নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুয়া মফিজ

ভুয়া মফিজের সাথে ভুয়ামি না করাই ভালো...

ভুয়া মফিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্যারালাল ইউনিভার্সঃ বাস্তব নাকি কল্পনা?

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫২




১৯৫৪ সালের জুলাই মাসের একদিন। দিনটি ছিল প্রচন্ড গরম। অন্যান্য দিনের মতোই ব্যস্ত জাপানের টোকিও এয়ারপোর্ট। ইওরোপ থেকে আসা একটা বিমান অবতরন করলো। যাত্রীরা ব্যস্ত-সমস্ত হয়ে এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে যার যার গন্তব্যে চলে যাচ্ছে; এরইমধ্যে হঠাৎ ছন্দপতন ঘটলো রুটিন কার্যকলাপে। এক যাত্রীকে নিয়ে অদ্ভুত ধরনের সমস্যায় পড়লো ইমিগ্রেশানের কর্মকর্তারা।

যাত্রী একজন শেতাঙ্গ ইওরোপিয়ান। এসেছে ইওরোপ থেকে। পাসপোর্টও দিয়েছে, আর সেটা নকলও মনে হচ্ছে না। কিন্তু সমস্যা হলো, পাসপোর্ট ইস্যুকারী দেশ হচ্ছে 'ট্যোরেড'! এমন কোন দেশের নাম কর্মকর্তারা কেউ ইহজীবনে কখনও শোনেনি। ফলে, যাত্রীকে একটা রুমে বসানো হলো আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। উর্ধতন কর্মকর্তারা এলেন। যাত্রীতো এই ঝামেলার কারনে মহাখাপ্পা! সে জানালো, এবারেরটা নিয়ে এই বছরে এটা তার তৃতীয়বার জাপানে আগমন। গত পাচ বছরে সে একাধিকবার এমন ভ্রমন করেছে, কিন্তু কখনও তাকে এমন ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয়নি। তার কাছে ইওরোপের বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পাওয়া গেল। সমস্যা আরো জটিল আকার ধারন করলো তখন, যখন যে কোম্পানী ভিজিটে সে এসেছে তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলো। তারা জানালো, এমন কোন লোককে তারা কোম্পানী ভিজিটে আমন্ত্রণ জানায়নি। সে যেই কোম্পানীর হয়ে কাজ করে বলেছে, সেই কোম্পানীটি খুজেই পাওয়া গেল না। এমনকি যে হোটেলে ভদ্রলোক তার রিজার্ভেশান আছে বলে জানালো, তারাও ভদ্রলোককে সনাক্ত করতে পারলো না।

ভদ্রলোকের মাতৃভাষা ফ্রেন্চ, কিন্তু জাপানীসহ আরো কয়েকটা ভাষায় তার দখল রয়েছে। তাকে যখন একটা ম্যাপ দেয়া হলো তার দেশ কোথায় দেখানোর জন্য, তখন সে আক্ষরিক অর্থেই আশ্চর্য হয়ে গেল। কারন, ফ্রান্স আর স্পেনের মাঝে যেখানে সে তার দেশ দেখাচ্ছে, সেখানে 'ট্যোরেড' নামে কোন দেশ নেই। আছে এন্ডোরা। সে বার বার বলতে থাকলো, এটা কিভাবে সম্ভব? গত প্রায় এক হাজার বছর ধরে এই দেশটা আছে! এই ম্যাপ নিশ্চয়ই ভুল!

এহেন পরিস্থিতিতে কর্মকর্তারা এয়ারপোর্ট-সংলগ্ন একটা বহুতল হোটেল ভবনের উপরের দিকে একটা রুম বরাদ্দ করলো তার জন্য। সেই রুমে কোন ব্যালকনি ছিল না। বাইরে দু’জন সার্বক্ষনিক গার্ড রাখা হলো। তার বিভিন্ন দেশের ভিসা-সম্বলিত পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স আর অন্যান্য কাগজ-পত্র রেখে দেয়া হলো আরো তদন্তের জন্য।

পরদিন দেখা গেল, সেই রুমে কেউ নেই। তার কাগজ-পত্র যেই ভল্টে রাখা হয়েছিল, সেখানে কোন কাগজ-পত্রও নেই। মানুষটাসহ সবকিছুই একদম উবে গিয়েছে কর্পুরের মতো।

আরেকটা ঘটনা বলি, ১৯০৫ সালে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে রুটি চুরি করতে গিয়ে এক লোক ধরা পরে। এতে অবশ্য আশ্চর্যের কিছু নাই, চৌর্যবৃত্তি এই পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন পেশা! তবে, আশ্চর্যের বিষয় হলো, সে জানিয়েছিল যে তার দেশের নাম 'লিজবিয়া'।

এবার আরেকটা ঘটনা। ১৮৫১ সালে জার্মানীর ফ্র্যান্কফুর্ট আন ডের ওডেরে উদভ্রান্তের মতো এক লোককে পাওয়া গিয়েছিল। তার দাবী অনুযায়ী, সে এসেছে 'লাক্সারিয়া' নামের একটা দেশ থেকে, যেটা 'সাক্রিয়া' মহাদেশের অন্তর্ভূক্ত!

উপরের এই তিনটি ঘটনাই মনে করা হয় যে প্যারালাল ওয়ার্ল্ড বা অল্টারনেট ডায়মেনশানের কারনে ঘটেছিল। প্যারালাল ওয়ার্ল্ড, যাকে প্যারালাল ইউনিভার্সও বলা হয়ে থাকে; বেশিরভাগ বিজ্ঞানীই একে এখন পর্যন্ত একটা হাইপোথিসিস হিসাবে দেখতেই পছন্দ করেন। তবে, এর উপস্থিতিতে বিশ্বাস করেন এমন বিজ্ঞানীও নেহায়েত কম নেই বর্তমানে।

এই প্যারালাল ওয়ার্ল্ড এর ব্যাপারটা আসলে কি? প্রথমেই যে প্রশ্নটা বিজ্ঞান বা বিজ্ঞানীদের চিন্তায় এসেছে তা হলো আমরা যে মহাবিশ্বের অন্তর্ভূক্ত, সেটাকি আসলেই আনপ্যারালাল বা ইউনিক বা অদ্বিতীয়? অনেকেই বলছেন, না; আমাদের পাশাপাশি আরো মহাবিশ্বও রয়েছে। যেখানে আমরা এখানে যা যা করছি তার সবই ঘটছে......তবে সেটা বিকল্প বাস্তবতায়।

