নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুয়া মফিজ

ভুয়া মফিজের সাথে ভুয়ামি না করাই ভালো...

ভুয়া মফিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

গল্পঃ শয়তানের সাথে কিছুক্ষণ

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৫৫



আজ একেবারে সক্কালবেলা বউয়ের সাথে ঝগড়া করে নাস্তা না করেই বাসা থেকে বেড়িয়েছি। রাগের চোটে কোথাও কিছু খাইওনি। সেই সকাল নয়টা থেকে রমনা পার্কের এই বেন্চটাতে বসে আছি। এখন বাজে দুপুর একটা। এগারোটার দিকে প্রচন্ড ক্ষুধা লাগাতে দশ টাকার বাদাম আর এক কাপ চা খেয়েছি। ক্ষুধাটাও এখন মরে গিয়েছে মনে হচ্ছে। ক্ষুধা-তৃষ্ণা কিছুই বোধ হচ্ছে না। নিজেকে কেমন সন্নাসী সন্নাসী লাগছে। ভাবছি, এই জগৎ-সংসার সব ছেড়েছুড়ে গৌতম বুদ্ধের মতো সন্নাসীর খাতায় নাম লেখালেও নেহায়েত মন্দ হয় না!

আমি একজন উচ্চশিক্ষিত বেকার। বেকার জীবনের প্রায় আট মাস হতে চললো। ভালো একটা চাকুরীই করতাম। বসের সাথে ঝগড়া করে রাগের মাথায় চাকুরী ছেড়ে চলে আসলাম। ভেবেছিলাম, আমার যা যোগ্যতা আর অভিজ্ঞতা.......চাকুরী জোটানো কোন ব্যাপার না। তারপর যতোদিন যেতে লাগলো, আমি ততোই কল্পনার রাজ্য থেকে বাস্তবে নেমে আসতে থাকলাম। এখন এমন অবস্থা, মোটামুটি কোন একটা চাকুরী পেলেও করবো........কিন্তু তাও পাচ্ছি না। দেশটা ছোট। চারিদিকে পরিচিত লোকজনের ছড়াছড়ি, না হলে এখন পেলে পিয়নের চাকুরীও করতাম। তার উপরে আজকাল রুটিন করে সকাল-বিকাল বউয়ের সাথে ঝগড়া হয়। এতো মায়াবতী মেয়েটা দিনকে দিন কেমন রুক্ষপ্রকৃতির হয়ে যাচ্ছে। টাকার যে এতো ক্ষমতা আগে বুঝিনি। এই বয়সেই মনে হচ্ছে যেন দিনে দিনে মেরুদন্ডটা কেমন অশক্ত হয়ে যাচ্ছে!

বসে থাকতে থাকতে বেন্চটাকেই এখন নিজের ঘরবাড়ি মনে হচ্ছে। কিছুক্ষণ শুয়েও ছিলাম। বেন্চ থেকে উঠে যে একটু হাটাহাটি করবো সেই উপায়ও নাই। আশেপাশে কয়েকজন ঘোরাঘুরি করছে। আমি উঠলেই বেন্চ দখল করবে, এমন ভাব। মনে মনে বললাম, হু হু বাবা, আমাকে এখনও চিনো নাই। বেকার বসে থাকতে থাকতে আমি এখন এক বসাতেই রাতও কাবার করে দিতে পারি!

বসে থাকতে থাকতে একসময় ভাবলাম, ঘটনা কি? উঠতেও তো দেখি ইচ্ছা করছে না। শিকড় গজিয়ে গেল নাতো! চেক করার জন্য একটু উঠে দাড়াবো ভাবছি, এমন সময় পাশে একজন এসে বসলো। নেহায়েত ছা-পোষা চেহারার মধ্য-বয়সী এক লোক। আধাময়লা কাপড়-চোপড় পরা। অনেকক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকার ফলে আশেপাশের সবার চেহারাই মুখস্থ হয়ে গিয়েছে। একে কোন একবারও দেখেছি বলে মনে পরছে না; কোত্থেকে উদয় হলো? আমার সাম্রাজ্যে কোন অংশীদার আবার আমি একেবারেই সহ্য করতে পারি না। কিন্তু সমস্যা হলো, এই পার্ক এবং বেন্চ; দু’টোই সরকারী সম্পত্তি। তাই ব্যাটাকে কিভাবে তাড়ানো যায় ভাবছি, এমন সময় লোকটা কথা বলে উঠলো,

