। এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায়ই এরা ধনী। আর ধান্ধাবাজি অভাবের তাড়নায় যতো না করে, তার চেয়ে বেশী করে স্বভাবগত কারনে। এদের লক্ষ্যই থাকে বিনা পরিশ্রমে টাকা কামানো। :)

২৪| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৫

নাসির ইয়ামান বলেছেন: আমার মত আলাভোলা লোকদের চপেটাঘাত দিয়ে শিক্ষামূলক পোস্ট,আর চালাকদের জন্যে কমিক-পোস্ট!

যে গল্পে মগজ খোলে!

১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৫৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমিও কিন্তু আলাভোলা টাইপেরই মানুষ। এই ঘটনা আমার জন্যেও শিক্ষামূলক। :)

২৫| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৪

নাসির ইয়ামান বলেছেন: ২০)মা.হাসান

ধবল ধোলাই!

১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৫৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: :)

২৬| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:০১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ওনাকে বলে দিবেন বেশী চালাকি ভাল না।

আমি যা বলেছি স্পষ্ট ভাবেই বলেছি।
"শুধুমাত্র প্রেরক বা প্রাপক নাম ভেরিফিকেশনে সন্দেহ, বা নাম বা ঠিকানা (পুর্বে বাটপার হিসেবে) কালো তালিকায় থাকলে টাকা আটকাবে"।

সিআইএ এফবিআই ও মার্কিন হোমল্যান্ড সিকুরিটি বিভাগের প্রস্তুত করা কালো তালিকা ট্রেজারি, বিমানবন্দর, প্রভৃতি যাগায় দেয়া আছে। এরা সন্ত্রাসি, ড্রাগডিলার বা পলাতক আসামী। এদের টাকা আটকাবেই। শুধু টাকা না, এদের আমেরিকান বিমান বা আমেরিকাগামি বিমানে উঠতে দেয়া হয় না।

মুসলিম বা মোহম্মদ নামের লোকজন আটকায় এটাও সম্পুর্ন ভুল কথা।
হাজার হাজার মোহম্মদ প্রতিদিন টাকা পাঠাচ্ছেন, এয়ার ট্রাভেল করছেন কোন সমস্য হচ্ছে না।
শুধুমাত্র সম্পুর্ন নাম ও বয়স ছবি মিলে গেলে বা কাছাকাছি হলে তাকে ৩ স্তরে ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করে নিশ্চিত হওয়ার পর ছাড়ে।
প্রায় ঘন্টার উপর বসে থাকতে হয় ইমিগ্রেশনে ফাইনাল ভেরিফিকেশন না হওয়া পর্যন্ত।
টাকা আটকালেও দুই ধরনের ফটো আইডি কপি (পাসপোর্ট, গ্রীন কার্ড, বা ড্রাইভিং লাইসেন্স) পাঠাতে হয়।

ধন্যবাদ।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্রথমেই বলি, কুলডাউন। আপনারা দু'জনেই উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছেন।

আপনি বলেছেন, মুসলিম বা মোহম্মদ নামের লোকজন আটকায় এটাও সম্পুর্ন ভুল কথা।
আপনার কথায় যুক্তি আছে, তবে আমি একটু ('সম্পূর্ণ' শব্দটার সাথে) দ্বি-মতও পোষণ করতে চাই। আজকের দুনিয়ায় একটা তিক্ত বাস্তবতা হলো, শুধু মুসলমান হওয়ার কারনে ঝামেলা করা (আমি বলছি না সবসময়, তবে এমনটা হচ্ছে)। আপনাকে আমি অনেক উদাহরন দিতে পারি....তবে শুধু দু'টা দেই।

১) নিশ্চয়ই জানেন, শাহরুখের নামে খান থাকার কারনে সিকিউরিটি চেকের নামে তাকে আমেরিকার কোন এক এয়ারপোর্টে বেশ কয়েক ঘন্টা বসিয়ে রাখা হয়েছিল। এটা নিয়ে ভারতে অনেক হৈ চৈ-ও হয়েছিল এবং আমেরিকান কর্তৃপক্ষকে ক্ষমা চাওয়ার দাবীও তোলা হয় সেসময়।

২) আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু (সে একজন বৃটিশ নাগরিকও) মাস ছয়েক আগে আমেরিকা গিয়েছিল। নামের শেষে ইসলাম থাকার কারনে তাকে নিউইয়র্কে সিকিউরিটি চেকের নামে তিন ঘন্টা বসিয়ে রেখে ফেরত পাঠানো হয়। এ ব্যাপারে অভিযোগ করার পর লন্ডনের আমেরিকান দূতাবাস দুঃখ প্রকাশ করে তাকে চিঠি দিয়ে আবার আমেরিকা ভ্রমনের আমন্ত্রণ জানায়। তবে, সে তাদেরকে জানিয়ে দিয়েছে, যে দেশে এধরনের 'ইডিয়েট' আছে, সেই দেশে সে আর কোন দিন যাবে না।