আচ্ছা, এসব নিয়ে চিন্তা যখন করছিই, আরেকটু গভীরে যাই। এস্ট্রোনমিতে একটা ধারনা বা তত্ত্ব আছে, নাম 'মাল্টিভার্স'। এই তত্ত্বে বলা হচ্ছে অনেকগুলো ইউনিভার্সের কথা যেগুলোতে সবকিছু একইভাবে ঘটছে। সহজভাবে বললে, এই যে আপনি এখন আমার লেখা পড়ছেন। সবক'টা ইউনিভার্সেই আরেক 'আপনি' আরেক 'আমার' লেখা পড়ছে। মজার ব্যাপার না! তবে সেগুলোতে ব্লগের নাম সামু না হয়ে হামু, খামু কিংবা মামু'ও হতে পারে। হু নৌজ!!

মাল্টিভার্স তত্ত্বটা কিন্তু শুধু তত্ত্বেই সীমাবদ্ধ নেই। এর কিছু প্রমানও হাজির করেছেন বিজ্ঞানীরা। তবে, সেগুলো বেশ গোলমেলে। সেগুলোতে না গিয়ে বরং ব্যাপারটা ভালো করে বোঝার জন্য এই বিশ্বব্রহ্মান্ড সৃষ্টির সবচেয়ে প্রচলিত ধারনার উপর অতি সংক্ষেপে একটু চোখ বুলাই। প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর আগে বিশ্বব্রহ্মান্ডের সবকিছু একটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র এককে সীমাবদ্ধ ছিল। যে কোনও কিছু ঘটার জন্য একটা ট্রিগার বা উপলক্ষ্য লাগে। এমনি কোন এক অজানা কারনে এটা হঠাৎ প্রসারিত হতে শুরু করে এবং বর্তমানের এই তিন-মাত্রার মহাশুন্য আর এর মধ্যস্থিত সবকিছুর সৃষ্টি হয়। এটাই হলো সেই বিখ্যাত বিগ-ব্যাং থিওরী। এই থিওরীর সাথে সাথে আরেকটা প্রশ্নও সামনে চলে এসেছে। সেটা হলো, এই বিপুল বিশ্বব্রহ্মান্ডে আমরা কি আসলেই একা?

উপলব্ধির সুবিধার জন্য একটা উদাহরন দেই। মনে করেন, আপনাকে একটা বিশাল গামলা দিয়ে ঢেকে দেয়া হলো। আপনি এখন যা-ই দেখবেন, সবই এই গামলার ভিতর, এর বাইরের কোনকিছু দেখা আপনার সাধ্যাতীত। আমাদের এই বিশ্বজগতটার অবস্থানও এমনি একটা উপুর করা বিশাল গামলার ভিতরে বলে মনে করা হয়। ফলে, মানুষের লব্ধ বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান এর বাইরের কোন কিছু দেখতে এখন পর্যন্ত অপারগ। এর বাইরে আদৌ কিছু আছে কিনা, আমরা তাও জানিনা। কাজেই এ’সংক্রান্ত সবকিছুর ভিত্তিই অনুমান, তবে বলাইবাহুল্য, সেগুলো যুক্তিনির্ভর।

অনেক মতবাদের ভিড়ে পাচটা জনপ্রিয় মতবাদ আছে মাল্টিভার্সের উপস্থিতির পক্ষে। সবগুলো নিয়ে বলতে গেলে পোস্টের আকার হয়ে যাবে বিশাল। তাই সেদিকে না যাওয়াই ভালো। বিশ্ববিখ্যাত ইংলিশ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং মাল্টিভার্স নিয়ে অনেক গবেষণা করেছেন। উনি তার শেষ গবেষণাপত্রে (২০১৮ সালের মে মাসে প্রকাশিত) মাল্টিভার্স নিয়ে কি বলেছিলেন দেখি। ক্যাম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সাক্ষাৎকারে উনি বলেছিলেন, আমরা বলছি না যে আমাদের এই মহাবিশ্বই একমাত্র মহাবিশ্ব। বরং আমাদের গবেষণা এই ধারণা দেয় যে, সম্ভাব্য মাল্টিভার্সের সংখ্যা পূর্বানুমানের চাইতে অনেক কম। উল্লেখ্য, উনি উনার পূর্বের মাল্টিভার্সের 'নো বাউন্ডারী থিয়োরী' (অসীম সংখ্যক মাল্টিভার্স) থেকে বের হয়ে এসে এই বক্তব্য দেন। উনি অবশ্য বলেছেন যে, এটা ধরে নিয়ে এবং মাধ্যাকর্ষনের সূত্রসমুহ ও কোয়ান্টাম মেকানিকসের মধ্যে সমন্বয়সাধনের মাধ্যমে আরও অনেক অনেক কাজ করতে হবে, অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।

মানুষ জন্মগতভাবেই অত্যন্ত অনুসন্ধিৎসু মনোভাবসম্পন্ন সৃষ্টি। সেই প্রাচীণকাল থেকেই মানুষের মনে একের পর এক প্রশ্ন এসেছে। এই প্রশ্ন মাথায় নিয়ে তারা কিন্তু বসে থাকেনি। এটার উত্তর খুজে খুজে বের করেছে। এই উত্তর বের করার প্রক্রিয়াতে আরো অনেক নতুন প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছে। সুতরাং, সামগ্রিকভাবে এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। মানব-সভ্যতা যতেদিন টিকে থাকবে, এই প্রক্রিয়াও ততোদিন চালু থাকবে। "আজ যেটা অসম্ভব কষ্ট-কল্পনা মনে হচ্ছে, কাল সেটাই হবে বাস্তবতা", এই পরিস্থিতিতে এর পূর্বেও মানুষ বহুবার পড়েছে, ভবিষ্যতেও পড়বে। প্রতিবারই মেধা দিয়ে সে পরিস্থিতি থেকে মানুষের সফল উত্তোরণ ঘটেছে। মহাবিশ্বের এই পাজলও এর বাইরে নয়। ব্ল্যাকহোলের মতো খুব শীঘ্রই হয়তো আমরা মাল্টিভার্সের অকাট্য প্রমান হাতে পেয়ে যাবো।