- ভাইজান কি আজ সকাল সকাল বউয়ের সাথে ঝগড়া করছেন?
- কেন আপনার এমনটা মনে হলো? মেজাজ খারাপ করে বললাম।
- মনে হওয়া-হওয়ির কিছু নাই, আমি জানি। লোকটা সবজান্তা ভঙ্গিতে মাথা দোলাতে দোলাতে বললো।
- আচ্ছা! আপনে মনে হচ্ছে সর্বজ্ঞ! আপনার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি, আমি এখনও বিয়েই করি নাই......কাজেই বউ থাকার কোন প্রশ্নই আসে না।
- হুস! লোকটা মাছি তাড়ানোর একটা ভঙ্গি করলো। আপনে তো দেখি খুব সুন্দর মিথ্যা কথা বলতে পারেন! এমন লোকই আমার পছন্দ। আমার চেলারা তথ্যে কোন ভূল করে নাই দেখি! বলে লোকটা একটা বিশ্রী, কুটিল-মার্কা হাসি দিল।

হারামজাদা বলে কি? লোকটাকে ভালো করে দেখলাম। কথা যা বললো, তা যদি ভূল না শুনে থাকি তাহলে এই বান্দা আমার সম্পর্কে খোজ-খবর নিয়েই আমার পাশে এসে বসেছে! কিন্তু তা কি করে হয়? আমি এমন কোন বিগশট না যে আমার সম্পর্কে লোকজন খোজ-খবর নিবে। এদিকে নিজেরই যা চেহারা-সুরত; এর দেখি আবার চেলাও আছে! এবার একটু কৌতুহল হলো, আবার একটু ভয়ও হলো; পাগল-টাগল নয়তো? বললাম,

- আপনার চেলারা আমার সম্পর্কে আর কি কি তথ্য আপনাকে দিয়েছে?
- তা শুনে আপনার কাম নাই। এখন আমি যা যা বলি, শুনেন।

লোকটার গলায় পুরাপুরি কর্তৃত্বের আভাস পেয়ে দিনে দ্বিতীয়বারের মতো মেজাজ খিচড়ে গেল আমার।

- আপনে ভাবলেন কিভাবে, আপনে যা বলবেন আমি শুনবো? চিনি না, জানি না। কোনখানকার কোন বাল-ছাল আপনে! ভালো চান তো উঠেন এইখান থিকা। নয়তো কিন্তু ধাক্কা দিয়া উঠামু।

আমার রাগতঃ চেহারা দেখে লোকটা একটু থতোমতো খেয়ে গেল। এবার আপোষের সুরে বললো, আরে ভাই চেতেন কেন। আমার কথা পুরাটা শুনেন, আপনের লাভ হবে। তারপরে আপনে বলবেন যা বলার, ঠিক আছে?

প্রথমেই আমার বৈবাহিক অবস্থা নিয়ে সঠিক তথ্য দেয়া, চেলা থাকা, কথা শোনানোর জন্য জোড়াজুড়ি করা; সবমিলিয়ে কৌতুহলেরই জয় হলো। ভাবলাম......আচ্ছা, বসেই যখন আছি; কি বলে, শুনেই দেখি!

কথাবার্তা সরাসরিই বলি, লোকটা শুরু করলো। ভনিতা আমার এমনেই পছন্দ না; আমি আসলে শয়তান। এটুকু শুনেই আমার মুখ দিয়ে কিছু গালি বেড়িয়ে যাচ্ছিল, আমার মুখের দিকে তাকিয়ে হাত উচু করলো। না, কোন গালাগালি না! আমার কথা শেষ হউক আগে। ও আচ্ছা, ভালো কথা, আমার কথা শোনার পারিশ্রামিক হিসাবে আপনেরে পাচ হাজার টাকা দিলাম, বলে আমার শার্টের বুক পকেটে কয়েকটা এক হাজার টাকার নোট গুজে দিল সে। এখন আপনের সময় আমার কেনা, কাজেই শুনতে আর কোন অসুবিধা হওয়ার কথা না।