এই দু'জনের কারো নামই কিন্তু কালো তালিকায় নাই, তবু কেন তাদেরকে হ্যারাস করা হলো? আপনিই বলুন।

২৭| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১:৪২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আপনি আবারো বুঝতে ভুল করেছেন

এই দু'জনের নাম কালো তালিকায় থাকলে তাদেরকে হ্যারাস না,
সোজা হাত পা বেধে গুয়ানতানামো কারাগারে পাঠানো হত।

এই দুজনের নাম ও বয়স ও ছবি 'কালো তালিকা ব্যক্তির' সাথে মিলে গেলে বা কাছাকাছি হলে তাকে ৩ স্তরে ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করে নিশ্চিত হতে হয়। ১ থেকে ৩ ঘন্টা বসে থাকতে হয়।

শাহরুখ কে প্রথমবার ২ ঘন্টার মত বসিয়ে রেখেছিল, দ্বিতীয় বার আধাঘন্টা। এরপর আর আটকায় নি।
কখনো কাউকে ফেরত পাঠানো হয় নি।


১৪ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:০৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কখনো কাউকে ফেরত পাঠানো হয় নি। আপনি আমার উত্তর ঠিকভাবে পড়েননি। আমার ইসলাম নামের বন্ধুকে ফেরতই পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ করার পর শুধুমাত্র বৃটিশ নাগরিক হওয়ার কারনে আমেরিকান দূতাবাস পরে দুঃখ প্রকাশ করে। সাব-কন্টিনেন্টের কেউ হলে তাও করতো না!

আর শাহরুখ এতোবার আমেরিকা যাওয়ার পরও 'কালো তালিকা ব্যক্তির' সাথে মিলে যাওয়া বুঝতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির তাকে দু-দু'বার আটকানো লাগে! এদের ইন্টেনশান তো জলের মতোই পরিস্কার! নয়তো এদের দক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তোলা যায়। অবশ্য যে দেশে ট্রাম্পের মতো লোক প্রেসিডেন্ট, সেখানে এটাই স্বাভাবিক।

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আর মতামত হলো, আমেরিকার প্রশাসনে ইসলাম-বিদ্বেষ অত্যন্ত প্রকট। সেজন্যে আমার প্রচুর ঘনিষ্ঠ বন্ধু আর আত্মীয় থাকার পরও আমি মাত্র দু'বার ওইদেশে গিয়েছি, যেতে ইচ্ছা করে না।

যাইহোক, কোন বিষয় নিয়ে দীর্ঘসময় তর্ক-বিতর্ক করা আমার খুবই অপছন্দ। কাজেই এ'প্রসঙ্গের এখানেই ইতি। আপনার সাথে কিছু কথা তো হলো এই উপলক্ষ্যে! এটাও কম কি!

ভালো থাকবেন।

২৮| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:০০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমার সাথে একবার এক ভদ্রলোকের সাক্ষাত হয়েছিল। ভদ্রলোকের শ্বশুরবাড়ী হচ্ছে- ত্রিনিদান এন্ড টোবাগো।

অতদূরে পাত্রী খুঁজতে গেলেন কিভাবে? জিজ্ঞেস করাতে উনি বললেন- ফেসবুক রে ভাই ফেসবুক।

তবে উনার সাথে আর বেশী আলাপ করার সুযোগ হয়নি। মজার কোন ঘটনা হয়তো ছিল । জানা হয়নি।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:০৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: জানার চেষ্টা করলেও পারতেন। মজার কোন লেখার সূত্র হয়তো পেয়ে যেতেন! :)

২৯| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৫৬

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন:
গল্পটা সেদিন পড়েছিলাম। সুন্দর।

আপনার ছোটভাই এর মাথায় মগজ কি একটু কম নাকি? ও তো আমার চাইতেও বড় লুল.. X(

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:২৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার চমৎকার বৈশাখী শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ।
আপনি রাহুমুক্ত হয়েছেন দেখে ভালো লাগলো।

ছোটভাই এর মগজ কম না.....তবে প্রেমে পড়লে অনেকেরই মাথা ঠিক থাকে না, এটাই সমস্যা।
আপনি যে লুল তা তো ঝানতাম না!! =p~

৩০| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:২৫

অন্তরা রহমান বলেছেন: ৬০০ পাউন্ডের ধরা থেকে বেঁচে গেছে। বিশাল এক ব্যাপার। এরকম দুই নাম্বারিও তাহলে হয়। এদেশে তো বিকাশ আর লটারির দুই নাম্বারিও অনেক মানুষের ক্ষতি করেছে।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দেশভেদে প্রতারকদের কার্যকলাপও ভিন্ন হবে, এটাই তো স্বাভাবিক!
এদের থেকে দুরে থাকা আর সাবধান থাকা.....এটাই মূল বিষয়।

৩১| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৫৪

আমি তুমি আমরা বলেছেন: আপনার ৬০০ পাউন্ড বেচে গেল তাহলে।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমার না, বলেন আমার ছোটভায়ের।
আমার টাকা তো আমি ফেরতই পেতাম। :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.