অত্যন্ত জটিল এবং বিশাল একটা বিষয়কে খুবই সংক্ষেপে এবং সহজভাবে বলা আসলেই অত্যন্ত কঠিন ব্যাপার। আমি চেষ্টা করেছি। স্বীকার করছি, এতে সাফল্যের সম্ভাবনা খুবই কম। তাই মন্তব্যে কঠিন কঠিন প্রশ্ন করে আমাকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করবেন না.......প্লিজ। আপনারা সবাই জানেন, আমি একজন মফিজ; অত্যন্ত সাধাসিধা গোবেচারা 'হরিপদ পাল' টাইপ ব্লগার। এখানে অনেক জ্ঞানী-গুনী ব্লগার আছেন যারা চাইলে আরো অনেক ভালোভাবে এর ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।

আশা করছি, আমার ব্যর্থতা অন্যদেরকে সফলতার পথ দেখাবে। :)


ছবিঃ চিরাচরিত গুগল।

মন্তব্য ৬২ টি রেটিং +১৭/-০

মন্তব্য (৬২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০৩

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: মাথাটা ঝিম ঝিম করছে। |-)

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অন্য কোথাও হয়তো আপনার মতো আরেকজনের মাথাও ঝিম ঝিম করছে! ;)

২| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৫০

নীল আকাশ বলেছেন: গতপর্বের বৌয়ের থাপ্পর তো দেখি ভালো কাজ দিয়েছে :P :P :P
বেকার জীবন থেকে এবার একলাফ দিয়ে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্যারালেল ইউনিভার্সের কাপড় নিয়ে টানাটানি করছেন!!

স্টুডেন্ট লাইফে এই সব নিয়ে প্রচুর পড়াশুনা করতাম, মজাও লাগত!! তবে এখন আমার কাছে এইসব কন্সপারেসি থিওরী বলে
মনে হয়। সিআইএ ইচ্ছে করেই এইসব ভুয়া কাহিনী ছড়ায়। আর ভিতরে ভিতরে অন্যসব আকাম কুকাম করে।
লেখাটা ভালোই লাগলো।
ধন্যবাদ।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৫৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সবকিছুই এখনও কাহিনী। এটা যে ভুয়া সেটা যেমন প্রমানীত হয়নি, তেমনি ভুয়া যে না তাও কিন্তু প্রমানীত না।
তবে, প্যারালাল ইউনিভার্স নিয়ে বিশ্বের অনেক নামকরা বিজ্ঞানীই কাজ করেছেন, করছেন দেখা যাক।

শয়তানটাও আমার ধারনা মাল্টিভার্সের কোথাও থেকেই উদয় হয়েছিল! :)

৩| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৫৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: Multiverse....

Theoretically and hypothetically......

Dilemma ......

Quantum......

Paradox.....

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৫৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: হ......ঠিক। সব কথাই কইয়া ফালাইছেন! B-)

৪| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:০৩

করুণাধারা বলেছেন: অত্যন্ত জটিল এবং বিশাল একটা বিষয়কে খুবই সংক্ষেপে এবং সহজভাবে বলা আসলেই অত্যন্ত কঠিন ব্যাপার। আমি চেষ্টা করেছি। স্বীকার করছি, এতে সাফল্যের সম্ভাবনা খুবই কম।

প্রায় সফলভাবেই আপনি একটা কঠিন আর বিশাল বিষয়কে সহজ আর সংক্ষেপে বলেছেন; যে বিষয়টা আমার খুবই প্রিয়!! শুধু একটা জিনিস আপনি বাদ দিয়েছেন, স্পেস এর সাথে ফোরথ ডাইমেনশন হিসেবে টাইম থাকে, space time continuum. আপনি বলেছেন অসংখ্য মাল্টিভার্স আছে, সেখানে এই সময়ে অসংখ্য আমিও আছি, সেটাও যেমন ভালো লাগলো তেমনি আরেকরকম ইউনিভার্স ভাবতেও আমার ভালো লাগে..... সেই ইউনিভার্সগুলোতে থাকেন আমাদের থেকে যারা চলে গেছেন তারা...... পরজীবন মানে আমার কাছে অন্য স্পেস- টাইমে চলে যাওয়া......

তারপর যেদিন "আকাশের আবরণ উন্মোচিত হবে....." (সুরা তাকভীর, আয়াত ১১), অর্থাৎ বিভিন্ন ইউনিভার্সের স্পেস-টাইমের ফারাক দূর হয়ে যাবে, সেদিন আমরা সবাই এক জায়গায় সমবেত হব........

মাল্টিভার্স নিয়ে আমার একটা ধারণা শুধু বললাম, ভুলের দায় আমারই।

পোস্টে+++

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:১৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমাদের দৃশ্যমান জগতটা তৃতীয় মাত্রায়, এটা থ্রি-ডি কনসেপ্টের উপর ভিত্তি করে। এটাই বলতে চেয়েছি। সময় অবশ্যই আরেকটা মাত্রা তবে সেটা দৃশ্যমান না.....আপনার ধারনাও ঠিকই আছে।

মহাবিশ্ব আমার সব সময়েই খুব প্রিয় বিষয়। তবে এখানে হাইপোথিসিস এখনও এতো বেশী যে, এটা নিয়ে কথা বলতে গেলে কোন তল পাওয়া যায় না। আমাদের পবিত্র কোরআন শরীফে অনেক কিছুই বলা আছে। তবে, মানুষের সীমাবদ্ধ জ্ঞান দিয়ে এখন পর্যন্ত সবকিছুর ব্যাখ্যা করা সম্ভব না, সে যে যাই বলুক না কেন!