তো, যা বলছিলাম। আমি এতোদিন ছিলাম ইরাকে। একটু আগে বাংলাদেশে আসলাম। পৃথিবীতে আমার একজন সওয়ারী লাগে, নয়তো আমি আমার কাজ-কারবার ঠিকমতো করতে পারি না। এতোদিন আমার সওয়ারী ছিল ইসলামিক স্টেটের স্বঘোষিত খলিফা আবু বকর আল বাগদাদী। এই খিলাফতের পতনের পর চেলাদেরকে বললাম, এই ছাগলটার উপরে ভর করার দিন শেষ। এখন এমন একটা জনগোষ্ঠী আর মানুষ খুইজা বার কর যেইখানে আমি আমার পরবর্তী আখড়া গাড়তে পারি। বাংলাদেশের উপর আমার আগ থিকাই নজর ছিল। আমার কাজের জন্য খুবই উপযোগী একটা দেশ। এইখানে আমার খুব একটা কষ্ট করতে হইবো না। তো, এইবার ভাবলাম কোন নামীদামী লোক না, সাধারন কারো উপর ভর করবো, যাতে লোকের ফোকাসটা কম থাকে। তো আপনেই সেই নির্বাচিত ভাগ্যবান মানুষ। আপনার মাধ্যমেই আমি এখন আমার নতুন কার্যক্রম শুরু করবো।

আমি বললাম, অতি উত্তম কথা। এখন আমার কথা শুনেন। আপনের কিছু অনুমান মিলে যাচ্ছে এইটা ঠিক। কিন্তু তাই বইলা এইটা ভাইবেন না যে আপনের মতো পাগল-ছাগলের কথা আমি বিশ্বাস করবো। আপনে যে শয়তান, তার প্রমান কি? আর শয়তান হইলেও আপনের কথা আমি মানবো তা আশা করেন কেমনে? আপনেরে তো পুলিশে দেওন দরকার! নিশ্চয়ই কোন পাগলা-গারদ থিকা ভাইগা আসছেন!

আমি এই কথা বলার সাথে সাথে কেমন একটা ঝোড়ো বাতাস উঠলো। ধুলায় চারদিক ভরে গেল। ধুলার হাত থেকে বাচার জন্য আমি মুখ ঢেকে চোখ বন্ধ করে ফেললাম। একটু পর বাতাস কমতে চোখ খুলে দেখি, অচেনা কোন একটা জায়গায় বসে আছি। পরিবেশটাই কেমন যেন ভুতুড়ে! আশেপাশের গাছ-গাছালীরও কেমন যেন পোড়া পোড়া চেহারা। দিনের আলো নাই, কিন্তু কেমন যেন একটা গা ছমছম করা আলো। সেই আলোতে দেখি, পায়ের কাছে এক ভয়াল-দর্শন বানর বসে আছে!

সেই বানরই কথা বলে উঠলো, দ্যাখ.......আমিই শয়তান! আমারে অবিশ্বাস করলে আর আমার কথা না শুনলে তোর খবর আছে কইলাম। মনে রাখবি, তুই এখন আমার দখলে!

হালার বান্দরে কয়কি? কথা শুনে আমার চান্দি গরম হয়ে গেল। স্থান-কাল-পাত্র ভূলে আমি লাফিয়ে উঠলাম। বললাম, দ্যাখ হুমুন্দির পুত, তুই শয়তান হ আর বান্দরই হ, জাইনা রাখ আমরা বাংলাদেশী.......বীরের জাতী। কারো কাছে মাথা নত করা আমাদের স্বভাবে নাই। শয়তান পাইক্কারাই আমাদেরকে নত করতে পারে নাই, সেইখানে তুই তো কিছুই না! ভালো চাইলে তোর এই বান্দরের সুরত নিয়া অন্য কোনখানে যা। এইখানে তোর কোন ভবিষ্যত নাই।

আমার কথা শুনে বান্দররুপী শয়তান প্রচন্ড ক্ষেপে গেল। এক লাফে আমার কোলে চড়ে বসে আমার গলা চেপে ধরে ঝাকাতে ঝাকাতে বললো, তোর এত্তোবড় সাহস? পাইক্কাদের সাথে আমার তুলনা করোস। পাইক্কাগোরে পয়দা করছে কে? আমার কথা না শুনলে তোর আইজকা খবরই আছে!

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

গালে প্রচন্ড ব্যথা নিয়ে বিছানায় উঠে বসলাম। দেখি আমার বউ জ্বলজ্বলে চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আশপাশ দেখে হাফ ছেড়ে বাচলাম। যাক, স্বপ্ন দেখছিলাম তাহলে? কিন্তু বুঝলাম না, স্বপ্নে শয়তান তো আমার গলা চেপে ধরেছিল; গাল কেন ব্যথা করছে? বউকে বললাম, ব্যথায় চোয়াল তো খুইলা পরার উপক্রম, ঘটনা কি জানো কিছু?

বউ ঘোষণার ভঙ্গিতে জবাব দিল, আমার নানী বলতো......কারেন্টে ধরলে লাঠির বাড়ি, আর বোবায় ধরলে হাতের বাড়ি, মানে থাপ্পড় হইলো সবচেয়ে ভালো অষুধ! তুমি ঘুমের মধ্যে দাপাদাপি আর অ্যা অ্যা করতেছিলা, তাই একটা থাপ্পড় দিছি।

চোয়াল ডলতে ডলতে বাথরুমের দিকে হাটা দিলাম। এক থাপ্পড়ে এই অবস্থা! এতো দেখি মহিলা হারকিউলিস! সাবধান হওয়া দরকার এখনই!! বাথরুমের কাজ সেরে আয়নায় মুখ দেখলাম, গাল টমেটুর মতো লাল হয়ে আছে। হঠাৎ মনে হলো, বুক পকেটে কিছু একটা আছে।

বের করে দেখি..............পাচটা একহাজার টাকার নোট!!!


ছবিঃ গুগল।

মন্তব্য ৫৬ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৫৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০৫

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: ভুয়া মফিজ ভাই, অফিসে বসে হাসলাম অনেকক্ষণ B-))

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:১০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: চারিদিকে এতো এতো দুঃসংবাদের মধ্যে হাসতে পারাটাও একটা বিরাট ব্যাপার! :)

২| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:২২

মুক্তা নীল বলেছেন:
মফিজ ভাই,
শুভ অপরাহ্ন।
খুব মজার একটা গল্প পড়লাম সে জন্য ধন্যবাদ। মেয়েরা বিয়ের সময় বিড়াল থেকে পরবর্তীতে বাঘে পরিণত হয়, তার পরেই হয়তো এই মহিলারা হারকিউলিস রুপ ধারণ করতে বাধ্য হয় এমন গুণধর সঙ্গীর জন্য।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:২৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: মেয়েরা বিয়ের পর বিড়াল থেকে বাঘে পরিণত হয়, আর ছেলেরা বাঘ থেকে বিড়ালে পরিনত হয়। ;)

'কন্যা-জায়া-জননী'... মেয়েদের এই রুপান্তরগুলো নিয়ে যতোটা আলোচনা হয়, পুরুষদের একই টাইপের রুপান্তর নিয়ে কেন কথা হয় না? এটা একটা রহস্য!
'কন্যা-জায়া-জননী'র পরের স্টেজই 'হারকিউলিস'......এই স্টেজে সবাই আসতে পারে না! :P

৩| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৪০

চাঁদগাজী বলেছেন:



সুবিধে হয়নি

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৪৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: না হইলে নাই......চেষ্টা করতে দোষ কি? :)

৪| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:০৭

অয়ন নাজমুল বলেছেন: অস্থির হইছে

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:১৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনেরে ধইন্যবাদ। :)

৫| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৩৭

নতুন নকিব বলেছেন:



চাঁদগাজী ভাইয়ের মন্তব্য এবং প্রত্যুত্তর দেখতে অনেক সময় পোস্টে উঁকি দিই।

আপনার লেখায় মুগ্ধতা থাকে। এই পোস্টেও যথারীতি তা রয়েছে।

আশা করছি, আপনি ভালো আছেন। শুভকামনা জানবেন।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৪৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যাক, চাঁদগাজী ভাইয়ের মন্তব্য দেখার উসিলায় হলেও আমার পোস্টে উঁকি দিলেন। এটাও কম কি?