আপনিও কিছু লিখুন এ'ব্যাপারে। ইন্টারেস্টিং হবে বলেই মনে হয়। :)

৫| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:২৬

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: ট্যোরেড এই নামটা এই প্রথম শুনলাম।এবং জানলাম।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:২৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কোন ব্যপার না। প্রতিনিয়তই আমরা অনেককিছুই পড়ি বা শুনি, যা এর আগে শুনি নাই বা পড়ি নাই। :)

৬| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩১

জাহিদ অনিক বলেছেন:
আমি খামু ব্লগ থেকে এই লেখায় মন্তব্য করছি। আমার নাম কনিঅ দহিজা। আমার ইউনিভার্সে আপনারেই লেখাটি পড়ে বাচ্চা ছেলেমেয়েরা হাসাহাসি খাচ্ছে ! ;)

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার সাথে পরিচিত হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। :)

আমার এই লেখা যে অন্য ইউনিভার্সের কোন এক ''কনিঅ দহিজা'' কে আকৃষ্ট করতে পেরেছে.....এটা তো বিশাল এচিভমেন্ট। নাসা জানতে পারলে কিন্তু তুলকালাম কান্ড হয়ে যাবে। যাকগে, আপনি নাসা চিনেন কিনা, আমি শিওর না। :P

খামু'র ভাই.....সামু ব্লগে আপনাকে সু-স্বাগতম!!

৭| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: ভুয়া মফিজ ,





চমৎকার....চমৎকার ....এবং চমৎকার।
এবারে নীল আকাশ এর মতো আমাকেও বলতে হয় -শয়তানের সাথে কিছুক্ষণ কাটিয়েছেন বলেই এই ৩/৪দিনের ব্যবধানে আপনি একলাফে বান্দরের মতো গাছেই শুধু চড়েন নি সাথে মগজটারও শ্রীবৃদ্ধি হয়ে বান্দর থেকে হোমো-স্যাপিয়েন্স এ প্রমোশন হয়েছে।

আপনার প্রশংসা করছি একারনে যে, মহাকাশবিদ্যার এতো জটিল বিষয়ের হাইপোথিসিসটি নিয়ে অনেকের মতো "ছাগইল্লা খামি" দিয়ে বলেন নি যে - যা লিখেছেন সবই খাঁটি, এর নড়চড় নেই।

একটি প্রতি মন্তব্যে বলেছেন - "সবকিছুই এখনও কাহিনী। এটা যে ভুয়া সেটা যেমন প্রমানীত হয়নি, তেমনি ভুয়া যে না তাও কিন্তু প্রমানীত না।"
আমিও বলি ঈশ্বর, ঐশ্বরিকতা, মহাকাশবিদ্যা, কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যা, ফিলোসোফি ইত্যাদি দিয়ে যা কিছুই তথ্য বা তত্ত্ব আসছে তা নিয়ে আমরা যতোই বিবাদ-বিসম্বাদ করিনে কেন আসলে সবটার সত্য-মিথ্যের চান্সই ফিফটি ফিফটি। কোনও বক্তব্যই এ্যাবসোলিয়্যুট নয়। কারন আমরা একটা গামলার ভেতরে আবদ্ধ, এ পর্যন্ত আমাদের জ্ঞানের দৃষ্টি "এক্স-রে" হয়ে সে গামলার সীমানা ছাড়িয়ে আরো দূরে দূরে যেতে পারেনি।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৫০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্রথমেই আপনার প্রশংসার জন্য কৃতজ্ঞতা।
তবে, কোন এক গল্পের কোন একজন বেকারের সাথে আমাকে জড়িয়ে ফেলাটা সমীচীন মনে করছি না জী এস ভাই! :P

আসলে শেষকথা বলার সময় এখনো আসেনি। বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং এর মতোই বলতে হয়, মাধ্যাকর্ষনের সূত্রসমুহ ও কোয়ান্টাম মেকানিকসের মধ্যে সমন্বয়সাধনের মাধ্যমে আরও অনেক অনেক কাজ করতে হবে, অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।

যা লিখেছি সবই খাঁটি, এর নড়চড় নেই। এই কথা বলার মতো জ্ঞান কিংবা ধৃষ্টতা আমার এখনো হয়নি। যাদের আছে....তারা বলতেই পারে। ;)

৮| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

অজ্ঞ বালক বলেছেন: আমি আউলা ঝাউলা সব কিছুতে বিশ্বাস রাখি। ভূত প্রেত দৈত্য দানো রাক্ষস খোক্কস। এলিয়েন, মাল্টিভার্স, টাইম ট্রাভেল। এবং যা যা প্যারা-যুক্ত আছে সবকিছুতেই। আমার ভাবতে ভালো লাগে কোন এক ইউনিভার্সের আমি আমার মতন না। সে খুব ক্যালকুলেটিভ। হিসাব করে জীবন চালায়। আমার জীবনের ভুলগুলার একটাও না কইরা সে এখন একটা অসাধারন জীবন কাটাচ্ছে। কোন একটা ইউনিভার্সে আমি লুজার না, উইনার। এইটাও তো একরকম আমার জিতাই হইলো!

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৩০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ঠিকই বলেছেন।

আমিও নিজেকে একটা উপুর করা গামলার ভিতরে কল্পনা করতে পছন্দ করি। তাই আমি বিশ্বাস করি, গামলার বাইরেও একটা বিশাল জগত আছে, যা কিনা আমার অজানা। সেখানে আপনার বলা সবকিছুই আছে। সেখানে একজন 'আমি' ও আছে, যে সবকিছু পরিকল্পিতভাবেই করছে। :)

৯| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:১৪

গড়ল বলেছেন: ব্যাপারটাকে আমি একটু অন্যভাবে দেখি, কম্পিউটারের একটা প্রসেসরকে আমরা ভার্চুয়ালি দুইটা প্রসেসর বানাই যার এক একটাকে বলে থ্রেড। এক একটা থ্রেড সম্পূর্ণ একটা প্রসেসরের মত কাজ করে কিভাবে? আমরা জানি প্রসেসর এক একটা ক্লকসাইকেলে এক একটা ইন্সট্রাকশন এক্সিকিউট করে থাকে। দুইটা থ্রেড মানে হচ্ছে সে একটা ক্লকসাইকেলে একটা প্রসেস এর একটা ইন্সট্রাকশন এক্সিকিউট করবে এবং পরের সাইকেলে ঠিক অন্য একটি প্রসেসের আর একটা ইন্সট্রাকশন এক্সিকিউট করবে। এভাবেই দুইটা বা তার বেশী প্রসেস একই সাথে চালান যায়। যাকে বলে প্যারালেল প্রসেসিং।