আমি আলহামদুলিল্লাহ ভালো। আপনি কেমন আছেন?

৬| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৪০

যাযাবর চখা বলেছেন: মজার গল্প।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৪৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৭| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৪৫

নতুন নকিব বলেছেন:



জ্বি, শুকরিয়া। আলহামদুলিল্লাহ, অনেক ভালো আছি।

সুন্দর প্রত্যুত্তর দেয়ায় কৃতজ্ঞতা।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকুক.....এটাই কাম্য।

৮| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৪৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
গল্পটা সুন্দর হয়েছে।

বাংলাদেশে শয়তানের আছর ভালমতই

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৫২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: গল্পটা ভালো লাগার জন্য ধন্যবাদ।

বাংলাদেশে শয়তান আগের থেকেই ঘাটি গেড়ে বসে আছে। পরিবেশ-পরিস্থিতি তো তাই বলে। :)

৯| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩১

আমি মুক্তা বলেছেন: যাক তবুও শেষ পর্যন্ত আসল শয়তানের হাতে না পড়ে যে গৃহবন্দী'র ছোঁয়ায় জেগে উঠেছেন সে জন্য শুভকামনা।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: শয়তানের হাতে পড়ি নাই........কিন্তু প্রশ্ন হলো, পকেটে পাচ হাজার টাকা আসলো কোত্থেকে? এ ব্যাপারে কিছু আইডিয়া দিতে পারেন নাকি? :(

১০| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:১৪

বলেছেন: টাকাটা আালো কোথা থেকে?
টাকাটা নিশ্চিত কোন শয়তানি কারবার থেকে এসেছে তাই শয়তানের আছর -

গল্পের মূল হলো শয়তানি করলে শান্তিতে ঘুম হয় না উপরন্তু বউয়ের হাতের অনাকাঙ্ক্ষিত মার খেতে হয়।।।

বুঝিয়ে বললে খুশি হতাৃম।

ভালো থাকুন।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:২২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: টাকাটা আসলো কোথা থেকে? এটাতো আমারও প্রশ্ন! :(

শয়তানী না করলেও মাঝে-মধ্যে বউয়ের হাতে মার খেতে হয়। আর বউ থাকলে 'শান্তির ঘুম' ব্যাপারটাই একটা কষ্ট-কল্পনা। ;)

ব্যাপারটা তো আমিই বুঝি নাই, আপনাকে বোঝাবো কিভাবে?

১১| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:২১

রাজীব নুর বলেছেন: বউ এর সাথে ঝগড়া করা ভালো না। আসলে কারো সাথেই ঝগড়া করা ভালো না।
বেকার থাকা অনেক কষ্টের।

ফানি গল্প। বেশ মজার।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:২৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বউ এর সাথে ঝগড়া করা ভালো না। আসলে কারো সাথেই ঝগড়া করা ভালো না। বেকার থাকা অনেক কষ্টের। আপনার প্রতিটা কথার সাথেই একমত। :)

১২| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হা হা হা হা গালে তাহলে এখনো ব্যথা আছে? ঘুমের মধ্যে খুব লেগেছে না আহা আহা.... মজা পাইছি।

শুভকামনা জানবেন।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: গল্পের নায়ক তো আমি না। ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করে জেনে নিব, ব্যাথা এখনো আছে কিনা! :)

মজা পাইছি। আপনাকে কিছু একটা তো দিতে পারলাম, এটাই বা কম কি? :P

ভালো থাকবেন ভাইজান।

১৩| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৭

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: পড়লাম,ভালো লাগলো।

শুভকামনা আপনার জন্য।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার জন্যও অনেক অনেক শুভকামনা। :)