ঠিক সেরকম প্রতিটা পরমাণুর অন্তর্গত কণাগুলোও যদি প্রতিটা কম্পণে আলাদা আলাদা আচরণ করে তাহলেই একই বস্তু একই সময় বিভিন্ন রকম দেখাবে বা আচরণ করবে। তবে ব্যাপারটা ঠিক একই মানুষ দুই যাগায় থাকার মত না বড়ং একই পরমাণু কম্পণের এক সাইকেলে একটা মানুষের অংশ হতে পারে আবার অন্য সাইকেলে হয়ত অন্য একটা বস্তু বা প্রাণীর অংশ হয়ে যাবে। সেটা থেকেই মূলত বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী আসছে প্যারালেল ওয়ার্লড।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনি যা যা বলছেন তা বর্তমান জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে। এই প্রথিবীতে সবকিছুই আপেক্ষিক। অর্থাৎ, আজ যেটাকে আপনি সত্য বলে জানছেন, কাল সেটা বদল হয়েও যেতে পারে, কিংবা ভাইস-ভার্সা।

আজ থেকে ৫০০ বছর আগে চাদে মানুষ যাওয়াকেও বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীই বলা হতো নিশ্চয়ই, যেটা আজ বৈজ্ঞানিক সত্য। মাল্টিভার্স বা এইজাতীয় ব্যাপারগুলোর কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি না থাকলে স্টিফেন হকিং এর মতো বিজ্ঞানী নিশ্চয়ই এসব নিয়ে কাজ করতেন না।

আপনি কম্পিউটারের প্রসেসরের যে উদাহরন দিয়েছেন....আপনি কি নিশ্চিত, এই জ্ঞানের কোন নড়চড় ভবিষ্যতে হবে না? অণু-পরমানু থেকে শুরু করে সর্ববিষয়েই এই একই কথা প্রযোজ্য।

১০| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আচ্ছা আপনার এই খেলা যখন পড়িছি মনে মনে যা ভাবছি তখন অন্য কোন গ্রহের এই আমার মত আমিও কি ঠিক তাই ভাবছে নাকি!

কি অদ্ভুত ব্যাপার সেপার।
+++++++++ মফিজ ভায়া তো দেখছি সেই রকম একখান পোস্ট দিলেন । অন্য খানের মফিজ কি করছে কে জানে ?

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ব্যাপার তো অদ্ভুদই বটে। সোজা-সাপ্টা হলে তো এতো কথা বলার প্রয়োজন পড়তো না। :)

১১| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৭

জুন বলেছেন: Valerian and the City of a Thousand Planets সিনেমায় একমাত্র দেখলাম মাল্টি ভার্স বাসীরা অন্যরকম সাজুগুজু চেহারা অন্যান্য এলিয়েনদের চেয়ে ভিন্ন রূপ। তবে সেই গ্রহের সব বাসিন্দাদের একই চেহারা। এই পর্যন্ত বিজ্ঞানীদের কল্পনায় যতগুলোএলিয়েন দেখলাম সবগুলোর চেহারাইতো একরকম। আমাদের এই মহাবিশ্বের আমাদের গ্রহের মত এত বৈচিত্র্যময় চেহারা আর কোত্থাও নাই।
এটা চোখ বুলানো মন্তব্য, পরে ভালো করে সময় নিয়ে পড়ে একখানা পান্ডিত্যপুর্ন মন্তব্য করে যাবো /:)
+
:``>>

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:০৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কল্পনায় আর কতোদূর যাওয়া যাবে বলেন! সেই হাত-পা-চোখওয়ালা কিছু একটাই তো! এসব কল্পনা সিনেমার লোকজন আর লেখকরাই তো করে। বাস্তবে যদি এদের শেষপর্যন্ত আমরা দেখি-ই, কি দেখবো তা একমাত্র আল্লাহই জানে। :)

পান্ডিত্যপূর্ন মন্তব্য পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম। আবার ভুলে যাবেন না কিন্তু.......অবশ্য আমি আছি মনে করিয়ে দেয়ার জন্য। =p~

১২| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪

বলেছেন: প্যারালাল ইউনিভার্স আসলে ‘অন্ধের হস্তি দর্শনের মতো’ কারণ এর স্বপক্ষের এই মুহুর্তের প্রমাণগুলো খুব একটা শক্তিশালী না।

দার্শনিক জিওর্দানো ব্রুনো (১৫৪৮-১৬০০) মতবাদটি … মানুষের চিন্তার দাসত্ব থেকে সচেতনভাবে মুক্তির সর্বপ্রথম সোপান। মানুষকে আর সসীম মহাবিশ্বের সঙ্কীর্ণ চৌহদ্দির কারাগারে বন্দী আসামীর মতো জীবন কাটিয়ে যেতে হবে না,সে হবে সত্যিকারের মুক্ত বিহংগ; সে ভেঙ্গেচুরে ফেলবে কাল্পণিক যত দেওয়াল।


জিওর্দানো ব্রুনোকে ১৬০০ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি পুড়িয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়,

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:২৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সাধারন মানুষ শুধুই কল্পনা করে। বিজ্ঞানীরা কল্পনা করেই শেষ করে না, সেটা বাস্তবায়নের জন্যও কাজ করে।
দার্শনিক জিওর্দানো ব্রুনো-ই তো বলেছেন যে, মানুষ ভেঙ্গেচুরে ফেলবে কাল্পণিক যত দেওয়াল। কেন এবং কিভাবে.....এটা কি চিন্তা করার মতো একটা বিষয় না? আপনি কি বলেন?

এই মুহুর্তের প্রমাণগুলো খুব একটা শক্তিশালী না। দূর্বল, শক্তিশালী.....এসব কথাগুলো খুবই আপেক্ষিক। :)

১৩| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: এমনও তো হতে পারে যে আমরা নিজেরাই অন্য কোন একটা গ্রহের প্যারালাল। তাদের অনুসরণ করে আমরা এখানে কাজ করছি

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৪০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: হতে তো অনেক কিছুই পারে।
তবে নিজেকে ভুয়া হিসাবে কেউ দেখতে চায় না; সবাই ভাবে আমিই জেনুইন। (এক্ষেত্রে আমি অবশ্য একটু ব্যাতিক্রম!! ;) )

কে যে আসলে কি, তা পুরাপুরি বোঝার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। কতোদিন? কেউ জানে না! :)

১৪| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৩৯

মুক্তা নীল বলেছেন: @সাজ্জাদ ভাই এগুলো আপনি কি বলেন আল্লাহ নারাজ হইবো তো?
মফিজ ভাই,
কোয়ান্টাম মেকানিক্স বলছে এ জগত নিয়ে দ্বিমত নেই বিজ্ঞানীরা বলছে মহাবিশ্বে একাধিক পৃথিবী আছে ।সেদিন পত্রিকায় প্যারালাল ইউনিভার্স নিয়ে পড়ে মাথা এলোমেলো আবার এই জায়গায়ও...