১৪| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:০৭

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: আপনে কিন্তু এখন শয়তানের দখলে, বাচতে চাইলে আমাকে টাকাগুলা পাঠায়া দেন :||

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৫৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: শয়তানের টাকায় ভাগ বসালে আপনিও কিন্তু শয়তানের দখলে চলে যাবেন। এখন চিন্তা করে দেখেন.....টাকা নিবেন কিনা! =p~

১৫| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৫১

করুণাধারা বলেছেন: গোলাপি রঙের ১০০০ টাকার পাঁচটা নোট, না? তখনই আমি বলেছিলাম, "কোন ব্যাটা শয়তান! আমার ব্যাগ থেকে টাকাগুলো নিয়ে নিল?"

ব্যাপারটা হল, অনেক কষ্টে পাঁচ হাজার টাকা জমিয়েছিলাম একটা টেবিল কিনব বলে। অটবী থেকে কার্টুনে ভরা টেবিল রিক্সায় তুলেও দিয়েছে, আমি দাম দিতে গিয়ে দেখি, ব্যাগ থেকে টাকা হাওয়া; তখনই উপরোক্ত কথাটি বলা....... রিক্সা থেকে টেবিল নামিয়ে ফেরত দিয়ে বাসায় আসতে আসতে দোয়া করছিলাম, "আল্লাহ! যে শয়তান টাকাটা নিয়েছে, সেই শয়তান যেন টাকাটা ভোগ না করতে পারে!!"

আপনি গল্প তো ভালোই বানাইছেন............. X(

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:২৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধরা যখন পইরাই গেলাম, ঘটনা খুইলা কই।

টাকা আপনের ব্যাগ থিকা নেই নাই। মনে হয়, ব্যাগ থিকা পইরা গেছিল। আমি অটবীর সামনে রাস্তায় পাইছি। বাপ-মায়ে শিখাইছে, পইরা থাকা টাকা ছুইতে নাই। কিন্তু, আমি গরীব মানুষ, চাকরী-বাকরী নাই.....তাই ভাবলাম, কোন বড়লোকের টাকা নিশ্চয়ই। নিয়াই নেই। পরে কেমন গিল্টি ফিলিংস হওয়াতে এই গল্প বানাইলাম। :(

এখন দেখি, আপনে আমার থিকাও বেশী গরীব। টাকা তো খরচ কইরা ফালাইছি। চাকরী পাইলেই দিয়া দিমুনে। আপনের বিকাশ নাম্বার জানি কতো......?

গল্প বানায়াও তো পার পাইলাম না! :((

১৬| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৩৫

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: B-))

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৫৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: =p~

১৭| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৪৭

শামছুল ইসলাম বলেছেন: হা..হা..

শয়তানের সাথে সাক্ষাৎকারটা খুব মজার ছিল। ভাবীর সাথে খুনসুটিটাও ভূমিকা হিসেবে চমৎকার।

কোন সাথে ভুলেও ঝগড়া কইরেন না-থাপ্পড়ের যে ওজন।

যাক, গাল লাল হইলেও পাঁচ হাজার টাকা তো নগদে পেলেন।

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:২৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এইটা ভাই একটা গল্প, গল্পের নায়ক আমি না।
তাছাড়া, আমার বউ আমাকে থাপ্পড় মারলে খবরই আছে। :P

তবে, সব বিবাহিতদের জন্যই এটা একটা সাবধান বাণী। যে কেউ যে কোন সময় থাপ্পড় খেতে পারে! সুতরাং, সাধু সাবধান!! :)

১৮| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৫১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: নীলাআকাশ ভাইর রাকীরে খবরদেন জলদি।
শয়াতান তাড়ায়া দিবানে ;)

খালি ট্যাকার কথা চাইপ‌্যা যাইয়েন। কওনতো যায়না, যদি নিযা যায়গা :P =p~
হা হা হা

গল্পে শেষ টুইষ্টেই মজা ডাবল :)

+++

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:১৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এইটা তো জ্বীন-পরী না, আসল শয়তান। বান্দরের মতো একবার ঘাড়ে উঠলে আর তাড়ানো সম্ভব না।
আর ট্যাকা তো আমার,...........না......থুক্কু......করুণাধারা আফার (১৫ নং মন্তব্য)।

মজাদার মন্তব্য বরাবরের মতোই। :)
ভালো থাকবেন।

১৯| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:২২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আবার এসে মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ডাবল ধন্যবাদ! :)

২০| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৪০

আবদ্ধ বলেছেন: আজকাল তেমন তেমন মজা পাই না।মজা পাইলাম! ভালো লিখেছেন...

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আজকাল তেমন মজা পান না কেন? মন-টন বেশী খারাপ নাকি?
যাক, তবুও তো আমি কিছুটা মজা দিতে পারলাম। :)

ভালো থাকবেন।

২১| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৪

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: হা হা হা এইভাবে পাচ হাজার টাকা পেলে মন্দ হতো না,সময়ের প্রেক্ষিতে গল্পটি মন্দ নয়।

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৫১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বিনাস্বার্থে তো কেউ কাউকে টাকা দেয় না। আর শয়তানের টাকা নেয়া তো আরো ভয়ংকর ব্যাপার! সুদে-আসলে ব্যাটা সবকিছু উসুল করে নেবে!

২২| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

আরোগ্য বলেছেন: পোস্ট পড়ে রাজিব নূরের কথা মনে পড়ছিলো :P

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৩২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: পোষ্ট পড়ে!?.......আমার তো রাজিব নূরের কথা যে কোন কিছু লিখতে গেলেই মনে পরে! =p~

২৩| ২৬ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

বরুন মালাকার বলেছেন: জনাব বিষয়টি ঠিক উল্টা, স্বয়ং ইবলিশই এখন আমাদের মুরিদ ।

২৬ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:০০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কথা মন্দ বলেন নাই!
ইবলিশ যে আমাদের মুরিদ, এটা নিয়ে একটা গল্প লিখে ফেলুন। :)

২৪| ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:১১

নীল আকাশ বলেছেন: মুক্তা নীল বলেছেন: মেয়েরা বিয়ের সময় বিড়াল থেকে পরবর্তীতে বাঘে পরিণত হয়, তার পরেই হয়তো এই মহিলারা হারকিউলিস রুপ ধারণ করতে বাধ্য হয় এমন গুণধর সঙ্গীর জন্য।
মজার এই গল্পে মন্তব্য গুলিও চমৎকার হয়েছে।
অফটপিক: ভাবী কি পড়েছে এটা? দাম্পত্য কলহ বিবাহিত জীবনে খুব রিস্কী, সাবধানে থাকবেন!!!
আমার নতুন গল্পে আপনাকে পেলাম না? আপনার বুদ্ধি অনুসারে তো এইবার সহী ইসলামিক পদ্ধতিতেই লিখলাম!!
ধন্যবাদ।

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমার সব লেখাই আমার বউ পড়ে। দাম্পত্য কলহ নিয়ে আমার কোন টেনশান নাই, এটা আমার কাছে কোন বিষয়ই না। :)

ব্যস্ততার জন্য অনেক লেখাই পড়া হয়ে ওঠেনি। দেরীতে হলেও আপনার গল্প পড়লাম।

২৫| ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৯

জুন বলেছেন: শেষ পর্যন্ত একটা শয়তান বান্দরের কবলে ভুয়া মফিজ :-*
সত্যি কথা কইতে কি সেইরাম মজা পাইলাম =p~
আরেকটা কথা সেইটা হৈলো সব সময়তো লেখেন অফিস যাইতেছি, অফিস যাইতেছি তাইলে আবার বেকার হইলেন কবে! :|
৫,হাজার টাকা নিয়া শয়তানের কথা শোনার কথায় নিজের কথা মনে পড়লো। আমি ফোন করলে অপর প্রান্ত থেকে আমার আত্নীয়রা যদি বলে "ভাবী শোনেন"--- আমি বলি 'না আগে আমার কথা শোনো কারণ আমি পয়সা খরচ কইরা ফোন করছি ', তূমি যখন ফোন করবা তখন তোমার কথা শুন্মু :P
যাইহোক দারুন রম্য লেখায় ভালোলাগা রইলো ভুয়া। এমন লেখা আরো চাই।