লিখতে থাকুন যার যার বিশ্বাস তার তার কাছে। তবে হ্যাঁ আপনি এই কঠিন বিষয়টা নিয়ে ভালো লিখেছেন।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্যারালাল ইউনিভার্স মাথা খারাপের মতোই একটা বিষয়। আসলে আমাদের, সাধারন মানুষের চিন্তার একটা সীমাবদ্ধতা আছে, ফলে কোনকিছু মাথার উপর দিয়ে গেলেই আমরা সেটা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করি.....কিন্তু যেহেতু কোন সমাধান পাই না; তাই শেষ পর্যন্ত মাথা খারাপ করে ফেলি। :)

এই সমস্যা বিজ্ঞানীদের কম। তারা বিয়ন্ড দ্য ইমাজিনেশান চিন্তা করতে পারে।

অবশ্যই যার যার বিশ্বাস তার তার কাছে, কারো বিশ্বাসকেই রুল আউট করা ঠিক না।

১৫| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:২০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পড়লাম। বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করছি।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৫৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অবশ্যই বোঝার চেষ্টা করা উচিত। কিছু বুঝলে জানায়েন। :)

১৬| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৩৮

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: চমৎকার, ইন্টারেস্টিং একটা টপিক নিয়ে লিখেছেন। পড়ে, লগইন করতে বাধ্য হলাম।

প্যারালাল ইউনিভার্স থিওরি'টা মাঝে মধ্যে ভাবায়। আমারও মনে হয়, আমি এই মুহুর্তে যা যা ভাবছি সব অন্য কোনো ইউনিভার্সে আমার মতো কেউ করছে। অর্থ্যাৎ আমার দ্বারা যা যা করা সম্ভব সব কিছুই আলাদা আলাদা ইউনিভার্সে ঘটবে....
আপনি একটা মন্তব্যে বলেছেন, শয়তান 4ডাইমেনশনে আমাদের সাথে থাকতে পারে। আমারও তাই মনে হয়- জ্বীন, পরী, ফেরেশতা এইসব অন্যমাত্রার বা তিনমাত্রা থেকে অধিক ডাইমেনশনে আমাদের সাথে থাকতে পারে। (ধর্মীয় বিশ্বাস, বিজ্ঞান সব মিলিয়ে মাঝেমধ্যে আমার ভেতরে জগাখিঁচুড়ি টাইপ কিছু ভাবনা ঘুরাঘুরি করে।)
ভালো থাকবেন।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:২০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার এই জগাখিঁচুড়ি টাইপ ভাবনাগুলো আমাদের সাথে শেয়ার করেন। ব্লগে চিন্তাবিদ যারা আছে, তাদের মাথায় কোন আইডিয়া আসলেও আসতে পারে। যাদেরকে আমরা ধরতে কিংবা ছুতে পারি না, তারা অন্যভুবনের বাসিন্দা। অন্য মাত্রায় তাদের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না একেবারে! ;)

১৭| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৫২

সুমন কর বলেছেন: ১৯৫৪ সাল !! বেশি বছর আগে নয়, এয়ারর্পোটের কোন ফুটেজ নেই !! থাকলে উনার ছবি সংগ্রহ করে রাখা যেত। পরে আমরা বলতে পারতাম, "এই যে দেখেন, ভিন্ন ইউনিভার্সের মানুষের ছবি !!..............ফান করলাম (কিছুটা)।।। ;)
আসলে বিশ্বাস আর বিজ্ঞান মাঝে অনেক দূরত্ব। তাই কিছু জিনিসের ব্যাখ্যা এখনো খুঁজে পাওয়া যায় না। পোস্টটি ভালো লেগেছে। আপনার লেখা পড়ে, Upside Down (2012) মুভির কথা মনে পড়ল.......সেখানে দুই ইউনিভার্সের মানুষের প্রেম করার প্লট নিয়ে কাহিনী ছিল।

পোস্টে +।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:২৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপাততঃ বিভিন্ন মুভি দেখেই ভিন্ন ইউনিভার্সের মানুষ দেখার শখ মেটাতে হবে আমাদেরকে, যতোদিন বিজ্ঞান কিছু একটা না করতে পারে। আমাদের এই দুনিয়ায় ব্যাখ্যাতীত ইভেন্টের অভাব নাই। বিজ্ঞান যতোই অগ্রসর হোক না কেন, কিছু ব্যাখ্যাতীত ব্যাপার রয়েই যাবে সবসময়।

তবে এই ব্যাপারটা যেহেতু অবৈজ্ঞানিক কিছু না, তাই আশা করা যায় খুব বেশীদিন হয়তো অপেক্ষা করতে হবে না আমাদেরকে। ততোদিন পর্যন্ত না হয় মুভিই দেখি.....কি বলেন! :)

১৮| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৪৩

আরইউ বলেছেন: লেখাটা আরো বড় হতে পারতো; পড়তে ভালো লাগছিলো।

পড়ে আরাম পাওয়া যায় এমন লেখা ব্লগে এখন কালেভদ্রে আসে।

ভালো থাকুন, ভুয়া!!