আর ভাইয়ের বৌয়ের ওষুধটা আমার জন্য খুব দরকারি,
তার জন্য তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ;)

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমি বান্দরের কবলে না, কবলে গল্পের নায়ক! সেই ব্যাটাই বেকার......আমি না। ;)

আপনের ফোনের টেকনিকটা ভালো। নিজের কথা শেষ কইরাই লাইন কাইটা দিবেন.....কয়েকবার হ্যালো হ্যালো আর টুট টুট শব্দ কইরা। হ্যাগো দরকার হইলে আবার করবো। :P

আমার গল্পে বর্ণিত অষুধের সাইড এফেক্ট কিন্তু মারাত্মক....সাবধানে ব্যবহার কইরেন। শেষ মেষ আবার প্রেসক্রিপশানের উৎসরে দোষ দিয়েন না।
আর আমারে দোয়া কইরেন, যেন এমন লেখা আরো লেখতে পারি। :)

২৬| ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৫৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: ভুয়া মফিজ,




ইশশশশশশশশশশশশ.. হিসেবে আপনি এত্তো কাঁচা কেন ? শয়তানের সাথে কিছুক্ষণ থাকলেই যদি ৫ হাযার টাকা পাওয়া যায় তবে আরো অনেকক্ষন (কিছুক্ষণ + কিছুক্ষণ + কিছুক্ষণ + কিছুক্ষণ ....................) থাকতেন তবে ..... :(

তবে একটা ঝামেলা বাঁধতো অন্যখানে। করুণাধারার মতো ব্লগের আরো অনেক ব্লগীর( ব্লগারের স্ত্রী লিঙ্গ) :D টাকা হারানোর থানার জিডি কপি নিয়ে হাজির হয়ে ব্লগে একটা কেচাই্ন বাঁধিয়ে ফেলতো। বড় বাঁচা বেঁচেছেন। :)

আর যদি শয়তানের সাথে অনেকক্ষণ থাকাতে শয়তান আছাড় দিয়ে আপনার ভবলীলা সাঙ্গ করতো তবে শোক প্রকাশ করে আমরা একদিন সামু বন্ধ রাখতুম....... :(( :P
সাবধান, এরপরে রাতে শয়তানে ধরে ধরুক বোবাভুতে যেন না ধরে। দুই একটা সুরা পড়ে বুকে তিনবার ফুঁ দিয়ে ঘুমাবেন। :-0

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১:৪৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমি না, কাচা তো গল্পের নায়ক। আমি হলে শয়তানের সাথে একটা ডিলে আসতাম। তারপর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতাম।
তারপর দেখতেন........কোথাকার বাংলাদেশ কোথায় যেতো। আপনাদের আর দেশের সমস্যা নিয়ে সামুতে পোস্ট দেয়া লাগতো না। :P

২৭| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:১৯

নীল আকাশ বলেছেন: জুন আপু বলেছেন: আর ভাইয়ের বৌয়ের ওষুধটা আমার জন্য খুব দরকারি, তার জন্য তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

জুন আপু ইয়ের জন্য আমার খুব ভয় ভয় লাগছে.............. বেচারা। কেসে যদি খান আপনি, এর কাছ থেকেই খাবেন আপনি!!

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:১০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: জুন আপু ইয়ের জন্য আমার খুব ভয় ভয় লাগছে কোন ভয় নাই। উনি ওষুধের ডোজ সম্পর্কে অত্যন্ত সজাগ।

২৮| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫১

অজ্ঞ বালক বলেছেন: থাবড়া থেইকা পাঁচ হাজার টেকা আসলে থাবড়াই ভালো। আপনে তারাতারি আগে আরেক গাল পাইতা দেন। দারুন লাগলো গল্পটা। সেইইই হইসে। =p~

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:২২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: হ.....ঠিকই কইছেন। থাবড়া খায়া ট্যাকা পাওয়া গেলে কোন অসুবিধা নাই। তয় বেশী খাওন যাইবো না। গালেরও তো একটা ক্যাপাসিটি আছে, নাকি ভুল কইলাম! =p~

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.