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৫৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অবশ্যই........অনেক অনেক বড় হতে পারতো।
সমস্যা হলো, আমরা, ব্লগাররা বেশী বড় লিখা পড়তে গেলে আগ্রহ হারিয়ে ফেলি। তাছাড়া এটা জটিল একটা বিষয়। যতো বড়, ততো জটিল হবে; বিজ্ঞানের বিভিন্ন ব্যাপার নিয়ে কথা বলতে হবে। কাজেই জটিলতা পরিহার করার চেষ্টাও ছিল।

সবাই যেন পড়ে বেসিকটা জানতে পারে, সেটাই আমার আসল চাওয়া।

আপনিও ভালো থাকবেন। :)

১৯| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:০৭

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: আমি আপনার পার্শবর্তী ইউনিভার্স 'বীথিপৃ'র বাসিন্দা ! আমার দেশে দুই রাজনৈতিক দলের দুই নেতা ও তার অনুসারীরা সারাক্ষন কাইজ্যা ও মারামারিতে লিপ্ত থাকেন | আপনার ইউনিভার্সে এমন কোনো দেশ আছে কি ? ;)

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:০০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমাদের এখানেও এমন দেশ আছে। ক্ষমতা নিয়ে কাইজ্জা, মারামারি আমাদের এখানেও অনেক দেশেই একটা বড় সমস্যা। আপনারা নিশ্চিন্তে থাকেন, এই বিশ্ব-ব্রহ্মান্ডে যতো ইউনিভার্স আছে, সবখানেই এটা একটা সমস্যা! :P

২০| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:৫২

নতুন বলেছেন: থিউরি হিসেবে ঠিক আছে...

কিন্তু ৩টা কাহিনি ভুয়া হবার সম্ভানা ৯৯.৯৯৯%

সবই ঠিক্ আছে... ভাষাও এক কিন্তু শুধুই অল্প কিছু জিনিস পাথ`ক্য? যেমন দেশের নাম বা টাকা আলাদা...বাকি সবই এক হবে কেন?

দুনিয়ার প্রতিটি জিনিস একটা আরেকটার সাথে সম্পক` যুক্ত.... তাই ১০০০ বছর আগে যদি একটা দেশ পাল্টে দেন... তবে দুনিয়াতে অনেক কিছুই পাল্টে যাবে.... ।

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:০৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার মন্তব্যটা দু'বার এসেছে। একটা মুছে দিলাম।

আমি শুধু তিনটা কাহিনী বলেছি, এমন আরো অনেক আছে। কাহিনী ভুয়া, নাকি জেনুইন.....এটা বলা এই পোস্টের মূল উদ্দেশ্য না।
আমি নিশ্চিত, আপনি মূল উদ্দেশ্যটা বুঝতে পেরেছেন। :)

২১| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১:৪৭

আরোগ্য বলেছেন: নো কঠিন প্রশ্ন অনলি সহজ মন্তব্য।

দেশের নামগুলি নাম, দেশ, ফুল, ফল খেলায় লেখা যাবে। ;)

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:১১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সহজ মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
দেশের নামগুলি নাম, দেশ, ফুল, ফল খেলায় লেখা যাবে। ;) অবশ্যই.....কেন নয়? আপনি চাইলে এমন আরো দেশ, মহাদেশের নাম আপনাকে দেয়া যেতে পারে। :P

২২| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৪৬

নতুন বলেছেন: প‌্যারালাল ইউনিভা`সের আইডিয়া অবশ্যই জটিল একটা আইডিয়া....

কিন্তু যদিও থাকে তবে সেটা আমাদের থেকে পুরো আলাদা হবার সম্ভবনা খুবই বেশি....

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সবকিছুই এখন সম্ভাবনার মধ্যে সীমাবদ্ধ। দেখা যাক, ভবিষ্যত কি বলে? :)

২৩| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:১৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
প্যারালাল ইউনিভার্স সম্ভবত কাল্পনিক।
তবে এন্টি ইউনিভার্স আছে। থাকার সম্ভাবনা বেশী। যেহেতু এন্টি ম্যাটারের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ল্যাবেও পরিক্ষিত হয়েছে।

১৪ বিলিয়ন বছর আগে বিশ্বব্রহ্মান্ডের সবকিছু একটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র এককে সীমাবদ্ধ ছিল। এমনি কোন এক অজানা কারনে এটা হঠাৎ প্রসারিত হতে শুরু করে।
মুলত বিগব্যাং বিষ্ফোরন কারনে সব গ্যালাক্সিগুলো তৈরি হয়ে প্রসারিত হয়ে এই ইউনিভার্স।
বিগব্যাং কারনে একই সাথে একই সংখক গ্যালাক্সি নিয়ে এন্টি ইউনিভার্স আমাদের ইউনিভার্সের বিপরিত দিকে তাই দেখার প্রশ্নই আসে না।
সে হিসেবে এন্টি পৃথিবী থাকার কথা, এন্টি মানুষও । এন্টি মফিজ বা এন্টি হাসান আছে কিনা এইটা ভাবনার বিষয়।

অসীমের সন্ধানে নাসার কিছু অভিযান নিয়ে একটি লেখা লিখেছিলাম । পড়ুন -
অসীমের সন্ধানে

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:১৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বলাবলির কোন শেষ নাই। কেউ কেউ তো বলে, এন্টি-ইউনিভার্স বিগব্যাং এর আগেই ছিল। তাতে কি আসে যায়?

স্টিফেন হকিং এর মতো বিজ্ঞানী বলেছেন, প্যারালাল ইউনিভার্স আছে, শুধু ফুলপ্রুফ প্রমান করা বাকী। এন্টি ম্যাটার নিয়ে কাজ হয়েছে। কিন্তু এন্টি-ইউনিভার্স নিয়ে এই লেভেলের কোন বিজ্ঞানী কি সরাসরি কাজ করছে? আমার জানা নাই। প্যারালাল ইউনিভার্স এখনও একটা সম্ভাবনা ঠিকই, কিন্তু এটা নিয়ে প্রচুর কাজ হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের দাবী, কিছু কিছু প্রমানও পাওয়া গিয়েছে।

আপনি একবার বলেছেন, এন্টি ইউনিভার্স আছে। আবার বলেছেন, থাকার সম্ভাবনা বেশী। আবার বলেছেন, প্যারালাল ইউনিভার্স সম্ভবত কাল্পনিক। দেখা যাক, ভবিষ্যত কি বলে! ;)

এন্টি মফিজ থাকার কোন কারন নাই। কারন, এই মফিজ শুধু কাগজে-কলমে......বাস্তবে এর কোন অস্তিত্ব নাই। :P

২৪| ০১ লা মে, ২০১৯ বিকাল ৩:২৫

আরইউ বলেছেন:

প্যারালাল ইউনিভার্স এবং মাল্টিভার্সের অস্তিত্বে বিশ্বাস করতে আমার ভালোলাগে। আমাদের ক্ষুদ্র সীমাবদ্ধ জ্ঞানে কতটুকুই বা আমরা জানি!

০১ লা মে, ২০১৯ বিকাল ৪:০৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্যারালাল ইউনিভার্স এবং মাল্টিভার্সের অস্তিত্বে বিশ্বাস করতে আমার ভালোলাগে। আমাদের ক্ষুদ্র সীমাবদ্ধ জ্ঞানে কতটুকুই বা আমরা জানি! একদম আমার মনের কথাটাই বলেছেন। প্যারালাল ইউনিভার্স, মাল্টিভার্স, এন্টি-ইউনিভার্স, বিগব্যাং এগুলো সবই প্রচন্ড রহস্যময় একেকটা বিষয়। আর রহস্যে ঘেরা যে কোনও কিছুতেই আমার সীমাহীন আগ্রহ।

এগুলো যখন প্রমানীত বিষয় হয়ে যাবে, তখন আমি নিশ্চিত.....আমার এই আগ্রহ আর থাকবে না।

আমার মতো একজনকে পেয়ে ভালো লাগলো! :)
ভালো থাকবেন।

২৫| ০১ লা মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৪

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: পড়লাম পুরোটা। প্রথম ঘটনাটা আগেও পড়েছি। তবে তখন এত বিস্তারিত লেখা ছিল না। প্যারালাল ওয়ার্ল্ড আছে এটা ব্যাখ্যা করতে অনেক আমাদের নবী (স:) এর মেরাজের উদাহরণ দিয়ে থাকেন..





আপনারা সবাই জানেন, আমি একজন মফিজ;
অত্যন্ত সাধাসিধা গোবেচারা 'হরিপদ
পাল' টাইপ ব্লগার। হাহাহা....

০২ রা মে, ২০১৯ রাত ১:৫৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যতোদূর জানি, মহানবী (সাঃ) এর মেরাজের ঘটনাটা টাইম ট্রাভেলের একটা দারুন উদাহরন। প্যারালাল ইউনিভার্সের সাথে এটা অতোটা সম্পর্কিত না.......তারপরেও কথা থাকে। হলেও হতে পারে! আল্লাহ ভালো জানেন।

আমিতো মফিজ-ই.....কোন সন্দেহ আছে? =p~

২৬| ০১ লা মে, ২০১৯ রাত ১১:৪৩

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

প্যারালাল ইউনিভার্স থেকে সামুর ভাই মামু কিংবা খামু হাজির!!!!!!!! :) :) :)

০২ রা মে, ২০১৯ রাত ১:৫৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমার পোস্টে তুমি হইলা গিয়া অমাবশ্যার চাদ। এইসব আবজাব কথা কয়া লাভ আছে কোনো!!! :P

২৭| ০২ রা মে, ২০১৯ রাত ২:৫৬

রিম সাবরিনা জাহান সরকার বলেছেন: হুম্‌, চিন্তার খোরাক যোগালেন।

০২ রা মে, ২০১৯ দুপুর ১২:১১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: হুম্‌, চিন্তা-ভাবনা করেন.......কিছু যদি পান, জানাতে ভুলবেন না যেন! :)

২৮| ০২ রা মে, ২০১৯ রাত ৮:২০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ছোট বেলায় ভাবতে ভালোই লাগতো এমন, এখন ও প্রমাণ পেলে ভালো ই লাগবে।

০২ রা মে, ২০১৯ রাত ৮:২৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: শায়মার মতো আপনিও দেখি অমাবশ্যার চাদ হয়ে গিয়েছেন! সামু'র বিগশটদেরকে দেখলে ভালো লাগে। চরম উৎসাহ পাই! :)

ছোটবেলার ভাবনা হতো লাগামছাড়া কল্পনা। এটা অবশ্য অতোটা লাগামছাড়া না। অপেক্ষায় আছি.......দেখি কি হয়। ;)

২৯| ০২ রা মে, ২০১৯ রাত ৮:৩৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আহা ! এমন অনেকদিন না ফিরলে যদি এমন উপমা পাওয়া যায় !!! তাইলে মাঝে মাঝে উধাও হতে আপত্তি নেই :P

০২ রা মে, ২০১৯ রাত ৯:১২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: না না, প্রত্যেক মন্তব্য প্রতি-মন্তব্যেই এর চেয়েও আকর্ষনীয় উপমা দিবো! তাও উধাও হয়েন না। =p~

৩০| ০৩ রা মে, ২০১৯ বিকাল ৪:২৩

আখেনাটেন বলেছেন: মাল্টিভার্সের অংশ হলে খারাপ কি! তবে আপসোস থেকে যাবে, যদি মরার আগে উনাদের সাথে দেখা করে যেতে পারতুম। :P

০৭ ই মে, ২০১৯ ভোর ৬:৫৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কথিত আছে যে, মিশরের পিরামিড, মমি বা তৎকালীন প্রযুক্তির সবই ভিনগ্রহের বাসিন্দাদের অবদান। ভিন্নভাবে বলা যায়, হয়তোবা মাল্টিভার্সের বাসিন্দাদের অবদান! সে হিসাবে একজন মিশর অধিপতি হিসাবে আপনার তো এদের সাথে ইতোমধ্যে মোলাকাত হয়ে যাওয়ার কথা.......নাকি ভুল বললাম!! ;)

ভালো কথা, আপনার মিশর-ভ্রমনের বাকী অংশ কি ভুলে গিয়েছেন.....নাকি লিখতে ভুলে যাচ্ছেন.....নাকি পোষ্ট করতে ভুলে যাচ্ছেন, কোনটা?? এটা মাল্টিভার্সের উপস্থিতি আছে কি নেই তার মতোই বিশাল এক প্রশ্ন! =p~

৩১| ০৩ রা মে, ২০১৯ রাত ৯:১০

ফয়সাল রকি বলেছেন: মাল্টি বা প্যারালাল ইউনিভার্স নিয়ে বেশ কিছু গল্প পড়েছি , ব্যাপারটা ভালই লাগে ভাবতে।
সুন্দর পোস্ট, তবে থিউরিগুলো আরো বিস্তারিত আরেকটা পোস্ট দিয়েন।

০৭ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:৩৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দেখি....আপনার মনের আশা পূরণ করতে পারে কিনা! :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.